Dr.Mahadi Hassan

Dr.Mahadi Hassan অত্যাধুনিক তুর্কি ডিভাইস পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ নিরাপদ ভাবে সুন্নাতে খাতনা করা হয়।

Circumcision/খৎনা/মুসলমানি নামক কঠিন ভয়ঙ্কর কষ্টকর এবং ভুলতে না পারা স্মৃতিগুলো আপনার সন্তানের জন্য সহজ নিরাপদ এবং মধুর স্মৃতিতে করার লক্ষ্যে আমরা নিয়ে এসেছি ডিভাইস কসমেটিক খতনা। একটি সম্পূর্ণ তুর্কির একটি প্রযুক্তি।

সুবিধাসমূহ

ডিভাইস কসমেটিক খৎনা সেন্টার এই আধুনিক কসমেটিক খৎনার

সুবিধা সমূহ হলাে

* কোন প্রকার সেলাই লাগেনা

* এক দিনের শিশু থেকে সকল বয়সে করা যায়

* ব্যান্ডেজ লাগেনা ।

* খত্যর প্রথম দিন থেকে প্যান্ট পড়তে পারবে

* রক্তপাত হয় না ।

* গ্ল্যান্ড পেনিস কে নিরাপদ রাখতে বিশেষ টেকনিক প্রয়ােগ করা হয় বিশ্রামের প্রয়ােজন নাই

* এই খৎনা পদ্ধতি শতভাগ নিরাপদ

* প্রতিদিন গােসল করতে পারবে

* এই পদ্ধতি গােটা বিশ্বের অত্যাধুনিক কসমেটিক খৎনা

যোগাযোগ

আমাদের অফিস সমূহ-

ঢাকা:

১.বি এ ভি এস মেটারনিটি হসপিটাল, মিরপুর 2

২.NAS ফার্মা, LM টাওয়ার, ক – 87, জোয়ার শাহারা বাজার রোড, (বারিধারা DOHS পকেট গেট সংলগ্ন)

৩. নারী ও শিশু চিকিৎসা কেন্দ্র ,উত্তরা, সেক্টর ১১, বাসা ৪২,(মাইলস্টোন কলেজের পাশে, নুর লাইব্রেরীর উপরে, লিফটের 4)

৪.আল মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতাল

৫,আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা ১২১৭

(রাজারবাগ পুলিশ লাইন ৩ নং গেইটের বিপরীতে)

সুন্নাতে খৎনা বা মুসলমানি আপনার সন্তানের জন্য হোক আনন্দময় এক স্মৃতি!!খৎনা/মুসলমানি নামক কঠিন ভয়ঙ্কর কষ্টকর এবং ভুলতে না...
08/05/2022

সুন্নাতে খৎনা বা মুসলমানি আপনার সন্তানের জন্য হোক আনন্দময় এক স্মৃতি!!
খৎনা/মুসলমানি নামক কঠিন ভয়ঙ্কর কষ্টকর এবং ভুলতে না পারা স্মৃতিগুলো আপনার সন্তানের জন্য সহজ নিরাপদ এবং মধুর স্মৃতিতে করার লক্ষ্যে আমরা নিয়ে এসেছি ডিভাইস কসমেটিক খতনা। একটি সম্পূর্ণ তুর্কির একটি প্রযুক্তি।
সুবিধাসমূহ
ডিভাইস কসমেটিক খৎনা সেন্টার এই আধুনিক কসমেটিক খৎনার
সুবিধা সমূহ হলাে
✅ কোন প্রকার সেলাই লাগেনা
✅এক দিনের শিশু থেকে সকল বয়সে করা যায়
✅ব্যান্ডেজ লাগেনা ।
✅খত্যর প্রথম দিন থেকে প্যান্ট পড়তে পারবে
✅রক্তপাত হয় না ।
✅গ্ল্যান্ড পেনিস কে নিরাপদ রাখতে বিশেষ টেকনিক প্রয়ােগ করা হয় বিশ্রামের প্রয়ােজন নাই
✅এই পদ্ধতি শতভাগ নিরাপদ
✅প্রতিদিন গােসল করতে পারবে
✅এই পদ্ধতি গােটা বিশ্বের অত্যাধুনিক কসমেটিক খৎনা
যোগাযোগঃ
01934440025
নাম্বারে কল করে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট বুক করুন।

👉 NAS ফার্মা, LM টাওয়ার, ক – 87, জোয়ার শাহারা বাজার রোড, (বারিধারা DOHS পকেট গেট সংলগ্ন)

👉 বি এ ভি এস মেটারনিটি হসপিটাল, মিরপুর ২

ডিস্কাউন্ট কন্ডিশনঃ
[১০ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত, শুধুমাত্র বারিধারা ব্রাঞ্চে শুক্রবার বেতীত]

02/05/2022
পূর্ণবয়স্ক নারী পুরুষের উপর রমজানের রোজা ফরজ হলেও গর্ভবতী ও স্তন্যদায়ী মায়েদের বিষয়ে একটু বেশী সতর্কতার দরকার রয়েছে। এসম...
22/04/2022

পূর্ণবয়স্ক নারী পুরুষের উপর রমজানের রোজা ফরজ হলেও গর্ভবতী ও স্তন্যদায়ী মায়েদের বিষয়ে একটু বেশী সতর্কতার দরকার রয়েছে। এসময় মায়েদের রোজা না রাখার বিষয়ে ধর্মীয় নির্দেশনাও রয়েছে। আসুন জেনে নিই গর্ভবতী মায়েদের রোজা রাখা বা না রাখা বিষয়টি নিয়ে।

গর্ভবতী মায়ের যদি শারীরিক কোনো জটিলতা না থাকে তাহলে তাঁর রোজা থাকতে কোনো বাধা নেই। তবে রোজা রাখা যাবে কি যাবে না এটা নির্ভর করে রোগীর অবস্থার উপর। প্রয়োজনে এ বিষয়ে রোজার মাস আসার আগেই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে জেনে নিতে পারেন যে আপনি রোজা রাখায় কতটা ঝুঁকিপূর্ণ। অনেকে মনে করেন, বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন এমন মা রোজা রাখলে বুকের দুধ কমে যায় এবং সন্তান দুধ থেকে বঞ্চিত হয় তাদের এমন ধারনা সঠিক নয়। রোজা রাখলে বুকের দুধ কমার কোনো আশঙ্কা নেই। এজন্য গর্ভবতী ও স্তন্যদায়ী মা রোজা রাখলে তাকে অবশ্যই সেহরি ও ইফতারের সময় প্রচুর তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে।

গর্ভবতী মায়েরা কখন রোজা রাখতে পারবেন?

গর্ভকালীন অবস্থার উপর ভিত্তি করে তাঁর রোজা রাখা নির্ভর করে। কখন রোজা রাখা যাবে বা যাবেনা এর ভিত্তিতে গর্ভকালীন সময়কে তিনটি ভাগে ভাগ করে আলোচনা করা হলো ।

১। গর্ভের প্রথম তিন মাস:

বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে গর্ভকালীন প্রথম তিন মাস রোজা না রাখাই উত্তম। এই সময় মায়ের গর্ভে অনাগত শিশুর প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠিত হতে থাকে। তাই এসময় মায়ের শরীরে সঠিক মাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণে পুষ্টি, ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, পানি ইত্যাদির পর্যাপ্ত সরবরাহ জরুরি। এ সময় যেহেতু মায়ের শরীর থেকেই গর্ভের শিশু তাঁর দরকারি জিনিস পায় সেহেতু এসময় মায়ের দেহে কোনো কিছুর অভাব ঘটলে পরবর্তী জীবনে শিশুর জীবনে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে। এছাড়া গর্ভাবস্থায় অনেকের প্রেশার বা রক্তচাপ বেড়ে যায়। এ সময় তাঁকে নিয়মমতো কিছু ওষুধ খেতে হয়। রোজা রাখলে এর ব্যত্যয় ঘটে। তাছাড়া গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যেহেতু গর্ভবতী মায়েদের বেশী বমি বমি ভাব হয়, মাথা ঘুরায়, খেতে কষ্ট হয় ও ওজন কমে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে তাই এই প্রথম তিন মাস রোজা না রাখাই ভালো।

২। গর্ভের মধ্যবর্তী তিন মাস:

গর্ভকালীন মাঝের তিন মাস কিছুটা রিলাক্স থাকে। কারণ মধ্যবর্তী তিন মাসে গর্ভবতী মায়েরা একটু ভালো অনুভব করেন। আর এই সময়ের মধ্যেই বাচ্চাটির গঠনও তৈরি হয়ে যায়। তাই ইচ্ছা করলে যদি অন্য কোনো সমস্যা না থাকে এ সময় ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভবতী মা রোজা রাখতে পারেন। তবে দিন ছোট থাকার কারণে শীতকালে কষ্ট কম হয় বলে এসময় তারা রোজা রাখতে পারেন। তবে গরমের সময় হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে রোজা না রাখাই উত্তম। যাঁদের গর্ভকালীন ডায়াবেটিস রয়েছে, তাঁদের রোজা না রাখা ভালো।

৩। গর্ভের শেষ তিন মাস:

শেষের তিন মাস গর্ভবতী মাকে খুবই সতর্ক হয়ে চলা উচিত। যেহেতু এ সময় মায়ের পেটে বাচ্চা দ্রুত বাড়ে তাই গর্ভবতী মা ও তাঁর অনাগত সন্তানের পুষ্টি নিশ্চিত করতে মাকে পর্যাপ্ত খাবার ও বিশ্রাম নেয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া খুবই জরুরী। তাই এ সময় রোজা না রাখাই উত্তম।

এছাড়া যাঁরা হাই রিস্ক প্রেগন্যান্সি বা ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভধারণ করা অবস্থায় রয়েছেন, তাঁদের একটু বেশি সতর্ক থাকা উচিত। অনেক চিকিৎসার পরও যাঁদের এ অবস্থা তৈরি হয়েছে, সেসব হাই রিস্ক প্রেগন্যান্সি মায়েদের রোজা না রাখাই ভালো। রাখতে চাইলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করবেন।

গর্ভবতী মায়ের সাহরির খাবার কেমন হবে?

গর্ভাবস্থায় রোজা রাখতে চাইলে সাহরিতে তাঁকে একজন স্বাভাবিক মানুষের খাদ্যতালিকার ন্যায় সুষম খাবার খেতে হবে। তাকে ক্যালরি ও আঁশযুক্ত খাবারের দিকে বেশি খেয়াল করা দরকার। গরমের সময় রোজা শুরু হলে পানিশূন্যতা ও শরীরে লবণের পরিমাণ কমে যাওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে এজন্য এদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। তাই ইফতার ও সেহেরির সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। তাছাড়া যেসব খাবারে গ্যাস হয় বা বুক জ্বালা করে সাহরির সময় সেসব খাবারগুলো যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। তাই খাবার মেন্যুতে আপেল, কলা, খেজুর ইত্যাদি রাখা উচিত।

গর্ভবতী মায়ের ইফতারের খাবার কেমন হবে?

গর্ভবতী মায়েরা কয়েকটি খেজুর, ফলের জুস খেয়ে ইফতার শুরু করতে পারেন। এতে তাদের রক্তের সুগার লেভেল ঠিক থাকবে। ইফতারির মেন্যুতে দুধও রাখা যেতে পারে কারণ দুধ গর্ভবতী মায়েদের অ্যামোনিয়া হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়। এছাড়া খাবারের তালিকায় সবজি, স্যুপ, সালাদ, মাছ, মাংস, প্রোটিনযুক্ত খাবার যেমন ডাল, বাদামি চালের ভাত এবং গমের রুটি ইত্যাদি রাখতে পারেন।

রোজাদার গর্ভবতী মায়েদের জন্য কিছু সতর্কতামুলক পরামর্শ

গর্ভাবস্থায় গুরুপাক, ভারি, ভাজাপোড়া, তৈলাক্ত ও বাসি খাবার ইত্যাদি পুরোপুরি এড়িয়ে চলুন।
ইফতার ও সেহেরিতে যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করুন। কোন অবস্থাতেই সেহরি না খেয়ে রোজা রাখার চেষ্টা করবেন না তাতে শরীর দুর্বল হয়ে পড়বে।
গর্ভাবস্থায় বেশি বেশি আঁশযুক্ত, প্রোটিনযুক্ত ও ফ্যাটসম্পন্ন খাবার গ্রহণ করুন কারণ এসব উপাদান ধীরগতিতে পরিপাক হয় বিধায় ক্ষুধা কম লাগবে।
রোজার সময় বেশি বিশ্রাম নিন ও দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলুন।
এ সময় পরিমিত চিনিযুক্ত ও জাউ ভাত জাতীয় খাবার খেতে পারেন।
এ সময় অনেকক্ষণ রোদে বা গরমে অবস্থান না করে বাতাস আছে এমন খোলামেলা পরিবেশে থাকার চেষ্টা করুন।
পারলে রাতে খাবারের পর বিশ্রাম নিয়ে একটু হাঁটাহাঁটি করুন।


গর্ভাবস্থায় স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ ক্যালরির প্রয়োজন হয় বলে একজন গর্ভবতী মাকে দিনে ছয়বার বা তারও বেশি খেতে বলা হয়। গরমকালে রোজা রাখলে সাধারণত শীতকালের চেয়ে অধিক সময় (প্রায় ১৪ ঘণ্টা) পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়। এই দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য খুবই কষ্টকর । তাছাড়া গরমে গর্ভবতী মা প্রচুর ঘেমে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতায় ভুগতে পারেন। এছাড়া রোজা রাখার ফলে অনাগত শিশুটি অপুষ্টি ও কম ওজন নিয়ে জন্ম নিতে পারে। পাশাপাশি গর্ভবতী মা মূত্রনালির ইনফেকশনেও ভুগতে পারেন। তাই গর্ভাবস্থায় রোজা রাখলে যদি মা-বা বাচ্চার ক্ষতি হয়, বা যদি ডাক্তারের কোন নিষেধাজ্ঞা থাকে, তাহলে এসময় রোজা না রাখাই ভাল।

শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতিকে বলা হয় হাইপোক্যালসেমিয়া। দীর্ঘদিন ধরে ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার কম খাওয়া বা ক্যালসিয়াম যুক্ত খাব...
19/04/2022

শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতিকে বলা হয় হাইপোক্যালসেমিয়া। দীর্ঘদিন ধরে ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার কম খাওয়া বা ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবারের প্রতি অসহিষ্ণুতা থাকলে এই রোগ হতে পারে। তাই শিশুকাল থেকেই সবার উচিৎ পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা।

ক্যালসিয়াম আমাদের হাড় ও দাঁত সুস্থ রাখবে কাজ করে। এছাড়া ক্যালসিয়াম আমাদের হৃদপিন্ড এবং পেশীর কার্যক্ষমতা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। আমাদের শরীরের ক্যালসিয়ামের ৯৯% থাকে আমাদের হাড় ও দাঁতে এবং বাকি ১% আছে রক্ত, পেশী ও কোষের তরল উপাদানে।

শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি থাকলে সে অবস্থাকে বলা হয় হাইপোক্যালসেমিয়া। এর ফলে যেসব হাড়ের রোগ দেখা দিতে পারেঃ
• অস্টিওপরোসিস
• অস্টিওপেনিয়া
শিশুদের মধ্যে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি থাকলে তাদের প্রাপ্তবয়স্ক কালে শরীরের উচ্চতা কম হতে পারে।

হাইপোক্যালসেমিয়ার উপসর্গ
প্রথম দিকে হাইপোক্যালসেমিয়ার উপসর্গ নাও থাকতে পারে। তবে এই অবস্থার অগ্রগতির সাথে সাথে উপসর্গ ধরা পড়তে পারে, যেমনঃ
• বিভ্রান্তি বা স্মৃতিভ্রম
• মাংসপেশীতে খিঁচুনি
• হাত, পা ও মুখমন্ডলে অবশ এবং ঝিম ঝিম ভাব হওয়া
• বিষণ্ণতা
• দৃষ্টিভ্রম, কল্পিত কিছু দেখা
• মাংসপেশীতে ব্যথা
• দুর্বল ও ভাঙ্গা নখ
• হাড় খুব সহজেই ফেটে যাওয়া
শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে নখ নরম হয়ে যায় ও ভেঙ্গে যায়।

শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি সহজেই সারানো সম্ভব। এর জন্য খেতে হবে অধিক পরিমাণে ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার। এছাড়া ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট নেয়া যেতে পারে।
তবে ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে নিজে থেকেই ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট নেয়া শুরু করবেন না। অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে কিডনির পাথর হতে পারে।

হাইপোক্যালসেমিয়া (Hypocalcemia) রোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার খাওয়া। যেসব খাবারে প্রচুর ক্যালসিয়াম আছেঃ
• পনির/চিজ
• দই
• দুধ
• ক্যানের সার্রডিন (তেলে ডুবানো)
• স্যামন (গোলাপি স্যামন, কাটা সহ)
• সবুজ পাতার শাক (পালং শাক, পুঁই শাক, পাট শাক, ইত্যাদি)
• ব্রকলি (রান্না করা)
• ডুমুর (শুকনো)
• সয়বিন
• পাউরুটি

ভিটামিন ডি
ভিটামিন ডি রক্তের ক্যালসিয়াম শুষে নেয়ার প্রক্রিয়াকে দ্রুতগতি দেয়। ক্যালসিয়াম গ্রহণ বৃদ্ধি করতে ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবারের পাশাপাশি ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার খেতে পারেন। যেমনঃ
• তৈলাক্ত মাছ (ইলিশ, পাবদা, পাঙ্গাশ, টুনা, স্যামন)
• ডিম
এছাড়া ভর দুপুরে সূর্যের নীচে আধ ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকলে ভিটামিন ডি পাবেন।

জীবনধারার পরিবর্তন
পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণের সাথে হাড় মজবুত ও সুস্থ রাখতে জীবনধারারও পরিবর্তন আনা উচিৎ, যেমনঃ
• ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা
• নিয়মিত ব্যায়াম করা
• ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন করা

[Collected]

চলছে পবিত্র মাহে রমজান। সেই সঙ্গে চলছে প্রচণ্ড গরম। সুস্থভাবে এই আবহাওয়ায় রোজা রাখার ক্ষেত্রে তরলের চাহিদা পূরণ করা খুবই...
16/04/2022

চলছে পবিত্র মাহে রমজান। সেই সঙ্গে চলছে প্রচণ্ড গরম। সুস্থভাবে এই আবহাওয়ায় রোজা রাখার ক্ষেত্রে তরলের চাহিদা পূরণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় ১৬ ঘণ্টা পানি ও অন্যান্য তরল থেকে বিরত থাকার পর আমাদের শরীরে যে তরলের চাহিদা হয়, সেটা যথাযথভাবে ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পূরণ করতে হয়। রোজায় রোজা রেখেও সব কাজকর্মই আমাদের করতে হয়। এতে শরীরকে প্রাণবন্ত ও সতেজ রাখতে সব রকম পুষ্টি উপাদানের গুরুত্বই বৃদ্ধি পায়। প্রচণ্ড গরম আবহাওয়ার কারণে তরলের বিষয়টি সবচেয়ে প্রাধান্য দেওয়া হয়ে থাকে।
• পানি : সর্বোত্তম তরল। এই রোজায় এবং এই গরমে ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করা উচিত। পানির এই পরিমাণকে খেয়াল করার জন্য সুনির্দিষ্ট বোতল বা পরিমাপক ব্যবহার করা উচিত। সুস্থ থাকতে পানির কোনো বিকল্প নেই। পানি ত্বকে সজীবতা বজায় রাখে, খাদ্য হজম, শোষণ ও বিপাকে সাহায্য করা ছাড়াও শরীরে নানা কাজ করে। পানিতে কোনো ক্যালরি নেই। তাই পানিতে ওজন বাড়ার আশঙ্কা নেই। কারো যদি শারীরিক কারণে পানি খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন হয়, তাহলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে সেটি করতে হবে।
• দুধ : ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের চাহিদা পূরণে তরল হিসেবে দুধ অন্যতম। দুধ ও বাদাম দিয়ে তৈরি শরবত ইফতারিতে, রাতের খাবারে এক কাপ দুধ এবং সেহরিতে দুধ খাওয়া যেতে পারে। রোজায় আমাদের শরীরের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করতে দুধের কোনো বিকল্প নেই। এক গ্লাস দুধ শরীরের মাংসপেশিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ভোররাতে ডায়াবেটিক রোগীরা ননিহীন দুধ খেলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া প্রতিরোধ করতে পারেন। যাঁরা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন এবং যাঁরা হৃদরোগী, তাঁরা স্কিমড দুধ অথবা লো ফ্যাট দুধ খেতে পারে। যেসব শিশু রোজা রাখে, তাদের অবশ্যই দৈনিক আড়াইশ থেকে সাড়ে তিনশ এমএল দুধ বা দুধের তৈরি খাবার খেতে হবে।
•দইয়ের শরবত বা লাচ্ছি : ইফতারে দইয়ের লাচ্ছি অনেকের কাছে পছন্দ। এটি স্বাদে অন্যতম এবং স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। লাচ্ছি মিষ্টি এবং নোনতা দুই রকম স্বাদের হয়। মিষ্টি লাচ্ছি শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি দেয়। আর নোনতা লাচ্ছি শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করে। উভয় প্রকার লাচ্ছি হতেই ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও প্রোটিন পাওয়া যায়। লাচ্ছির পুষ্টিমূল্য বাড়াতে তার সঙ্গে ফলও যুক্ত করে থাকে।
• শরবত : শরবত ইফতারে সব মানুষেরই একটি পছন্দের তরল। সাধারণত কী জাতীয় শরবত খাওয়া হয়, তার ওপর সুস্বাস্থ্যের বিষয় নির্ভর করে। ইফতারে শরবত তাৎক্ষণিক শক্তি দেয়। এ ছাড়া পানির পাশাপাশি তরলের চাহিদা পূরণ করে। লেবুর শরবত, আখের গুড়ের শরবত, তোকমা, ইসুবগুলের শরবত শরীরের জন্য উপকারী। শরবতে চিনির পরিবর্তে গুড় ও মধু দিলে সেটি আরো বেশি উপকারী। খাঁটি রুহ আফজাও মাঝেমধ্যে শরবত হিসেবে খাওয়া যেতে পারে। তবে বাজারে কমার্শিয়াল, প্যাকেটজাত, রঙিন শরবত না খাওয়াই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
• লেবুর শরবত : লেবুর শরবত থেকে পটাশিয়াম পাওয়া যায়, যেটি রক্তে ইলেকট্রোলাইটের সমতা বজায় রাখে।
• তোকমার শরবত : যাঁদের এসিডিটি ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এটি খুবই উপকারী। ওজন নিয়ন্ত্রণেও তোকমার শরবত অনেক কাজে আসে। ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য এটি অত্যন্ত ভালো একটি শরবত।
• ইসুবগুলের শরবত : হার্টের রোগী, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগী এবং যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যে আক্রান্ত, তাঁদের জন্য উত্তম একটি শরবত। ইসুবগুলের শরবতের সঙ্গে সামান্য রুহ আফজা মিলিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
• ডাবের পানি : ডাবের পানি থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ খনিজ লবণ পাওয়া যায়। ডাবের পানির ক্যালরি কম হওয়ায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এটি খুবই উপকারী। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য ডাবের পানি সহায়তা করে। তবে যেসব কিডনি রোগী চিকিৎসকের পরামর্শে রোজা রাখেন, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ডাবের পানি গ্রহণ করবেন না।
• ফলের রস : এখন বাজারে প্রচুর মৌসুমি ফল পাওয়া যাচ্ছে। শতভাগ তাজা ফলের তৈরি রস রোজায় উত্তম একটি তরল। এই মৌসুমে অনেক রকম ফল পাওয়া যায়, যেটি বাড়িতে জুস করে খেলে ফলের পাশাপাশি তরলের চাহিদাও পূরণ করে এবং ইফতারিতে তাৎক্ষণিক শক্তির জোগান দেয়। তবে যেকোনো ফলের রসই না ছেঁকে আঁশসহ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আম, কলা ইত্যাদির সঙ্গে চাইলে দই বা দুধও যোগ করা যেতে পারে। এটি ফলের পুষ্টিমূল্যকে বাড়িয়ে দেয়। ঘরে তৈরি ফলের রসে চিনি ব্যবহার না করাই ভালো।
রোজায় তরলের চাহিদা পূরণে পানির পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর বিভিন্ন তরল আমাদের বেছে নিতে হবে। রোজায় চা, কফি ও কোমল পানীয় পান করা থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকতে হবে। তবে শরীরকে কিছুটা চাঙ্গা রাখতে লেবু চা, গ্রিন টি, লাল চা, দারুচিনির চা পান করতে পারেন।

সুন্নতে খতনা বা মুসলমানির বিস্ময়কর সুফলখতনা আমাদের সমাজে মুসলমানি বলে পরিচিত। আমাদের মুসলিম সমাজে এ সংস্কৃতি শত শত বছর ধ...
12/04/2022

সুন্নতে খতনা বা মুসলমানির বিস্ময়কর সুফল
খতনা আমাদের সমাজে মুসলমানি বলে পরিচিত। আমাদের মুসলিম সমাজে এ সংস্কৃতি শত শত বছর ধরে চলে আসছে। এটি একটি মহান সুন্নত। যুগে যুগে বড় বড় নবী-রাসুলও এ সুন্নত পালন করেছেন।

সর্বপ্রথম এ সুন্নত পালন করেছেন হজরত ইবরাহিম (আ.)। হজরত সাইদ ইবনে মুসাইয়াব (রহ.) থেকে বর্ণিত, হজরত ইবরাহিম (আ.) হলেন খতনার সুন্নত পালনকারী সর্বপ্রথম ব্যক্তি। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হাদিস : ২৬৪৬৭)

কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘স্মরণ করো, যখন ইবরাহিম (আ.)-কে তাঁর রব কয়েকটি বাণী দিয়ে পরীক্ষা করেন, অতঃপর তিনি তা পূর্ণ করেন। তিনি বলেন, আমি তোমাকে মানুষের জন্য নেতা বানাব। সে বলল, আমার বংশধরদের থেকেও? তিনি বলেন, জালিমরা আমার ওয়াদাপ্রাপ্ত হয় না। ’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১২৪)

এ আয়াতের ব্যাখ্যায় আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) ইমাম আবদুর রাজ্জাক (রহ.)-এর সূত্রে বর্ণনা করেন, ইবরাহিম (আ.)-এর পরীক্ষাগুলোর মধ্য থেকে একটি শারীরিক পরীক্ষা হলো খতনা করা। (তাফসিরে ইবনে কাসির : ১/৪০৬)

খতনা নবীদের সুন্নত
হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর পর সব নবী-রাসুল খতনা করিয়েছিলেন।
অনেক হাদিস শরিফে এ সুন্নত পালনের প্রতি উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, ফিতরাত, অর্থাৎ মানুষের জন্মগত স্বভাব পাঁচটি—খতনা করা, নাভির নিম্নদেশে ক্ষুর ব্যবহার করা, বগলের পশম উপড়ে ফেলা, নখ কাটা ও গোঁফ খাটো করা। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৮৮৯)

খতনার স্বাস্থ্যগত উপকারিতা
খতনার দ্বারা শরীর অধিক পাকপবিত্র ও পরিচ্ছন্ন থাকে। খতনা করালে শিশুদের মূত্রপথের সংক্রমণ প্রতিরোধ হয়। এর ফলে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, জ্বর, খাবারে অনীহা এবং স্বাস্থ্য ভালো না হওয়া ইত্যাদি রোগ থেকে ঝুঁকিমুক্ত থাকে। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের ক্ষেত্রে খতনা করালে লিঙ্গের ক্যান্সার প্রতিরোধ হয় ও যৌনবাহিত রোগের ঝুঁকি কমে। পুরুষাঙ্গের মাথার বাড়তি চামড়ার নিচে এক ধরনের সাদা পদার্থ জমে এবং এটিই পুরুষাঙ্গের ক্যান্সারের জন্য দায়ী। লিঙ্গের মাথায় প্রদাহ, চুলকানি ও জ্বালাপোড়া করলেও খতনা করালে তা সেরে যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পুরুষের খতনা এইচআইভি বা এইডস প্রতিরোধে একটি কার্যকর ভূমিকা রাখে, এটি আংশিক সুরক্ষা দেয়। আফ্রিকার যেসব দেশে খতনার হার বেশি, সেসব দেশে এইডসের হার তুলনামূলক কম।

খতনার বৈজ্ঞানিক সুফল
পুরুষের খতনাকে আধুনিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানীরা অত্যন্ত স্বাস্থ্যসম্মত বলে মনে করেন। খতনার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ছত্রাকজাতীয় (ব্যাকটেরিয়া) রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। খতনার প্রধান সুবিধা হলো, এর ফলে লিঙ্গের অগ্র ত্বকে যে তরল জমে নোংরা অবস্থার সৃষ্টি করে, তা থেকে রেহাই পেতে পারে। দেড় হাজার বছর আগে মহানবী (সা.) খতনার কথা বলেছেন, ব্যাপক গবেষণা শেষে আজকের আধুনিক বিজ্ঞান স্বীকার করেছে, খতনার ব্যাপক উপকারিতা আছে।
খতনার সুফল নিয়ে অস্ট্রেলীয় মেডিক্যাল সায়েন্সের অধ্যাপক ড. ব্রায়ান মরিস চমৎকার গবেষণা করেছেন। তাতে উল্লেখ করা হয়, যেসব বালকের সারকামসিশন (খতনা) করা হয়নি, তাদের অপেক্ষাকৃত কিডনি, মূত্রথলি ও মূত্রনালির ইনফেকশন চার থেকে ১০ গুণ বেশি হয়। তিনি মনে করেন, সারকামসিশনের (খতনা) মাধ্যমে অন্তত এক-চতুর্থাংশ মূত্রনালির ইনফেকশন হ্রাস করা যায়।

ওয়াশিংটনের সৈনিক মেডিক্যাল কলেজের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. বিজবেল বলেন, ‘আমি প্রথমে খতনার বিরোধী ছিলাম, পরে দীর্ঘ গবেষণার ফলে প্রমাণিত হলো যে মূত্রথলি ও মূত্রনালিবিষয়ক অনেক জটিল রোগের সমাধান হলো খতনা। ’
ডা. রুবসন তাঁর গবেষণাপত্রে উল্লেখ করেন, ১৯৩০ থেকে এ পর্যন্ত ৬০ হাজার মানুষ আমেরিকায় মূত্রনালির ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে, এর মধ্যে কেবল ১০ জন খতনাকৃত রয়েছে, বাকি সব খতনাবিহীন ব্যক্তি।

এ ব্যাপারে ইউরোলজি জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূত্রনালির প্রদাহ শিশুদের বেশি হয় এবং এতে কিডনির সমস্যা, জ্বর ও রক্তের ইনফেকশন পর্যন্ত হতে পারে। এমনকি খতনা মরণব্যাধি এইডস ও যৌনরোগ প্রতিরোধে সহায়ক। সাধারণ অর্থে লিঙ্গের ক্যান্সার হলো অপরিচ্ছন্নতার ব্যাধি। পুরুষাঙ্গের শীর্ষে ঘা হয়ে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে একসময় ক্যান্সারে রূপ নেয়, এমন রোগীর ওপর গবেষণা করে দেখা গেছে, খতনা করানো পুরুষের চেয়ে খতনা না করানো পুরুষ এ ধরনের ক্যান্সারে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে।

যৌনবিজ্ঞানীরা বহুকাল আগে থেকেই বলে আসছেন যে পুরুষের খতনা করালে স্পর্শকাতরতা বেড়ে যায়। এতে যৌন মিলনে অধিক আনন্দ উপভোগ করে নারী-পুরুষ উভয়ই। বর্তমানে ইংল্যান্ড, আমেরিকাসহ ইউরোপেও প্রচুর পরিমাণে খতনা করানো হয়। সেখানে গুরুত্বের সঙ্গে এটা দেখা হয়।

[কালেক্টেড]

খৎনা/মুসলমানি নামক কঠিন ভয়ঙ্কর কষ্টকর এবং ভুলতে না পারা স্মৃতিগুলো আপনার সন্তানের জন্য সহজ নিরাপদ এবং মধুর স্মৃতিতে করা...
29/03/2022

খৎনা/মুসলমানি নামক কঠিন ভয়ঙ্কর কষ্টকর এবং ভুলতে না পারা স্মৃতিগুলো আপনার সন্তানের জন্য সহজ নিরাপদ এবং মধুর স্মৃতিতে করার লক্ষ্যে আমরা নিয়ে এসেছি ডিভাইস কসমেটিক খতনা। একটি সম্পূর্ণ তুর্কির একটি প্রযুক্তি।
সুবিধাসমূহ
ডিভাইস কসমেটিক খৎনা সেন্টার এই আধুনিক কসমেটিক খৎনার
সুবিধা সমূহ হলাে
✅ কোন প্রকার সেলাই লাগেনা
✅এক দিনের শিশু থেকে সকল বয়সে করা যায়
✅ব্যান্ডেজ লাগেনা ।
✅খত্যর প্রথম দিন থেকে প্যান্ট পড়তে পারবে
✅রক্তপাত হয় না ।
✅গ্ল্যান্ড পেনিস কে নিরাপদ রাখতে বিশেষ টেকনিক প্রয়ােগ করা হয় বিশ্রামের প্রয়ােজন নাই
✅এই পদ্ধতি শতভাগ নিরাপদ
✅প্রতিদিন গােসল করতে পারবে
✅এই পদ্ধতি গােটা বিশ্বের অত্যাধুনিক কসমেটিক খৎনা
যোগাযোগঃ
01934440025
নাম্বারে কল করে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট বুক করুন।
ঢাকা:
১.বি এ ভি এস মেটারনিটি হসপিটাল, মিরপুর ২
২.NAS ফার্মা, LM টাওয়ার, ক – 87, জোয়ার শাহারা বাজার রোড, (বারিধারা DOHS পকেট গেট সংলগ্ন)
৩. নারী ও শিশু চিকিৎসা কেন্দ্র ,উত্তরা, সেক্টর ১১, বাসা ৪২,(মাইলস্টোন কলেজের পাশে, নুর লাইব্রেরীর উপরে, লিফটের 4)
৪.আল মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতাল
৫,আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা ১২১৭
(রাজারবাগ পুলিশ লাইন ৩ নং গেইটের বিপরীতে)

ডিভাইস কসমেটিক খতনা। একটি সম্পূর্ণ তুর্কির একটি প্রযুক্তি।সুবিধাসমূহডিভাইস কসমেটিক খৎনা সেন্টার এই আধুনিক কসমেটিক খৎনার ...
22/03/2022

ডিভাইস কসমেটিক খতনা। একটি সম্পূর্ণ তুর্কির একটি প্রযুক্তি।
সুবিধাসমূহ
ডিভাইস কসমেটিক খৎনা সেন্টার এই আধুনিক কসমেটিক খৎনার
সুবিধা সমূহ হলাে
✅ কোন প্রকার সেলাই লাগেনা
✅এক দিনের শিশু থেকে সকল বয়সে করা যায়
✅ব্যান্ডেজ লাগেনা ।
✅খত্যর প্রথম দিন থেকে প্যান্ট পড়তে পারবে
✅রক্তপাত হয় না ।
✅গ্ল্যান্ড পেনিস কে নিরাপদ রাখতে বিশেষ টেকনিক প্রয়ােগ করা হয় বিশ্রামের প্রয়ােজন নাই
✅এই পদ্ধতি শতভাগ নিরাপদ
✅প্রতিদিন গােসল করতে পারবে
✅এই পদ্ধতি গােটা বিশ্বের অত্যাধুনিক কসমেটিক খৎনা
ডাঃ মাহাদী হাসান
এম বি বি এস(ডি,ইউ),সি সি ডি (বারডেম)
এক্স সিনিয়র মেডিকেল অফিসার
ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল (এন আই সি ইউ)
এ এম জেড হসপিটালের (এন আই সি ইউ)
ডেপুটি ম্যানেজার এবং সার্জন
বি এ ভি এস নোয়াখালী ক্লিনিক
যোগাযোগঃ
01934440025
নাম্বারে কল করে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট বুক করুন।

খৎনা/মুসলমানি নামক কঠিন ভয়ঙ্কর কষ্টকর এবং ভুলতে না পারা স্মৃতিগুলো আপনার সন্তানের জন্য সহজ নিরাপদ এবং মধুর স্মৃতিতে করা...
16/03/2022

খৎনা/মুসলমানি নামক কঠিন ভয়ঙ্কর কষ্টকর এবং ভুলতে না পারা স্মৃতিগুলো আপনার সন্তানের জন্য সহজ নিরাপদ এবং মধুর স্মৃতিতে করার লক্ষ্যে আমরা নিয়ে এসেছি ডিভাইস কসমেটিক খতনা। একটি সম্পূর্ণ তুর্কির একটি প্রযুক্তি।
সুবিধাসমূহ
ডিভাইস কসমেটিক খৎনা সেন্টার এই আধুনিক কসমেটিক খৎনার
সুবিধা সমূহ হলাে
✅ কোন প্রকার সেলাই লাগেনা
✅এক দিনের শিশু থেকে সকল বয়সে করা যায়
✅ব্যান্ডেজ লাগেনা ।
✅খত্যর প্রথম দিন থেকে প্যান্ট পড়তে পারবে
✅রক্তপাত হয় না ।
✅গ্ল্যান্ড পেনিস কে নিরাপদ রাখতে বিশেষ টেকনিক প্রয়ােগ করা হয় বিশ্রামের প্রয়ােজন নাই
✅এই পদ্ধতি শতভাগ নিরাপদ
✅প্রতিদিন গােসল করতে পারবে
✅এই পদ্ধতি গােটা বিশ্বের অত্যাধুনিক কসমেটিক খৎনা
যোগাযোগঃ
01934440025
নাম্বারে কল করে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট বুক করুন।
ঢাকা:
১.বি এ ভি এস মেটারনিটি হসপিটাল, মিরপুর ২
২.NAS ফার্মা, LM টাওয়ার, ক – 87, জোয়ার শাহারা বাজার রোড, (বারিধারা DOHS পকেট গেট সংলগ্ন)
৩. নারী ও শিশু চিকিৎসা কেন্দ্র ,উত্তরা, সেক্টর ১১, বাসা ৪২,(মাইলস্টোন কলেজের পাশে, নুর লাইব্রেরীর উপরে, লিফটের 4)
৪.আল মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতাল
৫,আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা ১২১৭
(রাজারবাগ পুলিশ লাইন ৩ নং গেইটের বিপরীতে)
#স্বাধীনতা
#খতনা #রাজারবাগ
#উত্তরা
#মিরপুর
#বারিধারা
#ডিওএইচএস
#সেলাইবিহীন
#ব্যান্ডেজবিহীন
#রক্তপাতহীন
#মুসলমানি





Address

7/5/1, Main Road, Barabagh, Section 2
Mirpur
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Mahadi Hassan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Mahadi Hassan:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category