Nazmul Popular Diagnostic Center Ltd. Noakhali Branch

Nazmul Popular Diagnostic Center Ltd. Noakhali Branch For any Healthcare consultation in Noakhali & Any Service of Popular Diagnostic Noakhali Branch.

22/01/2026

শুক্রবারে আপনার স্বাস্থ্য সেবা পপুলার নোয়াখালী শাখায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগন।। আপনার মূল্যবান সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুনঃ 01671-715040

For any Healthcare consultation in Noakhali & Any Service of Popular Diagnostic Noakhali Branch.

শুক্রবারে আপনার স্বাস্থ্য সেবা পপুলার নোয়াখালী শাখায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগন।। আপনার মূল্যবান সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুনঃ...
15/01/2026

শুক্রবারে আপনার স্বাস্থ্য সেবা পপুলার নোয়াখালী শাখায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগন।। আপনার মূল্যবান সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুনঃ 01671-715040

15/01/2026

অতিরিক্ত চিনি শরীরের জন্য ক্ষতিকর
চিনি গ্রহণে সচেতনতা জরুরি
--------------------------------------------
📌যেকোনো প্রয়োজনে অথবা অ্যাপয়েনমেন্ট নিতে কল করুন,
10636 অথবা 09666 787801 এই নম্বরে

#পপুলার_ডায়াগনস্টিক

Qus.সর্দি বা কফ জিনিসটা আসলে কি? এটা শরীরের ভিতরে নিজে নিজে কেন উৎপন্ন হচ্ছে?Ans.সর্দি বা কফ আমাদের কাছে বিরক্তিকর মনে হ...
08/01/2026

Qus.
সর্দি বা কফ জিনিসটা আসলে কি? এটা শরীরের ভিতরে নিজে নিজে কেন উৎপন্ন হচ্ছে?

Ans.
সর্দি বা কফ আমাদের কাছে বিরক্তিকর মনে হলেও, এটি আসলে শরীরের একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সহজভাবে বলতে গেলে, এটি আপনার শরীরের ভেতরকার 'ক্লিনিং এজেন্ট' বা পরিষ্কারক।
নিচে এটি কেন এবং কীভাবে তৈরি হয় তার সহজ ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

১. সর্দি বা মিউকাস আসলে কী?
সর্দি (Mucus) মূলত পানি, লবণ, প্রোটিন এবং কিছু অ্যান্টিবডি দিয়ে তৈরি একটি আঠালো পিচ্ছিল পদার্থ। আমাদের নাক, মুখ, গলা এবং ফুসফুসের ভেতরের দেয়ালে এক ধরণের ঝিল্লি (Membrane) থাকে যা সব সময় এই রস নিঃসরণ করে।

২. এটি কেন উৎপন্ন হয়?
শরীর মূলত তিনটি প্রধান কারণে নিজে নিজে সর্দি বা কফ তৈরি করে:
প্রতিরক্ষা দেয়াল হিসেবে: আপনার শ্বাসনালী যেন শুকিয়ে না যায়, সেজন্য এটি লুব্রিকেন্ট হিসেবে কাজ করে।

ফাঁদ হিসেবে: আমরা যখন শ্বাস নিই, বাতাসের সাথে অনেক ধুলোবালি, জীবাণু (ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস) এবং ক্ষতিকর কণা ভেতরে ঢোকে। সর্দি এই ময়লাগুলোকে আঠার মতো আটকে ফেলে যাতে সেগুলো ফুসফুসে পৌঁছাতে না পারে।

জীবাণু ধ্বংস করতে: সর্দিতে এমন কিছু এনজাইম এবং অ্যান্টিবডি থাকে যা ভেতরে ঢোকা ক্ষতিকর ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে।

৩. অসুস্থ হলে সর্দি বেড়ে যায় কেন?
যখন আপনার শরীরে ঠান্ডা লাগে বা কোনো ইনফেকশন হয়, তখন শরীর বুঝতে পারে যে শত্রু (জীবাণু) সংখ্যায় বেড়ে গেছে। তখন শরীর লড়াই করার জন্য অতিরিক্ত সর্দি তৈরি করে যাতে বেশি বেশি জীবাণু আটকে ফেলা যায় এবং শরীর থেকে বের করে দেওয়া যায়।
নাক দিয়ে পানি পড়া: এটি মূলত নাক পরিষ্কার করার প্রক্রিয়া।

কফ (Phlegm): যখন ফুসফুস বা শ্বাসনালীতে প্রদাহ হয়, তখন সেখানে ঘন মিউকাস তৈরি হয়। কাশি দেওয়ার মাধ্যমে শরীর সেই আটকে পড়া জীবাণু ও ময়লাগুলোকে বাইরে বের করে দেয়।

৪. রঙের পরিবর্তন কী বোঝায়?
স্বচ্ছ (Clear): এটি স্বাভাবিক। শরীর ঠিকঠাক কাজ করছে।
সাদা বা হলদেটে: শরীর জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছে (শ্বেত রক্তকণিকা কাজ করছে)।

সবুজ: এটি নির্দেশ করে যে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব শক্তভাবে লড়াই করছে (মৃত শ্বেত রক্তকণিকার কারণে রঙ সবুজ হয়)।

একটি মজার তথ্য: একজন সুস্থ মানুষ প্রতিদিন প্রায় ১ থেকে ১.৫ লিটার মিউকাস তৈরি করে, যার বেশিরভাগই আমরা অজান্তে গিলে ফেলি এবং পেটের এসিড তা হজম করে ফেলে!

Qus.
তাহলে আমরা সর্দি হলে সর্দির ওষুধ খাই কেন? সর্দি তো ভালো জিনিস।

Ans.
আপনার পর্যবেক্ষণ একদম ঠিক! সর্দি বা কফ আসলে শরীরের একটি প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা। কিন্তু তবুও কেন আমরা ওষুধ খাই, তার পেছনে কিছু যৌক্তিক কারণ আছে:

১. সর্দি যখন কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়:
সর্দি শরীরের জন্য ভালো হলেও, যখন এটি অতিরিক্ত পরিমাণে উৎপন্ন হয়, তখন তা আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বাধা দেয়।

যেমন শ্বাসকষ্ট: অতিরিক্ত সর্দির কারণে নাক বন্ধ হয়ে যায়, ফলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
ঘুমের ব্যাঘাত: রাতে নাক বন্ধ থাকলে বা অনবরত কাশি হলে আপনি ঠিকমতো ঘুমাতে পারেন না, যা শরীরকে আরও দুর্বল করে দেয়।

কাজের অসুবিধা: অনবরত নাক দিয়ে পানি পড়া বা হাঁচি দেওয়া কাজের মনোযোগ নষ্ট করে।
২. ওষুধ আসলে কী কাজ করে?

সর্দির ওষুধ আসলে রোগ সারায় না (কারণ সর্দি সৃষ্টিকারী ভাইরাস মারার ক্ষমতা সাধারণ সর্দির ওষুধের নেই), এটি কেবল উপসর্গ (Symptoms) কমায়:

ডিকনজেস্ট্যান্ট (Decongestant): এটি নাকের ভেতরের ফোলা রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত করে, ফলে নাক বন্ধ ভাব কমে এবং শ্বাস নেওয়া সহজ হয়।

অ্যান্টিহিস্টামিন (Antihistamine): এটি শরীরকে সংকেত দেয় যাতে সর্দি বা পানি পড়া কমে যায় এবং হাঁচি বন্ধ হয়।

এক্সপেক্টোরেন্ট (Expectorant): এটি ঘন কফকে পাতলা করে দেয় যাতে কাশির মাধ্যমে তা সহজে শরীর থেকে বের হয়ে যেতে পারে।

৩. শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া
অতিরিক্ত সর্দি-কাশির কারণে শরীর খুব দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ওষুধ খেয়ে যখন এই উপসর্গগুলো একটু শান্ত হয়, তখন আপনি ভালোমতো বিশ্রাম নিতে পারেন।

আর পর্যাপ্ত বিশ্রামই আসলে শরীরকে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।
তাহলে ওষুধ কি সবসময় খাওয়া উচিত?

না। যদি সর্দি খুব সামান্য হয় এবং আপনার কাজে সমস্যা না করে, তবে ওষুধ না খেয়ে গরম পানি, আদা চা বা তুলসি পাতা খাওয়া ভালো। এতে শরীরের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বাধা পায় না।

সংক্ষেপে: আমরা সর্দির ওষুধ খাই রোগ সারানোর জন্য নয়, বরং নিজেদের আরামদায়ক রাখতে এবং দৈনন্দিন কাজ চালিয়ে নিতে।

Qus.
দৈনিক যে এক লিটার সর্দি তৈরি করে আমাদের শরীর। তাতে শরীরের পানিশূণ্যতা তৈরি হয়না?

Ans.
খুবই চমৎকার এবং বুদ্ধিদীপ্ত একটি প্রশ্ন! দৈনিক প্রায় ১ থেকে ১.৫ লিটার মিউকাস বা সর্দি তৈরি হওয়া সত্ত্বেও আমাদের শরীর কেন শুকিয়ে যায় না বা পানিশূন্যতা তৈরি হয় না, তার পেছনে মূলত দুটি কারণ কাজ করে:

১. অধিকাংশ সর্দি আমরা পুনরায় 'রিসাইকেল' করি
আপনি জেনে অবাক হতে পারেন যে, আমাদের নাক এবং শ্বাসনালীতে যে সর্দি তৈরি হয়, তার প্রায় সবটুকুই অজান্তে আমাদের গলার পেছনে চলে যায় এবং আমরা তা গিলে ফেলি।

এই সর্দি পাকস্থলীতে যাওয়ার পর সেখানে থাকা হজমকারী এনজাইম এবং অ্যাসিড একে আবার ভেঙে ফেলে।
সর্দির মধ্যে থাকা পানি এবং প্রোটিন শরীর পুনরায় শুষে নেয়। অর্থাৎ, শরীর যা তৈরি করছে, তা আবার শরীরের ভেতরেই ফিরে যাচ্ছে। একে বলা যায় শরীরের একটি চমৎকার 'ওয়াটার রিসাইক্লিং সিস্টেম'।

২. সর্দি ৯৫% পানি দিয়ে তৈরি
সর্দি বা মিউকাসের গঠনের প্রায় ৯৫% থেকে ৯৮% শতাংশই পানি। বাকি অংশটুকু প্রোটিন (Mucin), লবণ এবং অ্যান্টিবডি। যেহেতু সুস্থ অবস্থায় এই পানিটুকু শরীর থেকে পুরোপুরি বের হয়ে যাচ্ছে না (বরং পাকস্থলীতে গিয়ে পুনরায় রক্তে ফিরে যাচ্ছে), তাই পানিশূন্যতা হওয়ার সুযোগ থাকে না।

কিন্তু অসুস্থ হলে কেন সাবধান থাকতে হয়?
স্বাভাবিক অবস্থায় পানিশূন্যতা না হলেও, যখন আপনি অসুস্থ হন (সর্দি-কাশি বা ফ্লু হয়), তখন পরিস্থিতি কিছুটা বদলে যায়:
পানি শরীর থেকে বেরিয়ে যায়: অসুস্থ হলে আমরা নাক ঝাড়ি, থুতু ফেলি বা কাশির সাথে কফ বের করে দেই। এতে শরীর থেকে পানি এবং প্রয়োজনীয় ইলেকট্রোলাইট কমে যেতে থাকে।

নিঃশ্বাসের মাধ্যমে ক্ষতি: সর্দি বা নাক বন্ধ থাকলে আমরা মুখ দিয়ে শ্বাস নিই, এতে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।
সর্দি ঘন হয়ে যাওয়া: পানিশূন্যতা হলে সর্দি আরও আঠালো এবং ঘন হয়ে যায়, যা শরীর থেকে বের করা কঠিন হয়ে পড়ে।

প্রয়োজনীয় পরামর্শ: এজন্যই সর্দি হলে চিকিৎসকরা প্রচুর পরিমাণে পানি এবং তরল খাবার খেতে বলেন। এতে সর্দি পাতলা থাকে এবং শরীর সহজেই জীবাণুগুলোকে বাইরে বের করে দিতে পারে।

Qus.
সর্দি গিলে ফেলা কি ক্ষতিকর?

Ans.
এক কথায় বলতে গেলে— না, সর্দি গিলে ফেলা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। আসলে আমরা যখন সুস্থ থাকি, তখনও সারাদিন ধরে তৈরি হওয়া মিউকাস বা সর্দি অবচেতনভাবেই গিলে ফেলি। তবে অসুস্থ অবস্থায় যখন সর্দি বেড়ে যায়, তখন এটি গেলার ব্যাপারে আমাদের মনে দ্বিধা তৈরি হয়।

বিজ্ঞান কী বলে এবং কেন এটি ক্ষতিকর নয়, তার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. পাকস্থলীর এসিডের ক্ষমতা
সর্দির কাজই হলো বাতাস থেকে ক্ষতিকর ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা ধুলোবালি আটকে ফেলা। আপনি যখন এই সর্দি গিলে ফেলেন, তখন সেটি সরাসরি আপনার পাকস্থলীতে চলে যায়।

পাকস্থলীতে থাকা অত্যন্ত শক্তিশালী হাইড্রোক্লোরিক এসিড সেই জীবাণুগুলোকে সাথে সাথেই ধ্বংস করে ফেলে। ফলে সেই জীবাণুগুলো আর আপনাকে নতুন করে অসুস্থ করতে পারে না।

২. শরীরের রিসাইক্লিং পদ্ধতি
আগের আলোচনায় যেমনটি বলেছি, সর্দি মূলত পানি এবং প্রোটিন দিয়ে তৈরি। এটি গিলে ফেললে আপনার শরীর সেই পানি এবং উপাদানগুলো আবার শুষে নেয়। এটি শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা এবং রিসাইক্লিং প্রক্রিয়া।

৩. কোনো নতুন ইনফেকশন হয় না
অনেকে ভাবেন সর্দি গিলে ফেললে হয়তো পেটে ইনফেকশন হতে পারে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, সর্দি গেলার কারণে ডায়রিয়া বা পেটের অন্য কোনো সমস্যা হওয়ার প্রমাণ নেই। তবে অতিরিক্ত সর্দি পাকস্থলীতে গেলে কারও কারও ক্ষেত্রে সাময়িক বমি ভাব বা অস্বস্তি হতে পারে।

কিছু প্রয়োজনীয় সতর্কতা:
সর্দি গিলে ফেলা ক্ষতিকর না হলেও কিছু বিষয় খেয়াল রাখা ভালো:
অস্বস্তি হলে বের করে দিন: যদি আপনার সর্দি খুব ঘন বা আঠালো হয় এবং কাশি দিয়ে বের করে দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তবে বের করে দেওয়াই ভালো। এটি আপনার বুক বা গলা পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করবে।

রক্ত বা দুর্গন্ধ: সর্দির সাথে যদি রক্ত আসে বা খুব দুর্গন্ধ থাকে, তবে তা গিলে না ফেলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
পানিশূন্যতা এড়ানো: সর্দি গিলে ফেললেও অসুস্থ অবস্থায় শরীর থেকে অনেক তরল খরচ হয়, তাই এই সময়ে বেশি করে পানি পান করা জরুরি যাতে সর্দি পাতলা থাকে।

একটি মজার বিষয়: অনেক শিশু সর্দি ঝাড়তে পারে না বলে সব সময়ই তা গিলে ফেলে, এবং এটি তাদের শরীরের কোনো ক্ষতি করে না।
Popular Diagnostic Center Ltd. Noakhali Branch

উচ্চ কোলেস্টেরল: নীরব ঘাতক, যে শব্দ না করেই ক্ষতি করে উচ্চ কোলেস্টেরল বেশিরভাগ সময় কোনো ব্যথা দেয় না, কোনো লক্ষণও দেয় না...
07/01/2026

উচ্চ কোলেস্টেরল: নীরব ঘাতক, যে শব্দ না করেই ক্ষতি করে উচ্চ কোলেস্টেরল বেশিরভাগ সময় কোনো ব্যথা দেয় না, কোনো লক্ষণও দেয় না। বছরের পর বছর মানুষ একদম স্বাভাবিক থাকে। এই কারণেই একে বলা হয় “নীরব রোগ”।
সমস্যার লক্ষণ দেখা দেয় তখনই,
যখন কোলেস্টেরল রক্তনালিতে ক্ষতি করে ফেলে।

শরীর যে সতর্ক সংকেতগুলো দেয়
১/ত্বকে হলুদ দানা বা গুটি (Xanthoma)
কনুই, হাঁটু, হাত, পা বা নিতম্বে
হলুদ বা চামড়ার রঙের গুটি
ত্বকের নিচে কোলেস্টেরল জমে হলে
খুব বেশি কোলেস্টেরলে বেশি দেখা যায়

২/চোখের পাতায় হলুদ দাগ (Xanthelasma)
চোখের পাতায় নরম হলুদ প্যাচ
ব্যথা বা চুলকানি নেই
অস্বাভাবিক লিপিডের শক্ত ইঙ্গিত
অল্প বয়সেও দেখা যেতে পারে

৩/ চোখের কালো অংশের চারপাশে সাদা রিং (Corneal Arcus)
চোখের রঙিন অংশের চারপাশে ধূসর বা সাদা বলয়
বয়স্কদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক
তরুণ বয়সে হলে চিন্তার কারণ
দীর্ঘদিনের উচ্চ কোলেস্টেরলের লক্ষণ

৪/ বুকে ব্যথা বা চাপ (Angina)
হাঁটলে বা কাজ করলে বুকে চাপ, জ্বালা বা ব্যথা
ব্যথা বাম হাত, ঘাড় বা চোয়ালে ছড়াতে পারে
হৃদযন্ত্রের রক্তনালি ব্লক হওয়ার লক্ষণ

৫/অল্প কাজেই হাঁপিয়ে যাওয়া
অল্প হাঁটলেই শ্বাস নিতে কষ্ট
সিঁড়ি উঠলে ক্লান্তি
রক্তনালি সরু হয়ে গেলে এমন হয়

৬/ হাঁটার সময় পায়ে ব্যথা
হাঁটলে পায়ের পেশিতে টান বা ব্যথা
বিশ্রাম নিলে কমে
পায়ের রক্তনালি ব্লক হওয়ার লক্ষণ

৭/স্ট্রোকের সতর্ক সংকেত
শরীরের এক পাশ হঠাৎ দুর্বল হয়ে যাওয়া
কথা জড়িয়ে যাওয়া

৮/হঠাৎ চোখে ঝাপসা দেখা

এগুলো হলে এক মুহূর্তও দেরি নয়

৯/পুরুষদের ক্ষেত্রে যৌন দুর্বলতা
রক্ত চলাচল কমে যাওয়ার কারণে
হার্টের সমস্যার আগাম সংকেত হতে পারে

১০/উচ্চ রক্তচাপ
অনেক সময় উচ্চ কোলেস্টেরলের সাথে থাকে
শক্ত রক্তনালি প্রেসার বাড়ায়
হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়

১১/পারিবারিক ইতিহাস থাকলে সাবধান
পরিবারের কারও অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাক
বংশগত কোলেস্টেরল সমস্যা
তখন লক্ষণ ছাড়াও ঝুঁকি থাকে

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো:-

শুধু লক্ষণ দেখে উচ্চ কোলেস্টেরল ধরা যায় না
রক্ত পরীক্ষা (Lipid Profile) একমাত্র নির্ভরযোগ্য উপায় আগেভাগে ধরা পড়লে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক ঠেকানো যায় জীবনযাপন পরিবর্তন ও ওষুধে সহজেই নিয়ন্ত্রণ সম্ভব আপনি ভালো আছেন মনে হলেও
একবার রক্ত পরীক্ষা করান। আর এই তথ্যটা শেয়ার করুন কারও নীরব বিপদটা হয়তো এতে আগেই ধরা পড়ে যাবে।

Asso. Prof. Dr. Shah Mohd.e J Kabir
MD(Cardiology)
Noakhali medical college
Chamber: Popular Diagnostic Center Ltd. Noakhali Branch
01671-715040 , 09666-787818

27/12/2025
27/12/2025

For serial: 01671715040, 01313032606

একটু মাথাব্যাথা ও  MRI… আর তাতেই ধরা পড়ল  নীরব ঘাতক। লোকটা এসেছিল শুধু মাথাব্যথা আর খিঁচুনির অভিযোগ নিয়ে। কেউ ভাবেনি, ভে...
27/12/2025

একটু মাথাব্যাথা ও MRI… আর তাতেই ধরা পড়ল নীরব ঘাতক। লোকটা এসেছিল শুধু মাথাব্যথা আর খিঁচুনির অভিযোগ নিয়ে। কেউ ভাবেনি, ভেতরে এত বড় বিপদ লুকিয়ে আছে।

MRI করার পর দেখা গেল—
মস্তিষ্কজুড়ে ছোট ছোট অসংখ্য সিস্ট।
এগুলো কোনো টিউমার না।এগুলো হলো Pork tapeworm (Taenia solium)–এর লার্ভা। এই রোগটার নাম Neurocysticercosis। সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপারটা হলো?এই মানুষটা জানতেই পারেনি
সে কবে, কীভাবে এই সংক্রমণ পেয়েছে।

🔲 কীভাবে এটা হয়?

👉ঠিকমতো রান্না না করা মাংস
👉অপরিষ্কার হাত
👉দূষিত পানি
👉রাস্তার খাবার
👉এমনকি নিজের অজান্তেই টেপওয়ার্মের ডিম মুখে চলে যাওয়া। ডিম শরীরে ঢুকে রক্তের মাধ্যমে পৌঁছে যায়
মস্তিষ্কে,চোখে,মাংসপেশিতে,তারপর সেখানে গিয়ে সিস্টে পরিণত হয়।

🔲 লক্ষণ কী হতে পারে?

👉সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো
অনেক দিন কোনো লক্ষণই থাকে না।
পরে হঠাৎ দেখা দেয়:
▪️খিঁচুনি (এপিলেপসি)
▪️দীর্ঘদিনের মাথাব্যথা
▪️চোখে কম দেখা
▪️বমি
▪️মাথার ভেতর চাপ
▪️কখনো হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
অনেক রোগী প্রথম জানতে পারেন
MRI বা CT scan করার পর।

🔳কেন এটা এত বিপজ্জনক?

👉 কারণ,
▪️এটা ব্রেইনে হলে খিঁচুনি সারা জীবন থেকে যেতে পারে
▪️চোখে হলে অন্ধত্ব
▪️দেরিতে ধরা পড়লে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে
সবচেয়ে কষ্টের কথা— এটা পুরোপুরি প্রতিরোধযোগ্য।

🔳করণীয় কী?

▪️ মাংস ভালোভাবে রান্না করা
▪️খাবার আগে ও টয়লেটের পরে হাত ভালো করে ধোয়া
▪️বিশুদ্ধ পানি পান করা
▪️রাস্তার অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলা
▪️খিঁচুনি বা অস্বাভাবিক মাথাব্যথা হলে দেরি না করে পরীক্ষা
একটা ভুল খাবার,একটু অসচেতনতা, পুরো জীবনের মূল্য দিতে হতে পারে।

📌এই পোস্টটা ভয় দেখানোর জন্য না।
বাঁচানোর জন্য।
শেয়ার করুন।
কারণ সচেতনতা না থাকলেএই নীরব রোগ চুপচাপ জীবন কেড়ে নিতে পারে।

Popular Diagnostic Center Ltd. Noakhali Branch

Address

New Bus Stand , Noakhali, Maijdee Court
Maijdee Court
3800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nazmul Popular Diagnostic Center Ltd. Noakhali Branch posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nazmul Popular Diagnostic Center Ltd. Noakhali Branch:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram