Shubhojit kumar pal -DMF

Shubhojit kumar pal -DMF ডিপ্লোমা চিকিৎসক
ডিএমএফ(ঢাকা)
বিএমডিসি রেজি.নং: ডি-১০১৭১
জেনারেল প্রাকটিশনার

সোরিয়াসিস হলো ত্বকের একটি দীর্ঘস্থায়ী, প্রদাহজনক রোগ, যা ত্বকের কোষের অস্বাভাবিক দ্রুত বৃদ্ধি দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। ...
05/12/2025

সোরিয়াসিস হলো ত্বকের একটি দীর্ঘস্থায়ী, প্রদাহজনক রোগ, যা ত্বকের কোষের অস্বাভাবিক দ্রুত বৃদ্ধি দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। এতে ত্বকে লালচে, আঁশযুক্ত ছোপ দেখা দেয় যা চুলকানি বা ব্যথার কারণ হতে পারে। এটি একটি স্বয়ংক্রিয় রোগ, যা সংক্রামক নয় এবং একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায় না।

বিস্তারিত:
কারণ: শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে সুস্থ ত্বকের কোষকে আক্রমণ করে, যার ফলে কোষের উৎপাদন অনেক বেড়ে যায়। স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক দ্রুত কোষগুলো ত্বকের উপরিভাগে জমা হতে থাকে।
লক্ষণ:
রূপালী আঁশযুক্ত লাল, স্ফীত দাগ।
চুলকানি, শুষ্কতা বা ফাটল।
চুলকানি ও কখনো কখনো বেদনাদায়ক অনুভূতি।
প্রভাব: এটি শুধু ত্বক নয়, নখ এবং জয়েন্টকেও প্রভাবিত করতে পারে (সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস)।
সংক্রামক নয়: সোরিয়াসিস ছোঁয়াচে নয়, তাই এটি সরাসরি সংস্পর্শে ছড়ায় না।
চিকিৎসা: সোরিয়াসিসের কোনো সম্পূর্ণ নিরাময় নেই, তবে বিভিন্ন চিকিৎসার মাধ্যমে এর লক্ষণগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে টপিকাল ক্রিম, ফটোথেরাপি (আলো থেরাপি), এবং অন্যান্য ঔষধ।

#সোরিয়াসিস
#চর্ম
#অটোইমিউন
#শুভজিতপাল
#ডিএমএফ

04/12/2025
🌤️ “বাচ্চা ঠান্ডা লেগেছে—ঠিক হয়ে যাবে”এই কথাটা শুনে অনেক মা-বাবা নিশ্চিন্ত থাকেন...কিন্তু জানেন কি? এই সামান্য ঠান্ডাই ...
14/11/2025

🌤️ “বাচ্চা ঠান্ডা লেগেছে—ঠিক হয়ে যাবে”
এই কথাটা শুনে অনেক মা-বাবা নিশ্চিন্ত থাকেন...
কিন্তু জানেন কি? এই সামান্য ঠান্ডাই কখনো কখনো পৌঁছে দিতে পারে নিউমোনিয়া পর্যন্ত! 😢

👶 মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থায় একটি শিশুর ইমিউনিটি প্রায় জিরো।তাকে সুরক্ষা দেয় শুধু অ্যামনিওটিক স্যাক আর প্লাসেন্টা।কিন্তু জন্মের পরই সে হঠাৎ খোলা বাতাস, জীবাণু আর নতুন পরিবেশের সংস্পর্শে আসে।এই সময়ে শুরু হয় তার শরীরের লড়াই – রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ার যুদ্ধ। 💪
এই সময়েই ইমিউনাইজেশন (টিকা) শিশুর শরীরকে শক্ত করে তোলে,কিন্তু তবুও অনেক শিশুর ঠান্ডা লাগে —
আর সেখান থেকেই শুরু হতে পারে ভয়ংকর এক রোগ 👉 নিউমোনিয়া।

💨 নিউমোনিয়া কীভাবে হয়?
ঠান্ডা লাগার পর ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া ফুসফুসে আক্রমণ করে।ফুসফুসের ছোট কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেখানে তরল জমে যায়,ফলে শিশুর শ্বাস নিতে কষ্ট হয় 😔
প্রথম দিকে দেখা যায় —
ঘন ঘন হাঁচি ও কাশি
গায়ে জ্বর
র‍্যাশ বা গায়ে ফুসকুড়ি
খাওয়া বন্ধ করা
প্রচণ্ড অস্বস্তি

⚠️ কেন এত সহজে ঠান্ডা লাগে বাচ্চাদের?
1️⃣ দুর্বল ইমিউনিটি (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এখনো পুরোপুরি তৈরি হয়নি)
2️⃣ শরীরে থার্মোরেগুলেশন কম — ঠান্ডা-গরম মানিয়ে নিতে পারে না
3️⃣ ঘরের ধুলোবালি ও অপরিষ্কার পরিবেশ
4️⃣ শুষ্ক বাতাস – রোগ ছড়াতে সাহায্য করে
5️⃣ রোদে রাখার ভুল অভ্যাস – খোলা হাওয়া লেগে ঠান্ডা ধরে ফেলে

🚫 যে ভুলগুলো আর করবেন না:
❌ ঠান্ডা লাগা মানুষদের কোলে নিতে দেওয়া
❌ ধোঁয়া বা ধুলোযুক্ত ঘরে রাখা
❌ প্রায়ই বাইরে বা ভিড়ের জায়গায় নিয়ে যাওয়া
❌ খোলা জায়গায় রোদে রাখা যেখানে ঠান্ডা হাওয়া লাগে

✅ যে কাজগুলো করলে বাচ্চা থাকবে সুরক্ষিত:
💧 কোলে নেওয়ার আগে হাত ধুয়ে, স্যানিটাইজার ব্যবহার করে, প্রয়োজনে মাস্ক পরে কোলে নিন
🌫️ ঘরে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করুন – বাতাসে আদ্রতা রাখে
🧺 বাচ্চার ঘর পরিষ্কার রাখুন, বিছানার চাদর ও বালিশ নিয়মিত ধুয়ে শুকিয়ে নিন
🌞 রোদে রাখুন কিন্তু কাঁচের জানলার ভেতর – সূর্যের আলো লাগবে, ঠান্ডা হাওয়া নয়

👩‍⚕️ কখন ডাক্তার দেখাবেন:
🍼 নবজাতক (০–৬ মাস): একদিনেও ভালো না হলে
👶 ৬–১২ মাস বয়স: ২–৩ দিনের মধ্যে উন্নতি না হলে

⏳ অপেক্ষা নয়, দ্রুত ব্যবস্থা নিন।
দেরি করলে সাধারণ ঠান্ডা থেকেও নিউমোনিয়ার ঝুঁকি তৈরি হয় 💔

💬 শেষ কথা:
একটি শিশুর হাঁচি-কাশি কখনোই হালকাভাবে নেবেন না।
তার শরীরের প্রতিটি প্রতিক্রিয়া কিছু বলছে —
আমরা যদি শুনতে শিখি, তাহলে তাকে নিরাপদ রাখতে পারব 💖
#নিউমোনিয়া #শিশুস্বাস্থ্য #বাচ্চারযত্ন

নবজাতকের গ্যাসের সমস্যা — জানুন, বুঝুন, সচেতন হোন! 🌙মা-বাবার সবচেয়ে চিন্তার বিষয়গুলোর একটি — বাচ্চার গ্যাসের সমস্যা। রাত...
14/11/2025

নবজাতকের গ্যাসের সমস্যা — জানুন, বুঝুন, সচেতন হোন! 🌙

মা-বাবার সবচেয়ে চিন্তার বিষয়গুলোর একটি — বাচ্চার গ্যাসের সমস্যা। রাতে বাচ্চা কাঁদছে, শরীর মোচড় দিচ্ছে, পেট ফুলে আছে — অনেকেই ভাবে “বাচ্চা বুঝি দুধ খাওয়ার জন্য কাদছে, জোর করে দুধ খাওয়ায় তখন! ”
আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটা গ্যাস বা কোলিক (Colic) সমস্যা।

✅ কেন হয় গ্যাসের সমস্যা?

🔹 দুধ খাওয়ানোর সময় বাতাস ঢুকে যাওয়া
🔹 মায়ের দুধ খাওয়ানোর ভঙ্গি ভুল থাকা
🔹 অতিরিক্ত কান্না বা চিৎকারে বাতাস গিলে ফেলা
🔹 মায়ের খাওয়ার কিছু খাবার ( গ্যাস হয় এমন খাবার)

💡 কীভাবে বুঝবেন বাচ্চার গ্যাস হয়েছে?

✅ বাচ্চা হঠাৎ কান্না শুরু করে, বিশেষ করে সন্ধ্যার দিকে
✅ পেট ফুলে থাকে
✅ পা পেটের দিকে টেনে আনে
✅ খাওয়ার পর অস্বস্তি অনুভব করে
✅ শরীর মোচড় দিবে
✅ পটি কষা হয় অনেকের

▶️ করণীয় কি?

✨ প্রতিবার দুধ খাওয়ানোর পর ১০ মিনিট বাচ্চাকে ঢেকুর উঠানো (burping) খুবই জরুরি, এটা ৯০% মা করেন না বা করতে চান না, তারা শুধু গ্যাসের ঔষধ দেন বলে অস্থির হয়ে পড়েন, অথচ সামান্য ঢেকুর তুলালে গ্যাসের সমস্যা ৯০% ভাল হয়ে যাবে।
✨ খাওয়ানোর সময় বাচ্চার মাথা সামান্য উঁচু রাখুন।
✨ পেট হালকা গরম কাপড় বা হাতে ম্যাসাজ করুন ঘড়ির কাঁটার মতো করে।
✨ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো গ্যাসের ওষুধ বা ড্রপ দেবেন না

❤️ মনে রাখবেন:
গ্যাসের সমস্যা সাধারণ, ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
বেশিরভাগ নবজাতকই ৩-৪ মাসের মধ্যে নিজে থেকেই স্বাভাবিক হয়ে যায়। ধৈর্য, সঠিক খাওয়ানোর কৌশল আর ভালোবাসাই সবচেয়ে বড় ওষুধ। 🌼



#পেটফাঁপা

🌴 ত্বকের যত্নে নারকেল তেল – প্রকৃতির এক অসাধারণ উপহার! 🌴নারকেল তেল শুধু রান্নাঘরের জন্য নয়, আমাদের ত্বকের জন্যও এক অনন্য...
14/11/2025

🌴 ত্বকের যত্নে নারকেল তেল – প্রকৃতির এক অসাধারণ উপহার! 🌴

নারকেল তেল শুধু রান্নাঘরের জন্য নয়, আমাদের ত্বকের জন্যও এক অনন্য বন্ধু। শত শত বছর ধরে এটি প্রাকৃতিক স্কিন কেয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

✨ ত্বকের জন্য নারকেল তেলের উপকারিতা:

1️⃣ প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার – শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বককে কোমল ও আর্দ্র রাখে।

2️⃣ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সুরক্ষা – ভিটামিন E সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি ত্বককে ফ্রি-র‌্যাডিক্যাল ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

3️⃣ অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল – হালকা সংক্রমণ বা ফাঙ্গাল সমস্যায় সহায়ক ভূমিকা রাখে।

4️⃣ ত্বককে শান্ত করে – হালকা রোদে পোড়া বা ইনফ্লেমড ত্বকে আরাম দেয়।

5️⃣ বার্ধক্যের ছাপ কমাতে সহায়তা করে – নিয়মিত ব্যবহার ত্বককে মসৃণ ও উজ্জ্বল রাখে।

💡 ব্যবহারের টিপস
রাতে ঘুমানোর আগে বা গোসলের পর হালকা গরম নারকেল তেল মুখ বা শরীরে লাগাতে পারেন।

⚠️ সতর্কতা
যাদের মুখে বারবার ব্রণ হয়, তাদের মুখে সরাসরি ব্যবহার না করাই ভালো—কারণ এটি পোর বন্ধ করতে পারে।

🍶 প্রকৃতির এই উপহারটি নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক পাবে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ও কোমলতা। 🌿




#ত্বকের_সচেতনতা
Shubhojit Pal -DMF

হঠাৎ করে পুরো শরীরে লালচে ফুঁসকুড়ি আর প্রচণ্ড চুলকানি? সতর্ক হোন, এটা হতে পারে অ্যালার্জিক র‍্যাশ (Urticaria)!★কি লক্ষণ?...
14/11/2025

হঠাৎ করে পুরো শরীরে লালচে ফুঁসকুড়ি আর প্রচণ্ড চুলকানি? সতর্ক হোন, এটা হতে পারে অ্যালার্জিক র‍্যাশ (Urticaria)!

★কি লক্ষণ?

- লালচে বা সাদা ফুলে ওঠা দানা বা চাকা

- প্রচণ্ড চুলকানি

- কোনো সময় মুখ বা চোখের আশেপাশে ফুলে যাওয়া

- হঠাৎ শুরু হয়ে কিছু ঘণ্টায় সেরে যায়, আবার ফিরে আসে

‌★কেন হয়?

🦐 খাবার (চিংড়ি, ডিম, গরুর মাংস)🥚🍤🦀🦑🍗🍆

💊 ওষুধ (পেইনকিলার, অ্যান্টিবায়োটিক)

🦠🌹ধুলা, গন্ধ, ফুলের পরাগ

😔🌋❄️স্ট্রেস, গরম বা ঠান্ডা আবহাওয়া

কি করবেন?
✔️ দ্রুত অ্যালার্জেন থেকে দূরে থাকুন
✔️ ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল দিন
✔️ হাতের কাছে অ্যান্টিহিস্টামিন থাকলে নিতে পারেন (চিকিৎসকের পরামর্শে)

কি করবেন না?
✖️ নিজের মনে স্টেরয়েড খাবেন না
✖️ চুলকাতে চুলকাতে ত্বক ক্ষত করবেন না
✖️ বারবার সমস্যা হলে অবহেলা করবেন না

উপসংহার:
Urticaria ছোট রোগ মনে হলেও দীর্ঘমেয়াদে হলে জীবনের মান নষ্ট করে দিতে পারে। বারবার হলে এলার্জি টেস্ট ও চর্মরোগ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

#ত্বকের_সচেতনতা
শুভজিত কুমার পাল -ডিএমএফ

বর্তমান সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে হ্যান্ড ফুট এন্ড মাউথ ডিজিজ (HFMD) একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাল রোগ, যা সাধারণত ছোট শিশুদ...
13/11/2025

বর্তমান সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে হ্যান্ড ফুট এন্ড মাউথ ডিজিজ (HFMD)

একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাল রোগ, যা সাধারণত ছোট শিশুদের মধ্যে দেখা যায় এবং এর প্রধান লক্ষণগুলো হলো জ্বর, মুখে ঘা এবং হাত ও পায়ে ফুসকুড়ি বা ফোসকা। এটি এন্টারোভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট, বিশেষ করে কক্সস্যাকিভাইরাস।
এই রোগটা অনেকটা চিকেন পক্স এবং স্কাবিসের মতো দেখতে। তাই ডাক্তার দেখে কনফার্ম হবেন আসলে কোন রোগ

#লক্ষন:
১) HFMD হলে সাথে অল্প বা বেশি জ্বর থাকতে পারে
২) গলা ব্যথা হতে পারে, যার ফলে খাওয়া বন্ধ করে দিতে পারে এবং লালা পড়তে পারে
৩) ফুসকুড়ি পায়ের হাঁটুর ভাজে, হাতে বেশি হবে। তাছাড়া মুখের ভিতরে ও ঠোঁটের আসেপাশে, নিতম্বে (পা*ছায়), সারা শরীরে থাকতে পারে।
৪) প্রথম অবস্থায় ফুসকুড়ির ভিতর পানি দেখা যাবে, পরবর্তীতে নিজে নিজেই গলে শুকিয়ে কালো হবে
৫) HFMD সাধারণত ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।
৬) এই রোগে এন্টিবায়োটিকের প্রয়োজন নেই। প্যারাসিটামল, এন্টিহিস্টামিন, এবং তরল খাবার সাজেস্ট করা হয়। অ্যান্টিভাইরাল ঔষধ নিয়ে মতভেদ রয়েছে।

ডাক্তারের প/রাম/র্শ নিতে
Whatsapp: 01721877054





#চর্মরোগ
#স্বাস্থ্য_সচেতনতা

💮💮 শীতকালে ঠান্ডা লাগার সাথে শিশুদের ডায়রিয়া হওয়ার কারণ হলো বিভিন্ন ভাইরাস, যেমন রোটাভাইরাস। এই সমস্যা প্রতিরোধের জন্...
13/11/2025

💮💮 শীতকালে ঠান্ডা লাগার সাথে শিশুদের ডায়রিয়া হওয়ার কারণ হলো বিভিন্ন ভাইরাস, যেমন রোটাভাইরাস। এই সমস্যা প্রতিরোধের জন্য শিশুকে গরম রাখা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস করা জরুরি। ডায়রিয়া হলে শিশুকে প্রচুর পরিমাণে জল, ঝোল এবং ওরস্যালাইন দিতে হবে, পাশাপাশি ডাক্তারের পরামর্শও নিতে হবে।

# #কারণ:
**ভাইরাল সংক্রমণ: রোটাভাইরাস, এডিনোভাইরাস এবং নোরোভাইরাসের মতো ভাইরাসগুলো শীতকালে শিশুদের ডায়রিয়ার প্রধান কারণ হতে পারে।

**ঠান্ডা পরিবেশ: ঠান্ডা পরিবেশ অন্ত্রের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

# #লক্ষণ:
**ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হওয়া (দিনে তিনবারের বেশি)।
**পায়খানার সাথে সর্দি-কাশির মতো ঠান্ডা লাগার লক্ষণ থাকা।

# #প্রতিরোধের উপায়:
**গরম রাখা: ঠান্ডা আবহাওয়ায় শিশুকে গরম জামাকাপড় পরান এবং শরীর ঢেকে রাখুন।
**পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: নিয়মিত হাত ধোয়া এবং নোংরা হাতে মুখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
**টিকা: শিশুদের সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় টিকা দিন।

# #চিকিৎসার উপায় :
**প্রচুর তরল পান: শিশুর শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া জল ও লবণের ঘাটতি পূরণের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে জল, ঝোল, এবং ওরস্যালাইন (ওআরএস) দিন।
**স্তন্যপান/ফর্মুলা: যারা বুকের দুধ পান করে, তাদের স্তন্যপান করিয়ে যান। ফর্মুলা ফিডও স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যান।
**সঠিক খাবার: ভাতের জল, কলা, এবং সহজে হজম হয় এমন নরম খাবার দিন।

# #কখন ডাক্তার দেখাবেন:
যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডায়রিয়া না কমে, অথবা যদি শিশুর ডিহাইড্রেশন বা অন্য কোনো গুরুতর উপসর্গ দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।

#স্বাস্থ্য_সচেতনতা


13/11/2025
👶বাচ্চাদের কাশিসাধারণ সর্দি-কাশি হলে অনেক সময় মা-বাবা শিশুকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান বা শিশুর যাতে নিউমোনিয়া না হয় সেজন্...
13/11/2025

👶বাচ্চাদের কাশি

সাধারণ সর্দি-কাশি হলে অনেক সময় মা-বাবা শিশুকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান বা শিশুর যাতে নিউমোনিয়া না হয় সেজন্য ডাক্তারও অ্যান্টিবায়োটিক বা ইনজেকশন লিখে দেন। নিউমোনিয়ার চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন এটা সত্য; কিন্তু অকারণে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে অনেক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। সাধারণ সর্দি, কাশি, জ্বরের চিকিৎসা বাড়িতেই করা সম্ভব। কারণ সব কাশিই নিউমোনিয়া নয়। সাধারণত শিশুরা সর্দি, কাশি, হাঁচি, জ্বরসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। এদের প্রায়ই নাক বন্ধ থাকে। দুধ খাওয়ার বা ঘুমানোর সময় নাকে-বুকে শব্দ হয়। মা-বাবা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন, সোনামণির কি কোনো বড় রোগ হলো?

👉এসব লক্ষণ দেখা দিলে, শিশুর কোনো গুরুতর সমস্যা বা নিউমোনিয়া হয়েছে ভেবে ঘাবড়ে যাবেন না। শিশুদের কিন্তু নিউমোনিয়ার চেয়ে ব্রঙ্কিওলাইটিস নামক ভাইরাসজনিত রোগই বেশি হয়। এটি আজকাল খুব বেশি দেখা যাচ্ছে। অনেক সময় চিকিৎসকরাও এতে ভুল করেন। মনে রাখতে হবে, ব্রঙ্কিওলাইটিস সাধারণত দুই বছরের কম বয়সী শিশুর হয়।

👹 রেসপিরেটরি সিনথেটিয়াল ভাইরাসের কারণে এ রোগ হয়।

🖐️ তবে পাঁচ বছরের নিচের বাচ্চারাও এতে আক্রান্ত হতে পারে। সামান্য জ্বর, হাঁচি- কাশি, সর্দি, নাক বন্ধ উপসর্গ দিয়ে এ রোগ শুরু হয়। এর দু'একদিন পর দেখা যায় এই শিশুদের শ্বাসকষ্ট, বুকের মধ্যে শোঁ শোঁ আওয়াজ এবং কাশি হয়। এ লক্ষণ দেখা দিলেই বোঝা যাবে শিশু ব্রঙ্কিওলাইটিসে আক্রান্ত হয়েছে।

এ রোগে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয় না। তিন দিন থেকে বাচ্চা ভালো হতে শুরু করে, যদিও শ্বাসকষ্ট থাকে। পাঁচ-সাত দিনে তারা ভালো হয়ে যায়। এই রোগের চিকিৎসা বাড়িতেই সম্ভব।

🫱বাড়িতে কী করবেন :

১.শিশুকে বারবার বুকের দুধ দিন।
২.ফলমূলসহ পরিবারের সব খাবার শিশুকে খেতে দিন। অনেকের ধারণা সর্দি-কাশি থাকলে কলা, কমলা বা অন্যান্য ফল শিশুকে দেওয়া যাবে না। এ ধারণা ভুল।
৩.শিশুকে প্রতিদিন গোসল করান। শীতে একদিন পর পর কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করাবেন।
৪.শিশু স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে এমন কাপড় পরান।
৫.নাক বন্ধ থাকলে নাক পরিষ্কার করে দিন। লবণ পানি বা বাজারে নরসল ড্রপ পাওয়া যায়। এই ড্রপ দিনে ৪ থেকে ৫ বার নাকে দিতে পারেন।
৬.জ্বর থাকলে প্যারাসিটামল দিন (জ্বর ১০০-এর ওপরে হলে)। কী মাত্রায় খাওয়াবেন তা ওষুধের প্যাকেটে লেখা থাকে।
৭.কাশি থাকলে সামান্য গরম পানিতে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে খেতে দিন। তুলসি পাতা, আদার রস ও মধু কাশি কমায়।

👍👍কাশি বেশি হলে, কাশির সঙ্গে শব্দ হলে বা কাশির জন্য শিশু ঘুমাতে না পারলে ওষুধ প্রয়োজন।
✍️প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
👇কখন হাসপাতালে নিতে হবে:
১.শিশু দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস নিলে
২.পাঁজরের নিচের অংশ ভেতরের দিকে দেবে গেলে
৩.শ্বাসকষ্ট হলে
৪.শ্বাসকষ্টের জন্য খেতে না পারলে
৫.খিচুনি হলে বা বমি করলে
৬.শিশু নিস্তেজ হয়ে গেলে।

চর্মরোগ নিয়ে প্রচলিত কিছু কুসংস্কার ও তার বাস্তবতা (Myth vs Fact)✅ Myth: চর্মরোগ ছোঁয়াচে, তাই দূরে থাকতে হবে।👉 Fact: স...
13/11/2025

চর্মরোগ নিয়ে প্রচলিত কিছু কুসংস্কার ও তার বাস্তবতা (Myth vs Fact)

✅ Myth: চর্মরোগ ছোঁয়াচে, তাই দূরে থাকতে হবে।

👉 Fact: সব চর্মরোগ ছোঁয়াচে না। যেমন- সোরিয়াসিস, শ্বেতী (Vitiligo), একজিমা ইত্যাদি একেবারেই ছোঁয়াচে নয়। তবে ফাঙ্গাল ইনফেকশন, স্ক্যাবিসের মতো কিছু রোগ ছোঁয়াচে।

✅ Myth: চর্মরোগ হলেই লেবু, লবণ, মধু লাগালে ঠিক হয়ে যায়।

👉 Fact: এই ধরনের ঘরোয়া টোটকা অনেক সময়ে রোগ বাড়িয়ে তোলে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কিছু লাগানো উচিত নয়।

✅ Myth: শরীরের ভিতরের জ্বর বা রক্তের দোষ থেকে চর্মরোগ হয়।

👉 Fact: এ ধারণা ভুল। চর্মরোগ সাধারণত জীবাণু সংক্রমণ, অ্যালার্জি, প্রদাহ, হরমোনজনিত সমস্যা বা জেনেটিক কারণে হয়।

✅ Myth: শ্বেতী (Vitiligo) হলে বংশে সবাই আক্রান্ত হবে।

👉 Fact: শ্বেতী জেনেটিক হলেও পরিবারের সবাই আক্রান্ত হয় না। অনেক সময় পরিবারে প্রথমও হতে পারে।

✅ Myth: দাদ/ফাঙ্গাল ইনফেকশন লম্বা সময় চিকিৎসা করলে কিডনি নষ্ট হয়।

👉 Fact: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ওষুধ সঠিক মাত্রায় নিলে ক্ষতি হয় না। বরং চিকিৎসা না করলে রোগ বেশি ছড়ায়।

🔎 শেষ কথা:
চর্মরোগ নিয়ে কুসংস্কার নয়, বরং সঠিক তথ্য ও চিকিৎসা নিন। ভুল ধারণা শুধু রোগ বাড়ায়, সম্পর্ক নষ্ট করে। সন্দেহ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


Shubhijit Kumar pal- DMF
শুভজিত কুমার পাল - ডিএমএফ

Address

Nawabganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shubhojit kumar pal -DMF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category