Dr.Bristy Rani Das

Dr.Bristy Rani Das ডা. বৃষ্টি রানী দাস

01/12/2025


💢 সিজার (C-section)–এর পর মাথাব্যথা খুব সাধারণ, বিশেষ করে যদি স্পাইনাল বা এপিডিউরাল অ্যানেসথেশিয়া দেওয়া হয়ে থাকে।এটি সাধ...
29/11/2025

💢 সিজার (C-section)–এর পর মাথাব্যথা খুব সাধারণ, বিশেষ করে যদি স্পাইনাল বা এপিডিউরাল অ্যানেসথেশিয়া দেওয়া হয়ে থাকে।

এটি সাধারণত Post-dural puncture headache (PDPH) নামে পরিচিত।

❇️ মাথাব্যথার আরামে কিছু কার্যকর ও সহজ উপায় আছে—

✅বেশি বেশি পানি ও তরল পান করুন

স্পাইনাল/এপিডিউরালের পরে CSF কমে গিয়ে মাথাব্যথা হয়।
➡ পানি, স্যুপ, ওরস্যালাইন, নারকেল পানি—বেশি করে খান।
এতে মাথাব্যথা দ্রুত কমে।

✅ ক্যাফেইন খুব কার্যকর (ডাক্তারদের প্রিয় টিপস!)

কফি/চা বা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়
➡ CSF প্রেসার বাড়ায়
➡ মাথাব্যথা দ্রুত উপশম করে
WHO/অ্যানেসথেশিয়া গাইডলাইনেও ক্যাফেইন helpful বলা আছে।

✅ শোয়ানোর ভঙ্গি

মাথা উঁচু করে নয়—চ্যাপ্টা হয়ে শুয়ে থাকলে ব্যথা কমে।
কারণ দাঁড়ালে/বসে থাকলে মাথাব্যথা বেশি হয়।

✅ পর্যাপ্ত বিশ্রাম

প্রসব–পরবর্তী ক্লান্তি, রক্তস্বল্পতা—এসবও মাথাব্যথা বাড়ায়।
➡ ২–৩ দিন পর্যাপ্ত বিশ্রাম জরুরি।

✅ হালকা ব্যথানাশক

ডাক্তারের পরামর্শে:
👉Paracetamol
👉 Ibuprofen অথবা
👉 Diclofenac
এগুলো ব্যথা বেশ কমায়।

24/11/2025

ডাক্তার ও রোগীর সম্পর্ক শুধুমাত্র চিকিৎসা প্রদান ও গ্রহণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—এটি এক ধরনের পেশাগত আস্থা ও সম্মানের সমন্বয়। সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীর উচিত তার শারীরিক অবস্থা, পূর্ববর্তী অসুস্থতা ও ব্যবহৃত ওষুধ সম্পর্কে ডাক্তারকে সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া। একইভাবে, একজন ডাক্তারের দায়িত্ব হলো রোগীর সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে শোনা, বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে পরামর্শ দেওয়া এবং মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল থাকা।

24/11/2025

#ডা: বৃষ্টি রানী দাস
এম বি বি এস ঢাকা. ডি এম ইউ সি এম ইউ আলট্রা
রোগী দেখার সময় :প্রতি সোমবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত

&diagnostic center

নরমাল ডেলিভারির সময় যদি পানি ভাঙার পর আমনিয়টিক ফ্লুইড  (পানি) হালকা সবুজ-কলা/হলদে-কলা বা ছত্রাছত্র দেখতে পান—তা মানে শিশ...
11/11/2025

নরমাল ডেলিভারির সময় যদি পানি ভাঙার পর আমনিয়টিক ফ্লুইড (পানি) হালকা সবুজ-কলা/হলদে-কলা বা ছত্রাছত্র দেখতে পান—তা মানে শিশুটি গর্ভে প্রথম পায়খানা (meconium) করেছে। এটা ছোটখাটো হতে পারে কিংবা শ্বাসনালি ঢুকলে শ্বাসকষ্টের কারণ হয়ে শিশুকে বিপদে ফেলতে পারে।

“পানি ভাঙলই—পানি সবুজ? থামুন, ডাক্তারকে বলুন! না করলে বাচ্চার শ্বাসে ঝুঁকি আছে।”

(স্টেপ বাই স্টেপ — সাধারণ মানুষের জন্য)

1. প্রথমেই দেখুন: পানি স্বচ্ছ নাকি সবুজ/হলদে/ময়লা-রঙ? যদি সবুজ/হলদে থাকে, সেটাকে হালকা মেনে নিবেন না।

2. পানি গন্ধ করে দেখবেন—ভাল টিউট না হলে আর ভেববেন না, ডাক্তার/মিডওয়াইফকে কল দিন (ফোনে বলবেন “ওয়ারটার রাং কালার, গ্রীন/ব্রাউন”) — দ্রুত হাসপাতালে যাওয়ার নির্দেশ নিন।

3. ঘরে ঢুকেই নিজে চেষ্টাই করবেন না — বিশেষ করে লম্বা অপেক্ষা না করে হাসপাতাল-অবস্থান যেখানে নবজাতক রিসাসিটেশন বা শিশুবিশেষজ্ঞ আছে, সেখানেই যাওয়া উচিত। কিছু ক্ষেত্রে জন্মের সঙ্গে সঙ্গে শিশুকে রেসাসিটেশন/এন্টিবায়োটিক/ইনটুবেশন দরকার হতে পারে।

4. একজন মিডওয়াইফ বা নার্স যদি পারভেজিনাল এক্সাম করে এবং তাদের গ্লাভসে সবুজ-হলদে ময়লা থাকে — এটা meconium stained liquor—এটা ঘরেই সাপোর্ট না করে হাসপাতালের অবস্থা বোঝানো সংকেত।

5. ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলবেন:

পানি কোন রঙ ছিল (স্ট্রিং/গ্রীন/ব্রাউন)

শিশুর নড়াচড়া কেমন (কম হলে তৎক্ষণাত বলা)

কোনো জ্বর/বদগন্ধ আছে কি না।

6. যাদের প্রথম বাচ্চা—সাহস হারাবেন না; কিন্তু ঝুঁকি থাকলে মুহূর্তে প্রস্তুত থাকুন: শিশুকে শিশুবিশেষজ্ঞ দেখানো বাধ্যতামূলক।

শিশু/মা-সংক্রান্ত তথ্য (সংক্ষেপে, ডাক্তারদের ভাষায়)

সব meconium-stained লিকরেই অবিলম্বে কিসু করা লাগে না—কিন্তু শিশু যদি ‘depressed’ (কম প্রাণবন্ত) হয়, তখন ট্রাকেয়া ইন্টুবেশন ও সাব-গ্লটিক সাকশন প্রয়োজন হতে পারে। নবজাতক রিসাসিটেশন টিম থাকা জরুরি।

যদি আপনার বাড়িতে কেউ পানি ভেঙে সবুজ/হলুদ/ব্রাউন পানি দেখেন—দেরি না করে হাসপাতাল।

ঘরে-ঘরে গুজব বা ‘শান্ত করে রাখবে’ আশা করে সময় নষ্ট করবেন না। বাচ্চার শ্বাস কাজেই ঝুঁকি থাকলে সময়ই সবচেয়ে বড় ভেক্টর।

সরিষার তেলে এলাইল আইসো থায়োসায়ানেট নামক যে রাসায়নিক পদার্থ আছে তা শিশুর ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আর যাই করেন, নবজাত...
09/11/2025

সরিষার তেলে এলাইল আইসো থায়োসায়ানেট নামক যে রাসায়নিক পদার্থ আছে তা শিশুর ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আর যাই করেন, নবজাতকের শরীরে সরিষার তেল মাখাবেন না।

শিশুদের শরীরে ম্যাসেজ করার জন্য সবচেয়ে ভালো তেল-

১. নারিকেল তেল

২.অলিভ অয়েল

৩. সান ফ্লাওয়ার অয়েল।

🩺 প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ, কিন্তু আল্ট্রাসাউন্ডে বাচ্চা নেই — ভয় নেই,চলুন জানি‘Blighted O**m’ বিষয়টি সহজ ভাষায়।অনেক সময়...
18/10/2025

🩺 প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ, কিন্তু আল্ট্রাসাউন্ডে বাচ্চা নেই — ভয় নেই,চলুন জানি
‘Blighted O**m’ বিষয়টি সহজ ভাষায়।

অনেক সময় রোগীরা প্রেগনেন্সি টেস্টে পজেটিভ পান, কিন্তু আল্ট্রাসাউন্ডে শুধু বাচ্চার থলি (Gestational Sac) দেখা যায় — ভিতরে কোনো বাচ্চা (Fetal Pole) থাকে না।
তখন অনেকেই ভয় পেয়ে অনেক ডাক্তারের কাছে দৌড়ান “আসলেই কি আমি মা হয়েছি?” জানতে।

❓তাহলে এখন কী করতে হবে?

এই অবস্থাকে মেডিকেলের ভাষায় বলা হয় — Blighted O**m (ব্লাইটেড ওভাম)।
এতে বাচ্চা তৈরি হয় না, তাই এটি আপনাআপনি নষ্ট হয়ে যায়।
বেশিরভাগ সময় ব্লিডিং শুরু হয়, তবে পুরোপুরি ক্লিয়ার হয় কিনা বলা যায় না।
তাই সাধারণত D&C (ডি অ্যান্ড সি) করে পরিষ্কার করে দেওয়া হয়।
ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধের মাধ্যমেও চিকিৎসা নেওয়া যায়।

⚕️ কেন হয় Blighted O**m?

এর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই।
তবে ধারণা করা হয় —

ক্রোমোজোমাল অস্বাভাবিকতা,

খারাপ মানের ডিম বা শুক্রাণু,

জেনেটিক ত্রুটি — এগুলো ভূমিকা রাখে।

🩸 লক্ষণসমূহ

প্রথমদিকে একদম স্বাভাবিক প্রেগনেন্সির মতোই —
বমিভাব, মাথা ঘোরা, খাবারে অরুচি, স্তনে টান ইত্যাদি।
কিন্তু যখন বাচ্চার বৃদ্ধি বন্ধ হয়, তখন হালকা পেটে ব্যথা ও ব্লিডিং শুরু হয়।

🧪 ইউরিন টেস্ট পজেটিভ কেন আসে?

কারণ তখনও HCG হরমোন নিঃসরণ হয়, যেটা প্রেগনেন্সি টেস্টে পজেটিভ ফল দেয়।

🩻 ডায়াগনোসিস কিভাবে হয়?

👉 আল্ট্রাসনোগ্রামই কনফার্মেটরি টেস্ট।
যখন Gestational sac তৈরি হয় কিন্তু ভিতরে fetal pole থাকে না,
এবং স্যাকের মাপ ২৫ মিমি’র বেশি,
তখন একে Blighted O**m ধরা হয়।

🕐 কখন নিশ্চিত হওয়া যায়?

যদি রোগী ৫–৬ সপ্তাহে আসেন, তবে বলা হয় আরও ২ সপ্তাহ পর ফলো-আপ আল্ট্রাসাউন্ড করতে।
কারণ অনেক সময় ৮ সপ্তাহের মধ্যে ফিটাল পোল দেখা দিতে পারে।
কিন্তু যদি ৮ সপ্তাহের পরেও ফিটাল পোল না দেখা যায় এবং হালকা ব্লিডিং থাকে,
তাহলে নিশ্চিতভাবে Blighted O**m বলা যায়।

👶 পরবর্তী গর্ভধারণ কবে করা যাবে?

আমি রোগীদের বলি —
👉 ৬ মাস পর আবার চেষ্টা করতে পারেন।
তার আগে অবশ্যই জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করবেন

17/10/2025

🌸 কিভাবে সহজে Normal Delivery হয় 🌸Normal delivery মানে শুধু স্বাভাবিক প্রসব নয়—এটা একজন মায়ের ধৈর্য, আত্মবিশ্বাস আর শারী...
14/10/2025

🌸 কিভাবে সহজে Normal Delivery হয় 🌸

Normal delivery মানে শুধু স্বাভাবিক প্রসব নয়—এটা একজন মায়ের ধৈর্য, আত্মবিশ্বাস আর শারীরিক প্রস্তুতির ফলাফল। 💪

🩷 যাদের Normal delivery হবার সম্ভাবনা বেশি:
1️⃣ গর্ভাবস্থায় নিয়মিত check-up করেন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলেন।
2️⃣ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো জটিলতা নেই।
3️⃣ বাচ্চার মাথা নিচের দিকে থাকে (cephalic position)।
4️⃣ মা নিয়মিত হাঁটাচলা ও হালকা exercise করেন।
5️⃣ বাচ্চার ওজন স্বাভাবিক থাকে (২.৫–৩.৫ কেজি)।
6️⃣ মা মানসিকভাবে শান্ত ও ইতিবাচক থাকেন।
7️⃣ আগের সন্তান স্বাভাবিক প্রসবে হয়ে থাকলে।

🌼 মনে রাখবেন —
প্রসবের সময় ভয় নয়, আত্মবিশ্বাস সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে।
শরীর ঠিকভাবে প্রস্তুত থাকলে এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই normal delivery সম্ভব। 🤱

🔰🔰Post Partum Psychosis ( প্রসব পরবর্তী মানসিক রোগ) ভদ্রমহিলা ৮ দিন আগে সন্তান প্রসব করেছেন। কাল থেকে এমন অস্বাভাবিক আচর...
29/09/2025

🔰🔰Post Partum Psychosis ( প্রসব পরবর্তী মানসিক রোগ)

ভদ্রমহিলা ৮ দিন আগে সন্তান প্রসব করেছেন। কাল থেকে এমন অস্বাভাবিক আচরণ করছেন। সে তার বাচ্চাকে হত্যা করে রক্ত খেতে চায়। এটি একটি মারাত্মক মানসিক রোগ। সাধারণত প্রসব পরবর্তী মহিলাদের প্রতি ৫০০ জনে ১ জনের এই রোগ দেখা দেয়। রোগী বাচ্চাকে একা পেলে কিন্তু সত্যি সত্যি মেরে ফেলবে। এই রোগকে- পোস্ট পারটাম সাইকোসিস(Post Partum Psychosis) বলে।

তারা গত দুইদিন যাবত মাহাত-ফকির-কবিরাজি করিয়েছেন। উপায়ন্তর না পেয়ে আজকে হাসপাতালে নিয়ে আসছেন।

"Today, my patient came with her daughter and brought sweets as a token of appreciation."
07/04/2025

"Today, my patient came with her daughter and brought sweets as a token of appreciation."

Address

Mawa

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Bristy Rani Das posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category