Adhunik Homoeopathic Chikitshaloy

Adhunik Homoeopathic Chikitshaloy স্বাস্থ্য সেবা সবার মৌলিক অধিকার

10/04/2026

রোগমুক্তি মহান আল্লাহপাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।।
আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়, আদমদিঘী, বগুড়া।
প্রয়োজনে:০১৭০৫-৭১৪১৭১.০১৬৮৪-৯০৮৫৬৬.

****থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা কী এবং হলে, করণীয় কী?
থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা সাধারণত দুই টাইপের হয়। হাইপারথাইরয়ডিসম এবং হাইপোথাইরডিসম।

***হাইপারথাইরয়ডিসমের ক্ষেত্রে
আপনার দেহে যদি অতিরিক্ত থাইরয়েড হরমোন থাকে তাহলে যে লক্ষ্মণ গুলো দেখতে পাবেন যেমন,

১। ওজন কমে যাওয়া, গলগণ্ড

২। হার্ট বিট বেড়ে যাওয়া।

৩। অস্থিরতা, নার্ভাসনেস ফিল করা।

৪। মাংশপেশির দুর্বলতা, দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়া।

৫। অতিরিক্ত ঘামানো, পিগমেন্টেড স্কিন ইত্যাদি।

***হাইপোথাইরয়ডিসমের ক্ষেত্রে,
থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ কমে গেলে যে লক্ষ্মণ গুলো দেখতে পাবেন যেমন

১.ওজন বেড়ে যাওয়া, খসখসে গলার স্বর

২. হার্ট বিট কমে যাওয়া, হাইপারটেনশন

৩.কোষ্ঠকাঠিন্য, শুস্ক ত্বক ও চুল, রক্তস্বল্পতা

৪. ডিফনেস, ডিপ্রেশনে ভুগছেন এমন।

**যে কোনো এক প্রকারের লক্ষ্মণ দেখে নিশ্চিত হোন আপনার থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা আছে। পরীক্ষা করে নিন এবং ডাক্তার দেখান ও চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন, শুভ কামনা রইলো সবার জন্য।

রোগমুক্তি মহান আল্লাহপাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়, আদ...
05/04/2026

রোগমুক্তি মহান আল্লাহপাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয়, আদমদিঘী, বগুড়া।
প্রয়োজনে:০১৭০৫-৭১৪১৭১.০১৬৮৪-৯০৮৫৬৬.

**** অটোফেজি প্রক্রিয়াটি আসলে কী-:
মুসলিমরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘সিয়াম’। খ্রিস্টানরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘ফাস্টিং’। হিন্দু বা বৌদ্ধরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘উপবাস’। বিপ্লবীরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘অনশন’। আর, মেডিক্যাল সাইন্সে রোজা রাখাকে বলা হয় ‘অটোফেজি’। রমজান আসলেই এই অটোফেজি নিয়ে অনেক আলোচনা হয়।

আসলে অটোফেজি প্রক্রিয়াটি কি- তা আরও একটু ভালো করে বোঝা দরকার। অটোফেজি শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ ‘অটো’ ও ‘ফাজেইন’ থেকে। বাংলায় এর অর্থ হচ্ছে—আত্ম ভক্ষণ বা নিজেকে খেয়ে ফেলা। বিষয়টি শুনতে ভয়ানক হলেও এটা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। কেননা এটা শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গসমূহকে পরিষ্কার করার একটা প্রক্রিয়া, যা সম্পন্ন হয় কোষীয় পর্যায়ে। শরীরের বিভিন্ন কাজ করার জন্য প্রতিনিয়ত প্রোটিন তৈরি হয় এবং প্রোটিনের কাজটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রোটিনের গঠনটি অ্যামিনো অ্যাসিড দ্বারা ত্রিমাত্রিক হতে হয়। যদি ত্রিমাত্রিক না হয় তবে প্রোটিনটি শরীরের জন্য ক্ষতিকারক হতে ও নানা রোগের সৃষ্টি করবে।

অটোফেজি একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া। যে প্রক্রিয়ায় দেহের ক্ষয়িষ্ণু এবং অপ্রয়োজনীয় কোষাণুগুলো ধ্বংস ও পরিচ্ছন্ন হয়। আসলে এ হলো কোষের এক আবর্জনা পরিচ্ছন্নকরণ প্রক্রিয়া। কোষের কার্যক্ষমতাকে ঠিক রাখতে যে প্রক্রিয়ার কোনো বিকল্প নেই। আর দেহ যখন বিশেষ সংকটাবস্থায় থাকে, তখন এই অটোফেজিই দেহকে বাঁচিয়ে রাখে।

সক্রিয় অটোফেজি ব্যবস্থা আপনার মস্তিষ্ককে ক্ষুরধার হতেও সাহায্য করে। এমনকি জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির কিছু গবেষণা থেকে দেখা যায়- আলঝেইমার বা পার্কিনসন্স জাতীয় বয়সজনিত রোগগুলো যে কারণে হয়, তার প্রতিরোধও করে অটোফেজি।

জীবাণু ধ্বংস
অটোফেজি প্যাথোজেন, ব্যাক্টেরিয়া ইত্যাদি জীবাণুকে ধ্বংস করে দেহকে সুস্থ রাখে।

দীর্ঘ জীবন
সবকিছুর মিলিত ফল হলো আপনার দীর্ঘজীবন। মানে আপনার যদি প্রদাহ কমে যায়, ক্যান্সার, হৃদরোগ না হয় তাহলে আপনার সুস্থ দীর্ঘজীবন হবে সেটাই স্বাভাবিক।

অটোফেজি ও ক্যান্সার
ক্যান্সার নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা করেছেন এমন একজন বিজ্ঞানী টমাস সেফ্রেইড। প্রাকৃতিকভাবে ক্যান্সার প্রতিরোধ নিয়েই তার গবেষণা। তিনি দেখেন, বছরে কেউ যদি অন্তত একবারও সাত দিন একটানা উপবাসে থাকতে পারে (পানি ছাড়া অন্যকিছু না খেয়ে), দেহ পরিচ্ছন্ন হবার জন্যে তার আর কিছুই লাগে না। ভবিষ্যতে ক্যান্সার ঘটাতে পারে এমন সেলগুলো এ প্রক্রিয়ায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। এমনকি এটা সাত দিন না হয়ে চারদিনও হতে পারে। সেক্ষেত্রে বছরে কয়েকবার উপবাস করতে হবে।

রোজা ও অটোফেজি
সাধারণভাবে উপবাসের ১৮তম ঘণ্টা থেকে অটোফেজি সক্রিয় হয়। কোনো কোনো গবেষণায় অবশ্য দেখা গেছে যে, ১৩তম ঘণ্টা থেকেও অটোফেজি সক্রিয় হয়েছে। কাজেই আমরা বলতে পারি যে, উপবাসের ১৩তম থেকে ১৮ ম ঘণ্টায় গিয়ে আমাদের দেহে অটোফেজি প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়। সক্রিয় হয় তখন কোষের আবর্জনা ও ক্ষয়ে যাওয়া কোষ রিসাইক্লিং এবং নতুন কোষাণু তৈরি ও শক্তি উৎপাদন।

উল্লেখ্য, চিকিৎসা বিজ্ঞানে ২০১৬ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন জাপানের অটোফেজি গবেষক ইয়োশিনোরি ওহশোমি। জীবদেহ কেমন করে ত্রুটিপূর্ণ কোষ ধ্বংস করে নিজের সুরক্ষা করে এবং কোষ কীভাবে নিজের আবর্জনা প্রক্রিয়াজাত করে সুস্থ থাকে, সেই রহস্য বের করার কারণে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন এ বিজ্ঞানী।

বিজ্ঞানের ভাষায় এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় অটোফেজি। আর যে জিনটি এই অটোফেজি প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে সেটি শনাক্ত করেছিলেন টোকিও ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির এ অধ্যাপক।

১৯৬০ সালে বিজ্ঞানীরা প্রথম দেখতে পান, কোষ কীভাবে নিজের ভেতরে একটি বস্তার মতো ঝিল্লি তৈরি করে নিজের আবর্জনা বা ক্ষতিগ্রস্ত উপাদানকে তার ভেতরে আটকে ফেলে। বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী ক্রিস্টিয়ান ডে ১৯৭৪ সালে এ লাইসোজম আবিষ্কারের কারণে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। তবে সেখানে ঠিক কী ঘটে সেটা তখন বিজ্ঞানীদের জানা ছিল না। বিজ্ঞানী ইয়োশিনোরি ওহশোমি পৃথিবীতে সর্ব প্রথম অটোফেজি নিয়ে কাজ শুরু করেন। তিনি লক্ষ্য করেন লাইসোজম শুধু দেহের আবর্জনা বা ক্ষতিগ্রস্ত উপাদান জমা করে রাখে না। এটা রিসাইক্লিং চেম্বার বা নবায়নযোগ্য শক্তিব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে নতুন উপাদান/কোষ তৈরি করে।

ইউশিনোরি দেখিয়েছেন, কোষেরা নিজেরাই নিজেদের বর্জিতাংশ বা আবর্জনাকে আটকায়। এরপর সেখান থেকে উপকারী উপাদানগুলোকে ছেঁকে আলাদা করে ফেলে। তারপর ওই দরকারি উপাদানগুলো দিয়ে উৎপাদন করে শক্তি কিংবা গড়ে তোলে নতুন নতুন অনেক কোষ। এ মহৎ কাজ তাঁকে ২০১৬ সালে নোবেল পুরস্কার এনে দেয়।

04/04/2026
রোগমুক্তি মহান আল্লাহ পাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয় আদ...
04/04/2026

রোগমুক্তি মহান আল্লাহ পাকের নিকট, কিন্তু রোগের চিকিৎসা ও সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয় আদমদীঘি, বগুড়া।
প্রয়োজনে :- 01705-714171.01684-908566.

**** এই ৭ কারণেই পেটে সর্বক্ষণ গ্যাস হয়ে থাকে :
পেটে গ্যাস হওয়া স্বাভাবিক। এটি আপনার হজমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং প্রত্যেকেরই এই সমস্যা রয়েছে। বেশিরভাগ মানুষ দিনে পাঁচ থেকে ১৫ বার গ্যাস বের করে। যদি আপনি মনে করেন যে আপনি অন্যান্য মানুষের চেয়ে বেশি গ্যাস তৈরি করেন, তাহলে এর পিছনে কিছু বিশেষ কারণ থাকতে পারে। এই কারণে আপনার ব্যথা বা অন্যান্য সমস্যা হতে পারে।

1** বেশি বাতাস শরীরে প্রবেশ :---
আপনি যে গ্যাসই পাস করুন না কেন, তা কোনো না কোনোভাবে আপনার অন্ত্রের কাছে পৌঁছে যায়। আপনি যখন আপনার মুখ দিয়ে বাতাস শ্বাস নিচ্ছেন তখন এটি ঘটতে পারে। আপনার অন্ত্রের কিছু গ্যাস ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য জীবাণু দ্বারা গঠিত যা সেখানে বাস করে। যদি আপনি প্রচুর গ্যাস পান, তবে এর একটি কারণ হতে পারে যে আপনি খুব বেশি বাতাস শ্বাস নিচ্ছেন। সেই বাতাসের কিছু ঢেকুর আকারে বের হয় এবং কিছু গ্যাসের মাধ্যমে।

2 *** খারাপ অভ্যাস :----
আপনার কিছু অভ্যাসের কারণে আপনার মুখের মধ্যে বেশি বাতাস চলে যায়। উদাহরণস্বরূপ, চুইংগাম বা যেকোন শক্ত ক্যান্ডি খাওয়ার সময় আপনি বেশি বাতাস গ্রাস করেন। তাড়াতাড়ি খাওয়া বা স্ট্রয়ের সাথে পান করার অভ্যাস পেটে গ্যাস তৈরি করে। যদি আপনার কলম বা কিছু চিবানোর অভ্যাস থাকে, তাহলে এর অর্থ হল আপনি আপনার পেটে অতিরিক্ত বাতাস নিচ্ছেন যা গ্যাস আকারে বেরিয়ে আসে।

3 *** কার্বোনেটেড পানীয় :---
কার্বনেটেড পানীয় যেমন বিয়ার, সোডা বা কোন বুদবুদ পানীয় পেটে গ্যাস তৈরি করতে কাজ করে। আপনি যদি কার্বনেটেড পানীয় পছন্দ করেন এবং আপনার প্রায়ই গ্যাসের সমস্যা থাকে, তাহলে পরিবর্তে কিছু সাধারণ পানীয় পান করার চেষ্টা করুন, আপনি অবশ্যই পার্থক্য অনুভব করবেন। আপনি বার বার গ্যাস গঠনের আসল কারণটি বুঝতে পারবেন।

4 *** ঘুমানোর সময় আপনার মুখ খোলা রাখা :----
এমনকি যদি আপনি দিনের বেলা আপনার মুখ দিয়ে অতিরিক্ত বায়ু শ্বাস নাও নেন , আপনি ঘুমের সময় এটি করকে পারেন। যদি আপনি ঘুমানোর সময় মুখ খোলা রেখে শ্বাস নেন বা নাক ডাকেন, তাহলে আপনি সারা রাত প্রচুর বাতাস গ্রাস করতে পারেন যা পরের দিন গ্যাস সৃষ্টি করতে পারে।

5 **** খাদ্যাভ্যাসের কারণে :-----
পেটে গ্যাস তৈরির কিছু কারণও হতে পারে নির্দিষ্ট খাবার। যেমন ছোট রাজমা, মটর, ব্রকলি বা শাক, সবুজ শস্য, সাইলিয়ামযুক্ত ফাইবার জাতীয় খাবারও পেটে গ্যাস সৃষ্টি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ১২ ঘণ্টা জলে ভিজিয়ে রাখার পর মটরশুটি বা ছোলা তৈরি করলে পেটে গ্যাস কম হয়। অনেক সময় কোনো খাবার সঠিকভাবে হজম হয় না, যার কারণে গ্যাসও তৈরি হয়, যেমন দুগ্ধ বা আঠালো দ্রব্য কিছু মানুষের জন্য উপযুক্ত নয় এবং এর ফলে গ্যাস হয়।

6 **** কোষ্ঠকাঠিন্য বা ধীরে হজম :----
যদি আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য হয় এবং খাদ্য আপনার অন্ত্রে ধীরে ধীরে যায়, তাহলে এটি পেটে গ্যাস গঠনের সুযোগ বেশি দেয়। পেটে যখন খাবার দীর্ঘ সময় থাকে, তখন জীবাণুগুলো দীর্ঘ সময় সক্রিয় থাকে এবং পেটে গ্যাস তৈরি করে। আপনার বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনার হজমশক্তি কমে যায়, যা আরও গ্যাস গঠনের দিকে নিয়ে যেতে পারে। কৃত্রিম মিষ্টি বা কিছু ওষুধ পেটে গ্যাস সৃষ্টি করে।

7 **** মেডিকেল কন্ডিশন :----
কিছু মেডিকেল কারণে পেটে খুব বেশি গ্যাস তৈরি হয়। যেমন ডাইভার্টিকুলাইটিস, আলসারেটিভ কোলাইটিস, ক্রোহন ডিজিজ, ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ডিসফেকশন বা অন্ত্রের ব্লকেজের কারণে।

**** সকল প্রকার রোগের জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন সুস্থ থাকুন সুন্দর থাকুন শুভ কামনা রইলো সবার জন্য ধন্যবাদ।
ঘন ঘন গ্যাস তৈরির কারণে বিব্রত হতে পারেন কিন্তু সাধারণত চিন্তার কিছু নেই। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে গ্যাসও একটি সমস্যা হতে পারে। যেমন গ্যাসের কারণে তীব্র পেটে ব্যথা, খুব অস্বস্তি বা ফুসকুড়ি, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য, বমি বমি ভাব, ওজন কমে যাওয়া এবং মলে রক্ত দেখা গেলে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

রোগমুক্তি মহান আল্লাহ পাকের নিকট,কিন্তু রোগের চিকিৎসা সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে। আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয় আদমদি...
02/04/2026

রোগমুক্তি মহান আল্লাহ পাকের নিকট,কিন্তু রোগের চিকিৎসা সেবা ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয় আদমদিঘী,
বগুড়া।
প্রয়োজনে:01705-714171.01684-908566.

*** জরায়ুর স্থানচ্যুতি :-
জরায়ুর স্থানচ্যুতি হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে জরায়ু তার স্বাভাবিক অবস্থান থেকে নিচের দিকে নেমে আসে। এটি সাধারণত প্রসবের পর, বয়স বাড়লে বা পেলভিক মাংসপেশি দুর্বল হলে দেখা যায়।

*** সাধারণ লক্ষণ:
• তলপেটে ভারী বা টান লাগা
• যোনিপথে কিছু নেমে আসার অনুভূতি
• কোমর ব্যথা
• প্রস্রাব বা পায়খানায় সমস্যা
• সহবাসে অস্বস্তি

*** কারণ হতে পারে:
• একাধিক সন্তান জন্মদান
• প্রসবের পর সঠিক যত্নের অভাব
• বয়সজনিত পেশি দুর্বলতা
• দীর্ঘদিন ভারী কাজ করা

*** সকল প্রকার রোগের জন্য লক্ষণ অনুসারে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন সুস্থ থাকুন সুন্দর থাকুন।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন, শুভকামনা রইলো।
01/04/2026

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন, শুভকামনা রইলো।

Address

Puran Bogra
5890

Telephone

+8801705714171

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adhunik Homoeopathic Chikitshaloy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Adhunik Homoeopathic Chikitshaloy:

Share