02/04/2026
হাম হলে কী করবেন..........
প্রতিটি মা-বাবার জেনে রাখা জরুরি, আসুন জেনে নেয়,হাম হলে কি করবেন।
হামের প্রধান লক্ষণ:
🔹 হঠাৎ করে উচ্চ জ্বর (১০২–১০৪°)
🔹 চোখ লাল হয়ে যাওয়া, পানি পড়া ও আলো সহ্য না হওয়া
🔹 নাক দিয়ে পানি পড়া ও কাশি
🔹 মুখের ভেতরে সাদা দানা (Koplik spots)
🔹 ৩–৪ দিন জ্বরের পর গায়ে লালচে ফুসকুড়ি ওঠা, যা মুখ থেকে শুরু হয়ে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে
🔹 দুর্বলতা, খেতে না চাওয়া, চোখে অস্বস্তি
এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবহেলা করবেন না — এটা হাম হতে পারে।
হাম হলে কীভাবে যত্ন নেবেন
১️⃣ জ্বর নিয়ন্ত্রণ করুন
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল দিন। নিজে থেকে ডোজ ঠিক করবেন না।
২️⃣ শরীরে পানির ঘাটতি হতে দেবেন না 💧
অল্প অল্প করে পানি, ডাবের পানি, ওরস্যালাইন, দুধ বা স্যুপ খাওয়ান।
৩️⃣ ভিটামিন A খুব গুরুত্বপূর্ণ 👁️
হামের সময় শরীরে ভিটামিন A কমে যায়। এতে চোখের ক্ষতি এমনকি অন্ধত্বও হতে পারে। তাই ডাক্তারের পরামর্শে ভিটামিন A দিন।
৪️⃣ পুষ্টিকর খাবার দিন
ডিম, দুধ, মাছ, ডাল, ফলমূল (কমলা, পেঁপে, গাজর) — যতটা সম্ভব পুষ্টিকর খাবার খাওয়ান।
৫️⃣ চোখের যত্ন নিন
ঘর একটু অন্ধকার রাখুন। পরিষ্কার হালকা গরম পানিতে ভেজানো কাপড় দিয়ে চোখ আলতোভাবে মুছিয়ে দিন।
৬️⃣ কাশি ও অস্বস্তি কমাতে
হালকা গরম পানি বা লেবু পানি দিতে পারেন।
বিপদজনক লক্ষণ দেখলে দেরি করবেন না
⚠️ শ্বাসকষ্ট
⚠️ বুকে ঘড়ঘড় শব্দ
⚠️ খিঁচুনি
⚠️ অতিরিক্ত জ্বর
⚠️ শিশু অচেতন হয়ে পড়া
এগুলোর কোনোটি দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
মনে রাখবেন
প্রতিরোধই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।
সময়মতো MR / MMR টিকা দিলে আপনার সন্তানকে এই কষ্ট থেকে বাঁচানো সম্ভব।
হাম খুবই ছোঁয়াচে রোগ, তাই আক্রান্ত শিশুকে অন্যদের থেকে কমপক্ষে ৪ দিন আলাদা রাখুন.......