28/02/2026
আমাদের কর্তব্য
আনোয়ারুল হোসেন।
সচ্চরিত্র, সৎ স্বভাব, সদ্ব্যবহার পরোপকারিতার মূল্য ইসলামে অনেক বেশি। প্রত্যেক মানুষের উচিত জীবিতকালে এগুণগুলোর প্রতি বিশেষভাবে যত্নবান হওয়া, যেন তার মৃত্যুর পর মানুষের মুখে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার সুকীর্তি ও সুনাম ফুটে ওঠে। এই সুখ্যাতি ও সুনাম মানুষের জন্য পরপারে মুক্তিলাভের একটি বড় সহায়ক।
যেকোন মৃতব্যাক্তির পক্ষে চারজন লোক তার সৎ বা ভালো হওয়ার বা ছিল এমন সাক্ষীদান করলে, মহান স্রষ্টা তাকে বেহেস্তদান করবেন। সর্বপ্রকার ব্যাক্তিগত আক্রোশ বা স্বার্থবিবর্জিত সাধারণ সৎ লোকেরা, এমনি কি ঐরুপ দুই চারজনও মৃতব্যাক্তির স্বভাব-চরিত্র ও গুণাগুণের ভিত্তিতে ভালো সাক্ষী দিলে স্রষ্টা স্বীয় রহমতে ক্ষমা করে দেবেন। জীবিত অবস্থায় এমন সুযোগ গ্রহণ না করা বোকামী।
মহান স্রষ্টা ও রসূলের বর্ণিত বিষয় সমুহের জন্য প্রশ্নোত্তর ও বিতর্কের পথ মঙ্গলজনক নয় এবং তর্কের দ্বারা সর্বক্ষেত্রে পূর্ণ সমাধানও সম্ভব হয়না। স্রষ্টা পৃথিবী-আখিরাতের সমস্ত বস্তুর সৃষ্টিকর্তা ; প্রতিটি বস্তুর সর্বপ্রকার প্রকৃত অবস্থা একমাত্র তিনিই পুঙ্খানুপঙ্খুরুপে অবগত। সেসব
আমাদের বুদ্ধি-বিবেকের সীমার বাইরে। প্রশ্নোত্তর ও বিতর্ক সৃষ্টির অনধিকার চর্চা করা নির্বোধের কাজ।
দুঃখিত প্রাণের বেদনা ও যন্ত্রণায় চোখ থেকে অশ্রু নির্গত হয়। কিন্তু কোন রকম বিলাপ, খেদোক্তি বা মৃতের নানা গুণকে মিশ্রিত করা হয়না। অন্য প্রকার হল-বিলাপ ও খেদোক্তি করে ক্রন্দন করা। মৃতের স্বরকে কান্নার স্বরে মিশ্রিত করে উচ্চস্বরে ক্রন্দন করা। প্রথম প্রকার কান্নার কোন দোষ নেই বরং তা হৃদয়েরর নম্রতা ও দয়ালু হওয়ার পরিচায়ক; যা মহান আল্লাহ পছন্দ করেন।
২৮/০২/২০২৬
রাত ৭ টা ২২ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।