11/10/2025
একদল মূর্খ উগ্রবাদী জঙ্গিগোষ্ঠীরা যেই ইমাম তিরমিজির হাদিস দেখিয়ে মাজার ভাঙ্গতেছে সেই ইমাম তিরমিজিরই মাজার আছে,কিন্তু কানার দল চোখে দেখে না। দেখেনিন ভালো করে।
📕হাদীসটি হলঃ
হযরত আলী (আঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি হযরত আবুল হাইয়্যাজ আসাদী (রাঃ) এর উদ্দেশ্যে বলেন, আমি কি আপনাকে এমন কাজের প্রতি উৎসাহিত করব না,যা করার জন্য আমাকে রাসূলে করিম (ﷺ) উৎসাহিত করেছেন? আর তা হল প্রতিকৃতি না মিশিয়ে তা হাত ছাড়া করবে না, এবং উঁচু কবরকে সমতল না করে ছাড়বে না। 📕[তিরমিযী শরীফ,হাদিস নং-১০৮৯]
⛔ এই হাদিসের উপর ভিত্তি করে নজদী
সন্ত্রাসবাদীরা সাহাবায়ে কেরাম এবং আহলে বাইয়াত এর অসংখ্য মাজার ধুলিস্যাত করেছে ও করছে ।
কিন্তু যেসব কবরকে ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো সেগুলো মুসলিমগণের কবর ছিল না, ছিল কাফিরদের কবর।
রাসূলে করিম (ﷺ) এর যুগে হযরত আলী (আঃ) যে কবরগুলো ধ্বংস করেছিলেন তা কখনো সাহাবায়ে কেরামের কবর হতে পারে না ।
কেননা রাসূল (ﷺ) সাহাবায়ে কেরামের দাফন কার্জে নিজে অংশ গ্রহণ করতেন। অধিকন্তু সাহাবা কেরামগন হুজুর (ﷺ) এর পরামর্শ ছাড়া কোনো কাজ করতেন না । মুসলমানের যে কবর ছিলো তা সব রাসূল (ﷺ) এর অনুমতি সাপেক্ষে হয়েছে। তাহলে ওগুলো আবার কোন সাহাবার কবর যা অবৈধ ছিলো, আর হযরত আলী (আঃ) তা ভেঙ্গে ফেললেন? কোন সাহাবার কবরে প্রতিকৃতি রাখা হয়েছিল? আসলে,সেগুলো ছিল কাফির-মুশরিকদের কবর ও প্রতিকৃতি।
সহিহ বুখারীর ভাষ্যকার হযরত ইবনে হাজার আস্কালানির ভাষ্যে তিনি লিখেছেন, নবীগন ও ওদের অনুসারীদের কবর সমূহ বাদ দিয়ে মুশরিকদের কবর গুলো ধ্বংস করা হয়েছিলো।কেননা ওগুলো উপড়ে ফেলার কারণ ছিল তারা নবী (ﷺ) নিয়ে মানহানী করত।
📕[ তথ্যসূত্র : ফতহুল বারি – ২খন্ড – ২৬ পৃষ্ঠা ]
যার হাদিস বর্ণনা করতেছেন তারই মাজার। এতেই বুঝা যায় মাজার ভাঙার যত হাদিস আছে সবই জাল, মাজার ভাঙ্গলে আগে তাদেরটা ভাঙ্গেন। কানার দলের জাত,ইয়াজিদী উত্তরসূরী, উগ্রবাদী, জঙ্গি গোষ্ঠী।