13/03/2026
স্ট্রোক হলো এমন একটি গুরুতর রোগ, যেখানে মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত সরবরাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় বা কোনো রক্তনালী ফেটে যায়। ফলে মস্তিষ্কের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শরীরের বিভিন্ন কাজ ব্যাহত হতে পারে। স্ট্রোক সাধারণত দুই ধরনের— ইস্কেমিক স্ট্রোক (রক্তনালী বন্ধ হয়ে যাওয়া) এবং হেমোরেজিক স্ট্রোক (রক্তনালী ফেটে যাওয়া)।
স্ট্রোকের প্রধান ঝুঁকির কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান, উচ্চ কোলেস্টেরল, স্থূলতা এবং অনিয়মিত জীবনযাপন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ে।
স্ট্রোকের সাধারণ লক্ষণ হলো হঠাৎ শরীরের এক পাশ দুর্বল বা অবশ হয়ে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া বা কথা বলতে অসুবিধা হওয়া, হঠাৎ চোখে কম দেখা বা ডাবল দেখা, মাথা ঘোরা এবং ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিতে হবে, কারণ স্ট্রোকের চিকিৎসায় সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
স্ট্রোক প্রতিরোধের জন্য নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান পরিহার করা, স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করা এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা জরুরি। সচেতনতা এবং দ্রুত চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে স্ট্রোকের জটিলতা কমানো সম্ভব।
নিচের সিটিস্ক্যানটি একটি ইস্কেমিক স্ট্রোকের সিটিস্ক্যান রিপোর্ট।
রোগীটি এখন নিয়মিত আমার কাছে চিকিৎসা নিচ্ছে।