The Rainbow Rehabilitation centre panchagarh

The Rainbow Rehabilitation centre panchagarh Drug Addiction & Rehabilitation centre panchagarh

25/09/2025
23/09/2025

মাদকাসক্তির কারণ
অসংখ্য কারণে একজন মানুষ মাদকের প্রতি আসক্ত হতে পারে। মাদক সেবনের ফলে মানুষের মাঝে এক ধরনের ভালো লাগা তৈরি হয়। শক্তি, আত্মবিশ্বাস, সাহস বাড়িয়ে দিতে পারে কোকেনের মতো মাদক। হেরোইনের প্রভাবে প্রশান্তি আর তৃপ্তির অনুভূতি জন্মায়।
ডিপ্রেশন, মানসিক চাপ, বিষন্নতা ইত্যাদি কমাতেও মাদক সাময়িক সময়ের জন্য কাজে দেয়। মাদকাসক্তের বড় অংশ মানসিক চাপে পড়ে মাদক গ্রহণ শুরু করে। আর এভাবেই হাজার হাজার কিশোর কিশোরী সহ নানা বয়সের মানুষ আটকে পরে মাদকের দূর্ভেদ্য জালে।
কিছু কিছু মাদক মনোসংযোগ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। স্কুল কলেজের ছাত্ররা এসব মাদক গ্রহন করে বেশি। তবে মাদক নিতে নিতে এক সময় দেখা যায় মাদক ছাড়া আর কাজে মন দিতেই পারছে না।
কৈশোরকালে মাদক ছড়ায় সবচেয়ে বেশি পরিমাণে। এই সময়টা জীবনের একটা উত্তরকালীন পর্যায়, এই সময়ে মনের মধ্যে নানারকম দুশ্চিন্তা ও হতাশা বাসা বাধে। এ সময় বন্ধু বান্ধবের চাপে ও প্রলভনে পড়ে অনেকে মাদক নেওয়া শুরু করে।
মাদক প্রথম প্রথম খুব একটা আসক্তি তৈরি করে না। বেশিরভাগ মানুষ নিজেদের নিয়ন্ত্রনে রাখতে সক্ষম হবে এই বিশ্বাসে মাদক নেয়। আর নিজের অজান্তেই মাদকের ওপর তাদের নির্ভশীলতা তৈরী হয়।
২০০৭ সালে নিউ ইউর্কের গবেষক, ফাওলার মাদকাসক্তের মস্তিষ্কের ইমেজ বা ছবি তৈরীর কাজ করেন। এতে দেখা যায় মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের মস্তিষ্কের স্মৃতিকেন্দ্র, সিদ্ধান্ত নেওয়ার অংশ, আচার-ব্যবহার নিয়ন্ত্রনের অংশবিশেষ স্বাভাবিক মানুষ থেকে বেশ আলাদা হয়। যুগান্তকারী এই গবেষনা পরবর্তী সময়ে মাদক নিরাময়ের নতুন নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে।

মাদকাসক্তির মূল কারণ
গুলো হলোঃ
• মাদকের সহজলভ্যতাঃ তরুণ প্রজন্মের মাঝে মাদকের মতো ভয়ানক বিষ ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম প্রধান একটি কারণ হলো এর সহজলভ্যতা। আমাদের দেশে প্রায় সকল প্রকার মাদক খুব সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়। সিগারেট, গাঁজা, হেরোইন, মদ, ফেন্সিডিলের মতো মাদকগুলো আমাদের চারপাশেই পাওয়া যায় এবং এগুলোর মূল্যও অনেকটা হাতের নাগালে। যার কারণে উপার্জন সক্ষম মানুষের পাশাপাশি বেকার, শিক্ষার্থীরাও এগুলোর প্রতি সহজেই আসক্ত হয়ে পড়ছে।
• সঙ্গদোষঃ অনেক সময় মাদকাসক্ত বন্ধুদের কু-প্রভাবেও ভালো ব্যক্তি মাদকের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। বর্তমান সময়ে এই কারণ বিশাল আকারে মাথা চাঁড়া দিয়ে উঠেছে। ভালো ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা অসৎ সঙ্গে পড়ে মাদক সেবনের প্রতি উদ্ভুদ্ধ হচ্ছে।
(চলবে)

22/09/2025

সারা পৃথিবীতে তরুন প্রজন্মের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো নিয়ে একটি তালিকা বানাতে গেলে মাদকাসক্তি বোধ হয় সবার উপরের দিকেই থাকবে। মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব এত বেশি যে জাতিসংঘ ১৯৯১ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত পুরো একটি দশককে মাদক বিরোধী দশক হিসাবে ঘোষনা করে। ২৬ জুনকে ঘোষনা করে মাদক বিরোধী দিবস হিসেবে।
তাহলে খারাপ জেনেও মানুষ কেন মাদক গ্রহন করে? কেন একবার ছেড়ে দেওয়ার পরও মানুষ আবার মাদকে আসক্ত হয়ে যায়? আপনার অতি প্রিয় কেউ মাদকাসক্ত হলে কীভাবে তাকে এই মরণ ছোবল থেকে মুক্তি করবেন? তাই৷ এ ব্যাপারে আমাদের কিছু কিছু বিষয় জানা খুব জরুরি। যেমন :
• মাদকাসক্তি কি?
• মাদকাসক্তির কারণ
• মাদকাসক্তির মূল কারণগুলো হলোঃ
• পুরো পৃথিবীতে মাদক ছড়ানো
• শিশু ও মাদকাসক্তি
• বয়সের সাথে নেশার সম্পর্ক
• মাদক গ্রহনে ক্ষতি
• মাদকাসক্তি জনিত ক্ষতি
• সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মাদকসেবন
• মাদকাসক্তের চিকিৎসা

আমরা প্রথমেই জেনে নেই মাদকাসক্তি কী?:

খুব সহজ ভাষায় বলতে গেলে, মাদক গ্রহনের প্রতি যে নির্ভর্শীলতা ও প্রবণতা তাকেই মাদকাসক্তি বলা যায়। বর্তমানে গবেষকরা মাদকাসক্তিকে ব্রেনের ডিসওর্ডার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। একটি রোগের যখন সুনির্দিষ্ট লক্ষন থাকে না কিংবা রোগ প্রমাণের মত যথেষ্ট তথ্য থাকে না, তখন তাকে ডিসওর্ডার বলা হয়।
একে ডিসওর্ডার হিসাবে চিহ্নিত করা হয়, কারণ মাদক মস্তিষ্কের চিন্তা প্রক্রিয়া, ডোপামিন নিঃসরণের মাধ্যমে ভালো লাগা, নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার জন্য পরিবর্তন ঘটায়। দীর্ঘদিন এই পরিবর্তন চলতে থাকলে মানুষের মারা যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।
মাদক থেকে অনেকদিন দূরে থাকলেও, এই পরিবর্তন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে খুব কম। তাই নিরাময় কেন্দ্রে গিয়ে মাদক থেকে মুক্তি পেলেও আবার মাদকাসক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে ভালো চিকিৎসার মাধ্যমে মাদকাসক্তি নির্মুল করা সম্ভব।

(চলবে)

10/09/2025

আন্তর্জাতিক আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস আজ। বিশ্বে আত্মহত্যা প্রতিরোধে ২০০৩ সাল থেকে প্রতিবছর ১০ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক আত্মহত্যা প্রতিরোধ সংস্থা দিবসটি পালন করে আসছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘কর্মের মাধ্যমে আশা তৈরি করো।’

বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, পারিবারিক নির্যাতন, কলহ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, পরীক্ষা ও প্রেমে ব্যর্থতা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, প্রাত্যহিক জীবনের অস্থিরতা, নৈতিক অবক্ষয় এবং মাদক ইত্যাদি কারণে মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৪ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতি বছর বিশ্বে ৮ লাখেরও বেশি মানুষ আত্মহত্যা করে। সংস্থাটির মতে, প্রতি ৪০ সেকেন্ডে একজন মানুষ আত্মহত্যা করে। এ ছাড়াও এর প্রায় ১৫ থেকে ২০ গুণ মানুষ আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আত্মহত্যা প্রবণতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে দশম। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও আজ এই দিবস পালিত হচ্ছে

আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারাকে আত্মহত্যার অন্যতম বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞগণ, তারা বলেন, ‘আমরা দেখেছি শিক্ষার্থীরা পরিবার থেকে কোনো কিছু না পেয়ে অভিমান করেও আত্মহত্যা করেছে। মোটরবাইক, মোবাইল চেয়ে না পাওয়ার কারণে অনেকেই আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে। প্রত্যাশা পূরণ না হলে কীভাবে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, সে বিষয়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের অনেক বড় ধরনের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে।’

বিশেষজ্ঞগণ আরও বলেন, ‘করোনার সময়ে দীর্ঘদিন ঘরে বসে থাকার ফলে অনেকের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন এসেছে। রাগ বেড়েছে, মানসিকভাবে সহজেই ভেঙে পড়ার হারও বেড়েছে, সেই সঙ্গে বেড়েছে পড়াশোনার চাপও। এ ছাড়া পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যাও বেড়েছে আগের চেয়ে।’

যে কারণগুলো তরুণ প্রজন্মকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিচ্ছে সেগুলো হলো-

· পরিবারের কোন সদস্য/সদস্যদের সাথে মনোমালিন্য

· শারীরিক নির্যাতন, অবহেলা বা মানসিক আঘাত

· জন্ম থেকেই কোন মানসিক সমস্যা

· আত্মহত্যা করেছে এমন কাউকে জানা, এবং তাকে নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করা

· নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মানুষের সাথে চলাফেরা করা

· বেপরোয়া বা অতি আবেগপ্রবণ হওয়া

· সার্বক্ষণিক নির্জনতা বা একাকীত্ব অনুভব করা

· মানসিক সমস্যাগুলোর জন্য কারো মনোযোগ না পাওয়া

· কর্ম বা শিক্ষা ক্ষেত্রে ভয়াবহ জটিলতা বা ক্ষতিসাধন

· বন্ধু-বান্ধব বা প্রিয়জনের বড় কোন ক্ষতিসাধন

· শারীরিক অসুস্থতা বা জন্মগত কোন স্বাস্থ্য সমস্যা

· ভয় বা কলঙ্কের কারণে সাহায্য চাইতে লজ্জাবোধ

· জাতি, গোষ্ঠী, ধর্ম ও বর্ণ বৈষম্যের শিকার হওয়া এবং কুসংস্কারের কারণে দুশ্চিন্তা

· সভ্যতা ও সংস্কৃতির ধ্বংসের কারণে ঐতিহাসিক ট্রমার মধ্যে থাকা

· মাদকাসক্ত থাকা

· আইনি ঝামেলা বা ঋণগ্রস্ততা।

আত্মহত্যা প্রবণ ব্যক্তিকে শান্ত করার উপায়
· তাৎক্ষণিকভাবে তার আবেগ ও অনুভূতি সম্পর্কে সরাসরি জিজ্ঞাসা করতে হবে। এমন সময় যদিও অনেক ক্ষেত্রে এটা কাজ না করতে পারে। কিন্তু মনপ্রাণ দিয়ে তার যা বলার আছে তা শোনা হলে এবং গুরুত্ব সহকারে নেয়া হলে অবস্থার উন্নতি হতে পারে।

· তাকে উন্মু্ক্তভাবে যোগাযোগের জন্য একটি আরামদায়ক জায়গা দিতে হবে। তার লজ্জা, অপরাধবোধগুলোকে ইতিবাচক দিক দিয়ে তার কাছে তুলে ধরতে হবে। কারণ আত্মহত্যার চেষ্টা করতে যাওয়া ব্যক্তিরা এমনিতেই ভেতরে ভেতরে অনেক লজ্জিত, অপরাধী বা বিব্রত বোধ করেন। দোষ-ত্রুটি ধরে নয়; সমর্থন দিয়ে সহজ ভাষায় তাকে বোঝাতে হবে। মতামত প্রকাশের সময় তার কথা মনোযোগ সহকারে শুনতে হবে। এ সময় যে কোন ধরনের বিতর্কে জড়ানোটা এড়িয়ে যেতে হবে।

· তার আবেগ-অনুভূতির ব্যাপারে শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। তবে অনুভূতিগুলোর মূল্য দিতে যেয়ে তাকে পৃথিবীর একমাত্র দুঃখী মানুষে পরিণত করা যাবে না। বরং আবেগগুলোর গঠনমুলক প্রয়োগের ব্যাপারে কথা বলতে হবে। আর এ সময় সেই প্রায়োগিক কার্যক্রমের সাবলিলতা ফুটিয়ে তুলতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, যে আত্মহত্যা প্রবণ ব্যক্তি যৌক্তিকভাবে চিন্তা না করলেও, তার আবেগগুলো বাস্তব। সেগুলো কোন ভাবেই মূল্যহীন হিসেবে প্রকাশ করা যাবে না। এতে পারস্পরিক যোগাযোগ ব্যাহত হতে পারে।

· আবেগের মূলযেয়দেয়া যাবে না। কারো জীবন বিপদের মধ্যে থাকলে এমন প্রতিশ্রুতি রাখা অবান্তর। বরং আরো কারো জানার ফলে যদি উপকার হয় তবে তা করাই উত্তম। এ বিষয়টি তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে। এমনকি এ কাজে তাকেও সহযোগিতা করার অনুরোধ করতে হবে।

· যখন কেউ আত্মহত্যা করতে উদ্যত হয়, তখন তার মনে হয় এ থেকে উত্তরণের সব পথই বন্ধ। এ অবস্থা থেকে তাকে বের করার জন্য পরিস্থিতি মোকাবেলা করার সমূহ উপায়ের কথা তাকে জানাতে হবে। এক্ষেত্রে যারা ইতোমধ্যেই এই অবস্থা থেকে উতড়ে যেতে পেরেছে তাদের জীবনের গল্পকে অনুপ্রেরণা হিসেবে ব্যক্ত করা যেতে পারে। সহজ রাস্তা পাওয়ার ফলে সে আবার জীবন নিয়ে চিন্তা শুরু করতে পারে।

· তাকে মাদক ব্যবহার এড়াতে উৎসাহিত করতে হবে। এ অবস্থায় ড্রাগ বা অ্যালকোহল ব্যবহার করা বেদনাদায়ক অনুভূতিগুলোকে সহজ করে বলে মনে হতে পারে। কিন্তু দিন শেষে তা সবকিছুকে আরও খারাপ করে তোলে। ফলে তা বেপরোয়া আচরণ বা আরও বিষণ্ন বোধের দিকে ধাবিত করতে পারে। এক্ষেত্রে তাকে তার জীবনের সবথেকে প্রিয় কাজগুলো করার দিকে প্রলুব্ধ করা যেতে পারে। সে কাজগুলো করার সময় ধৈর্য্য ধরে তার সাথে পুরোটা সময় থাকতে হবে। সে যেন কিছুতেই ড্রাগ ব্যবহারের সুযোগ না পায় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রয়োজনে এখানে তার প্রিয়জনদের সাহায্য নেয়া যেতে পারে।

· সম্ভব হলে তার হাতের কাছ থেকে আত্মহত্যার জন্য সম্ভাব্য বিপজ্জনক আইটেমগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে। যেমন ছুরি, ক্ষুর, বন্দুক বা মাদক। এমনকি সাধারণ ওষুধও সরিয়ে ফেলতে হবে। তার শারীরিক উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় ঔষধগুলোর সঠিক ডোজ সরবরাহের জন্য তার সাথে বেশি সময় নিয়ে থাকতে হবে। এর জন্য তার প্রিয়জনদের সাহায্য এবং ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।

আত্মহত্যা প্রতিরোধে করণীয়
আত্মহত্যার দিকে প্ররোচিত করে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি না করাটাই এর প্রতিরোধের উপায়। এর জন্য সামগ্রিক ভাবে তার চারপাশটা তার জন্য আরামদায়ক করে তোলা জরুরি। এর জন্য যে বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি সাহায্য করতে পারে তা হলো-

· পরিবার এবং সমাজের সবার সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখা

· যে কোন সমস্যা সমাধান এবং বিরোধ মোকাবেলা করার উপায়গুলোর সহজলভ্যতা

· এমন বিশ্বাসের ভিত স্থাপন করা, যা আত্মহত্যাকে নিরুৎসাহিত করে এবং নিজেকে ভালবাসার প্রতি উৎসাহিত করে

· আত্মসম্মানবোধ এবং জীবনের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নির্ধারণে সাহায্য করা

· সমাজের অন্যান্যদের প্রতি যত্নশীল হতে শেখানো। এতে সে অন্যান্যদের পক্ষ থেকেও যত্ন পাবে।

· তার চারপাশে এমন পরিবেশ গড়ে তোলা যেন ব্যক্তিগত সমস্যাগুলো নিয়ে কথা বলার ক্ষেত্রে সে কোন রকম দ্বিধা বোধ না করে

· মাদকাসক্তির ক্ষতিকর প্রভাবগুলো ব্যাপারে সচেতন করা

· নিয়মিত ব্যায়াম করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা

· নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রতি অনুপ্রাণিত করা

· প্রতিদিন কমপক্ষে ৬ থেকে ৭ ঘন্টা ঘুমের জন্য উৎসাহিত করা

· গান শোনা বা ভ্রমণের ব্যাপারে উৎসাহিত করা|

Address

West Singh Para. Panchagarh Sador.
Panchagarh
5000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Rainbow Rehabilitation centre panchagarh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share