Health and Food Safety Association - Rajshahi University

Health and Food Safety Association - Rajshahi University Educative, Non-profit, Apolitical , voluntary Organization.

Goals:
To achieve good health and well-being for all using science-based policies and programmes.

Health & Food Safety Association – Rajshahi University (HFSA-RU) পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা আমাদের সম্মানিত অতিথি বক্তা —✨ ...
02/05/2026

Health & Food Safety Association – Rajshahi University (HFSA-RU) পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা আমাদের সম্মানিত অতিথি বক্তা —
✨ MD Shakhawat Hossain স্যার ✨
(Founder & Chairman, Safety Management Foundation -SMF |
Former Trainer, Fire Service & Civil Defence)
— কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই।
🔥 Fire & Life Protection Training শীর্ষক সেশনে আপনার দীর্ঘ পেশাদার অভিজ্ঞতা থেকে উঠে আসা বাস্তবমুখী জ্ঞান, কার্যকর কৌশল এবং অনুপ্রেরণামূলক দিকনির্দেশনা আমাদের অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সত্যিকারের সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলেছে।
আপনার মতো একজন অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ Safety Professional-এর সান্নিধ্য পেয়ে আমরা অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি।
"আপনার অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ নির্দেশনা ও ব্যবহারিক জ্ঞান আমাদের অংশগ্রহণকারীদের আরও সচেতন, প্রস্তুত ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সত্যিকার অর্থেই অনুপ্রাণিত করেছে।"
আপনার মূল্যবান সময় ও অবদানের জন্য আবারও আন্তরিক ধন্যবাদ।
ভবিষ্যতে আপনার সাথে একসাথে কাজ করার প্রত্যাশায় রইলাম।

ধন্যবাদ The Daily RUCSU
01/05/2026

ধন্যবাদ The Daily RUCSU

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অগ্নিনির্বাপণ ও জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ে সচেতন ও দক্ষ করে তুলতে ‘Fire and Life Protection’ শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘হেলথ অ্যান্ড ফুড সেফটি অ্যাসোসিয়েশন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (HFSA-RU)’ এই বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করে।

All labor that uplifts humanity has dignity and importance.”— Martin Luther King Jr.যে হাত ইটের পর ইট সাজিয়ে শহর গড়ে,যে ...
01/05/2026

All labor that uplifts humanity has dignity and importance.”
— Martin Luther King Jr.

যে হাত ইটের পর ইট সাজিয়ে শহর গড়ে,
যে হাত খাবার তৈরি করে আমাদের টেবিলে পৌঁছে দেয়,
যে হাত হাসপাতালের সেবায় জীবন বাঁচায়,
যে হাত ঘাম ঝরিয়ে প্রতিদিন সমাজকে এগিয়ে নেয়—
সেই প্রতিটি হাতই সম্মানের, সেই প্রতিটি শ্রমই মূল্যবান। 🤍

আজ International Labour Day—
শুধু শ্রমিকদের প্রতি শুভেচ্ছা জানানোর দিন নয়, বরং তাদের অবদান, ত্যাগ, পরিশ্রম ও নীরব সংগ্রামকে শ্রদ্ধা জানানোর দিন।
Health and Food Safety Association — Rajshahi University বিশ্বাস করে—
একটি সুন্দর সমাজ গড়ে ওঠে তখনই, যখন প্রতিটি পেশার মানুষ তার শ্রমের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সম্মান পায়।

আজকের এই দিনে সকল শ্রমজীবী মানুষকে জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
আপনাদের পরিশ্রমেই দাঁড়িয়ে আছে আমাদের বর্তমান,
আপনাদের নিবেদনেই তৈরি হচ্ছে আগামীর বাংলাদেশ। 🇧🇩

শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত হোক,
প্রতিটি কর্মীর নিরাপত্তা হোক আমাদের অঙ্গীকার।

Happy International Labour Day 🌿

🔥 সফলভাবে সম্পন্ন হলো “Fire & Life Protection” সেমিনার🔥আজ Health and Food Safety Association - Rajshahi University আয়োজি...
01/05/2026

🔥 সফলভাবে সম্পন্ন হলো “Fire & Life Protection” সেমিনার🔥

আজ Health and Food Safety Association - Rajshahi University আয়োজিত “Fire & Life Protection” বিষয়ক সেমিনারটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

জীবনের নিরাপত্তা কখনোই অবহেলার বিষয় নয়। অগ্নিকাণ্ড বা জরুরি পরিস্থিতিতে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তই পারে বড় দুর্ঘটনা থেকে জীবন ও সম্পদ রক্ষা করতে। আজকের এই সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা অগ্নি দুর্ঘটনার ঝুঁকি, জরুরি অবস্থায় করণীয়, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা পেয়েছেন।

সেমিনারে আলোচনার মূল বিষয়গুলো ছিল-
✅ Fire accident situation: ঝুঁকি বোঝা, সঠিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধ
✅ First aid training: জরুরি মুহূর্তে জীবনরক্ষাকারী প্রাথমিক চিকিৎসার কৌশল
✅ Crisis handling: সংকটময় পরিস্থিতিতে শান্ত থেকে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া
✅ Safety awareness: নিজের, পরিবারের এবং সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা

অনুষ্ঠানের সম্মানিত স্পিকার MD Shakhawat Hossain, Founder & Chairman, Safety Management Foundation -SMF, তাঁর অভিজ্ঞতা ও বাস্তবভিত্তিক নির্দেশনার মাধ্যমে সবাইকে নিরাপত্তা সচেতনতার গুরুত্ব সম্পর্কে অনুপ্রাণিত করেছেন।

আমরা বিশ্বাস করি, এমন সচেতনতামূলক আয়োজন শুধু জ্ঞান বৃদ্ধি করে না, বরং একজন মানুষকে বাস্তব জীবনের সংকটে দায়িত্বশীল ও সাহসী ভূমিকা নিতে প্রস্তুত করে।

Be Prepared. Act Smart. Save Lives.
প্রস্তুত থাকুন, বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজ করুন, জীবন বাঁচান।

♦️ রেজিস্ট্রেশন চলছে ♦️আর মাত্র ৮ ঘন্টা♦️এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন। আসন সংখ্যা সীমিত।সেমিনার: ‘ফায়ার অ্যান্ড লাইফ প্রো...
30/04/2026

♦️ রেজিস্ট্রেশন চলছে ♦️আর মাত্র ৮ ঘন্টা♦️
এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন। আসন সংখ্যা সীমিত।

সেমিনার: ‘ফায়ার অ্যান্ড লাইফ প্রোটেকশন ট্রেনিং’

🔶সকল অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকবে ই-সার্টিফিকেট🔶

তারিখ: ০১ মে, ২০২৬
সময়: সকাল ১০:০০টা – দুপুর ১২:০০টা
স্থান: রুম নং ৪৪৯, জাবির ইবনে হাইয়ান একাডেমিক ভবন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
আসন সংখ্যা: মাত্র ১০০ জন

🖇️ লিংক - https://forms.gle/hhsRnpuoBifA6xta8
অথবা QR Code স্কেন করুন 👇

[আসন খালি থাকা সাপেক্ষে অন-স্পট রেজিস্ট্রেশন করা যাবে]

আয়োজনে -
Health and Food Safety Association – Rajshahi University

♦️ রেজিস্ট্রেশন চলছে ♦️এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন। আসন সংখ্যা সীমিত।সেমিনার: ‘ফায়ার অ্যান্ড লাইফ প্রোটেকশন ট্রেনিং’🔶সকল...
29/04/2026

♦️ রেজিস্ট্রেশন চলছে ♦️
এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন। আসন সংখ্যা সীমিত।

সেমিনার: ‘ফায়ার অ্যান্ড লাইফ প্রোটেকশন ট্রেনিং’

🔶সকল অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকবে ই-সার্টিফিকেট🔶

তারিখ: ০১ মে, ২০২৬
সময়: সকাল ১০:০০টা – দুপুর ১২:০০টা
স্থান: রুম নং ৪৪৯, জাবির ইবনে হাইয়ান একাডেমিক ভবন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
আসন সংখ্যা: মাত্র ১০০ জন

🖇️ লিংক - https://forms.gle/hhsRnpuoBifA6xta8
অথবা QR Code স্কেন করুন 👇

[আসন খালি থাকা সাপেক্ষে অন-স্পট রেজিস্ট্রেশন করা যাবে]

আয়োজনে -
Health and Food Safety Association – Rajshahi University

"স্যাকারিনের আকস্মিক আবিষ্কার ও বিতর্কিত ইতিহাস"স্যাকারিন একটি কৃত্রিম মিষ্টিকারক উপাদান এবং চিনির চেয়ে প্রায় ৩০০থেকে ...
29/04/2026

"স্যাকারিনের আকস্মিক আবিষ্কার ও বিতর্কিত ইতিহাস"
স্যাকারিন একটি কৃত্রিম মিষ্টিকারক উপাদান এবং চিনির চেয়ে প্রায় ৩০০
থেকে ৫০০ গুণ বেশি মিষ্টি। এটি আবিষ্কার করেন (১৮৭৯ সালে) রুশ বংশোদ্ভূত রসায়নবিদ Constantin Fahlberg, যিনি তখন যুক্তরাষ্ট্রের Johns Hopkins University–এর Prof. Ira Remsen-এর গবেষণাগারে কাজ করছিলেন। তিনি কয়লার
আলকাতরা (coal tar) থেকে প্রাপ্ত জৈব যৌগ (coal tar derivatives) নিয়ে গবেষণা করছিলেন। একদিন কাজ শেষে ল্যাব থেকে বাড়ি ফিরে হাত ভালোভাবে না ধুয়ে খাবার খাওয়ার সময় খাবারে অস্বাভাবিক তীব্র মিষ্টি স্বাদ অনুভব করেন - যা চিনি থেকেও বহু গুণ বেশি মিষ্টি।
বিষয়টি তাকে বিস্মিত করে!!
তিনি বুঝতে পারেন, ল্যাবে কাজ করার সময় তার হাতে লেগে থাকা রাসায়নিক পদার্থ থেকেই এই মিষ্টি স্বাদ এসেছে। পরে তিনি গবেষণাগারে ফিরে গিয়ে যে রাসায়নিকগুলো (Chemical Compounds) নিয়ে কাজ করছিলেন সেগুলো পরীক্ষা করেন এবং আবিষ্কার করেন যে একটি নির্দিষ্ট যৌগই এই তীব্র মিষ্টি স্বাদের জন্য দায়ী।

উক্ত যৌগটিকে "ortho-benzoic sulfimide" হিসেবে নাম করন করা হয় যা পরে স্যাকারিন (Saccharin) নামে পরিচিত হয় এবং এটি বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম মিষ্টিকারক হিসেবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে।

ফাহলবার্গ (Fahlberg), Prof. Ira Remsen –এর তত্ত্বাবধানে থাকা অবস্থায় যৌগটি আবিষ্কার করলেও, Prof. Remsen-এর অজান্তে Fahlberg গোপনে নিজের নামে পেটেন্ট করে নেন এবং জার্মানিতে স্যাকারিনের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করেন। এতে তিনি বিপুল অর্থ উপার্জন করেন। Prof. Remsen দাবি করেন এটি যৌথ গবেষণার ফল এবং Fahlberg তার নৈতিক অধিকার
লঙ্ঘন করেছেন, যার ফলে তিনি তার প্রতি গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেন Fahlberg পেটেন্টটি নিজের নামে নিয়ে বাণিজ্যিক সুবিধা নিলেও, বৈজ্ঞানিক মহলে Prof.Remsen-এরই বেশি প্রশংসা করা হয়।

১৮৮০-এর দশকে স্যাকারিন প্রথমবার শিল্প পর্যায়ে উৎপাদন শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে এটি চিনির বিকল্প মিষ্টিকারক হিসেবে ব্যবহৃত হতে থাকে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগী এবং যাদের চিনি (sugar) নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়,তাদের মধ্যে এটি দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।

পরবর্তীতে ১৯০৭ থেকে ১৯১২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে স্যাকারিন নিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বিষয়ে বিতর্ক শুরু হয়, যেখানে এর নিরাপদ ব্যবহার নিয়ে সরকারি ও বৈজ্ঞানিক মহলে মতভেদ দেখা দেয়। তৎকালীন মার্কিন খাদ্য নিয়ন্ত্রক Dr. Harvey W. Wiley স্যাকারিনকে একটি কৃত্রিম রাসায়নিক হিসেবে সমালোচনা করেন এবং এর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট Roosevelt (১৯০১-১৯০৯সাল পর্যন্ত
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন), যিনি নিজেও ডায়াবেটিস রোগী ছিলেন এবং স্যাকারিন ব্যবহার করতেন, তিনি এর পক্ষে অবস্থান নেন। ফলে স্যাকারিন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ না হলেও, এর ব্যবহার ও বাজারজাত করণের ওপর কিছু নিয়ন্ত্রণ ও সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়।

প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এবং মহামন্দার যুগে চিনি সংকটের কারণে
স্যাকারিনের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। এরপর ১৯৫০–এর দশকে এটি অন্যান্য কৃত্রিম মিষ্টিকারক যেমন Cyclamate -এর সাথে মিশিয়ে ডায়েট সফট ড্রিংকসে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু ১৯৬৯ সালে Cyclamate নিষিদ্ধ হলে স্যাকারিন আবারও নজরদারিতে আসে।

১৯৭৭ সালে কানাডার একটি গবেষণায় দেখা যায় যে, ইঁদুরের ওপর খুব উচ্চ মাত্রায় স্যাকারিন প্রয়োগ করলে মূত্রাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।

এই ফলাফলের ভিত্তিতে মার্কিন খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসন - “ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন” (FDA) স্যাকারিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দেয়। তবে পরে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়, কারণ ইঁদুরে ব্যবহৃত মাত্রা ছিল মানুষের স্বাভাবিক গ্রহণমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি। জনগণের প্রতিবাদ এবং বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের চাপে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা হয়নি। এর পরিবর্তে একটি সমঝোতা হিসেবে স্যাকারিন পণ্যের ওপর সতর্কীকরণ লেবেল (warning label) বাধ্যতামূলক করা হয়, যেখানে উল্লেখ ছিল যে পরীক্ষাগারে প্রাণীদের ওপর গবেষণায় ক্যান্সারের ঝুঁকি দেখা গেছে।

পরবর্তীতে দীর্ঘ গবেষণায় প্রমাণিত হয় যে এই ঝুঁকি মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ইঁদুরের নির্দিষ্ট শারীরবৃত্তীয় (Physiological) কারণে হয়েছিল। অবশেষে ২০০০ সালে স্যাকারিনকে সম্ভাব্য কার্সিনোজেন বা ক্যান্সার-সৃষ্টিকারী পদার্থের তালিকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

২০০১ সালে মার্কিন খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসন (FDA) এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণার ভিত্তিতে এটিকে মানুষের ব্যবহারের জন্য নিরাপদ !! হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

অভিনন্দন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি - রাবিসাস
28/04/2026

অভিনন্দন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি - রাবিসাস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি জরুরি বার্তা.......
26/04/2026

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি জরুরি বার্তা.......

25/04/2026

World Malaria Day 2026

Address

University Of Rajshahi
Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health and Food Safety Association - Rajshahi University posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share