Sohel Pharmacy & Skin Care

Sohel Pharmacy & Skin Care ( Home Delivery Medical Goods Service)

28/05/2025

আগামীকাল ২৯/০৫/২০২৫ তারিখ, বৃহ:বার ১৪৪৬ হিজরী জিলহজ্জ মাসের ০১ তারিখ

28/05/2025

আগামীকাল ২৯/০৫/২০২৫ তারিখ, বৃহ:বার ১৪৪৬ হিজরী জিলহজ্জ মাসের ০১ তারিখ।

23/05/2025

কোরবানী দাতার করণীয় ও ফজিলত :---

হাদীস: আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বরকতময় মহান প্রভু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন যে, নিশ্চয় আল্লাহ পুণ্যসমূহ ও পাপসমূহ লিখে দিয়েছেন। অতঃপর তিনি তার ব্যাখ্যাও করে দিয়েছেন। যে ব্যক্তি কোন নেকী করার সংকল্প করে; কিন্তু সে তা কর্মে বাস্তবায়িত করতে পারে নাই, আল্লাহ তায়ালা তার জন্য (কেবল নিয়ত করার বিনিময়ে) একটি পূর্ণ নেকী লিখে দেন। আর সে যদি (নেক কাজের) সংকল্প করার পর কাজটি করে ফেলে, তাহলে আল্লাহ তার বিনিময়ে দশ থেকে সাতশ গুণ, বরং তার চেয়েও অনেক গুণ নেকী লিখে দেন। পক্ষান্তরে যদি সে একটি পাপ করার সংকল্প করে; কিন্তু সে তা কর্মে বাস্তবায়িত না করে, তাহলে আল্লাহ তা’আলা তাঁর নিকট একটি পূর্ণ নেকী হিসাবে লিখেদেন। আর সে যদি সংকল্প করার পর ঐ পাপ কাজ করে ফেলে, তাহলে আল্লাহ মাত্র একটি পাপ লিপিবদ্ধ করেন।– বুখারী/হা-৭৫০১, মুসলিম/হা-১২৮।পরিচ্ছেদঃ নিয়ত ও ইখলাস সম্পর্কিত হাদীসসমূহ।

হাদীস: হজরত উম্মে সালমা (রা) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, যখন জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন প্রবেশ করে আর তোমাদের কোন ব্যক্তি কোরবানী করার ইচ্ছা/সংকল্প করে, তাহার উচিত সে যেন কোরবানী না করা পর্যন্ত স্বীয় চুল-কেশ ইত্যাদি কর্তন না করে। অন্য বর্ণনায় এসেছে, সে যেন স্বীয় চুল ছোট না করে অথবা না কাটে এবং নখ কর্তন না করে। অন্য বর্ণনায় এসেছে, যে ব্যক্তি ঈদের চাঁদ দেখবে, আর সে কোরবানীর ইচ্ছা রাখে, সে যেন স্বীয় চুল-নখ ইত্যাদি কর্তন না করে।- (মিশকাত পৃ:-১২৭; মুসলিম শরীফ)

হাদীস: দান খাইরাত যাঞ্চাকারীর হাতে পড়ার পূর্বেই আল্লাহর হাতে চলে যায়। কুরবানীর পশুর রক্তের ফোটা যমীনে পড়ার পূর্বেই তা আল্লাহর কাছে পৌছে যায়। – (আল হিলইয়াহ ৪/৮১, বুখারী ১৪১০) সংগৃহীত – তাফসীরে ইবনে কাসীর বঙ্গানুবাদ ১৪/৪৬৪।

হাদীস: পবিত্র হাদীসে আরো বর্ণিত হয়েছে, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, তোমরা মোটা – তাজা জন্তু দ্বারা কোরবানী কর কেননা ইহা পুলসিরাতে তোমাদের বাহন হবে। (বাদায়ে ৫ম খন্ড, ৮০পৃষ্টা)।

হাদীস: হজরত আয়েশা (রা:) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন: ঈদুল আযহার দিবসে রক্ত প্রবাহিতকরণ (অর্থাৎ কোরবানী করা) ব্যতিত বনী আদম এর জন্য অন্য কোন আমল আল্লাহতাআলার দরবারে অধিক প্রিয় নয়। কিয়ামতের দিন উহার কোরবানীকৃত পশুকে উহার শিং, লোম এবং খুরসহ কিয়ামতের ময়দানে উপস্থিত করা হইবে এবং নেকীর পাল্লায় ওজন করা হইবে। আর কোরবানীর পশুর রক্ত মাটিতে পতিত হওয়ার পূর্বেই আল্লাহতাআলার দরবারে কবুল হয়ে যায়। সুতরাং এই সমস্ত নেকীর দিকে লক্ষ্য করে তোমরা কোরবানী করিয়া সন্তুষ্ট থাক।- (তিরমিজি, মিশকাতপৃ:১২৮)।

হাদীস: হজরত ইবনে ওমর (রা:) হইতে বর্ণিত, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশ বৎসর মদিনায় অবস্থান করেছেন এবং প্রতি বছরই কোরবানী করেছেন।- (তিরমিজি, মিশকাত পৃ:১২৯)G

হাদীস: সাহাবায়ে কেরাম (রা) হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহাতে (কোরবানীতে) আমাদের জন্য কোন লাভ আছে কি ? প্রতি উত্তরে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন কোরবানীর পশুর প্রতিটি লোমের বদলায় এক একটি নেকী পাবে, পুনরায় সাহাবায়ে কেরাম আরজ করলেন (ভেড়া, দুম্বা ও উটের) পশমের বেলায় কি হুকুম ? উত্তরে বললেন ইহাদেরও প্রতিটি পশমের বদলায় এক একটি করে নেকী রহিয়াছে।- (মিশকাত পৃ:১২৯)

হাদীস: একদা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত ফাতেমা (রা:)কে ডেকে ইরশাদ করেন, হে ফাতেমা ! তুমি তোমার কোরবানীর জন্তুর নিকট যাও কেননা কোরবানীর জন্তু জবেহ করার পর রক্তের প্রথম ফোটা মাটিতে পড়ার সাথে সাথে তোমার যাবতীয় গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। হজরত ফাতেমা (রা:) জিজ্ঞেস করলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা কি শুধু আমার জন্যে ? রাহমাতুল্লিল আলামিন জবাব দিলেন, এটা আমাদের জন্যে এবং সকল মুসলমানদের জন্যে।- (তারগীব)।

অসামর্থ্যবান ব্যক্তির কুরবানী :---

হাদীস :হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে ‘আস রা: হইতে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, আল্লাহতায়ালা কুরবানীর দিনকে (১০ই জিলহজ্ব) এ উম্মাতের জন্য ‘ঈদ’ হিসেবে পরিগণিত করেছেন। এক ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞাসা করল, ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি যদি মাদী ‘মানীহা’ (দুধ পান করা বা মাল বহন করার শর্তে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অন্যের পশু প্রতিপালন করা ) ছাড়া অন্য কোন পশু না পাই । তবে কি তা দিয়েই কুরবানী করব ? তিনি বললেন; না; তবে তুমি এদিন তোমার চুল, নখ কাটবে। তোমার গোঁফ কাটবে । নাভীর নীচের লোম কাটবে। এটাই আল্লাহর নিকট তোমার পরিপূর্ণ কুরবানী - (তাহকীক মিশকাতুল মাসাবীহ ২/৪২৪-৪২৫/হা-১৪৭৯(৩), সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসায়ী, মুসনাদে আহমদ)।

মাসআলা : কোরবানীর চাঁদ উদিত হওয়ার পর থেকে ১০ই জিলহজ্জ পর্যন্ত অর্থাৎ কোরবানীর দিন পর্যন্ত যে ব্যক্তি তার নখ, চুল, গোফ ইত্যাদি না কাটবে তার উচিত কোরবানীর চাঁদ উদিত হওয়ার পূর্বেই ওগুলো পরিষ্কার করে নেয়া কেননা ৪০ দিন পর্যন্ত ঐগুলো সাফ না করা মাকরুহে তাহরীমা।
উল্লেখ্য যে, ফিকাহবিশারদ মুফতীয়ানে কেরামের দৃষ্টিতে হাদীছের এই হুকুমটি মুস্তাহাবের পর্যায়ে, তাই মুস্তাহাব আদায় করতে গিয়ে মাকরুহে তাহরীমায় লিপ্ত হওয়া অবান্তর।- (শামী ১ম খন্ড,৩৫৮ পৃ:)
মাসআলা : গরীব ব্যক্তি যদি কোরবানীর দিনগুলোর মধ্যে কোরবানীর নিয়তে কোন জন্তু ক্রয় করে তাহলে তার উপর কোরবানী ওয়াজিব হয়ে যাবে। কেননা তার ক্রয় করাটাই মান্নাতের পর্যায়ে পড়ে। যা আদায় করা ওয়াজিব।- (হিন্দিয়া : ৬ষ্ঠ খন্ড: ১৯৮ পৃ:)।
মাসআলা : কোরবানীর জন্য ক্রয় করা হয়েছে, কিন্তু কোরবানীর পূর্বেই জন্তুটি মারা গেল। যদি ক্রেতা গরীব হয় (মালেকে নেসাব না হয়) তাহলে আরেকটি জন্তু ক্রয় করে কোরবানী দেওয়া জরুরী নয়। (মাহমুদিয়া: ৪র্থ খ: পৃ:৩০২; মুজমায়েল আনহার: ২য় খন্ড: পৃ:৫২০)।

মাসআলা : যদি কোরবানীর পশু হারিয়ে যায় ও তৎপরিবর্তে অন্য একটি পশু ক্রয় করা হয় তারপর প্রথম ক্রয়কৃত পশুটিও পাওয়া যায় এমতাবস্থায় লোকটি যদি গরীব হয় (মালেকে নেসাব না হয়) তবে উভয় পশু কোরবানী করা তার উপর ওয়াজিব হবে।- (হিদায়া, খন্ড ৪, পৃ.৪৩২)।

23/05/2025

জিলহজ্জ মাসে (১ হইতে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত) অধিক পরিমাণে জিকির করা :-
হাদীস: নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহতাআলার নিকট আশারায়ে যিলহজ্বের আমলের চেয়ে অধিক মহৎ এবং অধিক প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই। সুতরাং তোমরা সেই দিবসগুলোতে অধিক পরিমাণে তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) তাহমিদ (আলহামদুলিল্লাহ) তাহলীল (লাইলাহাইল্লাল্লাহ) ও তাকবীর (আল্লাহুআকবার) পাঠ কর।– মুসনাদে আহমাদ, হাদীস : ৫৪৪৬; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস : ১৪১১০; বায়হাকী, শুয়াবুল ঈমান, হাদীস : ৩৭৫০; ত্ববারানী, হাদীস : ১১১১৬; মাজমাউয যাওয়াইদ, হাদীস : ৫৯৩২; শরহু মুশকিলিল আছার, হাদীস : ২৯৭১।
হাদীস: আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে কোনো ব্যক্তি তালবিয়া পাঠ করলেই তাকে সুসংবাদ দেওয়া হয় এবং যে কোনো ব্যক্তি তাকবীর বললেই তাকে সুসংবাদ দেওয়া হয়। জিজ্ঞাসা করা হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ ! জান্নাতের (সু সংবাদ দেওয়া হয়)? তিনি বললেন, হ্যাঁ। - তবারানী আউসাত, হাদীস :৭৯৪৩; মাজমাউয যাওয়ায়েদ, হাদীস : ৫৩৭১।
# # হযরত (আব্দুল্লাহ) ইবনে উমর রা., আবু হুরায়রা রা: ও আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. এই দশদিন ( জিলহজ্জের) তাকবীর বলতে বলতে বাজারের দিকে যেতেন এবং তাদের তাকবীরের সঙ্গে অন্যরাও তাকবীর বলত।–বুখারী ইফা: ২/২১২, ২১৩ ; ফাতহুল বারী ২/৫৩০-৫৩৬।
আরাফার (৯ই জিলহজ্জ) দিবসের ফযীলত ও ইবাদত:-
হাদীস: হজরত কাতাদা (রা:) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন : আমি আল্লাহপাকের দরবারে আশা রাখি যে, আরাফাতের দিবসের রোজার দ্বারা তিনি এক বৎসরের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল গুনাহ মাফ করিয়া দিবেন।- মুসলিম শরীফ ১/৩৬৭।
হাদীস: হযরত আয়েশা রাঃ থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আল্লাহ তায়ালা আরাফার দিন অন্য দিনের থেকে বেশী মানুষকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দান করেন।- সহীহ মুসলিমঃ ২/৯৮২ হাদীস নং ১৩৪৮
হাদীস: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আরাফার দিনের দোয়া হলো সর্বোত্তম দোয়া।- মোয়াত্তায়ে মালেকঃ ২/৩০০ হাদীস নং ৭২৬
হাদীস: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আরাফার দিনে আমি শয়তান থেকে অন্য কাউকে এত ছোট, হেয়প্রতিপন্ন এবং রাগান্বিত দেখি নাই। জিজ্ঞাসা করা হলো তার কারণ কি? তিনি বললেন, কারণ হলো সে দিন আল্লাহ তায়ালার রহমত নাযিল হয় এবং তার বান্দার বড় বড় গুনাহ সমূহ ক্ষমা করে দেন।- মোয়াত্তায়ে মালেকঃ ১/৫৬৫ হাদীস নং ১৪৬১।

18/05/2025

জিলহজ্জ মাসের ১ হইতে ৯ তারিখ পর্যন্ত রোযার ফজিলত ও ইবাদত: ---

হাদীস: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর বলেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় একদিন রোজা রাখবে, একদিনের রোজার বিনিময়ে তার চেহারাকে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তর খারিফ (সত্তর বছর) দূরে রাখবে”।– বুখারী- হা/ ২৮৪০; মুসলিম- হা/ ১১৫৩।

হাদীস: হাফসা রা. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো চারটি আমল পরিত্যাগ করেননি। সেগুলো হল: আশুরার রোজা, যিলহজ্জের দশ দিনের (১ হতে ৯ তারিখ পর্যন্ত) রোজা, প্রত্যেক মাসে তিন দিনের রোজা, ও জোহরের পূর্বের দুই রাকাত সালাত।- আহমদ: ৬/২৮৭, আবু দাউদ: ২১০৬, নাসায়ী: ২২৩৬।

১২ রাকাত সুন্নাত নামাজের ফজিলত :----

হাদীস: হযরত আয়েশা রা: হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সা: বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিয়মনিষ্ঠভাবে দিবারাত্রে বারো রাকআত নামায পড়বে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে; যোহরের (ফরয নামাযের) পূর্বে চার রাকআত ও পরে দুই রাকআত, মাগরেবের পর দুই রাকআত, এশার পর দুই রাকআত এবং ফজরের (ফরযের) পূর্বে দুই রাকআত।” (নাসাঈ, সুনান, এবং শব্দগুলি তাঁরই, তিরমিযী, সুনান, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান, সহিহ তারগিব ৫৭৭নং)।

হাদীস: হজরত আবু হুরাইরা (রা:) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন “‍‍আল্লাহতা’আলার নিকট জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের এবাদত অপেক্ষা অধিক পছন্দনীয় আর কোন এবাদত নাই। উহার প্রতিদিনের রোজা (১ হতে ৯ তারিখ পর্যন্ত) পূর্ণ এক বৎসরের রোজার সমতুল্য সওয়াব। আর প্রতিটি রাত্রির এবাদত শবে ক্বদরের রাত্রির এবাদতের সমতুল্য।- (তিরমিজি ইফা: ৩/১১৪-১১৫, মিশকাত: পৃ: ১২৮)।

হাদীস ২৪৩৭ : হুনাইদা বিন খালিদ রহ: তাঁর স্ত্রীর থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জনৈক স্ত্রীর মাধ্যমে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যিলহজ্জ মাসের (প্রথম) ৯ দিন, আশুরার দিন ও প্রতিমাসে তিনদিন রোযা রাখতেন। মাসের প্রথম সোমবার ও প্রথম দুই বৃহস্পতিবার রোযা রাখতেন।- [সুনানে নাসাঈ (৪/২০৫) ও সুনানে আবু দাউদ, আলবানী সহিহ সুনানে আবু দাউদ বঙ্গানুবাদ গ্রন্থে (৩/৩৬৫) হাদিসটিকে সহিহ আখ্যায়িত করেছেন]।

শুধুমাত্র আরাফার দিনের (৯ই জিলহজ্জ) রোজার ফজিলত:----

হাদীস: হজরত কাতাদা (রা:) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন : আমি আল্লাহপাকের দরবারে আশা রাখি যে, আরাফাতের দিবসের রোজার দ্বারা তিনি এক বৎসরের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল গুনাহ মাফ করিয়া দিবেন।- মুসলিম শরীফ ১/৩৬৭।

18/05/2025

জিলহজ্জ মাসের ফজিলত ও কিছু আমল---------
পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে -
والفجروليالعشر
শপথ ভোর বেলার, শপথ দশ রাত্রির। - সূরা ফজর : ১-২
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা., হযরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর রা. ও মুজাহিদ রাহ. সহ অধিকাংশ সাহাবী, তাবেয়ী ও মুফাসসিরের মতে এখানে দশ রাত্রির দ্বারা যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশ রাতকেই বুঝানো হয়েছে। হাফেয ইবনে কাসীর রাহ. বলেন, এটিই বিশুদ্ধ মত । -তাফসীরে ইবনে কাসীর ৪/৫৩৫-৫৩৬
হাদীস: হযরত জাবির রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-দুনিয়ার সর্বোত্তম দিনগুলো হল যিলহজ্বের দশ দিন। জিজ্ঞাসা করা হল, আল্লাহর রাস্তায়ও কি তার সমতুল্য নেই ? তিনি বললেন, আল্লাহর রাস্তায়ও তার সমতুল্য নেই, তবে ঐ ব্যক্তি, যার চেহারা ধূলিযুক্ত হয়েছে, অর্থাৎ শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করেছে । - মুসনাদে বাযযার, হাদীস : ১১২৮; মুসনাদে আবু ইয়ালা, হাদীস : ২০১০।
অন্য বর্ণনায় হযরত জাবির রা. হতে বর্ণিত হয়েছে– যিলহজ্বের দশ দিনের চেয়ে কোনো দিনই আল্লাহর নিকট উত্তম নয়। - সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস : ২৮৪২
হাদীস: হযরত (আব্দুল্লাহ) ইবনে আব্বাস রা. বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আল্লাহর নিকট যিলহজ্বের দশ দিনের নেক আমলের চেয়ে অধিক প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই । সাহাবায়েকেরাম আরজ করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও (এর চেয়ে উত্তম ) নয় ? তিনি বললেন, না, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ ও নয়। তবে হ্যাঁ, সেই ব্যক্তির জিহাদ এর চেয়ে উত্তম, যে নিজের জানমাল নিয়ে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য বের হয়েছে, তার পর কোনো কিছুই নিয়ে ফিরে আসেনি । - সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ২৪৩৮; সহীহ বুখারী, হাদীস : ৯৬৯; সুনানে তিরমিযী, হাদীস : ৭৫৭; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস : ১৭২৭; মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ১৯৬৮; সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ৩২৪।
মাসআলা: জিল্লহজ্জ মাসের প্রথম দশকের রাত্রগুলো বছরের অন্যান্য রাত্রের তুলনায় উত্তম।- (মারাকিল ফালাহ্)।
জিলহজ্জ মাসের চাঁদ ওঠার পর শরীরের নখ – চুল ইত্যাদি কর্তন না করা :-
হাদীস: ৪৯৬১ : হজরত উম্মে সালমা (রা:) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, যখন জিলহজ্জ মাস শুরু হয় আর তোমাদের কেউ কুরবানী করার ইচ্ছা রাখে, সে যেন নিজের চুল বা শরীরের কোন কিছুই না কাটে । - মুসলিম শরীফ ইস: সে: ৭/২৩।
৪৯৬৩ নং: হাদীসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমরা জিলহজ্ব মাসের নতুন চাঁদ দেখতে পাও এবং তোমাদের কেউ কুরবানী করার ইচ্ছা রাখে সে যেন তার চুল, নখ ইত্যাদি কর্তন করা থেকে বিরত থাকে। - মুসলিম শরীফ ইস: সে: ৭/২৪।
৪৯৬৫ নং: হাদীসে আছে, “সে যেন জিলহজ্ব মাসের নতুন চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানী করা পর্যন্ত নিজের চুল না কাটে এবং নখ না কাটে । ”—মুসলিম শরীফ ইস: সে: ৭/২৪।
# # উপরোক্ত আমল ধনী-গরীব উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য। কারণ হাদীস শরীফে বলা হয়েছে “তোমাদের কোন ব্যক্তি কোরবানী করার ইচ্ছা করে, তাহার উচিত সে যেন কোরবানী না করা পর্যন্ত স্বীয় চুল-কেশ ইত্যাদি কর্তন না করে।”
সুতরাং কুরবানী করার ইচ্ছা বা নিয়ত ধনী-গরীব সকলেই করতে পারে। অতএব, যে ব্যক্তিই কুরবানী করার ইচ্ছা করবে সেই ব্যক্তিই উপরোক্ত আমল করতে পারবে এবং এর ফজিলত সে ব্যক্তিও অর্জন করবে।
হাদীস ১৩১ : শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলা ভালো এবং মন্দ উভয়টিকে লিপিবদ্ধ করেন। অতঃপর তিনি এভাবে বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি কোন ভালো কাজ করার ইচ্ছা করে অথচ তা এখনও বাস্তবে পরিণত করেনি, তার জন্যে আল্লাহ নিজের কাছে একটি পূর্ণাঙ্গ সাওয়াব লিপিবদ্ধ করেন। আর যদি সে কোন ভালো কাজ করার ইচ্ছা করে এবং তা বাস্তবেও পরিণত করে, তখন আল্লাহ নিজের কাছে দশ থেকে সাতশ’ বা আরো অনেক গুণ বেশী সাওয়াব লিপিবদ্ধ করেন। আর যদি সে কোন মন্দ কাজ করার ইচ্ছা করে এবং তা বাস্তবে পরিণত না করে, তখন আল্লাহ নিজের কাছে একটি পরিপূর্ণ সাওয়াব লিখেন, কিন্তু যদি সে মন্দ কাজটি বাস্তবে পরিণত করে, তখন আল্লাহ তা’আলা কেবলমাত্র একটি পাপই লিপিবদ্ধ করেন। - সহীহ মুসলিম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৮, ইসলামিক সেন্টারঃ ২৪৬।
হাদীস : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে‘ আস রা: হইতে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, আল্লাহতায়ালা কুরবানীর দিনকে (১০ই জিলহজ্ব) এ উম্মাতের জন্য ‘ঈদ’হিসেবে পরিগণিত করেছেন। এক ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞাসা করল, ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ! আমি যদি মাদী ‘মানীহা’ (দুধ পান করা বা মাল বহন করার শর্তে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অন্যের পশু প্রতিপালন করা ) ছাড়া অন্য কোন পশু না পাই। তবে কি তা দিয়েই কুরবানী করব ? তিনি বললেন; না; তবে তুমি এদিন তোমার চুল, নখ কাটবে। তোমার গোঁফ কাটবে। নাভীর নীচের লোম কাটবে। এটাই আল্লাহর নিকট তোমার পরিপূর্ণ কুরবানী - (তাহকীক মিশকাতুল মাসাবীহ ২/৪২৪-৪২৫/হা-১৪৭৯ (৩), সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসায়ী, মুসনাদে আহমদ,)
# # উক্ত হাদীস শরীফের একজন রাবী ইসা ইবনে হেলাল আস সাদাফী সম্পর্কে তাকরীবুত তাহযীব কিতাবে বলেন, “ইসা ইবনে হেলাল আস সাদাফী রহ: ( তাবেয়ী ) সত্যবাদী ছিলেন। -- তাকরীবুত তাহযীব, জীবনী নং : ৫৩৩৭”
# # ইমাম ইবনে হিব্বান রহ: তার লিখিত ‘আসসিকাত’ কিতাবে ইসা ইবনে হেলাল আস সাদাফী রহ: এর জীবনী উল্লেখ করেছেন।
# # আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী রহ: ইমাম নাসায়ীর সনদে উপরোক্ত হাদীসটি উল্লেখ করার পর বলেছেন হাদীসটি সহীহ। – নুহবাতুল আখবার ১৪/৫২০।
# # ইমাম ইবনে হিব্বান, ইমাম হাকিম নাইসাবুরী রহ: বলেন সনদটি শক্তিশালী বা সনদটি হাসান। - মুসনাদে আহমদ ১১/১৩৯ টীকা।
# # আবু দাউদের টীকায় উক্ত হাদীসের সনদকে শায়খ শুয়াইব আরনাউত রহ: শক্তিশালী বলেছেন।
# # শায়খ মুহাম্মাদ আহম্মেদ শাকের মুসনাদে আহমদ – এর ৬৫৭৫ নং: হাদীসের টীকায় বলেন হাদীসটির সনদ সম্পূর্ণ সহীহ।
সালাফদের আমল :-
# # ওলীদ বিন মুসলিম বলেন, আমি মুহাম্মাদ বিন আজলানকে যিলহজ্বের দশকে (১ হইতে ১০ তারিখ) চুল কাটা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি বললেন, আমাকে নাফে রাহ: বলেছেন যে, “আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা: এক নারীর নিকট দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। মহিলাটি যিলহজ্বের দশকের ভেতর তার সন্তানের চুল কর্তন করছিল। তখন তিনি বললেন, যদি ঈদের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে তবে বড় ভাল হত।– মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস ৭৫৯৫।
# # এ সম্পর্কে আরেকটি বর্ণনা হল—মুতামির ইবনে সুলাইমান আততাইমী রহ: বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যে, ইবনে সীরীন রাহ. যিলহজ্বের দশকে চুল কাটা অপছন্দ করতেন। এমনকি এই দশকে ছোট বাচ্চাদের মাথা মুন্ডন করাকেও অপছন্দ করতেন। - আল মুহাল্লা, ইবনে হাযম ৬/২৮।

15/05/2025

# TrumpMideast আরব নেতাদের আসল রূপ দেখলো মুসলিম বিশ্ব! | Trump MIdeast TourBanglaVision is the most popular TV channel ...

15/05/2025

ছবিটা রেখে দেবেন, ভুলে যাবেন না।

যেদিন মুক্ত স্বদেশে প্রাণভরে শ্বাস নেবেন সেদিন আপনার সন্তানদের এই ছবিটা দেখিয়ে বলবেন, এই ভয়ানক জালেমদেরকে আমরা জান বাজি রেখে হঠিয়েছিলাম। সেই কৃষ্ণপক্ষ পার হয়ে আজ যে আলোর মশাল তোমাদের হাতে দিয়ে গেলাম তাকে নিভে যেতে দিওনা।

ওই আলোটাই আমাদের ফিরে কেড়ে নেয়া স্বদেশ, তোমাদের হাতে তুলে দেব জন্যই আমরা আমাদের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলাম।

Address

Vill/Shadupara, P. S & P. 0/Pabna Sadar
Pabna
6600

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sohel Pharmacy & Skin Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share