Adhunik Homoeopathic Chikitshaloy

Adhunik Homoeopathic Chikitshaloy স্বাস্থ্য সেবা সবার মৌলিক অধিকার

রোগমুক্তি মহান আল্লাহপাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়, আদ...
10/02/2026

রোগমুক্তি মহান আল্লাহপাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়, আদমদিঘী, বগুড়া।
প্রয়োজনে:০১৭০৫-৭১৪১৭১.০১৬৮৪-৯০৮৫৬৬.

**** বাচ্চার কানের ইনফেকশন চিহ্নিত করবেনঃ---
বাচ্চাদের শারীরিক সমস্যা বা রোগের মধ্যে কানের ইনফেকশন অন্যতম একটি ভয়াবহ সমস্যা। কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হল শিশুদের কানের সমস্যা অন্যান্য সাধারণ রোগের থেকে কম হয়ে থাকে বলে আমরা বাবা মায়েরা এটিতে খুব একটা নজর দেইনা আর এটাকে নিতান্তই মামুলী ব্যাপার বলে গুরুত্ব কম দিয়ে থাকি। আপনি জানেন কি কানের ইনফেকশন আপনার বাচ্চার জন্য মোটেও সাধারণ কোন ব্যাপার নয়। কানের ইনফেকশন থেকে আপনার বাচ্চা সারা জীবনের মতো বধির হয়ে যেতে পারে।

**বাচ্চার কানের ইনফেকশন চিহ্নিত করবেনঃ-

১। বাচ্চার অতিরিক্ত কান্নাকাটি করাঃ
আপনার বাচ্চা কখন অতিরিক্ত কান্নাকাটি করছে সেটা তো আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন। যদি দেখেন বাচ্চা অকারণে কান্নাকাটি করেই যাচ্ছে বা অন্যান্য সময়ের চেয়ে অনেক বেশী সময় ধরে কাঁদছে তাহলে মনে রাখুন এটি আপনার বাচ্চার কানে ইনফেকশনের একটি লক্ষণ। এভাবে বাচ্চা কান্না করতে থাকলে অবহেলা না করে তার দিকে মনোযোগ দিন বাচ্চাকে কাছে নিয়ে ভালোভাবে দেখুন তার কানে অস্বাভাবিক কিছু দেখছেন কিনা। প্রয়োজনে বাচ্চাকে নিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

২। বাচ্চার কানে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়াঃ
বলেছি বাচ্চার কানে ইনফেকশন হওয়ার অন্যতম লক্ষণ হল অতিরিক্ত কান্নাকাটি করা আর এই অতিরিক্ত কান্নাকাটিবাচ্চার কানের ব্যথা থেকেও হতে পারে। বাচ্চার কানে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়া হল কানে ইনফেকশনের আরও একটি মেজর লক্ষণ। অনেক বাবা মা কিন্তু বাচ্চাদের এসব লক্ষণগুলো স্বাভাবিক আর সাধারণভাবে নিয়ে থাকেন যার ফলাফল দ্বারায় বাচ্চার দীর্ঘমেয়াদী কানের সমস্যা আবার কোন কোন সময় শ্রবণশক্তি নষ্টের কারন।

এমন লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে বাচ্চা একবার ডাক্তারের কাছ থেকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসুন। যদি সত্যি কানে ইনফেকশন হয়ে থাকে তাহলে প্রাথমিক পর্যায়েই ট্রিটমেন্ট পাবে।

৩। বাচ্চা ঠিকঠাক ঘুমাতে পারবেনাঃ
কানে ইনফেকশন চিহ্নিত করার আরও একটি লক্ষণ বাচ্চা দিনে রাতে কখনোই ঠিক করে ঘুমাতে পারবেনা। কারনকানে ইনফেকশন হলে বাচ্চা শুয়ে থাকলে কানে ব্যথাও বেড়ে যাবে এমনকি শোবার কারনে কানে চাপ পরাই বাচ্চা ঘুমন্ত অবস্থা থেকে জেগে উঠবে।

বাচ্চা কখন ঘুমায় কতটুকু ঘুমায় এইগুলো প্রতিটা মায়ের নখদর্পণে থাকে, তাই যদি এসব কিছুতে অনিয়ম দেখেন আর বাচ্চাকে ঘুমাতে কষ্ট পেতে দেখেন তাহলে ধরে নিতেই পারেন আপনার বাচ্চা কানের ইনফেকশনের স্বীকার হয়েছে।

৪। বাচ্চার কান দিয়ে তরল বের হওয়াঃ
আপনার সোনামণির কানে ইনফেকশন হচ্ছে কিনা সেটা বোঝার আরও সহজ উপায় হল বাচ্চার কান থেকে তরল কিছু বের হচ্ছে কিনা সেটা লক্ষ্য করা। ম্যাক্সিমাম বাচ্চার কানে ইনফেকশনের ক্ষেত্রে কান থেকে হলুদ বা সাদা জাতীয় তরল বের হবে। যদি দেখেন আপনার বাচ্চার কান দিয়ে এই ধরণের তরল কিছু বের হচ্ছে তাহলে দেরি করবেন না। ভালো একজন ডাক্তারের কাছে বাচ্চাকে নিয়ে যান।

৫। ঠাণ্ডা কাশি ও শ্বাসনালীতে প্রদাহঃ
বাচ্চার অতিরিক্ত ঠাণ্ডা কাশির সমস্যা ও শ্বাসনালীতে প্রদাহ এগুলো কানে ইনফেকশনের ওয়ার্নিং সাইন। আপনার বাচ্চার খুব বেশী ঠাণ্ডা কাশি নিয়ে ভোগা সাধারণ মামুলী সমস্যা বলে সব সময় এরিয়ে যাবেন না। বরং একটু বাড়তি মনোযোগ দিন।

বাচ্চার সঠিক যত্ন ও সুরক্ষার দায়িত্ব আপনার, তাই সকল প্রকার সমস্যা হোক সেটা সামান্য সেই সামান্য সমস্যাও আপনাকে ভীষণ দায়িত্বে করতে হবে।

আসুন এবার কিভাবে বাচ্চার কানের ইনফেকশন কিছুটা হলেও রোধ করা যাই সে সম্পর্কে জানিঃ

* হাত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। কোন রোগ জীবাণু যেন হাতে লেগে না থাকে সেটা নিশ্চিত করতে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গরে তুলুন। ঠাণ্ডা বা ফ্লুর জীবাণু হাত থেকেই স্থানান্তরিত হয় তাই ঠিকঠাক হাত ধোয়া কানের ইনফেকশন প্রতিরোধের অন্যতম সহজ উপায়।

* সিগারেটের ধোয়া থেকে আপনার বাচ্চাকে যতোটা সম্ভব দূরে রাখুন। গবেষণায় দেখা গেছে সিগারেটের ধোয়া বাচ্চার কানের ইনফেকশনের অন্যতম কারন।

* অতিরিক্ত শব্দপ্রবণ এরিয়াতে আপনার বাচ্চাকে নিয়ে যাবেন না আর সবার আগে নিশ্চিত করুন আপনার বাচ্চাকে যেখানে বেড়ে উঠছে সেখানকার পরিবেশ যেন উচ্চ শব্দপ্রবণ না হয়। বাচ্চার কানের ইনফেকশনের এটাও অন্যতম কারন।

* আপনার ছোট্ট সোনামণিকে একদম চিৎ করে শুইয়ে দুধ বা অন্য কোন তরল জাতীয় খাবার খাওয়াবেন না। এটি কানে ইনফেকশনের ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেই। এমনকি ঘুমন্ত অবস্থায় বাচ্চাকে শুইয়ে দুধ খাওয়ালে তা নাক দিয়ে কানে ধুকে ইনফেকশন হতে পারে।

৬ ।মাসের কম বয়সী শিশুরা প্রায়শই কানের ইনফেকশন ও কানে ব্যথার কারনে জ্বরে ভুগে থাকে। আপনার বাচ্চার যদি ১০২ ডিগ্রি বা তারচেয়ে বেশী জ্বর হয়েই থাকে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে নিতে হবে। আর কান জনিত সমস্যায় কোন হাতুড়ে ডাক্তারের কাছে না নিয়ে চেষ্টা করবেন বিশেষজ্ঞ কোন ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করার অথবা চিকিৎসা নেওয়ার।

****সকল প্রকার রোগের জন্য লক্ষণ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন, শুভ কামনা রইলো সবার জন্য।

07/02/2026

রোগমুক্তি মহান আল্লাহ্ তায়ালা নিকট, রোগের চিকিৎসাও সেবা ডাক্তারের পরামর্শে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয় আদমদিঘী,
বগুড়া।
প্রয়োজনে:01705-714171.01684-908566.

*****" আজকের বিষয় আমাশয়।।
শ্লেষ্মযুক্ত বা রক্তমিশ্রিত অল্প অল্প বারে বারে মলত্যাগ। পেটব্যথা, কুন্থন। ফুডপ য়জনিং, গুরুপাক, বাসি পঁচা পান আহার থেকে অথবা জলবায়ূ পরিবর্তন ও এমিবা কোলাই জীবানু দ্বারা আমাশয় হতে পারে। ক্যাটারাল ডিসেন্ট্রি, এমিবিক ডিসেন্ট্রি, ম্যালিগ্ন্যান্ট বা ব্যাসিলারি ডিসেন্ট্রি এই তিন প্রকারের হয়।

এমিবিক ডিসেন্ট্রিতে বৃহিদন্ত্রের মিউকাস ঝিল্লিতে ক্ষত হয়। সিকাম,কোলন,রেক্টাম তিনটি স্থানই আক্রান্ত হয়।

ব্যাসিলারিতে জ্বর ও আচ্ছন্ন ভাব থাকে, প্রস্রাব কমে যায়, পিপাসা থাকে। সামান্য রক্তমিশ্রিত মল। কষ্টদায়ক ও ছোঁয়াচে ধরণের।
প্রথমেই আম, মল হলদে রঙের মিউকাস ও রক্তমিশ্রিত। বাহ্যের আগে পেট ডাকে। প্রস্রাব করতে গেলে অসাড়ে মল নির্গমণ।
ঘন ঘন বেগ হয়, কুন্থন, বাহ্যের পূর্বে পেট ব্যথা। জিহ্বা ফ্যাকাশে। প্রথমেই রক্ত পড়ে, কুন্থন, পেটব্যাথা।
মল অত্যান্ত দূর্গন্ধ, ফেনাযুক্ত, ব্যথা থাকেনা, সশব্দে অধিক পরিমানে বাহ্য, সকালে বেশি, মলদ্বার অসাড়। শিশুদের দন্তনির্গমনকালিন উদরাময়।
দূর্গন্ধ থাকেনা, পানির ভাগ বেশি, দূর্বলতা, আহারের পরই বেগ হয়,খাদ্য হজম হয়না, পেট ফাঁপা, ঢেকুর,নাক কান মুখ হীম হয়ে আসে।
পেট মোচড় দিয়ে ঘন ঘন বেগ, পেটের ব্যথা চেপে ধরলে আরাম বোধ , মাঝে মাঝে পিত্ত মিশ্রিত হলদে ফেনা। শিশুদের আমাশয়ে ভাল কাজ করে। মিউকাসযুক্ত ফেনা ফেনা হলদে মল সাথে বমি বমি ভাব বা বমি। পেটফাঁপা, ব্যথা, কুন্থন। রান্নার গন্ধ অসহ্য লাগে।

সুতরাং ঃসুস্থ এবং সুন্দর জীবন যাপনের জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার কোন বিকল্প নেই। যদি কোন প্রাকার রোগ হয় তা হলে আপনি সহ সবাইকে বলেন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে,,,,, হোমিওপ্যাথিক একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পন চিকিৎসা ব্যবস্থা,,, ধন্যবাদ সবার জন্য শুভকামনা, সুস্থ থাকুন সুন্দর থাকুন।

রোগমুক্তি মহান আল্লাহ পাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়, আ...
05/02/2026

রোগমুক্তি মহান আল্লাহ পাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়, আদমদীঘি, বগুড়া।
প্রয়োজনে : 01705-714171.01684-908566.

খেজুর স্বাস্থ্যের জন্য ভিষণ উপকারী। দৈনিক ৪ থেকে ৫টি খেজুর খেলে তা আপনার দেহের বিভিন্ন ধরনের উপকার সাধন করে থাকে।‌একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন থাকা প্রয়োজন তার প্রায় ১১ ভাগ পূর্ণ করে থাকে খেজুর।
খেজুরের উপকারীতা গুলো তুলে ধরা হলো:
✍️ প্রতিটি খেজুরে রয়েছে ২০-২৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম ; যা উচ্চ রক্তচাপ বা (High Blood Pressure) কমাতে সাহায্য করে।
✍️ খেজুরে থাকে পটাশিয়াম,যা BP (Blood Pressure) নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে স্ট্রোক, কোলেস্টেরল ও হার্টের রোগ এর ঝুঁকি কম থাকে। হার্টের রোগীদের দৈনিক ন্যূনতম পক্ষে ২-৩ টি খেজুর খাওয়া উচিত।
✍️ খেজুরে যে পরিমাণ আয়রন থাকে,তা হিমোগ্লোবিন এর ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। গর্ভবতী নারীদের হিমোগ্লোবিন এর ঘাটতি পূরণে দৈনিক খেজুর খাওয়া উচিত।
✍️ খেজুর মায়ের পাশাপাশি গর্ভে বেড়ে ওঠা শিশুর জন্যও উপকারী।এটি শিশুর জন্মগত রোগ প্রতিরোধ এ সহায়তা করে।✍️ খেজুরে থাকে লিউটেন (Lutein) ও জিক্সাথিন (Zeaxanthin),যা রেটিনা কে ভালো রাখে।
✍️ খেজুরে উপস্থিত ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য সহ পেটের যাবতীয় সমস্যা দূর করে।
✍️ খেজুরে থাকা ক্যালসিয়াম দেহের হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে।
✍️ খেজুরে প্রচুর পরিমাণে গ্লুকোজ (Glucose), ফ্রুকটোজ (Fructose) ,সুক্রোজ (Sucrose) থাকে,যা দেহকে তাৎক্ষণিক শক্তি প্রদান করে।
✍️যাদের দেহের ওজন কম ,তারা দৈনিক খাদ্যের তালিকায় খেজুরকে রাখুন। কেননা খেজুর এ থাকা চিনি, ভিটামিন এবং আরো প্রয়োজনীয় কিছু প্রোটিন দেহের ওজন বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

খেজুর খাওয়ার নিয়ম: দৈনিক সকাল বেলা খেজুর খাওয়া উচিত।এতে সারাদিন দেহে শক্তি পাওয়া যায়। সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেজুর খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। যারা ব্যয়াম করেন তারা ব্যয়ামের আধাঘণ্টা আগে খেজুর খেলে দেহে সহজে ক্লান্তি আসে না।

সতর্কতা: খেজুর এ উপকারিতা থাকলেও সকাল বিকাল, খেজুর খাওয়া যাবেনা,এতে স্বাস্থ্যঝুকি দেখা যেতে পারে।যাদের ডায়বেটিস রয়েছে, তাদের ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত খেজুর খাওয়া যাবে না। কেননা খেজুরে থাকা সুগার,রক্তের সুগার এর মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

04/02/2026

রোগমুক্তি মহান আল্লাহ্ পাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয় আদমদিঘী,বগুড়া।
প্রয়োজনেঃ01705-714171.01684-908566.

আজকের বিষয়,,, গর্ভকালীন বমি বমি ভাব,,,

(গর্ভকালীন বমিবমি ভাব এবং বমি) :- কোন নারী গর্ভধারনের পর তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রতঙ্গে যে-সব প্রতিক্রিয়া দেয়, তার মধ্যে পাকস্থলী বা পেটের উৎপাত একটি সাধারণ ঘটনা।বুকজ্বালা, টক ঢেকুর ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। বিশেষত বমিবমি ভাব ও বমি’র সমস্যাটি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে মা ও শিশুর জীবন নিয়ে টানাটানি পড়ে যেতে পারে। এই সমস্যাটির মাত্রা অবস্থাভেদে কম-বেশি হতে দেখা যায়।

গর্ভকালীন সময়ে বমিবমি ভাব ও বমি’র সমস্যাটি সাধারণত প্রথম পাঁচ মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

* যদি এমন হয় যে, কেবল খাবারের গন্ধে বা রান্নার গন্ধ পেলেই বমিবমি ভাব আসে, সেক্ষেত্রে অবশ্য এই লক্ষণে হোমিওপ্যাথি মেডিসিন খাওয়াতে পারেন, যদি অস্থিরতা ও জ্বালাপোড়া ভাব থাকে। পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুযায়ী ঘণ্টায় ঘণ্টায় বা দিনে তিনবেলা করে খেতে পারেন যতদিন সমস্যা থাকে। কারো কারো ক্ষেত্রে সকালে ঘুম থেকে উঠার পর সমস্যাটি দেখা দেয়।

* বমিবমি ভাবের সাথে কারো মধ্যে আবার বুকজ্বালা বা পেটে গ্যাসের সমস্যা থাকতে পারে। এক্ষেত্রে ভালো কিংবা পেট-ফাঁপা সমস্যার জন্য লক্ষণ এসব সমস্যা বাচ্চাকে স্তন্যদানের সময় দেখা দিতে পারে ।

★★সুতরাং - চিকিৎসকের পরার্মশ ছাড়া ঔষধ সেবন করবে না।চিকিৎসকে পরার্মশ ছাড়া ঔষধ সেবন করে বিপদে পরবেন না। অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, সুস্থ থাকুন সুন্দর থাকুন, শুভকামনা সবার জন্য!

রোগমুক্তি মহান আল্লাহ পাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয় আদ...
03/02/2026

রোগমুক্তি মহান আল্লাহ পাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয় আদমদীঘি, বগুড়া।
প্রয়োজনে :--01705-714171.01684-908566.

** ফুলকপি_যত_গুণ :--

🥦 ফুলকপি খেলে হার্ট ভালো থাকে। এটি হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। এতে যে সালফোরাফেন (Sulforaphane) আছে, হৃদরোগের বিরুদ্ধে লড়তে পারে।
🥦 ফুলকপি পরিপাক বা Digestion এ সাহায্য করে। পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখে।
🥦 ফুলকপিতে প্রচুর ফাইবার (Fiber)থাকে। ফাইবার বা আঁশ শরীরের কোলেস্টেরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
🥦 ফুলকপি হাড় এবং দাঁত কে শক্ত ও মজবুত রাখে। ফুলকপিতে রয়েছে দাঁত ও মাড়ির উপকারি ক্যালসিয়াম (Calcium) ও ফ্লোরাইড (Fluoride); যা দাঁতকে মজবুত রাখে।
🥦 ফুলকপিতে রয়েছে প্রচুর আয়রন। আয়রন রক্ত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যারা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করেন এবং যে সকল নারীরা গর্ভবতী তাদের জন্য ফুলকপি অত্যন্ত উপাদেয় ও গুরুত্বপূর্ণ সবজি।
🥦 চোখের যত্নে ফুলকপি অতুলনীয় সবজি। কেননা ফুলকপিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে “ভিটামিন এ" এবং আমরা জানি “ভিটামিন এ" চোখের জন্য উপকারী।
🥦 ফুলকপি তে ভিটামিন এ এর পাশাপাশি রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘বি' ,‘সি' ও ‘কে' ; যা শীতকালীন সর্দি ঠান্ডা কাশি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।
🥦 ফুলকপি মস্তিষ্ককে ভালো রাখে। দেহের অতিরিক্ত ওজন কমায়।
🥦 ফুলকপি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
🥦 শীতকালে রুক্ষ হয়ে যাওয়া ত্বক এবং চুলকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে ফুলকপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
🥦 ক্যান্সার প্রতিরোধেও ফুলকপি সহায়তা করে। পূর্বেই বলেছি, ফুলকপি তে রয়েছে অতিরিক্ত মাত্রার সালফোরাফেন। এই সালফোরাফেন ক্যান্সার কোষ কে মেরে ফেলে, টিউমারকে বাড়তে দেয় না । গবেষণায় দেখা গেছে, মলাশয় ক্যান্সার (Colon cancer)-এ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে হলে সপ্তাহে প্রায় ২ পাউন্ড ফুলকপি বা এজাতীয় শাকসবজি খেতে হবে। গবেষণায় আরো জানা গেছে, ফুলকপির কচি পাতা সপ্তাহে ১ আউন্সের কিছু বেশি খেলে দেহে ক্যান্সারের ঝুঁকি অর্ধেক কমতে পারে।

**** সকল প্রকার রোগের জন্য লক্ষণ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন, শুভ কামনা রইলো সবার জন্য।

রোগমুক্তি মহান আল্লাহপাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়, আদ...
29/01/2026

রোগমুক্তি মহান আল্লাহপাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়, আদমদিঘী, বগুড়া।
প্রয়োজনে:০১৭০৫-৭১৪১৭১.০১৬৮৪-৯০৮৫৬৬.

*** সর্দিজ্বর: কেন হয় :-
হঠাৎ ঠান্ডা লাগা বা সর্দিজ্বর হওয়া যে কারো জন্য খুবই সাধারণ একটি বিষয়। ঠান্ডা বা সর্দিজ্বর মানুষকে খুবই সামান্য কারণে যেমন ভোগাতে পারে, তেমনি সহজেই সেরেও যেতে পারে।

সাধারণত ঠান্ডা লাগা বা সর্দিজ্বরের বেশকিছু সাধারণ উপসর্গ থাকে যেগুলো শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে একইরকম হয়ে থাকে।
*নাক বন্ধ হওয়া, সর্দি থাকা
*গলা ব্যাথা
*মাথা ব্যাথা
*মাংসপেশীতে ব্যাথা
*কাশি
*হাঁচি
*জ্বর
*কানে ও মুখে চাপ অনুভব করা
*স্বাদ ও ঘ্রাণের অনুভূতি কমে আসা

****কেন সর্দি হয়?
সর্দিজ্বর পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি হওয়া রোগগুলোর একটি।

এই সর্দিজ্বর বা ঠান্ডা লাগার কারণ ভাইরাস সংক্রমণ।
ঠান্ডার মৌসুমে বা শীতের সময় এই ভাইরাসগুলো দ্রুত সংক্রমিত হওয়ার মত পরিবেশ পায় বলে শীতের সময় সর্দি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ পায় এবং শীতের সময় মানুষের বেশি সর্দি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

সর্দিজ্বর সংক্রমিত থাকা অবস্থায় নাসারন্ধ্রের ভেতরে মিউকাস লাইনিং অতিক্রম করে প্রবেশ করে সংক্রমণকারী জীবাণু। এর ফলে নাাসরন্ধ্রের ভেতর অতিরিক্ত সর্দি জমা হয়, ডাক্তারি শাস্ত্র যেটিকে 'রাইনোরেয়াা' বলা হয়।

***সর্দি যেন ছড়িয়ে না পড়ে----
ঠান্ডা বা সর্দিজ্বরের উপসর্গ দেখা দেয়ার কয়েকদিন আগে থেকেই সর্দিজ্বর আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি অন্যের মধ্যে রোগ ছড়াতে পারেন। ঠান্ডা যেন ছড়িয়ে না পরে সেজন্য কয়েকটি পদক্ষেপ মেনে চলা যায়।

***ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং সর্দিজ্বরের পার্থক্য-----
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়া ফ্লু এবং সর্দিজ্বরের উপসর্গ একই হওয়ায় এই দুই রোগের মধ্যে পার্থক্য করা অনেক সময় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
এছাড়া বিভিন্ন গবেষণায় সর্দিজ্বর যেন না হয় তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন রকম নিয়ম মেনে চলার বিষয়ে বলা হয়েছে।

***** সকল প্রকার রোগের জন্য লক্ষণ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন, শুভ কামনা রইলো সবার জন্য।

রোগমুক্তি মহান আল্লাহ পাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়, আ...
28/01/2026

রোগমুক্তি মহান আল্লাহ পাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়, আদমদীঘি, বগুড়া।
প্রয়োজনে: 01705-714171.01684-908566.

***" ভুঁড়ি কমানোর সহজ কিছু উপায় :
নিয়ন্ত্রিত ডায়েট এবং ভারী শরীরচর্চার মাধ্যমে অতিরিক্ত চাপ নিতে না চাইলে, জানা জরুরি কোন ধরনের খাবারের কারণে পেটে মেদ জমতে থাকে। অনেকেই পেটের মেদ নিয়ে চিন্তিত থাকেন। শরীরের তুলনায় পেটে দ্রুত মেদ জমতে শুরু করে। এ ছাড়াও উরুর মেদও বেড়ে যায় শরীরচর্চার অভাবে।

সাধারণত মদ্যপান, মিষ্টিজাতীয় খাবার অতিরিক্ত গ্রহণ, ডুবো তেলে ভাজা খাবার, কোমল পানীয়, অস্বাস্থ্যকর বাইরের খাবার, নিয়মিত লাল মাংস (রেড মিট) খাওয়া, স্যাচুরেটেড চর্বি গ্রহণ ইত্যাদি পেটের মেদ বাড়িয়ে তোলার পেছনে ভূমিকা রাখে।

অতিরিক্ত পেটের মেদ কমানোর জন্য অবশ্যই ফাইবার গ্রহণ বাড়িয়ে নিতে পারেন। বেশি দ্রবণীয় ফাইবার খেলে তা আপনাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য তৃপ্ত রাখে এবং উচ্চ ফ্যাটযুক্ত খাবারের প্রতি আপনার আগ্রহ কমিয়ে আনে।

অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা
অ্যালকোহল পান করলে পেটে চর্বি জমে এবং কোমরের লাইনের চারপাশে ফ্যাট স্টোরেজ বাড়তে পারে। বেশিরভাগ অ্যালকোহলযুক্ত পানীয়তে অতিরিক্ত চিনি থাকে, যা দ্রুত ওজন বাড়িয়ে তোলে। অতিরিক্ত ক্যালোরি পেটের অঞ্চলে জমা হয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

বেরি
পেটের চর্বি কমানোর এক দুর্দান্ত উপায় হলো সেই ফ্যাটযুক্ত নাস্তার বদলে বেরি জাতীয় ফল খাওয়া। এগুলো কেবল সুস্বাদুই নয়, পাশাপাশি ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যেও সমৃদ্ধি।

ঘুমের সাথে আপস করবেন না
ঘুমের অভাবে শরীরে অতিরিক্ত ওজন বাড়তে পারে। খুব অল্প ঘুম করটিসোলকে বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে তুলতে পারে। সুতরাং, এটি নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি প্রতিদিন কমপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে পারছেন।

চিনিকে না বলুন
যদি সত্যিই আপনার পেটের চর্বি থেকে মুক্তি পেতে চান তবে চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা শুরু করুন। চিনি শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে তুলতে পারে, যা শরীরকে ফ্যাট সংরক্ষণে সাহায্য করে। ফলস্বরূপ পেটে জমতে থাকে মেদ।

**** সকল প্রকার রোগের জন্য লক্ষণ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন, শুভ কামনা রইলো সবার জন্য ধন্যবাদ।

26/01/2026

রোগমুক্তি মহান আল্লাহ পাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয় আদমদীঘি, বগুড়া।
প্রয়োজনে : 01705-714171.01684-908566.

***** যে ব্যথা গুলো উপেক্ষা করা উচিত নয় :-----
যে ব্যথা জীবনহুমকিমূলক শারীরিক দশার ইঙ্গিত দেয় তা সাধারণত তীব্র, হঠাৎ আরম্ভ এবং অন্যান্য উপসর্গ ও লক্ষণের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয়ে থাকে। এ প্রতিবেদনে দ্রুত মেডিক্যাল সেবা প্রয়োজন এমন ১০টি ব্যথা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

* মাথায় ব্যথা
যদি আপনার মাথায় হঠাৎ করে অসহনীয় তীব্র ব্যথা শুরু হয়, তাহলে আপনার ব্রেইন অ্যানিউরিজম থাকতে পারে। ব্রেইন অ্যানিউরিজম হচ্ছে, কোনো আর্টারির প্রাচীরে স্ফীতি বা পিণ্ড। কোনো চিকিৎসা করা না হলে এ রক্তনালী ফেটে যেতে পারে, যার ফলে প্রাণনাশক স্ট্রোক অথবা মস্তিষ্কে বড় ধরনের রক্তপাত হতে পারে। অবিলম্বে অ্যাম্বুলেন্স ডাকুন।

* দাঁতে ব্যথা
আপনার এনামেল বা দাঁতের বাইরের স্তরে ড্যামেজ বা ক্ষয় হলে দাঁতের ভেতরের স্নায়ু অনাবৃত হয়ে যেতে পারে, এর ফলে এ স্থান কোনো ঠান্ডা বা গরম পদার্থের সংস্পর্শে আসলে আপনার অসহ্য ব্যথা হতে পারে, এ কারণে আপনি কোনোকিছু পান করলে ব্যথা অনুভব করবেন। সংবেদনশীলতা ছাড়াও অনাবৃত স্নায়ু আপনাকে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনের ঝুঁকিতে রাখতে পারে, যা আপনার শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। আপনার ডেন্টিস্টকে দেখান যদি তীব্র দাঁত সংবেদনশীলতা শুরু হয়।

* হাত, কবজি ও বাহুতে ব্যথা
যদি কোনো ব্যথা বা অসাড়তা আপনার আঙুল (বিশেষ করে বুড়ো আঙুল, তর্জনি ও মধ্যমা), হাতের তালু ও কবজিকে প্রভাবিত করে এবং বাহুতে ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে আপনার কার্পাল টানেল সিন্ড্রোম থাকতে পারে। চিকিৎসা না করলে হাতের মাংসপেশী সংকুচিত হতে পারে এবং এমনকি আপনার হাতের কার্যক্ষমতাও হারাতে পারেন। চিকিৎসার জন্য যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের কাছে যান।

* বুকে ব্যথা
বুক ব্যথা হচ্ছে হার্ট অ্যাটাকের ক্লাসিক লক্ষণ। হার্ট বা হৃদপিণ্ডে পর্যাপ্ত অক্সিজেন না পৌঁছলে হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে। এ ব্যথা চোয়াল, কাঁধ ও গলা বা ঘাড়ের দিকেও অগ্রসর হতে পারে। অবিলম্বে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

* মধ্যপিঠে ব্যথা
যদি মধ্যপিঠের ব্যথা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং সেই সঙ্গে জ্বর ও বমিবমি ভাব থাকে, তাহলে আপনার সম্ভবত কিডনি ইনফেকশন হয়েছে। যথা শিগগির সম্ভব ডাক্তার দেখান। এই ইনফেকশন কিডনিকে স্থায়ীভাবে ড্যামেজ করতে পারে, রক্ত দূষিত করতে পারে অথবা কিডনির কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিতে পারে।

* নিম্নপিঠে ব্যথা
যে ব্যথা পিঠের নিম্নভাগে শুরু হয় এবং পা-কে প্রভাবিত করতে পারে তা সাধারণত সায়েটিকা বা নিতম্ববেদনার লক্ষণ। ব্যথা নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসার জন্য আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। এছাড়া পায়ে দুর্বলতা থাকলে, ব্লাডার সেনসেশন বা মূত্রথলির অনুভূতি হারিয়ে গেলে অথবা প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আপনার কাউডা একুইনা সিন্ড্রোম থাকতে পারে, এটি একটি বিরল রোগ যা স্থায়ী প্যারালাইসিসের কারণ হতে পারে। অবিলম্বে মেডিক্যাল পরীক্ষা করুন।

* তলপেটে ডানদিকে ব্যথা
আপনার তলপেটের ডানদিকে ব্যথা করলে এবং সেই সঙ্গে জ্বর, বমিবমি ভাব অথবা বমি হলে আপনার সম্ভবত অ্যাপেন্ডিসাইটিস আছে। অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে গেলে জীবনহুমকিমূলক ইনফেকশন হতে পারে। ডাক্তারের কাছে ভিজিট করুন, তিনি আপনাকে সার্জারির কথা বলতে পারেন।

* তলপেটে ব্যথা
অনেক নারীর ক্ষেত্রে মেন্সট্রুয়েল ক্র্যাম্প বা মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক। যদি ব্যথা আরো বাড়তে থাকে অথবা ব্যথা দূর না হয়, তাহলে আপনার এন্ডোমেট্রিওসিস থাকতে পারে, এটি এমন এক অবস্থা যেখানে জরায়ুর ভেতরে যে টিস্যু থাকার কথা তা জরায়ুর বাইরেও বিকাশলাভ করে। ডায়াগনোসিস করার জন্য অবস্টেট্রিশিয়ান-গাইনিকোলজিস্টের শরণাপন্ন হোন, অন্যথায় আপনার বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে।

* পায়ে ব্যথা
যদি আপনার পায়ে নিস্তেজ বা খিঁচুনিযুক্ত ব্যথা হয় এবং সেই সঙ্গে লালতা, উষ্ণতা ও ফোলা থাকে, তাহলে আপনার ডিপ ভেইন থ্রম্বসিস (ডিভিটি) নামে রক্ত জমাটবদ্ধতা থাকতে পারে, এর জন্য আপনাকে আল্ট্রাসাউন্ড করতে হবে। ব্যথার স্থানে ম্যাসাজ করবেন না, কারণ এতে রক্ত জমাটবদ্ধতা আপনার হৃদপিণ্ড বা ফুসফুসে চলে যেতে পারে।

* পায়ের পাতায় ব্যথা
যদি আপনার পায়ের পাতায় অসাড়তা, প্রদাহ অথবা পিন বা সুই বা সুচ ফোটানোর মতো যন্ত্রণা হয়, তাহলে সম্ভবত ডায়াবেটিসের কারণে আপনার স্নায়ু ড্যামেজ হয়েছে। এমনকি আপনি পায়ের সব ধরনের অনুভূতি হারাতে পারেন। ডাক্তারের কাছে যান, তিনি আপনাকে ব্লাড গ্লুকোজ টেস্টের কথা বলবেন। আক্রান্ত অংশ কেটে ফেলার প্রয়োজন হবে যদি ড্যামেজ খুব বেশি হয়।

***** সকল প্রকার রোগের জন্য লক্ষণ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন, শুভকামনা রইলো সবার জন্য।

রোগমুক্তি মহান আল্লাহপাকের নিকট, রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে। আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়, আদমদিঘী,...
23/01/2026

রোগমুক্তি মহান আল্লাহপাকের নিকট, রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়, আদমদিঘী, বগুড়া।
প্রয়োজনে:০১৭০৫-৭১৪১৭১.০১৬৮৪-৯০৮৫৬৬.

কানে ব্যথার মত স্বাস্থ্য সমস্যা ছোটদের এবং বড়দের উভয়ের ক্ষেত্রেই হতে পারে। কানে ব্যথা বেশ যন্ত্রণাদায়ক একটি সমস্যা। এর কারণে শিশুর মেজাজ খারাপ হতে পারে। কানে ব্যথা ভোঁতা বা তীব্র হতে পারে এবং জ্বালা পোড়ার অনুভূতিও হতে পারে। এক কানে বা উভয় কানে ব্যথা হতে পারে। কানে ব্যথার মূল কারণ, লক্ষণ, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার বিষয়ে জেনে নিই চলুন।

শিশুদের ক্ষেত্রে কানের ইনফেকশনের কারণেই কানে ব্যথা হয়ে থাকে। বড়দের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কারণে হতে পারে কানে ব্যথা। যেমন- গলা ব্যথা বা চোয়ালের ব্যথার কারণেও কানে ব্যথা হতে পারে। এছাড়াও আরো যে কারণগুলোর জন্য কানে ব্যথা হতে পারে তা হল-

১। কানের পর্দার বাহিরের নালীতে ইনফেকশন হলে

২। এয়ার ক্যানেলে একজিমা হলে

৩। কানে ময়লা জমলে

৪। আক্কেল দাঁতের সমস্যা হলে

৫। কর্ণপটহের ভেতরে তরল জমা হলে। যাকে গ্লু ইয়ার বলে। বড়দের চেয়ে শিশুরাই এতে আক্রান্ত হয় বেশি

৬। কানে সূক্ষ্ম কোন কিছুর আঘাত লাগলে

৭। ফেসিয়াল নার্ভের ব্যথার কারণেও হতে পারে কানে ব্যথা, একে ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া বলে

৮। টনসিল বা ফেরিঞ্জাইটিস এর মত গলার সমস্যার কারণেও হতে পারে কানে ব্যথা

৯। ঠান্ডা লাগলে

১০। কানের নালীর মধ্যে ঘা হলে

১১। কানের নালীর ভেতরের হেয়ার ফলিকল সংক্রমিত হলে

১২। সাইনুসাইটিসের ব্যথার কারণেও হতে পারে কানে ব্যথা

*****কানে ব্যথার সাধারণ লক্ষণগুলো হচ্ছে

- ব্যথার কারণে রাতে ঘুম হয়না

- শিশুদের দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং মেজাজ খারাপের লক্ষণ দেখা যায়

- শিশুদের ক্ষেত্রে ক্ষুধামন্দার সমস্যা দেখা যায়

- নাক দিয়ে পানি পড়া

- কাশি

- ভারসাম্যহীনতা

- শিশুদের কান টানা বা কানে ঘষার লক্ষণ দেখা যায়

- শ্রবণের সমস্যা হতে পারে।

যদি আপনার সন্তানের ঘাড় শক্ত হয়ে যায় এবং তার মধ্যে অলসতা দেখা যায় তাহলে তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান।

***রোগ নির্ণয়

ডাক্তার অটোস্কোপের মাধ্যমে কান পর্যবেক্ষণ করবেন। ইনফেকশন হলে কানের পর্দা লাল ও ফোলা দেখাবে। আরো কোন পরীক্ষা করার প্রয়োজন হলে চিকিৎসকই পরামর্শ দেবেন।
***সকল প্রকার রোগের জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন, শুভ কামনা রইলো সবার জন্য।

রোগমুক্তি মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট, রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তারের পরামর্শে।আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়, আদমদিঘী, বগ...
20/01/2026

রোগমুক্তি মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট, রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তারের পরামর্শে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়, আদমদিঘী, বগুড়া।
প্রয়োজনে ঃ01705-714171.01684-908566.

**** এলার্জি বলতে কি বুঝি :-
এলার্জি হলো আমাদের ইমিউন সিস্টেম ডিজঅর্ডারেরই আরেক নাম। আমাদের শরীরে কোনো বাহ্যিক পদার্থ প্রবেশ করিলে এবং শরীর তা সহ্য করতে না পারলে যে প্রতিক্রিয়া হয় তাকেই এলার্জি বলা হয়।

#এলার্জির_লক্ষণ------
১) বারবার হাঁচি হওয়া, সর্দি লাগে।

২) চোখ থেকে পানি পড়া, চোখ চুলকানো, লাল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

৩) দিনের নির্দিষ্ট সময় নাক বন্ধ হয়ে যায়।

৪) পেটের নানা গণ্ডগোল দেখা দেওয়া। বিশেষ করে ডাইরিয়া হওয়া।

৫) নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

৬) শরীরে দানা, গোটা, চাকা ইত্যাদি বের হয়।

৭) জ্বর আসা, বমি বমি লাগে।

৮) গলা, জিভ শুকিয়ে আসা, গলা খুশখুশ করে।

⭕অনেক সময় লক্ষণ দেখেও বোঝা যায় না যে, সেটা এলার্জি কিনা। কারণ অনেক সময় বদহজম হলেও ডায়রিয়া, বমি বমি লাগা, মাথাব্যথা করা, কাজে উত্‍সাহিনতা ইত্যাদি নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। বদহজম হলে নানা ধরনের খাবার খেলে প্রতিক্রিয়া হতে পারে। কিন্তু এলার্জিতে নির্দিষ্ট কিছু খাবারে সমস্যা হয়। এছাড়া কোনো খাবারে এলার্জি হলে সাধারণত ২ ঘণ্টার মধ্যে নানা রকমের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যেখানে বদহজম হলে আরো একটু বেশি সময় নেয়। আবার অতিরিক্ত গরমেও নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে। তবে এলার্জি হলে শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি শরীরে ইরিটেশন বা ডাইরিয়া হয়
ডাস্ট এলার্জি
বাড়িতে তোশক, বালিশ, বিছানা বা পুরনো জিনিসে যে ডাস্টমাইট থাকে সেগুলো থেকে ডাস্ট এলার্জি হয়।
কসমেটিক এলার্জি
ময়েশ্চারাইজার, ডিওডরেন্ট, শ্যাম্পু, মেক-আপ থেকে এলার্জি হলে তাকে কসমেটিক এলার্জি বলা হয়। এর ফলে ত্বকে চুলকানি লক্ষ্য করা যায়।

✳️সান এলার্জি
সূর্যের আলো অনেকের সহ্য হয় না। সেই থেকে সান এলার্হজি হয়।

✳️ফুড এলার্জি
অনেক সময় খাবার থেকে নানা ধরনের এলার্জি হয়। যেমন- ডিম, দুধ, ময়দা, সি-ফুড থেকে এলার্জি হতে পারে।

✳️ল্যাটেক্স এলার্জি
ল্যাটেক্স বা প্রাকৃতিক রবার থেকে অনেক সময় এলার্জি হতে পারে।

♻️কিভাবে বুঝবেন এলার্জি হয়েছে
বদহজম না এলার্জি কোনো খাবারে এলার্জি হলে সাধারণত ২ ঘণ্টার মধ্যে নানা রকমের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বদহজম হলে প্রতিক্রিয়া শুরু হতে আরও একটু দেরি হয়। বদহজম হলে নানা ধরনের ফুড গ্রুপের খাবার খেলে প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এলাার্জি হলে নির্দিষ্ট খাবার খেলেই এরকম হয়। বদহজম হলে ডায়রিয়া, বমি পাওয়া, মাথাব্যথা করা, কাজে উৎসাহ না পাওয়া ইত্যাদি নানা সমস্যা হয়। এলার্জি হলে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, সর্দি হয়, শ্লেষ্মা বের হয় , ডায়রিয়া হয়।

🌀এলার্জির টেস্ট
সাধারণত ত্বক আর রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এলার্জি টেস্ট করা হয়।

সুতরাং ঃএলার্জির সহ সকল প্রকার রোগের চিকিৎসা ,হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের মধ্যেমে রোগ নিরাময় সম্ভব ,হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে ,,,বিধায় ডাক্তারের পরামর্শ নিন সঠিক ও সুন্দর চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। সুস্থ থাকুন সুন্দর থাকুন,, সবার জন্য শুভ কামনা রইলো।

Address

Puran Bogra
5890

Telephone

+8801705714171

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adhunik Homoeopathic Chikitshaloy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Adhunik Homoeopathic Chikitshaloy:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram