30/01/2026
➡ জীন ভিক্টিমদের যেভাবে ভীত-সন্ত্রস্ত করে রাখে এবং রুকইয়ায় বাধাগ্রস্ত করে ⬅
শয়তান স্বপ্ন বা জাগ্রত অবস্থায় ওয়াসওয়াসার মাধ্যমে পেশেন্ট/ভিক্টিমদের ভীত করে এবং যে বিষয় গুলো তাদের অন্তরে ও চিন্তাধারায় রাখে...
🛑 শয়তান খুব শক্তিশালী, মারিদ ইফরিত ভয়ংকর আকৃতির জ্বিন আমার সঙ্গে কিছুতেই লড়তে পারবে না—যা-ই করি না কেন।
🛑 আমার ওপর অনেক গুলি যাদু করা হয়েছে, খুব শক্ত ভাবে যাদু করা হয়েছে, যা ধংস করা কঠিন,প্রতি ঘন্টায় নতুন করে যাদু করা হচ্ছে, আমাকে জ্বাইন প্রতিনিয়ত নজরদারি করা হচ্ছে আমি এত কিছুর সাথে পেরে উঠব না।
🛑 আমার ওপর শুধু একটি বদনজর নয় আমার উপর শত শত শক্তিশালী বদনজর আছে,যেগুলো প্রতিদিন শয়তান দিচ্ছে, প্রতি দিন হিংসায় আক্রান্ত হচ্ছি আমি বোধহয় সুস্থ হতে পারব না।
🛑 আমার শরীরে একাধিক জ্বিন আছে,একটা যায় আরেকটা আসে আমি জীবনেও এখান থেকে বের হতে পারব না।
🛑 আমি যতই রুকইয়াহ করি বা চিকিৎসা করি আমি কখনো সুস্ত হতে পারবে না কারণ (শয়তান) খুব শক্তিশালী তাকে কেউ কিছু করতে পারবে না।
🛑উপরের সব কথার উদ্দেশ্য একটাই—
বাক্য গুলো প্রতিটি পেশেন্ট/ভিক্টিমের অন্তরে আসা ভয়-হতাশা যা ব্যক্তি নিজের বলে দাবী করলেও মুলত তা জ্বীন/শয়তানের পক্ষ থেকে আসছে। এবং এই চিন্তা-কথা গুলো দ্বারাই রুকইয়াহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। যা একজন পেশেন্ট এর জন্য সবচেয়ে বড় ধোকা।
🛑উল্লিখিত সবকিছু হয়—
➡যাদুর খাদেমের কুমন্ত্রণা।
➡ আইন হাসাদের খাদেমের কুমন্ত্রণা।
➡শরীরে থাকা আসরের (জিনের প্রভাবের) কুমন্ত্রণা,
➡ ক্বারীনের (সঙ্গী শয়তান) কুমন্ত্রণাও হতে পারে।
🛑 এজন্য একজন পেশেন্ট এর উচিত কোন অভিজ্ঞ রাক্বীর নিকট রুকইয়াহ করা, শয়তান তার কৌশল দিয়ে রোগীর বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে সেগুলো যেন রাক্বী বুঝে এবং রুগীদের বুঝিয়ে দিতে পারে এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে পারে।