Dr. Rabia Akter Anny

Dr. Rabia Akter Anny Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Rabia Akter Anny, Family doctor, Nangalkot.
(1)

ডা. রাবেয়া আক্তার এ্যানি, চাইল্ড স্পেশালিষ্ট এবং জেনারেল ফিজিশিয়ান
এমবিবিএস (ঢাকা)
এফসিপিএস (ফাইনাল পার্ট )(শিশু)
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সাবেক পিজি হাসপাতাল)

11/01/2026

অনেক সময় আমরা দেখি বাচ্চার চোখ হঠাৎ কাঁপে, টান পড়ে বা কয়েক সেকেন্ডের জন্য স্থির হয়ে যায়। অনেকেই ভাবেন “ভিটামিনের অভাব”, “ঘুম কম”, “স্বাভাবিক”— কিন্তু সত্যি কথা হলো, চোখের খিচুনি অনেক সময় স্নায়বিক সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

চোখের খিচুনি কেমন হতে পারে?
• হঠাৎ কয়েক সেকেন্ড চোখ পিটপিট করা
• একদিকে তাকিয়ে স্থির হয়ে যাওয়া
• চোখ উপরের দিকে চলে যাওয়া
• চোখ কাঁপা বা টান ধরা
• খিঁচুনির সময় সাড়া না দেওয়া

কারণ কী হতে পারে?
• শিশুদের ছোট খিঁচুনি (Absence Seizure)
• স্নায়ুর অতিরিক্ত উত্তেজনা
• ইলেক্ট্রোলাইট সমস্যা
• ঘুমের ঘাটতি
• মৃগী রোগের শুরু

কখন জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন?
• বারবার খিচুনি হলে
• খিঁচুনির সময় বাচ্চা সাড়া না দিলে
• চোখ উপরে উঠে গেলে
• শরীরের অন্য অংশেও খিচুনি দেখা দিলে
• বাচ্চা অস্বাভাবিক নিস্তেজ/ঘুমঘুম হয়ে গেলে

কি করণীয়?
✓ ভিডিও করে রাখুন — চিকিৎসকের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ
✓ শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ বা শিশু নিউরোলজিস্টের কাছে যান
✓ কোনো ওষুধ নিজের ইচ্ছায় শুরু করবেন না

12/12/2025

শিশুদের রক্তের ক্যানসারের লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা নয়!

আজকের পোস্টটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।

শিশুদের রক্তের ক্যানসার (Leukemia) খুব দ্রুত বাড়তে পারে, কিন্তু সময়মতো ধরা গেলে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
তাই লক্ষণগুলো জানা খুব জরুরি।

শিশুদের রক্তের ক্যানসারের সাধারণ লক্ষণসমূহঃ

১. হঠাৎ দুর্বলতা ও ক্লান্তি বেড়ে যাওয়া
শিশু স্বাভাবিকের তুলনায় নিষ্প্রাণ, খেলতে চায় না।

২. বারবার জ্বর হওয়া
বিশেষ করে কোনো কারণ ছাড়াই জ্বর আসা–ইনফেকশন বেশি হয়।

৩. খুব সহজে রক্তক্ষরণ বা ফোলা দাগ পড়ে যাওয়া
একটু চাপেই নীলচে দাগ, নাক-মুখে রক্ত পড়া, মাড়িতে রক্ত।

৪. হঠাৎ ক্ষুধা কমে যাওয়া ও ওজন কমা

৫. পেট ফুলে যাওয়া
লিভার–স্প্লিন বড় হয়ে যেতে পারে।

৬. হাড়–জোড়ায় ব্যথা
শিশু হাঁটতে না চাইলে বা রাতের বেলা কান্না করলে সতর্ক হন।

৭. ঘন ঘন সংক্রমণ (ঠান্ডা–কাশি–ইনফেকশন)

৮. ফ্যাকাসে মুখ ও ঠোঁট
অ্যানিমিয়ার কারণে রক্তের লাল কণিকা কমে যায়।

এসব লক্ষণ দেখা মানেই যে ক্যানসার—তা নয়। কিন্তু একাধিক লক্ষণ একসাথে থাকলে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞ বা হেমাটোলজি বিশেষজ্ঞের কাছে যান।

শিশুদের রক্তের ক্যানসার এখন চিকিৎসাযোগ্য।
দ্রুত ডায়াগনোসিস + সঠিক চিকিৎসা হলে এ ধরনের শিশুদের সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনা থাকে । এখানে আমি আমার এক ছোট্ট রোগীকে কেমোথেরাপি দেয়ার একটি ভিডিও যুক্ত করেছি।

ডা. রাবেয়া আক্তার এ্যানি
এমবিবিএস(ঢাকা)
এফসিপিএস( ফাইনাল পার্ট ট্রেইনি)
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়(পিজি হাসপাতাল)

07/12/2025

নবজাতকের বিপদ চিহ্ন

নবজাতকের (০–২৮ দিন) যে কোনো ছোট পরিবর্তনও অনেক বড় সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। তাই এসব চিহ্ন দেখলে অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালে যান।

যেসব লক্ষণ বিপদের সংকেত—
১. বাচ্চা ঠিকমতো দুধ না খাওয়া বা খেতে না চাওয়া
২. অতিরিক্ত ঘুমানো, ডাকা-নাড়ানোতে সাড়া না পাওয়া
৩. জ্বর (≥38°C) বা শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া
৪. দ্রুত শ্বাস নেওয়া (প্রতি মিনিটে >60 বার)
৫. বুক দেবে যাওয়া বা শ্বাস নিতে কষ্ট
৬.খিঁচুনি
৭. ত্বক বা চোখ হলুদ হওয়া (বিশেষ করে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বা খুব বেশি হলে)
৮. নীলাভ ঠোঁট/হাত-পা
৯.পুঁজসহ নাভি/চোখের সংক্রমণ
১০. বাচ্চা অস্বাভাবিকভাবে কাঁদা বা কান্নার স্বর দুর্বল হওয়া
১১. ঘন ঘন বমি বা পায়খানা বন্ধ হয়ে যাওয়া

নবজাতকের অবস্থার অবনতি খুব দ্রুত ঘটে। তাই বাসায় বসে অপেক্ষা করবেন না। যেকোনো একটি লক্ষণ দেখলেই চিকিৎসা নিন।

ডা. রাবেয়া আক্তার এ্যানি
এমবিবিএস(ঢাকা)
এফসিপিএস( ফাইনাল পার্ট ট্রেইনি)
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়(পিজি হাসপাতাল)

20/11/2025

ডাউন সিন্ড্রোম নবজাতকের কিছু সাধারণ শারীরিক বৈশিষ্ট্য :

এই ভিডিওটিতে একটি নবজাতকের মধ্যে ডাউন সিন্ড্রোমের সাথে সম্পর্কিত কিছু সাধারণ শারীরিক লক্ষণ দেখানো হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:

· Depressed Nasal Bridge: নাকের গোড়া চেপটা থাকা।
· Upward slanting of eyes: দুই চোখের কোন উপরের দিকে উঠে থাকা
· Hypotonia: পেশীর টোন কমে যাওয়া, যার কারণে শিশুটি নরম ও ঝিমুনি মনে হয়।
· Distended Abdomen: পেট ফুলে যাওয়া।
· Sandal Gap Toe: পায়ের আঙ্গুলের মধ্যে অস্বাভাবিক ফাঁক।

এই লক্ষণগুলি শুধুমাত্র একটি ক্লিনিকাল সূচক মাত্র। ডাউন সিন্ড্রোম নিশ্চিত হওয়ার জন্য ক্রোমোজোমাল অ্যানালাইসিস (ক্যারিওটাইপিং) অত্যাবশ্যক। প্রতিটি শিশুই অনন্য এবং এই সমস্ত বৈশিষ্ট্য একসাথে বা আলাদাভাবে দেখা নাও দিতে পারে।

ডাউন সিন্ড্রোমের বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করা শুধু প্রথম ধাপ। এই শিশুদের ভবিষ্যতের সম্ভাব্য জটিলতাগুলো (হৃদরোগ, শ্রবণ ও দৃষ্টি সমস্যা, থাইরয়েড, বুদ্ধি ও বিকাশগত বিলম্ব) বুঝতে হবে, যাতে সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও থেরাপি নিশ্চিত করা যায়।

আসুন ডাউন সিন্ড্রোম সম্পর্কে সচেতন হই, সঠিক তথ্য শেয়ার করি এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলি।

#ডাউনসিন্ড্রোম #নবজাতক #শিশুরোগ

14/11/2025

বাচ্চাকে প্রপার র‍্যাপিং করার গুরুত্ব: কেন এটি প্রয়োজনীয়?

নতুন জন্ম নেওয়া শিশুরা মা'র গর্ভের উষ্ণতা, নরমতা এবং নিরাপত্তায় অভ্যস্ত থাকে। তাই জন্মের পর তাদের সেই নিরাপদ অনুভূতি দিতে প্রপার র‍্যাপিং (Swaddling) একটি দারুণ উপায়। সঠিকভাবে র‍্যাপ করলে শিশুর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

প্রপার র‍্যাপিং কেন গুরুত্বপূর্ণ?

১. নিরাপত্তার অনুভূতি দেয়

র‍্যাপিং শিশুকে মায়ের গর্ভের মতো আঁটসাঁট, আরামদায়ক অনুভূতি দেয়। এতে তারা আরও শান্ত থাকে।

২. হঠাৎ চমকে ওঠা কমায় (Startle Reflex)

নবজাতকের একটি স্বাভাবিক রিফ্লেক্স হলো হঠাৎ হাত-পা ছুঁড়ে ফেলা। র‍্যাপিং করলে এই চমকে ওঠা কম হয়, ঘুম ভাঙে না।

৩. ভালো ঘুম ধরে রাখতে সাহায্য করে

মোড়ানো অবস্থায় বাচ্চা বেশি সময় ঘুমায় এবং ঘুমের গুণগত মানও ভালো হয়।

৪. অতিরিক্ত নড়াচড়া কমে

শিশু নিজের হাত–পায়ের অনিয়ন্ত্রিত নড়াচড়ায় বিরক্ত বা অস্বস্তিতে পড়ে। র‍্যাপিং সেই বিপত্তি কমায়।

৫. কান্নাকাটি কম হয়

নিরাপদ বোধ করলে শিশুর কান্নার পরিমাণও কমে, যা মা-বাবার জন্যও বড় স্বস্তি।

র‍্যাপ করার সময় কয়েকটি বিষয়ে সতর্কতা

খুব বেশি আঁটসাঁট করে র‍্যাপ করবেন না—বিশেষ করে হিপ ও পায়ের জায়গায়।

বাচ্চা উল্টে শোয়া শুরু করলে র‍্যাপিং বন্ধ করুন।

হালকা, নরম ও বাতাস চলাচলকারী কাপড় ব্যবহার করুন।

শিশুর মাথা ও ঘাড় সবসময় খোলা রাখুন।

সঠিকভাবে র‍্যাপ করলে নবজাতক আরও আরামদায়ক, নিরাপদ ও শান্ত অনুভব করে। তবে সবসময় শিশুর প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করুন—সব বাচ্চা র‍্যাপিং পছন্দ করে না। আপনার শিশুর আরামই সবচেয়ে বড় বিষয়।

28/10/2025
28/10/2025
28/10/2025
28/10/2025
28/10/2025
28/10/2025

নবজাতকের জন্ডিস – জানুন, সতর্ক থাকুন

জন্ডিস কী?
নবজাতকের জন্মের পর রক্তে বিলিরুবিন নামক পদার্থ বেড়ে গেলে ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যায়। একে জন্ডিস বলা হয়।

কখন হয়?
জন্মের ২-৪ দিনের মধ্যে অনেক শিশুর জন্ডিস দেখা যায়।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি স্বাভাবিক ও কয়েকদিনে নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়।
তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি বিপজ্জনক হতে পারে।

কোন কোন কারণে জন্ডিস হয়?

নবজাতকের লিভার পুরোপুরি পরিণত না হওয়া

বুকের দুধ কম খাওয়া বা খাওয়ানোর সমস্যা

রক্তের অসামঞ্জস্য (Rh incompatibility, ABO incompability, G6PD deficiency ইত্যাদি)

সংক্রমণ

কখন দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যাবেন?
জন্মের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই যদি জন্ডিস দেখা দেয়
শিশু একেবারে নিস্তেজ, খেতে চায় না, ঘুমায় বেশি
হাত-পা, পেট, বুক, এমনকি চোখের সাদা অংশও হলুদ হয়ে যায়
প্রস্রাব গাঢ় হলুদ বা মল সাদা হয়ে যায়

চিকিৎসা কী?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শুধু বেশি বেশি দুধ খাওয়ালেই ভালো হয়ে যায়।

প্রয়োজনে শিশুকে ফোটোথেরাপি (নীল আলো থেরাপি) দিতে হয়।

গুরুতর ক্ষেত্রে রক্ত পরিবর্তনও করতে হতে পারে।

খেয়াল রাখবেন যেগুলো:
শিশুকে নিয়মিত বুকের দুধ খাওয়ান
প্রতিদিন শিশুর চোখ ও শরীর লক্ষ্য করুন
সন্দেহ হলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যান

মনে রাখবেন: সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নিলে নবজাতকের জন্ডিস ভয়ংকর হয় না। কিন্তু দেরি করলে মস্তিষ্কের ক্ষতি সহ স্থায়ী জটিলতা তৈরি হতে পারে।

28/10/2025

Address

Nangalkot
3581

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Rabia Akter Anny posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram