Not Doctors Assistant But Seeking Our True Identity

Not Doctors Assistant But Seeking Our True Identity Hello! We are D.M.F Graduates Associate Clinicians. Working in the Health Departments as a S.A.C.M.O

ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ফ্যাকাল্টি (DMF): একটি ঐতিহাসিক ও আইনি প্রেক্ষাপট​১. শিক্ষাগত যোগ্যতা ও স্বীকৃতি:'রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা...
25/04/2026

ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ফ্যাকাল্টি (DMF): একটি ঐতিহাসিক ও আইনি প্রেক্ষাপট

​১. শিক্ষাগত যোগ্যতা ও স্বীকৃতি:
'রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ' কর্তৃক স্বীকৃত এবং 'বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল' (BM&DC) কর্তৃক নিবন্ধিত Diploma in Medical Faculty (DMF) একটি সাড়ে চার বছর মেয়াদী (৪ বছর একাডেমিক ও ৬ মাস ইন্টার্নশিপ) চিকিৎসা শিক্ষা কোর্স।

​২. ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি (১৯৭৮):
পেশাগত মর্যাদার ভিত্তি হিসেবে ১৯৭৮ সালের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে DMF ডিগ্রিধারীদের "Non-graduate Doctors" হিসেবে উল্লেখ করে স্পষ্টভাবে "Diploma Doctors" হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

​৩. পদবি ও শিক্ষাগত বিবর্তন (১৯৮৫):
১৯৮৫ সালের সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক, তৎকালীন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের পদবি ১৯৯৬ সালে পরিবর্তন করে 'সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার' (SACMO) করা হয় এবং তাদের অর্জিত শিক্ষাগত ডিগ্রিকে DMF হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

​৪. আইনি ও গেজেটভুক্ত বৈধতা (২০১০ ও ২০১৮):
২০১০ এবং ২০১৮ সালের বাংলাদেশ গেজেট অনুযায়ী, ১৯৭৮ সালের ১ জানুয়ারির পর থেকে রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ (State Medical Faculty) কর্তৃক প্রদত্ত "ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ফ্যাকাল্টি" ডিগ্রিটিকে নিবন্ধযোগ্য চিকিৎসা যোগ্যতা হিসেবে আইনি সুরক্ষা ও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

​৫. প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও পরিসংখ্যান:
বিএমডিসি (BM&DC) কর্তৃক প্রেরিত দাপ্তরিক চিঠির তথ্য অনুযায়ী, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশে নিবন্ধিত ডিপ্লোমা চিকিৎসকের (DMF) মোট সংখ্যা ১৫,৮৫৩ জন। এই পরিসংখ্যানটি দেশে ডিএমএফ চিকিৎসকদের পেশাগত বৈধতা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার এক অনস্বীকার্য প্রমাণ।

​৬. উচ্চ আদালতের যুগান্তকারী নির্দেশনা (২০২৬):
দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পেশাদার উপাধি সংক্রান্ত বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এক ঐতিহাসিক আদেশ প্রদান করেন। আদালত ডিএমএফ ডিগ্রিধারীদের বিএমডিসি নিবন্ধন প্রাপ্ত 'প্র্যাক্টিশনার' হিসেবে সম্বোধন করেছেন এবং তাদের নামের পূর্বে একটি 'যথাযথ উপাধি' (Prefix) নির্ধারণের জন্য সরকারকে চূড়ান্ত নির্দেশ প্রদান করেছেন, যা এই পেশার মর্যাদা ও পরিচয়কে আরও সুসংহত করেছে।

যেহেতু বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত ডিএমএফ (DMF) ডিগ্রিধারীদের বিএমডিসি নিবন্ধন প্রাপ্ত 'প্র্যাক্টিশনার' হিসেবে সুনির্দিষ্ট স্বীকৃতি প্রদান করেছেন এবং তাঁদের নামের পূর্বে একটি 'যথাযথ উপাধি' (Prefix) নির্ধারণের জন্য সরকারকে চূড়ান্ত নির্দেশনা দিয়েছেন, সেহেতু সর্বোচ্চ আদালতের আদেশের পর ডিএমএফদের 'মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট' বলার আর কোনো আইনি সুযোগ নেই। বরং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এবং সফল জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার (যেমন: চীন, ভিয়েতনাম ও উত্তর কোরিয়ার মডেল) উদাহরণ অনুসরণ করে
ডিএমএফ (DMF) ডিগ্রিধারীদের নামের পূর্বে 'সহকারী ডা:' অথবা 'ডিপ্লোমা ডা:' উপাধি প্রদান করা একমাত্র আইনানুগ ও সম্মানজনক সমাধান হিসেবে সরকারের জন্য সবচেয়ে সহজ, আধুনিক এবং যৌক্তিক সিদ্ধান্ত হতে পারে।

24/04/2026

এমবিবিএস পাস করে বছর খানেক চাকরী করার পর সাধ জাগলো নিজের গ্রামের এলাকায় যেয়ে চেম্বার করি। কারন অনেক মানুষের অভিযোগ থাকে এমবিবিএস রা নাকি গ্রামে যায় না। যাই হোক। আজ প্রায় ১৪/১৫ মাস চেম্বার করি নিজের এলাকায়। অনেক সময় রোগীরা এমন কিছু অদ্ভুত প্রেস্ক্রিপশন নিয়ে হাজির হয়, যেগুলো দেখে হাসবো নাকি কাঁদবো বুঝিনা। সবচেয়ে বেশী অপচিকিৎসা হয় চর্মরোগে। আর সেই সাথে জ্বর, ঠান্ডা, হালকা কাশি যাই হোক না কেন, স্টেরয়েড, এন্টিবায়োটিক ছাড়া কোনো প্রেস্ক্রিপশন নাই। এগুলো বেশিরভাগই কিন্তু করে থাকে পল্লীচিকিৎসকেরা (বেশিরভাগই ২-৩ মাসের কোনো না কোনো কোর্স করা যেগুলোর বৈধতা ও নেই)। রোগীর কি রোগ হয়েছে তার চেয়ে রোগীর উপসর্গ কমানোর এক প্রতিযোগিতা চলে গ্রামে-গঞ্জে। তাই স্টেরয়েড এর ব্যবহার থাকবেই। রোগী ও খুশি, যিনি চিকিৎসা দেন উনিও খুশি। কিন্ত সাফার করে পরবর্তীতে। আবার যে ধরনের চর্মরোগ ই থাকুক না কেন, রোগীকে যেকোনো একটা স্টেরয়েড ইঞ্জেকশন দেবেই। ইনিশিয়ালি কমলেও পরে যায় বেড়ে। যাইহোক, এগুলোই চলতেছে। বেশিরভাগ রোগীরা আবার উপসর্গ দ্রুত কমে যাওয়াতে খুশিই হয়। পল্লিচিকিৎসক দের বিরুদ্ধে কিছু লেখলে আবার তাদের অনেক ভক্ত রা এসে কমেন্ট বক্সে গালাগালিও করেন। যাই হোক, এবার আসি ডিএমএফ দের ব্যাপারে। যতোদূর জানি ওনাদের কিছু ঔষধ লেখার অনুমতি আছে, প্রেস্ক্রিপশন করতে পারেন। তাই বেশিরভাগই পাস করে গ্রামে গঞ্জে যেয়ে চেম্বার করেন। আর তা না করেও লাভ নাই। বর্তমানে তাদের না আছে কোনো সরকারি নিয়োগ, আবার নাই কোনো বেসরকারি চাকরিও। সরকারি ছাড়াও বহু প্রাইভেট ম্যাটস গড়ে উঠেছে বিগত সরকারের আমলেও৷ সেখান থেকে হাজার হাজার ডিএমএফ বের হয়েছে। ব্যবসা করেছে প্রতিষ্ঠান এর মালিকেরা, পাস করে ভুক্তভোগী ডিএমএফ রা। যেহেতু তাদের কোনো চাকরির ব্যবস্থা নাই তাই বাধ্য হয়ে গ্রামে গঞ্জে যেয়ে চেম্বার প্র‍্যাকটিস করছেন। আমরা হয়তো অনেকে ফেসবুকে বসে গালমন্দ করছি ওনাদের, কিন্তু বাস্তবে কয়জন এমবিবিএস গ্রামে যেয়ে প্র‍্যাকটিস করছি? আবার গ্রামে যদিও যাই ও, দীর্ঘদিন কিন্তু কেউ ই প্র‍্যাকটিস করছিনা সেখানে। কারন আমরা সবাই ই মোটামুটি সবাই চাই উচ্চতর ডিগ্রী নিতে, শহরের দিকে প্র‍্যাকটিস করতে। আর সেই কারনেই গ্রামে গঞ্জে সবচেয়ে বেশি অপচিকিৎসা হয় পল্লীচিকিৎসক দের দ্বারা। কিন্তু সমালোচনার স্বীকার শুধু ডিএমএফ রা হচ্ছে, পল্লী রা আড়ালেই থেকে যাচ্ছে। আমি এখানে ডিএমএফ দের সাফাই গাওয়ার জন্য লেখছি না। কারন তারাও অনেক সময় ভূল করে, এগ্রেসিভ আচরণ দেখায়। তবে আমার কথা হলো যারা ডিএমএফ পড়েছেন, পাস করেছেন তারা কোনো নিষিদ্ধ কিছু পড়েনাই। পাপ করে ফেলে নাই। অপরাধ তাদের যারা তাদের পড়িয়ে কোনো কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা রাখেনাই। আশা রাখি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো যায়গায় প্রয়োজনে আরো দক্ষতা বাড়িয়ে সহকারী হিসেবে/ যেকোনো পোস্ট যেটা চিকিৎসার সাথে সংশ্লিষ্ট সেখানে কাজের ব্যবস্থা করুক। তাহলেই তো তারা আর ডাক্তার বনে যেয়ে রোগী দেখলোনা (যদিও আমার জানামতে ওনারা নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ প্রেস্ক্রাইব করতে পারেন) । আর যদি তা না ই হয়, তবে এই কোর্স বাতিল করে দিলেই তো হয়! ফেসবুকে এক পক্ষ আরেক পক্ষ কে শুধু গালাগালিই করে যায়, সমাধানের কথা কেউ বলেনা। আশা করি একদিন আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ও উন্নতি হবে, অপচিকিৎসা ও দূর হবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে এক অদ্ভুত দ্বিচারিতা (হিপোক্রসি) দেখতে পাই। একদিকে ১২ লাখের বেশি ‘ভুয়া’ পল্লি চিকিৎসক...
23/04/2026

বর্তমানে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে এক অদ্ভুত দ্বিচারিতা (হিপোক্রসি) দেখতে পাই। একদিকে ১২ লাখের বেশি ‘ভুয়া’ পল্লি চিকিৎসক বা কোয়াক (Quack)—যাদের কোনো বৈধ সনদ নাই—তারা নিশ্চিন্তে রোগী দেখে । আর অন্যদিকে ৪ বছরের ক্লিনিকাল সাইন্সে পড়াশোনা আর ইন্টার্নশিপ শেষ করা DMF (ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ফ্যাকাল্টি) চিকিৎসকদের অধিকার কেড়ে নিতে মরিয়া হয়ে গেছে কতগুলো এমবিবিএস গ্রাজুয়েট লোক।

প্রশ্ন হলো—এই নীরবতার রহস্য কী?

• ভুয়াদের বিরুদ্ধে কেউ কেন মুখ খোলে না?
পড়াশোনা-সনদহীন মানুষ যখন পল্লিতে অ্যান্টিবায়োটিক আর স্টেরয়েডের বন্যা বানায়, জনস্বাস্থ্য ডুবাইছে—তখন তথাকথিত ‘এলিট’ এমবিবিএস সমাজ নিশ্চুপ কেন? কি জানি, হয়ত গ্রামের এই কোয়াকদের কাছেই তো তাদের চেম্বারে রোগী পাঠানোর মূল চেইনটা বাঁধা। তাই মুখ নেই, নড়বাড়ি নেই।

• যারা ৪ বছরের DMF শেষ করছি, সরকারি-বেসরকারি স্বীকৃতি নিয়ে তৃণমূলে কাজ করছি—আমাদের পদোন্নতি বা অধিকারের কথা উঠলেই কেন ‘পেশাদারিত্ব’ নামের বেড়া টেনে দিতে চান? ১৯৭৩ সালের প্রজেক্ট প্রফর্মা, ১৯৮৫ সালের সরকারি মাইনুটস, ১৯৭৮ সালের সরকারি প্রজ্ঞাপনে আমাদের অধিকার স্পষ্ট লেখা থাকতে আজ কেন সেটা অস্বীকার করা হয়?

• আমরা আপনার সহযোগী না প্রতিদ্বন্দ্বী?
আপনারা কি চান না—দেশের মানুষ শিক্ষিত, মিড-লেভেল প্র্যাকটিশনারদের কাছ থেকে সেবা নিতে পারে? নাকি চান, মানুষ যেন হাতুড়ে ডাক্তারের কাছে জিম্মি থাকেই, তাতে আপনার ব্যবসায়িক স্বার্থ নিরাপদ থাকে?

তিতা সত্য হচ্ছে—
আপনারা গ্রাম্য কোয়াকদের নিয়া কোনো কথা কন না, কারণ ওরা আপনার মার্কেটিং এজেন্ট। ওদের দিয়ে রোগী পাইছেন, কমিশন-টেষ্ট বানিজ্য সচল আছে। আর ডিপ্লোমা চিকিৎসকরা শিক্ষিত, সচেতন, নিজের অধিকার চিনে—তাই আমাদের ভয় পান। আমাদের বিরুদ্ধে আপনার অবস্থান মানে নিজের একচেটিয়া বাজারটা হারানোর আতঙ্ক, আর কিছু না।

আর শেষে একটা কথা না কইলে নাহ।
আমাগো নিয়া নোংরা গালিগালাজ, ট্রল করেন—এইটা কি কোনো শিক্ষিত মানুষের কাজ? লজ্জা থাকলে আগে ঐ ভুয়া পল্লি ডাক্তার আর ফার্মেসির দোকানদারদের হাত থেকে মানুষরে বাঁচান। তাগো নিয়া কিছু কইতে কলিজা লাগে না? আগে সেই কাজ করেন, তারপর আমাদের কথা কইবেন।

✊
21/04/2026

20/04/2026

ন্যাশনাল হোটেল এন্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (NHTTI) এর কাজ হলো 'হোটেলিয়ান' বানানো!
মেরিন একাডেমি থেকে বের হয় ‘মেরিন একাডেমিশিয়ান’ ।

ইউএইচএফপিও (UHFPO)  সম্মেলনে ছিলেন, ভাল কথা, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নামক পদ কি দেখা যাচ্ছে? মুখ বন্ধ রাখেন,বুঝ...
18/04/2026

ইউএইচএফপিও (UHFPO) সম্মেলনে ছিলেন, ভাল কথা, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নামক পদ কি দেখা যাচ্ছে? মুখ বন্ধ রাখেন,বুঝলাম চোখ আর বন্ধ রাইখেন না, ১৭ বছর নিয়োগ নাই। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এই পদে কোনো নিয়োগ নেই। অথচ ১৭ বছর আগে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই ডিএমএফ (DMF) ক্যাডার তৈরি করা হয়েছিল। জানি প্রেজেন্টেশনে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এবং উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারদের পদগুলো উল্লেখ করতে অনেক কষ্ট হয়েছে বড় কর্তাদের।।

মাননীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি—তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার এই মেরুদণ্ডকে অবহেলা করে স্মার্ট হেলথ সেক্টর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। আমাদের পেশাগত মর্যাদা ও নিয়োগের দীর্ঘসূত্রতা নিরসনে আপনার কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
Dr. M A Muhit

“জি, তিনি এমনিবিএস ড্যাব-এর পিতা—নিঃসন্দেহে সেরাদের একজন।”—মাত্র ১২ সপ্তাহের প্রশিক্ষণই যখন ‘গডফাদার’ হওয়ার জন্য যথেষ্ট,...
17/04/2026

“জি, তিনি এমনিবিএস ড্যাব-এর পিতা—নিঃসন্দেহে সেরাদের একজন।”
—মাত্র ১২ সপ্তাহের প্রশিক্ষণই যখন ‘গডফাদার’ হওয়ার জন্য যথেষ্ট, তখন আর কী-ই বা বলার থাকে!—এটাই এখন বাস্তবতা।

17/04/2026

বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC) বর্তমানে একটি অকেজো আর ভোগাস কাউন্সিলে পরিণত হয়েছে। এদের একমাত্র কাজ যেন হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশিক্ষিত ডিএমএফদের (DMF) কর্মক্ষেত্র ধ্বংস করা আর তাদের নিধন করা। অথচ দেশের আনাচে-কানাচে ১৫ লাখ ভুয়া ডাক্তার সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেললেও বিএমডিসি যেন অন্ধ সেজে বসে আছে।

প্রশিক্ষিত জনবলকে অবজ্ঞা করে ভুয়াদের এমন পরোক্ষ প্রশ্রয় দেওয়া দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য চরম হুমকিস্বরূপ।

'বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC) আইন - ১৯৮০' এর ধারা ১৫-এর ৩ নং উপধারা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক একাডেমিক দন্...
16/04/2026

'বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC) আইন - ১৯৮০' এর ধারা ১৫-এর ৩ নং উপধারা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক একাডেমিক দন্ত চিকিৎসার ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও, যে সকল ব্যক্তি দন্ত চিকিৎসাকে জীবিকা নির্বাহের প্রধান উপায় হিসেবে গ্রহণ করে ন্যূনতম ৫ বছর এই পেশায় নিয়োজিত ছিলেন, অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তাদের স্বীকৃতি দেওয়ার বিধান রাখা হয়। এই ধারায় নিবন্ধিতরাই 'অনুমোদিত দন্ত চিকিৎসক'।

অনুমোদিত দন্ত চিকিৎসকের কর্মপরিধিঃ
১। Oral Health এর বিষয়ে রোগীকে পরামর্শ প্রদান
২। কোন জটিল শারীরিক অসুস্থ্যতা না থাকলে দুধ দাঁত ও নড়বড়ে দাঁত তোলা
৩। দাঁত বাধাই করার যাবতীয় কাজ
৪। দাঁত স্কেলিং ও পলিশিং
৫। দাঁতের সাধারণ ফিলিং

বিএমডিসি আইন ২০১০-এর 'রহিতকরণ ও হেফাজত' সংক্রান্ত ধারা ৩৮-এর উপধারা (৩)-এর দফা (গ) অনুযায়ী, ১৯৮০ সালের আইনে যারা নিবন্ধিত ছিলেন, তারা বর্তমান ২০১০ সালের আইনের অধীনেও নিবন্ধিত হিসেবে গণ্য হবেন।

বিএমডিসি আইন ২০১০-এর ধারা অনুযায়ী যদি ১৯৮০ সালের অভিজ্ঞতানির্ভর চিকিৎসকদের স্বীকৃতি বহাল থাকে, তবে বর্তমান যুগের আধুনিক প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রশিক্ষিত (Diploma-level) ডেন্টাল প্রোভাইডারদের একটি শক্তিশালী কাঠামোর আওতায় আনা হচ্ছে না কেনো?? যা বাংলাদেশের সামগ্রিক ওরাল হেলথ ইনডেক্স উন্নতির জন্য অপরিহার্য।

বাংলাদেশে স্নাতক পর্যায়ের ডেন্টিস্টদের (BDS) বড় একটি অংশ শহরকেন্দ্রিক। ফলে গ্রামীণ এবং প্রান্তিক অঞ্চলের বিশাল জনগোষ্ঠী আধুনিক দন্তসেবা থেকে বঞ্চিত থাকে।
যার কারনে বাংলাদেশে দন্তচিকিৎসার একটি বড় অংশ তথাকথিত 'হাতুড়ে' বা কোনো ডিগ্রিহীন ব্যক্তিদের হাতে জিম্মি। এর ফলে হেপাটাইটিস বি, সি বা এইচআইভি-র মতো মরণব্যাধি সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে,বিশেষত অনিরাপদ যন্ত্রপাতি ব্যবহারের কারণে।

বিশ্বজুড়ে দন্তচিকিৎসা ব্যবস্থায় ঘাটতি পূরণে অনেক দেশেই মিড-লেভেল ডেন্টাল প্র্যাকটিশনারদের (Mid-level Dental Providers) স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

​ চীন, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং আমেরিকার কিছু অঙ্গরাজ্যে 'ডেন্টাল থেরাপিস্ট' বা 'ডেন্টাল হাইজিনিস্ট' কিংবা "এসিট্যান্ট ডেন্টিস্ট" পদবী রয়েছে। তারা মূলত অনুমোদিত দন্তচিকিৎসকদের মতোই ফিলিং, স্কেলিং এবং শিশুদের দাঁত তোলার কাজ করেন এবং সীমিত পরিসরে ওষুধ প্রেসক্রাইব করতে পারেন।

ডব্লিউএইচও-এর মতে, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ওরাল হেলথ কভারেজ বাড়াতে প্রশিক্ষিত নন-বিডিএস প্র্যাকটিশনাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তারা মূলত দাঁত তোলা, ফিলিং এবং স্কেলিংয়ের মতো প্রাথমিক কাজগুলো করেন, যা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ওপর চাপ কমায়।যা স্বাস্থ্যসেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেয়।

বাংলাদেশের বিশাল গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ওরাল হেলথ ইনডেক্স উন্নত করতে এবং নিরাপদ দন্তসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে "Oral Health Officer" পদ সৃষ্টি এবং আধুনিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের সরকারিভাবে নিয়োগ এবং অনুমোদিত দন্ত চিকিৎসকদের অনুরূপ কর্মপরিধি নির্ধারণ করা যেতে পারে:

√​ সাধারণ ওরাল হেলথ স্ক্রিনিং এবং রোগের প্রকোপ অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের (BDS) কাছে রেফার করা।
√ মুখগহ্বরের ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতা এবং ওরাল হাইজিন বিষয়ে পরামর্শ প্রদান।

√​শিশুদের দুগ্ধ দাঁত ও বয়স্কদের নড়বড়ে দাঁত অপসারণ (Simple Extraction)।
√​দাঁতের সাধারণ ফিলিং ও রিস্টোরেশন।
√​স্কেলিং, পলিশিং ও প্রিভেন্টিভ কেয়ার।
√ ​সীমিত পরিসরে প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রেসক্রাইব করার অধিকার।

বিএমডিসি নিবন্ধনহীন কেও এলোপ্যাথি চিকিৎসা দিতে পারবে না??অথচ নার্সিং কাউন্সিল বিএমডিসিকে রাতদিন বুড়া আংগুল দেখায় 😆😆😆😆
14/04/2026

বিএমডিসি নিবন্ধনহীন কেও এলোপ্যাথি চিকিৎসা দিতে পারবে না??
অথচ নার্সিং কাউন্সিল বিএমডিসিকে রাতদিন বুড়া আংগুল দেখায় 😆😆😆😆

14/04/2026

কাগজে-কলমে আমাদের দেশে প্রায় ২ লাখ BM&DC নিবন্ধিত "চিকিৎসা পেশাজীবী" আছে।
কিন্তু বাস্তবে? শহুরে-গ্রামগঞ্জে চিকিৎসা দিচ্ছে প্রায় ১২–১৫ লাখ অনিবন্ধিত, অপ্রশিক্ষিত ,অবৈধ “ভুয়া চিকিৎসক”।

যেমন:-
❌ অবৈধ পল্লী চিকিৎসক
❌ ফার্মেসি-ভিত্তিক চিকিৎসা
❌ অপ্রশিক্ষিত হাতুড়ে

এটা ভবিষ্যৎ না—এটা ইতিমধ্যেই বাস্তবতা।
এই সংখ্যাটা শুধু একটা পরিসংখ্যান না—এটা একটা বিপদের সাইরেন।

👉 এর মানে হলো, দেশের অধিকাংশ মানুষ চিকিৎসা নিচ্ছে
সিস্টেমের ভেতরে না, সিস্টেমের বাইরে।

Address

Kushtia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Not Doctors Assistant But Seeking Our True Identity posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share