মাসনুন রুকইয়াহ- Healing & Hijama Center

মাসনুন রুকইয়াহ- Healing & Hijama Center Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মাসনুন রুকইয়াহ- Healing & Hijama Center, Alternative & holistic health service, Mirpur, Dhaka, Mirpur.
(2)

জ্বীন,জাদু ও বদনজর,হাসাদ,বিয়ে বন্ধ, বাচ্চা কনসিভ না হওয়া, মিসকারেজ,অনিয়মিত পিরিয়ড সহ যাবতীয় রোগব্যাধির শরঈ সমাধান হলো রুকইয়া ট্রিটমেন্ট করা

রুকইয়া সংক্রান্ত ট্রিটমেন্ট পেতে কিংবা পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন-
01775503070 (imo+WhatsApp)

নিজেকে এবং পরিবারের সদস্যদেরকে সুস্থ রাখতে চাইলে বৃষ্টিতে ভিজুন। দুশ্চিন্তা, ভয়, বিভিন্ন মানসিক সমস্যা, ওয়াসওয়াসা, শারীর...
28/04/2026

নিজেকে এবং পরিবারের সদস্যদেরকে সুস্থ রাখতে চাইলে বৃষ্টিতে ভিজুন। দুশ্চিন্তা, ভয়, বিভিন্ন মানসিক সমস্যা, ওয়াসওয়াসা, শারীরিক দুর্বলতা, অবসাদ, জ্বীন- যাদু- নজরজনিত সমস্যার জন্য প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিতে ভিজুন। এটা আপনাকে দ্রুত সুস্থ করে তুলবে ইনশা আল্লাহ।

অনেকে ভাবেন যে বৃষ্টিতে ভিজলে আরো অসুস্থ হয়ে পড়বেন বা জ্বর চলে আসবে। এই চিন্তা বরং অসুস্থতাকে প্রশ্রয় দেওয়ার অজুহাত!

বৃষ্টিতে ভিজলেই হুট করে জ্বর চলে আসা জ্বীন যাদু বা প্রচন্ড বদনজরে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম লক্ষণ। একটু সবর করে রেগুলার ভিজলেই এই সমস্যা চলে যাবে ইনশা আল্লাহ। পাশাপাশি আরো অনেক শারীরিক- মানসিক সমস্যা চলে যাবে ইনশাআল্লাহ।

আপনারা বৃষ্টিতে ভিজুন। ঘরের সন্তানদেরকেও ধীরে ধীরে অভ্যস্ত করে তুলুন। এটা সুস্থতার ওয়াসীলাহ হবে ইনশা আল্লাহ।

عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه أنه قال: «أَصَابَنَا وَنَحْنُ مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَطَرٌ، قَالَ: «فَحَسَرَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَوْبَهُ ، حَتَّى أَصَابَهُ مِنَ الْمَطَرِ، فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللهِ لِمَ صَنَعْتَ هَذَا؟ قَالَ:
«لِأَنَّهُ حَدِيثُ عَهْدٍ بِرَبِّهِ تَعَالَى» رواه مسلم (898).

অর্থঃ আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম এমন সময় বৃষ্টি নামল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাপড় আবরণ মুক্ত করে দিলেন, ফলে এতে বৃষ্টির পানি তাঁর শরীর পর্যন্ত পৌঁছালো। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল! এরূপ কেন করলেন? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, "কেননা এটা এইমাত্র মহান আল্লাহর নিকট থেকে এসেছে।"
[সহিহ মুসলিম]

💠 কিভাবে বৃষ্টিতে ভিজবেন?

⚡শরীরে যেসকল অবসাদ, গরমভাব, চর্মরোগ অথবা কোনো সমস্যা আছে সেখানে সরাসরি বৃষ্টির পানির ফোঁটা পড়তে দিন।

⚡পিঠ, বুক, চেহারা এসকল জায়গায় সরাসরি বৃষ্টির পানি পড়তে দিন। বিশেষত পিঠের দিকে গুরুত্ব দিন।

⚡ভিজতে খারাপ লাগলে বা কাঁপুনি লাগলে তৎক্ষনাৎ ভেজা বন্ধ করবেন না। বরং তখন শরীরের একই অংশে বৃষ্টির পানি পড়তে দিন। আস্তে আস্তে সক্ষমতা বাড়ান।

⚡ভেজার পূর্বে সুস্থতার নিয়্যাত করে নিন। ভেজাকালীন পুরো সময়টি দু'আ করুন। কারণ, হাদিসে এসেছে– বৃষ্টির সময় কৃত দু'আ ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।

⚡বৃষ্টি শুরু হলে বৃষ্টির দু'আ পড়ুন। বৃষ্টির দু'আ–
اللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা সায়্যিবান নাফি'আ।
অর্থঃ হে আল্লাহ! উপকারী বৃষ্টি দিন।
[সহিহ বুখারী]

⚡বজ্রপাত শুনলে এই দু'আ করুন–

سُبْحَانَ الَّذِي يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِ
অর্থঃ সে সত্ত্বা পবিত্র, বজ্র যার স্বপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষনা করে এবং ফিরিশতারাও ভীতি সহকারে স্বপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষনা করে। [বুখারী]

⚡বৃষ্টি অতিরিক্ত হলে এই দু'আ পড়ুন–

اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلا‌َ عَلَيْنَا، اللَّهُمَّ عَلَى الآ‌كَامِ وَالظِّرَابِ، وَبُطُونِ الأ‌َوْدِيَةِ، وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ» رواه البخاري (1014).

⚡অত্যাধিক বজ্রপাত হলে বৃষ্টিতে ভেজা থেকে বিরত থাকুন।

⚡জ্বীন যাদুগ্রস্থ রোগীরা মনোযোগের সাথে স্থির হয়ে অন্তর দিয়ে বজ্রপাতের শব্দ শোনার চেষ্টা করুন এবং সে অবস্থায় সুস্থতা ও শয়তানকে ধংসের দু'আ করতে থাকুন। শয়তানকে শরীর থেকে বের করার দু'আ করতে থাকুন। কারণ, জ্বীন বজ্রপাত ও বজ্রের শব্দ প্রচন্ড ভয় পায়।

(শেয়ার করে অন্যদেরকে জানিয়ে দিন এবং সবাইকে সুস্থ হতে সহায়তা করুন।)

অনেকেই ফোন করে জানতে চান, তাদের বাচ্চা অতিরিক্ত কান্নাকাটি করে,পড়াশুনা করেনা, জিদ করে,অতিরিক্ত দুষ্টমি করে, করণীয় কী?তাদ...
28/04/2026

অনেকেই ফোন করে জানতে চান, তাদের বাচ্চা অতিরিক্ত কান্নাকাটি করে,পড়াশুনা করেনা, জিদ করে,অতিরিক্ত দুষ্টমি করে, করণীয় কী?
তাদের জন্য আজকের লিখাঃ

দশ বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের যদি কোন প্যারানরমাল সমস্যা হয়...যেমন: ঘুমের মধ্যে কান্না করে উঠা,প্রচন্ড ভয় পাওয়া,প্রায়ই জ্বর আসা,মাঝেমধ্যে বমি করা/পেট খারাপ হওয়া,অনেক রাগ দেখানো,খাবার খেতে না চাওয়া,শরীর শুকিয়ে যাওয়া বা একের পর এক রোগ লেগে থাকা....তাদের জন্য সহজ কিন্তু অনেক ইফেক্টিভ একটা সাজেশন হচ্ছে "মায়ের অযুর পানি দিয়ে গোসল"।

‎টেপ ছেড়ে নিচে বালতি দিয়ে অযু করবেন...অযুতে ব্যবহৃত পানি বালতিতে জমা হবে(হাত,মুখ,কুলি,পা ধোয়া পানি)...এরপর প্রথমে এই পানি বাচ্চার মাথায় ঢালবেন এরপর ফ্রেশ পানি দিয়ে গোসল করাবেন..

‎সমস্যা অনুযায়ী ৩-৭ দিন এই সাজেশন ফলো করলে দেখবেন অনেক চেঞ্জ চলে আসবে ইনশাআল্লাহ...

‎এর পাশাপাশি বাচ্চাকে প্রতিদিন কমপক্ষে ২০ মিনিট যেসব দোয়া ও সূরা পড়ে বদনজরের রুকইয়াহ করবেন,
১. দরুদ শরীফ ৭ বার
২. সূরা ফাতিহা ৭ বার
৩. আয়াতুল কুরসি ৭ বার
৪. সূরা ইখলাস ৭ বার
৫. সূরা ফালাক ৭ বার
৬. সূরা নাস ৭ বার
৭. পুনরায় দরুদ শরীফ ৭ বার

যদি কারো কোরআন তিলাওয়াত সহীহ শুদ্ধ থাকে, বদনজর সংক্রান্ত আায়াত সমূহ এর সাথে পড়ে রুকইয়াহ করা সর্বোত্তম।
এগুলো পড়ে বাচ্চার শরীরে বার বার ফুঁক দিবেন।

‎বিঃ দ্রঃ - অযুর ব্যবহৃত পানি নাপাক নয়। তবে এই পানি দ্বারা অযু করা কিংবা ফরয গোসল করা যাবে না; করলে পবিত্রতা অর্জন হবে না।

‎-ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৪১; আদ্দুররুল মুখতার ১/২০১; মারাকিল ফালাহ ৮৭

27/04/2026

স্বপ্নে উড়তে দেখা,
সাপ দেখা,কুকুর বা হিংস্র প্রাণী আক্রমণ করতে দেখা,
খাবার খেতে দেখা
এগুলো জ্বিন যাদু সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম প্রধান লক্ষ্মণ।

তীব্র মাথাব্যথার দূর করার কার্যকরী রুকইয়া আমল 🌿জিন, জাদু, বদনজর ও হাসাদ থেকে মাথাব্যথার সমাধানআস্সালামু আলাইকুম ওয়া রা...
11/04/2026

তীব্র মাথাব্যথার দূর করার কার্যকরী রুকইয়া আমল 🌿
জিন, জাদু, বদনজর ও হাসাদ থেকে মাথাব্যথার সমাধান
আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ
যাদের জিন, জাদু, বদনজর বা হাসাদে আক্রান্ত হওয়ার কারণে তীব্র মাথাব্যথা করে, তারা এই আমল ফলো করতে পারেন।
🔴 কেন মাথাব্যথা হয়?
জিন-জাদুর প্রভাবে মাথায় বিশেষভাবে আক্রমণ হয় কারণ:
• জিন মস্তিষ্কে অবস্থান করে
• মাথায় গিঁট তৈরি করে
• চিন্তাভাবনা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে
লক্ষণ:
✓ সবসময় মাথাভারী লাগে
✓ চিকিৎসা করেও ভালো হয় না
✓ রুকইয়া শুনলে মাথাব্যথা বেড়ে যায়
✓ মাথায় চাপ অনুভব হয়
📖 সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা:
রাসূল ﷺ বলেছেন:
"প্রতিটি রোগের ঔষধ আছে।" (বুখারি: ৫৬৭৮)
রাসূল ﷺ হিন্না (মেহেদি) ব্যবহার করতেন এবং এর উপকারিতা বর্ণনা করেছেন।
🌿 প্রয়োজনীয় উপকরণ:
১. মেহেদি পাতা - পরিমাণমতো
২. বড়ই পাতা - পরিমাণমতো
৩. রুকইয়াহর পানি - ১ কাপ
📋 প্রস্তুতি পদ্ধতি:
ধাপ ১: রুকইয়াহর পানি তৈরি
একটি পাত্রে পানি নিয়ে পড়ুন:
• সূরা ফাতিহা - ৭ বার
• আয়াতুল কুরসি - ৭ বার
• সূরা ইখলাস - ৩ বার
• সূরা ফালাক - ৩ বার
• সূরা নাস - ৩ বার
প্রতিবার পড়ে পানিতে ফুঁ দিন।
ধাপ ২: পেস্ট তৈরি
• মেহেদি পাতা ভালো করে ধুয়ে পেস্ট করুন
• বড়ই পাতা ভালো করে ধুয়ে পেস্ট করুন
• দুটো পেস্ট একসাথে মিশিয়ে নিন
• রুকইয়াহর পানি দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন
ধাপ ৩: প্রলেপ দেওয়া
• মাথায় ভালোভাবে প্রলেপ দিয়ে রাখুন
• সম্পূর্ণ মাথায় লাগান
• কমপক্ষে ৩০ মিনিট রাখুন

🎧 পাশাপাশি রুকইয়াহ অডিও শুনুন:
• মাথাব্যথার বিশেষ রুকইয়াহ শুনুন
• মনোযোগ সহকারে শুনুন
• হেডফোন ব্যবহার করতে পারেন
⚡ প্রলেপ দেওয়ার পর যা হতে পারে:
• মাথাব্যথা প্রথমে বাড়তে পারে
• মাথা গরম লাগতে পারে
• ঘাম বের হতে পারে
• ঘুম পেতে পারে
• হাই আসতে পারে
👉 এগুলো হলে বুঝবেন চিকিৎসা কাজ করছে
🕐 কতদিন করবেন:
• টানা ৩-৭ দিন
• প্রতিদিন নতুন প্রলেপ
• নিয়মিত রুকইয়াহ শুনুন
📌 অতিরিক্ত আমল:
১. সূরা ফাতিহা:
৭ বার পড়ে মাথায় ফুঁ দিন
২. আয়াতুল কুরসি:
সকাল-সন্ধ্যা ও ঘুমানোর আগে
৩. সূরা নাস:
মাথায় হাত রেখে ৩ বার
৪. দোয়া:
اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ الْبَأْسَ اشْفِهِ وَأَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা রাব্বান নাসি, আযহিবিল বা'সা, ইশফিহি ওয়া আনতাশ শাফি, লা শিফা'আ ইল্লা শিফাউকা।
অর্থ:
হে আল্লাহ! মানুষের রব! কষ্ট দূর করুন, সুস্থ করে দিন। আপনিই সুস্থকারী।
৫. বিশেষ দোয়া (নতুন সংযোজন):
بِسْمِ اللَّهِ تُدَمَّرُ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الرَّأْسِ تَدْمِيرًا
উচ্চারণ:
বিসমিল্লাহি তুদাম্মারু কুল্লা উক্বদাতিন ফির্ রা’সি তাদমীরান
অর্থ:
আল্লাহর নামে, মাথার সমস্ত গিঁট (বাধা, জাদুর বন্ধন) সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাক

🤲 দোয়া:
আল্লাহ তায়ালা সকলকে মাথাব্যথা ও সকল রোগ থেকে হেফাজত করুন। আমীন।
💚 শেয়ার করুন - অন্যদের উপকার হবে

#মাথাব্যথা #রুকইয়া #মেহেদি #বড়ই #জিন #জাদু #সুন্নাহ #ইসলামিকচিকিৎসা #প্রাকৃতিকচিকিৎসা #কুরআ

জিন মানুষকে অপহরণও করতে পারে-​সৃষ্টিজগতের এক বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে জিনের অস্তিত্ব, যা আমাদের সাধারণ দৃষ্টির আড়ালে। পবিত্র...
05/04/2026

জিন মানুষকে অপহরণও করতে পারে-

​সৃষ্টিজগতের এক বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে জিনের অস্তিত্ব, যা আমাদের সাধারণ দৃষ্টির আড়ালে। পবিত্র কুরআন ও হাদিসের বিভিন্ন বর্ণনায় জিনের প্রভাব ও ক্ষমতা সম্পর্কে ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ইসলামী ইতিহাসের পাতা উল্টালে এমন কিছু রোমাঞ্চকর ও সত্য ঘটনার দেখা মেলে, যা আমাদের ভাবিয়ে তোলে।

এমনই এক বিস্ময়কর ঘটনা ঘটেছিল ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর ফারুক (রা.)-এর শাসনামলে, যেখানে একজন জলজ্যান্ত মানুষ জিনের দ্বারা অপহৃত হয়ে দীর্ঘ বছর নিখোঁজ ছিলেন।

​একব্যক্তি তার গোত্রের লোকদের সঙ্গে ইশার নামায আদায় করার জন্য মহল্লার মসজিদের উদ্দেশ্যে রওনা হলো। এরপর আর ফেরত এলো না। তার স্ত্রী উমর রা.-এর নিকট ঘটনা খুলে বললেন। উমর রা. গোত্রের লোকদের ডেকে জিজ্ঞেস করলেন। গোত্রের লোকেরা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করল। তখন উমর রা. রায় দিলেন, মহিলা স্বামীর জন্য চার বছর অপেক্ষা করবে। মহিলা খলিফার রায় অনুযায়ী চার বছর অপেক্ষা করল। কিন্তু স্বামী ফেরত এলো না। মহিলা পুনরায় স্বামী ফিরে না আসার অভিযোগ করলে খলিফা উমর রা. তাকে দ্বিতীয় বিবাহের অনুমতি দিলেন। মহিলা দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করল।
​কিছুদিন পর মহিলার প্রথম স্বামী এসে হাজির। তখন সবাই ফয়সালার জন্য খলিফা উমর রা.-এর এজলাসে উপস্থিত হলো। উমর রা. তাকে এই দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণ জিজ্ঞেস করলেন। উত্তরে সে বলল, আমি গোত্রের লোকদের সঙ্গে ইশার নামায আদায়ের জন্য মহল্লার মসজিদে রওনা হয়েছিলাম। তখন কতিপয় জিন আমাকে বন্দি করে নিয়ে যায়। তাদের কাছে আমি বহুদিন বন্দি ছিলাম।
​তারপর একদল মুসলমান জিন অপহরণকারী জিনদের উপর আক্রমণ করে এবং তাদেরকে পরাস্ত করে। অনেক জিনকে তারা কয়েদ করল। আমি তো আগেই কয়েদখানায় ছিলাম। বিজয়ী মুসলমান জিনেরা আমাকে জিজ্ঞেস করল, তোমার দীন কী? আমি বললাম, আমি মুসলমান। তখন তারা বলল, তোমার ও আমাদের দীন তো এক, তাই তোমাকে কয়েদ করে রাখা জায়েয হবে না। তোমাকে এখতিয়ার দেওয়া হলো। তুমি ইচ্ছা করলে আমাদের সঙ্গেও থাকতে পারো। আবার ইচ্ছা করলে, দেশেও ফিরতে পারো। আমি দেশে ফিরতে চাইলাম।
​তারা সকলে আমাকে নিয়ে রওনা হলো। রাতে তারা মানুষের সুরতে আমার সঙ্গে কথাবার্তা বলত, আর দিনের বেলায় তারা ঘূর্ণিঝড় হয়ে সম্মুখে চলত। আমি ওই ঘূর্ণিঝড়ের পেছনে পেছনে চলতাম। উমর রা. তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কী খেতে? লোকটির উত্তর— এমন বস্তু, যার উপর আল্লাহর নাম নেওয়া হতো না। উমর রা.-এর প্রশ্ন— তোমরা কী পান করতে? লোকটির উত্তর— আমরা জযফ-এর পানি পান করতাম। কাতাদা রহ. বলেন, জযফ-এর পানি বলতে এখানে ওই পানি বোঝানো হয়েছে, যা পাত্রে ঢেকে রাখা হতো না।

​ঘটনা বর্ণনাকারী বলেন, উমর রা. ঘটনা শোনার পর লোকটিকে বললেন, এখন তোমাকে এখতিয়ার দিচ্ছি, তুমি ইচ্ছা করলে তোমার স্ত্রীকে ফেরত নিতে পারো, আর ফেরত না নিলে তুমি স্ত্রীকে দেওয়া মোহরানা ফেরত পাবে।

​প্রতিকার:
​জিনের অনিষ্ট, অপহরণ বা কুদৃষ্টি থেকে বেঁচে থাকতে রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশিত সুন্নতি আমলগুলোর বিকল্প নেই। এই ঘটনাটি আমাদের শিক্ষা দেয় যে, অসতর্ক মুহূর্তেই মানুষ বিপদে পড়ে।
জিন কেন্দ্রিক সমস্যাগুলোর জন্য অতি দ্রুত সুন্নাহ সম্মত রুকইয়াহ চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। আপনার পরিবার বা পরিচিতদের মধ্যে যাদের জিন কেন্দ্রীক সমস্যা আছে তাদের রুকইয়াহ শরইয়াহ নিতে পরামর্শ দিন।

জ্বীন বা জাদুর প্রভাবে আক্রান্ত হলে মানুষ সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ অনুভব করে। ১. ইবাদতে অনীহা ও অস্বস্তিআক্রান্ত ব্য...
04/04/2026

জ্বীন বা জাদুর প্রভাবে আক্রান্ত হলে মানুষ সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ অনুভব করে।

১. ইবাদতে অনীহা ও অস্বস্তি
আক্রান্ত ব্যক্তি হঠাৎ করেই নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত বা যিকির করতে কষ্ট অনুভব করে। আগে আগ্রহ থাকলেও ধীরে ধীরে তা কমে যায়। কুরআন শুনলে অস্থিরতা, বিরক্তি বা ঘুম চলে আসতে পারে।

২. অস্বাভাবিক ভয় ও দুশ্চিন্তা
কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই ভয় লাগা, বুক ধড়ফড় করা, সবসময় অজানা আশঙ্কা কাজ করা—এগুলো সাধারণ লক্ষণ। একা থাকতে ভয় পাওয়া বা অন্ধকারে অস্বস্তি বাড়তে পারে।

৩. ঘুমের সমস্যা ও দুঃস্বপ্ন
রাতে ঘুমাতে দেরি হওয়া, মাঝরাতে বারবার জেগে ওঠা, দুঃস্বপ্ন দেখা—যেমন কেউ তাড়া করছে, পড়ে যাচ্ছে বা অদ্ভুত কিছু দেখছে। অনেক সময় ঘুমের মধ্যে চিৎকার করা বা শরীর শক্ত হয়ে যাওয়া।

৪. শরীরে অকারণ ব্যথা বা অস্বস্তি
ডাক্তারি পরীক্ষায় কিছু না পাওয়া সত্ত্বেও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্যথা, বিশেষ করে মাথা, কাঁধ, পিঠ বা পেটে অস্বস্তি। শরীর ভারী লাগা বা দুর্বলতা অনুভব করা।

৫. আচরণ ও মেজাজের পরিবর্তন
হঠাৎ রাগ বেড়ে যাওয়া, অল্পতেই উত্তেজিত হওয়া, হতাশা বা একাকীত্ব পছন্দ করা। পরিবার বা প্রিয়জনদের থেকে দূরে থাকতে ইচ্ছা করা।

৬. অস্বাভাবিক চিন্তা বা বিভ্রান্তি
মনে অদ্ভুত বা নেতিবাচক চিন্তা আসা, নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ কমে যাওয়া মনে হওয়া, সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হওয়া।

৭. রুকইয়াহ শুনলে প্রতিক্রিয়া
কুরআনের আয়াত শুনলে মাথা ব্যথা, বমি ভাব, কান্না আসা, শরীর কাঁপা বা অস্থিরতা বেড়ে যাওয়া—এগুলো অনেক ক্ষেত্রে লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়।

কি করণীয়?

এমন লক্ষণ দেখা গেলে প্রথমে ধৈর্য রাখা জরুরি। নিয়মিত নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, সকাল-সন্ধ্যার দোয়া ও যিকির চালু রাখা উচিত। নিজে বা পরিবারের কেউ কুরআনের আয়াত দিয়ে রুকইয়াহ করতে পারেন। পাশাপাশি অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে শারীরিক বা মানসিক কোনো সমস্যা আছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

সমস্যা বেশী হলে একজন অভিজ্ঞ রাকির শরণাপন্ন হন।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে 01775-503070 কল করুন অথবা ইনবক্সে মেসেজ করুন

রুকইয়ার সংক্ষিপ্ত পরিচিত_______________________আভিধানিক অর্থ: ঝাড়ফুঁক করাপারিভাষিক অর্থ: সুস্থতা লাভের জন্য কোরআনের আয...
31/03/2026

রুকইয়ার সংক্ষিপ্ত পরিচিত
_______________________
আভিধানিক অর্থ: ঝাড়ফুঁক করা
পারিভাষিক অর্থ: সুস্থতা লাভের জন্য কোরআনের আয়াত, হাদীসে বর্ণিত দোয়া কিংবা অন্য যেকোন দোয়ার মাধ্যমে ঝাড়ফুঁক করা।
পাশাপাশি পেশেন্টের সুস্থতা লাভের জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সালাফে সালেহীনদের ব্যবহৃত কিংবা তাদের থেকে বর্ণিত বিভিন্ন ভেষজ এবং পদ্ধতি অবলম্বন করা।

রুকইয়াহ করার হুকুম
-------------------------------
অসুস্থ হয়ে গেলে সুস্থতা লাভের জন্য ঝাড়ফুঁক করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। ঝাড়ফুঁক নিজে নিজেও করা যায় অথবা অন্যের মাধ্যমেও করানো যেতে পারে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম নিজের রুকইয়া নিজেও করেছেন, অন্যকেও করেছেন এবং সাহাবাদেরকে রুকইয়া করতে বলেছেন। সাহাবাদের রুকইয়া করাকে তিনি সমর্থনও করেছেন।

কী ধরনের সমস্যায় রুকইয়াহ করা যায়?
---------------------------------------------------------
বিশেষত জীন, যাদু, বদনজর, হাসাদ এবং এগুলোর কারণে সৃষ্ট যাবতীয় সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রুকিয়ার মাধ্যমে সুস্থতা বা সমাধান লাভ করা যায়।
মৌলিকভাবে কোরআন সমস্ত রোগের শিফা। চাই তা শারীরিক, মানসিক, আত্মিক কিংবা অন্য যেকোনো কিছু। কারণ, আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'য়ালা বলেছেনঃ কোরআনে যা নাযিল করা হয়েছে তা মুমিনদের জন্য শিফা এবং রহমত।
(সূরা বনী ইসরাঈল ৮২)

জিন যাদু বদনজরের কারনে কি কি সমস্যা হতে পারে?
----------------------------------------------------------------------------
শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন, বিভিন্ন জটিল কঠিন রোগে আক্রান্ত হওয়া, অসুস্থ্য থাকা সত্তেও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কোন রোগ ধরা না পড়া এবং ওষুধ খেয়েও ভালো না হওয়া, হঠাৎ কোনো পরিবর্তন হওয়া: যেমন স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে ভালো না লাগা, হঠাৎ কাউকে শত্রু বা বন্ধু মনে করা, বাহ্যিক কোন বাধা না থাকা সত্ত্বেও বিয়ে না হওয়া, বাচ্চা না হওয়া, চাকরি না হওয়া, সংসারে সর্বদা অশান্তি বিরাজ করা ইত্যাদি ইত্যাদি।

কি ধরনের সমস্যার জন্য রুকইয়া নয়?
-----------------------------------------------------
অসাধ্যকে সাধ্য করা, অসম্ভবকে সম্ভব করা, মনের মানুষকে কাছে পাওয়া, কারো মাঝে অমিল/ মিল বা শত্রুতা সৃষ্টি করা কিংবা শরীয়ত বিরোধী যে কোন উদ্দেশ্য পূরণের জন্য রুকইয়া নয়।

রুকইয়াহর মাধ্যমে উপকৃত হওয়ার শর্তাবলী
-------------------------------------------------------------
১/ নিয়ত করা (নির্দিষ্ট সমস্যার জন্য আল্লাহতালার
কাছে সুস্থতা লাভের নিয়ত করা।
২/ ইয়াকিন রাখা (এই বিশ্বাস রাখা যে কুরআনে
আল্লাহ তাআলা শিফা রেখেছেন)
৩/ ইস্তিকামাত (সুস্থতা লাভের জন্য
নিয়মতান্ত্রিকভাবে -যত কষ্টই হোক- রুকইয়াহ
চালিয়ে যাওয়া-অটল-অবিচল থাকা)

রুকইয়ার ব্যাপারে আকীদা
--------------------------------------
অবশ্যই এই বিশ্বাস রাখতে হবে যে, সুস্থতা দানকারী এবং সমাধানকারী একমাত্র আল্লাহ তাআলা। রুকইয়ার নিজস্ব কোন ক্ষমতা নেই।

রুকইয়ার শর্তাবলী
--------------------------
১/ সুস্থতা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার হাতে- এই বিশ্বাস রাখা।
২/ কোরআনের আয়াত, হাদিসের দোয়া এবং সুন্দর অর্থবহ দোয়ার মাধ্যমে রুকইয়া করা।
৩/ রুকইয়াহর মধ্যে অস্পষ্ট কোন শব্দ বা কোন কথা উচ্চারণ না করা।
৪/ এ বিশ্বাস রাখা যে, রোগ নিরাময়ে রুকইয়াহ আল্লাহর সৃষ্ট বিভিন্ন উপকরণের একটি উপকরণ মাত্র।

রুকইয়া কে করতে পারে?
------------------------------------
যে কোন মুসলিমই করতে পারে। শর্ত হলো ঈমান আকিদা বিশুদ্ধ হওয়া, কোরআন তেলাওয়াত সহি হওয়া এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখা।
নিজে নিজে রুকইয়া করাকে সেলফ রুকইয়া বলে এবং অন্যের মাধ্যমে করাকে লাইভ রুকইয়া বলে!

রুকিয়ার জন্য কি অন্য কারো শরণাপন্ন হতে হয়?
--------------------------------------------------------------------
সমস্যা যদি নরমাল হয় তাহলে সেলফ রুকইয়া দ্বারাই সাধারণত ঠিক হয়ে যায়। অন্যথায় কোন অভিজ্ঞ রাকীর কাছে রুকিয়া করতে হয়। আল্লাহ তাআলা চাইলে জটিল রোগও সেলফ রুকইয়া দ্বারা সুস্থ হওয়া সম্ভব।

আমি কোন রোগে আক্রান্ত তা কিভাবে বুঝব?
---------------------------------------------------------------
প্রাথমিকভাবে প্রতিটি রোগের লক্ষণ দ্বারা তা নির্ণয় করা যাবে। আমরা প্রতিটি রোগের লক্ষণ চিকিৎসাসহ বিস্তারিত পোস্ট করব ইনশা আল্লাহ তাআলা।

সুস্থ হতে কত সময় লাগবে?
--------------------------------------
প্যারানরমাল সমস্যাগুলো শারীরিক অন্যান্য রোগের মতনই একটি রোগ। রোগ ও রোগীর অবস্থা ভেদে সময়ের তারতম্য হয়ে থাকে। কেউ একবার রুকইয়াতেই সুস্থ হয়ে যায় আর কারো একটু বেশি সময় লাগে। পেশেন্টের সদিচ্ছা, যথার্থ ত্যাগ স্বীকার, আল্লাহর কাছে নিজেকে সঁপে দেওয়া এবং রাকীর অভিজ্ঞতার উপরও সুস্থতা অনেকটা ত্বরান্বিত হয় আল্লাহর ইচ্ছায়!

প্যারানরমাল সমস্যায় কি কবিরাজি চিকিৎসা নেওয়া যাবে?
-----------------------------------------------------------------------------------
যারা জিন দ্বারা কাজ করায়, তাবিজ দেয় তাদের কাছে চিকিৎসা নেওয়া যাবে না। কারণ, কুফরি করা ছাড়া জিন দ্বারা কাজ করানো সম্ভব না। এতে আপনি কেবল প্রতারণার শিকার হবেন। সাথে নিজের ঈমানটাও হারাবেন।

আপনারা কি তাবিজকে স্বীকৃতি দেন?
-----------------------------------------------------
না, কোন ধরনের তাবিজকেই আমরা স্বীকৃতি দেই না। কারণ, এগুলো অধিকাংশই শিরিক কিংবা শিরিকের পথকে উন্মুক্ত করে দেয় । অজান্তে মানুষের ঈমানকে ছিনিয়ে নেয়।

১। রুকইয়াহ কী? উত্তরঃ রুকইয়াহ হলো বদনজর, জ্বীন, যাদু ইত্যাদি প্যারানরমলাম সমস্যার পাশাপাশি কিছু শারিরীক অসুস্থতার জন্য ই...
31/03/2026

১। রুকইয়াহ কী?

উত্তরঃ রুকইয়াহ হলো বদনজর, জ্বীন, যাদু ইত্যাদি প্যারানরমলাম সমস্যার পাশাপাশি কিছু শারিরীক অসুস্থতার জন্য ইসলাম সম্মত ঝাড়ফুক বা চিকিৎসা পদ্ধতি। এই চিকিৎসায় সাধারণত কুরানের আয়াত ও হাদীসে বর্ণিত দুয়া পড়া হয়।

২। রুকইয়াহ কীভাবে করে?

উত্তরঃ রুকইয়াহ করা হয় পেশেন্ট কে রাকীর সামনে বসিয়ে রাকী উচ্চ আওয়াজে পেশেন্টের সমস্যা অনুযায়ী কোরআনের আয়াত, সূরা ও হাদীসে বর্ণিত বিভিন্ন দোয়া পাঠ করার মাধ্যমে।

রুক্বইয়াহ কেন করবেন❓
======================
জিনের আসর, যাদু, ব্লাকমেজিক, বান মারা, বদনজর, স্বামি-স্ত্রীর অমিল,বাচ্চা কনসিভ না হওয়া, বার বার মিসকারেজ হওয়া, পারিবারিক অশান্তি, বিয়ে না হওয়া, বিয়ের প্রস্তাব না আসা, ওয়াসয়াসা ও ইবাদতে অনাগ্রহ, ব্যবসায় বা চাকুরিতে জটিলতা, চিকিৎসার পরও রোগ না সারা ইত্যাদি শারিরীক ও মানসিক ইত্যাদি সমস্যায় শারইয়্যাহ সম্মত একমাত্র চিকিৎসা রুক্বইয়াহ করাতে পারেন।

বদনজর থেকে আপনার সন্তানকে রক্ষা করুন 🛡️আল-কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনাবদনজর বা কু-দৃষ্টি একটি বাস্তব সত্য। এটি মানুষকে গুর...
31/03/2026

বদনজর থেকে আপনার সন্তানকে রক্ষা করুন 🛡️
আল-কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনা

বদনজর বা কু-দৃষ্টি একটি বাস্তব সত্য। এটি মানুষকে গুরুতর ক্ষতি করতে পারে, এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে। আমাদের প্রিয় নবী (সা.) শিশুদের বদনজর থেকে সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।

আপনার সন্তানকে এই অনিষ্ট থেকে রক্ষা করতে নিচের আমলগুলো নিয়মিত করুন:

১. প্রতিদিন তিনটি শক্তিশালী সূরা পড়ুন
(সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস)

প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা এবং ঘুমানোর আগে এই তিনটি সূরা পড়ে আপনার হাত দিয়ে সন্তানের শরীরে বুলিয়ে দিন। রাসূলুল্লাহ (সা.) বদনজর থেকে সুরক্ষার জন্য এই তিনটি সূরাকেই সর্বোত্তম বলেছেন।

২. বিশেষ রুকইয়াহ দুআ (বদনজরের জন্য)

আরবি:
بِسْمِ اللهِ أَرْقِيكَ، وَاللهُ يَشْفِيكَ، مِنْ كُلِّ دَاءٍ يُؤْذِيكَ، وَمِنْ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ اللهُ يَشْفِيكَ

উচ্চারণ:
বিসমিল্লাহি আরক্বিকা, ওয়াল্লাহু ইয়াশফিকা, মিন কুল্লি দা-ইন ইউ’যিকা, ওয়া মিন কুল্লি নাফসিন আও আইনি হাসিদিন আল্লাহু ইয়াশফিকা।

অর্থ:
আল্লাহর নামে আমি তোমাকে ঝাড়ফুঁক করছি। আল্লাহ তোমাকে শিফা দিন, তোমাকে কষ্ট দেওয়া প্রত্যেক রোগ থেকে এবং প্রত্যেক হিংসুক ব্যক্তি ও বদনজরকারীর অনিষ্ট থেকে।

ব্যবহারের নিয়ম:
সন্তানের শরীরে হাত বুলিয়ে এই দুআ ৩, ৫ বা ৭ বার পড়ুন। বিশেষ করে যখন বদনজরের আশঙ্কা হয় বা লক্ষণ দেখা যায়।

৩. আরোগ্য লাভের দুআ

আরবি:
اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ الْبَأْسَ، وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي، لاَ شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা রাব্বান নাসি আযহিবিল বা’সা, ওয়াশফি আন্তাশ শাফি, লা শিফা-আ ইল্লা শিফাউকা, শিফা-আন লা ইউগাদিরু সাক্বমা।

অর্থ:
হে আল্লাহ! হে মানুষের রব! তুমি কষ্ট দূর করে দাও। তুমিই আরোগ্যদাতা। তোমার শিফা ছাড়া কোনো শিফা নেই। এমন শিফা দাও যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না।

ব্যবহারের নিয়ম:
সন্তান অসুস্থ বোধ করলে বা বদনজরের লক্ষণ দেখলে এই দুআ বারবার পড়ে তার শরীরে হাত বুলিয়ে দিন।

গুরুত্বপূর্ণ টিপস:
- যখনই আপনার সন্তানকে দেখে খুব ভালো লাগবে, তখনই "মাশাআল্লাহ" বা "বারাকাল্লাহ ফিহি" বলুন। এতে নিজের নজর থেকেও সন্তান সুরক্ষিত থাকবে।
- কখনো জাদুকর, কবিরাজ বা ভণ্ড পীরের কাছে যাবেন না। শুধুমাত্র আল্লাহর শেখানো কুরআন ও সুন্নাহর পদ্ধতিতে রুকইয়াহ করুন।

আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকল সন্তানকে বদনজর, জাদু ও সকল অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন। আমীন

বরই পাতার গোসল - জিন ও জাদুর বিরুদ্ধে কার্যকর সুন্নাহ পদ্ধতি ---📖 শরঈ ভিত্তি:সালাফে সালেহীনের যুগ থেকেই বরই পাতার গোসল জ...
21/02/2026

বরই পাতার গোসল - জিন ও জাদুর বিরুদ্ধে কার্যকর সুন্নাহ পদ্ধতি

---

📖 শরঈ ভিত্তি:

সালাফে সালেহীনের যুগ থেকেই বরই পাতার গোসল জিন ও জাদুর চিকিৎসায় একটি কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, এই গোসলের মাধ্যমে ধীরে ধীরে উপশম হয়:
✅ বদনজর (কুদৃষ্টি)
✅ হিংসা ও হাসাদ
✅ শরীরে ছিটানো জাদু
✅ জাদুর গিঁট সংক্রান্ত সমস্যা

---

গুরুত্বপূর্ণ কথা:

মনে রাখবেন, বরই পাতার গোসল জিন বা জাদুর একমাত্র চিকিৎসা নয়।

এটি রুকইয়াহ চিকিৎসার সহায়ক উপাদানগুলোর মধ্যে একটি মাত্র।

রুকইয়াহর মূল চিকিৎসার পাশাপাশি এই পদ্ধতি গ্রহণ করলে ইনশাআল্লাহ দ্রুত আরোগ্য লাভ সম্ভব।

---বরই পাতার গোসলের সহজ পদ্ধতি:

ধাপ ১: প্রস্তুতি
• এক বালতি পরিষ্কার পানি নিন
• ৭ টি বরই পাতা নিন (তাজা বা শুকনো)
• পাতা বেটে/থেঁতো করে পানিতে মিশিয়ে নিন
• হাত দিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন

ধাপ ২: কুরআন ও দোয়া পাঠ

পানিতে হাত রেখে নিচের সূরা/দোয়া পড়ে ফুঁ দিতে থাকুন:

১. দরূদ শরীফ (১ বার)

صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

২. সূরা ফাতিহা (৩ বার)

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ...

৩. আয়াতুল কুরসি(৩ বার)

اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ...

৪. সূরা ইখলাস (৩ বার)

قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ...

৫. সূরা ফালাক (৩ বার)

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ...

৬. সূরা নাস (৩ বার)

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ...

৭. পুনরায় দরূদ শরীফ (১ বার)

ধাপ ৩: অতিরিক্ত আয়াত (সময় থাকলে)

জাদু সংক্রান্ত বিশেষ আয়াতগুলো পড়তে পারেন:

৮. সূরা আরাফ: ১১৭-১২২
৯. সূরা ইউনুস: ৮১-৮২
১০. সূরা ত্বহা: ৬৯

ধাপ ৪: পানি পান ও গোসল

• পানি থেকে তিন ঢোক পান করুন
• বাকি পানি দিয়ে গোসল করে নিন
• মাথা থেকে পা পর্যন্ত ভালোভাবে ঢেলে নিন

ধাপ ৫: নিয়মিত করুন

• একটানা ৭ দিন করুন
• প্রয়োজনে ২১ দিন পর্যন্ত চালিয়ে যান

---

📌 গুরুত্বপূর্ণ টিপস:

১. সংখ্যা নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই:
- সূরাগুলো পাঠ করার নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা নেই
- বেশি পড়লে উত্তম, কম পড়লেও সমস্যা নেই

২. পানি পান করতে না পারলে:
- একান্তই যদি পানি খাওয়া সম্ভব না হয়
- তাহলে শুধু গোসল করে নিলেও হবে ইনশাআল্লাহ

৩. যেকোনো সময় করতে পারেন:
- তবে ফজরের পর করলে বেশি কার্যকর
- বা রাতে ঘুমানোর আগে

৪. বরই পাতা না পেলে:
- সাধারণ পানিতেও কুরআন পড়ে গোসল করতে পারেন
- তবে বরই পাতা ব্যবহার করলে বেশি কার্যকর

---
উপকারিতা

নিয়মিত বরই পাতার গোসল করলে ইনশাআল্লাহ:

✓ জাদুর প্রভাব দুর্বল হয়ে যায়
✓ বদনজর নষ্ট হয়
✓ শরীর থেকে জিন-শয়তান বের হয়ে যায়
✓ মানসিক শান্তি ফিরে আসে
✓ শারীরিক সুস্থতা বৃদ্ধি পায়

---

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে জিন-জাদু, বদনজর ও সকল রোগ-ব্যাধি থেকে হেফাজত করুন এবং সম্পূর্ণ সুস্থতা দান করুন

💚 **শেয়ার করে অন্যদের উপকার করুন**

যারা জিন-জাদুতে ভুগছেন, তাদের কাছে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পৌঁছে দিন।

---

#বরইপাতারগোসল #সিদরপাতা #রুকইয়া #জিনজাদু #বদনজর #ইসলামিকচিকিৎসা #কুরআন #সুন্নাহ #জাদুনষ্ট #শরঈরুকইয়া #সুস্থতা #আরোগ্য

Address

Mirpur, Dhaka
Mirpur

Telephone

+8801975503070

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মাসনুন রুকইয়াহ- Healing & Hijama Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share