Anowarul Hossain

Anowarul Hossain Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Anowarul Hossain, Doctor, Noapara.

20/05/2026

বলবি পশ্চিমে-কিন্তু যাবি দক্ষিণে
আনোয়ারুল হোসেন।

শুনতে ভালো শোনাবেনা। কিন্তু সত্যি কথা হলো, সমাজে ধান্ধাবাজিটা বেড়ে গেছে বহুগুণ। ব্যবসা-বাণিজ্যে ধান্ধাবাজি, পদোন্নতি, পদরক্ষায় ধান্ধাবাজি। কোনো পেশায় আর এখন ধান্ধাবাজি মুক্ত নয় প্রায়। অনেকটা "বলবি পশ্চিমে, কিন্তু যাবি দক্ষিণে"-নীতির মত। সরাসরি সত্যি কথা এবং আসল কথা না বলার প্রবণতা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। অনেকে কথা বলেন ঘুরিয়ে পেচিয়ে। শুরু করেন ভিন্ন ও অনাবশ্যক প্রসঙ্গ দিয়ে।

বলা বাহুল্য,সমাজে যাঁরা শিক্ষক এবং রাজনীতিকদের পরামর্শ ও জ্ঞান দান করেন সেই বুদ্ধিজীবীদের মধ্যেও ভিতরে বাইরে ভিন্নতা এখন বেশি দেখা যাচ্ছে। পৃথিবীর কোথাও শ্রেণী বা দল হিসেবে বুদ্ধিজীবীদের স্বাক্ষাৎ পাওয়া যায়না। তাঁরা বড় বিশেষ কোনো সংকট সৃষ্টি না হলে অভিমত প্রকাশ করেন না। দলবদ্ধভাবে বিবৃতি দেন কালে-ভদ্রে। কিন্তু বাংলাদেশে এর ব্যতিক্রম। যেকোনো বিষয়ে তাঁদের দলবদ্ধ অভিমত থাকা চাই। বিবৃতির পাশাপাশি তাঁদের চলে মঞ্চে বক্তৃতা ও পত্রিকায় লেখা। এর মধ্যে কোনো দোষ নেই। কিন্তু তাঁদের অনেকে কোন বিষয়ে যে ব্যক্তিগত মত ব্যক্ত করেন অনেক সময় বিবৃতি, লেখা বা বক্তৃতায় দেখা যায় তার ভিন্ন মত। সমাজের উপর স্তরে বিশেষ মহলের এই ভূমিকা অনেকটা বর্ণচোরা আমের মত। দেখে সুপক্ক ও সুমিষ্ট বলে মনে হবে কিন্তু ভিতরে ভিন্ন।

সমাজের এই অগ্রবর্তী শ্রেণীর কথা ও কাজের বিপরীত মুখীনতার পিছনে যে কোনো কারণ নেই তা নয়। কারণ রয়েছে এবং তা হলো, সমাজে নিজেদের জন্য একটা বিশেষ স্থান ধরে রাখা। তারা যথেষ্ট অর্থ সম্পদ চান এবং চান সমাজের উপর স্তরে মধ্যমণি হয়ে থাকতে। ভাষা তাদের হাতে একটা বড় হাতিয়ার। তাঁদের অনেকের কাছে যাঁরা দিনে মিত্র, তাঁরাই আবার রাতে শত্রু। একই লেখায় বা একই বক্তৃতায় তাঁরা অংশে অংশে একাধিক পক্ষকে খুশি করতে চেষ্টা করেন। এই অগ্রবর্তী শ্রেণীর অনেক কথায়ই সাধারণ মানুষ পথ পান না। তাঁরা দলীয় নিরপেক্ষ নয়। তাঁদের ভাষা সাধারণ মানুষের জন্য বোধগম্য হয়না। সাধারণ মানুষের মধ্যে যাঁদের কাছে তাঁদের ভাষা বোধগম্য তারা একাধিক অর্থের কিংবা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য পড়ে বা শুনে আরও বিভ্রান্ত হয়,অগ্রসর আর হয় না।
২০/০৫/২০২৬
দুপুর ২ট ৪০ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

ভালো কিছু প্রচার করা মহৎ গুণ আনোয়ারুল হোসেন। আমাদের ঐক্য বিনষ্টকারী বিষয়গুলো হচ্ছে -হিংসা, শত্রুতা,গিবত,বিদ্বেষ, অপবাদ, ...
20/05/2026

ভালো কিছু প্রচার করা মহৎ গুণ
আনোয়ারুল হোসেন।

আমাদের ঐক্য বিনষ্টকারী বিষয়গুলো হচ্ছে -হিংসা, শত্রুতা,গিবত,বিদ্বেষ, অপবাদ, দ্বন্দ্ব -কলহ,অবজ্ঞা, নিন্দাবাদ, অধীন ব্যক্তিদের কষ্ট দেওয়া, মন্দ ধারণা পোষণ করা,বংশের গৌরব করা, ঝগড়াবিবাদ, অপরের অধিকারে হস্তক্ষেপ করা,পক্ষপাতিত্ব ইত্যাদি সম্পূর্ণ হারাম কাজ। (সুরা-১০৪ হুমাজাহ, আয়াত : ১-৯)

এর বিপরীতে আমাদের মধ্যে যে গুণাবলি আছে সেগুলো হলো -ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব,সহানুভূতি, সদুপদেশ, পরোপকার, সহমর্মিতা, বিপদে আপদে সাহায্য, সহাবস্থান, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা, অপরকে অগ্রাধিকার, প্রতিবেশি,মেহমান, এতিম, বড়দের প্রতি সম্মান, নারীদের অধিকার সুরক্ষা, ছোটদের প্রতি স্নেহ, পরস্পরের কল্যাণ কামনা, রোগীর সেবা ইত্যাদিকে ইসলামে এবাদত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

শান্তির ধর্ম ইসলামের অনুপম আদর্শের প্রতি মানুষের ডাকা হলো দাওয়াত। ইসলামের সহজ সরল ও যৌক্তিক বিষয়গুলো মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব প্রতিটি মুসলমানের। বিদায় হজের ভাষণে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) সর্বশেষ বাক্য ছিলো, " তোমরা যারা উপস্থিত রয়েছো তারা অনুপস্থিতিদের কাছে ইসলামের বার্তা পৌঁছে দেবে "।

সবিনয়ে বলি আমিসহ আমরা কতটুকু সেই দায়িত্ব পালন করেছি, করছি এবং আগামীতে করতে পারবো? আমি পরিস্কার উপলব্ধি করতে পারছি আমার কপালে বহুৎ দুঃখ-কষ্ট আছে। আপনাদের কথা আমি বলতে পারবোনা। কারণ আপনাদের সম্পর্কে আমি সঠিকভাবে জানিনা। মহান আল্লাহ তাআলা তুমি আমাদের সকলের ক্ষমা করে দিও।
২০/০৫/২০২৬
সকাল ৯টা ২ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

19/05/2026

" আপনি নিজের কাছে সুখি থাকুন "
আনোয়ারুল হোসেন।

আমাদের আগে অসংখ্য জ্ঞানী মানুষ পৃথিবীতে এসেছেন এবং আমাদের জন্য অনেক প্রশ্নের উত্তর রেখে গেছেন আমরা যত বেড়ে উঠি,আমরা বুঝতে পারি যে স্বার্থপর হওয়াটা আসলে কতটা অর্থহীন, কতটা অযৌক্তিক। আমরা যখন দেখি আমাদের প্রিয় মানুষ জীবন থেকে একে একে বিদায় নিচ্ছে,তখন আমরা বিশ্বাস করতে শুরু করি যে আমরাও একদিন বিদায় নেব।আমরা যত বড় হই,আমাদের মধ্যে ততই স্বার্থপরতা কমতে থাকে।আমরা কিভাবে কম স্বার্থপর হতে পারি, সবার কথা ভাবতে পারি এবং সবার ভালোবাসা পেতে পারি সেই চেষ্টাই আমাদের সবার করা উচিত। আমাদের জীবনে কোন মানুষগুলোর স্মৃতি আমাদের হাসায়,কাঁদায় ভাবায়? যারা আমাদের প্রতি স্নেহশীল,ক্ষমাশীল ছিলেন সেই সকল শ্রদ্ধেয় ব্যাক্তিদের কথা বিশ্রামের মধ্যে একটু চিন্তা করা উচিত-নাহলে "কৃতজ্ঞতা " শব্দটি অপমানিত হবে। জীবনে আপনি ধনী হন,বিখ্যাত হন,আবিষ্কারক হন, নেতৃত্ব দেন কিন্তু এমন কিছু করবেননা যেগুলো আপনাকে নিষ্ঠুর, স্বার্থপর হতে বাধ্য করবে। যে সব কাজ আপনার উজ্জ্বলতাকে ঢেকে দেয়,সেগুলো বর্জন করেন।হৃদয়ের উষ্ণতা সবার মাঝে বিলিয়ে দেন। জীবনের বড় সাফল্যগুলো কেউ একা অর্জন করতে পারেনা। চলার পথে কেউ না কেউ আমাদের সাহায্য করেছিল।আপনাকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দিয়েছিল। আপনি যাই করেননা কেন, সব সময় সুখের সন্ধান করেন। জীবনে প্রার্থনার চেয়ে প্রশংসা অনেক বেশি দরকার। মানুষের কল্যাণে কাজ করেন।তাদের কষ্ট লাঘব করেন,তাদের জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করেন। হৃদয়ের গভীর থেকে আপনাকে চাইতে হবে পৃথিবীর মানুষ শান্তিতে থাকুক। পৃথিবীর বর্তমান দুর্যোগ কেটে যাক। এই শুভ কামনা রইল বিশ্বের সমগ্র মানুষের প্রতি।
১৯/০৫/২০২৬
রাত ৭টা ৪০ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন

তখন আর এখন আনোয়ারুল হোসেন। এখন একটা মেয়ের জন্য একজন ছেলের জন্য দেবদাস হয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরাটা আজকের যুগের তারুণ্যের আদর্শ ...
19/05/2026

তখন আর এখন
আনোয়ারুল হোসেন।

এখন একটা মেয়ের জন্য একজন ছেলের জন্য দেবদাস হয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরাটা আজকের যুগের তারুণ্যের আদর্শ নয়। ঠিক তেমনি একজন ছেলের জন্য একজন মেয়ের সব বিসর্জন দিয়ে চোখের পানিতে দিবানিশি পার করাটাও কাম্য নয়।

আজকের তরুণ-তরূণীরা আগের চেয়ে অনেক বেশি ক্যারিয়ারিস্ট। এখন সর্বত্র মেলামেশার যুগ। বদলে যাচ্ছে সম্পর্কের ধরণ ও মাত্রা।

আমাদের সময় ছেলেমেয়েদের ঘনিষ্ঠতা প্রেম বলেই ধরে নিতো সবাই। এই প্রেম পরিণয়ে গড়াবে এমনটাই নিশ্চিত থাকতো। এখন সময় সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে। এখন ছেলেমেয়েরা একই সঙ্গে পড়াশোনা করে, সহপাঠী, সহকর্মী এবং বন্ধু এরকম। আর এ সম্পর্কগুলি এখন তাদের কারও কাছেই আলাদা কোনো অর্থ নিয়ে আসছেনা।

দুজন পরিণত বয়সের ছেলেমেয়ে পরস্পরের সঙ্গে কিভাবে মিশবে-তাদের সম্পর্কের ধরণ বা মাত্রা কি রকম হবে সেটা বর্তমান ছেলেমেয়েদের নিজস্ব বুদ্ধি -বিবেচনার বিষয়।

সব যুগেই ছেলেমেয়েরা পরস্পরের সাথে মিশত,কাছাকাছি আসত। তবে আগে সেটা হতো গোপনে, লুকিয়ে লুকিয়ে এখন সেটাই অনেক প্রকাশ্যে হচ্ছে। ছেলেমেয়েদের অবাধ মেলামেশার ফলে তাদের মধ্যে যে বন্ধুত্ব,ভালো লাগা,প্রেম,মনভাঙা,মনগড়া, আঘাত প্রতারণা ঘটছে -তা জীবনপ্রবাহেরই একটা অংশ।
১৯/০৫।২০২৬
সকাল ৯টা ৫৫ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

কবিতাহারিয়ে যেতে হয়আনোয়ারুল হোসেন। কোন ভালোবাসা আঘাত করেনাভাগ্য কখনও সংরক্ষিত হয়নাআমি এখনো সোনালী চুলের প্রেমে পড়ে আছি।ক...
18/05/2026

কবিতা
হারিয়ে যেতে হয়
আনোয়ারুল হোসেন।

কোন ভালোবাসা আঘাত করেনা
ভাগ্য কখনও সংরক্ষিত হয়না
আমি এখনো সোনালী চুলের প্রেমে পড়ে আছি।

কোন ধরণের যৌবন হাস্যকর?
আপনি আমি গত জীবনকে মিস করি বেশি
তুমি বদলে গেছো
এটা আমাকে অসহায় করে তুলেছে।

তোমার মুখে একটু দয়ালু হাসি নেই
তোমার প্রতিক্রিয়া সবসময় দেরি হয়ে যায়
একারণে এমন কারও জন্য অপেক্ষা করা উচিত নয়-যখন তুমি ভালোবাসো
তাকে মুক্ত হতে দাও।

ভুলে যেতে শিখুন অথবা ভুলো হতে
যারা আপনার জন্য বেশি বেশি কাঁদে
তারাই দ্রুত ভুলে যায়
সমাজে কেউ কাউকে ছোট করে দেখতে নেই।

আমি আমার জীবন যাপন করি
আপনাকে শুধু নিজের মত হতে হবে
ভালোবাসাকে ধরে রাখতে চাওয়া বোকামি
যতই আগলে রাখার চেষ্টা করি
আগে অথবা পরে
হারিয়ে যাওয়া দিন আসবেই।
১৮।০৫।২০২৬
রাত ৭টা ১০ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

18/05/2026

হে প্রভু! ক্ষমা চাই
আনোয়ারুল হোসেন।

যিনি সফর করেন, তাকে বলা হয় মুসাফির বা পথিক। শিক্ষা সফর বা আনন্দ ভ্রমণের বিশেষ উদ্দেশ্য হওয়া উচিত স্রষ্টার সৃষ্টি রহস্য দেখা, জ্ঞানার্জন,প্রভুর কুদরত ও শক্তির প্রতি অনুগত হওয়া। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, " তারা দেশ ভ্রমণ করেনা? তাহলে তারা জ্ঞান বুদ্ধি সম্পন্ন হৃদয় ও শ্রতিসম্পন্ন ভ্রমণের অধিকারী হতে পারত। বস্তুত চোখ তো অন্ধ নয় বরং অন্ধ হচ্ছে বুকের ভেতরের হৃদয় "।( সুরা-২২, হজ, আয়াত :৪৬)।

সফর একটি আনন্দময় এবাদত। সফর জ্ঞান -প্রজ্ঞার উৎস এবং অভিজ্ঞতার বাহন। ইসলামের একটি বিধিবদ্ধ এবাদত ভ্রমন বা সফর। মানুষ পৃথিবীতে মুসাফির বা পথিক। জান্নাতই মানুষের আসল ঠিকানা বা স্থায়ী নিবাস। যারা মুত্তাকী, তাদের জন্য পরকালই শ্রেয়। পবিত্র কোরআনে রয়েছে, " সময়ের শপথ! নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে রয়েছে, তবে তারা নয়,যারা বিশ্বাস করে, সৎকর্ম করে, একে অন্যকে সত্যের উপদেশ দেয় এবং ধৈর্য ধারণে পরামর্শ দেয়"।(সুরা-১০৩ আসর,আয়াত :১-৩)

সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করা যোগ্য নেতৃত্বের প্রধান দায়িত্ব। নেত যদি দয়ার্দ্র হন,তবেই সমাজে শান্তি বিরাজ করবে। তাই নেতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিচক্ষণ হতে হবে। নেতার গুণগুলো যাচাই করে নিতে হবে। নেতা কঠিন হবেননা। নেতাকে সবার হিতাকাঙ্ক্ষী হতে হবে। নেতাকে সবার সঙ্গে পরামর্শ করে কাজ করতে হবে।

দেশপ্রেম ইমানদারের বৈশিষ্ট্য। স্বদেশ ও মাতৃভূমিকে ভালোবাসা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। এবাদতের জন্য প্রয়োজন সুস্থতা, শক্তি ও সামর্থ্য। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা স্রষ্টার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। সুস্থতা ও অসুস্থতা মানুষের জীবনেরই অনুষঙ্গ। ভোরের বাতাস স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক। দুশ্চিন্তা ও হতাশা থেকে মুক্তির অন্যতম উপায হলো ইতিবাচক চিন্তা ও কল্যাণমূলক পরিকল্পনা। "হে প্রভু!নিশ্চয়ই আমি তোমার আশ্রয নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষের দমন-পীড়ন থেকে "। ( বোখারী -২৮৯৩)

১৮/০৫/২০২৬
সকাল ১১টা ১ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

18/05/2026

আমরা আত্মকেন্দ্রিক ও হিংসাপরায়ণ
আনোয়ারুল হোসেন।

ক্ষুদ্র স্বার্থের জন্য সমষ্টি স্বার্থকে বিসর্জন দেওয়ার ঘটনা আমাদের ব্যাক্তি জীবনে, সমাজ জীবনে, রাষ্ট্রীয় জীবনে তো ক্রমাগত ঘটে চলেছে।সবকিছু আমারই প্রাপ্য,একা আমারই সব পেতে হবে,এখানে কোনো অংশীদার আমার সহ্য হয়না,আমি কিভাবে পেয়েছি এটা বড় কথা নয়,আমি একা কেন সব পাচ্ছিনা এটাই একশ্রেণীর মানুষের চিন্তা- ভাবনার মূল কথা।আর যখন দেখা যায় আর একজনও তার মত পেতে শুরু করেছে তখন সে হিংসার আগুনে এমনি দগ্ধ হয় যে,প্রয়োজনবোধে নিজের চোখ দুটো উৎপাটন করে ফেলতে চাই।
আমাদের চরিত্রের অনেক গুণ আছে,আবার আছে অনেক দুর্বল দিকও।হতভাগ্য জনগোষ্ঠীর আশাকে উস্কে দেওয়া যায়,কিন্তু পূর্ণ করতে প্রয়োজন হয় শ্রম,সময় ও ধৈর্য।একটি মানুষ তখনই অন্যের শ্রদ্ধাভক্তি ও অনুসরণযোগ্য হয়-যখন তার মধ্যে নেতৃত্বের মহৎ গুণাবলী থাকে।ভণ্ড-ধড়িবাজ ও কপট নেতৃত্বের লীলাখেলা মানুষ ঠিকই বুঝতে পারে।যে কোনো বড় রকমের পরিবর্তন মানুষের মনে কতকগুলো আশার জন্ম দেয়।সে প্রত্যাশা করে সুন্দর-সুখময় প্রভাতের।
কোনো কোনো মনীষীর ভাষায়,আশা ভঙ্গের বেদনা বড় করুণ,বড় মর্মস্পর্শী। যার কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক -সে প্রত্যাশা পরণে ব্যর্থ হলে মনোভঙ্গ হবেই।আর যার কাছে মানুষের চাওয়ারও নেই,পাওয়ারও নেই -সেখানে মনে কিছু ঘটেনা।আমাদের এই যে চরিত্র এবং জীবন দর্শন এটা তার সমাজে এবং রাষ্ট্রবিন্যাসে জীবন এবং সংস্কৃতিতে যেমন শক্তি অন্যদিকে তেমনি দুর্বলতা হয়ে দেখা দিয়েছে।সংকীর্ণতা এবং পরশ্রীকাতরতার ঘূর্নাবর্ত থেকে আমরা মুক্ত হতে পারিনি।
১৮।০৫।২০২৬
সকাল ৯টা ৪ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

আজ বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস-২০২৬আনোয়ারুল হোসেন। প্রতি বছর ১৭মে উচ্চ রক্তচাপ দিবস পালিত হয়। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সচেতনত...
17/05/2026

আজ বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস-২০২৬
আনোয়ারুল হোসেন।

প্রতি বছর ১৭মে উচ্চ রক্তচাপ দিবস পালিত হয়। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য দিবসটি পালন করা হয়। উচ্চ রক্তচাপ জনিত বিভিন্ন ঝুঁকি এড়াতে আপনি যা করতে পারেন -
নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা।
খাবারে লবণের পরিমাণ কমিয়ে দিন।
প্রতিদিন অনন্ত ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করুন।
অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার, ধুমপান ও আ্যালকোহল বর্জন করুন।

২০০৪ সালের ১৪মে ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন লিগ (WHL) প্রথম বারের মতো বিশ্ব রক্তচাপ দিবস চালু করে। এরপর থেকে প্রতি বছরের ১৭মে বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি নিয়মিত পালন করা হয়ে আসছে।

উচ্চ রক্তচাপ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যেই এই দিবসের সূচনা। উচ্চ রক্তচাপকে বলা হয় নীরব ঘাতক। কারণ কোনো উপসর্গ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে নীরবে এটি হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক, কিডনি ও চোখের ক্ষতি করে।

লবণ কম খাওয়া, সুষম খাদ্যাভ্যাস,নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ, ধুমপানকে না বলা, মাদক বর্জন ও মানসিক চাপ কমানোর মতো অভ্যাস অত্যন্ত কার্যকর।

আসুন, আমরা নিজেরা সচেতন হই,নিয়মিত রক্তচাপ মাপি এবং পরিবার পরিজনকেও এ বিষয়ে উদ্ধুদ্ধ করি।
১৭।০৫।২০২৬
সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

একত্র হয়নি দুজনআনোয়ারুল হোসেন। তখন আমার কিশোর বয়সজীবনের প্রথম চিঠিটা পেয়েছিলাম তোমার কাছ থেকেতুমি জানিয়েছিলে তোমার ভালো ...
17/05/2026

একত্র হয়নি দুজন
আনোয়ারুল হোসেন।

তখন আমার কিশোর বয়স
জীবনের প্রথম চিঠিটা পেয়েছিলাম তোমার কাছ থেকে
তুমি জানিয়েছিলে তোমার ভালো লাগার কথা,
ভালোবাসার কথা।।

আমার উত্তর জানতে চেয়েছিলে
আমি কিভাবে চিঠির উত্তর দেব,
সেটা নিয়ে খুব নার্ভাস ছিলাম।
জানিনা মনের মধ্যে পুষে রাখা কথাগুলো
কোনোদিন বলতে পারবো কি-না?

সবার স্বপ্ন নাকি সত্যি হয়না
আমার একটা ভুলে আমি তোমাকে হারিয়েছি
আমার কোনো অভিযোগ নেই তোমার প্রতি
পারলে ক্ষমা করে দিও।।

মধ্যবৃত্ত ঘরের ছেলের স্বপ্ন পুরণে কত যে বাধা
ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবেনা-এরা
হতাশ থাকলেও স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে চাই
যেখানে সবাই কোনো না কোনোভাবে জীবনের ওপর বিরক্ত।।

তোমাকে নিয়ে ছোট করে লেখা সম্ভব?
সবাইকে কি করে বোঝাই বলো
তুমি তো আমার কাছে ছোট নও
সে-ই তোমাকে নিয়ে আমার লেখা কী করে ছোট হবে?

জীবন একটাই চলে গেলে ফেরত আসবেনা
অনেক কষ্টের জীবন আমার -বড্ড দুঃখী মানুষ আমি
আমার ঠুনকো জীবনে তোমাকে জীবনসঙ্গিনী করতে চায়নি-একটি অনিশ্চিত জীবনে তোমার প্রবেশ একদম বেমানান। ভালো থেকো। নিজের প্রতি খেয়াল রেখো।।
১৭/০৫/২০২৬
সকাল ১১টা ১০ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

17/05/2026

বেশি কথা বলা এবং বেশি বলার দোষ
আনোয়ারুল হোসেন।

Talkative are liar অর্থাৎ বেশি কথা বলতে গেলে মিথ্যার আশ্রয নিতে হয়। সেক্ষেত্রে সেইটুকুই বলা ভালো যতটুকু সত্যি। বেশি করে বলার একটা প্রবণতা আমাদের অনেকের মধ্যেই আছে। আমরা যে জিনিসকে যেভাবে এবং যতটুকু দেখেছি সেভাবে এবং ততটুকুই কেন পরিবেশন করিনা? কেন সেখানে নিজের আবেগকে মিশ্রিত করতে যাই? এর ফলে যে জিনিসটা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার নাম সত্য।

যেকোনো জিনিসকে নিজের মনের মাধুরী মিশিয়ে দেখা এবং পরিবেশন করার ফলে যে অবস্থা দাঁড়ায় তাতে মূল জিনিসটা আবিষ্কার করা কঠিন হয়ে পড়ে। যেকোনো কিছুতেই সামান্য অসতর্কতা মুহূর্তেই সত্যের অপলাপ ঘটে যায়। সত্য এবং মিথ্যার এই ব্যবধানটি এতই সূক্ষ্ম যে,প্রায়শ:ই তা আমাদের চোখে পড়ে না।

এই প্রসঙ্গে একটা কথা বোধহয় দরকার যে, জিহ্বা মানুষের সর্বাপেক্ষা বড় বন্ধু আবার সর্বাপেক্ষা বড় শত্রুও বটে। বেশি করে বলা এবং বেশি বলা এই দুটোই মূল বিষয় থেকে আমাদের বিচ্ছিন্ন করে। আমরা কোনো জিনিসকে যখন দেখি তাকে আবেগের মোড়কে বেঁধে ফেলেই দেখি। এর ফলে আমরা আমাদের সমাজকে বিশ্লেষণ করতে বারবার ব্যর্থ হচ্ছি।আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হচ্ছি। আমাদের ইতিহাসকে এর সঠিক বিশ্লেষণের ধারায় প্রবাহিত করতে ব্যর্থ হচ্ছি।

আরও দুর্ভাগ্য এই যে, আমরা সঠিক এবং সত্য তথ্যের ক্ষেত্রে আরোপ করছি নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা। এর ফলে সত্য আর সত্য থাকছেনা,তথ্য আর তথ্য থাকছেনা। ফলে আমরাই আমাদেরকে অজ্ঞাতসারে প্রতারিত করে চলছি। এমনটা কি দেশ ও জাতির জন্য শুভ???
১৭/০৫/২০২৬
সকাল ৯টা ৫০ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

16/05/2026

মানুষের চলাচলের রকমফের
আনোয়ারুল হোসেন।

আমাদের চলার মধ্যে বাঁচার মূল শক্তি লুকিয়ে আছে। চলার এই মোহ আমার মতে কৃত্রিম নয় বরং স্বাভাবিক। তাই চলার মধ্যে মানুষ আনন্দ পায় এবং আশা ভরসা ভরা একটা ভবিষ্যৎও দেখে। আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স,ইংল্যান্ড, কানাডা, চীন, জার্মান, ইটালি সুইজারল্যান্ড প্রভৃতি দেশ কিভাবে চলছে আর আমাদের মতো গরীব দেশগুলোও কেমন চলছে। তাদের চলা আর আমাদের চলার মধ্যে ফারাকটা আসমান জমিন ফারাকের মতো।

আমরা চলছি, চলতেই থাকবো যতদিন আল্লাহ আমাদের মধ্যে চলার শক্তিটুকু রাখেন। চলার শেষ নেই, চলার বিরতি নেই। যেদিন চলার বিরতি ঘটবে সেদিন মৃত্যু নামক মহাসত্যকে আলিঙ্গন করা ছাড়া আর উপায় থাকবেনা। চলার চঞ্চলতা আল্লাহ পাক যতটুকু দিয়েছেন তা প্রাকৃতিক নিয়মেই অনুশীলিত হবে,স্থবিরতা বা নিশ্চলতার কোনো অবকাশ নেই।

বিকলাঙ্গ ভিক্ষুকটি বার্ধক্যে উপনীত হয়েছে। সে জানে এই সমাজ সংসারে তার দেওয়ার বা পাবার কিছু নেই। তার জীবন আর দেহটা তার জন্য এক বোঝা, অথচ সেই পঙ্গু বিকলাঙ্গ ভিক্ষুকটি কিসের আশায় কি নেশায় অন্যের কোলে চড়ে দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে। সে হাসে আনন্দ করে, চিন্তা ও বুদ্ধির কথা বলে আবার বাঁচার স্বপ্নও দেখে।

মানুষের সমাজে মানুষের জীবনমান এবং মৌলিক চাহিদার ক্ষেত্রে মানুষে মানুষে আসমান জমিন ফারাক, ফারাক করে নেওয়া হয়। 'ভোগের ষোলআনা তুমি আর ত্যাগের ষোলআনা আমি '-এমন অসমের সমান চলার উপদেশ শুনলে পিত্তি জ্বলে যায়।
১৬/০৫/২০২৬
সকাল ৯টা ২৫ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

Address

Noapara

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anowarul Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category