Dr. Rukshana Amin, Dermatologist

Dr. Rukshana Amin, Dermatologist MBBS (RMC), DDV (BSMMU), MCPS, MACP (America)
Assistant professor of Dermatology

04/03/2026
Stevens–Johnson syndrome (SJS)সংজ্ঞা (Definition)স্টিভেন–জনসন সিনড্রোম একটি গুরুতর ও বিরল ত্বকের রোগ, যেখানে ত্বক ও শরীর...
04/03/2026

Stevens–Johnson syndrome (SJS)

সংজ্ঞা (Definition)

স্টিভেন–জনসন সিনড্রোম একটি গুরুতর ও বিরল ত্বকের রোগ, যেখানে ত্বক ও শরীরের ভেতরের মিউকাস মেমব্রেন (মুখ, চোখ, যৌনাঙ্গ) তীব্র অ্যালার্জি বা ইমিউন প্রতিক্রিয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এতে ত্বকে লাল দাগ, ফোসকা এবং চামড়া উঠে যাওয়া দেখা যায়। এটি একটি মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি।



কারণ (Causes)

১. ওষুধজনিত (সবচেয়ে সাধারণ)
• Carbamazepine
• Phenytoin
• Lamotrigine
• Allopurinol
• Sulfonamide
• কিছু ব্যথার ওষুধ যেমন Ibuprofen

২. সংক্রমণ
• Mycoplasma pneumoniae
• হারপিস ভাইরাস সংক্রমণ

৩. অন্যান্য
• কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কারণ জানা যায় না



ক্লিনিক্যাল লক্ষণ (Clinical Features)

শুরুতে
• জ্বর
• গলা ব্যথা
• শরীর ব্যথা
• দুর্বলতা

ত্বকের লক্ষণ
• লালচে দাগ
• ফোসকা
• ত্বক উঠে যাওয়া
• ত্বকে জ্বালা ও ব্যথা

মিউকাস মেমব্রেন আক্রান্ত
• মুখে ঘা
• ঠোঁট ফেটে যাওয়া
• চোখ লাল হওয়া
• যৌনাঙ্গে ক্ষত



জটিলতা (Complications)
• পানিশূন্যতা
• ত্বকে সংক্রমণ
• চোখের ক্ষতি বা অন্ধত্ব
• সেপসিস



চিকিৎসা (Treatment)

১. কারণ বন্ধ করা

যে ওষুধের কারণে হয়েছে তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

২. হাসপাতালে ভর্তি

রোগীকে সাধারণত ICU বা burn unit এ চিকিৎসা দেওয়া হয়।

৩. সাপোর্টিভ চিকিৎসা
• IV fluid
• ক্ষত পরিষ্কার রাখা
• ব্যথা নিয়ন্ত্রণ
• পুষ্টি সরবরাহ

৪. বিশেষ ওষুধ

প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়:
• Intravenous immunoglobulin
• Cyclosporine
• Prednisolone

🌼 বুলাস ইম্পেটাইগো – সহজভাবে আরেকভাবে ব্যাখ্যাবুলাস ইম্পেটাইগো হলো ত্বকের একটি ছোঁয়াচে সংক্রমণ, যেখানে বড় বড় পানিভর্ত...
25/02/2026

🌼 বুলাস ইম্পেটাইগো – সহজভাবে আরেকভাবে ব্যাখ্যা

বুলাস ইম্পেটাইগো হলো ত্বকের একটি ছোঁয়াচে সংক্রমণ, যেখানে বড় বড় পানিভর্তি ফোসকা দেখা যায়। এটি বেশি হয় ছোট শিশুদের মধ্যে।



🦠 কেন হয়?
এই রোগটি হয় একটি জীবাণুর কারণে:
• স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস (Staphylococcus aureus)

এই জীবাণু ত্বকে ঢুকে এমন একটি বিষাক্ত পদার্থ (টক্সিন) তৈরি করে, যার ফলে ত্বকের উপরের স্তর আলগা হয়ে ফোসকা তৈরি হয়।



👀 কেমন দেখায়?
• হঠাৎ করে ত্বকে বড়, পাতলা চামড়ার ফোসকা হয়
• ফোসকার ভেতরে পরিষ্কার বা হালকা হলুদ পানি থাকে
• ফোসকা ফেটে গেলে লাল ভেজা ঘা দেখা যায়
• চারপাশে ত্বক লাল হতে পারে
• হালকা জ্বর বা অস্বস্তি থাকতে পারে

👉 সাধারণত মুখ, গলা, বগল, কুঁচকি বা ডায়াপার এলাকার আশেপাশে বেশি দেখা যায়।



⚡ কিভাবে ছড়ায়?
• আক্রান্ত শিশুর সাথে সরাসরি সংস্পর্শে
• একই তোয়ালে, জামা বা খেলনা ব্যবহার করলে
• অপরিষ্কার পরিবেশে দ্রুত ছড়ায়



💊 চিকিৎসা কী?
🔹 হালকা হলে:
• অ্যান্টিবায়োটিক মলম (যেমন মিউপিরোসিন)

🔹 বেশি হলে বা ছড়ালে:
• মুখে খাওয়ার অ্যান্টিবায়োটিক (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী)

🔹 ঘরোয়া যত্ন:
• প্রতিদিন পরিষ্কার পানি ও হালকা সাবান দিয়ে ধোয়া
• ফোসকা খোঁচানো যাবে না
• আলাদা তোয়ালে ব্যবহার
• শিশুকে পরিষ্কার জামা পরানো

ট্রাইকোটিলোম্যানিয়া (Trichotillomania) কী?ট্রাইকোটিলোম্যানিয়া হলো এমন একটি মানসিক সমস্যা যেখানে একজন ব্যক্তি বারবার নি...
17/02/2026

ট্রাইকোটিলোম্যানিয়া (Trichotillomania) কী?

ট্রাইকোটিলোম্যানিয়া হলো এমন একটি মানসিক সমস্যা যেখানে একজন ব্যক্তি বারবার নিজের চুল টেনে তুলে ফেলেন—মাথা, ভ্রু, চোখের পাতা বা শরীরের অন্য জায়গা থেকে। অনেক সময় এটি অজান্তেই হয় এবং থামানো কঠিন লাগে।

কেন হয়?

এর সঠিক কারণ পুরোপুরি জানা যায়নি, তবে সাধারণতঃ
• অতিরিক্ত স্ট্রেস বা উদ্বেগ
• মানসিক চাপ
• একঘেয়েমি বা একা থাকলে
• রাগ, দুঃখ বা টেনশন কমানোর চেষ্টা

এসবের সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে। এটি খারাপ অভ্যাস নয়, বরং একটি মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা।

কী কী লক্ষণ দেখা যায়?
• বারবার চুল টেনে তোলা
• টাক বা চুল কমে যাওয়া জায়গা তৈরি হওয়া
• চুল টানার পর স্বস্তি বা হালকা লাগা
• পরে লজ্জা, অপরাধবোধ বা গোপন করার চেষ্টা
• অনেক সময় টানা চুল মুখে দেওয়া বা গিলে ফেলা

কারা বেশি আক্রান্ত হয়?
• শিশু, কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে বেশি দেখা যায়
• মেয়েদের মধ্যে তুলনামূলক বেশি
• উদ্বেগ বা অবসাদ থাকলে ঝুঁকি বাড়ে

এটি কি বিপজ্জনক?

সরাসরি প্রাণঘাতী নয়, কিন্তু—
• স্থায়ী টাক হতে পারে
• আত্মবিশ্বাস কমে যায়
• মানসিক কষ্ট বাড়ে
• চুল গিলে ফেললে পেটের জটিলতা হতে পারে

চিকিৎসা কী?

ভালো খবর হলো—চিকিৎসা সম্ভব।

১️⃣ কাউন্সেলিং / থেরাপি
• বিশেষ করে Habit Reversal Therapy (HRT) খুব কার্যকর
• মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা মনোবিজ্ঞানীর সাহায্য প্রয়োজন

২️⃣ ওষুধ
• কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তার উদ্বেগ বা অবসাদের ওষুধ দিতে পারেন

৩️⃣ পরিবার ও সমর্থন
• বকাঝকা না করে সহানুভূতি দেখানো
• স্ট্রেস কমানোর চেষ্টা
• ব্যস্ত রাখা (হাত দিয়ে কিছু করা—বল চেপে ধরা, আঁকা, বোনা ইত্যাদি)

🌸 PCOS কী? (সহজভাবে জানুন)PCOS (পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম) হলো মেয়েদের একটি সাধারণ হরমোনজনিত সমস্যা।এতে ডিম্বাশয় ঠিকমতো...
14/02/2026

🌸 PCOS কী? (সহজভাবে জানুন)

PCOS (পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম) হলো মেয়েদের একটি সাধারণ হরমোনজনিত সমস্যা।
এতে ডিম্বাশয় ঠিকমতো কাজ করে না এবং মাসিক অনিয়মিত হয়ে যায়।

এটি খুবই সাধারণ সমস্যা এবং চিকিৎসা ও জীবনযাপন ঠিক রাখলে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।



🔎 কেন হয়?

সহজ করে বললে তিনটি কারণে হয়:

১️⃣ ডিম্বাণু ঠিকমতো বের হয় না

ফলে মাসিক দেরিতে আসে বা বন্ধ থাকে।

২️⃣ শরীরে “পুরুষ হরমোন” একটু বেশি কাজ করে

ফলে:
• মুখে/শরীরে লোম
• ব্রণ
• মাথার চুল পাতলা

৩️⃣ শরীরে ইনসুলিন ঠিকমতো কাজ না করা

ফলে:
• ওজন বাড়ে
• ঘাড়ে/বগলে কালচে দাগ
• ভবিষ্যতে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি



⚠️ সাধারণ লক্ষণ

✔ মাসিক অনিয়মিত
✔ মুখে বা শরীরে অতিরিক্ত লোম
✔ ব্রণ (বিশেষ করে চোয়ালে)
✔ চুল পাতলা হওয়া
✔ ওজন বাড়া
✔ ঘাড়ে কালচে দাগ
✔ গর্ভধারণে দেরি
✔ ক্লান্তি

⚠ সবার সব লক্ষণ থাকে না।



🤰 গর্ভধারণ কি সম্ভব?

হ্যাঁ, অবশ্যই সম্ভব।
অনেকেই সঠিক চিকিৎসায় স্বাভাবিকভাবে মা হন।



🩺 কিভাবে বুঝবেন PCOS আছে?

ডাক্তার সাধারণত—
• মাসিকের ইতিহাস নেন
• কিছু রক্ত পরীক্ষা করেন
• আল্ট্রাসাউন্ড করেন

সব মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেন।



🌿 কী করলে ভালো থাকবেন?

✔ নিয়মিত ব্যায়াম

✔ হাঁটা ও হালকা ওজন ট্রেনিং

✔ চিনি ও জাঙ্ক ফুড কমানো

✔ প্রোটিন ও সবজি বেশি খাওয়া

✔ নিয়মিত ঘুম

কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তার ওষুধ দেন।



🚨 কখন ডাক্তার দেখাবেন?
• ৩ মাস মাসিক না হলে
• হঠাৎ দ্রুত লোম বাড়লে
• অতিরিক্ত রক্তপাত হলে
• ১ বছর চেষ্টা করেও গর্ভধারণ না হলে



✨ মনে রাখবেন

PCOS মানে জীবন শেষ নয়।
এটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য একটি অবস্থা।
সঠিক জীবনযাপন + চিকিৎসা = সুস্থ জীবন সম্ভব।

13/02/2026
Alopecia areata হলো এমন এক ধরনের চুল পড়া, যেখানে হঠাৎ করে মাথায় গোল গোল টাকের দাগ দেখা যায়।এতে চুলের গোড়া পুরো নষ্ট ...
13/02/2026

Alopecia areata হলো এমন এক ধরনের চুল পড়া, যেখানে হঠাৎ করে মাথায় গোল গোল টাকের দাগ দেখা যায়।
এতে চুলের গোড়া পুরো নষ্ট হয় না, তাই পরে আবার চুল গজাতে পারে।



⚙️ কেন হয়?

এটা একটি অটোইমিউন রোগ।
মানে, শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে নিজের চুলের গোড়াকে আক্রমণ করে।

সম্ভাব্য কারণ:
• বংশগত সমস্যা
• মানসিক চাপ
• ভাইরাল সংক্রমণ
• থাইরয়েডের সমস্যা বা অন্য অটোইমিউন রোগ



🧩 কী কী ধরনের হয়?
1. ছোট প্যাচ – এক বা কয়েকটা গোল টাক।
2. Alopecia totalis – পুরো মাথার চুল পড়ে যায়।
3. Alopecia universalis – মাথা ও শরীরের সব চুল পড়ে যায়।
4. পিছনের দিকে ফিতা মতো টাক (Ophiasis type)।



💊 চিকিৎসা কী?

অনেক সময় ৬–১২ মাসে নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়।

চিকিৎসা হিসেবে:
• স্টেরয়েড ক্রিম
• স্টেরয়েড ইনজেকশন (প্যাচে)
• Minoxidil লোশন
• বেশি হলে কিছু খাওয়ার ওষুধ (ডাক্তারের পরামর্শে)

03/02/2026

স্বনামধন্য চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ রোখসানা আমিন ম্যাডাম সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়ায় পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ, রাজশাহী শাখার পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
যে কোন তথ্য, যোগাযোগ এবং ডাক্তার সিরিয়ালের জন্য আমাদের হটলাইন নাম্বারে কল করুন ঃ ০৯৬৬৬৭৮৭৮১১।

31/01/2026

স্বনামধন্য চর্ম যৌন (সেক্স) ও এলার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ রোখসানা আমিন ম্যাডাম সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়ায় পদ্মা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
যে কোনো তথ্য এবং যোগাযোগ এর জন্য আমাদের হটলাইন নাম্বার এ কল করুনঃ ০৯৬৭৮৭৭১৮৬০

31/01/2026

Address

Popular
Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Rukshana Amin, Dermatologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category