06/10/2018
➡️➡️ #হিজামা কাপিং এর উপকারিতাঃ- ⬅️⬅️
প্রয়োজনে ফোন করুন :01756653296
(১) শরীর থেকে ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ/Toxin বের করে নিয়ে আসে,
(২) লিভারকে পরিস্কার করে ,
(৩) শরীরের ব্যথা/ জ্বালাপোড়া হৃাস করে,
(৪) ঘুমের উন্নতি করে
(৫) শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে,
(৬) রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে,
(৭) পায়ের দুর্গন্ধ দূর করে,
(৮) কিডনি পরিষ্কার করে,
(৯) বৃদ্ধ মানুষের বাত/ব্যথা নিপীড়ন করে ,
(১০) ত্বক পরিষ্কার করে।
(১১) শরীরের জয়েন্টগুলোতে ব্যাথা,ঘাড় এবং ব্যাক পেইন দূর করতে সাহায্য করে।
হিজামা কাদের জন্য?
সকল বয়সী লোকদের জন্য প্রযোজ্য,
(১) ধূমপায়ীদের জন্য, যারা সিগারেট এর নিকোটিন বের করতে চান,
(২) দূর্বল লোকদের জন্য,যারা অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে যায়,
(৩) যারা শরীরের ভিতরের বিষাক্ত টক্সিন দূর করতে চান।
(৪) যাদের জয়েন্টগুলোতে ব্যাথা,ঘাড় এবং ব্যাক পেইন আছে।
(৫) যারা ধুলাবালিতে কঠোর পরিশ্রম করেন।
(৬) যারা স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন।
(৭) যাদের শারিরীক যন্ত্রনায় ঘুম কম হয়।
(৮) বৃদ্ধ বাবা-মা যাদের বাতের ব্যথা আছে ,
(৯) যারা প্রতিদিন রাস্তায় চলাফেরা করে।
(১০) যারা শরীরে বিষাক্ত টক্সিন আছে কিনা যাচাই করতে চান।
কি ?
এই গুলো হচ্ছে ওই বিষ যা আপনাকে একবারে মেরে ফেলবে না কিন্তু তিলে তিলে কষ্ট দিবে। প্রতিদিনই আমাদের শরীরে বিভিন্ন ভাবে এই toxin গুলো প্রবেশ করে, যেমন : খাবার খাওয়ার মাধ্যমে , বাহিরের ভাজা-পোড়া, ফলে বা মাছে থাকা ফরমালিন , পানিতে থাকা আয়রন বা আর্সেনিক , ধূমপানের অভ্যাস থাকলে , এছাড়াও আমাদের দেশের গাছ পালা কমে যাওয়ায় বায়ু দূষণ হচ্ছে ,বায়ু ভারী হচ্ছে আর আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাস এর মাধ্যমে আমাদের দেহে প্রবেশ করছে সীসা , অ্যালুমিনিয়াম এর মত ইত্যাদি ক্ষতিকারক বস্তু।
➡️➡️ #হাদীস_দ্বারা_প্রমাণিত ⬅⬅
হযরত আনাস রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “আমি মেরাজের রাতে যাদের মাঝখান দিয়ে গিয়েছি, তাদের সবাই আমাকে বলেছে, হে মুহাম্মদ, আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ করবেন।” সুনানে তিরমিযী হাদীছ নম্বর: ২০৫৩
হযরত জাবির রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।” সহীহ মুসলিম, হাদীছ নম্বর: ২২০৫
হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিত, হুজুর (স) বলেছেন, জিবরাঈল (আ) আমাকে জানিয়েছেন যে, মানুষ চিকিৎসার জন্য যতসব উপায় অবলম্বন করে, তন্মধ্যে হিজামা ই হলো সর্বোত্তম। (আল-হাকিম : ৭৪৭০)