11/12/2025
প্রযুক্তির অভাবনীয় গতিতে আমরা আজ বিস্মিত। প্রকৌশল বিদ্যার অসামান্য দক্ষতায়
স্পেসস্টেশন,কোলাইডার, ক্যাটারপিলার, ইন্টারনেট ইত্যাদি আশ্চর্যজনক সব উদ্ভাবন।
তবে অহংকার দানা বাধার পূর্বেই আমরা আজ প্রবেশ করব গডলেভেল ইঞ্জিনিয়ারিং এর অন্য এক জগতে । স্রষ্টা যেখানে নিজের মহিমা প্রকাশ করছেন অত্যন্ত সূক্ষতায়।
যখন আপনি একটি ফুটবল এ লাথি দিয়ে গোল দিতে যান তখন আপাত দৃষ্টিতে সহজ এই কাজটি কিভাবে সম্পন্ন হয় আসুন দেখি।
এই চিন্তাটি আপনার মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল লোবে তৈরি হওয়া মাত্রই গুঞ্জন করে উঠে লক্ষ-কোটি নিউরনাল নেটওয়ার্ক এর কোষগুলো।আপনার ইচ্ছাশক্তির উপর তৈরি করে নির্দিষ্ট বৈদ্যুতিক তরংগ। তারপর প্রবেশ করে প্রাইমারি মটর কর্টেক্সে। মস্তিষ্কের এই অংশ প্রাথমিক ভাবে সম্ভাব্য নড়াচড়ার মানচিত্র একে তথ্যগুলো পাঠিয়ে দেয় সেকেন্ডারি(২য়)মটর এরিয়াতে মজার ব্যাপার হলো এখানে সঞ্চয় থাকে পূর্বের সব কাজের স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা , লক্ষ লক্ষ সুপার কম্পিউটার গণনায় আপনার নির্দেশনা আরো স্পষ্ট রুপ লাভ করে। তখন দৃশ্য পটে ব্যাজাল গ্যাংলিয়া , রেড নিউক্লিয়াস এর বিশেষ কোষ গুলি নির্ধারণ করে ঠিক কত শক্তিতে আপনি ফুটবল টিতে কিক করতে চাচ্ছেন। সর্বোপরি সেরেবেলাম ঘষে -মেজে নির্ধারণ করে কতটুকু নিখুত ও ব্যালেন্সড ভাবে আপনি কাজটি সম্পাদন করবেন। এভাবেই আপনার কাজের চিন্তা সুনির্দিষ্ট ইলেকট্রনিক কোডে স্নায়ুরজ্জু বেয়ে নেমে তার লক্ষ্যে। সবকিছুই সংগঠিত হয় আমাদের কল্পনার চেয়েও কম সময়ে।
উপরে বর্ণিত পথের ছোট্ট একটি অংশ যদি কোনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে আমরা নিখুতভাবে কাজ সম্পন্ন করতে অক্ষম। প্যারালাইসিস, নড়াচড়া অস্বাভাবিকতা, কাপুনি ইত্যাদি মুভমেন্ট ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত হই।
#সব্যসাচী