Modern Diagnostic Home

Modern Diagnostic Home Modern Diagnostic Home is one of the Best Diagnostic Center in Pabna. Modern Diagnostic Home is a diagnostic center with state-of-the-art medical facilities.

মর্ডান ডায়াগনস্টিক হোম পাবনার অন্যতম সেরা ডায়াগনস্টিক সেন্টার। মডার্ন ডায়াগনস্টিক হোম হল একটি অত্যাধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্পন্ন একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। যা রোগীদের জন্য বিস্তৃত রোগ নির্ণয়ের পরিষেবাগুলি তাদের নিজের প্রতিষ্ঠানে অফার করে৷ সর্বশেষ প্রযুক্তি এবং সরঞ্জাম সহ, আমাদের দক্ষ পেশাদারদের দল পরীক্ষাগার পরিষেবা, ইমেজিং এবং টেলিমেডিসিন পরামর্শ সহ সঠিক এবং দক্ষ ডায়গনিস্টিক পরীক্ষা প্রদান কর

ে। আমাদের লক্ষ্য হল স্বাস্থ্যসেবাকে আমাদের রোগীদের জন্য আরও সহজলভ্য এবং সুবিধাজনক করে তোলার পাশাপাশি গুণমান এবং নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখা। আপনার সমস্ত ডায়াগনস্টিক প্রয়োজনের জন্য আধুনিক ডায়াগনস্টিক হোমে চলে আসুন আজই। সপ্তাহে ৭ দিন পাচ্ছেন আমাদের সেবা।

Mordern Diagnostic Home is one of the best diagnostic center in Pabna. which offers a wide range of diagnostic services to patients at their own institutions With the latest technology and equipment, our team of skilled professionals provides accurate and efficient diagnostic tests including laboratory services, imaging and telemedicine consultations. Our mission is to make healthcare more accessible and convenient for our patients while maintaining the highest standards of quality and safety. Visit Modern Diagnostic Home for all your diagnostic needs today. Our service is available 7 days a week.

পিঠে ব্যাথা প্রতিরোধে ৯টি দৈনিক অভ্যাস-পিঠ ব্যথা প্রতিরোধে সবচেয়ে জরুরী হলো আপনার পিঠের উপর চাপ কমানো। তাই দৈনন্দিন চলা...
04/04/2026

পিঠে ব্যাথা প্রতিরোধে ৯টি দৈনিক অভ্যাস-

পিঠ ব্যথা প্রতিরোধে সবচেয়ে জরুরী হলো আপনার পিঠের উপর চাপ কমানো। তাই দৈনন্দিন চলাফেরা এবং কাজকর্মের সময় আপনার দেহভঙ্গীর দিকে খেয়াল রাখুন। কিছু কাজ আছে যেগুলিকে আপনার দৈনন্দিন জীবনে অভ্যাসে পরিণত করতে পারলে পিঠে ব্যাথা বা ব্যাকপেইন থেকে সহজেই দূরে থাকা সম্ভব। চলুন এমন নয়টি অভ্যাস সম্পর্কে জেনে নিই।

১. কম ওজন বহন করুন

ভারী ব্রিফকেস, ল্যাপটপ ব্যাগ, স্যুটকেস কিংবা বাজারের ব্যাগ- এগুলি আপনার ঘাড় এবং মেরুদণ্ডে অপ্রয়োজনীয় চাপ প্রয়োগ করতে পারে। তাই শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় জিনিসই বহন করুন। এমন ব্যাগ ব্যবহার করুন যা পিঠে, ঘাড়ে, কাঁধে সমানভাবে ভর বিতরণ করে, যেমন ব্যাকপ্যাক, যা দুই কাঁধে নেয়ার মত। ভারী কিছু বহন করতে চাইলে, প্রয়োজনে চাকাওয়ালা ব্যাগ ব্যবহার করুন।

২. ব্যায়াম করুন

আপনার পেট এবং পিঠের চারপাশের পেশীগুলি আপনাকে সোজা থাকতে সাহায্য করে এবং পুরো শরীরের ভার বহন করতে সহায়তা করে। তাই এগুলিকে শক্তিশালী করে আপনার পিঠে ব্যথা বা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত কয়েকবার পেট ও পিঠের ব্যায়াম করুন।

৩. সোজা হোন

সঠিক দেহভঙ্গী আপনার মেরুদন্ডকে সুস্থ রাখে এবং সঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। দেহভঙ্গি সঠিক না হলে তা আপনার মেরুদন্ডে অপ্রয়োজনীয় চাপ প্রয়োগ করে। যারা দীর্ঘক্ষণ অফিসে কিংবা কম্পিউটারের সামনে কাজ করেন তাদের ব্যাকপেইন হবার সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি থাকে। তাই চেয়ারে বসার সময় হয়ে বসতে হবে। দাড়ানোর সময়ও সোজা হয়ে দাড়াতে হবে। ফোন ব্যবহারের সময় চেষ্টা করতে হবে যেন তা মাথা সোজা রেখে ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটারের মনিটর প্রয়োজনে উচু করে নিতে হবে যেন মাথা ও শিরদাড়া সোজা রেখে কাজ করা যায়। ।

৪. টেবিলের উপর ঝুঁকে পড়বেন না

অফিসের চেয়ারে বসার সময় কিংবা দাঁড়ানোর সময় ঝুঁকে যাবেন না। বিশেষ করে যদি আপনি প্রতিদিন কয়েক ঘন্টার বেশি বসে থাকেন বা ‘ডেস্ক জব’ করেন তাহলে ঠিকভাবে বসা এবং আপনার পিঠকে পেছন থেকে সঠিকভাবে চাপ দিয়ে রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ, ।

বসার চেয়ারটা ভাল হওয়া খুব জরুরী। এমন চেয়ার বেছে নিন যা আপনার পিঠের নীচের দিককে সঠিক ভাবে চাপ দিয়ে রাখতে পারবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন আপনি বসলে আপনার হাঁটু আপনার নিতম্বের থেকে একটু উঁচুতে থাকে।

৫. প্রায়ই নড়ে চড়ে বসুন, উঠুন

দীর্ঘ সময় ধরে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা, বসা বা শুয়ে থাকা আপনার পিঠের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। আপনি যখনই পারেন বসা থেকে উঠে, হাঁটাহাঁটি করে এবং কিছু সাধারণ হাল্কা স্ট্রেচ করে পেশী এবং হাড় এবং মেরদন্ডকে চাপ থেকে মুক্তি দিন। এটি আপনার পিঠে রক্ত ​​সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয় এবং সুস্থ রাখে।

৬. জুতা বদলান

হাই-হিলের জুতা আপনার পিঠের ক্ষতির কারণ হতে পারে, বিশেষ করে তা যদি নিয়মিত পরেন। তাই অল্প উচ্চতার সমান তলিওয়ালা জুতা বা স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।

৭. আপনার ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি গ্রহণের পরিমাণ বাড়ান

পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি গ্রহণ করে আপনার মেরুদন্ডের হাড় মজবুত রাখুন। ক্যালসিয়াম অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পারে, যা বিশেষ করে নারীদের পিঠে ব্যথার একটি বড় কারণ। দুধ, দই, শাকে আপনি পাবেন ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি পাবেন চর্বিযুক্ত মাছ, ডিমের কুসুম, গরুর যকৃত বা কলিজা কিংবা পনিরে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরণের ক্যালসিয়াম বড়ি পাওয়া যায় যা কার্যকত। তবে ভিটামিনের বড়ি খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিতে হবে।

৮. সিগারেটটা বাদ দিন

ধূমপান গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং এটি ব্যাকপেইনও বাড়িয়ে তুলতে পারে। নিকোটিন মেরুদন্ডের ডিস্কগুলিতে রক্ত ​​প্রবাহকে সীমিত করে দেয়, যার ফলে তারা শুকিয়ে যায় বা ফেটে যেতে পারে। ধূমপান রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণও হ্রাস করে এবং এর ফলে পেশীতে কম পুষ্টি পৌঁছায়। এই দুর্বল, অসুস্থ পিঠ দুর্ঘটনাজনিত স্ট্রেন এবং পিঠে ব্যথা সৃষ্টিকারী টানগুলির জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

৯. হাঁটুর নিচে বালিশ দিয়ে ঘুমান

উপুড় হয়ে বা চিৎ হয়ে ঘুমালে আপনার মেরুদণ্ডে চাপ পড়ে। ঘুমের সময় আপনার পা সামান্য উঁচু করে রাখলে পিঠের এই চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই হাঁটুর নিচে বালিশ দিয়ে আপনি আপনার পিঠের উপর চাপ অর্ধেক কমে ফেলতে পারেন।

03/04/2026
৩৫ শতাংশ নারী গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত -দেশের ৩৫ শতাংশ নারী গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। গর্ভবতী ৮৩ শতাংশ নারীই জ...
02/04/2026

৩৫ শতাংশ নারী গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত -
দেশের ৩৫ শতাংশ নারী গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। গর্ভবতী ৮৩ শতাংশ নারীই জানেন না যে, গর্ভাবস্থার ২৪ থেকে ২৮ সপ্তাহের মধ্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করাতে হয়। আগে থেকে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত না হলেও অন্তঃসত্ত্বা নারীরা এই সময়ে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। দেশে গর্ভাবস্থায় আক্রান্তের এই উচ্চ হার থাকা সত্ত্বেও এ সম্পর্কে নেই সচেতনতা। অন্তঃসত্ত্বা নারীর ৭৯ শতাংশ নিজে ও তার পরিবারের অন্য স্বজন—মা, স্বামী, শাশুড়ি কিংবা অন্য সদস্যরা এ সম্পর্কে জানেন না।

আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের (আইডিএফ) তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশের গ্রামে ৮ শতাংশ ও শহরে প্রায় ১৩ শতাংশ নারী গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। বাংলাদেশ জনমিতি ও স্বাস্থ্য জরিপ (বিডিএইচএস) ২০১৭-১৮-এর উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দেশের ৩৫ শতাংশ নারী গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। আক্রান্তের এই উচ্চ হার থাকলেও অন্তঃসত্ত্বা নারী নিজে, তার মা, স্বামী, শাশুড়িসহ পরিবারের প্রায় ৭৯ শতাংশ সদস্য এ সম্পর্কে জানেন না। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ডায়াবেটিস পরীক্ষা করার কথা জানেন না ৮৩ শতাংশ।

সচেতনতা জরুরি :জনসচেতনতা খুব জরুরি। নতুন দম্পতিকে গর্ভধারণের পরিকল্পনা করার আগে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস নিয়ে সচেতন হতে হবে। পরিবারগুলোকে বোঝাতে হবে, মা গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে সন্তানও ঝুঁকিতে পড়ে। যাদের ডায়াবেটিস আগে ছিল, কিন্তু এখন নেই বা যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, তাদের জানতে হবে, কখন নিরাপদে গর্ভধারণ করা যাবে। গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে মায়ের প্রি-একলাম্পসিয়া, একলাম্পসিয়া, গর্ভে পানির আধিক্য বা পানির অভাব, চোখ ও অন্যান্য জটিলতা হতে পারে। গর্ভের শিশু আকারে অস্বাভাবিক বড়, জন্মগত ত্রুটি, সময়ের আগে জন্ম, এমনকি গর্ভে নবজাতকের মৃত্যুও হতে পারে।

প্রসূতির ঝুঁকি - 1. জরায়ু, এর আশেপাশের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও কাটা স্থানের ইনফেকশন: এক্ষেত্রে জ্বর, পেট ব্যথা, যোনিপথে অস্বাভা...
31/03/2026

প্রসূতির ঝুঁকি -
1. জরায়ু, এর আশেপাশের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও কাটা স্থানের ইনফেকশন: এক্ষেত্রে জ্বর, পেট ব্যথা, যোনিপথে অস্বাভাবিক স্রাব ও ভারী রক্তপাত, কাটা স্থান ফুলে লাল হয়ে যাওয়া ও পুঁজ বের হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এসব সমস্যা বেশ কমন। তবে সঠিকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ ব্যবহারের মাধ্যমে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
2. অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ: ভারী রক্তক্ষরণ হলে আপনাকে কখনো কখনো রক্তদান করা হতে পারে। বিরল কিছু ক্ষেত্রে আবার অপারেশন করে রক্তপাত বন্ধ করতে হতে পারে। এমনকি রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব না হলে জরায়ু কেটে ফেলে দিতে হতে পারে।
3. রক্ত জমাট বাঁধা: পায়ের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বেঁধে একটা চাকা তৈরি হতে পারে। এটা থেকে পায়ে ব্যথা হয়ে পা ফুলে যেতে পারে। জমাট বাঁধা রক্ত নালী থেকে ছিটকে ফুসফুসে গিয়ে আটকে যেতে পারে—যা থেকে প্রাণঘাতী শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
4. মূত্রথলি, মূত্রনালী ও জরায়ুর আশেপাশের অঙ্গে আঘাত: অপারেশনের সময়ে মূত্রনালী অথবা নাড়িভুঁড়িতে আঘাত লাগতে পারে। এ থেকে গুরুতর জটিলতা তৈরি হয়ে আরেকটি অপারেশন করার প্রয়োজন হতে পারে।
5. স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরতে দেরি হওয়া: সিজার করলে নরমাল ডেলিভারির তুলনায় স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরতে তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগে। এজন্য শারীরিক, মানসিক ও পারিবারিক জীবন ব্যহত হতে পারে।
6. অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া: অ্যানেস্থেসিয়ার ঔষধসহ চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ঔষধে আপনার রিঅ্যাকশন হতে পারে।

গর্ভধারণ সক্ষমতা বাড়ানোর ১০ কৌশল-:১. ঋতুচক্রের পুনরাবৃত্তির তথ্য সংরক্ষণসন্তান গ্রহণে ইচ্ছুক নারীর প্রতি মাসে তার পিরিয়ড...
30/03/2026

গর্ভধারণ সক্ষমতা বাড়ানোর ১০ কৌশল-:

১. ঋতুচক্রের পুনরাবৃত্তির তথ্য সংরক্ষণ

সন্তান গ্রহণে ইচ্ছুক নারীর প্রতি মাসে তার পিরিয়ডের প্রথম দিনটির তারিখ লক্ষ রাখা উচিত। প্রতি মাসেই সমান দিনে পিরিয়ড শুরু হলে তা নিয়মিত বলে ধরে নেয়া হয়। তবে এর হেরফের হলে অনিয়মিত পিরিয়ড হিসেবে গণ্য হয়। দ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যালেন্ডারে এ তথ্যের ভিত্তিতে নারীর ওভুলেশন কখন হচ্ছে, তা অনেকটা সঠিকভাবে অনুমান করা যায়। ওভুলেশন হচ্ছে নারীর ডিম্বাশয় থেকে একটি ডিম নিঃসরণ। ডিম্বাণু নির্গত হওয়ার পর সেটি ফেলোপিয়ান টিউবের নিচের দিকে চলে যায়, আর সেখানেই শুক্রাণু কোষ এই ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে।

ঋতুচক্রের পুরো বিষয়টি হিসাবে রাখতে গ্লোওভুলেশনের মতো বেশ কিছু পিরিয়ড ট্র্যাকার অ্যাপ অনলাইনে পাওয়া যায়। আমেরিকান প্রেগন্যান্সি অ্যাসোসিয়েশনের মতে, নারীর ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নির্গত হওয়ার ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। অন্যদিকে নারী দেহে প্রবেশের পর পুরুষের শুক্রাণু পাঁচ দিন পর্যন্ত কার্যক্ষম থাকতে পারে।

২. ওভুলেশনের দিকে দৃষ্টি রাখা

ইনফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞ ড. ম্যারি অ্যালেন পাভোন বলছেন, ‘সাধারণত পিরিয়ডের দুই সপ্তাহ আগে একজন নারীর ওভুলেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়। অবশ্য যাদের ক্ষেত্রে ঋতুচক্র ব্যাহত হয়, তাদের ওভুলেশনের সময় নির্ণয় করা বেশ কঠিন। তবে সাধারণত পরবর্তী পিরিয়ডের আগের ১২ থেকে ১৬ দিন আগে এটি ঘটতে পারে।’

নেচার জার্নালে ২০১৯ সালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে দেখা যায়, ঋতুচক্রের দৈর্ঘ্য নারীভেদে আলাদা হতে পারে। সেই সঙ্গে নারীর রজঃশীল থাকার বছরগুলোর বিভিন্ন সময়ে ওভুলেশনের সময় ও দৈর্ঘ্যও বদলে যেতে পারে। এ কারণে ওভুলেশনের সময়কে খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারলে নারীর গর্ভধারণ সহজ হয়। মাসের কোন সময়টি গর্ভধারণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত, সেটি বের করার অনেক উপায় আছে।

৩. ফার্টাইল উইন্ডোর সময় বিকল্প দিনে যৌন মিলন

আমেরিকান সোসাইটি ফর রিপ্রোডাকটিভ মেডিসিনের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফার্টিলিটি উইন্ডো (ডিম্বাণু নিগর্ত হওয়ার প্রস্তুতি ও নির্গত হওয়ার পরে কার্যকর থাকার সময়) সাধারণত ছয় দিনের। ওভুলেশনের দিন এবং এর আগের পাঁচ দিন। প্রতি মাসে একজন নারী এই সময়টাতেই জন্মদানে সবচেয়ে বেশি সক্ষম বা উর্বর থাকেন।

অনেক নারী গর্ভধারণের সঠিক সময় জানতে ফার্টিলিটি-ট্র্যাকিং অ্যাপ ব্যবহার করেন। তবে বিএমজে সেক্সুয়াল অ্যান্ড রিপ্রোডাকটিভ হেলথে ২০২০ সালে প্রকাশিত এক রিভিউ অনুযায়ী, এই অ্যাপ বা ওয়েবসাইট কতটুকু নিখুঁত সেটা নিয়ে খুব বেশি গবেষণা হয়নি।

অবস্টেট্রিকস অ্যান্ড গায়নোকলজি জার্নালে ২০১৬ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ৫০টি প্রচলিত ফার্টিলিটি ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ও অ্যাপ পরখ করে দেখেছেন। লাইভ সায়েন্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই অ্যাপ ও সাইটগুলো প্রায়ই উদ্ভট ফল দিচ্ছিল। অনেক ফার্টিলিটি উইন্ডোর দিন-তারিখ একেবারে ভুলভাবে জানাচ্ছিল।

৪. দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা

একজন নারীর ওজন তার গর্ভধারণের সামর্থ্যকে প্রভাবিত করতে পারে। অতিরিক্ত ওজন বা অনেক কম ওজন গর্ভধারণের সম্ভাবনাকে কমিয়ে দেয়। পাভোন বলছেন, সাধারণ বডি মাস ইনডেক্সের (বিএমআই) একজন নারীর চেয়ে অতিরিক্ত ওজনের নারীর গর্ভধারণে দ্বিগুণের বেশি সময় লাগতে পারে। আর যেসব নারীর ওজন অনেক কম তাদের ক্ষেত্রে চার গুণ সময় লাগতে পারে।

৫. গর্ভাবস্থার আগে ভিটামিন খাওয়া

যেসব নারী গর্ভধারণের চেষ্টায় আছেন তাদের ভিটামিন খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পাভোন। এতে করে গর্ভাবস্থায় দেহের উপযোগী ভিটামিন তিনি আগে থেকেই চিহ্নিত করতে পারবেন।

পাভোন প্রতিদিন মাল্টিভিটামিন খেতে বলেন। তবে তাতে ন্যূনতম ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিড থাকতে হবে। এটি এক ধরনের বি-ভিটামিন, যা শিশুর মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ড মজবুত করতে সহায়তা করে।

জন্মের সময় শিশুর কোনো ধরনের ত্রুটি এড়াতে গর্ভধারণের অন্তত এক মাস আগে থেকে নারীদের প্রতিদিন ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিড গ্রহণ করতে বলে দ্য সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)।

৬. স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া

আমেরিকার দাতব্য স্বাস্থ্য সংস্থা মেয়ো ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভধারণের জন্য নির্দিষ্ট কোনো খাদ্যতালিকা না থাকলেও, স্বাস্থ্যকর খাবার একজন নারীর দেহে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও আয়রনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদানে সুষম অবস্থা বজায় রেখে গর্ভধারণে সহায়তা করে। এর অর্থ হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফল, সবজি, সুষম প্রোটিন, বার্লি-ওটমিল জাতীয় হোল গ্রেইন, দুগ্ধজাত পণ্য ও চর্বিযুক্ত স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে।

ফলিক এসিডযুক্ত সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার পাশাপাশি একজন নারী সবুজ শাক-সবজি, ব্রকোলি, ভিটামিন ও মিনারেল যুক্ত রুটি ও সিরিয়াল, বিনস, লেবু জাতীয় ফল ও কমলার রস খেতে পারেন।

৭. কঠিন বা ভারী ব্যায়াম কমানো

২০২০ সালের মার্চে হিউম্যান রিপ্রোডাকশন জার্নালের প্রকাশিত এক নিবন্ধে বিজ্ঞানীরা জানান, প্রতিদিনের শারীরিক সক্রিয়তা একজন নারীর দেহকে গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মদানের জন্য প্রস্তুত করে। এতে করে তাদের জন্মদান ক্ষমতা সংক্রান্ত সমস্যাও কমিয়ে দেয়।

তবে লাইভ সায়েন্সের প্রতিবেদন অনুসারে, যে সব নারী অতিরিক্ত ব্যায়াম করেন বা নিয়মিত ভারী কাজ করেন তাদের ওভুলেশন প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে।

যে সব নারী ভারী ব্যায়াম করেন তাদের রজঃচক্রে ব্যাঘাত ঘটতে দেখেছেন চিকিৎসকেরা। লাইভসায়েন্সকে পাভোন বলেন, নারী গর্ভধারণ করতে চাইলে ব্যায়ামের পরিমাণ কমাতে হবে।

৮. বয়স বাড়লে কমে উর্বরতা

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নারীর সন্তান জন্মদান ক্ষমতা বা উর্বরতা কমতে থাকে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বদলাতে থাকা ডিম্বাণু ও মান কমে যাওয়াই এর মূল কারণ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইউটেরিন ফাইব্রয়েডস, ফেলোপিয়ান টিউবে ব্লক ও এন্ডোমেট্রিওসিসের মতো অন্যান্য স্বাস্থ্য ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। যে কারণে উর্বরতা কমে যেতে পারে।

পাভোন বলেন, ‘৩০ বছরের পর নারীদের জন্মদান ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। ৩৭ বছরের পর তা আরও কমে যায় এবং ৪০ এর পর তা অনেকখানি হ্রাস পায়।‘

হ্রাস পাওয়ার অর্থ গর্ভধারণে বেশি সময় লাগতে পারে।

৯. ধূমপান ও মদ্যপানে ক্ষতি

ধূমপানের কারণে নারী ও পুরুষ উভয়েরই বন্ধ্যাত্বের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমেরিকান সোসাইটি অফ রিপ্রোডাকটিভ মেডিসিনের মতে, সিগারেটের নিকোটিন ও কার্বন মনোক্সাইডের মতো রাসায়নিক নারীর ডিম্বাণু নষ্ট হওয়ার হারকে ত্বরান্বিত করে।

১০. কখন সাহায্য লাগবে সেটা জানুন

পাভোন বলেন, ‘নারীর বয়স ৩৫ বছরের ওপরে হলে এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ছাড়া নিয়মিত যৌন সম্পর্কের পর ছয় মাসের মধ্যে সন্তানসম্ভবা না হলে নারী ও পুরুষ উভয়েরই বন্ধ্যাত্বের পরীক্ষা করানো উচিত।’

পাভোনের মতে, যে সব নারীর বয়স ৩৫ বছরের নিচে, তারা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার না করে এক বছর নিয়মিত যৌন সম্পর্কের পরেও গর্ভধারণ করতে না পারলে তার সঙ্গীর বন্ধ্যাত্বের পরীক্ষা করানো উচিত।

কীভাবে বুঝবেন জন্ডিস হয়েছে? রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে প্রস্রাবের রং, চোখের শ্বেতমণ্ডল বা স্ক্লেরা, ত্বক ও মুখের...
29/03/2026

কীভাবে বুঝবেন জন্ডিস হয়েছে?

রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে প্রস্রাবের রং, চোখের শ্বেতমণ্ডল বা স্ক্লেরা, ত্বক ও মুখের ভেতর হলুদ দেখায়। এই পরিস্থিতিকে আমরা জন্ডিস বলে জানি। যকৃৎ বা পিত্তনালির কোনো সমস্যা দেখা দিলেই জন্ডিস হয়ে থাকে সাধারণত। রক্তের বিলিরুবিনের মাত্রা এ সময় ৩ মিলিগ্রাম বা ডেসিলিটারের চেয়ে বেশি হয়ে যায়।

জন্ডিস কেন হয়
মূলত তিনটি কারণে জন্ডিস দেখা দেয়। এক. হেপাটাইটিস বা যকৃতের প্রদাহ। দুই. পিত্তনালির ব্লক বা পিত্তরসের পথে বাধা। তিন. হিমোলাইসিস বা সময়ের আগেই রক্তের লোহিত রক্তকণিকার ভেঙে যাওয়া।

হেপাটাইটিসের অন্যতম কারণ নানা রকম ভাইরাস। হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি ও ই ভাইরাসের নাম আমরা কমবেশি জানি। হেপাটাইটিস এ এবং ই দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে দেহে প্রবেশ করে। অন্যদিকে বি এবং সি সাধারণত রক্তের মাধ্যমে আর অনিরাপদ যৌনসংসর্গের মাধ্যমে ছড়ায়। এই ভাইরাসগুলো ছাড়াও বিপাকজনিত কিছু সমস্যায়, অ্যালকোহল সেবন বা অটোইমিউন কিছু রোগে যকৃতের প্রদাহ হতে পারে।

যেভাবে বুঝবেন জন্ডিস হয়েছে-
জন্ডিসের সাধারণ উপসর্গ হলো চোখ ও প্রস্রাবের রং হলদে হয়ে যাওয়া। ত্বক বা মুখের ভেতরও হলুদ দেখায়। এ ছাড়া অরুচি, ক্ষুধামান্দ্য, বমি বমি ভাব বা বমি, অবসাদ, জ্বর জ্বর ভাব, কখনো পেটব্যথাও হতে পারে। কখনো চুলকানি হতে পারে। এমনটা হলে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা, লিভারের এনজাইমগুলো পরীক্ষা করলেই জন্ডিস হয়েছে বোঝা যায়। তবে এই জন্ডিসের কারণ কি, তা জানার জন্য ভাইরাস পরীক্ষা করা দরকার।

গ্রামগঞ্জে ‘মেটে জন্ডিস’ নামে একটা শব্দ চালু আছে। কোনো কারণে খাওয়ায় অরুচি দেখা দিলেই মানুষ ধরে নেয় যে জন্ডিস হয়েছে। নানা ধরনের ঝাড়ফুঁক, তাবিজ–কবচ নেওয়া শুরু হয়ে যায় তখন। আসলে মেটে জন্ডিস বলে কিছু নেই।

গর্ভাবস্থায় বুক জ্বলা-গর্ভবতী মায়েদের বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যাটি নানা কারণে যেমন খাবার ও ঔষধের জন্য হয়ে থাকে। তাই এসময় তাদ...
28/03/2026

গর্ভাবস্থায় বুক জ্বলা-
গর্ভবতী মায়েদের বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যাটি নানা কারণে যেমন খাবার ও ঔষধের জন্য হয়ে থাকে। তাই এসময় তাদের বিভিন্ন খাবার গ্রহনে বিশেষ সতর্ক থাকা উচিত। চলুন জেনে নিই গর্ভকালীন বুক জ্বালাপোড়ার বিভিন্ন কারণ ও সমস্যাটি থেকে মুক্তির উপায় সম্পর্কে।

গর্ভাবস্থায় বুক জ্বলা সমস্যাটির মাত্রা বেড়ে যায় অপরিকল্পিত খাদ্যাভ্যাস ও যথেচ্ছা ঔষধ সেবনের কারণে। তাই এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে খাবার ও ঔষধ গ্রহনের ব্যাপারে অধিক সাবধানী হওয়া প্রয়োজন। এসময় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষুধ একদমই খাওয়া যাবেনা। কিছুটা বাড়তি সচেতন থাকলেই ক্ষতিকর সমস্যাটি এড়িয়ে চলা যায়। গর্ভাবস্থায় যে সমস্ত খাবার ও ঔষধ খেলে বুক জ্বালা করতে পারে ও তা থেকে মুক্তির উপায় সম্পর্কে আজকে জানব।

গর্ভকালীন বুক জ্বলার জন্য দায়ী খাবার সমূহ

গর্ভকালীন সময়ে পেটে গ্যাসের আধিক্যের জন্য প্রধানত এই সমস্যাটি হয়ে থাকে। তাই কিছু খাবার আছে যেগুলো এসময় খাওয়া ঠিক নয়। এই খাবার সমূহ প্রধানত পেটে্র মধ্যে গ্যাস তৈরি করে পরবর্তীতে বুকের মধ্যে জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি করে। নিম্নে এসব খাবার সামগ্রী সন্মন্ধে আলোচনা করা হলো।

১। চা অথবা কফি পান

চা কিংবা কফি আমাদের অনেকের প্রিয় পানীয় হলেও গর্ভবতী মায়েদের জন্য এটি ক্ষতিকর। এ সময় অতিরিক্ত পরিমাণে চা-কফি পান করলে তাতে বুক জ্বালাপোড়া হতে পারে। তাই এই সময়টিতে যতটুকু পারা যায় চা অথবা কফি পান করা থেকে বিরত থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ। তাই এই সময়টিতে এমন সব খাবার খাওয়া দরকার যা তার শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করবে। এসময় প্রচুর বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত।

২। ফ্যাটি বা তৈলাক্ত খাবার দাবার

বিভিন্ন চর্বিজাতীয় খাবার সামগ্রী যেমন ঘি, মাখন,অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার সহ বিভিন্ন প্রকার ফাস্ট ফুড এই সময়টিতে এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ এসব চর্বিযুক্ত খাবার গর্ভবতী মায়েদের বুক জ্বালাপোড়ার জন্য বিশেষভাবে দায়ী।

৩। সাইট্রাস জাতীয় ফলমূল খাওয়া

গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন প্রকার সাইট্রাস জাতীয় ফল বুক জ্বালাপোড়া সৃষ্টির জন্য অনেকটা দায়ী। এসব ফল্মুলের মধ্যে রয়েছে লেবু, কমলা, আঙ্গুর, টমেটো ইত্যাদি। তবে কমলা বা আঙ্গুর খেলে বুক জ্বালাপোড়া নাও হতে পারে। তাই এসব ফল খাবার খাওয়ার আগে খেয়াল করতে হবে যে কোন ফলটি বুক জ্বালাপোড়া বাড়াচ্ছে এবং সেইগুলি এড়িয়ে চলতে হবে।

৪। চকলেট খাওয়া

বুকে জ্বালাপোড়া হওয়ার জন্য চকলেট খাওয়া অনেকটা দায়ী। খুবই সামান্য পরিমাণে ডার্ক চকলেট স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও অতিরিক্ত চকলেট সাস্থের জন্য ক্ষতিকর। তাই উচিত গর্ভাবস্থায় যতটুকু পারা যায় কম খাওয়ার চেষ্টা করা।

৫। সোডা জাতীয় পানীয় খাওয়া

সোডা এবং সোডা জাতীয় পানীয় সবার জন্য ক্ষতিকর হলেও গর্ভবতী মায়েদের জন্য এটি আরও বেশী ক্ষতিকর। তাই এসব পানীয় গর্ভকালীন সময়ে এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। এই সব ক্ষতিকর পানীয় শুধু যে বুক জ্বালাপোড়ার যন্ত্রণাই তৈরি করে তাই নয় এসব খাবার শরীরে অন্যান্য সমস্যাও সৃষ্টি করতে পারে। তাই এইসব বাজে পানীয় না খেয়ে তার পরিবর্তে টাটকা ফলের রস খাওয়া যেতে পারে।

গর্ভাবস্থায় যে সব নিয়ম মানা জরুরী

কতগুলি সাধারণ নিয়মকানুন মেনে চললেই এই সমস্যা থেকে অনেকটা রেহাই্ পাওয়া সম্ভব। এসব নিয়ম কানুনের মধ্যে রয়েছে-

বিভিন্ন ক্ষতিকর খাবার যেমন অতিরিক্ত তেলে ভাজাপোড়া জিনিস ও চর্বি যুক্ত খাবার ,টক জাতীয় খাবার, সস ইত্যাদি যথা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।
ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় যতটুকু সম্ভব ত্যাগ করতে হবে।
কোষ্ঠকাঠিন্য জাতীয় সমস্যা যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

খাওয়ার মাঝখানে বেশি বেশি পানি পান করলে পাকস্থলিতে থাকা হজম সহায়ক হাড্রক্লোরিক এসিড অনেকটা পাতলা হয়ে যায়। যার ফলে খাবার হজম প্রক্রিয়ায় গণ্ডগোল দেখা দিতে পারে। এছাড়া এই এসিড বুকের উপরের দিকে চাপ দিয়ে জ্বালাপোড়া বৃদ্ধি করতে পারে। তাই খাওয়ার মাঝখানে একান্ত প্রয়োজন না হলে পান না করাই ভালো। এছাড়া একসাথে বেশী পরিমাণে পানি পান না করে পুরো দিনে বার বার অল্প অল্প করে খাওয়া উচিত।

খাবার খাওয়া শেষ হতে না হতেই শুয়ে পড়া উচিত নয়। খাওয়ার পরে সামান্য একটু হাঁটাহাঁটি করা বা সোজা হয়ে বসে কিছুক্ষণ বই পড়া কিংবা টেলিভিশন দেখা যেতে পারে।
টাইট জামা পড়লে পাকস্থলী ও তলপেটে চাপ সৃষ্টি হয়ে এই সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। তাই গর্ভাবস্থায় আঁটসাঁট পোশাক না পড়ে ঢিলেঢালা জাতীয় কাপড় চোপড় পড়া উচিত।
বিছানায় শোয়া বা ঘুমাতে যাওয়ার সময় মাথার নিচে একটু উঁচু বালিশে শোয়া উচিত। বালিশের উচ্চতা ৪ থেকে ৬ ইঞ্চি হলে ভালো হয়।

এসব নিয়ম মেনে চলার পরও সমস্যা দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।
গর্ভধারণ ব্যাপারটা প্রতিটি মায়ের জন্য সুখকর তবে এ সময় খাবার দাবারের প্রতি খুবই বেশী সাবধান হওয়া উচিত। হঠাৎ বুক জ্বালা-পোড়া করলেই অনেকে নিজে নিজে ঔষধ হিসেবে অ্যান্টাসিড খেয়ে ফেলেন। কিন্তু শরীরে অন্যান্য সমস্যা যেমন উচ্চ রক্তচাপ, কিডনিতে সমস্যা, পায়ুনালির সমস্যা বা অ্যাপেন্ডিসাইটিসের কোনো সমস্যা আছে কি না, সে ব্যাপারে ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে অ্যান্টাসিড খাওয়া ঠিক হবেনা। এই সময়টিতে একটু অসাবধানতা বা ভুল যে কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনার জন্ম দিতে পারে।

গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ৩ টি প্রধান স্বাস্থ্য টিপস -অনেক মহিলা যারা এখনও গর্ভাবস্থার অভিজ্ঞতা পাননি তারা এটিকে তাদের জীবনে...
27/03/2026

গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ৩ টি প্রধান স্বাস্থ্য টিপস -
অনেক মহিলা যারা এখনও গর্ভাবস্থার অভিজ্ঞতা পাননি তারা এটিকে তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় উচ্চ পয়েন্টগুলির মধ্যে একটি বলে মনে করেন। যাইহোক, বিশেষজ্ঞ এবং মহিলা যারা এটিতে নতুন নন তারা ভিন্ন কথা বলতে চান। শারীরিক এবং মানসিক গর্ভাবস্থায় মহিলাদের দ্বারা অনুভূত পরিবর্তনগুলি তাদের ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। প্রথমবারের মায়েদের জন্য, এই পরিবর্তনগুলি অপ্রতিরোধ্য হতে পারে। এখানে প্রথমবারের মায়েদের জন্য কিছু টিপস রয়েছে যা আপনাকে আপনার মায়ের জীবন জয় করতে সাহায্য করবে।

গর্ভাবস্থার টিপস
আমরা গর্ভবতী মহিলাদের জন্য টিপসের একটি তালিকা সংকলন করেছি যারা তাদের আসন্ন নয় মাসের দীর্ঘ যাত্রার জন্য প্রথমবারের মতো মা হবে। একবার দেখুন:

আপনার হৃদয়ের যত্ন নিন

গর্ভাবস্থায়, পেটের উপর চাপ বৃদ্ধির কারণে, পাকস্থলী দ্বারা উত্পাদিত অ্যাসিড খাদ্যনালীতে ধাক্কা দেয়, যার ফলে অম্বল হয়। আপনার ডাক্তার পরামর্শ দিতে পারেন যা অ্যান্টাসিড ব্যবহার করে অবস্থা সংশোধন করা যেতে পারে। এছাড়াও, আপনি আপনার খাদ্যতালিকায় বাদাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। বাদামে প্রচুর পরিমাণে যৌগ রয়েছে যা পেটে অ্যাসিড ধরে রাখতে সাহায্য করে, বুকজ্বালা প্রতিরোধ করে। যাইহোক, বাদাম খাওয়ার সময় আপনাকে অবশ্যই এর উচ্চ-ক্যালোরি সামগ্রীর কথা মনে রাখতে হবে।

আপনার পিঠের ব্যথা ভালভাবে পরিচালনা করুন

গর্ভাবস্থা তার সাথে অনেক অগ্নিপরীক্ষা নিয়ে আসে এবং পিঠে ব্যথা তাদের মধ্যে একটি। শ্রম প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য শরীরের লিগামেন্টগুলি নরম হয়ে যায়। এটি পেলভিস সহ নীচের পিঠে উপস্থিত জয়েন্টগুলিকে প্রভাবিত করে, যার ফলে পিঠে ব্যথা হয়। তবে, সহজ টিপস অনুসরণ করে আপনি এই ব্যথা উপশম করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যখন মাটি থেকে কিছু তুলছেন, তখন আপনার পিঠ সোজা রাখার চেষ্টা করুন। তদুপরি, আপনি যদি চেয়ারে বসে থাকেন তবে আপনার পিঠ সোজা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। আপনার পিছনের পেশীগুলিকে শক্তিশালী করার জন্য আপনি চেয়ারের বিপরীতে আপনার পিঠ চাপার অনুশীলন করতে পারেন।

প্রসারিত চিহ্ন আপনাকে বিরক্ত করতে দেবেন না

বেশিরভাগ গর্ভবতী মহিলারা প্রসারিত চিহ্ন সম্পর্কে উদ্বিগ্ন। স্ট্রেচ মার্ক হল ত্বকে দাগ, প্রধানত তলপেটে। এগুলি মা এবং শিশুর জন্য ক্ষতিকারক নয় তবে তারা অস্বস্তি সৃষ্টি করে। অনেক গর্ভবতী মহিলারাও তাদের চেহারা নিয়ে চিন্তিত। সত্য হল যে প্রসারিত চিহ্নগুলি গর্ভাবস্থায় অনিবার্য এবং কোনও ত্বকের পণ্য সম্ভবত তাদের সম্পূর্ণরূপে অপসারণ করতে পারে না। যাইহোক, আপনি আপনার ওজন পরীক্ষা করে তাদের ঘটনা কমাতে পারেন।

কেয়ার হাসপাতালের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্যতম সেরা বিশেষজ্ঞ ড ভারতে প্রসূতি হাসপাতাল, একজন গর্ভবতী মহিলা হিসাবে, আপনাকে কন্ট্রোল কারপাল টানেল সিন্ড্রোম এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সাথে ভ্যারিকোজ শিরাগুলির ঘটনার সাথেও মোকাবিলা করতে হতে পারে। যাইহোক, এই শর্তগুলি প্রতিকারযোগ্য এবং উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত নয়।

রক্তের সুগার মাপতে গিয়ে এই ভুলগুলো করছেন না তো-রক্তের সুগার মাপতে গিয়ে অনেক সময় ছোটখাটো কিছু ভুলের কারণে পরিমাপে ভুল হয়ে...
26/03/2026

রক্তের সুগার মাপতে গিয়ে এই ভুলগুলো করছেন না তো-

রক্তের সুগার মাপতে গিয়ে অনেক সময় ছোটখাটো কিছু ভুলের কারণে পরিমাপে ভুল হয়ে যায়, যা থেকে সৃষ্টি হতে পারে বিভ্রান্তি।

হাত না ধোয়া

যাঁর আঙুল থেকে রক্ত নেওয়া হচ্ছে, তাঁর হাত অবশ্যই সাবানপানি দিয়ে ধুয়ে নেওয়া উচিত। ধোয়ার পর হাত ভালোভাবে পরিষ্কার টিস্যু বা কাপড় দিয়ে মুছে নিতে হবে। হাত ধোয়া সম্ভব না হলে অ্যালকোহল প্যাড দিয়ে হাত মুছে নিতে পারেন। সে ক্ষেত্রেও হাতের অ্যালকোহল শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তাড়াতাড়ি শুকাতে অ্যালকোহলটুকু কোনো কাপড় বা অন্য কিছু দিয়ে মুছে ফেলা উচিত নয়।

পর্যাপ্ত রক্ত বের করতে না পারা, বারবার ছিদ্র করা

যে সুই (ল্যানসেট) ব্যবহার করছেন, তা দিয়ে পর্যাপ্ত গভীরতায় ছিদ্র করা না হলে প্রয়োজনীয় রক্তের ফোঁটাটি বের হবে না। আবার বারবার ছিদ্র করাও ঠিক নয়। তাই সতর্কতার সঙ্গে প্রথমবারেই পর্যাপ্ত গভীরতায় ছিদ্র করতে হবে।

রক্ত বের করতে আঙুলে টিপ দেওয়া বা জোরে চাপ দেওয়া

রক্ত বের না হলে অনেকে আঙুল টিপে বা জোরে চাপ দিয়ে রক্ত বের করার চেষ্টা করেন। এটা ঠিক নয়। কেবল মৃদু চাপ প্রয়োগ করা যেতে পারে।

পর্যাপ্ত পানি পান না করা

পানিশূন্যতা রক্তে সুগারের মাত্রা বদলায়। পানিশূন্য অবস্থায় সুগার মাপবেন না।

ভুল যন্ত্র, ভুল কোড

কোনো কোনো গ্লুকোমিটারের জন্য কোডের প্রয়োজন হয়। কোড ভুল করলে ফলাফল ভুল আসবে। কেনার সময়ই গ্লুকোমিটারের ব্যবহারবিধি এবং গুণগত মান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে না নিলে পরে সমস্যায় পড়তে পারেন।

মেয়াদোত্তীর্ণ স্ট্রিপ ব্যবহার

স্ট্রিপের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আপাতদৃষ্টে ‘ভালো’ মনে হলেও তাতে ভুল ফল আসতে পারে।

রেকর্ড না রাখা

সুগার মেপে লিখে না রাখলে আপনার সুগারের মাত্রার ধারা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে না। তাই আপনার সুগার নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, কিংবা কোনো বেলার কোনো ওষুধ বদলাতে হবে কি না, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে চিকিৎসক মুশকিলে পড়বেন।

ভুল সময়ে সুগার মাপা

আপনার জন্য খাওয়ার আগে নাকি পরে সুগার দেখা প্রয়োজন, আপনার চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিন। খাওয়ার আগে মাপার অর্থ হলো, খালি পেটে মাপা। আবার খাওয়ার দুই ঘণ্টা পর যদি সুগার মাপার কথা থাকে, সে ক্ষেত্রেও কিন্তু সময়ের হেরফের করা যাবে না।

পিঠ ব্যাথার ঘরোয়া থেরাপিপিঠের ব্যথা চিকিত্সায় রয়েছে অনেক ঘরোয়া প্রতিকার, যার মাঝে অনেকগুলোকে ঐতিহ্যবাহীও বলা যেতে পার...
25/03/2026

পিঠ ব্যাথার ঘরোয়া থেরাপি
পিঠের ব্যথা চিকিত্সায় রয়েছে অনেক ঘরোয়া প্রতিকার, যার মাঝে অনেকগুলোকে ঐতিহ্যবাহীও বলা যেতে পারে।

১. তাপ এবং বরফ থেরাপি: পিঠের ব্যথার অস্বস্তি কমাতে আইস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও স্বল্পমেয়াদীভাবে প্রদাহ কমিয়ে আনতে সাহায্য করতে পারে আইস প্যাক। তবে মনে রাখবেন, আপনার ত্বকে সরাসরি বরফ প্রয়োগ করবেন না। এতে ত্বকের ক্ষতি হয়। তাই একটি পাতলা তোয়ালে বা গজ দিয়ে মুড়িয়ে বরফ ব্যবহার করুন। প্রদাহ কমে গেলে উষ্ণ তোয়ালে দিয়েও ব্যথা উপশম করতে পারেন। তবে তাপ এবং ঠান্ডার মধ্যে কোনটি আপনার সাথে মানানসই সেটি বিবেচনা করুন।

২. ব্যায়াম: পিঠের পেশীগুলিকে শক্তিশালী করার ব্যায়াম পিঠ ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে উত্তম উপায়। এর পাশাপাশি দৈনন্দিন চলাফেরা এবং কাজকর্মের অঙ্গভঙ্গিতে পরিবর্তন আনুন। ভারি জিনিস সঠিক নিয়মে উঠান। প্রয়োজনে ফিজিওথেরাপিস্ট এর সাহায্য নিন। একজন ফিজিওথেরাপিস্ট আপনাকে পিঠের জন্য উপযোগী এবং বাড়িতে বসেই করতে পারার মতো ব্যায়াম শিখিয়ে দিতে পারেন। তাছাড়া আপনার অঙ্গভঙ্গি ঠিক করতেও সাহায্য করতে পারবেন তিনি।

৩. ভেষজ তেল: গবেষণায় দেখা গেছে ক্যাপসাইসিন দিয়ে তৈরি ভেষজ তেল বা মলম ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে। ক্যাপসাইসিন হল মরিচের একটি উপাদান যা তাদের উষ্ণতা দেয়। এটি আক্রান্ত এলাকার স্নায়ুগুলির সংবেদনশীলতা কমিয়ে আনে এবং ব্যথা কমিয়ে দিতে পারে।

পিঠের ব্যথা কমাতে এই ঘরোয়া সমাধানগুলি অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে। সেগুলি কীভাবে ব্যবহার করবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে বুঝে এরপরই প্রয়োগ করুন। তবে ব্যাকপেইন বেশি হলে বা দীর্ঘস্থায়ী হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

গর্ভবতী নারীরা যেসব ফল খাবেন না - আনারসআনারসের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক, বিশেষ করে মাসিক চক্র বন্ধ বা মেনোপজের সময় এই ফলট...
24/03/2026

গর্ভবতী নারীরা যেসব ফল খাবেন না -
আনারস

আনারসের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক, বিশেষ করে মাসিক চক্র বন্ধ বা মেনোপজের সময় এই ফলটি নারীদের জন্য খুব বেশি প্রয়োজন। কিন্তু গর্ভবতী নারীদের এই ফল থেকে দূরে থাকা উচিত, কারণ এটি খেলে গর্ভস্থ বাচ্চার মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। গর্ভাবস্থায় যেসব কারণে আনারস খাবেন না:

* আনারস গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়।

* আনারস খেলে জরায়ু সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়, যা গর্ভে বিকাশমান বাচ্চার জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।

* আনারসের ব্রোমেলিয়ান জরায়ুমুখকে নরম করে।

আঙুর

প্রেগন্যান্সির সময় আঙুর খাবেন কি খাবেন না তা একটি বিতর্কিত বিষয়। অনেক বিশেষজ্ঞ বলেন যে, গর্ভাবস্থায় আঙুর সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ এবং অন্য বিশেষজ্ঞরা বলেন যে, এসময় এই ফলটি এড়িয়ে চলাই ভালো। যদি আঙুর আপনার খুব প্রিয় হয়, তাহলে নিজ বিবেচনায় অল্প পরিমাণে খেতে পারেন। কিন্তু খালিপেটে আঙুর খাবেন না অথবা অ্যাসিড রিফ্লাক্স থাকলে মোটেই খাবেন না। যেসব কারণে গর্ভাবস্থায় আঙুর না খাওয়ার কথা বিবেচনা করতে পারেন:

* আঙুরে প্রচুর পরিমাণে রেসভিরাট্রোল থাকে। এই কেমিক্যালটি মা হতে যাওয়া নারীদের জন্য বিষাক্ত হতে পারে।

* গর্ভবতী নারীদের পরিপাকতন্ত্র দুর্বল। তাদের দুর্বল পরিপাকতন্ত্র কালো আঙুরের খোসা হজম করতে পারে না।

* বেশি পরিমাণে আঙুর খেলে অ্যাসিডিটি, বমিভাব ও বমি হতে পারে। অত্যধিক আঙুর খেলে পাতলা পায়খানা অথবা ডায়রিয়া হতে পারে।

পেঁপে

কাঁচা অথবা অর্ধপাকা পেঁপেতে ল্যাটেক্স থাকে, যা গর্ভাবস্থায় এড়িয়ে চলা উচিত। গর্ভবতী নারীদেরকে তৃতীয় বা শেষ ট্রাইমেস্টারে কাঁচা পেঁপে না খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। যেসব কারণে প্রেগন্যান্সির সময় কাঁচা বা অর্ধপাকা পেঁপে খাবেন না:

* কাঁচা ও অর্ধপাকা পেঁপের ল্যাটেক্স জরায়ু সংকোচন ও অকালে প্রসব বেদনার কারণ হতে পারে।

* কাঁচা পেঁপে শরীরের তাপমাত্রা বাড়াতে পারে।

* কাঁচা পেঁপের পাপাইন ভ্রুণকে সহায়তাকারী ঝিল্লিকে দুর্বল করতে পারে।

* কাঁচা পেঁপের পাপাইন হলো একটি কমন অ্যালার্জেন যা বিপজ্জনক অ্যালার্জিক রিয়্যাকশন সৃষ্টি করতে পারে।

তেঁতুল

ভিটামিন সি’র অন্যতম সমৃদ্ধ উৎস হলো তেঁতুল, কিন্তু অত্যধিক ভিটামিন সি গর্ভবতী নারীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। যেসব কারণে গর্ভবতী নারীরা তেঁতুল এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন:

* অত্যধিক ভিটামিন সি গর্ভপাতের কারণ হতে পারে। গর্ভাবস্থার প্রথম মাসে অতিমাত্রায় ভিটামিন সি খেলে প্রজেস্টরনের উৎপাদন কমে যেতে পারে, যা গর্ভপাত ঘটাতে পারে।

* ভিটামিন সি’র উচ্চ ডোজ প্রি-টার্ম বার্থ বা সঠিক সময়ের পূর্বেই বাচ্চা প্রসবের ঝুঁকি বৃদ্ধি করতে পারে।

* প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি খেলে ভ্রুণের কোষ ড্যামেজ হতে পারে।

ধূমপান ছাড়ার উপায় - ১. পরিকল্পনা তৈরি করুন: প্রথমত, ধূমপান ত্যাগের জন্য স্বচ্ছ পরিকল্পনা থাকা চাই। নিজের কাছে প্রতিজ্ঞ...
23/03/2026

ধূমপান ছাড়ার উপায় -
১. পরিকল্পনা তৈরি করুন: প্রথমত, ধূমপান ত্যাগের জন্য স্বচ্ছ পরিকল্পনা থাকা চাই। নিজের কাছে প্রতিজ্ঞা করে একটি নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করুন। মনে রাখবেন, এই তারিখ কোনোভাবেই আর পেছানো যাবে না। তারিখ বাছাইয়ের সময় এমনভাবে নিজেকে বোঝাবেন, যেন এটিই ধূমপান ত্যাগের জন্য শেষ তারিখ। ওই তারিখের পর ধূমপায়ী বন্ধুদের কোনো পার্টি থাকলেও এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

২. তালিকা করুন: কেন ধূমপান ছাড়বেন, সেই তালিকা তৈরি করুন। অসংখ্য কারণ পাবেন ধূমপান ছাড়ার। চিন্তা করে নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে একটি শক্ত তালিকা তৈরি করুন। তালিকায় আপনার স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি, পরোক্ষ ধূমপানের কারণে আপনার আশপাশের মানুষের স্বাস্থ্যগত ক্ষতি, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর ধূমপানের প্রভাব, আর্থিক অপচয় ইত্যাদি থাকা আবশ্যক। এরপর যখন ধূমপানের ইচ্ছা জাগবে, তখনই এসব কারণ ভাবতে শুরু করবেন। এতে আপনার ধূমপানের প্রতি আগ্রহ কমতে থাকবে।

৩. ইতিবাচক থাকুন: হয়তো এর আগেও আপনি ধূমপান ছাড়ার পরিকল্পনা করে ব্যর্থ হয়েছেন। এবারের পরিকল্পনাও যে সেগুলোর মতো সফলতার মুখ দেখবে না, এমন ভাবা যাবে না। বরং আপনার এবারের প্রচেষ্টা সফল হবেই—এমন আত্মবিশ্বাস রাখুন। আগেরবারের ভুলগুলোর যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেদিকে সাবধান থাকতে হবে।

৪. খাবারের ধরন পরিবর্তন: দুপুর কিংবা রাতের আহারের পর অনেকেই ধূমপান করতে ভালোবাসেন। আমেরিকান একটি গবেষণা বলছে, অনেকের কাছে মাংসজাতীয় খাবার খাওয়ার পর ধূমপান উপভোগ্য হয়ে ওঠে। অন্যদিকে ফল কিংবা সবজিজাতীয় খাবারের পর ধূমপান কিছুটা স্বাদ হারায়। তাই ধূমপান ছেড়ে দিতে চাইলে কিছুদিন মাংস এড়িয়ে খাবারের তালিকায় শাকসবজি ও ফলমূল রেখে দেখতে পারেন। আর খাওয়া শেষ করেই এমন স্থান বা কক্ষে চলে যান, যেখানে ধূমপানের সুযোগ নেই।

৫. বদলে ফেলুন পানীয়: গবেষকেরা বলছেন, অ্যাকোহলমিশ্রিত পানীয়, কোমলপানীয়, চা, কফি ইত্যাদি পানের সময় অনেকে মনে করেন যোগ্য সংগত সিগারেট। যা পানীয়র স্বাদ আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই এ ধরনের পানীয়র অভ্যাস প্রচুর ছেড়ে ফলের রস আর পানি পান করুন। এখন বাজার নানা রকম রসাল ফলে ভরপুর। সেসব ফলের জুস করে খেতে পারেন।

ফলের রস পান করতে হবে
ফলের রস পান করতে হবেছবি: অধুনা
৬. ব্যস্ততা বাড়ান: দিনের কোন সময়গুলোতে আপনার ধূমপানের ইচ্ছা বেশি জাগে, সেটি শনাক্ত করুন। এরপর ওই সময়গুলোতে নিজেকে কোনো কাজের মধ্যে ব্যস্ত রাখুন। কোনো কাজ খুঁজে না পেলে হাঁটাহাঁটি করুন। ব্যায়াম করে বা পরিবারের লোকজনের সঙ্গে আড্ডা দিয়েও নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারেন। ব্যস্ততা বাড়লে ধূমপানের কথা ভুলে থাকা সহজ হবে।

৭. অধূমপায়ী বন্ধু বাড়ান: ধূমপান ত্যাগের ক্ষেত্রে আপনার আশপাশের মানুষের ভূমিকা অপরিসীম। তাই যতটা সম্ভব ধূমপায়ী বন্ধুদের আড্ডা এড়িয়ে চলুন। অন্তত ধূমপান ছাড়ার পর প্রথম কয়েক দিন ধূমপায়ী বন্ধুদের সঙ্গে সরাসরি আড্ডা থেকে বিরত থাকুন। একই সঙ্গে অধূমপায়ী বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করুন।

৮. মুখ খালি রাখবেন না: মুখ খালি থাকলেই ধূমপানের আগ্রহ জাগবে। তাই ধূমপান বাদ দিতে চাইলে মুখ খালি রাখা যাবে না। এ সময় মুখে চকলেট, লজেন্স বা চুইংগাম রাখুন। পকেট থেকে সিগারেট, ম্যাচের বাক্স ফেলে দিয়ে লজেন্স কিংবা চুইংগাম রাখুন।

৯. বড়দের পরামর্শ নিন: ধূমপান ছেড়েছেন, এমন কাউকে চেনা থাকলে তাঁর কাছ থেকে পরামর্শ নিন। তাঁর অভিজ্ঞতাগুলোকে কাজে লাগান। ফেসবুকে একাধিক গ্রুপ রয়েছে, যেখানে ধূমপান ছাড়ার ব্যাপারে পরামর্শ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয়। এসব গ্রুপে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে ইতিবাচক ফল পাওয়া যেতে পারে।

১০. প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: কোনো কিছুতেই আসক্তি কমাতে না পারলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া নিয়ে সংকোচ বা হীনম্মন্যতায় ভোগার কোনো কারণ নেই। বরং আপনার এই পদক্ষেপের মাধ্যমেই আপনি নিজেকে ধূমপানের আসক্তি থেকে সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে নিয়ে আসতে পারবেন।

Address

321, Drive Ishaque Mansion, Dr. Ishaque Lane, Gopalpur
Pabna
6600

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 15:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801770976553

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Modern Diagnostic Home posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Modern Diagnostic Home:

Share