24/04/2020
আমি যা করছি, আপনিও যা রেগুলার করবেন... ১। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে আমরা চেষ্টা করছি, কিন্তু অনেক্কেই বের হতে হচ্ছে জীবন জীবিকার প্রয়োজনে। আল্লাহ্ হেফাজত করুন। যারা বের হচ্ছি সবাই যতটা সম্ভব পাবলিক পরিবহন এভোয়েড করুন, পাবলিক পরিবহনে চড়তে ই হলে দুই সিট নিয়ে চলুন, ভিড় আছে এমন পরিবহনে চড়বেন ই না। পকেটে হ্যাক্সিসল বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখুন ছোট বোতল, এসব ক্ষেত্রে কোন কিছুর সাথে হাতের ইন্টারেকশন হলেই বের করে মেখে নিবেন। আবশ্যিক হিসাবে অন্যান্য খোস গল্পের পাবলিক গ্যাদারিং (যে কোন অনুষ্ঠান, বন্ধুদের আড্ডা-কলীগদের চায়ের আলাপ অর্থাৎ অনেক লোকের ভিড় হয় এমন, কিংবা ৩-৫থেকে জন হলেও এমন জায়গা সেটা বাজার হোক বা অন্য কিছু) থেকে দূরে থাকুন। অপরিচিত বা নতুন কারো সামনে যেতে হলে ১ মিটার অর্থাৎ অন্তত ৩ ফুট দূরে থাকুন, হ্যাঁ অসুস্থ ফ্যামিলির অন্য কোন মেম্বারের ক্ষেত্রেও সেইম অবস্থা বজায় রাখুন। ২। যারা প্রতি দিন ই বের হচ্ছেন অনুগ্রহ পূর্বক হাত ধোয়া, হাঁচি কাশির শিষ্টাচার মানার সাথে সাথে প্রতি দিনের কাপড় চোপড় প্রতিদিন ধুয়ে দিন, ভিন্ন কাপড় পড়ুন। একটু খরচ হবে, কষ্ট হবে কিন্তু ইনশা আল্লাহ্ বহুত উপকার হবে। ৩। মোবাইল, মানিব্যাগ এবং টাকা এগুলো খুব সেন্সেটিভ। টাকার নোট হাজার হাত ঘুরতেছে, কে ইনফেক্টেড আপনি জানেন না, আর এই টাকা মানিব্যাগেও কিন্তু পৌছাচ্ছে... তাই মোবাইল, মানিব্যাগ - হেক্সিসল দিয়ে পরিস্কার করুন। টাকা ধরার পরে হাত সাবান দিয়ে ধৌত করুন। এবং অবশ্যই এগুলো শিশুদের নাগাল থেকে দূরে রাখুন। ৪। আত্বিয়দের এই সময়ে নিজের বাসা বাড়িতে আসাকে অনুৎসাহিত করুন, নিজেও যাতায়াত বন্ধ করে দিন, কিন্তু ফোনে যোগাযোগ বন্ধ করবেন না। এবং যতটা সম্ভব পরামর্শ দিন, অনেকেই কিন্তু এখনো সিরিয়াস হয়নি। আপনি নিজে ভালো থাকতেও কিন্তু তাদের ভালো থাকা ও রাখা জরুরী। আর জয়েন্ট ফ্যামিলি হলে নিজ দায়িত্বে প্রতিদিন খাবার টেবিলে সচেতন করুন, ভয়াবহ অবস্থার বিবরণ দিন। ৫। বয়স্ক ও বাচ্চাদের বাহিরে যাতায়াত একবারে বন্ধ করে দিন, তাদেরকে আইসোলেটেড অবস্থায় থাকতে দিন কিছু দিন, উনারাই আসলে রিস্কে আছে বেশি। না মানতে চাইলে বার বার বুঝান, রাগ দেখিয়ে না। বাসায় নিয়ম করে ডিসইনফেক্টেন্ট করতে সব হাতলগুলো বা হাত রাখা হয় এমন জায়গায় ডেটল/স্যাভলন বা রুম ক্লিনার মিশ্রিত পানি স্প্রে করুন। ৬। পারলে কাজের ছুটা বুয়াকে একেবারে ই ছুটি দিয়ে দেন (পেইড) অন্যথায় তাকেও সম্ভাব্য ভাইরাস বহনকারী হিসাবে ভাবুন, তাকে ঘরে ঢুকিয়ে হাত ধোয়ান, হাঁচি কাশির এটিকেইট মেনে চলার ব্যাপারে সাবধান করুন। বাচ্চাদের উনাদের থেকে দূরে রাখুন। ৭। বাহিরে থেকে কেউ বাসায় আসলে তাকে দিয়ে দরজা বন্ধ করাবেন না আপনি নিজে লাগান দরজা, তাকে ডিরেক্ট বেসিনে পাঠিয়ে দিন, আগে হাত ধুবে। এরপর কাপড় চোপড় ছাড়ার পর বাচ্চাদের কাছে যাবে, কোলে নিবে। বাজার কিছু নিয়ে আসলে পলিথিন বা ব্যাগে ঠিক উল্টা পাশ ছিঁড়ুন যেখানে কম ই হাতের স্পর্শ যায়, পারলে প্যাকেট জাত দ্রব্যও স্যাভলন পানির হাল্কা কাপড়ে মুছা যেতে পারে (সতর্ক থাকতে হবে)। আরেক টা বিষয় অনেকের ই এগুলো জমানোর অভ্যাস আছে কিছু দিন এই অভ্যাস পরিত্যাগ করুন, ফেলে দিন ঝুড়িতে। এগুলো নিয়ম করে করুন প্লিজ। একটু কষ্ট হবে কিন্তু নিজের, বাচ্চা এবং বয়স্কদের জন্য সেইফ হবে, ইনশা আল্লাহ্ -- কপি পেস্ট শেয়ারের ক্ষেত্রেও ক্রেডিট দিতে হবে না। শুধু ছড়িয়ে দিন কথা গুলো, যদি একজনারও উপকারে আসে।