তন্ত্র শিক্ষালয়

তন্ত্র শিক্ষালয় Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from তন্ত্র শিক্ষালয়, Medical and health, juri, Maulvi Bazar.

তন্ত্র শিক্ষালয় একটি অনার্থিক প্রতিষ্ঠান ,তন্ত্র শিক্ষালয় শুধুমাত্র তান্ত্রিক শিক্ষা,চিকিৎসার সাথে সম্পৃক্ত। কোন রাজনৈতিক ও ধর্মিয় মূল্যবোধ সম্পৃক্ত নয়। তন্ত্র শিক্ষালয় প্রাচীন উপমহাদেশীয় চিকিৎসায় বিশ্বাসী।

14/04/2026
🔱🔱 *গুরু প্রদত্ত বীজ মন্ত্র 108 জপ পদ্ধতি* 🔱🔱======================================প্রতিদিন গুরু প্রদত্ত বীজ মন্ত্র 108 ...
11/04/2026

🔱🔱 *গুরু প্রদত্ত বীজ মন্ত্র 108 জপ পদ্ধতি* 🔱🔱
======================================
প্রতিদিন গুরু প্রদত্ত বীজ মন্ত্র 108 জপ পদ্ধতি

যেদিন হইতে যে ব্যক্তির বীজ এবং গায়ত্রী দীক্ষা হয়েছে বা হবে সেইদিন সেই মুহূর্ত থেকেই সেই ব্যক্তি শাস্ত্রসম্মত অনুসারে দ্বিজত্ত্ব অবস্থা লাভ অবশ্যই করবে l
গুরু প্রদত্ত বীজ এবং গায়ত্রী মন্ত্র প্রতিদিন 108 কমপক্ষে জপ করা উচিত, নিচে তার বিশদ পদ্ধতি দেওয়া হইলো l গুরু প্রদত্ত গায়েত্রী বীজমন্ত্র জপের আগে জপ না করিলে জপের ফল বিশেষ হয় না তাই বীজ দীক্ষার সঙ্গে গায়েত্রী দীক্ষা অত্যন্ত আবশ্যক ।
গুরু প্রদত্ত বীজ এবং গায়ত্রী মন্ত্র সর্বদা উপরোক্ত জপ পদ্ধতি গুলির মধ্যে চতুর্থ পদ্ধতি অর্থাৎ মানসিক জপ পদ্ধতি মাধ্যমে জপ অবশ্যই করিতে হইবে l
প্রতিদিন গুরু প্রদত্ত বীজ মন্ত্র 108 জপ পদ্ধতি
এক আসনে 108 জপ পদ্ধতি:

1. সর্বপ্রথমে ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু—-10 বার জপ করিতে হইবে l
2. তারপর গুরু প্রদত্ত গায়ত্রী মন্ত্র মানসিকভাবে 3 বার জপ
করিতে হইবে l
3. তারপর গুরু প্রদত্ত বীজ মন্ত্র মানসিকভাবে 108 বার জপ
করিতে হইবে l
4. তারপর আবার গুরু প্রদত্ত গায়ত্রী মন্ত্র মানসিকভাবে 3 বার জপ করিতে হইবে l
5. তারপর আবার ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু—-10 বার জপ করিতে হইবে l
6. তারপর জপ সমর্পণ পদ্ধতি ধারা 108 জপ পদ্ধতি সমাপ্ত
করিতে হইবে l
জপ সমর্পণ করার প্রয়োজনীয়তা

শাস্ত্র অনুসারে উন্নত ধার্মিক লোক কল্যাণকর ধর্মযুক্ত কর্মকেই যজ্ঞ বলে ধরা হয়, আর সেই যজ্ঞের ফল স্বরূপ গুরু ভগবান বিষ্ণুর স্থিতি স্বরূপ প্রশন্তি নাদস্তর থেকে শিষ্যের আত্মজ্ঞান বা পরম মুক্তির জন্য যে মন্ত্র নির্বাচন করে শিষ্যের অনাহত চক্রের মধ্যে প্রতিষ্ঠা করে দেন- আর শিষ্য সেই গুরু প্রদত্ত মন্ত্র জপ করে যদি কর্মফলদাতা ঈশ্বরকে জপ সমর্পণ না করে তাহলে সে শাস্ত্র অনুসারে চোর সমতুল্য বা চোর হয়,-- ইহাই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতাতে তৃতীয় অধ্যায় 12 শ্লোক এ বলেছেন যে:--
ইষ্টান্ ভোগান্ হি বো দেবা দাস্যন্তে যজ্ঞভাবিতাঃ।
তৈর্দত্তানপ্রদায়ৈভ্যো যো ভুঙক্তে স্তেন এব সঃ।।12।।
অনুবাদঃ যজ্ঞের (লোককল্যাণকর ধর্মযুক্তকর্ম ) ফলে সন্তুষ্ট হয়ে কর্মফলদাতা ঈশ্বর তোমাদের মহাকল্যাণকর মুক্তিপ্রদায়িনী বাঞ্ছিত দিব্য বস্তু ( সদ্গুরুর মাধ্যমে পরমমুক্তি প্রদানকারী ইষ্টমন্ত্র ) প্রদান করবেন। কিন্তু সেই মহাকল্যাণকর মুক্তিপ্রদায়িনী বাঞ্ছিত দিব্য প্রদত্ত বস্তু ( ইষ্টমন্ত্র ) কর্মফলদাতা ঈশ্বরকে নিবেদন না করে, সে নিশ্চয়ই চোর।
তাই প্রত্যেক ব্যক্তির গুরু প্রদত্ত দীক্ষা বা ইস্ট মন্ত্র জপ করার পর শাস্ত্র বিধি অনুসারে কর্মফলদাতা ঈশ্বরকে জপ সমর্পণ করা উচিত –তাছাড়া জপ করা জনিত কোন শুভ কর্মফল তার উদয় হয় না এবং সে চোর এ পরিণত হয়
জপ সমর্পণ পদ্ধতি

গুরু প্রদত্ত মন্ত্র আসনে বসে জপ সম্পূর্ণ করার পর ডান হাতের তালুতে জল নিয়ে নিচের মন্ত্র বলে জল মাটিতে বা কোন পূজা সম্বন্ধীয় পাত্রে ফেলতে হবে I
মন্ত্র:---- “ ওঁ নমঃ গুহ্যতি গুহ্য গোপ্তাত্বং গৃহাণাস্মৎ কৃতং জপং ।
সিদ্বি ভবতু-মে দেব ত্বৎ প্রসাদাৎ জনার্দ্দন।।”
অর্থঃ :- হে পরম দেব, পরমপ্রিয় কর্মফলদাতা ঈশ্বর তুমি গুহ্য ও অতি গুহ্য বস্তুকে রক্ষা কর। অতএব আমার এই জপ তুমি গ্রহন কর এবং হে দেব তোমার প্রসাদে আমার সর্বসিদ্ধি লাভ হউক।
ক্ষমা প্রার্থনা মন্ত্রঃ- ( বুকের কাছে দুই হাত জোড় করে নমস্কার এর মতন করে বলতে হবে)
“নমো যদরং পরিভ্রস্টং মাত্রা হিনঞ্চ যদ ভবেৎ।
পূর্নং ভবতু তৎ সর্বং ত্বৎ প্রসাদাত জনার্দ্দন ॥”
অর্থঃ- আমার উক্ত কার্যে যদি কোন আচার বাদ যাইয়া থাকে বা মাত্রা বিবর্তিত থাকে হে ভগবান তোমার অনুগ্রহে তা পূর্নত্ব প্রাপ্ত হউক।
তারপর নিচের মন্ত্রটি বলতে হবে—( বুকের কাছে দুই হাত জোড় করে নমস্কার এর মতন করে বলতে হবে)
“ ওঁ প্রীয়তাং পুন্ডরীকাক্ষ সর্বযজ্ঞঈশ্বর হরি
তস্মিন তুষ্ট জগৎ তুষ্ট প্রনিতে প্রণীতং জগৎ”
ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু—-10 বার জপ করে শেষ করতে হবে

🌺🌺🌺 ★শ্রী দেবী খড্গমালা স্তোত্রম্ ★ 🌺🌺🌺======================================শ্রী দেবী প্রার্থনহ্রীংকারাসনগর্ভিতানলশিখাং...
10/04/2026

🌺🌺🌺 ★শ্রী দেবী খড্গমালা স্তোত্রম্ ★ 🌺🌺🌺
======================================
শ্রী দেবী প্রার্থন
হ্রীংকারাসনগর্ভিতানলশিখাং সৌঃ ক্লীং কলাং বিভ্রতীং
সৌবর্ণাংবরধারিণীং বরসুধাধৌতাং ত্রিনেত্রোজ্জ্বলাম্ ।
বংদে পুস্তকপাশমংকুশধরাং স্রগ্ভূষিতামুজ্জ্বলাং
ত্বাং গৌরীং ত্রিপুরাং পরাত্পরকলাং শ্রীচক্রসংচারিণীম্ ॥

অস্য় শ্রী শুদ্ধশক্তিমালামহামংত্রস্য়,
উপস্থেংদ্রিয়াধিষ্ঠায়ী
বরুণাদিত্য় ঋষয়ঃ
দেবী গাযত্রী ছংদঃ
সাত্বিক ককারভট্টারকপীঠস্থিত কামেশ্বরাংকনিলয়া মহাকামেশ্বরী শ্রী ললিতা ভট্টারিকা দেবতা,
ঐং বীজং
ক্লীং শক্তিঃ
সৌঃ কীলকং
মম খড্গসিদ্ধ্যর্থে সর্বাভীষ্টসিদ্ধ্যর্থে জপে বিনিয়োগঃ
মূলমংত্রেণ ষডংগন্য়াসং কুর্য়াত্ ।

ধ্য়ানম্
তাদৃশং খড্গমাপ্নোতি যেন হস্তস্থিতেনবৈ ।
অষ্টাদশ মহাদ্বীপ সম্রাট্ ভোক্তা ভবিষ্যতি ॥

আরক্তাভাং ত্রিণেত্রামরুণিমবসনাং রত্নতাটংকরম্য়াং
হস্তাংভোজৈস্সপাশাংকুশ মদন ধনুস্সাযকৈর্বিস্ফুরংতীম্ ।
আপীনোত্তুংগ বক্ষোরুহ কলশলুঠত্তার হারোজ্জ্বলাংগীং
ধ্য়ায়েদংভোরুহস্থা-মরুণিমবসনা-মীশ্বরীমীশ্বরাণাম্ ॥

লমিত্য়াদিপংচ পূজাং কুর্য়াত্, যথাশক্তি মূলমংত্রং জপেত্ ।

লং - পৃথিবীতত্ত্বাত্মিকায়ৈ শ্রী ললিতাত্রিপুরসুংদরী পরাভট্টারিকায়ৈ গংধং পরিকল্পয়ামি - নমঃ
হং - আকাশতত্ত্বাত্মিকায়ৈ শ্রী ললিতাত্রিপুরসুংদরী পরাভট্টারিকায়ৈ পুষ্পং পরিকল্পয়ামি - নমঃ
যং - বায়ুতত্ত্বাত্মিকায়ৈ শ্রী ললিতাত্রিপুরসুংদরী পরাভট্টারিকায়ৈ ধূপং পরিকল্পয়ামি - নমঃ
রং - তেজস্তত্ত্বাত্মিকায়ৈ শ্রী ললিতাত্রিপুরসুংদরী পরাভট্টারিকায়ৈ দীপং পরিকল্পয়ামি - নমঃ
বং - অমৃততত্ত্বাত্মিকায়ৈ শ্রী ললিতাত্রিপুরসুংদরী পরাভট্টারিকায়ৈ অমৃতনৈবেদ্য়ং পরিকল্পয়ামি - নমঃ
সং - সর্বতত্ত্বাত্মিকায়ৈ শ্রী ললিতাত্রিপুরসুংদরী পরাভট্টারিকায়ৈ তাংবূলাদিসর্বোপচারান্ পরিকল্পয়ামি - নমঃ

শ্রী দেবী সংবোধনং (1)
ওং ঐং হ্রীং শ্রীং ঐং ক্লীং সৌঃ ওং নমস্ত্রিপুরসুংদরী,

ন্য়াসাংগদেবতাঃ (6)
হৃদযদেবী, শিরোদেবী, শিখাদেবী, কবচদেবী, নেত্রদেবী, অস্ত্রদেবী,

তিথিনিত্য়াদেবতাঃ (16)
কামেশ্বরী, ভগমালিনী, নিত্যক্লিন্নে, ভেরুংডে, বহ্নিবাসিনী, মহাবজ্রেশ্বরী, শিবদূতী, ত্বরিতে, কুলসুংদরী, নিত্য়ে, নীলপতাকে, বিজয়ে, সর্বমংগলে, জ্বালামালিনী, চিত্রে, মহানিত্য়ে,

দিব্য়ৌঘগুরবঃ (7)
পরমেশ্বর, পরমেশ্বরী, মিত্রেশময়ী, ষষ্ঠীশময়ী, চর্য়ানাথময়ী, লোপামুদ্রময়ী, অগস্ত্যময়ী,

সিদ্ধৌঘগুরবঃ (4)
কালতাপশময়ী, ধর্মাচার্যময়ী, মুক্তকেশীশ্বরময়ী, দীপকলানাথময়ী,

মানবৌঘগুরবঃ (8)
বিষ্ণুদেবময়ী, প্রভাকরদেবময়ী, তেজোদেবময়ী, মনোজদেবময়ি, কল্য়াণদেবময়ী, বাসুদেবময়ী, রত্নদেবময়ী, শ্রীরামানংদময়ী,

শ্রীচক্র প্রথমাবরণদেবতাঃ
অণিমাসিদ্ধে, লঘিমাসিদ্ধে, গরিমাসিদ্ধে, মহিমাসিদ্ধে, ঈশিত্বসিদ্ধে, বশিত্বসিদ্ধে, প্রাকাম্যসিদ্ধে, ভুক্তিসিদ্ধে, ইচ্ছাসিদ্ধে, প্রাপ্তিসিদ্ধে, সর্বকামসিদ্ধে, ব্রাহ্মী, মাহেশ্বরী, কৌমারি, বৈষ্ণবী, বারাহী, মাহেংদ্রী, চামুংডে, মহালক্ষ্মী, সর্বসংক্ষোভিণী, সর্ববিদ্রাবিণী, সর্বাকর্ষিণী, সর্ববশংকরী, সর্বোন্মাদিনী, সর্বমহাংকুশে, সর্বখেচরী, সর্ববীজে, সর্বয়োনে, সর্বত্রিখংডে, ত্রৈলোক্যমোহন চক্রস্বামিনী, প্রকটয়োগিনী,

শ্রীচক্র দ্বিতীয়াবরণদেবতাঃ
কামাকর্ষিণী, বুদ্ধ্য়াকর্ষিণী, অহংকারাকর্ষিণী, শব্দাকর্ষিণী, স্পর্শাকর্ষিণী, রূপাকর্ষিণী, রসাকর্ষিণী, গংধাকর্ষিণী, চিত্তাকর্ষিণী, ধৈর্য়াকর্ষিণী, স্মৃত্য়াকর্ষিণী, নামাকর্ষিণী, বীজাকর্ষিণী, আত্মাকর্ষিণী, অমৃতাকর্ষিণী, শরীরাকর্ষিণী, সর্বাশাপরিপূরক চক্রস্বামিনী, গুপ্তয়োগিনী,

শ্রীচক্র তৃতীয়াবরণদেবতাঃ
অনংগকুসুমে, অনংগমেখলে, অনংগমদনে, অনংগমদনাতুরে, অনংগরেখে, অনংগবেগিনী, অনংগাংকুশে, অনংগমালিনী, সর্বসংক্ষোভণচক্রস্বামিনী, গুপ্ততরয়োগিনী,

শ্রীচক্র চতুর্থাবরণদেবতাঃ
সর্বসংক্ষোভিণী, সর্ববিদ্রাবিনী, সর্বাকর্ষিণী, সর্বহ্লাদিনী, সর্বসম্মোহিনী, সর্বস্তংভিনী, সর্বজৃংভিণী, সর্ববশংকরী, সর্বরংজনী, সর্বোন্মাদিনী, সর্বার্থসাধিকে, সর্বসংপত্তিপূরিণী, সর্বমংত্রময়ী, সর্বদ্বংদ্বক্ষয়ংকরী, সর্বসৌভাগ্যদাযক চক্রস্বামিনী, সংপ্রদাযয়োগিনী,

শ্রীচক্র পংচমাবরণদেবতাঃ
সর্বসিদ্ধিপ্রদে, সর্বসংপত্প্রদে, সর্বপ্রিয়ংকরী, সর্বমংগলকারিণী, সর্বকামপ্রদে, সর্বদুঃখবিমোচনী, সর্বমৃত্য়ুপ্রশমনি, সর্ববিঘ্ননিবারিণী, সর্বাংগসুংদরী, সর্বসৌভাগ্যদায়িনী, সর্বার্থসাধক চক্রস্বামিনী, কুলোত্তীর্ণয়োগিনী,

শ্রীচক্র ষষ্টাবরণদেবতাঃ
সর্বজ্ঞে, সর্বশক্তে, সর্বৈশ্বর্যপ্রদায়িনী, সর্বজ্ঞানময়ী, সর্বব্য়াধিবিনাশিনী, সর্বাধারস্বরূপে, সর্বপাপহরে, সর্বানংদময়ী, সর্বরক্ষাস্বরূপিণী, সর্বেপ্সিতফলপ্রদে, সর্বরক্ষাকরচক্রস্বামিনী, নিগর্ভয়োগিনী,

শ্রীচক্র সপ্তমাবরণদেবতাঃ
বশিনী, কামেশ্বরী, মোদিনী, বিমলে, অরুণে, জয়িনী, সর্বেশ্বরী, কৌলিনি, সর্বরোগহরচক্রস্বামিনী, রহস্যয়োগিনী,

শ্রীচক্র অষ্টমাবরণদেবতাঃ
বাণিনী, চাপিনী, পাশিনী, অংকুশিনী, মহাকামেশ্বরী, মহাবজ্রেশ্বরী, মহাভগমালিনী, সর্বসিদ্ধিপ্রদচক্রস্বামিনী, অতিরহস্যয়োগিনী,

শ্রীচক্র নবমাবরণদেবতাঃ
শ্রী শ্রী মহাভট্টারিকে, সর্বানংদমযচক্রস্বামিনী, পরাপররহস্যয়োগিনী,

নবচক্রেশ্বরী নামানি
ত্রিপুরে, ত্রিপুরেশী, ত্রিপুরসুংদরী, ত্রিপুরবাসিনী, ত্রিপুরাশ্রীঃ, ত্রিপুরমালিনী, ত্রিপুরসিদ্ধে, ত্রিপুরাংবা, মহাত্রিপুরসুংদরী,

শ্রীদেবী বিশেষণানি - নমস্কারনবাক্ষরীচ
মহামহেশ্বরী, মহামহারাজ্ঞী, মহামহাশক্তে, মহামহাগুপ্তে, মহামহাজ্ঞপ্তে, মহামহানংদে, মহামহাস্কংধে, মহামহাশয়ে, মহামহা শ্রীচক্রনগরসাম্রাজ্ঞী, নমস্তে নমস্তে নমস্তে নমঃ ।

ফলশ্রুতিঃ
এষা বিদ্য়া মহাসিদ্ধিদায়িনী স্মৃতিমাত্রতঃ ।
অগ্নিবাতমহাক্ষোভে রাজারাষ্ট্রস্যবিপ্লবে ॥

লুংঠনে তস্করভয়ে সংগ্রামে সলিলপ্লবে ।
সমুদ্রয়ানবিক্ষোভে ভূতপ্রেতাদিকে ভয়ে ॥

অপস্মারজ্বরব্য়াধিমৃত্য়ুক্ষামাদিজেভয়ে ।
শাকিনী পূতনাযক্ষরক্ষঃকূষ্মাংডজে ভয়ে ॥

মিত্রভেদে গ্রহভয়ে ব্যসনেষ্বাভিচারিকে ।
অন্য়েষ্বপি চ দোষেষু মালামংত্রং স্মরেন্নরঃ ॥

তাদৃশং খড্গমাপ্নোতি যেন হস্তস্থিতেনবৈ ।
অষ্টাদশমহাদ্বীপসম্রাড্ভোক্তাভবিষ্যতি ॥

সর্বোপদ্রবনির্মুক্তস্সাক্ষাচ্ছিবময়োভবেত্ ।
আপত্কালে নিত্যপূজাং বিস্তারাত্কর্তুমারভেত্ ॥

একবারং জপধ্য়ানং সর্বপূজাফলং লভেত্ ।
নবাবরণদেবীনাং ললিতায়া মহৌজনঃ ॥

একত্র গণনারূপো বেদবেদাংগগোচরঃ ।
সর্বাগমরহস্য়ার্থঃ স্মরণাত্পাপনাশিনী ॥

ললিতায়ামহেশান্য়া মালা বিদ্য়া মহীযসী ।
নরবশ্য়ং নরেংদ্রাণাং বশ্য়ং নারীবশংকরম্ ॥

অণিমাদিগুণৈশ্বর্য়ং রংজনং পাপভংজনম্ ।
তত্তদাবরণস্থায়ি দেবতাবৃংদমংত্রকম্ ॥

মালামংত্রং পরং গুহ্য়ং পরং ধাম প্রকীর্তিতম্ ।
শক্তিমালা পংচধাস্য়াচ্ছিবমালা চ তাদৃশী ॥

তস্মাদ্গোপ্যতরাদ্গোপ্য়ং রহস্য়ং ভুক্তিমুক্তিদম্ ॥

॥ ইতি শ্রী বামকেশ্বরতংত্রে উমামহেশ্বরসংবাদে দেবীখড্গমালাস্তোত্ররত্নং সমাপ্তম্ ॥

নবগ্রহ স্তোত্রম্নবগ্রহ ধ্য়ান শ্লোকম্আদিত্য়ায় চ সোমায় মংগলায় বুধায় চ ।গুরু শুক্র শনিভ্যশ্চ রাহবে কেতবে নমঃ ॥রবিঃজপা...
04/04/2026

নবগ্রহ স্তোত্রম্

নবগ্রহ ধ্য়ান শ্লোকম্
আদিত্য়ায় চ সোমায় মংগলায় বুধায় চ ।
গুরু শুক্র শনিভ্যশ্চ রাহবে কেতবে নমঃ ॥

রবিঃ
জপাকুসুম সংকাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্য়ুতিম্ ।
তমোঽরিং সর্ব পাপঘ্নং প্রণতোস্মি দিবাকরম্ ॥

চংদ্রঃ
দধিশংখ তুষারাভং ক্ষীরার্ণব সমুদ্ভবম্ (ক্ষীরোদার্ণব সংভবম্) ।
নমামি শশিনং সোমং শংভো-র্মকুট ভূষণম্ ॥

কুজঃ
ধরণী গর্ভ সংভূতং বিদ্য়ুত্কাংতি সমপ্রভম্ ।
কুমারং শক্তিহস্তং তং কুজং [মংগলং] প্রণমাম্যহম্ ॥

বুধঃ
প্রিয়ংগু কলিকাশ্য়ামং রূপেণা প্রতিমং বুধম্ ।
সৌম্য়ং সৌম্য় (সত্ব) গুণোপেতং তং বুধং প্রণমাম্যহম্ ॥

গুরুঃ
দেবানাং চ ঋষীণাং চ গুরুং কাংচনসন্নিভম্ ।
বুদ্ধিমংতং ত্রিলোকেশং তং নমামি বৃহস্পতিম্ ॥

শুক্রঃ
হিমকুংদ মৃণালাভং দৈত্য়ানং পরমং গুরুম্ ।
সর্বশাস্ত্র প্রবক্তারং ভার্গবং প্রণমাম্যহম্ ॥

শনিঃ
নীলাংজন সমাভাসং রবিপুত্রং যমাগ্রজম্ ।
ছায়া মার্তাংড সংভূতং তং নমামি শনৈশ্চরম্ ॥

রাহুঃ
অর্ধকায়ং মহাবীরং চংদ্রাদিত্য় বিমর্ধনম্ ।
সিংহিকা গর্ভ সংভূতং তং রাহুং প্রণমাম্যহম্ ॥

কেতুঃ
পলাশ পুষ্প সংকাশং তারকাগ্রহমস্তকম্ ।
রৌদ্রং রৌদ্রাত্মকং ঘোরং তং কেতুং প্রণমাম্যহম্ ॥

ফলশ্রুতিঃ
ইতি ব্য়াস মুখোদ্গীতং যঃ পঠেত্সু সমাহিতঃ ।
দিবা বা যদি বা রাত্রৌ বিঘ্নশাংতি-র্ভবিষ্যতি ॥

নরনারী-নৃপাণাং চ ভবে-দ্দুঃস্বপ্ন-নাশনম্ ।
ঐশ্বর্যমতুলং তেষামারোগ্য়ং পুষ্টি বর্ধনম্ ॥

গ্রহনক্ষত্রজাঃ পীডাস্তস্করাগ্নি সমুদ্ভবাঃ ।
তাস্সর্বাঃ প্রশমং যাংতি ব্য়াসো ব্রূতে ন সংশয়ঃ ॥

ইতি ব্য়াস বিরচিতং নবগ্রহ স্তোত্রং সংপূর্ণম্ ।

🔱🔱🔱🔱🔱 শিব তাংডব স্তোত্রম্ 🔱🔱🔱🔱🔱======================================জটাটবীগলজ্জলপ্রবাহপাবিতস্থলেগলেবলংব্য় লংবিতাং ভুজং...
30/03/2026

🔱🔱🔱🔱🔱 শিব তাংডব স্তোত্রম্ 🔱🔱🔱🔱🔱
======================================
জটাটবীগলজ্জলপ্রবাহপাবিতস্থলে
গলেবলংব্য় লংবিতাং ভুজংগতুংগমালিকাম্ ।
ডমড্ডমড্ডমড্ডমন্নিনাদবড্ডমর্বয়ং
চকার চংডতাংডবং তনোতু নঃ শিবঃ শিবম্ ॥ 1 ॥

জটাকটাহসংভ্রমভ্রমন্নিলিংপনির্ঝরী-
-বিলোলবীচিবল্লরীবিরাজমানমূর্ধনি ।
ধগদ্ধগদ্ধগজ্জ্বলল্ললাটপট্টপাবকে
কিশোরচংদ্রশেখরে রতিঃ প্রতিক্ষণং মম ॥ 2 ॥

ধরাধরেংদ্রনংদিনীবিলাসবংধুবংধুর
স্ফুরদ্দিগংতসংততিপ্রমোদমানমানসে ।
কৃপাকটাক্ষধোরণীনিরুদ্ধদুর্ধরাপদি
ক্বচিদ্দিগংবরে মনো বিনোদমেতু বস্তুনি ॥ 3 ॥

জটাভুজংগপিংগলস্ফুরত্ফণামণিপ্রভা
কদংবকুংকুমদ্রবপ্রলিপ্তদিগ্বধূমুখে ।
মদাংধসিংধুরস্ফুরত্ত্বগুত্তরীযমেদুরে
মনো বিনোদমদ্ভুতং বিভর্তু ভূতভর্তরি ॥ 4 ॥

সহস্রলোচনপ্রভৃত্যশেষলেখশেখর
প্রসূনধূলিধোরণী বিধূসরাংঘ্রিপীঠভূঃ ।
ভুজংগরাজমালয়া নিবদ্ধজাটজূটক
শ্রিয়ৈ চিরায় জাযতাং চকোরবংধুশেখরঃ ॥ 5 ॥

ললাটচত্বরজ্বলদ্ধনংজযস্ফুলিংগভা-
-নিপীতপংচসাযকং নমন্নিলিংপনাযকম্ ।
সুধাময়ূখলেখয়া বিরাজমানশেখরং
মহাকপালিসংপদেশিরোজটালমস্তু নঃ ॥ 6 ॥

করালফালপট্টিকাধগদ্ধগদ্ধগজ্জ্বল-
দ্ধনংজয়াধরীকৃতপ্রচংডপংচসাযকে ।
ধরাধরেংদ্রনংদিনীকুচাগ্রচিত্রপত্রক-
-প্রকল্পনৈকশিল্পিনি ত্রিলোচনে মতির্মম ॥ 7 ॥

নবীনমেঘমংডলী নিরুদ্ধদুর্ধরস্ফুরত্-
কুহূনিশীথিনীতমঃ প্রবংধবংধুকংধরঃ ।
নিলিংপনির্ঝরীধরস্তনোতু কৃত্তিসিংধুরঃ
কলানিধানবংধুরঃ শ্রিয়ং জগদ্ধুরংধরঃ ॥ 8 ॥

প্রফুল্লনীলপংকজপ্রপংচকালিমপ্রভা-
-বিলংবিকংঠকংদলীরুচিপ্রবদ্ধকংধরম্ ।
স্মরচ্ছিদং পুরচ্ছিদং ভবচ্ছিদং মখচ্ছিদং
গজচ্ছিদাংধকচ্ছিদং তমংতকচ্ছিদং ভজে ॥ 9 ॥

অগর্বসর্বমংগলাকলাকদংবমংজরী
রসপ্রবাহমাধুরী বিজৃংভণামধুব্রতম্ ।
স্মরাংতকং পুরাংতকং ভবাংতকং মখাংতকং
গজাংতকাংধকাংতকং তমংতকাংতকং ভজে ॥ 10 ॥

জযত্বদভ্রবিভ্রমভ্রমদ্ভুজংগমশ্বস-
-দ্বিনির্গমত্ক্রমস্ফুরত্করালফালহব্যবাট্ ।
ধিমিদ্ধিমিদ্ধিমিধ্বনন্মৃদংগতুংগমংগল
ধ্বনিক্রমপ্রবর্তিত প্রচংডতাংডবঃ শিবঃ ॥ 11 ॥

দৃষদ্বিচিত্রতল্পয়োর্ভুজংগমৌক্তিকস্রজোর্-
-গরিষ্ঠরত্নলোষ্ঠয়োঃ সুহৃদ্বিপক্ষপক্ষয়োঃ ।
তৃষ্ণারবিংদচক্ষুষোঃ প্রজামহীমহেংদ্রয়োঃ
সমং প্রবর্তযন্মনঃ কদা সদাশিবং ভজে ॥ 12 ॥

কদা নিলিংপনির্ঝরীনিকুংজকোটরে বসন্
বিমুক্তদুর্মতিঃ সদা শিরঃস্থমংজলিং বহন্ ।
বিমুক্তলোললোচনো ললাটফাললগ্নকঃ
শিবেতি মংত্রমুচ্চরন্ সদা সুখী ভবাম্যহম্ ॥ 13 ॥

ইমং হি নিত্যমেবমুক্তমুত্তমোত্তমং স্তবং
পঠন্স্মরন্ব্রুবন্নরো বিশুদ্ধিমেতিসংততম্ ।
হরে গুরৌ সুভক্তিমাশু যাতি নান্যথা গতিং
বিমোহনং হি দেহিনাং সুশংকরস্য় চিংতনম্ ॥ 14 ॥

পূজাবসানসময়ে দশবক্ত্রগীতং যঃ
শংভুপূজনপরং পঠতি প্রদোষে ।
তস্য় স্থিরাং রথগজেংদ্রতুরংগয়ুক্তাং
লক্ষ্মীং সদৈব সুমুখিং প্রদদাতি শংভুঃ ॥ 15 ॥

Goddess Kali: নিয়মিত মা কালীর পূজো করুন, সাথে এই উপায়গুলি মেনে চললে আপনার ঘর ধন-সম্পদে ভরে যাবে••••••••••••••••••••••••...
28/03/2026

Goddess Kali: নিয়মিত মা কালীর পূজো করুন, সাথে এই উপায়গুলি মেনে চললে আপনার ঘর ধন-সম্পদে ভরে যাবে
•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••
WhatsApp 01611-627773
♾️ তান্ত্রিক বিদ্যা বিষয়ে যেকোনো প্রশ্ন পরামর্শ বিনামূল্যে প্রদান করা হয় ♾️

➖হিন্দু ধর্মে, প্রতিদিন কোন না কোন দেবতা বা দেবীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে শনিদেব ছাড়াও শনিবারও মা কালীকে উৎসর্গ করা হয়। শনিবার সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে, আপনার জন্য কিছু বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যা করলে আপনি আপনার জীবনে সুখ আনতে পারেন। এই প্রতিকারগুলি সঠিকভাবে মেনে চললে দেবী কালী আপনার উপর প্রসন্ন হবেন। আপনার সব ইচ্ছা পূরণ হবে। শনিবারকে সনাতন ধর্মে খুব বিশেষ দিন হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই দিনে শনিদেব ও মা কালীর পূজা করা হয়। আসুন জেনে নিই কালী মাতা সংক্রান্ত প্রতিকার সম্পর্কে।

🌺শনিবার এই বিশেষ ব্যবস্থাগুলি করুন

👉শনিবার সকালে স্নান করার পরে, পরিষ্কার কাপড় পরিধান করুন এবং আচার অনুসারে কালী মাতার পূজা করুন।
👉এই দিনে পিপল গাছের নিচে সরিষার তেলের প্রদীপ জ্বালান। এতে কালো তিল দিন। এছাড়াও, কালী মাতার মন্দিরে যান এবং সিঁদুরে মাখানো কলা ফুল নিবেদন করুন। এর সাথে হিবিস্কাস ফুলও নিবেদন করুন।
👉পিপল গাছের চারপাশে ৭ বার প্রদক্ষিণ করুন। এই সময় মা কালীর নাম জপ করতে থাকুন। এর সাথে মা কালীর আশীর্বাদ আপনার উপর থাকে।
👉সন্ধ্যায় পিপল গাছের নিচে চার দিকের প্রদীপ জ্বালান। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এটি করলে ঘরে অর্থের অভাব হয় না।
👉কালী মাতার মন্দিরে গিয়ে তাকে লেবুর মালা অর্পণ করুন। এছাড়াও আপনি তাজা ফল এবং সুজি পুডিং তৈরি করে দেবী কালীকে নিবেদন করতে পারেন।
👉আপনি যদি চাকরি করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আপনার আয় বাড়ে না, তবে আপনার আয় বাড়াতে, এই দিনে আপনি একটি কালো কয়লা নিয়ে প্রবাহিত জলে ভাসিয়ে দিন। এতে করে আপনার আয় দ্রুত বাড়বে।
👉আপনার প্রেমের বিয়েতে যদি কোনো ধরনের বাধা থাকে, তাহলে সেই বাধাগুলো থেকে মুক্তি পেতে পুষ্য নক্ষত্রে শনিবার পিপল গাছের নিচে সরিষার তেলের প্রদীপ জ্বালান।
👉আপনি বা পরিবারের কোনও সদস্য যদি কোনও গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন তবে শুক্রবার মা কালীর চরণে সাদা আবির নিবেদন করুন। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে মা কালীর কৃপায় স্বাস্থ্যের দ্রুত উন্নতি হয়।
👉জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, যে কোনও মঙ্গলবার দেবী কালীকে খুশি করতে, কালী মাতার মন্দিরে যান এবং মাতার বীজ মন্ত্রটি ৩ বার জপ করুন যাতে সমস্ত ধরণের বাধা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এই মন্ত্র-। ওম ক্রিম ক্রিম ক্রিম হালিম হ্রিম খাম স্ফোটে ক্রিম ক্রিম ক্রিম ফাট।
👉মঙ্গলবার, সূর্যোদয়ের পরে, কালো সুতো দিয়ে নিজের হাতে ২১টি লেবুর মালা তৈরি করুন এবং মা কালীর মন্দিরে অর্পণ করুন। মালা অর্পণের পর দেবী কালীকে লাল গোলাপ অর্পণ করুন।
👉একটি ধর্মীয় বিশ্বাস আছে যে মা কালী গুড় খুব পছন্দ করেন, তাই দেবীকে গুড় নিবেদন করুন। অন্ন প্রদানের পর প্রসাদ হিসেবে গুড় গরিবদের মধ্যে বিতরণ করুন। এতে করে দেবী মা কালো টাকা সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা দূর করবেন।
👉আপনি যদি শত্রুদের বন্ধুতে রূপান্তরিত করতে চান তবে মঙ্গলবার সকাল এবং সন্ধ্যায় মা কালীর মন্দিরে যান এবং ময়দার তৈরি দুই মুখী প্রদীপ জ্বালান। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, এমনকি সবচেয়ে বড় শত্রুও মিত্র এবং বন্ধু হয়ে উঠবে।

হিন্দু ধর্মের সাত মন্ত্র ও স্তোত্র: নিয়ম মেনে পাঠ করলে দূর হবে সমস্যা, শুরু হবে সুখের সময়, উপচে পড়বে সৌভাগ্য===========...
26/03/2026

হিন্দু ধর্মের সাত মন্ত্র ও স্তোত্র: নিয়ম মেনে পাঠ করলে দূর হবে সমস্যা, শুরু হবে সুখের সময়, উপচে পড়বে সৌভাগ্য
======================================
WhatsApp 01611-627773
♾️ তান্ত্রিক বিদ্যা বিষয়ে যেকোনো প্রশ্ন পরামর্শ বিনামূল্যে প্রদান করা হয় ♾️
----- অসীম চক্রবর্তী
জুরি, মৌলভীবাজার
সিলেট, বাংলাদেশ
★★ মা কালীর সাধক ও তান্ত্রিক ★★
======================================
➖কঠিন সময়ে নিজেকে শান্ত রাখা সহজ কাজ নয়। কিন্তু হিন্দু ধর্মে বেশ কয়েকটি মন্ত্র ও স্তোত্রের কথা বলা রয়েছে, যেগুলি নিয়মিত পাঠ করলে মন শান্ত হয়, কঠিন সময়কে ঠান্ডা মাথায় মোকাবিলা করার ক্ষমতাও বৃদ্ধি হয়।

আমাদের কারওর জীবনই কখনও একই পথে চলে না। সুখ-দুঃখ মিলিয়েই জীবন। কিন্তু কখনও কখনও খারাপ সময় কিছুতেই আমাদের পিছু ছাড়তে চায় না। নানা বাজে চিন্তা তখন আমাদের মাথায় চড়ে বসে। মন অশান্ত হয়ে পড়ে। এর ফলে হয়ে যাওয়া কাজও আমরা ভেস্তে ফেলি। কঠিন সময়ে নিজেকে শান্ত রাখা সহজ কাজ নয়। কিন্তু হিন্দু ধর্মে বেশ কয়েকটি মন্ত্র ও স্তোত্রের কথা বলা রয়েছে যেগুলি নিয়মিত পাঠ করলে মন শান্ত হয়, কঠিন সময়কে ঠান্ডা মাথায় মোকাবিলা করার ক্ষমতাও বৃদ্ধি হয়। সেগুলির মধ্যে সব মন্ত্র এবং স্তোত্রই যে আপনাকে প্রতি দিন পাঠ করতে হবে তেমনটা নয়। সেই সাতটি মন্ত্র ও স্তোত্রের মধ্যে আপনার পছন্দমতো যে কোনও একটি মন্ত্র প্রতি দিন নিষ্ঠা সহযোগে পাঠ করলেই হবে।

💥শক্তিশালী সাত মন্ত্র:

১. মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র: মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র সঠিক নিয়ম মেনে পাঠ করতে পারলে মহাদেবের আশীর্বাদ লাভ করা যায় বলে মনে করা হয়। আর মহাদেবের আশীর্বাদ মানেই জীবন থেকে শঙ্কার কালো মেঘ সরে গিয়ে সুখের সময় শুরু হওয়া। কিন্তু এই মন্ত্র পাঠ করার অনেক নিয়ম রয়েছে। সেই সকল নিয়ম মানতে পারলে তবেই মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র পাঠ করা উচিত, নচেৎ নয়। সে ক্ষেত্রে লঘু মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র পাঠ করা যেতে পারে।

২. গায়ত্রী মন্ত্র: আমরা প্রায় সকলেই গায়ত্রী মন্ত্রের সঙ্গে পরিচিত। প্রতি দিন সকালে ঘুম থেকে ওঠে স্নান করার পর পূর্ব দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে এই মন্ত্রটি পাঠ করতে হবে। এই মন্ত্র পাঠ করার ফলে জীবনে চলার পথে আসা বাধা কেটে যায় ও সাফল্য লাভ হয়।

৩. হনুমান চালিশা: হনুমান চালিশা দিনের যে কোনও সময় পাঠ করা যায়। এটি পাঠের গুণ অনেক। যে কোনও কঠিন সময়ে হনুমান চালিশা পাঠ করলে মনে সাহস পাওয়া যায়। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে এই মন্ত্র পাঠ করলে ঘুম ভাল হয়। নেগেটিভ মনোভাব কাটিয়ে পজ়িটিভ মনোভাব আনতে সাহায্য করে হনুমান চালিশা।

৪. সরস্বতী বন্দনা: মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি এবং বোধগম্যতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে সরস্বতী বন্দনা। কেবল শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাই নয়, যে কোনও মানুষেরই সরস্বতী বন্দনা পাঠ করা উচিত।

৫. দুর্গা সপ্তশতী: দুর্গা সপ্তশতী হল ৭০০টি শ্লোকের সংগ্রহ। রোজকার ব্যস্ত জীবনে এটি নিয়মিত পাঠ করা সম্ভব না হলেও, কঠিন সময়ে এটি পাঠ করা গেলে ভাল ফল পাওয়া যায়। দেবী দুর্গার আশীর্বাদ লাভ হয়।

৬. হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র: হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র হল ভগবান কৃষ্ণ ও শ্রীরামের মন্ত্র। এটি পাঠ করলে জীবনে সাফল্য লাভ করা যায়। মন শান্ত হয় ও আধ্যাত্মিক চেতনা বৃদ্ধি পায়।

৭. বজরং বাণ: বজরং বাণ হল বজরংবলির উদ্দেশে পাঠ করা একটি মন্ত্র। এটিকে হনুমান চালিশার থেকে শক্তিশালী মন্ত্র হিসাবে মনে করা হয়। এটি পাঠ করলে আপনার মনে থাকা যে কোনও ভয়কে আপনি অতি সহজে জয় করতে পারবেন। সাহস বৃদ্ধি পাবে এবং যে কোনও কঠিন সময়কে মোকাবিলা করার শক্তি লাভ করবেন।

🙏🙏🙏🙏🙏 হনুমান্ বজরংগ বাণ 🙏🙏🙏🙏🙏•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••নিশ্চয় প্রেম প্রতীতি তে, বি...
16/03/2026

🙏🙏🙏🙏🙏 হনুমান্ বজরংগ বাণ 🙏🙏🙏🙏🙏
•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••
নিশ্চয় প্রেম প্রতীতি তে, বিনয় করৈ সনমান ।
তেহি কে কারজ সকল সুভ, সিদ্ধ করৈ হনুমান ॥

চৌপাঈ
জয় হনুমংত সংত হিতকারী । সুন লীজৈ প্রভু অরজ হমারী ॥
জন কে কাজ বিলংব ন কীজৈ । আতুর দৌরি মহা সুখ দীজৈ ॥

জৈসে কূদি সিংধু মহিপারা । সুরসা বদন পৈঠি বিস্তারা ॥
আগে জায় লংকিনী রোকা । মারেহু লাত গী সুরলোকা ॥

জায় বিভীষন কো সুখ দীন্হা । সীতা নিরখি পরমপদ লীন্হা ॥
বাগ উজারি সিংধু মহং বোরা । অতি আতুর জমকাতর তোরা ॥

অক্ষয় কুমার মারি সংহারা । লূম লপেটি লংক কো জারা ॥
লাহ সমান লংক জরি গী । জয় জয় ধুনি সুরপুর নভ ভী ॥

অব বিলংব কেহি কারন স্বামী । কৃপা করহু উর অংতরয়ামী ॥
জয় জয় লখন প্রান কে দাতা । আতুর হ্বৈ দুখ করহু নিপাতা ॥

জৈ হনুমান জযতি বল-সাগর । সুর-সমূহ-সমরথ ভট-নাগর ॥
ওং হনু হনু হনু হনুমংত হঠীলে । বৈরিহি মারু বজ্র কী কীলে ॥

ওং হ্নীং হ্নীং হ্নীং হনুমংত কপীসা । ওং হুং হুং হুং হনু অরি উর সীসা ॥
জয় অংজনি কুমার বলবংতা । শংকরসুবন বীর হনুমংতা ॥

বদন করাল কাল-কুল-ঘালক । রাম সহায় সদা প্রতিপালক ॥
ভূত, প্রেত, পিসাচ নিসাচর । অগিন বেতাল কাল মারী মর ॥

ইন্হেং মারু, তোহি সপথ রাম কী । রাখু নাথ মরজাদ নাম কী ॥
সত্য় হোহু হরি সপথ পাই কৈ । রাম দূত ধরু মারু ধাই কৈ ॥

জয় জয় জয় হনুমংত অগাধা । দুখ পাবত জন কেহি অপরাধা ॥
পূজা জপ তপ নেম অচারা । নহিং জানত কছু দাস তুম্হারা ॥

বন উপবন মগ গিরি গৃহ মাহীম্ । তুম্হরে বল হৌং ডরপত নাহীম্ ॥
জনকসুতা হরি দাস কহাবৌ । তাকী সপথ বিলংব ন লাবৌ ॥

জৈ জৈ জৈ ধুনি হোত অকাসা । সুমিরত হোয় দুসহ দুখ নাসা ॥
চরন পকরি, কর জোরি মনাবৌম্ । যহি ঔসর অব কেহি গোহরাবৌম্ ॥

উঠু, উঠু, চলু, তোহি রাম দুহাঈ । পায়ং পরৌং, কর জোরি মনাঈ ॥
ওং চং চং চং চং চপল চলংতা । ওং হনু হনু হনু হনু হনুমংতা ॥

ওং হং হং হাংক দেত কপি চংচল । ওং সং সং সহমি পরানে খল-দল ॥
অপনে জন কো তুরত উবারৌ । সুমিরত হোয় আনংদ হমারৌ ॥

যহ বজরংগ-বাণ জেহি মারৈ । তাহি কহৌ ফিরি কবন উবারৈ ॥
পাঠ করৈ বজরংগ-বাণ কী । হনুমত রক্ষা করৈ প্রান কী ॥

যহ বজরংগ বাণ জো জাপৈম্ । তাসোং ভূত-প্রেত সব কাপৈম্ ॥
ধূপ দেয় জো জপৈ হমেসা । তাকে তন নহিং রহৈ কলেসা ॥

দোহা
উর প্রতীতি দৃঢ়, সরন হ্বৈ, পাঠ করৈ ধরি ধ্য়ান ।
বাধা সব হর, করৈং সব কাম সফল হনুমান ॥

🙏🙏  ব্রাহ্মী আদি অষ্টশক্তি দেবীর ধ্যান মন্ত্র  🙏🙏°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°ব্রাহ্মী ধ্যান।...
15/03/2026

🙏🙏 ব্রাহ্মী আদি অষ্টশক্তি দেবীর ধ্যান মন্ত্র 🙏🙏
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
ব্রাহ্মী ধ্যান।—ওঁ ব্রাহ্মীং হংসসমারূঢ়াং স্বর্ণবর্ণাং চতুর্ভুজাম্। চতুর্বক্ত্রাং ত্রিনেত্রাঞ্চ ব্রহ্মকূৰ্চ্চঞ্চ পঙ্কজম্।। দণ্ডং পদ্মাক্ষসূত্রঞ্চ দধতীং চারুহাসিনীম্। জটাজুটধরাং দেবী ভাবয়েৎ সাধকোত্তমঃ। ওঁ ব্রাহ্ম্যে নমঃ। এই মন্ত্রে পূজা করিবে।

নারায়ণী ধ্যান-ওঁ মহাদীপ্তাং শ্যামাং

গরুড়বাহিনীম্। নানালঙ্কারসংযুক্তাং চারুকেশীং চতুর্ভুজাম্। ঘণ্টাং শব্‌াং কপালঞ্চ চক্রং সংসধতীং পরাম্। মধুমত্তাং মদোল্লাস-দৃষ্টিং সর্ব্বাঙ্গসুন্দরীম্।। ওঁ ঈং নারায়ণ্যে নমঃ।

Menu
Store
আরও দেখুন
হনুমান চালিশা
Hanuman Chalisa
Durga Puja
Durga puja
দুর্গাপূজা
Brahmi adi Ashtashakti Devi Dhyan Mantra
ব্রাহ্মী আদি অষ্টশক্তি দেবীর ধ্যান মন্ত্র
October 30, 2023 by Kajal Chakraborty
আরও দেখুন
Durga Puja
হনুমান চালিশা
Hanuman Chalisa
Durga puja
দুর্গাপূজা
ব্রাহ্মী আদি অষ্টশক্তি দেবীর ধ্যান মন্ত্র | Brahmi adi Ashtashakti Devi Dhyan Mantra
ব্রাহ্মী ধ্যান।—ওঁ ব্রাহ্মীং হংসসমারূঢ়াং স্বর্ণবর্ণাং চতুর্ভুজাম্। চতুর্বক্ত্রাং ত্রিনেত্রাঞ্চ ব্রহ্মকূৰ্চ্চঞ্চ পঙ্কজম্।। দণ্ডং পদ্মাক্ষসূত্রঞ্চ দধতীং চারুহাসিনীম্। জটাজুটধরাং দেবী ভাবয়েৎ সাধকোত্তমঃ। ওঁ ব্রাহ্ম্যে নমঃ। এই মন্ত্রে পূজা করিবে।

নারায়ণী ধ্যান—ওঁ মহাদীপ্তাং শ্যামাং গরুড়বাহিনীম্। নানালঙ্কারসংযুক্তাং চারুকেশীং চতুর্ভুজাম্। ঘণ্টাং শব্াং কপালঞ্চ চক্রং সংসধতীং পরাম্। মধুমত্তাং মদোল্লাস-দৃষ্টিং সর্ব্বাঙ্গসুন্দরীম্।। ওঁ ঈং নারায়ণ্যে নমঃ।

মাহেশ্বরী ধ্যান।—ওঁ মাহেশ্বরীং বৃষারূঢ়াং শুক্লাং ত্রিনয়নান্বিতাম্। কপালং ডমরুঞ্চৈব বরদাভয়মূলক। টঙ্কঞ্চ দধতীং দেবীং নানালঙ্কারভূষিতাম্।—ওঁ ঊং মাহেশ্বর্য্যে নমঃ।

চামুণ্ডা ধ্যান।—ওঁ চামুণ্ডাট্টহাসাং বিকটিতদশানাং ভীমবক্সাং ত্রিনেত্রাং নীলাম্ভোজ-প্রভাভাং প্রমুদিতপুষং নারমুণ্ডালিমালাম। খাং শূলং কপালং নরশিখরখচিতং খেটকং ধারয়ন্তীং প্রেতারূঢ়াং প্রমত্তাং মধুমদমুদিতাং ভাবয়েচ্চগুরূপাম্৷ ওঁ ং চামুণ্ডায়ৈ নমঃ।

কৌমারী ধ্যান।—ওঁ কৌমারীং কুঙ্কুমাভাসং ত্রিনেত্রাং শিখিসংস্থিতাম্। চতুর্ভুজাং শক্তিপাশাঙ্কুশাভয়বিধারিণীম্। নানালঙ্কারসংযুক্তা প্রমত্তাং পরিচিন্তয়েৎ।—ওঁ ৯ংকোমাৰ্য্যৈ নমঃ।

অপরাজিতা ধ্যান।—ওঁ অপরাজিতাঞ্চ পীতাভামক্ষসূত্রবরপ্রদাম্। কমলং মাতুলিঙ্গঞ্চ দধতীং পরিচিন্তয়েৎ॥—ওঁ ঐং অপরাজিতায়ৈ নমঃ।

বারাহী ধ্যান।—ওঁ বারাহীং ভ্রবর্ণাঞ্চ বরাহবাহনাং শুভাম্। ফলঞ্চ খড়্গামুষলং হলং বেদভূজৈবৃতাম্॥—ওঁ ঔং বারাহ্যৈ নমঃ।

নারসিংহী ধ্যান।—ওঁ নারসিংহীং নৃসিংহস্য বিভ্রতীং সদৃশং বপুঃ। চতুৰ্ভুজাং বিশালাক্ষীং মহারৌদ্রীং বরপ্রদাম্।।—ওঁ অঃ নারসিংহৌ নমঃ।

🙏🙏🙏🙏🙏🙏  শ্রী রাম কবচম্  🙏🙏🙏🙏🙏°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°🙏🙏🙏 শ্রী রাম কবচম্  🙏🙏🙏অগস্তিরুবাচআ...
14/03/2026

🙏🙏🙏🙏🙏🙏 শ্রী রাম কবচম্ 🙏🙏🙏🙏🙏
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
🙏🙏🙏 শ্রী রাম কবচম্ 🙏🙏🙏

অগস্তিরুবাচ
আজানুবাহুমরবিংদদলাযতাক্ষ-
-মাজন্মশুদ্ধরসহাসমুখপ্রসাদম্ ।
শ্য়ামং গৃহীত শরচাপমুদাররূপং
রামং সরামমভিরামমনুস্মরামি ॥ 1 ॥

অস্য় শ্রীরামকবচস্য় অগস্ত্য় ঋষিঃ অনুষ্টুপ্ ছংদঃ সীতালক্ষ্মণোপেতঃ শ্রীরামচংদ্রো দেবতা শ্রীরামচংদ্রপ্রসাদসিদ্ধ্যর্থে জপে বিনিয়োগঃ ।

অথ ধ্য়ানং
নীলজীমূতসংকাশং বিদ্য়ুদ্বর্ণাংবরাবৃতম্ ।
কোমলাংগং বিশালাক্ষং যুবানমতিসুংদরম্ ॥ 1 ॥

সীতাসৌমিত্রিসহিতং জটামুকুটধারিণম্ ।
সাসিতূণধনুর্বাণপাণিং দানবমর্দনম্ ॥ 2 ॥

যদা চোরভয়ে রাজভয়ে শত্রুভয়ে তথা ।
ধ্য়াত্বা রঘুপতিং ক্রুদ্ধং কালানলসমপ্রভম্ ॥ 3 ॥

চীরকৃষ্ণাজিনধরং ভস্মোদ্ধূলিতবিগ্রহম্ ।
আকর্ণাকৃষ্টবিশিখকোদংডভুজমংডিতম্ ॥ 4 ॥

রণে রিপূন্ রাবণাদীংস্তীক্ষ্ণমার্গণবৃষ্টিভিঃ ।
সংহরংতং মহাবীরমুগ্রমৈংদ্ররথস্থিতম্ ॥ 5 ॥

লক্ষ্মণাদ্য়ৈর্মহাবীরৈর্বৃতং হনুমদাদিভিঃ ।
সুগ্রীবাদ্য়ৈর্মাহাবীরৈঃ শৈলবৃক্ষকরোদ্যতৈঃ ॥ 6 ॥

বেগাত্করালহুংকারৈর্ভুভুক্কারমহারবৈঃ ।
নদদ্ভিঃ পরিবাদদ্ভিঃ সমরে রাবণং প্রতি ॥ 7 ॥

শ্রীরাম শত্রুসংঘান্মে হন মর্দয় খাদয় ।
ভূতপ্রেতপিশাচাদীন্ শ্রীরামাশু বিনাশয় ॥ 8 ॥

এবং ধ্য়াত্বা জপেদ্রামকবচং সিদ্ধিদাযকম্ ।
সুতীক্ষ্ণ বজ্রকবচং শৃণু বক্ষ্য়াম্যনুত্তমম্ ॥ 9 ॥

অথ কবচম্
শ্রীরামঃ পাতু মে মূর্ধ্নি পূর্বে চ রঘুবংশজঃ ।
দক্ষিণে মে রঘুবরঃ পশ্চিমে পাতু পাবনঃ ॥ 10 ॥

উত্তরে মে রঘুপতির্ভালং দশরথাত্মজঃ ।
ভ্রুবোর্দূর্বাদলশ্য়ামস্তয়োর্মধ্য়ে জনার্দনঃ ॥ 11 ॥

শ্রোত্রং মে পাতু রাজেংদ্রো দৃশৌ রাজীবলোচনঃ ।
ঘ্রাণং মে পাতু রাজর্ষির্গংডৌ মে জানকীপতিঃ ॥ 12 ॥

কর্ণমূলে খরধ্বংসী ভালং মে রঘুবল্লভঃ ।
জিহ্বাং মে বাক্পতিঃ পাতু দংতপংক্তী রঘূত্তমঃ ॥ 13 ॥

ওষ্ঠৌ শ্রীরামচংদ্রো মে মুখং পাতু পরাত্পরঃ ।
কংঠং পাতু জগদ্বংদ্য়ঃ স্কংধৌ মে রাবণাংতকঃ ॥ 14 ॥

ধনুর্বাণধরঃ পাতু ভুজৌ মে বালিমর্দনঃ ।
সর্বাণ্য়ংগুলিপর্বাণি হস্তৌ মে রাক্ষসাংতকঃ ॥ 15 ॥

বক্ষো মে পাতু কাকুত্স্থঃ পাতু মে হৃদয়ং হরিঃ ।
স্তনৌ সীতাপতিঃ পাতু পার্শ্বং মে জগদীশ্বরঃ ॥ 16 ॥

মধ্য়ং মে পাতু লক্ষ্মীশো নাভিং মে রঘুনাযকঃ ।
কৌসল্য়েয়ঃ কটী পাতু পৃষ্ঠং দুর্গতিনাশনঃ ॥ 17 ॥

গুহ্য়ং পাতু হৃষীকেশঃ সক্থিনী সত্যবিক্রমঃ ।
ঊরূ শার্ঙ্গধরঃ পাতু জানুনী হনুমত্প্রিয়ঃ ॥ 18 ॥

জংঘে পাতু জগদ্ব্য়াপী পাদৌ মে তাটকাংতকঃ ।
সর্বাংগং পাতু মে বিষ্ণুঃ সর্বসংধীননাময়ঃ ॥ 19 ॥

জ্ঞানেংদ্রিয়াণি প্রাণাদীন্ পাতু মে মধুসূদনঃ ।
পাতু শ্রীরামভদ্রো মে শব্দাদীন্বিষয়ানপি ॥ 20 ॥

দ্বিপদাদীনি ভূতানি মত্সংবংধীনি যানি চ ।
জামদগ্ন্যমহাদর্পদলনঃ পাতু তানি মে ॥ 21 ॥

সৌমিত্রিপূর্বজঃ পাতু বাগাদীনীংদ্রিয়াণি চ ।
রোমাংকুরাণ্যশেষাণি পাতু সুগ্রীবরাজ্যদঃ ॥ 22 ॥

বাঙ্মনোবুদ্ধ্যহংকারৈর্জ্ঞানাজ্ঞানকৃতানি চ ।
জন্মাংতরকৃতানীহ পাপানি বিবিধানি চ ॥ 23 ॥

তানি সর্বাণি দগ্ধ্বাশু হরকোদংডখংডনঃ ।
পাতু মাং সর্বতো রামঃ শার্ঙ্গবাণধরঃ সদা ॥ 24 ॥

ইতি শ্রীরামচংদ্রস্য় কবচং বজ্রসম্মিতম্ ।
গুহ্য়াদ্গুহ্যতমং দিব্য়ং সুতীক্ষ্ণ মুনিসত্তম ॥ 25 ॥

যঃ পঠেচ্ছৃণুয়াদ্বাপি শ্রাবয়েদ্বা সমাহিতঃ ।
স যাতি পরমং স্থানং রামচংদ্রপ্রসাদতঃ ॥ 26 ॥

মহাপাতকয়ুক্তো বা গোঘ্নো বা ভ্রূণহা তথা ।
শ্রীরামচংদ্রকবচপঠনাচ্ছুদ্ধিমাপ্নুয়াত্ ॥ 27 ॥

ব্রহ্মহত্য়াদিভিঃ পাপৈর্মুচ্যতে নাত্র সংশয়ঃ ।
ভো সুতীক্ষ্ণ যথা পৃষ্টং ত্বয়া মম পুরাঃ শুভম্ ।
তথা শ্রীরামকবচং ময়া তে বিনিবেদিতম্ ॥ 28 ॥

ইতি শ্রীমদানংদরামাযণে মনোহরকাংডে সুতীক্ষ্ণাগস্ত্যসংবাদে শ্রীরামকবচম্ ॥

🙏🙏🙏 =গণেশ বন্দনা কী ভাবে করবেন= 🙏🙏🙏•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••➖যিনি খর্বাকৃতি, স্থূল...
13/03/2026

🙏🙏🙏 =গণেশ বন্দনা কী ভাবে করবেন= 🙏🙏🙏
•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••
➖যিনি খর্বাকৃতি, স্থূল শরীর, লম্বোদর, গজেন্দ্রবদন অথচ সুন্দর, বদন হইতে নিঃসৃত মদগন্ধে প্রলুব্ধ ভ্রমর সমূহের দ্বারা যাঁহার গণ্ডস্থল ব্যাকুলিত, যিনি দন্তাঘাতে শত্রুর দেহ বিদারিত করে তাঁর দন্ত দ্বারা নিজ দেহে সিন্দূরের শোভা ধারণ করিয়াছেন; সেই পার্বতীপুত্র সিদ্ধিদাতা গণপতিকে বন্দনা করি।

যে কোনও কাজে সমৃদ্ধি তথা সিদ্ধি দান করেন গণেশ। এ ছাড়াও বুদ্ধিভ্রষ্ট মানুষকে বুদ্ধি দান করেন তিনি। তাই গণেশ চতুর্থীর পূজা উপলক্ষে ভগবানের আরাধনার সঙ্গে সঙ্গে উদযাপন করা হয় সুখ ও সমৃদ্ধিকেও। বাড়িতে গণেশ পূজা করলে সেখানে সুখ, শান্তি যেমন বজায় থাকে, তেমনই প্রবেশ করতে পারে না বিপদও। তবে চতুর্থীতে পূজা করার আগে জেনে নিন কী ভাবে গণেশ পূজা করলে আপনার জীবনে আসবে সমৃদ্ধি।

ওঁ শ্রী গণেশায় নমঃ’ বা ‘ওঁ গাং গণেশায় নমঃ ওঁ শ্রী গণেশায় নমঃ’ বা ‘ওঁ গাং গণেশায় নমঃ

এখন জেনে নেওয়া যাক গণেশ পূজার মন্ত্র প্রসঙ্গে:

গণেশ পূজা মন্ত্র:

একদন্তং মহাকায়ং লম্বোদর গজাননম।

বিঘ্নবিনাশকং দেবং হেরম্বং পনমাম্যহম।।

অর্থাৎ, যিনি একদন্ত, মহাকায়, লম্বোদর, গজানন এবং বিঘ্ননাশকারী সেই হেরম্বদেবকে আমি প্রণাম করি।

ধ্যান মন্ত্র:

ওঁ খর্বং স্থূলতনুং গজেন্দ্রবদনং লম্বোদরং সুন্দরং

প্রস্যন্দম্মদগন্ধলুব্ধ মধুপব্যালোলগণ্ডস্থলম্।

দন্তাঘাত বিদারিতারিরুধিরৈঃ সিন্দুরশোভাকরং,

বন্দেশৈল সুতাসুতং গণপতিং সিদ্ধিপ্রদং কামদম্।।

গণেশ বন্দনা:

বন্দ দেব গজানন বিঘ্ন বিনাশন।

নমঃ প্রভু মহাকায় মহেশ নন্দন।।

সর্ববিঘ্ন নাশ হয় তোমার শরণে।

অগ্রেতে তোমার পূজা করিনু যতনে।।

নমো নমো লম্বোদর নমঃ গণপতি।

মাতা যার আদ্যাশক্তি দেবী ভগবতী।।

সর্বদেব গণনায় অগ্রে যার স্থান।

বিধি-বিষ্ণু মহেশ্বর আর দেবগণ।।

ত্রিনয়নী তারার বন্দিনু শ্রীচরণ।

বেদমাতা সরস্বতীর লইনু শরণ।।

মন্ত্রঃ – ওঁ গাং গণেশায় নমঃ।

অর্থাৎ, যিনি খর্বাকৃতি, স্থূল শরীর, লম্বোদর, গজেন্দ্রবদন অথচ সুন্দর, বদন হইতে নিঃসৃত মদগন্ধে প্রলুব্ধ ভ্রমর সমূহের দ্বারা যাঁহার গণ্ডস্থল ব্যাকুলিত, যিনি দন্তাঘাতে শত্রুর দেহ বিদারিত করে তাঁর দন্ত দ্বারা নিজ দেহে সিন্দূরের শোভা ধারণ করিয়াছেন; সেই পার্বতীপুত্র সিদ্ধিদাতা গণপতিকে বন্দনা করি।

ধ্যান মন্ত্র:

ওঁ খর্বং স্থূলতনুং গজেন্দ্রবদনং লম্বোদরং সুন্দরং প্রস্যন্দম্মদগন্ধলুব্ধ মধুপব্যালোলগণ্ডস্থলম্। দন্তাঘাত বিদারিতারিরুধিরৈঃ সিন্দুরশোভাকরং , বন্দেশৈল সুতাসুতং গণপতিং সিদ্ধিপ্রদং কামদম্।।

মন্ত্র: ওঁ শ্রী গণেশায় নমঃ’ বা ‘ওঁ গাং গণেশায় নমঃ

অর্থাৎ, যিনি খর্বাকৃতি, স্থূল শরীর, লম্বোদর, গজেন্দ্রবদন অথচ সুন্দর; বদন হইতে নিঃসৃত মদগন্ধে প্রলুব্ধ ভ্রমর সমূহের দ্বারা যাঁর গণ্ডস্থল ব্যাকুলিত; যিনি দন্তাঘাতে শত্রুর দেহ বিদারিত করিয়া তাঁর দন্ত দ্বারা নিজ দেহে সিন্দূরের শোভা ধারণ করিয়াছেন; সেই পার্বতীপুত্র সিদ্ধিদাতা গণপতিকে বন্দনা করি।

মনে রাখবেন, ধর্মীয় মতে এই মন্ত্রটি দিনে কম করে ১০৮ বার পাঠ করলে ফল মিলতে বাধ্য। ফিরবে ভাগ্য। বদলে যাবে জীবন। যাঁরা এই সময় খুব দুঃখের মধ্যে আছেন, তাঁরা আজ থেকেই এই মন্ত্রটি পাঠ করা শুরু করে দিন। কে বলতে পারে, হয়ত সুখ আর কয়েক দিনের মধ্যেই দরজায় কড়া নাড়বে। মন্ত্রটি হল- ‘ওম সৌভাগ্য-বর্ধনাহাহ নমহঃ।’ প্রসঙ্গত, মন্ত্রটি পাঠ করার সময় মনে কোনও খারাপ চিন্তা আনবেন না। তা হলেই সুফল মিলতে শুরু করবে।

ওঁ ধ্যায়েন্নিত্যং গনপতিং বিদ্যুদ্বর্ণং গজাননং ।

শ্বেতাম্বরং সিতাব্জস্থং স্বর্ণমুকুট শোভিতম্ ।।

শ্বেতমূষিক পৃষ্ঠন্যস্তবামচরনং সিদ্ধিদং ।

বামজান্বারোপিতদক্ষিনপদং চতুর্ভুজম্ ।।

অর্থাৎ যিনি বিদ্যুৎবর্ণ, গজানন, শ্বেতবস্ত্র পরিহিত, শ্বেতপদ্মে অবস্থিত, মাথায় স্বর্ণমুকুট শোভাস্থিত, যাঁর বামচরণ শ্বেতমূষিকের পৃষ্ঠে রাখা এবং বাম পা হাঁটুর ওপর অবস্থিত। যিনি সিদ্ধিদাতা ও চতুর্ভুজ, বাম দিকের দুই হাতে শঙ্খ ও চক্র, ডান দুই হাতে পুস্তক ও লেখনী ধারণকারী সেই সিদ্ধিদাতা শ্রীগণেশকে আরাধনা করি।

প্রণাম মন্ত্র:

একদন্তং মহাকায়ং লম্বোদর গজাননম।

বিঘ্নবিনাশকং দেবং হেরম্বং পনমাম্যহম।।

অর্থাৎ,যিনি একদন্ত, মহাকায়, লম্বোদর, গজানন এবং বিঘ্ননাশকারী সেই হেরম্বদেবকে আমি প্রণাম করি।

ওঁ সর্ববিঘ্ন বিনাশয় সর্বকল্যাণ হেতবে।

পার্বতী প্রিয় পুত্রায় গণেশায় নমো নমঃ।।

এ বার জেনে নিন এই পুজোর কেমন করে করবেন।

পুজো সামগ্রী:

এই পুজোর প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে -ধূপ, আরতির থালা, সুপুরি, পান পাতা, গণেশের জন্য নতুন পোশাক, চন্দন কাঠ।

এ বার ‘ওম গণ গণপতায় নমঃ’ মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে শুরু হয় গণেশ আরাধনা। আরতির থালায় সুগন্ধি ধূপ জ্বালিয়ে সূচনা করুন গণেশ পুজোর। এর পর চন্দন কাঠের সামনে সাজিয়ে রাখুন পান পাতার ওপর সুপুরি।

যাঁরা গণেশ চতুর্থীর আগেই বাড়িতে মূর্তি নিয়ে আসছেন, তাঁরা নির্দিষ্ট দিনের আগে পর্যন্ত নতুন কাপড়ে বিগ্রহের মুখ ঢেকে রাখবেন। পুজোর দিন মূর্তি স্থাপনের আগে মুখ খুলবেন না।

গণেশ নিয়ে ঘরে প্রবেশের আগে চাল ছড়াতে ভুলবেন না। মূর্তি স্থাপনের আগেও ছড়িয়ে দিন চাল। ওপরে রাখুন সুপুরি, কাঁচা হলুদ, লাল কুমকুম ও দক্ষিণা।

পুজোর মূল পর্বের প্রয়োজনীয় সামগ্রী হল মূর্তি স্থাপনের পর প্রয়োজন লাল ফুল, দূর্বা ঘাস, মোদক, নারকেল, লাল চন্দন, ধুনো ও ধূপ।

পুজো পদ্ধতি:

বাড়িতে গণেশ মূর্তি স্থাপনের আগে সারা বাড়ি পরিষ্কার করুন। স্নান সেরে মন্ত্রের মাধ্যমে মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর শুরু হবে পুজো। ঋক বেদ বা গণেশ সুক্তায় পাবেন প্রাণ প্রতিষ্ঠার মন্ত্র। প্রাণ প্রতিষ্ঠার পরই ধূপ ও প্রদীপ জ্বালিয়ে শুরু করুন আরতি।

এরপর ষোড়শপচারে গণেশ আরাধনা করুন। গণেশ বন্দনার ১৬টি রীতির নামই ষোড়শপচার। এরপর ২১টি দূর্বা ঘাস, ২১টি মোদক ও লাল ফুল গণেশের সামনে সাজিয়ে রাখুন। মূর্তির মাথায় আঁকুন লাল চন্দনের টিকা। এরপর গণেশ মূর্তির সামনে নারকেল ভেঙে অশুভ শক্তিকে দূর করুন। তারপর গণেশের ১০৮ নাম জপ করুন। মূর্তির সামনে করজোড়ে প্রার্থনা করুন পরিবারের সুখ, সমৃদ্ধি।

ওঁ শ্রী গণেশায় নমঃ’ বা ‘ওঁ গাং গণেশায় নমঃ ওঁ শ্রী গণেশায় নমঃ’ বা ‘ওঁ গাং গণেশায় নমঃ

Address

Juri
Maulvi Bazar
3110

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তন্ত্র শিক্ষালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share