ফ্যামিলী কেয়ার মেডিকেল সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Noakhali
  • ফ্যামিলী কেয়ার মেডিকেল সেন্টার

ফ্যামিলী কেয়ার মেডিকেল সেন্টার Emergency Medical Support

06/02/2026
*লিপিড প্রোফাইল কী?* একটি অনন্য উপায়ে এটি ব্যাখ্যা করে একটি সুন্দর গল্প শেয়ার করেছি।কল্পনা করুন যে আমাদের শরীর একটি ছো...
09/10/2025

*লিপিড প্রোফাইল কী?*

একটি অনন্য উপায়ে এটি ব্যাখ্যা করে একটি সুন্দর গল্প শেয়ার করেছি।

কল্পনা করুন যে আমাদের শরীর একটি ছোট শহর।

এই শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা সৃষ্টিকারী হল - *কোলেস্টেরল*

তার কিছু সঙ্গীও আছে।

অপরাধে তার প্রধান অংশীদার হল - *ট্রাইগ্লিসারাইড*

তাদের কাজ হল রাস্তায় ঘোরাঘুরি করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং রাস্তা অবরোধ করা।

*হৃদয়* এই শহরের কেন্দ্রস্থল।

সব রাস্তা হৃদয়ের দিকে নিয়ে যায়।

যখন এই সমস্যা সৃষ্টিকারীরা বাড়তে শুরু করে, তখন আপনি কল্পনা করতে পারেন কী ঘটে।

তারা হৃদয়ের কাজকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে।

কিন্তু আমাদের দেহ-শহরেও একটি পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে - *এইচডিএল* (উচ্চ ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন - ভালো পুলিশ)

ভালো পুলিশ এই সমস্যা সৃষ্টিকারীদের ধরে জেলে রাখে *(লিভার)*।

তারপর লিভার তাদের শরীর থেকে বের করে দেয় - আমাদের ড্রেনেজ সিস্টেমের মাধ্যমে।

কিন্তু
একজন খারাপ পুলিশও আছে - *LDL* যে ক্ষমতার জন্য লোভী।

LDL এই দুষ্কৃতীদের জেল থেকে বের করে রাস্তায় ফিরিয়ে আনে।

যখন ভালো পুলিশ *HDL* পড়ে যায়, তখন পুরো শহরটা স্তব্ধ হয়ে যায়।

এমন শহরে কে থাকতে চাইবে?

তুমি কি এই দুষ্কৃতীদের কমাতে এবং ভালো পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে চাও?

*হাঁটা* শুরু করো!

প্রতিটি পদক্ষেপের সাথে *HDL* বাড়বে, এবং *কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড* এবং *LDL* এর মতো দুষ্কৃতীরা কমবে।

তোমার শরীর (শহর) আবার প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

তোমার হৃদয় - শহরের কেন্দ্র - দুষ্কৃতীদের *(হার্ট ব্লক)* থেকে সুরক্ষিত থাকবে।

আর যখন হৃদয় সুস্থ থাকবে, তখন তুমিও সুস্থ থাকবে।

তাই যখনই সুযোগ পাবে - হাঁটা শুরু করো!

*সুস্থ থাকুন...*
এবং *আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি*
*এই প্রবন্ধটি আপনাকে HDL (ভালো কোলেস্টেরল) বৃদ্ধি এবং LDL (খারাপ কোলেস্টেরল) হ্রাস করার সর্বোত্তম উপায় সম্পর্কে বলবে
অর্থাৎ হাঁটা।*

প্রতিটি পদক্ষেপ HDL বৃদ্ধি করে। তাই – *আসুন, এগিয়ে যান এবং চলতে থাকুন।*

এই জিনিসগুলি কমিয়ে দিন:-

১. লবণ
২. চিনি
৩. ব্লিচ করা রিফাইন্ড ময়দা
৪. দুগ্ধজাত দ্রব্য
৫. প্রক্রিয়াজাত খাবার

*প্রতিদিন এই জিনিসগুলি খান:-*

১. শাকসবজি
২. ডাল
৩. মটরশুটি
৪. বাদাম
৫. ঠান্ডা চাপযুক্ত তেল
৬. ফল

*তিনটি জিনিস ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করুন:*

১. আপনার বয়স
২. আপনার অতীত
৩. আপনার অভিযোগ

*চারটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস গ্রহণ করুন:*

১. আপনার পরিবার
২. আপনার বন্ধুবান্ধব
৩. ইতিবাচক চিন্তাভাবনা
৪. পরিষ্কার এবং স্বাগতপূর্ণ বাড়ি

*তিনটি মৌলিক জিনিস গ্রহণ করুন:*

১. সর্বদা হাসুন
২. আপনার নিজস্ব গতিতে নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ করুন
৩. আপনার ওজন পরীক্ষা করুন এবং নিয়ন্ত্রণ করুন

*ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ জীবনযাত্রার অভ্যাস আপনার গ্রহণ করা উচিত:*

১. জল পান করার জন্য তৃষ্ণার্ত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।

২. বিশ্রাম নেওয়ার জন্য ক্লান্ত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।

৩. চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য অসুস্থ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।

৪. অলৌকিক ঘটনার জন্য অপেক্ষা করো না, সৃষ্টিকর্তার উপর আস্থা রাখুন।

৫. নিজের উপর কখনো বিশ্বাস হারাবেন না।

৬. ইতিবাচক থাকুন এবং সর্বদা একটি ভালো আগামীর আশা করুন।


# # আপনার ও পরিবার-পরিজনের, স্বাস্থ্য বিষয়ক সকল প্রকার সেবা দিতে আমরা বদ্ধ পরিকর।
কৃতজ্ঞতায়
"ফ্যামিলি কেয়ার মেডিকেল সেন্টার "
মেইন রোড জমিদারহাট বাজার, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।
01316503030
01613699092

শিক্ষনীয় হচ্ছে- যে কোন ব্যথার ঔষধ খাবার আগে কমপক্ষে একটা CBC (platelet count নরমাল কিনা দেখার জন্য), S. bilirubin & SGPT...
22/08/2025

শিক্ষনীয় হচ্ছে- যে কোন ব্যথার ঔষধ খাবার আগে কমপক্ষে একটা CBC (platelet count নরমাল কিনা দেখার জন্য), S. bilirubin & SGPT (লিভার ঠিক আছে কিনা দেখার জন্য), S. creatinine (কিডনি ঠিক আছে কিনা দেখার জন্য) ECG (হার্টে কোন সমস্যা আছে কিনা দেখার জন্য) করা উচিত। রোগী গরীব কিংবা ধনী এসব দেখার সুযোগ নেই।

ডাক্তাররা কেন টেস্ট করেন? কারনে না অকারনে? নাকি কমিশনের জন্য?। প্রথমে 2 টি ঘটনা বলি...
১। একবার 2 দিনের জ্বর নিয়ে ৩০ বছর বয়সী একজন রোগী আমাকে দেখালেন। আমি দেখার পর মনে হল ভাইরাল ফেভার। রোগীর প্রেসার কম আর খেতে পারছে না তাই রুটিন টেস্ট দিয়ে ভর্তি করলাম। ভর্তি হবার 2 ঘন্টা পর (তখনও রিপোর্ট আসে নাই) রোগী হঠাত খারাপ হয়ে গেল। রোগী খুবই ছটপট শুরু করল, প্রেসার 200/120, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, রোগীকে আইসিইউতে নেয়া হল, কিছুক্ষণ পর (৩০ মিনিট এর মধ্যে) রোগী মারা গেল। ওই সময় আমি আর আমার একজন সিনিয়র স্যার সেখানে উপস্থিত ছিলাম। রোগী মারা যাবার পর রিপোর্ট আসল, আমরা দেখলাম platelet count 30000.

রোগীর লোকের কাছে আবারো ইতিহাস নেয়া হল। রোগীর লোক বলল গতকাল অনেক জ্বর ও গায়ে ব্যথা ছিল, গ্রামের ফার্মেসীতে গিয়ে ঔষধ চেয়েছি, diclofen ট্যাবলেট দিয়েছিল। শরীরে platelet count কম থাকলে যে কোন সময় রক্তক্ষরন শুরু হতে পারে। আবার ব্যথার ঔষধগুলো শরীরে রক্তক্ষরনের ঝুঁকি বাড়ায়। এই রোগীর platelet count কম ছিল, তার উপর diclofen খেয়ে ব্রেনে রক্তক্ষরন হয়ে রোগী মারা গেছে।

২। ৩/৪ দিন আগে একজন ডায়াবেটিসের রোগী জ্বর নিয়ে আমাকে দেখালেন, আমার মনে হল তার প্রসাবে ইনফেকশন, আমি প্রসাবের পরীক্ষা দিলাম, কিডনীর টেস্ট আগে করা ছিল, নরমাল ছিল তাই আর করালাম না। রোগী বাসা গেলো। ২ দিন পর রোগী হাস্পাতালে ভর্তি হল, রোগীর তেমন কোন উন্নতি নেই, C/S দেখার পর এ্যান্টবায়োটিক পরিবর্তন করবো, ভাবলাম কিডনী কেমন আছে দেখি (আগের রিপোর্ট খুজে পেলাম না, তাই কিডনীর পরীক্ষাটা করতে দিলাম)। রিপোর্ট আসার পর আমার কোনভাবেই সঠিক মনে হয় নাই, কারন S. creatinine 12 mg/dl ছিল, ল্যাবে বললাম রিপিট কর, রিপোর্ট একই আসল। S. electrolyes করে দেখলাম hyperkalaemia আছে। রোগীর গতকাল ডায়ালাইসিস করা হয়েছে।

তাহলে এসব টেস্ট কি অকারনে করা হয়েছিল???শিক্ষনীয় হচ্ছে-ডায়াবেটিস/হাইপ্রেসারের রোগীর মাঝে মাঝে (অন্তত ৬ মাসে ১ বার) এবং যে কোন acute illness এ ভাইটাল অর্গানগুলো চেক করা উচিত। (এই রোগীকে প্রথমেই কিডনীর পরীক্ষা দিলে, রোগী বলত সামান্য জর নিয়ে এলাম আর ডাক্তার এত গুলো পরিক্ষা অকারনে দিল, আর রোগী যখন খারাপ হয়ে গেল তখন রোগির লোকের ভাষ্য-আপনি আগে কেন কিডনী টেস্ট করালেন না)।

এবার আসি পরীক্ষা-নীরিক্ষায়। কোন পরীক্ষা কেন করা হয়??
CBC করে আমরা অনেকগুলো তথ্য পাই, যেমন-শরীরে রক্তের পরিমান কেমন, শরীরে কোন ইনফেকশন আছে কিনা, ব্লাড ক্যন্সার আছে কিনা এবং platelet count কেমন, যা কমে গেলে শরীর থেকে রক্ত ক্ষরন হতে পারে। যে কোন রোগির এই টেস্ট না করে তার শরীরের সার্বিক অবস্থা বুঝা সম্ভব না।

RBS এই পরীক্ষা দিয়ে কারো ডায়াবেটিস আছে কিনা তা স্ক্রেনিং করি। ১৮ বছর পর এই পরীক্ষা বছরে অন্তত একবার করা উচিত, তবে যাদের বাবা-মায়ের ডায়াবেটিস আছে আর যাদের ওজন বেশি তাদের বছরে অন্তত ২ বার (৬ মাস পর পর) করা উচিত। কারো যদি ডায়াবেটিস untreated or uncontrolled থাকে তবে তার কিডনী নষ্ট হয়ে যেতে পারে, হারট এ্যাটাক, ষ্ট্রোক, অন্ধত্ত সহ আরো অনেক জটিল রোগ হতে পারে।

S. creatinine এই টেস্ট দিয়ে আমাদের কিডনী ঠিক আছে কিনা দেখা হয়। কিডনী রোগ যত তারাতারি ধরা পরবে তত ভালো হবার সম্ভবনা বেশি। যাদের ডায়াবেটিস/হাইপ্রেসার আছে তাদের কিডনী নষ্ট হবার সম্ভবনা অনেক বেশি। তাছাড়া যে কোন ধরনের ব্যথার ঔষধ , কিছু প্রেসারের ঔষধ, কিছু ডায়াবেটিসের ঔষধ, বাত রোগের ঔষধ, ক্যান্সারের ঔষধ দেয়া না দেয়া, কি ডোজে দিতে হবে তা নির্ভর করে S. creatinine এর উপর। বছরে অন্তত একবার S. creatinine করা উচিত।

Urine R/E এটি খুবই সাধারন একটি পরীক্ষা কিন্তু খুবই ইনফরমেটিভ, এটি দিয়ে প্রসাবে ইনফেকশন আছে কিনা, কিডনীতে কোন সমস্যা আছে কি না, কিডনীতে কোন পাথর আছে কিনা, ডায়াবেটিস আছে কিনা ইত্যাদি জানা যায়। এছাড়াও কারো কিডনীতে সমস্যা কেবল শুরু হয়েছে কিনা (যা চিকিতসায় ভালো করা সম্ভব) তাও বোঝা যায় (প্রসাব দিয়ে যদি protein যায় তবে বুঝতে হবে কিডনীতে সমস্যা শুরু হয়েছে)।

ECG গত সপ্তাহে একজন ডায়াবেটিস রোগী দেখেছিলাম, যিনি ঔষধ খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন, ভেবেছিলেন ঔষধ খাবার আর দরকার নেই, তার ডায়াবেটিসের পরীক্ষা, কিডনীর পরীক্ষা আর ECG করতে দিলাম, ECG তে Recent anterior MI আসল, ইকো করার পর Ischaemic cardiomyopathy আসল। ডায়াবেটিস ও হাইপ্রেসারের রোগীর বছরে অন্তত একবার এবং বুকে যে কোন সমস্যা হলে ECG করা উচিত। কারন Heart attack বয়স্ক এবং ডায়াবেটিসের রোগীর বুকে কোন ব্যাথা ছাড়াই হতে পারে।

আমার নন-মেডিকেল বন্ধুদের বলছি কেউ যদি এসব টেস্ট (CBC, RBS, S. creatinine, Urine R/E, ECG) করেন, তাহলে ভাববেন না আর জীবনেও এসব করা লাগবে না, আপনি যদি আজ সব টেস্ট করেন আর কালকেই যদি আপনার বুকে ব্যাথা হয় তবে আবারো ECG করতে হবে। দয়া করে ভুল বুঝবেন না। ডাক্তার যে টেস্ট করতে দেন তা আপনার জন্যই, আপনার চিকিতসার জন্যই।

আমি আমার ছাত্র-ছাত্রীদের বলছি, তোমরা কোন রোগীকে চিকিতসা দেবার আগে সবসময় চেষ্টা করবে রুটিন পরীক্ষাগুলো করাতে, কারন একটা জিনিস মনে রাখবে, মেডিকেল সাইন্সে হিরো কখনই তুমি হতে পারবেনা, কিন্তু তোমার এক ভুলে তুমি জিরো হয়ে যাবে। রোগী গরীব বা ধনী সবাইকে আইডিয়াল এপ্রোচ করবে, যে টেস্ট লাগবে তা রোগীকে করতে বলবে, রোগি যদি করতে না চায় তবে নোট লিখে রাখবে এবং চিকিতসা দিবে; রোগী ভালো না হলে তোমাকে বেশি চার্জ করবে না, কারন চিকিতসার জন্য দরকা্রি পরিক্ষাতো তারা করান নাই। কিন্তু তুমি যদি পরীক্ষা না করাতে দাও আর রোগীর উন্নতি না হয় বা ঔষধের কোন সাইড ইফেক্ট হয় তবে তোমার ঘাড় ধরে বলবে আপনি কেন পরীক্ষা না করিয়ে চিকিতসা দিলেন??

সবার জন্য বলছি আপনি আপনার টিভি, ফ্রিজ, বাইক, গাড়ি মাঝে মাঝে চেক করেন, সার্ভিসিং করেন, নিজের শরীরটার বছরে ১ বার সার্ভিসিং করেন, বছরে ১ বার CBC, RBS, S. creatinine, Urine R/E, ECG, Fasting lipid profiles করে একজন ফিজ়িশিয়ানকে দেখান। এসবের জন্য ২০০০-২৫০০ টাকার বেশি খরচ হবে না। নিজের জন্য বছরে অন্তত এই টাকাটা খরচ করুন, তাহলে ভবিষ্যতে অনেক ভালো থাকবেন।.............................................
ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মণ্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।
প্রতিষ্ঠাতা- ডাক্তারখানা।
Collected
pic for attention

প্রসঙ্গ: Hand Foot Mouth Diseaseবর্তমান সময়ে বাচ্চাদের মধ্যে HFMD বা  Hand foot mouth disease এর বেশ প্রাদুর্ভাব দেখা যা...
01/11/2023

প্রসঙ্গ: Hand Foot Mouth Disease

বর্তমান সময়ে বাচ্চাদের মধ্যে HFMD বা Hand foot mouth disease এর বেশ প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। মূলত ০-১০ বছরের বাচ্চাদের হয়ে থাকে, এবং ১ বছরের নিচে বাচ্চাদের একটু প্রকট আকারে দেখা যায়। এটি একটি ভাইরাস জনিত (Coxsackie and EnteroVirus) রোগ এবং একারণে অত্যন্ত ছোয়াচে।

লক্ষণ (Symptoms):

১. ছোট ছোট পানি ভরা ফোস্কা(blister) হাতে পায়ের তালুতে, ঠোঁটের চারপাশে, মুখের ভেতর, কনুই, হাঁটুতে এমনকি ডায়াপার এরিয়াতে দেখা যায়, দেখতে চিকেন পক্স বলে ভ্রম হয়। চিকেন পক্সের মতো সারা শরীরে হয় না।

২. এই ব্লিসটার হওয়ার আগে দুদিন জ্বর, সাথে গলা ব্যথা, মাথা ব্যথা হতে পারে ,এরপর এই rash উঠা শুরু হয়, ছড়াতে থাকে। গোটা গুলোতে খুব চুলকানি হবে , পেইনফুল হতে পারে, খেতে অনেক কষ্ট হবে।

৩. এই রোগ ৭-১০ দিনে সেরে যায়। এ রোগে জটিলতা খুব কম হয় ।

তবে এই রোগে স্নায়ু বা ব্রেইন আক্রান্ত হলে খিঁচুনি, প্রচন্ড মাথা ব্যথা, ঘাড় পিঠ শক্ত হওয়া, প্যারালাইসিস বা অজ্ঞান হতে পারে। এরকম কোন লক্ষণ দেখলে তৎক্ষনাৎ হাসপাতাল এ নিবেন।

৪. যেহেতু রোগটি ছোঁয়াচে, আক্রান্ত ব্যক্তির সর্দি, লালা, অথবা ফেটে যাওয়া ফোস্কার সংস্পর্শে আসলে অন্যদের এ রোগ সহজে হবে। এজন্য এ রোগে আক্রান্ত হলে ৭-১০ দিন ঘরে আইসোলেশনে থাকা উচিত।

কি করণীয়? (Treatment):

১. রোগটা ভাইরাসজনিত হওয়ায় এন্টিবায়োটিকের কোন প্রয়োজন নাই। এন্টি ভাইরাল ওষুধের ও প্রয়োজন নাই।জর,কাশি থাকলে সেই উপসর্গগুলোর চিকিৎসা দিলেই যথেষ্ট।

২. জ্বর বা মুখের ভেতরে ঘায়ের ব্যথা কমাতে প্যারাসিটামল বা ইবুপ্রুফেন ওষুধ সঠিক ডোজে দিতে হবে (এস্পিরিন বা ডাইক্লোফেন দেয়া যাবে না।)
বাচচার হাইড্রেশনের জন্য তরল জাতীয় খাবার খাওয়াতে হবে কারন শক্ত খাবার খেতে কষ্ট হবে মুখে ঘা বেশি হলে।
৩. তরল খাবার যেমন মিষ্টি ফলের রস ,দই, ঠান্ডা দুধ, ঠান্ডা ঝালহীন সুপ, পানি বার বার খাওয়াতে হবে।

৪. প্রতিদিন কুসুম গরম পানি ও সাবান দিয়ে গোসল করাতে হবে, আলতো করে গায়ে সাবান দিতে হবে তাতে ফোস্কা ফেটে না যায়।

৫. ফোস্কা গুলোতে পেট্রোলিয়াম জেলি, জিংক অক্সাইড পেস্ট,বা ক্যালামিন লোশন লাগাতে হবে। অতিরিক্ত চুলকালে ডাক্তারের পরামর্শ মতো 1% hydrocortisone cream লাগানো যাবে। এটি steroid তাই ডাক্তার না বললে ব্যবহার করা যাবেনা।

৬. এপসম সল্ট উইথ এসেন্সিয়াল ওয়েল পানিতে মিশিয়ে গোসল করলে ঘা তাড়াতাড়ি শুকাবে ও আরাম হবে।

৭.নখ কেটে রাখতে হবে যেন চুলকিয়ে গোটা না ফাটে।

৮. বড় বাচ্চাদের পানি ও লবণ দিয়ে গার্গল করাতে হবে দু বার।

৯.বাচ্চার পানিশূন্যতা রোধ করুন, পুষ্টিকর তরল খাবার দিন ও বাচ্চার শরীর ও নখ পরিষ্কার রাখুন , মুখের ভেতরে পরিষ্কার রাখুন, ডায়াপার কম ব্যবহার করুন, বাচ্চার ও নিজের হাত সাবান পানি দিয়ে পরিষ্কার রাখুন।

এই রোগে আতংকিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। অপ্রয়োজনীয় ওষুধ খাওয়াবেন না, প্রয়োজনে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

৭-১০ দিনে বাচ্চা সুস্থ হয়ে যাবে। এই সিজনে যেহেতু চিকেন পক্স, HFMD এবং ভাইরাল ফিভারসহ সহ বিভিন্ন রোগে বাচ্চারা ভুগছে বেশি, তাই জনসমাগম হয় এমন যায়গা থেকে বাচ্চা কে দূরে রাখুন। প্রচুর পানি খাওয়ান এবং নিজে খান, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খান এবং বাইরে বের হলে সানব্লক ক্রিম ও ছাতা ব্যবহার করুন।

জনস্বার্থে:
ফ্যামিলি কেয়ার মেডিকেল সেন্টার
মেইন রোড ,জমিদারহাট বাজার,
বেগমগঞ্জ ,নোয়াখালী।
01316503030,01613699092.

24/07/2023

জরুরী ভিত্তিতে এক ব্যাগ (O + Ve) রক্তের প্রয়োজন।

20/07/2023

জ্বর
********
জ্বর কোন রোগ নয়। রোগের একটি লক্ষন মাত্র।
কি কারনে জ্বর হচ্ছে তা ডায়াগনোসিস করাটাই জরুরি।

কত হলে জ্বর?
---------------
জিহবার নীচে থার্মোমিটার ২ মিনিট রাখার পর ৩৮'C বা ১০০'৪ ' F এর বেশি হলেই জ্বর।

জ্বর জ্বর ভাব:
-------------
অনেকে বলেন সারা বছর জ্বর। কিন্তু থার্মোমিটারে জিহবার নীচে ১০০'৪*F এর কম। সুতরাং এটি কোন জ্বর না।

জ্বরের চিকিৎসা?
-----------------
সঠিক রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা দেয়ার পাশাপাশি জ্বর কমানোর চিকিৎসা দিতে হবে।

জ্বর কমাতে যা করণীয় : কুসুম কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছে দেয়া, ফ্যান চালু রাখা, ঘরে পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা রাখা, পানি বেশি পান করা, প্যারাসিটামল সেবন করা।

ডেঙ্গু জ্বর: কি করব?
--------------------
এই জ্বর ২ থেকে ১০ দিন থাকতে পারে। এতে প্যারাসিটামল ব্যতীত অন্য কোন জ্বর কমানোর মেডিসিন যেমন ডাইক্লোফেনাক, আইবুপ্রোফেন, নেফ্রক্সেন নেয়া যাবেনা। কারন এতে রক্ত ক্ষরনের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

ডেঙ্গুতে প্রচণ্ড শরীর ব্যথা করে। এই জন্যই এই রোগের আরেক নাম break bone fever. প্রচণ্ড ব্যথা হলেও প্যারাসিটামল ব্যতীত কোন ব্যথা নাশক সেবন করা যাবে না।

Dr. Mohammad Shah Solaiman
MBBS, BCS. MCPS, MD, MACP
Medicine specialist.

Address

Zamiderhat , Begumgonj
Noakhali
3820

Telephone

+8801613699092

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ফ্যামিলী কেয়ার মেডিকেল সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ফ্যামিলী কেয়ার মেডিকেল সেন্টার:

Share