স্বাস্থ্য তথ্য-Health Tips

স্বাস্থ্য তথ্য-Health Tips স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যে কোন তথ্যের জন?

একমাত্র রবের জন্যই সমস্ত বাঁধা উপেক্ষা করা যায়। বান্দা ও রবের সম্পর্ক এমন এক গভীর সম্পর্ক, যা বান্দাকে সব প্রতিকূল অবস্...
04/07/2023

একমাত্র রবের জন্যই সমস্ত বাঁধা উপেক্ষা করা যায়। বান্দা ও রবের সম্পর্ক এমন এক গভীর সম্পর্ক, যা বান্দাকে সব প্রতিকূল অবস্থা উপেক্ষা করে রবের দিকেই প্রত্যাবর্তন করায়।

Arafa Moidan-Hajj 23

👉নুডলস কিসের তৈরি?ময়দার তৈরি। 👉নুডলস কত ধরনের হয়?একশোর বেশি👉সব নুডলস শিশুকে দেয়া যায়?না। 👉কোনগুলি শিশুর (বড়দের) জন্যও ক...
17/06/2023

👉নুডলস কিসের তৈরি?
ময়দার তৈরি।
👉নুডলস কত ধরনের হয়?
একশোর বেশি
👉সব নুডলস শিশুকে দেয়া যায়?
না।
👉কোনগুলি শিশুর (বড়দের) জন্যও ক্ষতিকর?
ইনস্ট্যান্ট, রেডিমেইড, টেস্টিং সল্ট ও সোডিয়াম, msg মেশানো নুডলস সবার জন্য ক্ষতিকর। শিশুর ক্ষেত্রে এগুলো মারাত্মক ক্ষতি করে লিভার ও কিডনিতে।
👉কোনগুলি দিব?
যেগুলিকে স্টিক নুডলস বলে। রাঁধতে/সিদ্ধ করতে সময় লাগে। কোনো লবণ, টেস্টিং সল্ট, মশলা বা আর কিছুই নেই
👉ম্যাগি না কোকোলা?
শুধু ম্যাগি বা কোকোলা নয়, সব কোম্পানির স্টিক নুডলস ও ইনস্ট্যান্ট নুডলস দুটোই আছে।
যেহেতু ইনস্ট্যান্ট নুডলস লোকে বেশি খায়, বাজার এখন ইনস্ট্যান্ট নুডলসে ভর্তি। আগে কোকোলা কোম্পানির শুধু স্টিক নুডলস ছিল। এখন কোকোলা ইনস্ট্যান্ট নুডলসও আছে।
👉আমার ছেলে কোন নুডলস খায়?
কোনোটাই না। প্যাকেটের খাবার না দেয়ার চেষ্টা করছি। যতদিন পারি দিব না।
👉স্টিক নুডলস বা শিশুদের নুডলস কিভাবে বুঝবো?
ছবিতে দেখুন। বামপাশে স্টিক নুডলসের ছবি আছে। তবে লম্বা নুডলস মানেই শিশুদের জন্য তা নয়। আপনাকে অবশ্যই গায়ে লেখা উপাদান পড়ে নিতে হবে।
👉নুডলসের গায়ে লেখা আছে শিশুদের জন্য, তাহলে?
না, লেখা থাকা মানেই শিশুর জন্য নিরাপদ না। মনে রাখবেন খাবারের অভ্যাসের ওপর স্বাস্থ্য নির্ভর করে। খাবার যত খারাপ হবে স্বাস্থ্য তত খারাপ হবে, ওষুধ ও হাসপাতাল ব্যবসা জমজমাট হবে। তাই সব দেশেই খাবার ও চিকিৎসা কোম্পানিরা মানুষের সর্বনাশ করার জন্য একজোট। সচেতন আপনাকেই হতে হবে।

কার্টেসীঃ পারমিতার প্রতিদিন

 #জীবনকে_সুন্দর_করার_টিপসঃ১. প্রতিদিন ঘুমান গড়ে সর্বোচ্চ ৬ ঘণ্টা। বেশি সময় নয়, ভালভাবে ঘুমানোই বড় কথা।মোবাইল সাইলেন্...
23/05/2022

#জীবনকে_সুন্দর_করার_টিপসঃ
১. প্রতিদিন ঘুমান গড়ে সর্বোচ্চ ৬ ঘণ্টা। বেশি সময় নয়, ভালভাবে ঘুমানোই বড় কথা।মোবাইল সাইলেন্ট করে আর ল্যাপটপ দূরে রেখে ঘুমাবেন।

২. মোবাইলের ড্রাফ্টসে কিংবা একটা নোটবুকে আপনার মাথায় বিভিন্ন মুহূর্তে যে ভাল কথা কিংবা চিন্তাভাবনা আসে, তা লিখে রাখবেন।সাধারণত সুন্দর চিন্তাগুলি দুইবার আসে না।

৩. প্রতিদিন ৩০ মিনিট নিয়ম করে কোন একটা মোটিভেশনাল বই পড়ুন কিংবা লেকচার শুনুন। এ সময় নিজের ইগোকে দূরে রাখবেন।

৪. কোন সময় মন যদি খুব অশান্ত হয়ে যায়, এবং কিছুতেই সেটাকে শান্ত করা না যায়, তবে ১০ মিনিট হাঁটুন আর হাঁটার সময় নিজের পদক্ষেপ গুনুন। আরেকটা কাজ করতে পারেন। সেটি হল, মাথা থেকে সমস্ত চিন্তা বের করে দিয়ে মাথাটাকে সম্পূর্ণ ফাঁকা করে দিয়ে চুপ করে ১০ মিনিট আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা।

৫. প্রতিদিন সকালে উঠে সেদিন কী কী কাজ করবেন, সেটি একটা কাগজে ১০ মিনিটে লিখে ফেলুন। কাগজটি সাথে রাখুন। আগের দিনের চাইতে অন্তত একটি হলেও বেশি কাজ করার কথা লিখবেন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মিলিয়ে নিন, সবগুলি করতে পেরেছেন কিনা।

৬. যে কাজটা করা দরকার, সে কাজে জেদি হওয়ার চেষ্টা করুন। কাজটার শেষ দেখে তবেই ছাড়ুন।

৭. যিনি আপনাকে তার জীবনে অপরিহার্য মনে করেন না, তাকে আপনার জীবনে অপরিহার্য মনে করার বাজে অভ্যেস থেকে সরে আসুন।যে আপনাকে ছাড়াই সুস্থভাবে নিঃশ্বাস নিচ্ছে তার জন্যে দম আটকে মরে যাওয়ার মানে হয় না।আপনি কত সময় ধরে তার সাথে ছিলেন, সেটা বড় কথা নয়;বরং সামনের সময়টাতে কত বেশি তাকে জীবন থেকে ডিলিট করে থাকতে পারবেন, সেটাই বড় কথা।

৮. খুব দ্রুত পড়ার অভ্যাস করুন। পড়ার সময় কীভাবে অপ্রয়োজনীয় অংশগুলিতে চোখ বুলিয়ে যেতে হয়, সেটা শিখুন। প্রয়োজনীয় অংশগুলি দাগিয়ে দাগিয়ে বারবার পড়ুন। এতে আপনার পড়ার সময় কমে যাবে।

৯. আপনার বর্তমান অবস্থার দিকে তাকান। দেখবেন, কিছু কিছু বিষয়ে স্রষ্টার অনুগ্রহে আপনি অনেক বিপদ কিংবা দুর্ভাগ্য থেকে বেঁচে গেছেন এবং ভাল আছেন।ঘুমাতে যাওয়ার আগে শুকরিয়া আদায় করে ঘুমান।

১০. বিভিন্ন মোটিভেশনাল বই,বিভিন্ন গ্রেটম্যানদের বায়োগ্রাফি,বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্থএসব বই পড়ার সময় অবশ্যই বিশ্বাস করে পড়তে হবে। যদি আপনি পৃথিবীতে সবকিছুই যুক্তি দিয়ে বিচার করেন, তবে পৃথিবীতে বেঁচে থাকাটা আপনার জন্য কঠিন হতে পারে। তবে বইগুলিতে যা যা আছে, সেগুলির মধ্য থেকে আপনার দরকারি জিনিসগুলিকেই গ্রহণ করুন।

১১. মাসে অন্তত দুইদিন রোযা রাখুন। রোযা মানসিক শক্তি বাড়ায়, সহনশীল এবং বিনীত হতে শেখায়।

১২. ব্যাগে অন্তত একটি ভাল বই রাখুন আর সুযোগ পেলেই পড়ুন। মোবাইলেও পিডিএফ আকারে বই রাখতে পারেন।

১৩. প্রতিদিন অন্তত একজন ব্যক্তিকে সাহায্য করুন কিংবা ক্ষমা করে দিন। এতে আপনার নিজের প্রতি সম্মানবোধ বাড়বে। নিজেকে সম্মান করুন সবচাইতে বেশি।

১৪. সপ্তাহে একদিন বাসার বারান্দায় দাঁড়িয়ে ভোর হওয়া দেখুন। এটি আপনার ভাবনাকে সুন্দর করতে সাহায্য করবে।

১৫. একটা সহজ বুদ্ধি দিই : অন্য মানুষকে সম্মান করে না, এমন লোকের সঙ্গ এড়িয়ে চলুন। উদ্ধত লোকের কাছ থেকে তেমন কিছুই শেখার নেই।

১৬. নিজের চারিদিকে একটা দেয়াল তৈরি করে রাখুন। সে দেয়ালেঘেরা ঘরে আপনি নিজের মতো করে নিজের কাজগুলি করার জন্য প্রচুর সময় দিন। এতে আপনি অন্যদের চাইতে একই সময়ে বেশি কাজ করতে পারবেন। সবাইকেই সময় দিলে আপনি নিজের কাজগুলি ঠিকমতো করতে পারবেন না।

১৭. প্রতিদিন একটা ভাল বইয়ের অন্তত ৩০ পৃষ্ঠা না পড়ে ঘুমাতে যাবেন না। ফেসবুকিং করার সময় বাঁচিয়ে বই পড়ুন। বই পড়ে, এমন লোকের সাথে মিশুন। যে ছেলে কিংবা মেয়ে বই পড়ে না, তার সাথে প্রেম করার কিছু নেই। আর যদি ভালবেসেই ফেলেন, তবে তাকে বইপড়া শেখান।

১৮. আপনার চাইতে কম মেধা আর বুদ্ধিসম্পন্ন লোকজনের সাথে সময় কম কাটান। তবে কখনওই তাদেরকে আঘাত করে কোন কথা বলবেন না। একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তির সাথে একবার কথা বলা ২০টা বই পড়ার সমান। ভুল লোকের সাথে সময় কাটানোর চাইতে একা একা থাকা ভাল।

১৯. প্রতিদিন আপনি যতটুকু কাজ করতে পারেন, তার চাইতে কিছু বাড়তি কাজ করুন।

২০. সপ্তাহে একদিন ঘড়ি এবং মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে একেবারে নিজের মতো করে সময় কাটান। সেদিন বাইরের পুরো দুনিয়া থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলুন এবং যা যা করতে ভাল লাগে কিন্তু ব্যস্ততার কারণে করা হয় না, সেসব কাজ করে ফেলুন।

২১. আপনি সম্মান করেন কিংবা পছন্দ করেন, এমন কোন ব্যক্তির ১০টি ভাল গুণ কাগজে লিখে ফেলুন। এরপর আপনি বিশ্বাস করুন যে, সে গুণগুলি আপনার মধ্যেও আছে এবং যতই কষ্ট হোক না কেন, সে গুণগুলির চর্চা করতে থাকুন। উনি যেরকম, সেরকম হওয়ার অভিনয় করুন। উনি যেভাবে করে কাজ করেন, একই স্টাইলে কাজ করুন। এ কাজটি ২ সপ্তাহ করে দেখুন, নিজের মধ্যে একটা পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

২২. অন্যরা করার আগেই নিজেই নিজের বাজে দিকগুলি নিয়ে মাঝে মাঝে প্রকাশ্যে ঠাট্টা করুন। এতে করে আপনার নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ বাড়বে।

২৩. প্রতিদিনই এমন দুটি কাজ করুন, যেগুলি আপনি করতে পছন্দ করেন না। করার সময় বিরক্ত লাগলেও থেমে যাবেন না। যেমন, এমন একটি বই পড়তে শুরু করুন, যেটি আপনার পড়া উচিত কিন্তু পড়তে ইচ্ছা করে না। কিংবা এমন একজনকে ফোন করুন যাকে ফোন করা দরকার কিন্তু করা হয়ে ওঠে না। কিংবা বাসার কমোডটি পরিষ্কার করে ফেলুন। এতে করে আপনার দ্রুত কাজ করার ক্ষমতা বাড়বে।

২৪. আপনি যেমন হতে চান, তেমন লোকের সাথে বেশি বেশি মিশুন। খেতে পছন্দ করে, এমন লোকের সাথে মিশে আপনি ওজন কমাতে পারবেন না।

২৫. দিনে একবার টানা ৩০ মিনিটের জন্য মৌন থাকুন। ওইসময়ে কারোর সাথেই কোন কথা বলবেন না। খুব ভাল হয় যদি চোখ বন্ধ করে পুরোনো কোন সাফল্যের কিংবা সুখের কোন স্মৃতির রোমন্থন করতে পারেন। এটা মানসিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

২৬. প্রায়ই ভাবুন, আপনি এই মুহূর্তেই মারা গেলে আপনার পরিবারের বাইরে আর কে কে আপনার জন্য কাঁদবে। ওরকম লোকের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কী কী করা যায়, ভাবুন এবং করুন।

২৭. সকালে ভোর হওয়ার আগে উঠুন।বেশিরভাগ লোকই রাতে জাগে আর গল্প করে সময় নষ্ট করে।ভোরের আগে উঠতে পারলে, আপনাকে বিরক্ত করার কেউ থাকবে না,আপনি পড়াশোনা করা ছাড়া আর তেমন কোন কাজই পাবেন না।

২৮. কোন একটা কাজ করতে হুট করেই পরিশ্রম করা শুরু করে দেবেন না। আগে বুঝে নিন, আপনাকে কী করতে হবে, কী করতে হবে না। এরপর পরিশ্রম নয়, সত্যিই কঠোর পরিশ্রম করুন।

২৯. পৃথিবীতে কেউই জিরো থেকে হিরো হয় না। আপনাকে ঠিক করতে হবে, আপনি কোন ব্যাপারটাতে হিরো হতে চাচ্ছেন। আপনি যে বিষয়টাতে আগ্রহ বোধ করেন না, কিংবা যেটাতে আপনি গুরুত্ব দেন না, সেটাতে সময় দেয়া মানে, স্রেফ সময় নষ্ট করা। আপনি যেটাতে সময় দিচ্ছেন, সেটাই একদিন আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে চেনাবে।

৩০. বুদ্ধিমত্তা আর অর্জনের মধ্যে সম্পর্ক খুব ভাল নয়। যার যত বেশি বুদ্ধি, সে তত বেশি এগিয়ে, এরকমটা সবসময় নাও হতে পারে। স্কুল-কলেজ-বিশ্
ববিদ্যালয়ের সবচাইতে ভাল রেজাল্ট-করা স্টুডেন্টদের শতকরা মাত্র ২০ ভাগ গ্রেটদের তালিকায় নাম লেখাতে পারে। বাকি ৮০ ভাগ আসে তাদের মধ্য থেকে যাদেরকে নিয়ে কেউ কোনদিন স্বপ্ন দেখেনি। তাই শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও নিজের সাথে লড়াই করে যান।
(Dkbd Jahid hasan)

❤️ফিরে আসার গল্প রচয়িতা হোক পার্কভিউতে❤️কথায় আছে রাখে আল্লাহ মারে কে,তারই উদহারন মিসেস আনোয়ারা বেগম (৭৫)।বুক ব্যাথা নিয়ে...
04/01/2022

❤️ফিরে আসার গল্প রচয়িতা হোক পার্কভিউতে❤️

কথায় আছে রাখে আল্লাহ মারে কে,তারই উদহারন মিসেস আনোয়ারা বেগম (৭৫)।বুক ব্যাথা নিয়ে পার্কভিউ হসপিটালে ভর্তি হয় ২৫.১১.২১ তারিখ। ২৭.১১.২১ তারিখ রাতে তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হলে
(MI with ALVF with H/O OLD STROKE IHD,DM,HTN) আইসিইউতে শিফট করা হয়,রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকলে রোগীর স্বজনের সম্মতিতে লাইফ সাপোর্ট দেয় ডাক্তার Sunny Das Gupta Nuruddin Zahed। ভোর রাত ৪টায় রোগী বেঁচে নেই এমনটা দাবী করে স্বজনরা রিস্কবন্ড দিয়ে গ্রামের বাড়ি মুরাদনগর,রাঙ্গুনিয়ায় নিয়ে যায়। বাড়িতে শুরু করে দেয় শেষ বিদায়ের সকল আয়োজন যেমন ( মসজিদে মাইকিং করে মৃত্যুর খবর ঘোষনা)। রোগী এখনো বেঁচে আছে নিশ্চিত হলে পুনরায় নিয়ে আসেন পার্কভিউ হসপিটালের আইসিইউতে। ডাক্তার, নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রম আর অতি দক্ষতায় এক দিন পর রোগীর লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয় নতুত জীবনে ফিরে আসতে শুরু করে মৃত ঘোষিত (স্বজন কর্তৃক)আনোয়ারা বেগম।যারা লাইফ সাপোর্ট কে টাকা বাড়ানোর যন্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করেন আনোয়ারা বেগমের ফিরে আসাটা তাদের জন্য প্রতিবাদের খন্ড চিত্র।ডাক্তার আর নার্সদের পরিশ্রমে এভাবেই ফিরে আসুক আনোয়ারা বেগমরা, আস্থা ফিরুক চিকিৎসকদের চিকিৎসায়। এভাবেই ফিরে আসার এক একটি গল্প রচয়িতা হোক পার্কভিউ হসপিটালের আইসিইউতে। জয় হোক মানবতার,এগিয়ে যাক Parkview Hospital Chittagong.
বিঃদ্রঃ - মৃত্যু নির্ধারনকারী একমাত্র আল্লাহ, আমরা যত আয়োজন করিনা কেন তার ইশারায় সব আয়োজন বৃথা।
কালেক্টেড

 : আমাদের বাচ্চাদের ব্রেইনের ৯৫% গঠন হয় প্রথম ৫ বছরে। বাকি ৫% গঠন হয় পরের ৩ বছরে। তাই প্রথম ৮ বছর আপনার সন্তানের জন্য - ...
27/10/2021

:

আমাদের বাচ্চাদের ব্রেইনের ৯৫% গঠন হয় প্রথম ৫ বছরে। বাকি ৫% গঠন হয় পরের ৩ বছরে। তাই প্রথম ৮ বছর আপনার সন্তানের জন্য - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এর ভিতর ৫ বছর বেশী গুরুত্বপূর্ণ!

ফলে এই সময়ে সবচেয়ে careful থাকা উচিৎ! এই গঠন বলতে বুঝায় - ব্রেইনের connection তৈরী হওয়া।

যার যত connection তৈরী হবে, সে তত ব্রিলিয়ান্ট হবে!

এই connection তৈরীতে রঙিন খেলনা, পুষ্টিকর খাবার, বাচ্চার সাথে খেলা করা, গল্প বলা - এমনই অনেক কিছু নির্ভরশীল!

কিন্তু আমাদের দেশে - বাচ্চা কথা বলা শেখার আগেই - সবাই লাঠি নিয়ে বসে - ঠিকমত পড়ালেখা শিখছে তো?

#খাবারঃ

একসময় এদেশে মায়েদের বাচ্চার খাবারই ছিল - বার্লি আর সাগু!

তখন বার্লি Face বলে, একটা অপুষ্টির লক্ষ্মণ দেখা যেত। বাচ্চা হতো মোটাতাজা, মা মনে করতো - বেশ ভাল স্বাস্থ্য হয়েছে!

আজ সেই জায়গাটা নিয়েছে, সুজি! সুজি হয় চালের গুড়া, নাহলে গমের।

আবার এর সাথে কোন না কোন দুধ মিশ্রিত করে, সাথে থাকে চিনি। অথচ এর সবগুলোই অপুষ্টির জন্য যথেষ্ট।

কারণ গরীব হলে, গরুর দুধ মিশ্রিত করে - আর টাকা থাকলে infant formula. অথচ দুটোই বাচ্চার জন্য ক্ষতিকারক!

Infant formula'তে কোন কিছু মিশানো নিষেধ। আবার কোন চিকিৎসক লিখে দিলে - শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আমরা জানি সবসময়ই সুষম খাবার প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে খিচুড়ি হলো, বাচ্চার সুষম খাবার।

অথচ মা'দের বুঝানো কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাথে যোগ হয়েছে - দাদা/দাদি, নানা/নানি।

মুরুব্বিদের ধারণা - তারাও তো বাচ্চা মানুষ করেছে, কখনো তো সমস্যা হয় নাই!

এর উত্তরে অনেক সময় বলি, দেশ যে ব্রিলিয়ান্ট জনসংখ্যার সংকটে ভুগছে, তা আপনাদের দান!

জাপানে প্রাইমারি স্কুলে কোন পরীক্ষা নেয় না! ওরা এই early childhood development এর উপর গুরুত্ব দিয়ে থাকে।

আর তাই সেরা ব্রিলিয়ান্ট ঐদেশে তৈরী হয়। আমাদের মত লাঠি হাতে নিয়ে শিক্ষা দেয় না।

#কেন_খিচুড়ি_সেরা?

আমরা সবাই বা অনেকেই জানি essential amino acid বলে, একটা শব্দ আছে। যা শরীর তৈরী করতে পারে না। ফলে বাহিরের খাবার খেয়ে সেই অভাব পূরণ করতে হয়।

একমাত্র খিচুড়িতেই সবগুলো পাওয়া সম্ভব (চালে আটটি আর বাকিগুলো ডালে থাকে)। ফলে চাল-ডাল একসাথে থাকলেই শুধু সবগুলো essential amino acid পাওয়া সম্ভব!

এছাড়াও ডিমে এইসবগুলো essential amino acid থাকে।

#ফলে_বাচ্চার_খাবার_হওয়া_উচিৎঃ

১) মায়ের বুকের দুধ ২ বছর পর্যন্ত, এর বাহিরে আর কোন দুধ নয়।

২) খিচুড়ি (চাল+ডাল+সয়াবিন/অলিভ ওয়েল+সবজি)

৩) ডিম

৪) মা যখন যা খাবেন - সেখান থেকে মাছ/মাংস/সবজি বাচ্চাকে দিবেন। (ফ্রেশ হতে হবে)

৫) সারাদিনে একবার ফল খাবে। #আঙ্গুর বাদে। বাচ্চা সকাল/দুপুর/রাত, প্রচুর ফল খায় - এটাও ভাল লক্ষ্মণ নয়। কারণ পেট ভরা থাকায়, অন্য প্রয়োজনীয় খাবার খাবে না।

সবশেষে মা'দের বলি - আপনার সন্তান যদি পড়ালেখা নাও করে - Early Childhood Development ঠিক থাকলে, রিক্সা চালক হলে - সেরা রিক্সা চালক হবে। বা চোর হলেও সেরা চোর হবে!

তাই সবাই Early Childhood Development এর উপর সময় দিন। সঠিক খাবার নিশ্চিত করুন! সুজি/গরু/ছাগলের (২ বছর বয়স পর্যন্ত) দূধ খাওয়ানো বন্ধ করুন।

বি.দ্র. ছাগলের দূধে অতিরিক্ত অসুবিধা, এক ধরনের রক্তশূন্যতা রোগ হয়।

ডা.নিয়ামত হোসেন রিপন
সহকারী অধ্যাপক (নিওনেটোলজী)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ, ফরিদপুর।

▶️গর্ভবতী ও বুকের দুধ দানকারী নারীর কোভিড ভ্যাক্সিন◀️◾প্রেগন্যান্সির প্রথম তিন মাস টীকা গ্রহণ করা ব্যাক্তির একান্ত নিজস্...
09/08/2021

▶️গর্ভবতী ও বুকের দুধ দানকারী নারীর কোভিড ভ্যাক্সিন◀️

◾প্রেগন্যান্সির প্রথম তিন মাস টীকা গ্রহণ করা ব্যাক্তির একান্ত নিজস্ব অভিমত
◾গর্ভবতী ও দুধদান কারী নারীর জন্য টিকা নিরাপদ
◾প্রেগন্যান্সির যেকোন সময় টিকা গ্রহণ করা যাবে
◾ডেলিভারির ডেট এগিয়ে এলে তার কিছুদিন আগে টিকা না নিয়ে ডেলিভারির পর টিকা নেওয়া উচিত
◾বুকের দুধ পান করানোর যেকোনো সময় টিকা গ্রহণ করা যাবে, এতে মা ও শিশুর ক্ষতির সম্ভাবনা নেই
◾প্রসব ও প্রসব পরবর্তী হাসাপাতালে থাকা কালীন করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়
◾প্রেগন্যান্ট অবস্থায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে দুর্বল, ঝুঁকিও থাকে বেশি
◾আমেরিকায় ১৩০০০০ গর্ভবতী মহিলা ও ইংল্যান্ডে ৪০০০ মহিলা টিকা গ্রহণ করেছেন এবং তাদের মাঝে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় নি
◾পূর্ব থেকেই যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাদের আগে টিকার আওতায় আনতে হবে
◾উন্নত সকল দেশ গর্ভবতী ও ল্যাক্টেটিং মায়ের টিকার অনুমোদন দিয়েছে এবং টিকার আওতায় আনছে
◾একটি টিকা বাঁচাতে পারে দুটি জীবন
◾কোভিড থেকে বাঁচতে মাস্ক,শারীরিক দুরত্ব, টিকার বিকল্প নেই

👉Source:
ACOG( আমেরিকা ),
RCOG( ইংল্যান্ড),
FOGSI( ইন্ডিয়া),
SOGC( কানাডা)

09/05/2021
 #শিশুর_ত্বকের_যত্নে_যে_ভুলগুলো :শিশুদের সুস্থতায় মায়ের খুব সচেতন থাকেন। আর এক্ষেত্রে বাচ্চাদের ত্বকের যত্ন খুব জরুরি।তব...
25/08/2020

#শিশুর_ত্বকের_যত্নে_যে_ভুলগুলো :

শিশুদের সুস্থতায় মায়ের খুব সচেতন থাকেন। আর এক্ষেত্রে বাচ্চাদের ত্বকের যত্ন খুব জরুরি।

তবে আমরা না জেনে শিশুর ত্বকের যত্নে বেশকিছু ভুল কর।

এর প্রভাবে বাচ্চাদের ত্বকে রুক্ষতা, র্যা শ সহ নানান সমস্যা দেখা দেয়। তাই দেখে নিন শিশুর ত্বকের যত্নে যেসব সচেতনতা জরুরি-

১) বেশি গোসল করানো অথবা পরিষ্কার করা

প্রতিদিন সাবান ও শ্যাম্পু ব্যবহার না করাই ভালো। গোসলের শেষে নরম শুকনো সুতি কাপড় দিয়ে দ্রুত ভালোভাবে পানি মুছে ফেলতে হবে।

শরীরের ভাঁজগুলোতে যেন পানি লেগে না থাকে। কারণ, এ থেকে ছত্রাক সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে।

বাচ্চার ত্বক সংবেদনশীল হওয়ায় বার বার ধোয়া শিশুর ত্বক শুষ্ক এবং রুক্ষ করে ফেলবে।

তাই প্রয়োজন ছাড়া বার বার বাচ্চার ত্বক পরিষ্কার করার অভ্যাস বাদ দিন। প্রতিদিন একবার গোসল করানোই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যথেষ্ট।

২) ঠান্ডা লেগে যাবার ভয়ে গোসল/পরিষ্কার কম করানো

অনেকের ধারণা বাচ্চাদের নিয়মিত গোসল করাবার দরকার নেই। দেখা যাচ্ছে দু-তিন দিন পর পর একবার গোসল করাচ্ছেন।

বাকি সময় বড়জোর গা মুছে দিচ্ছেন। বাচ্চা সারাদিন ঘরে থাকলেও ঘাম ময়লা তো জমবেই। তাই গোসল নিয়মিত বাচ্চাকে গোসল করান।

ঠান্ডার দিনে বাচ্চাকে হাল্কা গরম পানি দিয়ে গোসল করাবেন। তবে এটা অবেলায় করাবেন না। রোদ উঠে যাবার পর থেকে দুপুর হবার আগ পর্যন্ত গোসল করানো সবচেয়ে ভালো।

৩) বড়দের সাবান ব্যবহার

আমরা অনেকেই বাচ্চাকে প্রতিদিন বড়দের সাবান দিয়ে গোসল করাই। কিন্তু বড়দের সাবানে থাকে অতিরিক্ত ক্ষারীয় উপাদান।

শিশুদের ত্বক বড়দের তুলনায় ৫ গুণ পাতলা। বেবির সংবেদনশীল ত্বকে বড়দের সাবান ব্যবহারে শিশুর ত্বকে র্যা শ, রুক্ষ, অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে।

শিশুর ত্বকে উপযোগী সাবান (যা অবশ্যই ময়েশ্চারাইজারযুক্ত হতে হবে) ব্যবহার করুন।

৪) বড়দের প্রোডাক্ট ব্যবহার করানো

অনেকে বড়দের লোশন শিশুদের ব্যবহার করেন। আপনি হয়তো জানেন না, বড়দের প্রসাধন সামগ্রীতে চড়া মাত্রায় প্রিজারভেটিভ,

পারফিউম, এবং এলারজেন উপাদান থাকে। যা আপনার বাচ্চার কোমল ত্বকের জন্য কোন অবস্থাতেই উপযোগী নয়।

এছাড়া বাচ্চাদের ত্বক বড়দের তুলনায় দ্রুত শুষ্ক হয়ে পড়ে তাই শিশুদের দরকার বেবি লোশন যা কয়েকগুণ বেশি ময়েশ্চারাইজিং।

৫) অপরিশোধিত তেল মাখানো

আগের দিনে সরিষার তেল, তিলের তেল ইত্যাদি বাচ্চাদের মাখিয়ে তারপর গোসল করানো হত। এটা বাচ্চাদের জন্য ভালো।

কারণ, গোসলের আগে তেল ম্যাসাজ করা বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং স্বাভাবিক গ্রোথের জন্য উপকারী। কিন্তু আমাদের দেশের এই তেলগুলো অপরিশোধিত।

এসব তেলে থাকতে পারে ঝাঁজালো উপাদান এবং উচ্চমাত্রায় এসিড ভ্যালু যা বাচ্চার ত্বকের জন্য ক্ষতিকর।

তাই ব্যবহার করুন এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ অলিভ অয়েল। এতে কোন ঝাঁজালো বা সংবেদনশীল উপাদান নেই। বিশ্বজুড়ে ডাক্তাররা এক্সট্রা ভার্জিন গ্রেড অলিভ ওয়েলকেই বাচ্চাদের জন্য বেস্ট ম্যাসাজ ওয়েল বলেন।

প্রথমে প্রসূতি মায়ের সকল স্ট্রেস দূর কমাতে হবে। এক্ষেত্রে সামাজিক কোন কারণ হলেও তা বুঝিয়ে দূর করার চেষ্টা করতে হবে অন্তত...
05/08/2020

প্রথমে প্রসূতি মায়ের সকল স্ট্রেস দূর কমাতে হবে। এক্ষেত্রে সামাজিক কোন কারণ হলেও তা বুঝিয়ে দূর করার চেষ্টা করতে হবে অন্তত তার শিশুর সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য। অনেকসময়ই দেখা যায় মেয়ে সন্তান জন্ম নিলে সন্তানের প্রতি অবহেলা,স্বামীর সন্তান বা মায়ের প্রতি অনিহা ইত্যাদি লক্ষ করা যায়। এ ধরনের সংকীর্ণতা দূর করে প্রসূতি মাকে উৎসাহ দিতে হবে এবং যাবতীয় মানসিক চাপ দূর করতে হবে।

সেই সাথে মাকে প্রতিদিন কমপক্ষে ১৮০০ক্যালরি ক্ষমতা সম্পন্ন খাবার খাওয়াতে হবে। অবশ্যই আরো ভালো হবে যদি যেসব খাবার উচ্চ ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ, দুধ ও ডিম জাতীয় খাবার, প্রচুর ভিটামিন জাতীয় ফল এবং উন্নতমানের কিছু লতাপাতা জাতীয় শাঁক ও তরকারী, লবণাক্ত মাছ, বাদামী চাল, চর্বিহীন মাংস এবং কচি মুরগের বাচ্চা ইত্যাদি নিজ সাধ্যমতো যথেষ্ট পরিমান খাওয়ানোর চেষ্টা করা উচিত।

প্রাকৃতিক উপায়ে বুকের দুধ বাড়ানোর কিছু টিপস্:
**************************************
(১) সুষম খাবার গ্রহন। প্রতিদিন ২,৫০০ ক্যালরি গ্রহন করতে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
(২) প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা। মায়ের শরীর কখনোই পর্যাপ্ত দুধ উৎপাদন করতে পারে না যদি পানি পানের পরিমাণ কম হয়।
(৩) রাতে যতটুকু সম্ভব নিশ্চিন্তে ঘুমানো এবং দিনের বেলাতেও শিশু ঘুমানো অবস্থায় অল্পক্ষণের ঘুম দিয়ে নেয়া।
(৪) নিয়মিত কিছু হালকা ব্যায়াম করা।
(৫) বাসার আত্মীয়-স্বজনদের সাথে কাজ ভাগ করে নেওয়া, যাতে একার উপর চাপ বেশি না পড়ে।
(৬) ঘন ঘন বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ালে বুকের দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
(৭) প্রতিদিন এক বাটি করে ওটমিল খাওয়া।
আর বাচ্চাকে ততক্ষন খাওয়াতে হবে যতক্ষন ও খেতে চায়। আর খেতে না চাইলে না খাওয়ালে চলবে।

এরপরও যদি দেখেন মায়ের বুকে ভালো দুধ আসছে না তাহলে তা কোন অসুখের কারণেও হতে পারে। এক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথের চিকিৎসা নিন। নবজাতক যদি মায়ের বুকের দুধ না পায় তবে মায়ের বুকের দুধ বাড়ানোর জন্য হোমিওপ্যাথের চিকিৎসাই একদম নির্ভরযোগ্য। যা আপনার এবং আপনার সন্তানের জন্য মঙ্গলজনক।

© @স্বাস্থ্য তথ্য-Health Tips

জাম্বুরা/বাতাবি লেবুর গুণাগুণ :প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য জাম্বুরায় রয়েছে খাদ্যশক্তি ৩৮ কিলোক্যালরি। প্রোটিন ০.৫ গ্রাম...
03/08/2020

জাম্বুরা/বাতাবি লেবুর গুণাগুণ :

প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য জাম্বুরায় রয়েছে খাদ্যশক্তি ৩৮ কিলোক্যালরি। প্রোটিন ০.৫ গ্রাম। স্নেহ ০.৩ গ্রাম।শর্করা ৮.৫ গ্রাম। খাদ্যআঁশ ১ গ্রাম। থায়ামিন ০.০৩৪ মিলি গ্রাম। খনিজ লবণ ০.২০ গ্রাম। রিবোফ্লেভিন ০.০২৭ মিলি গ্রাম। নিয়াসিন ০.২২ মিলি গ্রাম। ভিটামিন বি২ ০.০৪ মিলি গ্রাম। ভিটামিন বি৬ ০.০৩৬ মিলি গ্রাম। ভিটামিন সি ১০৫ মিলি গ্রাম। ক্যারোটিন ১২০ মাইক্রো গ্রাম। আয়রন ০.২ মিলি গ্রাম। ক্যালসিয়াম ৩৭ মিলি গ্রাম। ম্যাগনেসিয়াম ৬ মিলিগ্রাম। ম্যাংগানিজ ০.০১৭ মিলিগ্রাম। ফসফরাস ১৭ মিলিগ্রাম। পটাশিয়াম ২১৬ মিলিগ্রাম। সোডিয়াম ১ মিলিগ্রাম। জাম্বুরা একটি ভিটামিন সমৃদ্ধ ফল। এর পুষ্টিমান অনেক উন্নত।

সৌজন্যেঃ @স্বাস্থ্য তথ্য-Health Tips

কাঁঠালের এত গুণ !বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল। কাঁঠালে রয়েছে ফাইবার, প্রোটিন, এন্টি-অক্সিডেন্ট, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্...
25/06/2020

কাঁঠালের এত গুণ !

বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল। কাঁঠালে রয়েছে ফাইবার, প্রোটিন, এন্টি-অক্সিডেন্ট, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, কার্বসহ আরও অনেক পুষ্টিগুণ। তাই সুস্থ থাকতে পুষ্টিগুণে অনন্য কাঁঠাল খেতে পারেন। এছাড়া কাঁচা কাঁঠালও কিন্তু স্বাদে আর গুণে কম যায় না। এটি তরকারি হিসেবে খাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁঠাল স্বাস্থ্যকর খাবার।
কাঁচা কাঁঠাল রোগব্যাধি উপশমে যেমন কার্যকর, অন্যদিকে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়িয়ে দেয় অনেক গুণ। এমনকি কাঁঠালের বিচিতেও আছে শর্করা। এটি চাইলে খেতে পারবেন তরকারি, হালুয়া বা ভর্তা হিসেবে। তবে এতে থাকে আঁশ, তাই বেশি খেলে হজমে গোলযোগ হতে পারে। যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁদের কাঁঠাল খাওয়ায় খানিকটা বিধিনিষেধ আছে। এ ছাড়া কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যাঁদের রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি, তাদের কাঁঠাল না খাওয়াই ভালো।
আসুন জেনে নেয়া যাক কাঁঠালের কিছু উপকারিতা:
ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি পাওয়া যায় কাঁঠাল থেকে। এই দুই ভিটামিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সুস্থ রাখে শরীর।
কাঁঠালে থাকা পটাসিয়াম, ফাইবার ও এন্টি-অক্সিডেন্ট হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
কাঁঠালের বিচিতে যে প্রোটিন আছে, তা মাংসপেশি গঠনে ভূমিকা রাখে। কাঁঠালের বিচি গুঁড়ো করে সকালের জুসেও খেতে পারেন।
কাঁঠালে থাকা প্রোটিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
ত্বক সুন্দর রাখতে নিয়মিত খান কাঁঠাল। এতে থাকা ভিটামিন সি ত্বকের অকালে বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।
পেটের নানা রকম পীড়া থেকে মুক্তি দিতে পারে কাঁঠাল। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং অন্ত্রের নড়াচড়া বাড়াতে সাহায্য করে এটি।
এন্টি অক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভোনয়েড থাকায় কাঁঠাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে।
কোষের দ্রুত ক্ষয় হয়ে যাওয়া রোধ করে কাঁঠাল।
কাঁঠালে থাকা ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাড় মজবুত রাখে এবং অস্টিওপোরসিস রোগ প্রতিরোধ করে।
দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে এই ফল। তথ্য: হেলথ লাইন,

মা-বাবা ডাক্তার, ছেলে এমবিবিএস ৪র্থ বর্ষে ঘর থেকে বের না হয়েও ছেলের করোনায় মৃত্যু।সন্তানহারা ডাক্তার মায়ের আকুতিঃডাক্তার...
19/06/2020

মা-বাবা ডাক্তার, ছেলে এমবিবিএস ৪র্থ বর্ষে
ঘর থেকে বের না হয়েও ছেলের করোনায় মৃত্যু।

সন্তানহারা ডাক্তার মায়ের আকুতিঃ

ডাক্তারী চতুর্থ বর্ষে পড়ুয়া সালমান বের হতো না। ঘরে থেকেও সে করোনায় মারা গেলো করুন ভাবে।
গাইনোলজি প্রফেসর ডাক্তার শবনম তাহেরের চতুর্থ বর্ষে ডাক্তারী পড়ুয়া ছেলে। লেখাপড়া ও খেলাধূলায় সমান মেধাবী। বাবাও ডাক্তার। করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর মাত্র সাতদিনেই মারা গেলো সালমান।

😭ছেলের মৃত্যু নিয়ে
মা শবনমের হৃদয় ছোঁয়া স্ট্যাটাসঃ---

গতকাল-আমাদের ডাক্তারী পড়ুয়া মাত্র ২১ বছরের প্রিয়তম সন্তানকে হারিয়েছি। এর চেয়ে বেদনার দিন কোনো মায়ের এই পৃথিবীতে নেই। প্রচন্ড শোকের মাঝে অন্য সব মায়েদের এই বার্তা দেয়ার একমাত্র কারণ হলো- আর কোনো মাকে যেন এইভাবে তার সন্তানকে হারাতে না হয়।

আমি শুধু মা না। আমি একজন ডাক্তার। আমার স্বামীও ডাক্তার। মাত্র ২১ বছরে আমাদের শোকের মাঝে রেখে চিরতরে চলে যাওয়া আমার ছেলেও মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী।

আমার ছেলের শারীরিক কোনো সমস্যা ছিলো না। একজন স্বাস্থ্যবান তরতাজা যুবক ছিলো। প্রচণ্ড মানসিক, শারীরিক শক্তি ছিলো। বন্ধুবৎসল ছিলো। সবসময় প্রাণোচ্ছল ছিলো। পাশাপাশি সে তুখোড় মেধাবী একজন ছাত্র ছিলো। মা-বাবার মতো ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে তার অধ্যয়নে কোনো ঘাটতি ছিলো না। কিন্তু মাত্র ৭২ ঘন্টার মাঝে আমাদের জীবনের সবকিছু উলট-পালট হয়ে গেলো।

লকডাউনে সে কোথাও যায়নি। মাত্র দুবার পাঁচ মিনিটের জন্য নিজের গাড়িতে করে বাইরে যায়। আর ঘরে ফেরার সাথে-সাথে নিজের শরীরকে ভালো করে ধৌত করে। সচেতনতার কোনো ঘাটতি ছিলো না-আমাদের পরিবারে। যেহেতু সে নিজেই ডাক্তারী পড়ছে আর আমরা ডাক্তারী পেশায় আছি।

ঈদের আগের দিন রাতে সে দুই বন্ধুর সাথে - বড়জোড় দুই-আড়াই ঘন্টার জন্য বাইরে যায়। এর পর ঘরে এসে গোসল করে শুতে যায়। পরদিন সকালে সে সামান্য মাথা ব্যথা নিয়ে ঘুম থেকে ওঠে। আমি ওকে Panadol tablet খেতে দেই।

মাথা ব্যথা না কমলে- চারপাশে ঘটা বর্তমান পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে আমি ওর শরীরের তাপমাত্রা নেই। দেখি ৯৯ ডিগ্রি। সাথে সাথে ওকে আমি অন্য একটা ঘরে আলাদা করে দেই। চব্বিশ ঘন্টার ভিতরে ওর শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে হয় ১০১ । আমি ওকে Panadol+Brufen দেই। সে তার ঘাড়েও ব্যথা অনুভব করে। আমার Pediatrician স্বামী মনে করেন -ছেলের হয়তোবা Meningitis হতে পারে। কিন্তু ওর কোনো বমি বা বমির কোনো ভাব নেই। আমরা দ্রুত টেস্টের জন্য ব্লাড স্যাম্পল পাঠাই এবং ডাক্তাররা বলেন -ওর Bacterial Meningitis হয়েছে এবং এন্টিবায়োটিকস দেয়া শুরু করি এবং আধ ঘন্টার ভিতরে ওকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করি।

সবসময় আমি ওর সাথে ছিলাম। ওর কোনো ঠাণ্ডা, গলা ব্যথা, কাশি, বুক ব্যথা, পেট ব্যথা এসবের কিছুই ছিলোনা। ডাক্তাররা মনে করছেন-Meningitis ই হয়েছে। নিউরোসার্জন এসে দেখে গেলেন- এবং CT স্ক্যান করা হলো নিশ্চিত হতে আমার ছেলের অন্য কোনো সমস্যা নেই। এ সময় লক্ষ করলাম ওর একটা চোখের কিছু অংশ ফোলা। বুকের এক্সরে করে দেখা যায় ছোট একটা দাগ। ইতোমধ্যে কোভিডের রেজাল্ট আসে। আমার ছেলে করোনায় আক্রান্ত। পরের ৮- ১০ ঘন্টা ছিলো জীবনের দুঃসহ যন্ত্রণার দিন। ওর হার্ট রেট, রেসপাইরেটরি রেট বাড়ছেই, অক্সিজেন লেভেল ড্রপ করছে। প্রতি মুহুর্তে মুহুর্তে ছেলে আমাদের চোখের সামনে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা কেউ কিছুই করতে পারছিনা। কিছু বুঝে ওঠার আগে ছেলে চোখ বন্ধ করে। ও আমাদের ছেড়ে চলে যায়।

ইতোমধ্যে আমার স্বামীরও করোনা পজিটিভ রেজাল্ট আসে। তাকেও আলাদা করা হয়। মেডিকেল প্রসিডিউর অনুযায়ী আমার সন্তান সালমানের জানাজা, দাফন হয়। কাউকে জড়িয়ে ধরে যে কাঁদবো -সেই সুযোগও হয়না। কেউ হাসপাতালে ওয়ার্ডে ভর্তি হচ্ছে । কেউ লাশের গাড়িতে করে সরাসরি কবরস্থান, শশ্মানে চলে যাচ্ছে। কারো পাশে কেউ নেই। আমার সন্তানকে তো আমরা হারিয়েছি। এই শোক এই পৃথিবীতে আর কোনোদিনও কাটিয়ে উঠতে পারবোনা। তাই, নিজের সন্তানকে হারানোর আগে দয়া করে আমার কথাগুলো শুনুন।

এক) ভুলেও মনে করবেন না যে- আপনার করোনা হবেনা। আপনার নিজের না হলেও হয়তোবা আপনি করোনা ভাইরাসের বহনকারী হবেন। আমাদের যেটা মনে হচ্ছে- আমি আর আমার স্বামী প্রতিদিন নিজ নিজ কাজে গেছি। আর হয়তোবা আমরা নিজেরাই আমাদের সন্তানের জন্য বহন করে নিয়ে এসেছি। আর বেচারা ঘরে বসে থেকেই আমাদের কাছ থেকে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।

দুই) এখনো সময় আছে সতর্ক হোন। অধৈর্য্য হয়ে ঢিলেঢালা হয়ে চলাটা আপনার জন্য ঠিক মনে করলেও ভাইরাস কিন্তুু সেটা মনে করছে না। তাই, যাবতীয় জনসমাগম এড়িয়ে চলুন। এখন জীবনের তাগিদে যদি কাউকে বাইরে যেতে হয়- সেক্ষেত্রে কি বলা দরকার সেটা আমার জানা নেই।

তিন) একজন ডাক্তার হিসাবে infertility treatment'র জন্য আমি প্রতিদিন ফোন কল পাচ্ছি। আপনাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ দশবছর অপেক্ষা করতে পেরেছেন। সারা জীবন নিজের জন্য বাঁচতে এবং অন্যকে বাঁচাতে কেন মাত্র আরো ছয়টি মাস অপেক্ষা করতে পারছেন না। প্লিজ ধৈর্য্য ধরুন।

চার) সরকারের দেয়া নির্দেশনা খুবই কড়াকড়িভাবে মেনে চলুন। একজন আরেক জনকে দোষারুপ করলে কিছুই হবেনা। নিজ নিজ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্ক না হলে এই মৃত্যু মহামারী আটকানো যাবে না। হাসপাতালের যাবতীয় সুযোগ সুবিধা পেয়ে, নিজে ডাক্তার, নিজের স্বামী ডাক্তার হওয়ার পরও আমাদের সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখতে পারিনি।

পাঁচ) আপনাদের মাঝে যারা বলছেন- এসব মিথ্যা। শুধু টাকা আয় করবার কৌশল। তাদেরকে বলছি- আমাদের সব সম্পত্তি দিয়ে দিতে চাই। শুধু আমাদের সন্তানকে একটিবার ফিরিয়ে দিন।

ছয়) যারা মনে করছেন- আমাদের আর করোনা হবেনা। হওয়ার থাকলে এতোদিনে হয়ে যেতো। বিশ্বাস করেন- কিছু বুঝে ওঠার আগেই জীবন শেষ হয়ে যাবে। কিছুই বুঝতে পারবেন না।

জীবন-মরণ আমাদের হাতে না। কিন্তু সাবধান থাকা আমাদের হাতে। তাই, সতর্ক হোন, সাবধান হোন। আর কোনো মাকে যেনো আমার মতো হাহাকার করতে না হয়।

"রাব্বুল আলামীন এই দুঃসময়ে সবার প্রতি সহায় হোন"

বিনীত-
করোনায় মারা যাওয়া সালমান তাহিরের এক দুঃখী মা।

® @স্বাস্থ্য তথ্য-Health Tips

Address

Lohagar
4396

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্বাস্থ্য তথ্য-Health Tips posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.


Parse error: syntax error, unexpected '}', expecting end of file in /home/multisite/volt/findhealthclinics/%%home%%multisite%%apps%%geosite%%views%%unify01%%partials%%item_sidebar.volt.php on line 287