ডাঃ মেজবাউল মোকার রবিন

ডাঃ মেজবাউল মোকার রবিন Early to bed and early to rise makes a man healthy, wealthy and wise.

21/04/2025
21/09/2022

রোগীরা প্রায়ই জিজ্ঞেস করেন—‘আমার জীবনে কোন ঝামেলা নাই, টেনশন নাই, আমার কেন ডিপ্রেশন হবে?’
হতে পারে। এটা মোটেও অসম্ভব নয়। ছয়–সাত বছরের ছোট বাচ্চারা—যারা এই জীবনের ভালো–মন্দ , ঝামেলার কোন কিছুই বুঝতে শেখেনি, তাদেরও ডিপ্রেশন হয়। জীবনের আপাত সমস্যাগুলো এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন হলেও একদম অপরিহার্য নয়।
ডিপ্রেশন এর মত গুরুতর সমস্যাকে অবহেলা করবেন না।

03/07/2022

দুর্ঘটনায় বিচ্ছিন্ন অঙ্গ সংরক্ষন করে কিভাবে হাসপাতালে আনবেনঃ
কোরবানির ঈদে অনেক অপেশাদার সাধারন মানুষ পশুর মাংস প্রস্তুতে নিযুক্ত হন।কাটাকাটির অভিজ্ঞতা না থাকায় অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হন।বিশেষ করে ভারি ধারালো অস্ত্র দিয়ে সজোড়ে হাড় কাটার সময় কারো পুরো আঙ্গুল হয়ত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।কোরবানির ঈদে এই ঘটনা বিরল নয়।প্রতি বছর ই বড় ঈদে দেশের প্লাস্টিক সার্জনদের কাছে এমন অনেক কেস আসে।কিন্তু সঠিক সময়ে পৌঁছাতে না পারায় এবং সঠিক পদ্ধতিতে সংরক্ষন করে না আনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে কাংখিত ফলাফল দেয়া সম্ভব হয় না।
শুধু কোরবানির কাটাকাটি ছাড়া ও মারামারি বা রোড ট্রাফিক এক্সিডেন্টে ও কারো অঙ্গ বিচ্ছিন্ন হতে পারে। বিচ্ছিন্ন অঙ্গ কেউ পুণঃসংযোজন করতে চাইলে আসতে হবে মাইক্রোসার্জারিতে পারদর্শী একজন প্লাস্টিক সার্জনের কাছে।আমরা সাধারন মানুষ বিচ্ছিন্ন অঙ্গের সংরক্ষন পদ্ধতি জানিনা এবং কত সময়ের মধ্যে আসতে হবে তাও জানিনা।
বিচ্ছিন অঙ্গটি (আঙ্গুল,হাত বা পা) প্রথমেই নরমাল স্যালাইন দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।নরমাল স্যালাইন পাওয়া না গেলে পরিষ্কার পানি দিয়ে খুব দ্রুত পরিষ্কার করে নিলেও চলবে।তারপর একটি পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে শুকিয়ে ফেলতে হবে।শুকনো অঙ্গটি একটি পরিষ্কার পলিথিনে ভরে পলিথিনের মুখ ভালভাবে আটকে নিতে হবে।অতপর একটি আইস বক্সে বরফ দিয়ে সেখানে পলিথিনে ভরা অঙ্গটি সংরক্ষন করতে হবে।যদি আইস বক্স না পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে অন্য একটি পলিথিনে বরফ নিয়ে তার ভিতর পলিথিনে মোড়ানো অঙ্গটি সংরক্ষন করা যাবে।
বরফ দেয়ার উদ্দেশ্য হল দীর্ঘ সময় যেন সতেজ থাকে অঙ্গটি।তাই পরিবহনের সময় প্রয়োজনে মাঝপথে বরফ সংযোজন করা যাবে।
অঙ্গহানির ৬ ঘন্টার মধ্যে নির্দিষ্ট হাসপাতালে পৌঁছাতে হবে।এই ক্ষেত্রে সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।তাই সবচে ভাল হয় যদি রওয়ানা দেয়ার পুর্বেই মাইক্রোসার্জারিতে অভিজ্ঞ একজন প্লাস্টিক সার্জনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করে রওয়ানা দেয়া যায়,যাতে সেই সময়ের মধ্যে সার্জন তার টিম ও অপারেশন থিয়েটার প্রস্তুত করে ফেলতে পারে।

© ডা. কামরুল ইসলাম মামুন

23/06/2022

কিছু উদাহরন দিয়ে সাধারন হিসেব আর মেডিকেলীয় হিসেবের পার্থক্য দেখাই,
#উদাহরন-১
❏ ঘটনাঃ
রোগীর প্রেশার অনেক। ২২০/১৪০।
❏ সাধারন হিসাবঃ
“ডাক্তার সাব, এক ঘন্টা হয় রোগী আনলাম এখনো প্রেশার কমিয়ে স্বাভাবিক করতেসেন না ক্যান?? এখনো ১২০/৮০ তে না নামাতে পারলেন না। আপনার চিকিৎসা তো ভালো না।”
❏ মেডিকেলীয় হিসাবঃ
একজন তীব্র হাই প্রেশারের রোগীর প্রেশার কখনোই হঠাৎ করে নরমালে আনতে নেই। ঐ ব্যাক্তিকে ঔষধ দিয়ে যদি সাথে সাথে প্রেশার নরমালে আনার চেষ্টা করা হয়, তাইলে উনি স্ট্রোক করতে পারেন। ধাপে ধাপে সময় নিয়ে প্রেশার নরমালে আনতে হবে।

#উদাহরন-২
❏ ঘটনাঃ
রোগীর ডাইরিয়া। ১৫-২০ বার হয়ছে।
❏ সাধারন হিসাবঃ
হাসপাতালে নিবো যেন ডাক্তার সাহেবেরা এক্ষন ডাইরিয়া বন্ধ করে দেন। ব্রেক কষাইতে হবে। নাইলে সর্বনাশ!!
“ও ডাক্তার সাব, রোগী হাসপাতালে আনলাম ৬ ঘন্টা, এখনো পাতলা পায়খানা বন্ধ করলেন না। খালি স্যালাইন পুশ দিতেসেন লিটারের পর লিটার। ঘটনা কি?”
❏ মেডিকেলীয় হিসাবঃ
ডাইরিয়া বন্ধ ধীরে সুস্থে হবে। আগে রোগীর শরীর থেকে যে ২-৩ লিটার পানি বেরীয়ে গেছে সেটা ভরতে হবে। প্রয়োজনীয় এন্টিবায়োটিকের সাহাজ্যে ডাইরিয়া ধীরে ধীরে সময় নিয়ে থামুক, নো প্রবলেম। কিন্তু শরীরে পানি যেন ঠিক থাকে। নইলে সর্বনাশ। কিডনী ফেল হবে।
#উদাহরন-৩
❏ ঘটনাঃ
মোটা হওয়া।
❏ সাধারন হিসাবঃ
মোটা হবার আসল কারন হচ্ছে তেল চর্বী জাতীয় খাবার। মুরগীর মাংস গরুর মাংস। যেমন এক ভদ্রমহিলার ভাষ্য,
“ও ডাক্তার সাব!!!, আমি তো কিছুই খাই না। মাছ মাংস সব বাদ দিসি। তাও দিনে দিনে মোটা হইতেসি ক্যামনে? রহস্য কি??”
❏ মেডিকেলীয় হিসাবঃ
মানুষের মোটা হবার পিছনে আসল কারন ভাত, চিনি, মিষ্টি, চকলেট.. ইত্যাদি অর্থাৎ শর্করা জাতীয় খাবার বেশী খাওয়া এবং বসে বসে শারিরীক পরিশ্রম ছাড়া দিন পার করা। চর্বি জাতীয় খাবারই আসল কারন না।
তো উপরের ভদ্রমহিলা সকালে চা তে তিন কাপ চিনি খান, দুপুরে ভরপেট ভাত খেয়ে একটা ভাতঘুম দেন। এগুলো যে মোটা হবার কারন, তা তিনি জানেন ই না। তাই রহস্য বুঝছেন না।


#উদাহরন-৪
❏ ঘটনাঃ
স্বপ্নদোষ..
❏ সাধারন হিসাবঃ
স্বপ্নদোষ হলে শরীরের বিরাট ক্ষতি হয়। শরীর থেকে সব শক্তি বেরীয়ে যায়। দূর্বল হয়ে যেতে হয়। শুকিয়ে যেতে হয়।
❏ মেডিকেলীয় হিসাবঃ
রাস্তায় লাগানো কলিকাতা হারবাল এর পোষ্টার গুলো পড়া বাদ দেন ভাই। পায়ে ধরি।
স্বপ্নদোষ ন্যাচারাল ঘটনা। এতে কোন শারিরীক ক্ষতি হবার কথা না। ওসব পোষ্টার পড়ে পড়ে মনের ভিতর ভয় ঢুকে থাকে সবার। স্বপ্নদোষ হলেই ভাবে কি না কি হয়ে গেল।
মানসিক দূর্বলতা থেকে শরীর ও দূর্বল হয়। মন দূর্বল হয়।

#উদাহরন-৫
❏ ঘটনাঃ
হাত বা পা ভাঙ্গা/মচকানো।
❏ সাধারন হিসাবঃ
হাতে পায়ে মচকেছে বা ভেঙেছে মানে হলো সেখানে মালিশ দিলে ভালো। গরম সেক দিলে আরো ভালো। আরাম হবে।
❏ মেডিকেলীয় হিসাবঃ
হঠাৎ হাতে পায়ে আঘাত পেয়ে ভাংলে বা মচকালে কখনোই মালিশ বা গরম সেক দিতে হয় না।
দরকারে নীচে বালিশ দিয়ে হাত বা পা উচু করে রাখতে হয় এবং ওখানে ঠান্ডা সেক দিতে হয়।
গরম সেক বা মালিশ দিলে নিমিষের মাঝে যায়গাটা ডাবল ফুলে উঠবে। ব্যথা বাড়বে। রক্ত জমাট বাড়বে। এমনকি ফুলে গিয়ে রক্তনালী ও ব্লক হতে পারে।

:::
মূল কথা হলো, কোন মেডিকেল ইস্যু তে কমন সেন্স খাটিয়ে কোন ছোট বড় সিদ্ধান্ত নেবার আগে একবার অন্তত পরিচিত ডাক্তার কে জিজ্ঞাসা করে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।
কারন এসব ক্ষেত্রে শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রেই কমন সেন্স ধোঁকা দেয়।

27/01/2022

"হজম শক্তি কম" ভেবে ভেবে জীবনের অর্ধেক টা পার হয়ে গেল!

পরে দেখা গেল, আসলে মানসিক শক্তি কম!!

বিজয় দিবসে সারাদিন ব্যাপি " বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা" প্রদান।
17/12/2021

বিজয় দিবসে সারাদিন ব্যাপি " বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা" প্রদান।

30/08/2021

কুসুম গরম পানিতে গোসল করার উপকারিতা -

১) ভাল ঘুমে সহায়তা করে ( সন্ধ্যার পরে গোসল করলে)।
২) মাংসপেশী শিথিল করে ব্যথা, অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে।
৩) রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।
৪) শরীরের বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধির মাধ্যমে চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে কিছুটা।
৫) কর্মব্যস্ত দিন শেষে একটি হট শাওয়ার আপনাকে ভীষণ রিল্যাক্স করে দিতে পারে। 🙂

22/03/2021

▶️ কিভাবে কাটবে সামাজিক ভীতি?
▶️ কিভাবে নিজেকে আকর্ষনীয় এবং গ্রহণযোগ্য করে তুলবেন?
▶️ কিভাবে বদলাবেন আপনার শরীরী ভাষা বা বডি ল্যাংগুয়েজ।

আপনি কি নতুন মানুষের সাথে নতুন পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে ব্যর্থ হন? তাহলে হয়তো বা আপনার শরীরী ভাষাই আপনার জন্যে বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে অন্যদের কাছে যাবার৷ কিভাবে বদলাবেন আপনার শরীরী ভাষা? কিভাবে দূর করবেন সামাজিক ভীতি?

কয়েকটি টিপস আপনাদের জন্যে-
✴️ একটু হাসি দিতে পারেন?
প্রথম পরিচয়ে প্রথম দেখায় একটি মৃদু হাসি দিন। চেষ্টা করবেন অতিমাত্রায় কৃত্রিম হাসি না দেবার।
✴️ নিজেকে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করবেন না-
যখন একসাথে সবার সাথে আছেন, মোবাইল ফোনে বা খবরের কাগজে মনোযোগ স্থাপন না করে নিজেকে মেলে ধরুন, যে বিষয়ে আপনি স্বস্তি বোধ করেন সে বিষয়ে আলাপ করতে পারেন।
✴️ যতটা সম্ভব ঘাড় সোজা,পিঠ সোজা, মাথা সমুন্নত -
মাথা নীচু করে থাকবেন না। আপনার মুখ দেখতে না পেলে আপনার প্রতি যে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে অপরপ্রান্ত থেকে! মাথাটা সোজা করে একটু কিছুক্ষণ একা একাই বসে দেখুন না, নিজেকে কতটা স্মার্ট লাগছে!
✴️ চোখে চোখ রাখুন -
একটি সহজ সূত্র বলি। কারও সাথে কথা বলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মোটামুটি ৬০% সময় চোখে চোখ রেখে কথা বলুন। চোখ নামিয়ে সর্বক্ষণ কথা বললে আপনাকে আত্নবিশ্বাসহীন, উদাসীন, আগ্রহহীন বা অবিশ্বস্ত মনে হয়। কাঁচুমাচু করে জড়োসড়ো হয়ে কখনোই বসবেন না যাতে আপনাকে দেখেই মনে হয় আপনি পালাতে চাচ্ছেন।
✴️ মুখোমুখি বসে থাকার চেষ্টা করুন, এড়িয়ে চলার প্রবণতা যেন শরীরী ভাষায় প্রকাশ না পায়।
✴️ কিছু অভ্যাস ত্যাগ করুন
কথা বলার সময় মুখে হাত দেয়া, নাকে হাত দেয়া,মাথা চুলকানো, কলম ঝাকানো ইত্যাদি করা যাবেনা।। হাতদুটো আরাম করে চেয়ারের হাতলে রাখুন। প্রয়োজনে ধীরে ধীরে দুইএকবার শ্বাস নিন। এরপর কথা বলুন।
✴️ একটু একটু মাথা নাড়ান,প্রশ্ন করুন -
যার সাথে বসে কথা বলছেন, তার কথা আপনি শুনছেন বা বুঝছেন তা বোঝানোর জন্যে মাঝে মাঝে মৃদু মাথা দোলাতে পারেন।কিছু না বুঝলে নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। কথোপকথন শেষে সারসংক্ষেপ করুন আবার।
✴️ পজিটিভ থাকুন, পজিটিভ ভাবুন -
অন্যের প্রশংসা করুন,খারাপ দিকগুলো উপেক্ষা করা শিখুন। কেউ আপনার প্রশংসা করলে লজ্জা পাবেন না। মৃদু হেসে ধন্যবাদ দিন বিনয়ের সাথে।নিজে পজিটিভ হয়েই দেখুন, পজিটিভ মানুষজন ও আপনার প্রতি আকৃষ্ট হবে।

❤শুভকামনা নিরন্তর। ❤

15/03/2021

কোভিড ১৯ এর যে স্ট্রেইনটি এখন সার্কুলেট করছে তা মনে হচ্ছে মারাত্মক সংক্রামক। খুব দ্রুত বাড়ছে আক্রান্তের হার।

গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্তের হার ছিল ৭.১৫% ও মৃতের সংখ্যা ১৮ জন। ঢাকা মেডিকেল কলেজে আজ আক্রান্তের হার ২৪.২%, তাদের মাঝে ৫ জন চিকিৎসক।

যারা কোন রকম স্বাস্থ্যবিধি না মেনে, মাস্ক না পরে অথবা ভুল ভাল মাস্ক পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, হ্যাং আউট করছেন, তাদের বয়স ১৫-৪৫ বছর। কিন্তু হাই রিস্ক গ্রুপ হচ্ছে পঞ্চাশোর্ধ অথবা যাদের কোমর্বিডিটি আছে।

কম বয়সী যারা ঘুরাঘুরি করছেন তারা হয়তো উপসর্গবিহীন বা মৃদু উপসর্গযুক্ত রোগে আক্রান্ত হবেন। ফলে টেস্ট করাবেননা। এদিকে বাসার বয়স্ক মানুষের মাঝে ছড়িয়ে তাদের জীবনটাকে মৃত্যু ঝুঁকিতে ফেলে দেবেন।

কোভিড সংক্রমন রোধে Young generation ঠিকমত স্বাস্থ্য বিধি মেনে না চললে, ভয়ংকর ভবিষ্যতের দিকে যাবো আমরা।

দয়া করে মাস্ক পরুন
দুটি নয়, একটি মাস্ক পরুন। কারন দুটি মাস্ক পরলে দ্বিতীয় মাস্কের উপরে এবং দুই মাস্কের মাঝামাঝি জায়গায় ভাইরাস জমা হতে পারে।
ঠিক মত মাস্ক পরুন।

May Allah help us All

ডা. নুসরাত সুলতানা
সহকারী অধ্যাপক
ভাইরোলজি বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ

06/02/2021

কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন কারা নিতে পারবেন, কারা পারবেননা, এ নিয়ে অনেকেই ধন্দে আছেন। আপনারা সকলেই খুব ভাল করে জানেন কোভিড-১৯ রোগটি সাধারনত বয়স্ক ও কো-মরবিড দের ক্ষেত্রে মারাত্মক আকার ধারন করে এবং ৮০ শতাংশ মানুষ উপসর্গহীন বা মৃদু উপসর্গযক্ত হয়ে থাকেন। ফলে ভ্যাক্সিনটির টার্গেট গ্রুপ হচ্ছে মূলত বয়স্ক ও কোমর্বিডরা।

যারা ভ্যক্সিন নিতে পারবেনঃ

🌸যাদের হার্ট , লিভার, কিডনীতে রোগ আছে
🌸এজমা আক্রান্ত রোগী
🌸ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী
🌸ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত (যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস বা উচ্চরক্তচাপ আছে, তারা নিয়ন্ত্রনের পর ভ্যাক্সিন দিতে পারবেন।)
🌸যারা রোগপ্রতিরোধ কমে যায় এমন ঔষধ সেবন করেন।
🌸যারা কেমোথেরাপী নিচ্ছেন
🌸যারা কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়েছেন, আক্রান্ত হওয়ার ৬ সপ্তাহ পরে ভ্যাক্সিন নিতে পারবেন

যারা ভ্যক্সিন নিতে পারবেন নাঃ

🌸যাদের বয়স ১৮ বছরের নীচে
🌸গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মা। সিডিসি মতে, দুগ্ধদানকারী মা যাদের কোভিড১৯ রোগীর সংস্পর্শে নিয়মিত আসতে হয় তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভ্যাক্সিন নিতে পারবেন। উচ্চ ঝুঁকি সম্পন্ন গর্ভবতী নারী এ বিষয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে পারেন।

অনেকেই জানতে চান, যাদের এলার্জি আছে, তারা ভ্যাক্সিন নিতে পারবেন কি না? একেকজন মানুষ একেকটি বস্তুতে এলার্জিক। কারো খাবারে, কারো কোন নির্দিষ্ট ঔষধে, কারো ধুলাবালিতে কারো বা ঠান্ডায়। তাই ভ্যাক্সিনে এলার্জি আছে কিনা তা প্রথম ডোজ দেয়ার আগে বোঝা সম্ভব নয়। যে কোন এলার্জেনের ক্ষেত্রে প্রথম এক্সপোজারে মৃদু উপসর্গ হয়, যেমন চুলকানি, র‍্যাশ ইত্যাদি। ভ্যাক্সিনের প্রথম ডোজে এমন উপসর্গ হলে পরবর্তী ডোজের ব্যপারে দয়া করা ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন।

অক্সফোর্ড ভ্যাক্সিনে জানামতে কোন পরিচিত এলার্জেন নেই। তবে ফাইজারে পলি ইথিলিন গ্লাইকল নামে একটি এলার্জেন আছে। তাই যাদের ফাইজারের ভ্যাক্সিনে এলার্জি আছে তারা অক্সফোর্ড ভ্যাক্সিন নিতে পারেন।

ভ্যাক্সিন নিয়ে ভীত হওয়ার কিছু নাই।

আল্লাহপাক আমাদের সকলকে সুস্থ রাখুন।

ডাঃ নুসরাত সুলতানা
সহকারী অধ্যাপক
ভাইরোলজী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ

some common skin diseases.
12/01/2021

some common skin diseases.

25/12/2020

দোকানদারকে ডাক্তার ডাকা বন্ধ করুন, তাদের দেয়া পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন আর নয়, সচেতন হোন ও এম,বি,বি,এস চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা সেবা নিতে ফ্রী কল করুন জাতীয় কল সেন্টার ৩৩৩ এ ।
আসুন আমরা জেনে নেই এই বিষয়ে একজন ভাইরোলজিস্টের বিশেষজ্ঞ মতামত।

"একটু জ্বর জ্বর, হালকা কাশি, সর্দি অথবা ডায়রিয়া হলে আপনি ঔষধের দোকান থেকে Tab Azithromycin (Zimax বা zithrin), Cefixim (Cef3, Cefim3), Tab Ciprofloxacin (Ciprocin, Neofloxin), Tab Metronidazole ( Flagyl, Filmet, Amodis, Metro) ইত্যাদি এন্টিবায়োটিক কিনে নিজে তো সেবন করেনই, আশে পাশের মানুষদেরও সেবন করার উপদেশ দেন। ঔষধ খাওয়ার পর সুস্থ হলেই আপনার মনে হয়, ঔষধে কাজ করেছে। ফলে যতবার একই ধরনেএ উপসর্গ হয় ততবার আপনি ফার্মেসী থেকে উপরোক্ত ঔষধ কিনে খান। আপনাকে অনেক মানুষ অনুসরণ করে একই কাজ করে। আপনি অনেকের কাছে বাহবা পান, কারন আপনার কারনেই তাদের ডাক্তারের ভিজিট বেঁচে যাচ্ছে। শুধু কি তাই? আনুষঙ্গিক পরীক্ষা নিরীক্ষারও দরকার হচ্ছেনা। সবাই দারুন খুশী।

একটা দুঃসংবাদ দেই, আপনি শুধু নিজের না আপনার আত্মীয়, প্রতিবেশীদের ও ক্ষতি করছেন নিজের অজান্তে।

জেনে রাখুন, আপনার উপসর্গগুলো বেশিরভাগ সময়ে ভাইরাস দিয়ে সংঘটিত হয়, যা আপনা আপনিই ভালো হয়ে যায়। এখানে এন্টিবায়োটিকের কোন কেরামতি নাই, আর আপনার ও কৃতিত্ব পাওয়ার কিছু নাই।

কীভাবে ক্ষতি করছেন? তা বুঝবেন এমন এক সময়ে যখন আর কিছু করার থাকবেনা। অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক সেবনের কারণে আপনার শরীরে ব্যাকটেরিয়াগুলো অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কৌশল শিখে ফেলে, এবং তাদের মাধ্যমে সৃষ্ট নতুন ব্যাকটেরিয়াও একই গুনপ্রাপ্ত হয়। এভাবে তারা আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তো কমিয়ে দিচ্ছেই, পাশাপাশি সেই পরিবর্তিত ব্যাকটেরিয়া অন্যদের শরীরে ঢুকে একইভাবে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে।

এভাবে একজনের শরীরে এক প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স ক্ষমতা লাভ করলে, সেটি অন্যের শরীরেও সংক্রামিত হচ্ছে। এভাবে মহামারীর আকারে ছড়িয়ে পড়ছে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স। আর আমরা ধাবমান হচ্ছি ভয়াবহ পরিনতির দিকে।

একসময় আপনার শরীরে আর কোন এন্টিবায়োটিক কাজ করবেনা৷ মৃত্যুর প্রহর গুনবেন শুধু। কিন্তু রেখে যাবেন সেই শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া, যা মৃত্যুর মিছিল বাড়াতেই থাকবে।

তাই,
১. অসুস্থ হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন
২. নিজে নিজে ফার্মেসী থেকে এন্টিবায়োটিক কিনে খাবেননা।
৩. ডাক্তারের পরামর্শে এন্টিবায়োটিক শুরু করার ২-৩ দিনের মধ্যে উপসর্গ চলে গেলে, এন্টিবায়োটিক ছাড়বেননা। পূর্ণ ডোজ শেষ করুন।
৪. কোন বেলার ঔষধ যাতে মিস না যায় খেয়াল রাখবেন। দরকার হলে ঘড়ি বা মোবাইলে এলার্ম দিয়ে রাখবেন।



ডা. নুসরাত সুলতানা
সহকারী অধ্যাপক
ভাইরোলজী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ।"

Address

Netrokona
2400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাঃ মেজবাউল মোকার রবিন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share