Homeo Health Tips

Homeo Health Tips Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Homeo Health Tips, Medical and health, Dhaka Khulna Highway, Noapara.

আদর্শ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই পেজটি খোলা হয়েছে।
তাই পেজটিতে Like ও Follow করে সাথে থাকবেন।

প্রয়োজনে মোবাঃ 01516102052 (WhatsApp/Imo)

Terebinthina (টেরিবিন্থিনা) – হোমিওপ্যাথি মেডিসিন আলোচনা ✍️★Source/উৎসঃTerebinthina বা Oil of Turpentine হলো একধরনের প্র...
22/01/2026

Terebinthina (টেরিবিন্থিনা) – হোমিওপ্যাথি মেডিসিন আলোচনা ✍️
★Source/উৎসঃ
Terebinthina বা Oil of Turpentine হলো একধরনের প্রাকৃতিক রজন (Resin), যা পাইনের (Pine tree) নির্যাস থেকে প্রস্তুত করা হয়। এটি মূলত মূত্রনালী ও কিডনি সমস্যার জন্য ব্যবহৃত হয়।

★ MIND SYMPTOMS/মানসিক লক্ষণঃ

সহজেই ক্লান্ত হয়ে যায়, অলসতা বোধ করে।

ঘন ঘন ভুলে যায় বা মনোযোগের অভাব থাকে।

প্রচণ্ড উদ্বেগ ও অস্থিরতা থাকে।

মাথা ভারী ও কুয়াশাচ্ছন্ন অনুভূত হয়।

ধীরগতির চিন্তা ও কার্যকলাপ দেখা দেয়।

★ KEYNOTE SYMPTOMS/মূল লক্ষণসমূহঃ

প্রস্রাবে রক্ত (Hematuria) – প্রস্রাব গাঢ় লাল বা কফের মতো দেখা যায়।

প্রস্রাবে তীব্র জ্বালাপোড়া ও ব্যথা হয়।

কিডনি ও মূত্রাশয়ের প্রদাহ (Nephritis, Cystitis)।

প্রস্রাবের গন্ধ অত্যন্ত বাজে, ভেঙে যাওয়া আপেলের (Violet odor) মতো গন্ধ হতে পারে।

পেটের গ্যাস ও ফুলে যাওয়া (Abdominal distension)।

ডায়রিয়া বা আমাশয় (Dysentery) – রক্তমিশ্রিত পাতলা পায়খানা হয়।

শরীরে পানি জমে যাওয়া (Edema), বিশেষ করে কিডনি রোগের কারণে।

★ CLINICAL USES/প্রধান ব্যবহারঃ

1. Nephritis (কিডনির প্রদাহ) – প্রস্রাবে রক্ত ও ব্যথা থাকলে।

2. Cystitis (মূত্রাশয়ের প্রদাহ) – প্রস্রাবের সময় জ্বালা ও ব্যথা হলে।

3. Hematuria (প্রস্রাবে রক্ত) – কিডনি বা মূত্রনালীতে প্রদাহজনিত রক্তক্ষরণ হলে।

4. Dysentery (আমাশয়) – রক্তযুক্ত পাতলা পায়খানা হলে।

5. Edema (শরীরে পানি জমা) – কিডনি সমস্যা থেকে পানি জমে গেলে।

6. Urethritis (মূত্রনালীর প্রদাহ) – প্রস্রাবের রাস্তা ফুলে গেলে ও ব্যথা হলে।

7. Septicemia (রক্তদূষণ) – সংক্রমণজনিত কারণে কিডনি বা মূত্রাশয়ের সমস্যা হলে।

★REMEDY RELATION/সম্পর্কিত ওষুধঃ

Complementary (সহায়ক ওষুধ): Cantharis, Apis Mellifica

Followed well by (পরবর্তীতে দেওয়া যেতে পারে): Phosphorus, Merc Cor

Antidote : Camphor, O***m

★MODALITY (কাতরতা ও পরিস্থিতিগত প্রভাব)

খারাপ হয় (Agg): ঠান্ডা ও আর্দ্র পরিবেশে, অতিরিক্ত পানি পান করলে, প্রস্রাব করার সময়

আরাম পায় (Amel): গরম পরিবেশে, বিশ্রাম নিলে, উষ্ণ পানীয় খেলে

★★হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক জানতে Homeo Health Tips পেজটি ফলো করুন। ধন্যবাদ!

30/12/2025
29/12/2025
29/12/2025

🔶হোমিও চিকিৎসা বিজ্ঞানী হ্যানিম্যানের যোগ্য উত্তরসূরী কয়জন ছিলেন?
🔶হোমিওপ্যাথির জনক ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের সরাসরি বা প্রধান যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা নেই, তবে কনস্ট্যান্টিন হেরিং, জেমস টাইলার কেন্ট এবং ক্লিমেন্স ফন বনিহাউসেনকে তাঁর সবচেয়ে বিশিষ্ট উত্তরসূরী হিসেবে গণ্য করা হয়, যারা হ্যানিম্যানের মতবাদকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।

🔶প্রধান উত্তরসূরীদের তালিকা:
⭐কনস্ট্যান্টিন হেরিং (Constantine Hering): তাঁকে 'আমেরিকার হোমিওপ্যাথির জনক' বলা হয়।
⭐জেমস টাইলার কেন্ট (James Tyler Kent): কেন্টীয় দর্শনের প্রবর্তক।
⭐ক্লিমেন্স ফন বনিহাউসেন (Clemens von Bonnighausen) হোমিওপ্যাথিক রেপার্টরি তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন।
⭐এরা ছাড়াও হ্যানিম্যানের অনুসারী হিসেবে ডা. লিউ পোল্ড সুস-হ্যানিম্যানসহ অনেকেই হোমিওপ্যাথির প্রচারে কাজ করেছেন। বলে রাখা ভালো ডাঃ লিউ পোল্ড সুস (Dr. Leopold Suss-Hahnemann) ছিলেন হোমিওপ্যাথির জনক ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের নাতি এবং তাঁর প্রিয় কন্যা আমালিয়ার (Amalie) একমাত্র সন্তান।

Md. Muftiur Alnur
Homeopathic Doctor
D.H.M.S (B.H.M.E.C)
Gov Reg: 31559

16/12/2025

শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি বীর মুক্তি যোদ্ধাদের,
যাদের প্রাণের বিনিময়ে পেয়েছি এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

"সবাইকে জানাই মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।"

এই শীতে সাধারণত যে রোগগুলো বেশি হয় (সর্দি-কাশি, জ্বর, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি), সেগুলোর জন্য হোমিওপ্যাথিতে প্রচলিত ...
15/12/2025

এই শীতে সাধারণত যে রোগগুলো বেশি হয় (সর্দি-কাশি, জ্বর, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি), সেগুলোর জন্য হোমিওপ্যাথিতে প্রচলিত কিছু সহায়ক ঔষধ নিচে দেওয়া হলো। উপসর্গ বা লক্ষ্মণ অনুযায়ী ঔষধ বেছে নেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।
🤧 সর্দি-কাশি
Aconitum napellus – হঠাৎ ঠান্ডা লাগার পর সর্দি, শুকনো কাশি, অস্থিরতা।
Allium cepa – নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ জ্বালা, হাঁচি।
Arsenicum album – ঠান্ডায় বাড়ে, নাক বন্ধ, দুর্বলতা, পিপাসা, অস্থিরতা।
Dulcamara – জলে ভেজা/ঠান্ডা আবহাওয়ার পর সর্দি-কাশি, স্যাতসেতে মৌসুমে রোগ হওয়ার প্রবণতা।
😷 কাশি
Bryonia alba – শুকনো কাশি, কথা বললে বা নড়াচড়া করলে বাড়ে, পানি পিপাসা, জিহ্বা শুকনো, কোষ্ঠকাঠিন্য।
Drosera – রাতের বেলা বালিশে মাথা দিলে তীব্র কাশি, কুকুর ডাকার ন্যায় আওয়াজ হয়।
Antimonium tartaricum – বুক ভরা কফ, কিন্তু বের হতে চায় না, ঘড়ঘড়ে আওয়াজ।
🤒 জ্বর
Belladonna – হঠাৎ জ্বর, মুখ লাল, মাথা ব্যথা, গলা ব্যাথা।
Ferrum phosphoricum – হালকা জ্বর, শুরুর দিকে প্রয়োগ করতে হয়।
Gelsemium – জ্বরের সঙ্গে দুর্বলতা, ঝিমুনি, জল পিপাসাহীন।
😖 গলা ব্যথা / টনসিল
Hepar sulphuris – ঠান্ডা লাগলে গলা ব্যথা, পুঁজের প্রবণতা, ঠান্ডা লাগার প্রবণতা, শীতকাতর, রাগী স্বভাবের।
Mercurius solubilis – গলা ব্যথা, মুখে দুর্গন্ধ, ঘাম ও প্রস্রাব পায়খানায় দুর্গন্ধ, মুখে বেশি লালা হয়।
Phytolacca – গিলতে কষ্ট, কানে ব্যথা, গ্লান্ডের উপর বেশি কাজ করে।
😤 হাঁপানি / শ্বাসকষ্ট (শীতে বাড়ে)
Arsenicum album – রাতের বেলা শ্বাসকষ্ট, পানি পিপাসা, শীতকাতর, খুঁতখুঁতে স্বভাবের।
Ipecacuanha – কাশি থামছে না, শ্বাস নিতে কষ্ট, তার সাথে বমি ভাবের প্রবণতা।
Spongia tosta – শুকনো ও ঘেউ ঘেউ আওয়াজ করে কাশি সাথে শ্বাসকষ্ট ভাব।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ কথা
হোমিওপ্যাথি ঔষধ রোগ অনুযায়ী নয়, উপসর্গ অনুযায়ী বা রুগী অনুযায়ী দেওয়া হয়।
শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী নারী বা দীর্ঘদিনের রোগে যোগ্য ও অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের পরামর্শ জরুরি।
জ্বর ৩ দিনের বেশি, শ্বাসকষ্ট, বুক ব্যথা বা অবস্থা খারাপ হলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান।
আপনি চাইলে আপনার নির্দিষ্ট উপসর্গ বলুন (যেমন: কাশি কেমন, কখন বাড়ে, জ্বর আছে কি না) — সে অনুযায়ী আমি আরও নির্দিষ্টভাবে গাইড করার চেষ্টা করবো।

18/09/2025
18/09/2025

জনস্বার্থে প্রচারঃ

বিষয় ---পলিফার্মেসী, অর্থাৎ একসাথে অনেকগুলি ঔষধ প্রয়োগ করা।

★ প্রশ্ন ---হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে পলি ফার্মেসি করা অর্থাৎ প্রতি দিনে চার পাঁচ রকম ঔষধ খাওয়া, এইভাবে অনেকে ঔষধ দেন, তা কি ঠিক? তাতে রোগ পুরো সারে কি?

উত্তর ---না, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে এইভাবে ঔষধ দেওয়া যায় না। এইভাবে চিকিৎসা করলে রোগ পুরোপুরি সারে না। রোগীর সময় নষ্ট হয়, অর্থ নষ্ট হয়, তার শারীরিক সুস্থতা আরও বেশি নষ্ট হয়, আর অনেক রকম ঔষধ খেয়ে অন্যান্য অনেক রকম কৃত্রিম রোগের সৃষ্টি হয়, চিকিৎসা পরিভাষায় নতুন করে তৈরি হওয়া এইসব কৃত্রিম রোগগুলিকে বলা হয় ---আরটিফিশিয়াল ড্রাগ ডিজিজ।

প্রশ্ন ---এই সব ডাক্তারের কাছে এইভাবে ঔষধ খেয়ে আমি তো মাঝে মাঝে ভালো থাকি। তাহলে কি বলবেন?

উত্তর ---এই ভাবে চিকিৎসা করা ডাক্তারদের কাছে পাঁচ দশ রকম মেশানো ঔষধ খেলে মাঝে মাঝে অল্পসল্প ভালো থাকা যেতেই পারে, কারণ যে চার-পাঁচটি ঔষধ দেওয়া হয়, তার মধ্যে কোন কোন ঔষধ সুপারফিসিয়ালি অর্থাৎ খুব হালকাভাবে অল্প কিছু কাজ করতে পারে। চিকিৎসা ভাষায় একে বলা হয় সারফেস প্যালিয়েশন। কিন্তু পুরোপুরি রোগ আরোগ্য হয় না, রোগী সম্পূর্ণভাবে কখনো সুস্থ হয় না।

★ আজকাল বেশিরভাগ ডাক্তাররা এইরকম প্রেসক্রিপশন করছে, তাহলে হোমিওপ্যাথিক কলেজগুলিতে কি এইরকম প্রেসক্রিপশন করা শেখানো হচ্ছে, বা এইসব পড়ানো হচ্ছে?

উত্তর ---না, কোন হোমিওপ্যাথিক কলেজে এইভাবে প্রেস্ক্রিপশন করতে শেখানো হয় না, বা পড়ানো হয় না। কিন্তু দুঃখের বিষয় অনেক শিক্ষকরা যারা পড়ায় --তারা ক্লাসে পড়ানোর সময় এক সময় একটি মাত্র ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে হ্যানিম্যানের এই নীতি পড়ায়, বা শেখায়, কিন্তু নিজেরা তাদের ব্যবহারিক জীবনে তা করে না। এরা ভন্ড বা হিপোক্রেটিক। এমন চিকিৎসকের সংখ্যা আজকাল অনেক দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।

★ প্রশ্ন ---এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসায় তো সবসময় চার-পাঁচটা ওষুধ মিশিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তাদের ঔষধে রোগ কমে কি করে, বা তারা এমন করে কেন?

উত্তর ---এ্যলোপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতির নীতি এইরকম। তাদের ঔষধগুলি এই ভাবেই তৈরী করা হয়েছে। এক একটা উপসর্গ কিভাবে কমানো যায়, সেইভাবে বিভিন্ন কম্পোজিশনে তাদের ঔষধগুলি বানানো হয়েছে।

★ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ তাহলে কিভাবে বানানো হয়েছে, বা কিভাবে তৈরি করা হয়েছে?

উত্তর ---হোমিওপ্যাথিক প্রত্যেকটা ঔষধ সুস্থ মানুষকে খাওয়ানো হয়, তখন যা লক্ষণ পাওয়া যায়, তা লিপিবদ্ধ করা হয়। লক্ষণ লিপিবদ্ধ করা বইটির নাম মেটিরিয়া মেডিকা। চেম্বারে রোগী আসলে তার লক্ষণ মিলিয়ে এই মেটিরিয়া মেডিকা বইয়ের যে ঔষধের সাথে মিলবে, সেই ঔষধটি দিতে হবে।

আগেই বলেছি এ্যালোপ্যাথিক ঔষধগুলি রোগ লক্ষণ কমানোর জন্য সেইভাবে আলাদা আলাদা ফর্মুলায় তৈরি করা হয়, কিন্তু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেইভাবে তৈরি হয়নি বা হয় না, এক সময় একটিমাত্র ঔষধ পরীক্ষা করা হয়েছে। তাহলে একসাথে ৫টি বা ১০ টি ওষুধ কিভাবে একজন রোগীকে আমি দেব?

তাই হোমিওপ্যাথিক ঔষধের প্রস্তুতি ও রোগীতে অ্যাপ্লিকেশন এবং এ্যলোপ্যাথিক ঔষধের প্রস্তুতি ও রোগীতে অ্যাপ্লিকেশন এক নয়।

★ প্রশ্ন --তাহলে এ্যলোপ্যাথিক ঔষধ খেতে থাকলে আর্টিফিশিয়াল ড্রাগ ডিজিজ হতে পারে?

উত্তর --অবশ্যই হতে পারে, অবধারিতভাবে হয়, এবং প্রতিটা রোগীর রাতদিন তা হচ্ছে। চিকিৎসকরা তা জানেন, কারণ এ্যালোপ্যাথিক ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলি যারা এইসব ঔষধগুলি বানায় তারাও তা জানে, পরীক্ষা করে পেয়ে থাকে। তাই তাদের অনেক ঔষধের গায়ে সাইড এফেক্টস লেখাও থাকে। আজকাল গুগলে এ্যলোপ্যাথিক প্রত্যেকটা ওষুধের সাইড এফেক্ট দেওয়াও থাকে। এই সাইড এফেক্ট কমাতে আজকাল অ্যালোপ্যাথিক বইগুলিতে বলাও থাকছে --- Polypharmacy should be avoided, one reason being the dangers of counter action of medicines.

★ তাহলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক যারা এমন ভাবে ঔষধ মিশিয়ে দেয়, বা দিনে চার-পাঁচবার এই রকম ঔষধ খেতে দেয়, তাদের থেকে কি বিরত থাকা ভালো?

উত্তর --অবশ্যই। কোন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক উপাধিধারী ব্যক্তিদের প্রেসক্রিপশনে যদি এমনভাবে চার-পাঁচ বা দশটা ঔষধ লেখা থাকে, তাহলে বুঝতে হবে সেই চিকিৎসক আসল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক নয়। সে আসল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বোঝে না, বা করে না। যত তাড়াতাড়ি এদের থেকে মানুষ সরে যাবে ততই তাদের মঙ্গল হবে, তত আর্টিফিশিয়াল ড্রাগ-ডিজিজের হাত থেকে বাঁচবে।

তবে মানুষের মঙ্গল কামনায় এই ব্যাপারে বর্তমানে আমি যতটা সরব হয়েছি, তাতে এই ধরনের চিকিৎসকরা তাদের স্বরূপ পাল্টানোর চেষ্টা করবে। হয়তো আর ওপেন প্রেসক্রিপশনে তারা পাঁচটা ঔষধ লিখে রোগীর হাতে না দিয়ে নিজের চেম্বার থেকে ঐরকম মিশ্রপ্যাথি পাঁচমিশালী ঔষধগুলি সরবরাহ করবে। তাই আগে যদি এইসব ব্যক্তিরা এমন চিকিৎসা করতেন, হঠাৎ প্রেসক্রিপশন না দিয়ে নিজের চেম্বার থেকে ঔষধ বানিয়ে দিচ্ছেন, তাহলে সন্দেহের অবকাশ থাকবেই। অর্থাৎ সে ৫-১০টি ঔষধ মিশিয়ে দেবেই, কারণ সে তার পুরানো স্বভাব পাল্টাতে পারবে না।

আর স্বভাব পাল্টাবেই বা কি করে --রোগীর সামগ্রিক লক্ষণ মিলিয়ে একটা ঔষধ দেওয়ার মতন পড়াশোনা বা যোগ্যতা তো তার নেই, সেই পড়াশোনা বা যোগ্যতা থাকলে সে প্রথম থেকেই একটি মাত্র ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করতো। বলা ভালো সেই যোগ্যতা তার আগের থেকে তৈরি হয়নি।

★ হোমিওপ্যাথির নীতি মেনে যারা একসময় একটিমাত্র ঔষধ প্রয়োগ করে, তাদেরকেও কখনো দেখা যায় কোন একজন রোগীকে দুইটি বা তিনটি ঔষধ দিয়েছে, কি বলবেন?

উত্তর ---কোন বিশেষ ক্ষেত্রে, ইনকিউরেবল কেস, অর্থাৎ যে সব কেস আর আরোগ্য হবে না, রোগী আর বাঁচবে না, যেমন --ক্যান্সারের শেষ স্টেজ, ইত্যাদি ---এমন সব কেসে প্রয়োজনে যে কোন ভাল চিকিৎসক বা এক সময় একটি মাত্র ঔষধ প্রয়োগ করা চিকিৎসকও রোগীকে আশু শান্তি দেওয়ার জন্য এমনভাবে দুই তিনটি ওষুধ দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সাইড এফেক্টস, বা আর্টিফিশিয়াল ড্রাগ ডিজিজ এসব ভাবার কোন প্রয়োজন হয় না, কারণ রোগী অবধারিতভাবে কিছুদিন পরেই মারা যাবে। বর্তমানে তাকে শান্তিতে মরতে দেওয়াটাই চিকিৎসা।

Post: Dr. Rabin Barman.

10/09/2025
ভালো একটা টিপস🫢🫢
03/09/2025

ভালো একটা টিপস🫢🫢

Address

Dhaka Khulna Highway
Noapara
7460

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Homeo Health Tips posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Homeo Health Tips:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram