Md Sumon Hosain

Md Sumon Hosain রাজশাহীতে চিকিৎসা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যে, বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সিরিয়াল ও অপারেশনের জন্য যোগাযোগ করুন :
01792923442

15/10/2025

রাজশাহী জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
যেকোনো তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন : 01792923442

13/08/2025
জরায়ু ক্যান্সার স্ক্রিনিং (Cervical Cancer Screening) হল জরায়ু মুখের (cervix) ক্যান্সার আগেভাগে শনাক্ত করার একটি গুরুত...
07/08/2025

জরায়ু ক্যান্সার স্ক্রিনিং (Cervical Cancer Screening) হল জরায়ু মুখের (cervix) ক্যান্সার আগেভাগে শনাক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। এই স্ক্রিনিং-এর মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে অসংক্রামক কোষের পরিবর্তন ধরা পড়ে, যা সময়মতো চিকিৎসা নিলে ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে না।

✅ স্ক্রিনিং পদ্ধতি সমূহ:

১. প্যাপ স্মিয়ার টেস্ট (Pap smear / Pap test)

বয়স: ২১ বছর থেকে শুরু করে ৬৫ বছর পর্যন্ত নারীদের জন্য।

ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতি ৩ বছরে একবার।

কাজ: জরায়ু মুখের কোষের অস্বাভাবিক পরিবর্তন শনাক্ত করে।

২. এইচপিভি টেস্ট (HPV test)

এইচপিভি: একটি ভাইরাস যা জরায়ু ক্যান্সারের প্রধান কারণ।

বয়স: ৩০ বছর বা তার বেশি বয়সী নারীদের জন্য।

ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতি ৫ বছরে একবার (একটি বা Pap-এর সাথে Co-testing)।

যদি শুধুমাত্র HPV টেস্ট করা হয়: প্রতি ৫ বছরেই যথেষ্ট।

৩. Co-testing (Pap smear + HPV test একসাথে)

ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতি ৫ বছরে একবার।

উপযুক্ত: ৩০-৬৫ বছর বয়সীদের জন্য।
🎯 কারা স্ক্রিনিং করাবেন?

যেসব নারীরা ২১-৬৫ বছর বয়সের মধ্যে।

যাদের যৌন জীবন শুরু হয়েছে।

যাদের পরিবারে জরায়ু ক্যান্সারের ইতিহাস আছে।

যারা দীর্ঘদিন ধরে ধূমপান করছেন বা ইমিউন সিস্টেম দুর্বল।
⚠️ স্ক্রিনিং দরকার নেই যদি:

বয়স ৬৫ বছরের বেশি এবং পূর্বে নিয়মিত পরীক্ষায় কোন সমস্যা ধরা পড়েনি।

জরায়ু অপসারণ (hysterectomy) করা হয়েছে এবং কোনো ক্যান্সার বা প্রি-ক্যান্সার ইতিহাস না থাকলে

📝 উপসংহার:

প্রতিনিয়ত স্ক্রিনিং জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। সময়মতো প্যাপ স্মিয়ার বা HPV টেস্ট করলে জীবন বাঁচানো সম্ভব।

23/07/2025

ডাঃ এস এম আহসান শহীদ

এমবিবিএস, এফসিপিএস (জেনারেল সার্জারী), এমএস (শিশু সার্জারী), পিএইচডি (হাইপোসপ্যাডিয়াস সার্জারী/পেডিয়াট্রিক ইউরোলজী) এফএসিএস (FACS) ফেলো অব আমেরিকান কলেজ অব সার্জন।

সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান
শিশু সার্জারী বিভাগ

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

ট্রেনিং ফেলো
✅ অ্যাডভান্সড ল্যাপারোস্কপিক সার্জারী এন্ড স্ট্যাপলিং,ইন্ডিয়া।
✅ নিওন্যাটলজি সার্জারী, পেডিয়াট্রিক প্লাস্টিক, ল্যাপারোস্কপিক সার্জারী এন্ড ইওরোলজী, ওসাকা চিলড্রেন হসপিটাল, জাপান

সদস্য
✅ফেলো,আমেরিকান কলেজ অফ সার্জনস (এফএসিএস)
✅ফেলো, এ্যাসোসিয়েশন অফ পেডিয়াট্রিক সার্জন অফ বাংলাদেশ
✅ফেলো, বাংলাদেশ কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস এন্ড সার্জনস
✅ফেলো, সোসাইটি অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ

বিশেষজ্ঞ সার্জন
✅পেডিয়াট্রিক ইওরোলজী
✅ল্যাপারোস্কপিক সার্জরী,
✅জেনারেল সার্জরী,
✅পেডিয়াট্রিক (শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ)সার্জারী
✅পেডিয়াট্রিক বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারী
✅পেডিয়াট্রিক অনকো (ক্যান্সার ) সার্জারী
✅পেডিয়াট্রিক নিউরো সার্জারী

13/07/2025

ডাঃ খন্দকার সেহেলী নাসরীন লীনা
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এম এস(গাইনি এন্ড অবস)

প্রসূতি ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

(গাইনিকোলজিক্যাল, ল্যাপারোস্কপি,ক্যান্সার সার্জারী ও ইনফার্টিলিটি)
সহকারী অধ্যাপক(গাইনি এন্ড অবস বিভাগ)
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী

বিশেষজ্ঞ

স্ত্রীরোগ (Gynaecology) প্রসূতি ও ধাত্রীবিদ্যা (Obstetries)
গাইনিকোলজিক্যাল অনকোলজি ও সার্জারী (জরায়ু ও ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার)
গাইনিকোলজিক্যাল ল্যাপারোস্কপি বন্ধ্যাত্ব/ ইনফার্টিলিটি কলপোস্কপি

বিশেষ সেবা সমূহঃ

গর্ভাবস্থায় পানি স্বল্পতার চিকিৎসা প্রদান

বাচ্চা না হওয়ার কারন নির্নয় ও চিকিৎসা প্রদান

জরায়ু ও ডিম্বাশয়ের টিউমার অপারেশন

পেট না কেটে ল্যাপারস্কপিক মেশিনের সাহায্যে গাইনী অপারেশন

জরায়ু নালীর পরীক্ষা নিরীক্ষা

D & C (ডি এন্ড সি)

সঠিক স্থানে বাচ্চা না থাকার কারন নির্ণয় ও চিকিৎসা প্রদান

বন্ধ্যাত্বের কারন নির্ণয়ও যথাযথ চিকিৎসা প্রদান

এন্ডোমেট্রিওসিস রোগের চিকিৎসা প্রদান

জরায়ু কেটে ফেলা (হিস্টেরেকটমি)

মহিলাদের ব্রেস্টের টিউমার অপারেশন

জরায়ুর বিভিন্ন সমস্যা, ডিম্বাশয়ের সিস্ট, টিউমার, জরায়ু টিউব চিকন/বন্ধ হয়ে যাওয়া এর চিকিৎসা প্রদান

মাতৃগর্ভে সন্তানের ভূমিষ্ট হওয়ার পূর্বে ও পরের অবস্থান সংক্রান্ত চিকিৎসা প্রদান

মহিলাদের পাইলস, পায়ুফথের ফিসার এর সার্জিক্যাল চিকিৎসা প্রদান।

"বিয়ে হয়নি, কিন্তু প্রেগন্যান্সি টেস্ট পজিটিভ?" (আপনার একটি শেয়ারে হয়তো বেঁচে যাবে একটি জীবন)অনেক সময় দেখা যায়, একজন অবি...
13/07/2025

"বিয়ে হয়নি, কিন্তু প্রেগন্যান্সি টেস্ট পজিটিভ?"
(আপনার একটি শেয়ারে হয়তো বেঁচে যাবে একটি জীবন)

অনেক সময় দেখা যায়, একজন অবিবাহিত মেয়ের হঠাৎ মাসিক বন্ধ হয়ে গেছে। ডাক্তার দেখাতে গেলে প্রথমেই বলা হয়, “প্রেগনেন্সি টেস্ট করে আসেন।”

পরিবারের কেউ হয়তো বলে বসে-
“এখনও তো মেয়ের বিয়ে হয়নি, প্রেগনেন্সি কীভাবে?”
ডাক্তার তখন স্পষ্ট জানিয়ে দেন -
“প্রেগনেন্সি টেস্ট ছাড়া দেখবো না।”

যাই হোক, টেস্ট হয়। রিপোর্ট পজিটিভ!!
পরিবার হতবাক। মেয়ে অজ্ঞান।

এবার শুরু হয় প্রশ্ন, কাঁন্না, অস্বীকার-
রোগী বলছে, “আমি কিছু করিনি।”
পরিবার বলছে, “তাহলে পজিটিভ টেস্ট আসলো কীভাবে?”

কেউ কেউ বলে - “জীনের ব্যাপার!”
তবে ডাক্তার তখন আসল কাজ শুরু করেন - “চলুন, আলট্রাসনোগ্রাফি করা যাক।”

আলট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্টে দেখা যায় — গর্ভে কোনো বাচ্চা নেই।

তাহলে? প্রেগনেন্সি টেস্ট পজিটিভ হলো কেন?

এই যে স্ট্রিপ দিয়ে টেস্ট করা হয়, ওটা আসলে “বাচ্চা শনাক্ত করার যন্ত্র” না।
এই টেস্টে চেক করা হয় শরীরে HCG (human chorionic gonadotropin) হরমোনের উপস্থিতি।

এই হরমোন গর্ভাবস্থায় শরীরে তৈরি হয় ঠিকই, কিন্তু একই হরমোন কিছু টিউমারের ক্ষেত্রেও নিঃসৃত হতে পারে,পুরুষের ও অন্ডকোষে টিউমার হলে পজিটিভ আসতে পারে।
যেমন:

Choriocarcinoma
Germ cell tumor
Hydatidiform mole
Teratoma (with choriocarcinoma)
Seminoma
Islet cell tumor ইত্যাদি।

অর্থাৎ, হরমোন বাড়লেই আপনি গর্ভবতী বিষয়টি এমন নয়। কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো, এই ধরণের ভুল বোঝাবুঝি থেকে অনেক মেয়ে চরম মানসিক আঘাত পায়। অনেকে হতাশ হয়ে আত্মহত্যার কথা ভাবে। কারও চরিত্র নিয়ে চলে অযথা বিচার সমালোচনা।

একটা রিপোর্ট আসার পর সবকিছু ভেঙে পড়ার আগে একটু ভাবুন, ডাক্তার দেখান, পুরো ঘটনা বোঝার চেষ্টা করুন। আপনি সচেতন থাকলে, হয়তো কোনো একদিন কাউকে একটা বড় বিপদ থেকে বাঁচাতে পারবেন।
c.p

স্তন ক্যান্সার (Breast Cancer) নারীদের মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত এবং গুরুতর একটি রোগ। সঠিক সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা ও সময়মতো চ...
06/07/2025

স্তন ক্যান্সার (Breast Cancer) নারীদের মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত এবং গুরুতর একটি রোগ। সঠিক সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা ও সময়মতো চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগ থেকে অনেকাংশে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

🌸 স্তন ক্যান্সারের কারণসমূহ:

১. জেনেটিক বা বংশগত কারণ:
যদি পরিবারের মা, বোন বা নিকট আত্মীয়দের স্তন ক্যান্সার হয়ে থাকে, তবে ঝুঁকি বেশি থাকে।

২. বয়স:
বয়স বাড়ার সাথে স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়ে, বিশেষ করে ৪০ বছরের পর থেকে।

৩. হরমোনাল কারণ:
সময়ের আগে মাসিক শুরু হওয়া বা অনেক দেরিতে বন্ধ হওয়া।
মেনোপজের পর হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি নেওয়া।

৪. জীবনযাপনের অভ্যাস:
অতিরিক্ত ওজন, শরীরচর্চার অভাব, ধূমপান বা অতিরিক্ত মদ্যপান।

৫. প্রথম সন্তান জন্মদানে বিলম্ব অথবা সন্তান না হওয়া।

৬. দুধ না খাওয়ানো

সন্তানকে স্তন্যদান না করাও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

✅ স্তন ক্যান্সার থেকে উত্তরণের করণীয়:

১. নিয়মিত স্ব-পরীক্ষা (Self-Examination)

প্রতি মাসে স্তনে কোনো গাঁট, অস্বাভাবিক ফোলা, ব্যথা, নিঃসরণ বা গঠনগত পরিবর্তন আছে কি না দেখে নিন।

২. মেডিকেল স্ক্রিনিং

ম্যামোগ্রাফি: ৪০ বছরের পর থেকে প্রতি বছর ম্যামোগ্রাফি করা ভালো।

ডাক্তারি পরামর্শ: বছর অন্তর একজন স্তন বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে পরীক্ষা করা উচিত।

৩. সুস্থ জীবনধারা অনুসরণ

প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করুন।

স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন।

ফলমূল, শাকসবজি ও কম চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন।

৪. স্তন্যদান (Breastfeeding)

সন্তানকে নিয়মিত স্তন্যপান করানো স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৫. হরমোন চিকিৎসা থেকে বিরত থাকা

দীর্ঘমেয়াদী হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি এড়িয়ে চলুন।

৬. মানসিক সচেতনতা এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত

স্তন ক্যান্সার নিয়ে ভয় না পেয়ে, সময়মতো পরীক্ষা ও প্রয়োজনে চিকিৎসা গ্রহণ করুন।

📢 মনে রাখুন:
"সময়মতো পরীক্ষা করান, নিজেকে ও প্রিয়জনকে রক্ষা করুন।"

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগে বিশেষায়িত চিকিৎসার নির্ধারিত দিনসমূহঃবিশেষায়িত মেডিসিন (৭৮ নং কক্ষ):শনিবার...
26/06/2025

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগে বিশেষায়িত চিকিৎসার নির্ধারিত দিনসমূহঃ

বিশেষায়িত মেডিসিন (৭৮ নং কক্ষ):
শনিবার: হেপাটোলজি,
রবিবার: গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি,
সোমবার: এন্ড্রোক্রাইনোলজি,
মঙ্গলবার: নিউরো মেডিসিন,
বুধবার: কার্ডিওলজি,
বৃহস্পতিবার: রিউমাটোলজি ও রেসপিরেটরী মেডিসিন।

বিশেষায়িত সার্জারী (৩১ নং রুম):
শনিবার ও মঙ্গলবার: ইউরোলজি,
রবিবার ও বুধবার: পেডিয়াট্রিক সার্জারী,
সোমবার ও বৃহস্পতিবার: নিউরো সার্জারী।

এছাড়াও বহির্বিভাগে নিয়মিত যে সকল চিকিৎসা সেবাসমূহ প্রদান করা হয়ঃ

১। মেডিসিন,
২। যৌন ও চর্ম,
৩। গাইনি,
৪। ফিজিক্যাল মেডিসিন,
৫। দন্ত,
৬। সার্জারি,
৭। চক্ষু,
৮। শিশু,
৯। মনোরোগ,
১০। নাক, কান, গলা,
১১। অর্থোপেডিক,
১২। হোমিও ও
১৩। রেডিওথেরাপি ও অনকোলজি।

**গরু বা ছাগলের পায়ার মধ্যে ক্যালসিয়াম থাকে বলে একটা খুব খুব বড় ভুল ধারণা আছে আমাদের।‎‎মূলত হাড়ের যে অংশটা আমরা ফেলে দেই...
25/06/2025

**গরু বা ছাগলের পায়ার মধ্যে ক্যালসিয়াম থাকে বলে একটা খুব খুব বড় ভুল ধারণা আছে আমাদের।

‎মূলত হাড়ের যে অংশটা আমরা ফেলে দেই, শক্ত, সাদা অংশ, ওটা ক্যালসিয়ামের লবণ দিয়ে তৈরি। আর যে জিনিসটা আমরা নেহারিতে খাই, সে জিনিসটা পুরোটাই চর্বি। ওতে ক্যালসিয়ামের ছিঁটেফোঁটাও নেই। থাকলেও খুবই অল্প। এতে অন্যান্য নিউট্রিয়েন্ট, ভিটামিন আছে কিন্ত চর্বির তুলনায় নগণ্য।

‎তাই ক্যালসিয়ামের দোহাই দিয়ে বয়স্ক মানুষ বিশেষত দাদু,নানুদের নেহারি বেশি খাওয়া একদমই উচিৎ নয়। শুধু বয়স্ক ব্যক্তিগণ নন, আমাদেরও উচিত এই চর্বি খেতে সতর্কতা অবলম্বন করা।

‎পায়া খেলে ক্যালিসিয়ামের অভাব তো পূরণ হয়ই না বরং হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক বেশি বেড়ে যায় বয়স্কদের।**

📌প্রেগন্যান্সি কনফার্ম হওয়ার পর আল্ট্রাসনোগ্রাম জরুরি কেন? শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন।গত ২মাসে আল্ট্রাসনোগ্রাম...
23/06/2025

📌প্রেগন্যান্সি কনফার্ম হওয়ার পর আল্ট্রাসনোগ্রাম জরুরি কেন? শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন।
গত ২মাসে আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট দেখে প্রায়ই এই কেসটি পাচ্ছি। রোগীকে কাউন্সিলিং করাটা কস্টসাধ্য, তাদের যতোই বুঝাই শুধু কান্না আর কান্না।!!!

এটা স্বাভাবিক, একজন মা ৪-৫ বা ৬মাসের সময় আল্ট্রা করতে এসে যদি শুনে বাচ্চার হাত-পা-হার্টবিট সব ঠিক আছে, মেশিনে দেখা যাচ্ছে শিশুটি নড়াচড়া করছে কিন্তুু মাথার (খুলির) স্ক্যাল অংশ নাই +ব্রেইন তৈরি হয় নাই তখন সেই মা অসহায়ের মতো তাকিয়ে থাকে আর চোখ থেকে জল গড়িয়ে পরে।

#তাদের_অনেক_প্রশ্নঃ
কেন এমনটা হলো?
কোনো বাতাস লাগে নাইতো, আমি কি এমন পাপ করলাম, আল্লাহ আমার উপর নারাজ কেন ইত্যাদি?
এখন তাহলে কি হবে? এটা কি ভালো হবে? ট্রীটমেন্ট কি?

#আসুন_বিষয়টা_একটু_জানিঃঃ------------------------
এই সমস্যাকে Anencephaly বলা হয়। এটা সাধারণত নিউরাল টিউব ডিফেক্টে হয়। এই নিউরাল টিউব কনসিভের পর ৪-৫ সপ্তাহ বা ২৮-৩২ দিনের মধ্যে তৈরি হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। যদি কোনোক্ষেএে টিউবের কোনো অংশ বন্ধ না হয় তখনই নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়ে জন্মগত এই ত্রুটি Anencephaly হয়।
আর এই নিউরাল টিউব ডিফেক্টের কিছু কারন যেমনঃ মা-বাবার জীনগত কিছু সমস্যা, আরো ফলিক এসিড এর ঘাটতি, কিছু এন্টিসাইকোটিক ড্রাগস, ওপিয়ড ঔষধ যা গর্ভকালীন সময়ের প্রথম ২মাসে খেলে ইত্যাদি।

#ডায়াগনোসিস_বা_কিভাবে_এই_সমস্যা_বুঝা_যাবে?
১২-১৪ সপ্তাহের মধ্যে আল্ট্রাসনোগ্রাম করলেই ডায়াগনোসিস করা সম্ভব। এছাড়াও মায়ের Serum Alpha-fetoprotein(elevated), MRI, Amniocentesis ইত্যাদি টেস্টের মাধ্যমে জানা সম্ভব।

িকিৎসা_কি?
এর কোনো চিকিৎসা এখন পর্যন্ত নাই।

#কোনো_প্রতিরোধ_ব্যবস্থা??
অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই কনসিভ করার পর থেকে প্রথম ৩মাস ফলিক এসিড সেবন করতে হবে। এমনকি যারা কনসিভ করতে চাচ্ছেন তাদেরকেও কনসিভের আগে থেকেই ফলিক এসিড খেতে হবে। প্রথম দুইমাস কোনো প্রকার ওপিয়ড মানে ব্যথানাশক ঔষধ খাবেন না, এন্টিসাইকোটিক ড্রাগস খাওয়া যাবেনা।

িশু_কি_জন্মের_পর_বেঁচে_থাকবে?
এরা অনেক সময় গর্ভেই নস্ট হয়ে যায় অথবা মারা যায়।
আর জন্মের সাথে সাথে বা কয়েক ঘন্টা/দিন/সপ্তাহের মধ্যেই মারা যায়। বিভিন্ন রিপোর্টের মাধ্যমে এটা প্রমানিত এই ধরনের শিশুরা জন্মের পর ১বছরের মধ্যে ১০০% ক্ষেএে মারা যায়। এরা হয় অন্ধ নয়তো বধির আর এদের কনসাসনেস থাকে না।

#কেন_এই_পোস্ট?
সচেতনতা বৃদ্ধি।
অনেকেই অনেক কথা বলেনঃ আগেকার যুগের মানুষতো ডাক্তার দেখাতোনা, আমারতো এখন কোনো সমস্যা নাই তাহলে কেন ডাক্তার দেখাবো, আমি ঔষধ খেতে পারিনা বমি আসে, ৬মাসে আল্ট্রা করবো এতো আগে আল্ট্রা করে কি লাভ, আবার অনেকে বলেন হয় ৮মাসে আল্ট্রা করবো অথবা আল্ট্রাই করবোনা।
আশা করি যারা পোস্টটি ভালোভাবে পড়েছেন তারা বুঝতে পেরেছেন কেন প্রথমদিকে একটা আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হয় আর কেন সবসময় ডাক্তারের চেকআপে থাকতে হয়।

সংগৃহীত। আল্লাহ আমাদের সকলকে সুস্থ ও ভালো রাখুন।🤲
শেয়ার করে অন্যকে সচেতন করুন ।

📜Collected

20/06/2025

ডা: মো: আমজাদ হোসেন প্রমানিক
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমডি (নিউরোমেডিসিন)

সহকারী অধ্যাপক (নিউরোমেডিসিন)
নিউরোমেডিসিন ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

Address

Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Sumon Hosain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category