Health care bd

  • Home
  • Health care bd

Health care bd নিশ্চয়ই প্রাকৃতিতেই আছে সকল রোগের শেফা
প্রাকৃতিক উপায়ে স্থায়ী সামাধান নিন

18/01/2023 আলহামদুলিল্লাহ আজকে যারা অর্ডার কনফার্ম করছেন সবার পার্সেল কুরিয়ার করা হয়েছে 2/3 দিনের ভেতরে পেয়ে যাবেন ইন...
18/01/2023

18/01/2023
আলহামদুলিল্লাহ আজকে যারা অর্ডার কনফার্ম করছেন সবার পার্সেল কুরিয়ার করা হয়েছে 2/3 দিনের ভেতরে পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ

হারিয়ে যাওয়া সু*খ ফিরে পেতে চলে আসুন আমাদের কাছে ন্যাচরাল সাপ্লিমেন্ট কোন সাই*ড এফে*ক্ট নেইবাংলাদেশ সা*ইন্স ল্যাব কর্ত...
12/01/2023

হারিয়ে যাওয়া সু*খ ফিরে পেতে চলে আসুন আমাদের কাছে
ন্যাচরাল সাপ্লিমেন্ট কোন সাই*ড এফে*ক্ট নেই
বাংলাদেশ সা*ইন্স ল্যাব কর্তৃক অনু*মোদিত

ভালোবাসার টানে ছুটে যান প্রিয় মানুষটির কাছে
ল*জ্জা না পেয়ে আপনার সম*স্যা গুলো ইনবক্সে খুলে বলুন অথবা কল করুন
01647146057

অথবা
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন
Https://wa.me/8801647146057

প্রাকৃতিক উপায়ে 100% স্থা*য়ী সামাধান ইনশাআল্লাহল_জ্জা না পেয়ে ইনবক্সে আপনার সম-স্যা গুলো খুলে বলুনএবং 100% স্থা_য়ী স...
09/01/2023

প্রাকৃতিক উপায়ে 100% স্থা*য়ী সামাধান ইনশাআল্লাহ

ল_জ্জা না পেয়ে ইনবক্সে আপনার সম-স্যা গুলো খুলে বলুন
এবং 100% স্থা_য়ী সামা*ধান নিন

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন
Https://wa.me/8801647146057

চুল পড়বেই এটা স্বাভাবিক। যার জন্ম আছে তার মৃত্যু আছে। আমাদের চুল সাধারণত ১ হাজার ১শত ১০ দিন বাঁচে। তারপর মারা যায়। আমরা ...
28/12/2022

চুল পড়বেই এটা স্বাভাবিক। যার জন্ম আছে তার মৃত্যু আছে। আমাদের চুল সাধারণত ১ হাজার ১শত ১০ দিন বাঁচে। তারপর মারা যায়। আমরা যদি মাথার চুল দিয়ে শুরু করি। আমাদের মাথায় গড়ে ১ লক্ষ চুল আছে। প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ চুল গজায় এবং ১০০ থেকে ১৫০ চুল পড়ে যায়। এটা নরমাল।

ডক্টর টিভির আয়োজনে গত মঙ্গলবার স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠানে হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট বিশেষজ্ঞ ডা. এসএম বখতিয়ার কামাল এ বিষয়ে দিয়েছেন নানা পরামর্শ।

ডা. রুবাইয়া আলীর উপস্থাপনায় আয়োজিত ওই টকশোতে বলা হয়, অ্যাবনরমাল চুল পড়াতেও অনেকের সচেতনতা থাকে না যে তাদের অ্যাবনরমাল চুল পড়ছে। যারা নরমাল চুল পড়া নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন তাদের জন্য কিভাবে চুল পড়ে কিভাবে চুল পড়া রোধ করা যায়। চুল পড়াটা আসলেই নরমাল নাকি অ্যাবনরমাল। সেগুলো জানতে হবে।

চুল কেন পড়ে?

ছেলেদের চুল পড়াটা অ্যান্ড্রোজেনেটিক বা বংশগত। অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে হেয়ার স্টাইল করা। চুলে জেল দেয়া, আয়রণ করা কারলিং, পারলিং। এসব করলে ছেলেদের চুল পড়ে যায়। পুষ্টি এটা বিরাট ফ্যাক্টর এ যুগের ছেলেদের জন্য। আগে ২৫ বছর বা তার বেশি বয়সে চুল পড়া নিয়ে আসতো। কিন্তু এখন টিনেজ ছেলেরা চুল পড়া নিয়ে আসছে। এর মূল কারণ হচ্ছে তারা অনেক বেশি ফাস্টফুড খায়।

ফাস্টফুডে প্রচুর ফ্যাট আছে, সুগার আছে। তারা কায়িক পরিশ্রম একেবারেই করে না। এটা যে ওদেরই দোষ দেবো সেটা না। আসলে খেলা মাঠই সেভাবে নেই। এখনতো সবাই যান্ত্রিক হয়ে গেছে। আর শহরের যে সব সাপ্লাই পানি নদী থেকে তোলা হয়, সে পানিগুলোতে ক্লোরিন দেয়া থাকে। সেই ক্লোরিনযুক্ত পানিতে চুল পড়ে।

বাসা চেঞ্জ করলে অনেকে কমপ্লেইন করে যে, বাসা চেঞ্জ করার পর চুল পড়া বেড়ে গেছে। আসলে কোনো বাড়ির ট্যাঙ্কিতে বেশি মাত্রায় ক্লোরিন বা ব্লিচিং পাউডার দেয়া থাকে তাহলে চুল পড়বে। মাথায় যদি কারও স্ক্রিন ডিজিজ হয়। বড়দের যেমন স্যভোরিক অ্যাক্সিমা, সুরায়াসিস এসব ডিজিজ হলে চুল পড়েযায়।

আগে ধারণা করা হতো যে, অ্যান্ড্রোজেনেটিক কারণে মহিলাদের চুল পড়ে না। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে যে, প্রায় ৫০% মহিলার চুল পড়ে এ কারণে।

ধুমপান বড় বড় রক্তনালীকে বন্ধ করে দেয়। আর চুলের গোড়ায় অতি সূক্ষ সূক্ষ রক্তনালী। ধুমপান করলে এই সূক্ষ রক্তনালীগুলো বন্ধ হয়ে যায়। চুলের পুষ্টি আসে রক্তের মাধ্যমে তাই রক্তনালী বন্ধ হয়ে গেলে চুল পড়ে যাবে।

গ্রামের মহিলারা সাধারণত পুষ্টির অভাবে ভুগেন। আর শহরের মেয়েরা ডায়েট কন্ট্রোলের চেষ্টা করেন। এগুলো চুল পড়ার অন্যতম কারণ। ফাস্ট ফুড, সফট ড্রিংকস খাওয়াও অন্যতম কারণ চুলপড়ার। চুলের ম্যাক্সিমামটা হলো প্রোটিন। ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেড এবং পানি দিয়ে গঠিত।

শ্যাম্পু ঘন ঘন করলে চুল পড়ে। এটা কতটা সত্যি? চুলটা প্রোটিন দিয়ে তৈরি। আর শ্যাম্পু অ্যালকালিক বা খার দিয়ে তৈরি। ক্ষার এবং প্রটিন একত্রিত হলে প্রটিন ভেঙে যায়। এতে চুল গোড়া থেকে ঠিক থাকবে কিন্তু সামনের অংশ ভেঙে ভেঙে পড়বে। প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে।

বি:দ্র: অতিরিক্ত চুল পড়লে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন
ইনশাআল্লাহ স্থায়ীভাবে সামাধান দিবো

হ*স্তমৈথুন বা মা*স্টারবে*শন (Ma********on) কি? ব্যাপারটির সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। উঠতি বয়সের ছেলেদের মাঝে এর প্রবন...
28/12/2022

হ*স্তমৈথুন বা মা*স্টারবে*শন (Ma********on) কি? ব্যাপারটির সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। উঠতি বয়সের ছেলেদের মাঝে এর প্রবনতা বেশি দেখা গেলেও পুরুষদের মত নারীদের কিংবা মাহিলদের এমনকি কম বয়সী মেয়েদের মাঝেও হ*স্ত মৈ*থুন প্রবনতা থাকে। হ*স্তমৈ*থুন প্রসঙ্গে নানান রকমের কু-সংস্কার ও ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন হ*স্তমৈ*থুন এর কোনো অপকারিতা বা ক্ষতি কিংবা কুফল নেই। আবার কেউ কেউ মনে করেন হ*স্ত মৈ*থুন এর উপকারিতা। তবে মূল বিষয়টি হচ্ছে, হ*স্তমৈ*থুন তখনই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো যখন তা করে হবে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায়। তাহলে দৈনিক কতবার হস্ত*মৈ*থুন করা যেতে পারে? চিকিত্‍সা বিজ্ঞানে হ*স্ত মৈ*থু*ন করার নিয়ম বা হ*স্ত মৈ*থুন এর বিধান কি?

এতে কি পুরুষত্ব নিয়ে বা স্ত্রীর সাথে যৌ*ন জীবনে কোন সমস্যা হয়? এছাড়াও সকলের একটি প্রশ্ন সব সময় অজানা থাকে। তা হলো হ*স্তমৈ*থন এর উপকারিতা কি এবং অপকারিতা কি? আজকে আমরা এসেছি সে প্রশ্নের সঠিক উত্তর নিয়ে। চলুন জেনে নেই হ*স্তমৈ*থন এর উপকারিতা কি এবং অপকারিতা সম্পর্কে:

উপকারিতাঃ১৯৫০-এর দশকের এক গবেষণায় বলা যায়, মার্কিন নাগরিকদের মাঝে ৯২% পুরুষ ও ৬২% নারী তাঁদের জীবনকালে অন্তত একবার হ*স্তমৈ*থুন করেছেন।

২০০৭ সালে যুক্তরাজ্যের মানুষের মাঝে করার একটি জরিপেও কাছাকাছি ফলাফল পাওয়া যায়। জরিপে দেখা যায় ১৬ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে ৯৫% পুরুষ ও ৭১% নারী তাঁদের জীবনের যে-কোনো সময়ে অন্তত একবার হ*স্তমৈ*থুন করেছেন। সাক্ষাত্‍কারের চার সপ্তাহ আগে হ*স্তমৈ*থুন করেছেন এমন পুরুষের হার ৭১% ও নারী ৩৭%।

অপর দিকে ৫৩% পুরুষ ও ১৮% নারী জানিয়েছেন যে, তাঁরা এই সাক্ষাত্‍কারের ১ সপ্তাহ আগে হ*স্তমৈ*থুন করেছেন। ২০০৯ সালে নেদারল্যান্ডও অন্যান্য ইউরোপীয়দেশের সাথে যুক্তরাজ্যেও। হ*স্তমৈ*তুনকে বৈজ্ঞানিকভাবে একরকম স্বীকৃতিই দেয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অল্প ক্ষেত্রে ইহাশারিরিক বা মানসিক কোন ক্ষতিসাধন করে না। তবে মনে রাখতে হবে Excess is everything bad.
হস্ত*মৈতুন সাধারনত তাত্‍ক্ষনিকভাবে উত্তেজনা প্রশমন করে। অনেক সময় নেগেটিভ কল্পনা বা অশ্লিল ছবি এবং ভিডিও দর্শনের ফলে যৌ*ন উত্তজনা সৃষ্টি হয়। এধরনের উত্তেজনা সামাজিক অপরাধে উত্‍সাহিত করে। তাই পরিত্রানের উপায় হিসেবে তখনি হৈ*স্তমৈতুন করা যেতে পারে।

বিশেষভাবে স্বপ্নদোষ পুর্নাঙ্গ রুপ নেয়ার আগে যদি ঘুম ভেঙে যায় এবং উদ্ভট কল্পনার ফলে যদি অতিরিক্ত যৌ*ন উত্তেজনা দেখা দেয় তবে তাত্‍ক্ষনিক হ*স্তমৈ*তুন করাই শ্রেয়। নয়তো সাময়িক তলপেটে ব্যাথা সহ শারিরিক বা মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

অপকারিতাঃযার উপকারিতা থাকবে তার অপকারিতাও থাকবে। হ*স্তমৈ*তুনের ক্ষেত্রে উপকারিতার চাইতে অপকারিতাই বেশি।

প্রথমত এই কাজটি সব ধর্মেই নিষেধ করা হয়েছে। অপচয় করা প্রায় সব ধর্মেই নিষিদ্ধ। ইসলাম ধর্মে অপচয়কারিকে শয়তানের ভাই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বী*র্য আল্লাহর একটি নিয়ামত, আর হস্তমৈতুনের মাধ্যমে এই নিয়ামতের অপচয়ই হয়ে থাকে। অতিরিক্ত হ*স্তমৈতুনের ফলে লি*ঙ্গ বা যো*নীপ*থে ঘা এর সৃষ্টি হতে পারে, এমনকি রক্তক্ষরন ও হতে পারে।

বিশেষ করে মেয়েদের যো*নীতে বিভিন্ন বস্তু প্রবেশের কারনে জীবানু সংক্রমন ঘটতে পারে। উভয়ের বেলায় প্রশ্রাবে জালাপোড়া সহ জীবানু সংক্রমনে সিফিলিস, গনোরিয়া ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হতে পারে।

নিয়মিত ও অতিরিক্ত হ*স্তমৈ*তুনে যৌ*নশ*ক্তি কমে যাওয়া ও শারিরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। ইহা অভ্যাসে পরিনত হতে পারে এবং দীর্ঘদিন এই অভ্যাসের ফলে যৌ*ন আকাঙ্খা কমে যেতে পারে।
হ*স্তমৈ*থুনের ফলে কী ধরনের রোগ হতে পারে- অতিরিক্ত হ*স্ত*মৈ*থুন্যের ফলে শক্তি হ্রাস সহ নানাবিধ শারীরিক সমস্যা হতে পারে।
যেমন :

১) শারীরিক ব্যথা এবং মাথা ঘোরা।

২) যৌ*ন ক্রিয়ায় সাথে জড়িত স্নায়ুতন্ত্র দুর্বল করে দেয় অথবা ঠিক মত কাজ না করার পরিস্থতি সৃষ্টি করে।

৩) শরীরের অন্য অঙ্গ যেমন হজম প্রক্রিয়া এবং প্রসাব প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে।

৪) দৃষ্টি শক্তি দুর্বল করে দেয় এবং

তাছাড়া বিবাহিত জীবনে যৌ*ন অনীহার সৃষ্টি হতে পারে যা দাম্পত্বেও প্রভাব ফেলবে।

করনীয়ঃযথা সম্ভব এই পদ্ধতিটি এড়িয়ে চলাই উত্তম। ধর্মীয় বিষয়গুলিতে মনযোগী হলে এই অভ্যাসটা সহজেই ত্যাগ করা যায়।

অশ্লিল কল্পনা ও অশ্লিল ছবি বা ভিডিও দেখা থেকে বিরত থাকতে হবে। পুরুষদের বেলায় কোন কারনবশত লি*ঙ্গ উথিত হলে হাত লাগানো থেকে বিরত থাকতে হবে।

লি*ঙ্গউ*থ্যান বেশিক্ষন স্থায়ী হলে লিঙ্গের আগায় আস্তে করে আঘাত করা যেতে পারে, যাতে হালকা ব্যথা অনুভূত হয়।

মেয়েরা শালীনতা বজায় ও বিপরীত লি*ঙ্গে*র সহিত রসালাপ ত্যাগ করতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। অবসর সময়ে ধর্মীয় বই পড়ার অভ্যাস করতে হবে।

সর্বোপরি নিজেকে আত্মনিয়ন্ত্রনে রাখতে পারলেই এই অভ্যাস ত্যাগ বা ইহা থেকে বিরত থাকা সম্ভব।

যৌ*ন রোগের লক্ষণ প্রতিরোধ ও চিকিত্‍সা

যৌ*ন রোগ আক্রন্ত পুরুষ অথবা নারী যৌন মি*ল*নের সময় তার যৌ*ন সঙ্গীর দেহে এসব রোগ সংক্রমিত করে। এ কারণে এগুলিকে যৌ*ন সংক্রমিত রোগ বলা হয়।অনেক স্থানে বহু সংখ্যক যুবক এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

যৌ*না*ঙ্গের রোগ সম্পর্কে আলোচনা করতে হলে আপনার উপর রোগূর আস্থা থাকতে হবে অর্থাত্‍ তাদের বিশ্বাস করতে হবে যে এসব রোগের চিকিত্‍সা আপনি জানেন, তাদের এসব সম্যসা গোপন রাখবেন এবং আপনার সাথে তার অনায়াসে এগুলো আলোচনা করতে পারবেন।

যৌ*ন রোগের লক্ষণ

পুরুয়ের লি*ঙ্গ থেকে নিঃসরণ
নিঃসরণ হচ্ছে সাদা বা হলুদ (হালকা হলুদ) জাতীয় পদার্থ এবং প্রসাবের সমং সাধারণত ব্যথা হয়।

মনে রাখুন-যৌ*ন রোগী যৌ*ন স*ঙ্গমের মাধ্যমে সঙ্গীর দেহে রোগ সংক্রমিত করে।
এই সব রোগ যাদের আছে অনেক সময় তারা তা জানে না অথবা এ রোগের প্রতি কোন নজর দেয়না।
একাধিক সঙ্গীর সাথে যৌ*ন স*ঙ্গ*ম করলে এ সব রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
যৌ*না*ঙ্গ যদি প্রতিদিন, বিশেষ করে প্রত্যেক সঙ্গমের পর পরিষ্কার করা না হয়, তাহলে যোন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
ক*নড*মের সঠিক ব্যবহার অনেকক্ষেত্রে যৌ*নরোগ প্রতিরোধ করে।

একজন পুরুষের যৌ*ন বিষয়ক শারীরবৃত্তীয় কাজগুলো কী কী? যেমন : ১. যৌ*ন ইচ্ছা (সেক্সুয়াল ডিজায়ার) জাগ্রত হওয়া, ২. লি*ঙ্গো*ত্থান (ইরেকশন) হওয়া, যা পুরুষাঙ্গে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়া বা সঠিকভাবে চলাচল করার কারণে হয়, ৩. পুরু*ষা*ঙ্গ দিয়ে প্রয়োজন মতো বীর্য নির্গত হওয়া। তবে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটি বিষয়ও জেনে নেওয়া যেতে পারে, আর তা হলো পুরুষা*ঙ্গের শিথিলতা।

এসবের মধ্যে পুরুষের লি*ঙ্গ উত্থানে সমস্যা (ইরেকটাইল ডিজফাংশন)টিই প্রকট সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। এই সমস্যাটি নানাবিধ কারণে হতে পারে। এর বড় একটা কারণ হলো মনস্তাত্ত্বিক। এছাড়া কিছু হরমোনের অভাব অথবা মস্তিষ্কের রোগের কারণেও এমনটি হতে পারে। পুরুষাঙ্গের রক্তনালী সরু হয়ে যাওয়া কিংবা শিরার যথেষ্ট পরিমাণ রক্ত ধারণ করতে না পারাটাও এমন সমস্যার জন্ম দেয়। কারণগুলোকে ঠিকভাবে চিহ্নিত করলে একটা স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যাবে।

এছাড়াও দ্রুত বী*র্যপাত অনেক পুরুষের জন্যে একটি কমন সমস্যা। আমাদের দেশে শতকরা ৮০% লোক এই সমস্যায় ভুগছেন। তার প্রধান কারণ পর্ণ আসক্তি, অতিরিক্ত হ*স্তমৈ*থুন ও মানসিক দুশ্চিন্তা। এছাড়াও যৌ*ন সমস্যার মধ্যে আরো রয়েছে বিবাহিত-অবিবাহিত পুরুষের স্বপ্নদোষ সমস্যা। দ্রুত বী*র্যপাত রোধ, লি*ঙ্গ অকেজো, লি*ঙ্গে*র অসারতা, স্বপ্নদোষ

Arabian coffee ☕ সঠিক মাত্রায় ব্যবহারে নারী-পুরুষের যৌ*ন ক্ষমতা পরিমিত মাত্রায় বৃদ্ধিসহ দেহের প্রাণশক্তি বাড়ায় এবং ক্লান্তি দূর করে। তাছাড়াও Arabian coffee ☕ দেহে স্পা*র্ম (শুক্রানু-ডিম্বানু) বৃদ্ধি করে নারীর বন্ধাত্ম মুক্তি ও পুরুষের পুরুষত্বহীনতা থেকে মুক্তি দেয়। এটি দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ রাখে।

Night king oil
লি*ঙ্গ আগা মোটা গোড়া চিকন সামাধান করে
হস্ত*মৈথুন কারণে ছোট হয়ে যাওয়া লি*ঙ্গ লম্বা এবং মোটা করে
অ*ল্পতেই নিস্তেজ হয়ে যাওয়া দূর করে

Power bost
৩৫+ বয়সের সহ*বাসের টাইমিং বৃদ্ধি করে

পরামর্শ এবং প্রোডাক্ট পেতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন ধন্যবাদ

আসসালামুয়ালাইকুম। আজকে বিস্তারিত আলোচনা করবো ব্রণ কেন হয়? আমরা অনেকেই জানি না 👇ব্রণ কেন হয় এই প্রশ্ন অনেকের । বয়ঃসন্ধি...
22/12/2022

আসসালামুয়ালাইকুম।
আজকে বিস্তারিত আলোচনা করবো ব্রণ কেন হয়? আমরা অনেকেই জানি না 👇

ব্রণ কেন হয় এই প্রশ্ন অনেকের । বয়ঃসন্ধিকালে ব্রণ হয়নি এমন মানুষ খুবই কম। কিন্তু পরিনত বয়সে ব্রণ কেন হয়? ব্রণ মানেই সারা মুখে গোটা, ব্যথা এবং শেষে দাগ। নানা কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। কী সেই কারণ? জানার সঙ্গে জেনে নিন কীভাবে কমাবেন।

সাধারণত ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডস, সিস্ট, ইত্যাদির কারণ ত্বকের ঠিক নিচেই থাকা তৈল গ্রন্থি সেবেসিয়াস থেকে নিঃসৃত তেল আমাদের ত্বককে নরম রাখে। প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে। সেই গ্রন্থির মুখ কোনও কারণে আটকে গেলে তার থেকে জন্ম নেয় এই সব প্রদাহ।

কেন ব্রণ হয়? চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে নানা কারণে ব্রণ, ফুসকুড়ি ইত্যাদি সমস্যা হয়। ময়লা, ঘাম, দূষণে গ্রন্থির মুখে আটকে গেলে সিস্ট জমে এই সমস্যা দেখা দেয়। প্রথমে ফুসকুড়ি। তারপর ব্রণ। শেষে তা বড় আকার নেয়। ব্যথাও হয়। অনেকেরই মুখে তারপর দাগ থেকে যায়। এছাড়াও আছে অন্যান্য কারণ।

১. ত্বকের অযত্ন দূষণ, ময়লা, মেকআপ এবং অন্যান্য টক্সিন থেকে নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার না করলে সহজেই ত্বকের ছিদ্র আটকে যায়। তাই রোজ ঘুমোতে যাওয়ার আগে এবং ঘুম থেকে উঠে ফেশওয়াশ বা স্ক্রাবার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে হয় নিয়মিত।

২. জীবাণু সংক্রমণ নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার করতে কেবল ফেসওয়াশ বা শাওয়ার জেল যথেষ্ট নয়। আপনার ত্বকে সংক্রমণ হলে তা কমাতে যেমন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হয় তেমনি স্ক্রাবার দিয়ে ত্বক এক্সফোলিয়েট করতে হয়। এতে জীবাণুর হামলা কমে।

৩. হরমোনের পরিবর্তন হরমোন ক্ষরণের তারতম্য ঘটলেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই সমস্যা দেখা গিলে তখন দরকার ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া। হরমোনের কমবেশি শ্ক্ষরণ রক্তের পাশাপাশি ছাপ ফেলে ত্বকেও।

৪. অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড চিজি পিজ্জা, মাংসের বার্গার বা পকোড়া, সিঙাড়া, ভাজাভুজি, মিষ্টি, ক্যাডবেরি, কোল্ড ড্রিংকস যত খাবেন ততই ব্রণের হামলা বাড়বে। তারণ, এই ধরনের ভাজাভুজি হজমের সমস্যার কারণ। যার থেকে ব্রণর উৎপাত নতুন কিছু নয়। এর থেকে হওয়া ওবেসিটিও হয়। সেটিও ব্রণের অন্যতম কারণ।

৫. টেনশন থেকেও হয় ব্রণ অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বক এবং অবসাদ, টেনশন-তিনে মিলে জন্ম দেয় মুখ ভর্তি ব্রণের। তাই সবসময় টেনশন ফ্রি থাকার চেষ্টা করুন।

৬. কম ঘুম কম ঘুম ব্রণর জন্য দায়ী। চিকিৎসকেরা তাই বলেন রোজ ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমোনো দরকার। এতে ত্বকে হরমোন ব্যালান্স ঠিক থাকে। রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। ত্বক থাকে আয়নার মতোই ঝকঝকে।

৭. অতিরিক্ত ঘাম অত্যধিক ঘাম থেকেও অনেকের ব্রণ হয়। তাই যাঁরা নিয়মিত ওয়ার্কআউট করেন বা রোদে ঘোরেন তাঁদের মাঝেমধ্যেই ত্বক ধুয়ে নেবেন। অতিরিক্ত ঘামের হাত থেকে বাঁচতে। কারণ, বেশি ঘাম মানেই জীবাণু, ময়লা, দূষণ আটকে ত্বকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। জন্ম ন্যায় ত্বকের নানা সমস্যা।

৮. সঠিক মেকআপ প্রোডাক্ট ব্যবহার না করা ত্বকের প্রকৃতি অনুযায়ী মেকআপ বাছুন। সালফেটস, প্যারাবেন্স সমৃদ্ধ মেকআপ ট্রেন্ড হলেও এড়িয়ে চলুন ত্বকের কথা ভেবে। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে অবশ্যই মেকআপ তুলবেন। না হলে সারারাত ওই মেকআপ বসে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর থেকেও ব্রণ হয়। সারা রাত মেকআপ থাকা মানে ত্বক শ্বাস নিতে না পারা।

👉 চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন ধন্যবাদ 📩

নারীদের নিয়মিত ও সময়মতো পিরিয়ড (মাসিক) হওয়াটাই স্বাভাবিক।  অনিয়মিত পিরিয়ড নারী স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। অনিয়মিত প...
21/12/2022

নারীদের নিয়মিত ও সময়মতো পিরিয়ড (মাসিক) হওয়াটাই স্বাভাবিক। অনিয়মিত পিরিয়ড নারী স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। অনিয়মিত পিরিয়ড বা একেবারেই পিরিয়ড বন্ধ হওয়া মূলত পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের (POS) জন্য হয়ে থাকে।

তবে আরও অনেক কারণ আছে, যার জন্য পিরিয়ড নিয়মিত হয় না। এই সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

অনিয়মিত পিরিয়ড কী

প্রতি চন্দ্রমাস পর পর হরমোনের প্রভাবে পরিণত মেয়েদের জরায়ু চক্রাকারে যে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায় এবং রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত অংশ যোনিপথে বের হয়ে আসে তাকেই ঋতুচক্র বলে।

মাসিক চলাকালীন পেটব্যথা, পিঠব্যথা, বমি বমি ভাব হতে পারে। আর যাদের এই মাসিক ঋতুচক্র প্রতি মাসে হয় না অথবা দুই মাস আবার কখনও চার মাস পর পর হয়, তখন তাকে অনিয়মিত পিরিয়ড বলে। অনিয়মিত পিরিয়ড নারীদের বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।

মাসিক অনিয়মিত কেন হয়

অনিয়মিত পিরিয়ড বা একেবারেই পিরিয়ড বন্ধ হওয়া পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমের (POS) জন্য হয়ে থাকে। তবে আরও অনেক কারণ আছে, যার জন্য পিরিয়ড নিয়মিত হয় না। যেমন- অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা, ক্যাফেইন জাতীয় খাবার গ্রহণ যেমন অতিরিক্ত কফি পান করা, স্ট্রেস নেওয়া, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করা, অপরিচ্ছন্ন থাকা, মদ্যপান বা ধূমপান করা ইত্যাদি।

টিনেজার ও মধ্যবয়সী নারীদের মধ্যে অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর পেছনের কারণটি হলো হরমোন। আর লম্বা সময় স্ট্রেসে থাকলে অনেকেরই মাসিক দেরিতে হতে পারে।

এ ছাড়া একজন নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু তা জানতেন না। এর পর নিজে থেকেই তার মিসক্যারিজ বা গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে। এ ঘটনায় সাধারণ পিরিয়ডের তুলনায় কিছু দিন পর বেশি রক্তপাত হতে পারে, যাকে অনেকেই দেরিতে মাসিক হওয়া বলে ধরে নেন।

ওজন কম হলে সময়মতো পিরিয়ড নাও হতে পারে। এমনকি কিছু দিন বন্ধও থাকতে পারে। জরায়ুতে টিউমার ধরনের এক ধরনের বৃদ্ধি হলো ফাইব্রয়েডস। এগুলো পিরিয়ডের স্বাভাবিক চক্রকে বাধা দিতে পারে।

জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা। যেমন- পিল, প্যাঁচ, ইনজেকশন, আইইউডি। এগুলো ব্যবহার করলে পিরিয়ড দেরিতে হওয়া বা পরিবর্তন হওয়াটা স্বাভাবিক।

মনোনিউক্লিওসিস, ঠাণ্ডা, সর্দি, গলার ইনফেকশন- এ ধরনের সমস্যায় পিরিয়ড দেরিতে হতে পারে। তবে বড় কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন থাইরয়েডের সমস্যা বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের কারণেও পিরিয়ড দেরিতে হতে দেখা যায়।

কী করবেন

নিয়মিত মাসিক হলে শরীরের হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক থাকে। তবে অনিয়মিত পিরিয়ড বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই এ বিষয়ে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

👉 চিকিৎসা পেতে ইনবক্স‌ করুন

👉 যেভাবে মিলন করলে স্ত্রী_কে চরম তৃ_প্তি দিতে পারবেনযেভাবে মি_লন করলে স্ত্রী_কে চরম তৃ_প্তি দিতে পারবেন  পুরুষাঙ্গ ছোট হ...
20/12/2022

👉 যেভাবে মিলন করলে স্ত্রী_কে চরম তৃ_প্তি দিতে পারবেন
যেভাবে মি_লন করলে স্ত্রী_কে চরম তৃ_প্তি দিতে পারবেন

পুরুষাঙ্গ ছোট হলে অনেক স্ত্রী_ই যৌ_ন তৃপ্তি লাভ করতে পারে না। কিন্তু পুরুষাঙ্গ ছোট হলেও কলা-কৌশল অবলম্বন করে স্ত্রী_কে যৌ_ন সুখ দেওয়া যায়। এটি কিভাবে করতে হয় তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

অনেক পুরুষ মনে করেন তাদের পুরু_ষাঙ্গ ছোট। আর এই মনে করাটা তাদের মানসিকভাবে অনেক দুর্বল করে দেয়। তারা নারীর সামনে সাবলীল হতে পারে না।

বিশেষ করে যৌ_ন আবেদনময়ী বা আচরণে কামুক হলে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, পুরু_ষাঙ্গ বা পেনিস (মার্কিন উচ্চারন পিনেস) বড় না ছোট সেটা আসলে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। সঙ্গি_নীকে সুখ দিতে চাইলে বড় আকারের একটা পুরু_ষাঙ্গ লাগবেই - এমনটা ভাবা বোকামি। মার্কিন ম‍্যান'স হেল্থ ম‍্যাগাজিন সম্প্রতি এই নিয়ে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। তার আলোকেই এই লেখা।

শুরুতে জানা যাক, ছোট পুরু_ষাঙ্গ আসলে কত ছোট? চিকিত্‍সকদের হিসেবে দাঁড়ানো মানে উত্তেজিত অবস্থায় পুরু_ষাঙ্গ আড়াই ইঞ্চির ছোট হলে সেটি ''মাইক্রোপেনিস' বা ছোট পেনিস হিসেবে বিবেচিত হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এরকম ছোট পেনিস আছে প্রায় পনেরো লাখ মানুষের। তবে আমাদের দেশে ঠিক কতজনের মাইক্রোপেনিস আছে জানিনা। এতটুকু জানি, যেসব পুরুষ নিজেদের পাঁচ ইঞ্চি লম্বা পেনিসকেও ছোট মনে করেন, তারা নেহাত বোকা। পর্নো ছবি দেখে দেখে তাদের আত্মবিশ্বাসে আসলে চিড় ধরেছে।

যাহোক, বলছিলাম ছোট পুরুষাঙ্গ দিয়ে নারীকে সুখ দেওয়ার পদ্ধতির কথা। ম‍্যান'স ম‍্যাগাজিন মার্কিন নাগরিক জিমের সাক্ষাত্‍কার নিয়েছেন। তাঁর পুরুষাঙ্গ দাঁড়ানো অবস্থায় তিন ইঞ্চির ছোট। অথচ এই ছোট পুরুষাঙ্গ দিয়েই তিনি দিব‍্যি সামলে যাচ্ছেন তাঁর সুন্দরী, অভিনেত্রী স্ত্রীকে। কিভাবে? সেটাই জানবো চলুন।

আগে থেকে প্রস্তুতি নিন

ছোট পুরুষাঙ্গের অধিকারীদের বুঝতে হবে যে পুরুষাঙ্গের আকারই সেক্স লাইফের একমাত্র সম্বল নয়। আসলে কারওরই তেমন ভাবা উচিত্‍ নয়। তাই নারীদেহ সম্পর্কে ভালো ধারনা অর্জন করতে হবে। সঙ্গিনী তাঁর দেহের কোন অংশে আদর করলে উত্তেজনা অনুভব করে সেগুলো বুঝতে হবে। এসম্পর্কে এখান থেকে সাহায্য নিন।

যেভাবে সঙ্গম করবেন

ডগি স্টাইল-
জিম একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন। সমকামী বা লেসবিয়ান নারীরাও সেক্স করেন এবং কার্যত কোন পুরুষাঙ্গ ছাড়াই একে অপরকে আদর করে চরম সুখ লাভ করেন। তবে জিম বলছেন না যে তিনি সঙ্গম করেন না বরং চিকিত্‍সকদের বরাতে তাঁর বক্তব‍্য হচ্ছে, মেয়েদের যোনি মুখ এবং শুরুর এক বা দুই ইঞ্চি জায়গা হচ্ছে সবচেয়ে স্পর্শকাতর। আর ছোট পুরুষাঙ্গ দিয়ে সঙ্গমের সময়ও নারীর এই অংশে ঘষা লাগে। যৌন সুখের জন‍্য এটা প্রয়োজন। তাছাড়া ছোট পুরুষাঙ্গের জন‍্য সহায়ক কিছু সেক্স পজিশনও আছে। বিশেষ করে সঙ্গিনী হাতপায়ের উপর ভর করে পাছা উঁচু করে ধরলে, মানে 'ডগি স্টাইল' বা 'ডাউনওয়ার্ড ডগ' স্টাইলে সেক্স করলে ছোট পুরুষাঙ্গ দিয়েও নারীকে চরম সুখ দেওয়া সম্ভব।

আত্মবিশ্বাস রাখুন

বেশ বড় পুরুষাঙ্গওয়ালা পুরুষদের আত্মবিশ্বাস অনেক উঁচু থাকে। তারা মনে করে পুরুষাঙ্গ দিয়েই সবকিছু জয় করা যায়। বিষয়টি আসলে সেরকম নয়। শুধু সঙ্গম অধিকাংশক্ষেত্রে নারীদের কাছে বিরক্তিকর মনে হয়। তারা চায় আদর, সোহাগ এবং দৈহিক সঙ্গম। তাই নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস রাখুন। পুরুষাঙ্গ যেন আপনার আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি না হয়, বলেন জিম।

সব নারী আপনার জন‍্য নয়

পুরুষের মাঝে কারও কারও যেমন বিশাল আকৃতির পুরুষাঙ্গ আছে, তেমন কিছু নারীর বেশ বড় যোনিও রয়েছে। আপনার পুরুষাঙ্গ যদি ছোট হয়, আর সঙ্গিনীর যোনি স্বাভাবিকের চেয়ে বড়, তাহলে বেশি দূর না আগালেই ভালো। তাঁকে বরং বড় পুরুষাঙ্গ আছে এমন পুরুষ বেছে নিতে বলুন। আর আপনি আপনার উপযোগী সঙ্গিনী খুঁজে নিন। দু'টোর কোনটারই অভাব নেই আমাদের বিশ্বে।

👉 মোঃ হায়দার চৌধুরী

👉 আজকে আলোচনা করবো কেন ওজন বেড়ে যায়আমার রোগীদের অনেকেই বলেন আমি খুব কম পরিমান খাই। কিন্তু স্বাস্থ্য এত বেড়ে যাচ্ছে কেন...
20/12/2022

👉 আজকে আলোচনা করবো কেন ওজন বেড়ে যায়

আমার রোগীদের অনেকেই বলেন আমি খুব কম পরিমান খাই। কিন্তু স্বাস্থ্য এত বেড়ে যাচ্ছে কেন? আমরা জানি খাদ্যের সাথে ওজন বাড়ার প্রত্যক্ষ সম্পর্ক আছে। তাই আজ আলোচনা করব ওজন বাড়ার অন্যতম কিছু অজানা কারন নিয়ে।

প্রথমতঃ কিছু হরমোনের অতিরিক্ত উৎপন্ন হওয়া বা না হওয়া, যেগুলো বিশেষ করে ক্ষুধা, চর্বি তৈরি এবং ওজন নিয়ন্ত্রন এর সাথে সম্পর্কিত। যেমন, "লেপটিন" নামক হরমোন আমাদের মস্তিষ্কে সিগন্যাল পাঠায় আমাদের পাকস্থলী খাদ্যে পূর্ণ হয়েছে বা পূর্ণ হয় নাই কিনা। এর ঘাটতি বা আধিক্য ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

যদি হঠাৎ দেহের ফ্যাট সেল দ্রুত ভাংতে থাকে, তখন লেপটিন হরমোনও দ্রুত কমে যেতে থাকে। এক্ষেত্রে এই হরমোনের ঘাটতি থেকে পাকস্থলী খাদ্যে পূর্ণ হবার সঠিক সিগন্যাল মস্তিষ্কে যায় না। ফলে ব্যাক্তি খাদ্য গ্রহণ চালিয়ে যান। আবার অতিরিক্ত ফল খেলে ফ্রুক্টোজ নামক শর্করার আধিক্যে শর্করা গুলো ফ্যাটে রূপান্তরিত হয়ে দেহে জমতে থাকে। ফলে লেপটিন ও বেশি উৎপন্ন হয় এবং দেহ এর প্রতি সহ্য ক্ষমতা হারায়। ফলে ব্রেইনের সিগন্যাল সঠিক নিয়মে হয় না এবং খাদ্য গ্রহণ বেড়ে যায় অর্থাৎ ওজন বেড়ে যায়।

দ্বিতীয়তঃ শারীরিক ও মানসিক স্ট্রেস থেকে সৃষ্ট হরমোন "কর্টিসল" ওজন বাড়াতে অনেক বেশি ভুমিকা রাখে এবং দেহে চর্বিকে বেশি সময়ের জন্য সঞ্চয় করতে সহায়তা করে। কর্টিসল হরমোন বেড়ে গেলে সরল শর্করা অধিক সময়ের জন্য চর্বি তে পরিণত হয়। অতিরিক্ত মানসিক অবসাদে শক্তি অর্জনের জন্য দেহ মূলত জমাকৃত চর্বির উপর নির্ভর করে।

চর্বি জমাকারী হরমোন কে কমাতে শারীরিক ও মানসিক স্ট্রেস বা চাপ কমানো খুবই জরুরি। এছাড়াও দুধ চা এবং কফি খাওয়ার পরিমান কমিয়ে দিলেও কর্টিসল হরমোন বাড়ার প্রবনতা কমে যায়।

তৃতীয়তঃ ফ্যাটসেল ও রাসায়নিক মেসেঞ্জার উপাদান এস্ট্রোজেন হরমোন, যা বিশেষ করে স্বাভাবিক মাত্রায় ইনসুলিন নামক হরমোনকে উৎপন্ন করে। ইনসুলিন হরমোন রক্তের গ্লুকোজ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এর মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রনে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখে।

আমরা যখন শর্করা জাতীয় খাবার খাই, ইনসুলিন, দেহের প্রয়োজনের বাড়তি গ্লুকোজকে লিভারে পাঠায়, শক্তির জন্য পেশীতে পাঠায় এবং খুব অল্প পরিমানে ফ্যাট সেলে রুপান্তরিত হয়। কিন্তু যখন এস্ট্রোজেন এর মাত্রা বেড়ে যায়, ইনসুলিন তৈরির কোষগুলো দূর্বল হয়ে পরে এবং দেহ এর প্রতি সহ্যক্ষমতা হারায়। ফলে, গ্লুকোজ বেশি পরিমানে ফ্যাটে রুপান্তরিত হয় এবং অবধারিত ভাবে ওজন বৃদ্ধি পায়।

চতুর্থতঃ টেস্টোস্টেরন হরমোন এর মাত্রা কমে যাওয়া এবং বিপাক ব্যহত হওয়া জনিত কারন। ২০ বছর বয়সের পর থেকে টেস্টোস্টেরন হরমোন এর কার্যক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। এছাড়াও জন্ম নিয়ন্ত্রণ এর ওষুধ সেবনের কারণেও এটি হ্রাস পায়। এটি মূলতঃ আমাদের পেশীর বৃদ্ধি, বিপাককার্য এবং খাদ্যের টক্সিক উপাদান , এমনকি বাতাসের টক্সিক উপাদান কে হ্রাস করতে সহায়তা করে।

আর টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে গেলে দেহের বিপাক কমে যায় এবং দেহে টক্সিক উপাদান এর পরিমান বেড়ে যায় ফলশ্রুতিতে দ্রুত ওজনও বেড়ে যায়। আর বিপাক হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আমাদের গৃহীত খাদ্য পাচন, শোষণ ইত্যাদির মাধ্যমে দেহে শক্তি ও পুষ্টি যোগায়। সুতরাং বিপাক ব্যাহত হলে স্বাভাবিকভাবেই দেহের ওজন বাড়ার প্রবনতাও বেড়ে যায়। অর্থাৎ টেস্টোস্টেরন এর মাত্রা কমে যাওয়া এবং একইসাথে বিপাক কাজ ধীরে হলে ওজন বেড়ে যায়।

তাই সবার উচিত সঠিক খাদ্যাভ্যাস করা, খাদ্যে সব পুষ্টি উপাদান এর সরবরাহ নিশ্চিত করা, সঠিক নিয়মে খাদ্য গ্রহন অর্থাৎ সময়মত খাওয়া, চাহিদা অনুযায়ী পরিমান ঠিক রেখে খাওয়া অর্থাৎ খুব বেশি বা কম না খাওয়া, ধীরে এবং চিবিয়ে খাওয়া, খাওয়ার সাথে সাথে পানি না খাওয়া ইত্যাদি মেনে দেহে হরমোনের সামঞ্জস্যতা রক্ষা করা। যাতে করে হরমোনজনিত কারনে দৈহিক ওজন বেড়ে না যায়।

লেখকঃ শরমিন চৌধুরী

ন্যাচরাল ভাবে ওজন কমাতে নিচের গ্রীন কফি খেতে পেরেন

👉দ্রুত বীর্যপাত কেন হয় নিয়ে আলোচনা করবো আজ দ্রুত বীর্যপাত(premature ej*******on) পুরুষদের একটি সাধারণ যৌন সমস্যা। দ্রু...
19/12/2022

👉দ্রুত বীর্যপাত কেন হয় নিয়ে আলোচনা করবো আজ

দ্রুত বীর্যপাত(premature ej*******on) পুরুষদের একটি সাধারণ যৌন সমস্যা। দ্রুত বীর্যপাত বলতে যা বুঝায় তা হলো পুরুষ বা তার সঙ্গী যতটুকু সঙ্গমের আশা করে তার চেয়ে অনেক দ্রুত তা ঘটা এবং এতে একজন বা উভয়েরই কষ্ট হয়।

রতিকাজ(foreplay) শুরু হওয়ার সাথে সাথে কিছু পুরুষের বীর্যপাত হয়। অনেকে সঙ্গীর ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন, আবার কারো কারো অনুপ্রবেশের পরে খুব দ্রুত বী_র্যপাত হয়। যা-ই হোক না কেন, অকাল বীর্যপাত হতাশা সৃষ্টি করতে পারে এবং একজন মানুষ এবং তার স_ঙ্গীর মধ্যে মন কষাকষি হতে পারে।

কিছু পুরুষদের প্রথম যৌন অভি_জ্ঞতার (lifelong) সময় থেকেই দ্রু_ত বী_র্যপাত রোগ হতে পারে , আবার অন্যদের মধ্যে স্বা_ভাবিক যৌন ক্রি_য়াকলাপ (acquired) করতে করতেএটি বিকাশ লাভ করতে পারে ।

মাঝে মাঝে বী_র্যপাতের উপর নিয়_ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা স্বাভাবিক । কিন্তু এটি ঘন ঘন ঘটলে সমস্যার কারণ হয়। একজন পুরুষের প্রথমবার সে_ক্স করার পরে দ্রু_ত বী_র্যপাত হওয়া সাধারণ। যদি কোনও ব্যক্তি দী_র্ঘসময় ধরে বী_র্যপাত না হয় তাও সাধারণ। মাঝেমধ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাওয়ার অর্থ এই নয় যে লোকটির কোনও যৌ_ন সমস্যা রয়েছে।

👉 দ্রু_ত বী_র্যপাতের কারণগুলি

অতীতে, দ্রু_ত বী_র্যপাত পুরোপুরি মনস্তা_ত্ত্বিক বলে মনে করা হত। যাইহোক, এখন এটি ধারণা করা হয় যে, কিছু পুরুষ যাদের( এটি আজীবন সমস্যা) মস্তি_ষ্কের যে অংশ এই ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে তাতে কোনো একটি রাসায়নিক ভারসাম্যহীনতা রয়েছে (এটি নিউরোবায়োলজিক কারণ হিসাবে পরিচিত)। এর ফলে মিল_নের দুশ্চিন্তা সম্প_র্কিত মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হয় যার ফলে এটি ঘটে।

👉 দ্রু_ত বী_র্যপাতের কারণগুলি হতে পারে:

হতাশা বা উদ্বেগ, বিশেষত কর্ম_ক্ষমতা সম্পর্কে
যৌ_ন স_ঙ্গীর দ্বারা প্রত্যাখ্যান সম্প_র্কে উদ্বি_গ্ন বোধ করা
ব্যর্থতার আশ_ঙ্কা
শৈশবে নেতিবাচক যৌ_ন অভি_জ্ঞতা
ধর্মীয় কুসংস্কার
চাপ
দুজনের সম্পর্কের মধ্যে সমস্যা
কিছু পুরুষ দ্রু_ত বী_র্যপাতের কারণ হলো যৌ_ন উত্তেজনায় তাদের লি_ঙ্গ উ_ত্থিত না হওয়া যা যৌন_তার জন্য প্রধান শর্ত।

👉কোরো বেশি সমস্যা থাকলে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health care bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram