Healthcare Diagnostic and Consultation Center

Healthcare Diagnostic and Consultation Center a center for excellence !

18/06/2020
09/06/2020

Breathing exercise সংক্রান্ত

করোনায় মুল আক্রান্ত হয় যে অর্গানটি তা হলো ফুসফুস। সুতরাং আপনার ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ানো খুবই জরুরি।

তাছাড়া ফুসফুসের এই ব্যায়াম আপনার মানসিক চাপও কমায়।

কিভাবে করবেনঃ
১. নাক দিয়ে বুক ফুলিয়ে শ্বাস নিন। ৫-১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। মুখ দিয়ে শ্বাস ছাড়ুন। এই ভাবে ১০ বার করুন। শেষ বার নাকে রুমাল/ টিস্যু পেপার চেপে জোরে কাশি দিয়ে শ্বাস ছাড়ুন। এই ব্যায়ামটি পুনরায় আরও একবার একই নিয়মে করুন।
( এটা আপনার ফুসফুসে অক্সিজেনের রিজার্ভ বাড়াতে সাহায্য করবে)

২. বুকে বালিশ দিয়ে ওপর ( Prone position ) হয়ে শোন। জোরে শ্বাস নিন। ৫-১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। শ্বাস ছাড়ুন। এইভাবে বার বার শ্বাস নিন আর ছাড়ুন।
( এই পজিশনটা করোনা রোগীর জন্য খুবই উপকারী। এটা আপনার ফুসফুস হতে রক্তে অক্সিজেন Exchange এ সহায়তা করবে।)

৩. বাম নাক আংগুল দিয়ে বন্ধ রাখুন।ডান নাক দিয়ে শ্বাস নিন, ৫-১০ সেঃ শ্বাস ধরে রাখুন। তারপর আস্তে আস্তে ডান নাক দিয়ে শ্বাস ছাড়ুন। আবার ডান নাক বন্ধ রেখে বাম নাক দিয়ে করুন।
( এটা আপনার Airway patency ensure করবে এবং প্রয়োজন এর সময় ফুসফুসে অধিক পরিমানের অক্সিজেনের যাতায়াত নিশ্চিত করবে।)

৪. ডান হাত বুকে বাম হাত পেটে রাখুন। এবার বুকে চাপ দিয়ে নাক দিয়ে লম্বা করে পেট ফুলিয়ে শ্বাস নিন। ৫-১০ সেঃ ধরে রাখুন। শীষ দেয়ার মত ঠোঁট দিয়ে আস্তে আস্তে শ্বাস ছাড়ুন।
(এটা আপনার শ্বাস নেয়ার গুরুত্বপূর্ণ পেশী Diaphragm এর কার্যক্ষমতা বাড়াবে।)

৫. ৪ নং পজিশন এ থেকে এবার পেটে চাপ দিয়ে নাক দিয়ে লম্বা করে বুক ফুলিয়ে শ্বাস নিন। ৫-১০ সেঃ ধরে রাখুন। শীষ দেয়ার মত ঠোঁট দিয়ে আস্তে আস্তে শ্বাস ছাড়ুন।
(এটা আপনার শ্বাস নেয়ার গুরুত্বপূর্ণ পেশী External Intercostal Muscle এর কার্যক্ষমতা বাড়াবে।)

৬. সকালে - বিকালে লম্বা শ্বাস নিয়ে বেলুন ফুলান।
( এটা Accessory Respiratory Muscle গুলোকে কর্মক্ষম রাখবে যা ক্রাইসিস মুহুর্তে আপনাকে সাহায্য করবে)

বি.দ্র. মনোযোগ সহকারে পড়বেন...
১. প্রথম ব্যায়াম দুটি করোনা হওয়ার আগে ও করোনা আক্রান্ত অবস্থায় করলে করোনা আক্রান্ত ফুসফুসে অক্সিজেনের ঘাটতি বা শ্বাস কষ্ট দেখা দেয় না।
২. শ্বাস কষ্ট, বুকে ব্যথা অবস্থায় কিংবা কাশি থাকলে এই ব্যায়াম করবেন না।
৩. হ্রদরোগে আক্রান্ত রোগী এই ব্যায়াম করার আগে অবশ্যই ডাঃ এর পরামর্শ নিবেন।
৪. এই ব্যায়াম করার সময় হঠাৎ করে শ্বাস কষ্ট, বুকে ব্যথা, কিংবা কাশি শুরু হলে অতিসত্ত্বর ব্যায়াম বন্ধ করে বসে স্বভাবিক শ্বাস নিন। প্রয়োজনে ডাঃ এর পরামর্শ নিন।
৫. Breathing Exercises কোন Shortcut প্রসেস নয়। দীর্ঘ দিন অভ্যাসে আপনি বাকি জীবন আপনার ফুসফুস কে অধিক কার্যক্ষম রেখে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন।

ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ান এবং মানসিক চাপ মুক্ত থাকুন।

নিয়মিত ফুসফুসের ব্যায়াম করুন। সুস্থ্য থাকুন।

Try to avoid these habits !!
26/05/2020

Try to avoid these habits !!

পিত্তথলিতে পাথর হওয়া আমাদের পরিচিত একটি সমস্যা।প্রশ্নজাগে, এই পাথর কি সত্যি সত্যি পথের কুড়িয়ে পাওয়া নূড়ি পাথরের মতো, নাক...
15/02/2015

পিত্তথলিতে পাথর হওয়া আমাদের পরিচিত একটি সমস্যা।

প্রশ্নজাগে, এই পাথর কি সত্যি সত্যি পথের কুড়িয়ে পাওয়া নূড়ি পাথরের মতো, নাকি অন্য কিছু? কিভাবে বোঝা যাবে পিত্তথলিতে আপনার পাথর হতে পারে?
পাথর আসলে কী

পিত্তথলির পাথর আসলে ছোট ছোট বালুর দানার মতো থেকে শুরু করে মটরের দানা বা তার চেয়েও বড় শক্ত দানাদার বস্তু, যা বিভিন্ন রঙের ও বিভিন্ন আকৃতির হতে পারে। এটা নির্ভর করে কী পদার্থ দিয়ে পাথর তৈরি হয় তার ওপর।
কোলেস্টেরল, বিলিরুবিন বা ক্যালসিয়াম ইত্যাদি পদার্থের সংমিশ্রণে তৈরি এই পাথরগুলো পিত্তরসের সঙ্গে মেশানো অবস্থায় থাকে এবং হালকা বাদামি, ময়লাটে সাদা বা কুচকুচে কালো রঙের হতে পারে। পেটের ডানদিকে যকৃতের পেছনে ও তলার দিকে পিত্তথলি থাকে। পিত্তরস তৈরি করাই এর কাজ। খাবার হজমে, বিশেষ করে চর্বিজাতীয় খাবার হজম করতে পিত্তরস দরকার হয়। নানা কারণে পিত্তথলিতে বিভিন্ন পদার্থ জমে গিয়ে পাথরের সৃষ্টি করে।

কাদের বেশি হয়ঃ

স্থূল ও ওজনাধিক্য ব্যক্তিদের পিত্তথলিতে পাথর বেশি হতে দেখা যায়। পুরুষদের তুলনায় নারীদের এ প্রবণতা বেশি। এ ছাড়া চল্লিশোর্ধ্ব বয়স, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়িখাবার অভ্যাস, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ ইত্যাদি এই ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

কীভাবে লক্ষণ বুঝবেনঃ

পিত্তথলিতে পাথর হলে এতে প্রদাহ হয়, যাকে কোলেসিস্টাইটিস বলা হয়। তখন পেটের ডানদিকে তীব্র ব্যথা হতে পারে। এই ব্যথা মিনিট খানেক থেকে ঘণ্টাখানেক স্থায়ী হতে পারে। পেটের পেছন দিকে, কাঁধে, পেটের মাঝ বরাবর এমনকি বুকের ভেতরও ধীরে ধীরে ব্যথা ছড়িয়ে পড়তে পারে। সেই সঙ্গে বমিভাব বা বমি, হালকা জ্বর দেখা দিতে পারে। অনেক সময় পাথর পিত্তথলি থেকে বেরোতে গিয়ে পিত্তনালিতে আটকে যায় এবং তখন বিলিরুবিনের বিপাক ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার দরুন জন্ডিসও হতে পারে। রোগ নির্ণয়ের জন্য এই উপসর্গের পাশাপাশি পেটের আলট্রাসনোগ্রাম যথেষ্ট। পাথরের অবস্থান জানতে বা প্রয়োজনে বের করতে ইআরসিপি জাতীয় পরীক্ষা করা যেতে পারে। তবে পেটের আলসার, যকৃতের কোনো সমস্যা এমনকি হৃদরোগেও এ উপসর্গের কাছাকাছি ধরনের ব্যথা হতে পারে বলে সেগুলোর অবস্থাও নির্ণয় করে নেয়া দরকার।
চিকিৎসা

প্রদাহ ও তীব্র ব্যথার সময় কোনো অস্ত্রোপচার করা হয় না। এ অবস্থায় সাধারণত কয়েক দিনের জন্য মুখে খাদ্য গ্রহণ বন্ধ করে দিয়ে স্যালাইন, অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যথানাশক ওষুধ দিয়ে প্রাথমিক উপশমের চেষ্টা করা হয়। পিত্তথলি ফেলে দেয়ার অস্ত্রোপচার সপ্তাহ দুয়েক পর বা দু-তিন মাস পর করলেও ক্ষতি নেই। পেট কেটে বা ফুটো করে- দু’ভাবেই এই অস্ত্রোপচার করা যায়। তবে পিত্তনালিতে পাথর আটকে গিয়ে থাকলে ইআরসিপি যন্ত্রের সাহায্যে পাথর বের করে আনা হয়।
পিত্তথলিতে পাথর হওয়া আমাদের পরিচিত একটি সমস্যা। প্রশ্নজাগে, এই পাথর কি সত্যি সত্যি পথের কুড়িয়ে পাওয়া নূড়ি পাথরের মতো, নাকি অন্য কিছু? কিভাবে বোঝা যাবে পিত্তথলিতে আপনার পাথর হতে পারে? পাথর আসলে কী পিত্তথলির পাথর আসলে ছোট ছোট বালুর দানার মতো থেকে শুরু করে মটরের দানা বা তার চেয়েও বড় শক্ত দানাদার বস্তু, যা বিভিন্ন রঙের ও বিভিন্ন আকৃতির হতে পারে। এটা নির্ভর করে কী পদার্থ দিয়ে পাথর তৈরি হয় তার ওপর। কোলেস্টেরল, বিলিরুবিন বা ক্যালসিয়াম ইত্যাদি পদার্থের সংমিশ্রণে তৈরি এই পাথরগুলো পিত্তরসের সঙ্গে মেশানো অবস্থায় থাকে এবং হালকা বাদামি, ময়লাটে সাদা বা কুচকুচে কালো রঙের হতে পারে। পেটের ডানদিকে যকৃতের পেছনে ও তলার দিকে পিত্তথলি থাকে। পিত্তরস তৈরি করাই এর কাজ। খাবার হজমে, বিশেষ করে চর্বিজাতীয় খাবার হজম করতে পিত্তরস দরকার হয়। নানা কারণে পিত্তথলিতে বিভিন্ন পদার্থ জমে গিয়ে পাথরের সৃষ্টি করে। কাদের বেশি হয়ঃ স্থূল ও ওজনাধিক্য ব্যক্তিদের পিত্তথলিতে পাথর বেশি হতে দেখা যায়। পুরুষদের তুলনায় নারীদের এ প্রবণতা বেশি। এ ছাড়া চল্লিশোর্ধ্ব বয়স, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়িখাবার অভ্যাস, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ ইত্যাদি এই ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কীভাবে লক্ষণ বুঝবেনঃ পিত্তথলিতে পাথর হলে এতে প্রদাহ হয়, যাকে কোলেসিস্টাইটিস বলা হয়। তখন পেটের ডানদিকে তীব্র ব্যথা হতে পারে। এই ব্যথা মিনিট খানেক থেকে ঘণ্টাখানেক স্থায়ী হতে পারে। পেটের পেছন দিকে, কাঁধে, পেটের মাঝ বরাবর এমনকি বুকের ভেতরও ধীরে ধীরে ব্যথা ছড়িয়ে পড়তে পারে। সেই সঙ্গে বমিভাব বা বমি, হালকা জ্বর দেখা দিতে পারে। অনেক সময় পাথর পিত্তথলি থেকে বেরোতে গিয়ে পিত্তনালিতে আটকে যায় এবং তখন বিলিরুবিনের বিপাক ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার দরুন জন্ডিসও হতে পারে। রোগ নির্ণয়ের জন্য এই উপসর্গের পাশাপাশি পেটের আলট্রাসনোগ্রাম যথেষ্ট। পাথরের অবস্থান জানতে বা প্রয়োজনে বের করতে ইআরসিপি জাতীয় পরীক্ষা করা যেতে পারে। তবে পেটের আলসার, যকৃতের কোনো সমস্যা এমনকি হৃদরোগেও এ উপসর্গের কাছাকাছি ধরনের ব্যথা হতে পারে বলে সেগুলোর অবস্থাও নির্ণয় করে নেয়া দরকার। চিকিৎসা প্রদাহ ও তীব্র ব্যথার সময় কোনো অস্ত্রোপচার করা হয় না। এ অবস্থায় সাধারণত কয়েক দিনের জন্য মুখে খাদ্য গ্রহণ বন্ধ করে দিয়ে স্যালাইন, অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যথানাশক ওষুধ দিয়ে প্রাথমিক উপশমের চেষ্টা করা হয়। পিত্তথলি ফেলে দেয়ার অস্ত্রোপচার সপ্তাহ দুয়েক পর বা দু-তিন মাস পর করলেও ক্ষতি নেই। পেট কেটে বা ফুটো করে- দু’ভাবেই এই অস্ত্রোপচার করা যায়। তবে পিত্তনালিতে পাথর আটকে গিয়ে থাকলে ইআরসিপি যন্ত্রের সাহায্যে পাথর বের করে আনা হয়।

13/02/2015
09/08/2014
ছেলে অথবা মেয়ে সন্তান চাইলে কী করা যেতে পারে?অনেকেরই শখ থাকে তার পরবর্তী সন্তানটি হবে ফুটফুটে একটি মেয়ে অথবা দুরন্ত একটি...
03/08/2014

ছেলে অথবা মেয়ে সন্তান চাইলে কী করা যেতে পারে?

অনেকেরই শখ থাকে তার পরবর্তী সন্তানটি হবে ফুটফুটে একটি মেয়ে অথবা দুরন্ত একটি ছেলে। গর্ভের সন্তানটি ছেলে হবে না মেয়ে হবে, তা কি আসলে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি? তবে একেবারে নিশ্চিত হবার কোনো উপায় না থাকলেও, ছোট্ট একটি প্রাকৃতিক কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে।
মূলত শারীরিক মিলনের সময়ের ওপরে নির্ভর করে এই পদ্ধতি। তা কি করে কাজ করে জানতে হলে আপনাকে প্রথমেই দুইটি বিষয়ে জ্ঞান রাখতে হবে। একটি হলো ওভিউলেশন বা ডিম্বপাত নামের প্রক্রিয়াটি কিভাবে কাজ করে, আরেকটি হলো স্পার্ম বা শুক্রাণু কিভাবে একে প্রভাবিত করে।

প্রথমে দেখা যাক ওভিউলেশনের প্রক্রিয়াটি কিভাবে কাজ করে। নারীর শরীরে প্রতি মাসে পাঁচ দিনের একটি সময়সীমা থাকে যখন ওভিউলেশন হয়। ডিম্বপাতের তিন দিন আগে থেকে শুরু করে এক দিন পর পর্যন্ত হল গর্ভধারণের জন্য সবচাইতে উপযুক্ত সময়। কারণ ডিম্ব কার্যকরী থাকে মাত্র ২৪ ঘণ্টা, কিন্তু শুক্রাণু নারীর শরীরে পাঁচ দিন পর্যন্ত কার্যকরী থাকতে পারে।

এই সময়ের মাঝে গর্ভধারণ করা যাবে তা জানা গেলো। এবার আসুন সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা কিভাবে ঠিক করা যেতে পারে। জানতে হবে শুক্রাণুর প্রভাব। x ক্রোমোজোমধারি শুক্রাণু দ্বারা ডিম্ব নিষিক্ত হবার কারণে সন্তান মেয়ে হবে, আর Y ক্রোমোজোমের কারণে সে হবে ছেলে। Y শুক্রাণু তুলনামূলকভাবে অনেক ছোট, কিন্তু তা আবার বেশ দ্রুতগামী। তারা খুব বেশিক্ষণ জীবিত থাকে না। X শুক্রাণু বেশ বড় এবং ধীরগতির, কিন্তু তারা আবার একটু বেশ সময় বাঁচে।

এই দুইটি বিষয় জেনে রাখার পর আসুন দেখি করনীয় কি। ছেলে সন্তান চাইলে Y শুক্রাণু যাতে খুব দ্রুত ডিম্বের কাছাকাছি যেতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। এর জন্য নারীর যে দিন ডিম্বপাত হচ্ছে সে দিনেই মিলিত হওয়াটা জরুরি। নয়তো শুক্রানুটি আর কার্যকরী থাকবে না।

আবার আপনি যদি মেয়ে সন্তান চান তবে ডিম্বপাতের দুই থেকে তিন দিন আগে মিলিত হতে হবে। ডিম্বপাত হবার আগেই সব Y শুক্রাণু মারা যাবে, ফলে সন্তান ছেলে হবার সম্ভাবনা কম থাকবে। বেঁচে থাকবে X শুক্রাণুগুলো। ফলে মেয়ে সন্তান হবার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।
- See more at: http://www.bdmail24.net/bn/article/9073/ .7Db2cSou.dpuf

কানে পানি গেলে...!কানে পানি গেলে কি করেন আপনি? পানি বের করার জন্য অনেকে মাথা কাত করে ঝাঁকুনি দিয়ে পানি বের করে আনার চেষ...
26/04/2014

কানে পানি গেলে...!
কানে পানি গেলে কি করেন আপনি? পানি বের করার জন্য অনেকে মাথা কাত করে ঝাঁকুনি দিয়ে পানি বের করে আনার চেষ্টা করেন। এতে কিছু পানি বের হলেও পুরোপুরি হয় না। আবার অনেকে পানি আটকে যাওয়া কানে আরও একটু পানি দিয়ে কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার মত কাজটি করেন, এটি আরও বিপদজনক। আর কটন বাড? কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে। কি করবেন? ছবির মত করে মাথাটাকে কাত করে কান টেনে ধরুন। পানি বের হয় আসবে।

পাঁচ মিনিটেই ধবধবে সাদা করুন আপনার দাঁত!  দাঁত মানুষের সৌন্দর্যের একটি বড় অংশ। প্রিয় মানুষের সাথে কথা বলতে গেলে বা ছবি ত...
26/04/2014

পাঁচ মিনিটেই ধবধবে সাদা করুন আপনার দাঁত!


দাঁত মানুষের সৌন্দর্যের একটি বড় অংশ। প্রিয় মানুষের সাথে কথা বলতে গেলে বা ছবি তুলতে গেলে দাঁতের সৌন্দর্যের দিকটা সবসময় মাথায় রাখতে হয়। মাঝে মাঝে দাঁতের সাদাটে ভাব বা সৌন্দর্যটা খুব দ্রুত ফিরিয়ে আনার প্রয়োজন পড়ে। কিভাবে মাত্র পাঁচ মিনিটেই দাঁতের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনবেন তা নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজনঃ
আপনি বিভিন্ন ধরণের টুথপেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে থ্রিডি হোয়াইট টু হাওয়ার এক্সপ্রেস হোয়াইট এক্সপ্রেস কিংবা লুস্টার টুথপেস্ট নিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন যা বিভিন্ন বিজ্ঞানী এবং ডেন্টিস্ট দ্বারা পরীক্ষিত ভালো মানের টুথপেস্ট।
আপনার দাঁতের রঙ উজ্জ্বল দেখাবার জন্য আপনি গোলাপি এবং লাল শেডের সমন্বয়ে লিপিস্টিক ব্যবহার করতে পারেন যা ব্লু টোন এনে দিবে। ফলে আপনার দাঁতের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে ত্বকের সাথে সামঞ্জস্য রেখে । এছাড়া আপনার ত্বকের চেয়ে গাঢ় রঙের মেক আপ ব্যবহার করতে পারেন। এতেও আপনার দাঁতকে উজ্জ্বল মনে হবে।
আঁশ সমৃদ্ধ ফল, চুইং গাম, সবজি ইত্যাদি খেতে পারেন দ্রুততম সময়ে। এক্ষেত্রে আপেল কিংবা গাজর হতে পারে আদর্শ যা আপনার দাঁতের ব্যাক্টেরিয়া দূর করবে সেই সাথে দাঁত এবং জিভের ময়লাও দূর করবে।
কমলার শুকনা খোসা এবং পাতা পেস্ট করে দাঁতে লাগান এবং ব্রাশ দিয়ে উপর নিচ করে ব্রাশ করে ফেলুন। মুহূর্তেই আপনি পাবেন দাঁতের উজ্জ্বলতা।
ভিনেগার কিংবা খাবার সোডা একসাথে অল্প পরিমাণে মিশিয়ে আপনি রোজ গড়গড়া করতে পারেন নিয়ম করে অথবা ব্রাশের সাহায্যে দাঁতে লাগিয়ে পেস্ট আকারেও ব্যবহার করতে পারেন। দাঁতের উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে।

এই গরমে শান্তির ঘুম পেতে যে ৪ টি কাজ করবেনএই গরমে জনজীবন বলতে গেলে বিপর্যস্ত। গত কয়েকদিনের গরম আমাদের দেশের আগের সকল গরম...
24/04/2014

এই গরমে শান্তির ঘুম পেতে যে ৪ টি কাজ করবেন

এই গরমে জনজীবন বলতে গেলে বিপর্যস্ত। গত কয়েকদিনের গরম আমাদের দেশের আগের সকল গরম পরার রেকর্ড ভেঙেছে। গরমের কারণে সব চাইতে বেশি যন্ত্রণা হয় রাতের বেলা। সবার তো আর এয়ার কন্ডিশন কেনার সামর্থ্য হয় না। আমাদের দেশে তো মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তের সংখ্যাই বেশি। সারাদিন কাজের মধ্যে ব্যস্ত থাকার পর রাতে ঘুমানোর সময় গরমের কারণে ঘুম আসতে চায় না একেবারেই। বলতে গেলে এক প্রকার অশান্তির মধ্যেই কাটাতে হয় পুরো রাত। আর রাতে ঘুম না হওয়ার প্রভাব পরে পরের দিনের কাজের ওপর। সেকারণে রাতের ঘুম আসলেই জরুরী।

কিন্তু গরমের মধ্যে ঘুমানোতে যে অসুবিধা হয় তা কিভাবে দূর করা যায়? এই সমস্যারও সমাধান রয়েছে। রাতে একটি শান্তির ঘুম দিতে হলে আপনাকে করতে হবে কিছু কাজ। ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই সহজ কিছু কাজ করেদিতে পারেন সুখনিদ্রা।
কাজ-১
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে গোসল করুন। আমাদের দেহের তাপমাত্রা সাধারণের তুলনায় কমে গেলে আমাদের ঘুমাতে সুবিধা হয়। গোসল করলে আমাদের দেহের তাপমাত্রা কমে যায় ফলে ঘুম গভির হয়। যদি গোসল করতে না পারেন তবে পায়ের পাতা ভিজিয়ে ঘুমুতে যান। স্বস্তির ঘুম দিতে পারবেন।

কাজ-২
একটি ভারী পশমি কাপড় নিন। এটি পানিতে ভিজিয়ে ঘুমাতে যাওয়ার ১ ঘণ্টা আগে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিন। ঘুমুতে যাওয়ার সময় কাপড়টি ফ্রিজ থেকে বের করে নিয়ে কপালে রেখে শুয়ে পড়ুন। দেখবেন দ্রুত এবং শান্তির একটি ঘুম দিতে পারছেন।
কাজ-৩
গরমের সময় অনেকেই জানালা খোলা রেখে ঘুমান। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি পান অনেকে। একটি কাজ করতে পারেন। একটি ভারী কাপড় ভিজিয়ে জানালায় ঝুলিয়ে রাখতে পারেন। এতে করে ঘরে বাইরের বাতাস প্রবেশের সময় ভেজা কাপড়ের জন্য ঠাণ্ডা বাতাস ঘরের ভেতরে পাবেন। এতে ঘুম ভালো হবে।
কাজ-৪
রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ঘরের কোণে এক বালতি ঠাণ্ডা পানি রেখে ঘুমুতে যান। ফ্যানের বাতাস এবং গরমের কারণে বালতি থেকে পানি বাষ্পে পরিনত হবে। এতে ঘরের তাপমাত্রা কমে যাবে। এবং তাপমাত্রা কমে গেলে ঘুম ভালো হবে। চাইলে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ঘরের মেঝেতে ভালো করে পানি স্প্রে করতে পারেন। এতেও ঘরের তাপমাত্রা কমবে।

Address

Bir Muktijoddha Selim Sikder Market ( 2nd Floor ), Sadar Road, Dashmina
Patuakhali
8630

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Healthcare Diagnostic and Consultation Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Healthcare Diagnostic and Consultation Center:

Share