ইবি মনোবাতায়ন

ইবি মনোবাতায়ন IUian-ইবিয়ানের একটি উদ্দোগ। কখনো কোন ইবি?

01/10/2024

চলার পথে জীবনের ছোট-বড় জটিলতা, ছোট্ট-ছোট্ট অভিমান, খারাপ লাগা কিংবা মন খারাপের গল্পগুলো যখন কেউ শুনতে চায়না ঠিক তখনই হতাশা আমাদের চারদিক থেকে ঘিরে ধরে। সেই হতাশার বশবর্তী হয়েই আমরা নিয়ে নিই নানারকমের ভুল সিদ্ধান্ত। নিজেকে সবার থেকে দূরে সরিয়ে নেয়া,নিজের ক্ষতি করা এমনকি আত্মহত্যার পথ ও আমরা বেছে নিই কেবলমাত্র নিজের সমস্যার কথাগুলো বলার জন্য কাউকে পাশে না পাওয়ার কারণে। ঠিক এমনই একটি আবহ তুলে ধরা হয়েছে আমাদের এবারের ভিডিও তে।

আপনার পাশের হতাশাগ্রস্থ মানুষটির পাশে থাকুন, তার কথা শুনুন। আর শোনার মতো কাউকে না পেলে নিচের নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করুন। আমরা ইবি মনোবাতায়ন, ইবিয়ানদের মনের কথা শুনতে চাই।

হটলাইন:
01971862752, 01718-031364, 01997085884, 01768609593, 0 1312-214005

দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানসিক স্বাস্থ্য বর্তমান সময়ে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়ে পরিনত হয়েছে। ভয়, শঙ্কা...
26/09/2024

দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানসিক স্বাস্থ্য বর্তমান সময়ে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়ে পরিনত হয়েছে। ভয়, শঙ্কা, হতাশা ও অনিশ্চয়তার কারণে আমাদের স্বাভাবিক জীবন হচ্ছে ব্যাহত।
এসব বিষয় নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক একমাত্র মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তাকারী সংগঠন ইবি মনোবাতায়ন আয়োজন করছে বিশেষ লাইভ।

তারিখ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ( শুক্রবার)
সময়: রাত ৮.৩০

আপনারা সবাই আমন্ত্রিত।

এই কঠিন সময়ে বিনামূল্যে সার্ভিস!  দেশের এই নতুন অধ্যায়ে, আমরা প্রায় সবাই নানা মানসিক দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এই দুঃস...
15/08/2024

এই কঠিন সময়ে বিনামূল্যে সার্ভিস!

দেশের এই নতুন অধ্যায়ে, আমরা প্রায় সবাই নানা মানসিক দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এই দুঃসময়ে, আপনার পাশে আছি আমরা একদল ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট সেবা প্রদানের জন্য সর্বদা। অস্থিরতা, উদ্বেগ, ভয়, দুঃখ—সবকিছু বুঝতে ও হালকা করতে চায় আপনার মন।
"পাশে আছি": মানসিক স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে! এই উদ্যোগের মাধ্যমে ১-টু-১ সেশন (সর্বোচ্চ ৩-৪ টি সেশন), গ্রুপ সেশন, ওয়ার্কশপ এবং মানসিক স্বাস্থ্য টিপস দিয়ে আমরা আপনাদের উদ্বেগ, ভয়, দুঃখ, মানসিক পরিবর্তনগুলো বুঝতে এবং হালকা হয়ে সাহায্য করতে চাই বিনামূল্যে।

আপনার, আপনার বন্ধু, পরিবার, বা সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

যোগাযোগ নাম্বারঃ +880 1706-514760

গ্রুপ সেশনে জন্য রেজিষ্ট্রেশন লিংকঃ https://forms.gle/5Xnuhga4cZP8fZQc6

একক সেশন ( ১- টু -১) রেজিস্ট্রেশন লিংকঃ https://forms.gle/XVk61Apfww1wrzDPA

পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়া মানে সব শেষ হয়ে যাওয়া নয়। সঠিক পরিকল্পনা করলে যা ফল হয়েছে সেটি দিয়েই জীবনে ভালো কিছু করা সম্ভব...
02/12/2023

পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়া মানে সব শেষ হয়ে যাওয়া নয়। সঠিক পরিকল্পনা করলে যা ফল হয়েছে সেটি দিয়েই জীবনে ভালো কিছু করা সম্ভব।
পরীক্ষার ফল নিয়ে একটি লেখা পড়ুন।
লিখেছেন ইবি মনোবাতায়ন এর উপদেষ্টা ও ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট সায়মা আক্তার।

শীতকালীন বিষণ্ণতা লেখা: সায়মা আক্তার এ্যাসিটেন্ট ক্লিনিকাল সাইকোলজিস্ট ও ফাউন্ডার, সাইকোচ।★উপদেষ্টা ও সুপারভাইজার ইবি মন...
25/11/2023

শীতকালীন বিষণ্ণতা
লেখা: সায়মা আক্তার
এ্যাসিটেন্ট ক্লিনিকাল সাইকোলজিস্ট ও ফাউন্ডার, সাইকোচ।
★উপদেষ্টা ও সুপারভাইজার ইবি মনোবাতায়ন

শীতের আগমনে সচরাচর আমাদের চোখে ভেসে উঠে সূর্যের নরম আলো, নানা রকমের পিঠা, শীতের উষ্ণতা, কিংবা কুয়াশার ছবি। কিন্তু মানুষ আছেন যাদের শীত ঋতুর সাথে এত নরম উষ্ণ ভালো লাগার গল্প থাকে না। এই শীতকে কেন্দ্র করে বিশেষ কিছু মানসিক লক্ষণ তৈরি হলে মনোবিজ্ঞানীরা তাকে বলছেন সিজনাল এফেক্টিভ ডিপ্রেশন বা উইন্টার ডিপ্রেশন।

বিস্তারিত লিংক: ফার্স্ট কমেন্টে

কথা বলুনসব কথায় গুরুত্বপূর্ণ। সব কথাই শুনতে চাই।
14/06/2023

কথা বলুন
সব কথায় গুরুত্বপূর্ণ।
সব কথাই শুনতে চাই।

23/06/2022

কেন আত্মহত্যা বাড়ছে?

বাংলাদেশে এখন প্রতিদিন গড়ে ৩৫ জন মানুষ আত্মহত্যা করছেন৷ আর বাড়ছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা৷ এমনকি বিত্তবানেরাও আত্মহত্যা করছেন৷ আত্মঘাতী হওয়ার এই প্রবণতা কেন?

সম্প্রতি ঢাকায় ফেসবুক লাইভে এসে আবু মহসিন খান নামের এক ব্যবসায়ীর নিজের পিস্তল দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা দেশের মানুষকে ব্যাপক নাড়া দিয়েছে৷ উঠে এসেছে নগর জীবনের নিঃসঙ্গতার কথ৷ তিনি চিত্রনায়ক রিয়াজের শ্বশুর হওয়ায় আলোচনাটা হয়তো একটু বেশি হয়েছে৷

অবশ্য এটাই প্রথম নয়৷ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে বলা যায় ফেসবুক লাইভে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার প্রবণতাও বাড়ছে৷

গত বছরের ১৭ আগস্ট মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের গয়ঘর এলাকায় সুমন নামের এক যুবক ফেসবুক লাইভে এসে আত্মহত্যা করেন৷ একই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর গাজীপুরে ফেসবুক লাইভে এসে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন পুবাইলের স্বপন চন্দ্র দাস নামের এক ব্যবসায়ী৷ ৭ ডিসেম্বর সবুজ সরকার নামে কুমিল্লার এক তরুণ ফেসবুক লাইভে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন৷

বিবিএস-এর জরিপ বলছে বাংলাদেশে বছরে আত্মহত্যা করছেন প্রায় ১৩ হাজার মানুষ৷ গড়ে প্রতিদিন মারা যাচ্ছেন ৩৫ জন৷

পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাবে বাংলাদেশে প্রতিবছর গড়ে ১০ হাজার মানুষ শুধু ফাঁসিতে ঝুলে ও বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেন৷

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তথ্যমতে, ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২১ সালের ৩১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় আত্মহত্যাজনিত অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে দুই হাজার ১৬৬টি৷
আর আত্মহত্যার হার দিন দিন বাড়ছে৷ বিশেষ করে করোনার সময় এই প্রবণতা বেড়ে গেছে৷
বিবিএস বলছে, করোনার প্রথম বছর আত্মহত্যা বেড়েছে ১৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ৷ মোট আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ১৪ হাজার ৪৩৬টি৷ করোনার সময় নারীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়েছে৷

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী প্রতিবছর বিশ্বে আট লাখ লোক আত্মহত্যা করেন৷ দৈনিক আত্মহত্যা করেন দুই হাজার ১৯১ জন৷ প্রতি লাখে ১৬ জন৷

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, যদি এই সময়ে আলোচিত আবু মহসিন খানের আত্মহত্যার বিষয়টি বিশ্লেষণ করা যায় তাহলে দেখা যাবে হঠাৎ করে নয়, তিনি সিদ্ধান্ত নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন৷ তার মৃত্যুর পর মানুষ কীভাবে ঘরে ঢুকবে তার ব্যবস্থাও তিনি করে রেখেছিলেন৷ এটা একাকীত্ব থেকে গভীর বিষন্নতার ফল৷

তিনি বলেন, ‘‘আবার ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার একটি ঘটনা যখন প্রচার পায় তখন অন্যদের প্রভাবিত করে৷ আত্মহত্যার কারণ বিশ্লেষণ করে যদি পক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হয় তাহলে আরেকজন আত্মহত্যার যুক্তি খুঁজে পায়৷ তাই আমাদের সবার সতর্ক হওয়া প্রয়োজন৷’’

মানসিক স্বাস্থ্যও যে শারীরিক স্বাস্থ্যের মতই গুরুত্বপূর্ণ তা অনেকেই বুঝতে পারেন না৷ পৃথিবীতে নগরেই আত্মহত্যা বেশি ঘটে৷ বাংলাদেশেও তার প্রভাব পড়ছে৷ প্রযুক্তি মানুষকে যেমন সচেতন করে তেমনি আত্মহত্যাপ্রবণ করে৷ ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার মধ্যে কেউ ‘বীরত্ব’ খুঁজে পেতে পারেন বলে মনে করেন এই মনোচিকিৎসক৷

সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. নেহাল করিম মনে করেন আর্থিক ও সামাজিক বৈষম্য মানুষকে হতাশায় ফেলে দিচ্ছে৷ আর এই হতাশা থেকে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে৷ এটা শুধু বাংলাদেশে নয় সারাবিশ্বের চিত্র৷ এর বাইরে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণেও মানুষ আত্মহত্যার দিকে ধাবিত হচ্ছে৷ নিজেকে যখন কেউ অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, জীবন অর্থহীন মনে করেন তখন আত্মঘাতী হন৷ তবে এইসব কারণের মূল উপাদান রাষ্ট্র ও সমাজেই বেশি৷

তিনি বলেন, ‘‘এই করোনায় মানুষের সংকট বেড়েছে৷ বিচ্ছিন্নতা বেড়েছে৷ জীবন নিয়ে সংশয় বেড়েছে৷ বেড়েছে দারিদ্র, হতাশা, শূন্যতা৷ এটা দূর করার কার্যকর ব্যবস্থা পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্র নেয়নি৷ যার ফল আত্মহত্যা বেড়ে যাওয়া৷ পরিবার রাষ্ট্র ও সমাজকে দায়িত্ব নিতে হবে৷ দেশে মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিতে হবে৷ কাউন্সেলিং-এর সুবিধা বাড়াতে হবে৷ সমাজ থেকে বৈষম্য দূর করতে হবে৷’’

গত বছর বাংলাদেশে ১০১ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন৷ তরুণদের সংগঠন আঁচল ফাউন্ডেশন তাদের জরিপে এই তথ্য জানিয়েছে৷ প্রতিষ্ঠানটির প্রধান তানসেন রোজ জানান, ‘‘করোনার সময় তরুণদের মধ্যে বিচ্ছন্নতা বেড়েছে৷ ক্যারিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা বেড়েছে৷ আর পরিবারগুলো যারা আর্থিক চাপে পড়েছে তাদের চাপ পড়েছে পরিবারের তরুণ সদস্যদের ওপর৷ একাকিত্বে প্রযুক্তির অপব্যবহার তাদের চরম হতাশার মধ্যে ফেলেছে৷ যার নির্মম পরিণতি আমরা দেখেছি৷ তরুণদের পাশে দাঁড়াতে হবে৷ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কউন্সেলিং ব্যবস্থা বাড়াতে হবে৷ আর তাদের হতাশার জায়গাগুলো দূর করে তাদের সাহসী এবং আত্মবিশ্বাসী করতে হবে৷ তাদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা যাবে না৷ যাবে না অবহেলা করা৷’’

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) বলছে, কোভিড অতিমারির সময় বাংলাদেশে পরিচালিত কয়েকটি গবেষণায় ৪৬ শতাংশের মধ্যে বিষন্নতা, ৩৩ শতাংশের মধ্যে দুশ্চিন্তার লক্ষণ পাওয়া গেছে৷

ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘‘করোনায় যারা বিষাদ বা হতাশার শিকার হয়েছেন তারা সবাইতে আত্মহত্যা করেননি৷ সুতরাং এখানেই জীবনের প্রতি ভালোবাসার গল্প আছে৷ আমাদের সেটাই বড় করে দেখানো উচিত৷ তারা তো হতাশাকে জয় করেছেন৷ যারা আত্মহত্যা করেছেন তাদের মধ্যে যথাসময়ে এই জীবনবোধ জাগাতে পারলে দুঃখজনক পরিণতি দেখতে হতো না৷’’

ইবি মনোবাতায়ন এ সেবা নেয়ার জন্য হটলাইন whatsapp নাম্বার সমূহ। আপনাদের যেকোনো মানসিক সমস্যায় ২৪/৭ প্রস্তুত আছে আমাদের সাই...
26/05/2022

ইবি মনোবাতায়ন এ সেবা নেয়ার জন্য হটলাইন whatsapp নাম্বার সমূহ।

আপনাদের যেকোনো মানসিক সমস্যায় ২৪/৭ প্রস্তুত আছে আমাদের সাইকো স্যোশাল সাপোর্টার টিম।

19/05/2022

মানসিক চাপ উপশমের ছয়টি উপায়।

১. যোগ-ব্যায়াম

স্ট্রেস বা চাপ কমানোর কার্যকরী উপায় হচ্ছে— যোগ-ব্যায়াম বা ইয়োগা। এটি আপনাকে ধীরস্থির এবং নমনীয় করে তুলে শারীরিক উত্তেজনা থেকে মুক্তি দিতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, যোগ-ব্যায়াম রক্তচাপও কমায়।
এ ছাড়া যোগ-ব্যায়ামের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো— এটি মানসিক মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

২. হাঁটা-হাঁটি
চাপ কমানোর জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় হিসেবে বেছে নিতে পারেন হাঁটাহাঁটি করা। ঘন ঘন হাঁটা মানসিক চাপ, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি দেয়।

৩. গার্ডেনিং
ভালো সময় কাটানোর জন্য গার্ডেনিং বা বাগান করা একটি ভালো উপায়। আপনার চাপ কমাতে বাগান করতে এবং তার পরিচর্চায় কিছু ব্যস্ত সময় কাটাতে পারেন।

৪. নাচ
শুনতে অবাক লাগলেও নাচের অনেক শারীরিক ও মানসিক উপকার রয়েছে। এটি চাপ কমানোর জন্য একটি দুর্দান্ত অনুশীলন, যা আপনার হৃদস্পন্দন বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে অনুগ্রহ এবং তত্পরতা বৃদ্ধিতেও উপকারী। এ ছাড়া গবেষকরা দেখেছেন যে, যারা সপ্তাহে দুবার কিছু সময় নাচেন তাদের ডিমেনশিয়া হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।

৫. টেনিস খেলা
টেনিস খেলায় অনেক স্ট্রেস-সম্পর্কিত অবস্থা যেমন, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে পারে। এটি যেহেতু আপনি একা খেলতে পারবেন না, তাই এর মাধ্যমে আপনাকে অন্যদের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে হবে। আর এটি হচ্ছে— স্ট্রেস কমানোর একটি মূল উপাদান।

৬. ঘরোয়া ব্যায়াম
এটি হচ্ছে ঘরোয়া ব্যয়ামের একটি সিরিজ, যা চাপ কমানোর পাশাপাশি শরীরের সচেতনতা, মূলশক্তি এবং সঠিক সারিবদ্ধকরণের ওপর বিশেষভাবে উপকারী হিসেবে কাজ করতে পারে। ফিটনেস বিশেষজ্ঞ এলেন ব্যারেট বলেন, পেশিকে শক্তিশালী ও দীর্ঘায়িত করার এবং শারীরিক সম্প্রীতি তৈরি করতে অনেক কার্যকরি হচ্ছে পাইলেটস ব্যায়াম। আর এটি করলে তা আপনার চাপকে শরীর থেকে বের করে দিতে সহায়তা করে।

বিষণ্নতা বা দুশ্চিন্তা হলে কীরকম অনুভূতি হয়?দুশ্চিন্তা বা বিষণ্নতা আমাদের শরীর আর মন দুইই আচ্ছন্ন করে। অনেক সময় দুটো একই...
15/05/2022

বিষণ্নতা বা দুশ্চিন্তা হলে কীরকম অনুভূতি হয়?
দুশ্চিন্তা বা বিষণ্নতা আমাদের শরীর আর মন দুইই আচ্ছন্ন করে। অনেক সময় দুটো একই সময় হয়।


দুশ্চিন্তারোগের অনুভূতিঃ
সবসময় মাথায় চিন্তা ঘোরে বিশেষত অসুখ বা অসুখের চিকিৎসা সংক্রান্ত চিন্তা
সবচেয়ে খারাপ যা পরিনতি হতে পারে, মনে হয় যে সেটাই ঘটবে। যেমন ধরুন মনে হতে পারে যে অসুখটার খুব বাড়াবাড়ি হবে, বা মারা যেতে পারি।
বুকের ধুকপুকানি শুনতে পাওয়া (বুক ধড়ফড় করা)
মাংসপেশিতে ব্যথা বা টানটান ভাব
রিল্যাক্স করতে না পারা
ঘামা
দ্রুত নিশ্বাস নেওয়া (ঘন ঘন শ্বাস নেওয়া)
মাথা ঘোরা
মনে হওয়া যে এই বুঝি অজ্ঞান হয়ে যাব
গ্যাস অম্বল হওয়া বা বারবার পায়খানায় যাওয়া

বিষণ্নতার অনুভূতিঃ
সবসময় বিষণ্ন বোধ করা এবং মনে করা যে এই বিষণ্নতা কোনোদিন কাটবে না
জীবনে কোনো কিছুতেই উৎসাহ না থাকা
কোনো কিছু উপভোগ করতে না পারা
ছোটোখাটো ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নিতে না পারা
অসম্ভব বেশি ক্লান্ত লাগা সবসময়
অস্বস্তি বা অস্থিরতা বোধ করা
ক্ষুধা না হওয়া এবং ওজন কমা (কিছু ক্ষেত্রে ঠিক উল্টোটা হয়, ক্ষিদে আর ওজন দুটোই বাড়ে)
ঘুম না আসা আর সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া
সহবাসে অনীহা
আত্মবিশ্বাসের অভাব এবং নিজেকে অপদার্থ, অক্ষম ভাবা
অন্যের সঙ্গ বর্জন করা
খিটখিটে হয়ে যাওয়া
নিজের সম্বন্ধে, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এবং পৃথিবী সম্পর্কেই সামগ্রিক হতাশা। মনে হতে পারে যে আমি কোনোদিন ভাল হব না, বা মনে হতে পারে আমি একেবারেই খরচের খাতায়।
আত্মহত্যার কথা মনে হতে পারে। বিষণ্নতায় এটা প্রায়ই হয়। এরকম মনে হলে তাই নিয়ে কথা বলা ভাল, সবটা মনের মধ্যে চেপে না রেখে।
এর কিছু কিছু উপসর্গ যথা অনিদ্রা, অক্ষুধা বা ক্লান্ত লাগা আপনার শারীরিক অসুস্থতা বা তার চিকিৎসার জন্য হতে পারে। আপনি যদি এ ব্যাপারে আপনার ডাক্তার বা নার্সের সঙ্গে কথা বলেন, তাহলে তিনি নির্ণয় করতে পারবেন এর কারণ কী? বিষণ্নতা নাকি শারীরিক অসুস্থতা?

মানসিক স্বাস্থ্য: আনন্দ আর বিষাদের এক রোগ বাইপোলার ডিসঅর্ডারডায়াবেটিসের মতো বাইপোলার ডিসঅর্ডার একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ।কখ...
13/05/2022

মানসিক স্বাস্থ্য: আনন্দ আর বিষাদের এক রোগ বাইপোলার ডিসঅর্ডার

ডায়াবেটিসের মতো বাইপোলার ডিসঅর্ডার একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ।

কখনো খুবই আনন্দিত, আবার কখনো খুবই বিষণ্ণ। সহজ ভাষায় বলতে, দীর্ঘসময় ধরে একজন ব্যক্তির মুডের, আবেগের বা মানসিক অবস্থার বিপরীতমুখী পরিবর্তন ঘটতে থাকলে তাকে বাইপোলার ডিসঅর্ডার বলে বর্ণনা করে থাকেন চিকিৎসকরা।

অর্থাৎ এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা কখনো কখনো দীর্ঘসময় ধরে বিষণ্ণতা বা মন খারাপের মধ্যে থাকেন। কখনো কখনো সেটা কয়েক মাস ধরে চলতে থাকে। আবার একই ব্যক্তি একসময় সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী আচরণ করতে শুরু করেন। সেই সময় তিনি অতিরিক্ত হাসিখুশি বা উচ্ছ্বাস প্রবণ হয়ে ওঠেন।

ডায়াবেটিসের মতো বাইপোলার ডিসঅর্ডার একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ। ওষুধ এবং চিকিৎসার মাধ্যমে রোগটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, তবে পুরোপুরি সুস্থ করে তোলা যায় না।

বাইপোলার ডিসঅর্ডার কী?
বাইপোলার মানে হচ্ছে দুই মেরু। অর্থাৎ একজন ব্যক্তির মানসিকতার এক প্রান্তে থাকে উৎফুল্লতা, অতিরিক্ত উচ্ছ্বাস প্রবণতা, যাকে চিকিৎসকরা বলেন ম্যানিয়া এপিসোড। রোগী অতিরিক্ত উৎফুল্ল থাকেন, কথা বেশি বলেন, অনেক সময় জিনিসপত্র বিলিয়ে দেন।

আরেকপ্রান্তে থাকে বিষণ্ণতা, যাকে চিকিৎসকরা বলেন ডিপ্রেশন এপিসোড। এই সময় তার কিছুই ভালো লাগে না, হতাশায় ভোগেন, দুঃখ বোধ প্রবল থাকে। অনেকের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতাও দেখা যায়।

এই দুইয়ের মাঝামাঝি সময়ে রোগী ভালো থাকেন। সেই সময় অন্য সব মানুষের মতোই স্বাভাবিক আচরণ করেন।

মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা: মেখলা সরকার বলছেন, একেকটি এপিসোড (ম্যানিয়া অথবা ডিপ্রেশন) কখনো কখনো কয়েকদিন, কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস ধরেও চলতে পারে।

বাইপোলার ডিসঅর্ডার কেন হয়?

বাইপোলার ডিসঅর্ডার ঠিক কোন কারণে হয়, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে এর পেছনে কয়েকটি উপাদান কাজ করে থাকতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন।

যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ১০০ জন মানুষের মধ্যে অন্তত একজন জীবনের কোন একটি পর্যায়ে বাইপোলার ডিসঅর্ডারে ভুগে থাকেন।

অধ্যাপক ডা: মেখলা সরকার বলছেন, অনেক সময় জেনেটিক্যালি বা বংশগত কারণে বাইপোলার রোগটি পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে চলে আসে।

বিশেষত মস্তিষ্কে সেরোটোনিন, ডোপামিন, নরঅ্যাড্রেনালিন ইত্যাদি নিউরোট্রান্সমিটারের ভারসাম্যহীনতা, স্বায়ুবিকাশজনিত সমস্যা, মানসিক রোগের ভুল চিকিৎসা ইত্যাদি কারণে বাইপোলার হতে পারে।

সাধারণত তরুণ বয়সে এই রোগের প্রকাশ দেখা যায়। নারী ও পুরুষ-উভয়েরই এই রোগটি হতে পারে। একজন থেকে আরেকজনের সাথে লক্ষণের পার্থক্য থাকতে পারে।

বাংলাদেশে প্রতি হাজারে চারজন বাইপোলার ডিসঅর্ডারে ভুগছেন

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশে গবেষণায় অংশ নেয়া প্রতি ১০০০ জন মানুষের মধ্যে চারজন বাইপোলার মুড ডিসঅর্ডারে ভুগছেন।

বাইপোলার ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত ব্যক্তিরা নানা সময় বিপরীতমুখী মানসিক অবস্থায় ভোগেন

বাইপোলার ডিসঅর্ডারের লক্ষণ
বাইপোলারে আক্রান্ত ব্যক্তিরা যেহেতু দুই ধরনের মুড বা আচরণ প্রকাশ করেন, তাই এর লক্ষণও দুই প্রকার বলা যায়। একই ব্যক্তির মধ্যে সময়ের ব্যবধানে এরকম পরস্পর বিপরীত আচরণ দেখা গেলে মানসিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

ম্যানিয়া এপিসোড

অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ, অতি উৎফুল্ল মনোভাব
অতিরিক্ত কথা বলা
নিজেকে বিশাল শক্তিশালী, বড় কেউ, ক্ষমতাশালী মনে করতে শুরু করা
হাই এনার্জি বা অতিরিক্ত কাজের প্রবণতা
খাবারে অনীহা
অযৌক্তিক কথা বা দাবি করা, চিন্তাভাবনা করা
বাড়তি উচ্ছ্বাস প্রবণতা
নিদ্রাহীনতা, ঘুম এলেও ঘুমাতে না চাওয়া
হঠাৎ রেগে যাওয়া, ঝগড়াঝাঁটি বা মারামারি করা
বেপরোয়া মনোভাব
বেশি বেশি খরচ করতে শুরু করা, অদরকারি জিনিসপত্র কিনতে চাওয়া
মনোযোগ হারিয়ে ফেলা
যৌন-স্পৃহা বেড়ে যাওয়া
নিজের জিনিসপত্র অন্যদের বিলিয়ে দেয়া।
মানসিক চিকিৎসকের পরামর্শে বাইপোলার ডিসঅর্ডার নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়

ম্যানিয়া ডিসঅর্ডারের ঠিক বিপরীত হচ্ছে ডিপ্রেশন ডিসঅর্ডার। একই ব্যক্তি পরস্পর বিপরীতমুখী এধরনের মানসিক পরিবর্তনে ভোগেন বলেই বাইপোলার ডিসঅর্ডার বলা হয়।

দীর্ঘসময় বা দীর্ঘদিন ধরে বিষণ্ণতায় ভুগতে থাকা, হতাশায় ভোগা
বিনা কারণে কান্নাকাটি করা, উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠা
আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া, সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা
নিজেকে ক্ষুদ্র, তুচ্ছ বলে মনে করা
আত্মহত্যার প্রবণতা, জীবন সম্পর্কে আগ্রহ হারিয়ে ফেলা, মরে যেতে চাওয়া
কোন ঘটনাতেই আনন্দ বা খুশী হতে না পারা
খাবারের আগ্রহ হারিয়ে ফেলা বা অতিরিক্ত খাবার খাওয়া
অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ, কাজে আগ্রহ হারিয়ে ফেলা
অপরাধ বোধ, নিজেকে দোষী ভাবা
যৌন-স্পৃহা কমে যাওয়া
স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, মনোযোগ হারিয়ে ফেলা
খুব ভোরে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া।

কারও মধ্যে বাইপোলার ডিসঅর্ডার বা যেকোন মানসিক রোগ দেখা গেলে অবশ্যই স্বজনদের উচিত তার সঙ্গে সতর্ক আচরণ করা। বিশেষ করে তার সঙ্গে সরাসরি কোন তর্ক না করা, জোরাজুরি করা উচিত নয়।

Address

Islamic University
Kushtia
7003

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইবি মনোবাতায়ন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share