মধু ও স্বাস্থ্য Real Food For You

মধু ও স্বাস্থ্য Real Food For You Royal Honey is collected from world largest mangrove Sundarban it is Raw, Wild, Natural, Unheated, Undiluted, Unprocessed.

আপনি যদি বলেন, এটা খায় না মাথায় দেয়! তবে বলি, এটা দুটোই করে। শুধুমাত্র ঔষধের চামচ বা খাবার প্লেটেই নয়, রুপচর্চায়ও দারুণ কাজ দেয়।

মধুতে দুটি দিক থাকে একটি ঔষধি অপরটি পুষ্টিগত, বাজারে প্রচলিত দেশি/বিদেশি নানা ব্র্যান্ডের মধু পাওয়া যায় দেখতে খুবই স্বচ্ছ (ক্রিস্টাল), এই মধু পরিশোধিত, আর পরিশোধিত মধুতে কিছু পরিমাণ পুষ্টি পেতে পারেন, তবে ঔষধি উপাদান থেকে আপনি বঞ্চিত হবেন "যা পাবেন একমাত্র অপরিশোধিত

ও অমিশ্রিত (Unprocessed & Undiluted) (Raw Honey) (কাঁচা মধু) মধুতে। মধুর ব্যাপক গুনাগুন, ব্যবহার ও উপকারিতা সম্পর্কে এখানে নিয়মিত আপডেট করা হয়। উপকারী মনে হলে- লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার করে বন্ধুকে জানিয়ে দিন।

12/06/2018
10/06/2018

১৮র আগে নয়
Do'nt before the 18+ yrs
অবশ্যই পুরোটা দেখবেন

https://plus.google.com/u/0/101647355624382689999/posts/T9jnHje5YVG
10/06/2018

https://plus.google.com/u/0/101647355624382689999/posts/T9jnHje5YVG

শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতে প্রতিদিন পান করুন প্রাকৃতিক শক্তিতে ভরপুর এই বিশেষ চা-টি শুধু আপনার রসনা তৃপ্তি করবে না, স...

08/06/2018

সবাইকে অগ্রীম ঈদ মোবারক

08/06/2018

বাবাদের ঈদ এরকমই হয়
চোখ ভিজে গেল.... (অসাধারন ভিডিও)

 #ফরমালিন_মুক্ত_আম_চেনার_উপায়এখন আমের মৌসুম। আম খেতে ভালবাসেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। গ্রীষ্মের এই দাবদাহের গরমে ...
08/06/2018

#ফরমালিন_মুক্ত_আম_চেনার_উপায়
এখন আমের মৌসুম। আম খেতে ভালবাসেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। গ্রীষ্মের এই দাবদাহের গরমে থেকে মুক্তি পেতে অনায়াসে খেতে পারেন আম। দেশজুড়ে আমের ফলনও বেশ ভালো হয়।

হিমসাগর, ফজলি, ল্যাংড়া বা আম্রপালি আমের স্বাদ থেকে দূরে থাকতে পারে না কেউই। কিন্তু এই আমের সঙ্গে শরীরে বিষ ঢুকছে না তো! উপাদেয় এই ফলটি দীর্ঘদিন ‘তাজা’ রাখতে ফরমালিন-সহ অন্যান্য ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ মেশানো হয়।

ফরমালিন মেশানো আম খেলে কিডনি, লিভার-সহ বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। সেই সঙ্গে বিকলাঙ্গতা,এমনকি ক্যানসারেও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। তাহলে কি আমও খাওয়া যাবে না! কীভাবে বুঝবেন আমে ফরমালিন মেশানো আছে কিনা? ফরমালিন মেশানো আম চেনারও উপায় আছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক।

প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমের বৃন্তে সুঘ্রাণ মিলবে। কিন্তু ফরমালিনযুক্ত আমের বৃন্তে কোনও ঘ্রাণ থাকবে না। তাই কেনার আগে গন্ধ শুঁকে দেখে নিতে পারেন।

আমের রং দেখেও চেনা যায় ফরমালিনযুক্ত। প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমে হলুদ এবং সবুজের একটা মিশেল থাকে। অনেক সময় হালকা সবুজ রঙেরও হয়। আবার আমার গায়ে সাদাটে বা কালো দাগ দেখা যায়। কিন্তু ফরমালিনযুক্ত বা অন্যান্য কেমিকেল দিয়ে পাকানো আমগুলো দেখতে খুব সুন্দর, চকচকে আর সম্পূর্ণ হলুদ রঙের হয়। আমের গায়ে কোনও দাগ থাকে না।
প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম বেশ মিষ্টি হয় এবং সেগুলি অনেক বেশি রসালো হয়। কিন্তু ফরমালিনযুক্ত আমে রস অনেক কম থাকে।

প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম মুখে দিলে টক-মিষ্টি স্বাদ মেলে। তাছাড়া এই আমে মাছিও বসবে। কিন্তু ফরমালিনযুক্ত আমে তেমন কোনও স্বাদ পাওয়া যায় না। এগুলোতে মাছিও বসে না।
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ফরমালিনযুক্ত আম খেলে পেটে ব্যথা, গলা জ্বলা এমনকি ডাইরিয়া পর্যন্ত হতে পারে। তাই সতর্ক হওয়া জরুরি।

 #গরিবের_ডাক্তারডা. মো. এবাদুল্লাহ ছিলেন সিভিল সার্জন। কিন্তু সাতক্ষীরার লোকে তাঁকে চেনে গরিবের ডাক্তার নামে।  #পাঁচ টাক...
08/06/2018

#গরিবের_ডাক্তার
ডা. মো. এবাদুল্লাহ ছিলেন সিভিল সার্জন। কিন্তু সাতক্ষীরার লোকে তাঁকে চেনে গরিবের ডাক্তার নামে। #পাঁচ টাকা ভিজিট নিতেন। এখন নেন ১০ টাকা।
#গরিবের ডাক্তার
দৈনিক প্রায় ৭০ থেকে ১০০ জন রোগী আসে নওয়াব ক্লিনিকে। সাতক্ষীরার নানা জায়গা থেকে আসে তারা। বড় অংশই ভ্যানচালক, রিকশাচালক, দিনমজুর বা এ রকম পেশার লোক!
১৯৭৭ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেছেন। পাঁচ টাকা ভিজিট নেওয়া শুরু করেছেন ১৯৭৯ সাল থেকে। ২০১০ সাল পর্যন্ত ভিজিট ছিল ওই পাঁচ টাকাই। সাতক্ষীরার পাকাপুল এলাকার খান সুপার মার্কেটে তাঁর চেম্বার।
#বেড়ে ওঠার গল্প
১৯৫৩ সালের ৩০ এপ্রিল সাতক্ষীরার আশাশুনির কাদাকাটি গ্রামে তাঁর জন্ম। ১১ ভাই-বোনের মধ্যে তিনিই সবার বড়। ১৯৬৮ সালে হামিদ আলী হাই স্কুল থেকে প্রথম শ্রেণিতে এসএসসি পাস করেন। এরপর চলে যান খুলনা শহরে। ১৯৭০ সালে বিএল কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ভর্তি হন রাজশাহী মেডিকেল কলেজে। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পড়াশোনায় বিরতি নিয়ে যুদ্ধে যোগ দেন। তখন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সেবাও দিয়েছেন। যুদ্ধ শেষে আবার কলেজে ফিরে যান। ১৯৭৭ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। তারপর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই সহকারী সার্জন হিসেবে যোগ দেন। ১৯৮০ সালে নিজ এলাকা সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলে আসেন। পল্লী চিকিৎসকদের মাস্টার ট্রেইনারের দায়িত্ব পালন করেন। তারপর মেডিকেল অফিসার হিসেবেও কাজ করেছেন। চাকরির শেষ দিকে ছিলেন সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন। ২০১০ সালে অবসর নেন চাকরি থেকে।
#কথা দিয়েছিলেন দাদাকে
#দাদাকে দেওয়া কথা রাখতেই তিনি আজ গরিবের ডাক্তার। দাদার নাম নওয়াব আলী সরদার। ছোটবেলায় এবাদুল্লাহকে পড়াতেন। দাদা বলতেন, ‘বড় হয়ে ডাক্তার হবা, মানুষের সেবা করবা। খেয়াল রাখবা, এটা ব্যবসা না। ছোট-বড় সব মানুষ জানি তোমার সেবা পায়। ’ এবাদুল্লাহ দাদাকে কথা দিয়েছিলেন, মানুষের সেবা করবেন। সেই কথা কখনোই ভোলেন না ডা. মো. এবাদুল্লাহ। বলছিলেন, ‘আমার দাদার কথাগুলো আমি আজও মনে রেখেছি। আমার সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নামও রেখেছি দাদার নামে—নওয়াব ক্লিনিক। ’ ১৯৭৯ সাল থেকেই এবাদুল্লাহ নামমাত্র টাকায় চিকিৎসা সেবা দেওয়া শুরু করেন। অফিস শেষ করে পাকাপুল মোড়ে এসে নিজের চেম্বার খুলে বসতেন তিনি। ভিজিট নির্ধারণ করেন পাঁচ টাকা। বলছিলেন, ‘গরিব মানুষের কাছে ফি চাইতে আমার বিবেকে বাধে। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক কারণে আমি এই সেবা দিয়ে আসছি। ’ ২০১০ সাল থেকে পাঁচ টাকার পরিবর্তে ফি ১০ টাকা হওয়ার কারণও বললেন, ‘আমার চাকরি যত দিন ছিল আমার টাকার দরকার ছিল না, এখন ছেলে-মেয়েরা চাকরি করে, এখনো টাকার দরকার নেই। তবে চেম্বারের ভাড়াসহ বেশ কয়েকজন নার্স স্টাফের খরচ গুনতে হয়। সে জন্য ফি বাড়িয়ে খরচ পোষানোর চেষ্টা করেছি। এ টাকা আমি নিই না। ’
#সরেজমিন নওয়াব ক্লিনিক
দৈনিক প্রায় ৭০ থেকে ১০০ জন রোগী আসে নওয়াব ক্লিনিকে। সাতক্ষীরার নানা জায়গা থেকে আসে তারা। বড় অংশই ভ্যানচালক, রিকশাচালক, দিনমজুর বা এ রকম পেশার লোক। কালীগঞ্জ উপজেলা থেকে এসেছেন নিত্য সরকার। পেশায় তিনি দিনমজুর। তাঁর পেটব্যথা রোগ। বললেন, ‘ডাক্তার সাহেব আমার মতো গবিরের শেষ ঠিকানা। বড় ফি দিয়ে ডাক্তার দেখানোর ক্ষমতা আমার নেই। তাই সমস্যা হলেই তাঁর কাছে আসি। অনেক বছর ধরে। ’ এদিকে কোলে বাচ্চা নিয়ে এসেছেন আসমা খাতুন। বললেন, ‘বাচ্চা কাল রাত থেকেই চিত্কার করতাছে। তাই সকাল সকাল চলে এসেছি। হাসপাতালে গেলে বসায় রাখে।
ঠিকমতো কথা কয় না। আমাগের এই ডাক্তার সাহেবই ভালো। ’
#আগামী দিন
গরিবের ডাক্তার মো. এবাদুল্লাহ। যত দিন বেঁচে থাকবেন তত দিন সেবা দিয়ে যেতে চান। কেউ যখন এসে বলে, ‘ডাক্তার সাহেব, ভালো হয়ে গেছি’, তখন তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ। তিনি চান, তাঁর মৃত্যুর পরও পরিবারের লোক এ সেবাকাজ চালিয়ে যাক। মানুষের উপকার করুক।
#সূত্রঃ কালেরকন্ঠ

®SD

Address

Koyra
Khulna
9290

Telephone

8801717472264

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মধু ও স্বাস্থ্য Real Food For You posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to মধু ও স্বাস্থ্য Real Food For You:

Share