Zakariya Sarker - Child & Adolescent Psychologist

Zakariya Sarker - Child & Adolescent Psychologist Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Zakariya Sarker - Child & Adolescent Psychologist, Psychologist, শিশু বিকাশ কেন্দ্র রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, Rajshahi.

আমি মোঃ জাকারিয়া সরকার
Child & Adolescent Psychologist
শিশু ও কিশোরদের আচরণ, কথা বলা সমস্যা, অটিজম, ADHD,
শেখার সমস্যা ও আবেগজনিত সমস্যায় কাজ করছি।

📍 সেবা: Psychological Assessment, Counseling, Parent Guidance
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ইনবক্স করুন

22/03/2026

Send a message to learn more

শিশুরা স্কুল থেকে যা নিয়ে আসে, তা সবসময় আমাদের প্রত্যাশার মতো হয় না।এটি শুধু পাঠ্যবই বা নোট নয়—এটি তাদের অভিজ্ঞতা।তাদের ...
22/03/2026

শিশুরা স্কুল থেকে যা নিয়ে আসে, তা সবসময় আমাদের প্রত্যাশার মতো হয় না।

এটি শুধু পাঠ্যবই বা নোট নয়—এটি তাদের অভিজ্ঞতা।

তাদের সাথে কীভাবে কথা বলা হয়েছে,
ভুল করলে তাদের সাথে কেমন আচরণ করা হয়েছে—

এই বিষয়গুলোই তাদের মনে থেকে যায়, অনেকদিন পর্যন্ত, ক্লাসরুম ছাড়ার পরেও।

শিক্ষক ও অভিভাবক হিসেবে এটি আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা—প্রতিটি আচরণ, প্রতিটি মুহূর্তই গুরুত্বপূর্ণ।

জাকারিয়া সরকার

কখনও কখনও শিশুরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করার মতো সঠিক শব্দ খুঁজে পায় না… কিন্তু তাদের মন সবসময় কিছু না কিছু বলতে চায় ❤️খেল...
22/03/2026

কখনও কখনও শিশুরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করার মতো সঠিক শব্দ খুঁজে পায় না… কিন্তু তাদের মন সবসময় কিছু না কিছু বলতে চায় ❤️

খেলনা, মোবাইল বা উপহারের চেয়ে — শিশুরা আসলে সবচেয়ে বেশি চায় বাবা-মায়ের সময়, মনোযোগ এবং ভালোবাসা।

আজ আপনি তাদের সঙ্গে যে ছোট ছোট মুহূর্তগুলো কাটান, সেগুলোই আগামীকাল তাদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে।

👨‍👩‍👧 অভিভাবকরা, আপনার মতে একটি শিশুর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কী?
নিচে নম্বর লিখে কমেন্ট করুন 👇 এবং আপনার মতামত শেয়ার করুন।

💡 এই পোস্টটি সেভ করে রাখুন, যেন আপনি মনে রাখতে পারেন—প্যারেন্টিংয়ে আসলেই কী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

জাকারিয়া সরকার

22/03/2026
📚 Study Tipশিশুকে জোর করে দীর্ঘ সময় পড়াতে বসাবেন না…বরং তাকে নিয়মিত পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে উৎসাহ দিন।প্রতিদিন মাত্র ৩০ মি...
22/03/2026

📚 Study Tip

শিশুকে জোর করে দীর্ঘ সময় পড়াতে বসাবেন না…
বরং তাকে নিয়মিত পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে উৎসাহ দিন।

প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট পড়াশোনাও জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে 💯

জাকারিয়া সরকার

22/03/2026

সন্তানকে “মানুষ” বানানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়

এই সময়টা মিস করলে পরে আফসোস ছাড়া কিছু থাকে না। অনেক বাবা-মা বলেন “এখন তো বাচ্চা, বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে।” কিন্তু নিউরোসায়েন্স বলছে,
৫–১৫ বছর বয়সেই শিশুর চরিত্র, মূল্যবোধ ও আচরণের বেসিক কাঠামো তৈরি হয়ে যায়। এরপর বড় হলে শুধু সেই কাঠামোর উপর আচরণ দেখা যায় নতুন করে মানুষ বানানো যায় না।

আজকের যুগ ভয়ানক, এটা সত্য। কিন্তু সন্তান বিপথে যাবে কিনা সেটা অনেকটাই নির্ভর করে, এই বয়সে বাবা-মা কীভাবে নিয়ম শেখাচ্ছেন তার উপর।

কেন এই বয়সটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?(নিউরোসায়েন্স অনুযায়ী জানি চলুন)

এই সময়ে শিশুর ব্রেইনে তিনটি বড় কাজ হয়
১️। Prefrontal Cortex ধীরে ধীরে তৈরি হয়
এটাই দায়িত্ব নেয়, ঠিক–ভুল বোঝা। impulse control (যা খুশি তাই না করা), সম্মানবোধ এবং ভবিষ্যৎ চিন্তার। এই অংশটা শেখে বারবার দেখে, অভ্যাস আর নিয়মের মাধ্যমে।

২️। Habit loop তৈরি হয়
শিশু যা বারবার করে, যেভাবে কথা বলে, যেভাবে রেগে যায়, যেভাবে দায়িত্ব নেয় বা নেয় না। এগুলোই ভবিষ্যতে “স্বভাব” হয়ে যায়।

৩️। Authority বোঝার ক্ষমতা তৈরি হয়
এই বয়সে শিশু শেখে, কার কথা মানতে হবে, কেন নিয়ম মানা জরুরি, সমাজে সীমা কোথায়। এ সময় যদি বাবা-মা consistent authority না হন, তাহলে পরে বাইরের ভুল মানুষ authority হয়ে যায়।

নিয়ম না শেখালে ভবিষ্যতে কী দেখা যায়?
বাস্তবতা খুব কঠিন, বড়দের অপমান, পড়ালেখায় অবহেলা, দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, সহানুভূতির অভাব এবং
নিজের ইচ্ছাই সব এই মানসিকতা তৈরি হবে। এগুলো হঠাৎ তৈরি হয় না। এগুলো ছোটবেলার “ছাড় দেওয়া” আচরণের ফল।

তাহলে কীভাবে বয়স অনুযায়ী নিয়ম শেখাবেন? আমি চেষ্টা করবো সঠিকভাবে বোঝাতে

বয়স ৫–৭ বছর: “ভিত্তি তৈরি” করার সময়
এই বয়সে শিশুকে শেখাতে হবে, বড়দের সম্মান, না মানে না( এখন কিনে দেয়া যাবেনা, মানে যাবেনা), নিজের কাজের দায়িত্ব ( নিজের পোষাক নিজে আলমিরায় রাখুক)।

কীভাবে শেখাবেন?
খুব ছোট, পরিষ্কার নিয়ম। খেলনা খেলা শেষে গুছাবে।
কথা বলার সময় চোখে চোখ রাখবে। নিয়ম ভাঙলে চিৎকার না করে ফল দেখান এতে সেও শেখে ভুল হলে শান্ত ভাবে ঠিক করতে হবে। খেলনা না গুছালে পরের দিন খেলা বন্ধ। এখানে শাস্তি না, কারণ–ফল (cause–effect) শেখানোই মূল। ভুল কে ভুল হিসেবেই প্রেজেন্ট করবেন।

বয়স ৮–১১ বছর: “নৈতিকতা” শেখানোর সময়
এই বয়সে শিশুরা বুঝতে শেখে এটা কেন ভুল, এতে অন্যের কী কষ্ট হচ্ছে।

কী শেখাবেন এই বয়সে?
মিথ্যা বলার ফল খারাপ, দায়িত্ব না নিলে কী হয়, পড়ালেখা কেন জরুরি( বাস্তব ঘটনা দেখান, পড়ালেখা না করে কীভাবে ঝড়ে পরেছে, পড়ালেখা করে কীভাবে সকলের কাছে নয়নমনি ও শ্রদ্ধার পাত্র হয়েছে)।

কীভাবে শেখাবেন?

গল্প, বাস্তব উদাহরণ, নিজের ভুল স্বীকার করে
প্রশ্ন করতে দিন, উত্তর দিন। এই বয়সে “কারণ ছাড়া নিয়ম” চাপালে কাজ হয় না। নিয়মের ব্যাখা অবশ্যই রাখবেন।

বয়স ১২–১৫ বছর: “Self-discipline” গড়ার সময়
এটাই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বয়স। প্যারেন্টিং এর কঠিন সময় বলা চলে। এখানে সন্তানকে শিখাতে হবে, নিজের সীমা নিজে ঠিক করা, সম্মান বজায় রাখা, পড়ালেখা নিজের দায়িত্ব। কেন বারবার জোড় করতে হব?

কীভাবে শেখাবেন?
নিয়ম একসাথে বসে ঠিক করুন। ফোন, বন্ধু, সময় সবকিছুর পরিষ্কার সীমা দিন। যেমন: ভার্সিটি না ওঠা পর্যন্ত Android phone নয়, বন্ধুর ভাষা কেমন, পরিবার কেমন, পড়ালেখায় কেমন সেসব খেয়াল করে ভালো বন্ধু নির্বাচনে সাহায্য করবেন। সময় কাজে না লাগালে কতটা ক্ষতি হতে পারে উদাহরন দিয়ে বোঝাবেন। বিশ্বাস + নজরদারি—দুটোই রাখুন। খেয়াল রাখবেন, অতিরিক্ত কন্ট্রোল করলে বিদ্রোহী হয়ে উঠবে, যখন নিজে বড় হবে তখন আর কন্ট্রোল করতে পারবেন না। আবার অতিরিক্ত ছাড় দিলে পথভ্রষ্টতা তৈরি হবে। তাই Balance-ই এখানে মূল চাবিকাঠি।

নিয়ম শেখানোর সময় বাবা-মায়ের ৫টি গোল্ডেন রুল
১। নিজে যা করবেন, সন্তান সেটাই শিখবে। তাই আমি বারবার বলি বাবা-মা হবার পর নিজেকেই ভালোর পথে বদলে ফেলুন। সন্তান অবশ্যই ভালো হবে❤️

২। নিয়মে consistency না থাকলে নিয়ম কাজ করবে না। একদিন মানলো ১০ দিন মানলো না তাহলে কাজ হবেনা।

৩। রাগ দিয়ে নয়, সম্পর্ক দিয়ে শেখান, সন্তানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক রেখে শেখান। তাহলে কিছু লুকাবে না।

৪। আজ যেটা ভুল বলছেন, কাল সেটাকে অনুমতি দেবেন না। ভুল টা ভুল, সঠিক টা সঠিক এই বিষয়ে স্পষ্ট থাকবেন।

৫। সন্তানকে “ভালো মানুষ” হিসেবে দেখুন তাহলেই সে চেষ্টা করবে। তাকে সারাদিন "বেয়াদব", দুষ্ট এসব না বলে " তুমি অনেক ভালো" " তুমি পারবে" এসব বলুন এতে সে নিজেকে ভালো ভাবে এবং সেভাবেই আগাতে চায়।

এই যুগ ভ*য়ানক এটা সত্য। কিন্তু ভয় পেয়ে সন্তানকে ছাড় দিলেই সে নিরাপদ হবে না।

৫–১৫ বছর বয়সটাই সেই সময়,যখন আপনি সন্তানকে এমন মানুষ বানাতে পারেন, যে নিজে ঠিক পথ বেছে নিতে পারবে। আজ নিয়ম শেখানো কঠিন, কিন্তু আজ না শেখালে আগামীকাল সামলানো অসম্ভব।

০-৫ বছর বয়সটা শিশুর ব্রেইন ডেভেলপমেন্টের সেরা সময়, এই বয়সটা যতটা পারবেন ভালোবাসা আর নিরাপত্তা বোধে ভরিয়ে রাখবেন। তার ব্রেইন ডেভেলপমেন্টে সাহায্য করবেন। এই সময় চলে গেলে ফিরে পাবেন না। সচেতন হওয়া জরুরি।
ধন্যবাদ 🙏
ShebikAmit

Follow Zakariya Sarker - Child & Adolescent Psychologist
20/03/2026

Follow Zakariya Sarker - Child & Adolescent Psychologist

🔋 আমাদের শরীর একটা রিচার্জেবল ব্যাটারির মতোসারাদিনের ক্লান্তি শেষে যখন আমরা ঘুমাই, তখনই শুরু হয় শরীরের ভেতরের আসল কাজ—মে...
20/03/2026

🔋 আমাদের শরীর একটা রিচার্জেবল ব্যাটারির মতো

সারাদিনের ক্লান্তি শেষে যখন আমরা ঘুমাই, তখনই শুরু হয় শরীরের ভেতরের আসল কাজ—মেরামত, পুনর্গঠন আর শক্তি ফিরে পাওয়া।

🧠 গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের REM (Rapid Eye Movement) সাইকেলে আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ হরমোন—বিশেষ করে টেস্টোস্টেরন—বেশিরভাগই তৈরি হয়।

❗ আপনি যদি প্রতিদিন মাত্র ৫ ঘণ্টা বা তার কম ঘুমান, তাহলে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ১০–১৫% কমে যেতে পারে।
ফলাফল?
👉 অস্বাভাবিক ক্লান্তি
👉 দুর্বলতা
👉 মুড খারাপ

🌅 এ কারণেই সকালে ঘুম থেকে উঠলে শরীর তুলনামূলক বেশি ফ্রেশ লাগে—কারণ তখন হরমোনের মাত্রা থাকে সর্বোচ্চ।

---

💡 তাহলে কী করবেন?

✅ প্রতিদিন টানা ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন
🌙 ঘর যত অন্ধকার হবে, মেলাটোনিন তত ভালো কাজ করবে
📵 ঘুমানোর অন্তত ৩০ মিনিট আগে ফোন/ল্যাপটপ দূরে রাখুন (নীল আলো ঘুম নষ্ট করে)

---

⚠️ নিয়মিত রাত জাগা বা কম ঘুম মানেই—
শরীর ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়া, ক্লান্তি জমে থাকা, আর মন খারাপের প্রবণতা বাড়া।

✨ মনে রাখুন:
ভালো ঘুম শুধু বিশ্রাম নয়, এটা আপনার শরীর ও মনের রিচার্জ সিস্টেম।

🛌 আজ থেকেই নিজের ঘুমকে প্রাধান্য দিন।

✍️ Zakariya Sarker - Child & Adolescent Psychologist

Chembar Zaman Pathology and Counseling Center, Rajshahi

01912-119015

আপনি আপনার অনুভূতিকে এড়িয়ে যেতে পারেন…কিন্তু আপনার শরীর তা করবে না।যে চাপ আপনি লুকিয়ে রাখেন,যে “আমি ভালো আছি” বারবার ...
19/03/2026

আপনি আপনার অনুভূতিকে এড়িয়ে যেতে পারেন…
কিন্তু আপনার শরীর তা করবে না।

যে চাপ আপনি লুকিয়ে রাখেন,
যে “আমি ভালো আছি” বারবার বলেন,
যে সীমারেখা (boundary) আপনি কখনো তৈরি করেন না—
এসব কিছুই হারিয়ে যায় না।
এগুলো ধীরে ধীরে রূপ নেয় ক্লান্তি, ব্যথা আর অসুস্থতায়।

📖 “When the Body Says No” আমাদের একটি কঠিন সত্য শেখায়—
যা আপনি আবেগে প্রকাশ করেন না,
আপনার শরীর তা শারীরিকভাবে প্রকাশ করবে।

✨ বইটি থেকে ৫টি শক্তিশালী শিক্ষা:

1️⃣ স্ট্রেস শুধু মনে নয়, শরীরেও বাস করে
দীর্ঘমেয়াদী স্ট্রেস ধীরে ধীরে আপনার ইমিউন সিস্টেম দুর্বল করে এবং রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

2️⃣ অতিরিক্ত “হ্যাঁ” বলা আপনাকে ক্ষতি করতে পারে
সবসময় অন্যকে প্রাধান্য দিয়ে নিজেকে উপেক্ষা করলে ভেতরে গভীর চাপ তৈরি হয়।

3️⃣ আবেগ চেপে রাখা বাস্তব ক্ষতি করে
অপ্রকাশিত রাগ, দুঃখ বা কষ্ট হারিয়ে যায় না—
👉 এগুলো শরীরে নানা সমস্যার রূপে প্রকাশ পায়।

4️⃣ সীমারেখা (boundary) মানে নিজের প্রতি সম্মান
“না” বলতে শেখা আপনার শক্তি, মানসিক শান্তি এবং স্বাস্থ্যের জন্য খুবই জরুরি।

5️⃣ সচেতনতা থেকেই শুরু হয় সুস্থতা
যখন আপনি নিজের শরীর ও আবেগের কথা শুনতে শুরু করেন,
👉 তখনই আপনি ক্ষতিকর প্যাটার্ন ভাঙতে পারেন।

💡 মনে রাখবেন:
নিজের অনুভূতিকে অস্বীকার করা শক্তি নয়—
সেগুলোকে বোঝা এবং প্রকাশ করা-ই আসল শক্তি ❤️

🌱 বুদ্ধিমান শিশুরা কেন বিদ্রোহী কিশোর হয়ে ওঠে — ৫টি কারণপ্রিয় অভিভাবক 💕আপনি কি কখনো ভেবেছেন—“আমার সেই মেধাবী, ভদ্র, ভা...
19/03/2026

🌱 বুদ্ধিমান শিশুরা কেন বিদ্রোহী কিশোর হয়ে ওঠে — ৫টি কারণ

প্রিয় অভিভাবক 💕
আপনি কি কখনো ভেবেছেন—
“আমার সেই মেধাবী, ভদ্র, ভালো আচরণের বাচ্চাটা হঠাৎ এত দূরত্বপূর্ণ, কঠিন বা বিদ্রোহী হয়ে গেল কেন?”

বিষয়টা বিভ্রান্তিকর… কখনো কষ্টদায়কও।
কিন্তু বেশিরভাগ সময় এটা শুধু “বিদ্রোহ” নয়—
এটা একটা প্রতিক্রিয়া।

চাপ, ভুল বোঝাবুঝি, নিজের কথা প্রকাশ করতে না পারা, বা ভেতরের না শোনা যাওয়ার কষ্ট—এসবের প্রতিক্রিয়া।

তাই “জেদি” বলার আগে, একটু থামি…
আর বুঝতে চেষ্টা করি ভেতরে কী চলছে 👇

✨ বুদ্ধিমান শিশুরা কেন বিদ্রোহী হয়ে ওঠে:

1️⃣ তারা মনে করে কেউ তাদের কথা শুনছে না
বুদ্ধিমান শিশুরা গভীরভাবে চিন্তা করে।
বারবার উপেক্ষিত হলে তারা চিন্তা বন্ধ করে না—
তারা শুধু বলা বন্ধ করে দেয়… আর ভেতরে ভেতরে প্রতিরোধ শুরু করে।
👉 তাদের কথা মন দিয়ে শুনুন, তারপর গাইড করুন।

2️⃣ “পারফেক্ট” হওয়ার অতিরিক্ত চাপ
সব সময় সেরা হওয়ার প্রত্যাশা শিশুর জন্য বোঝা হয়ে যায়।
👉 সেই চাপ থেকে মুক্তি পেতেই তারা কখনো বিদ্রোহ করে।

3️⃣ স্বাধীনতার প্রয়োজন
বুদ্ধিমান শিশুরা প্রশ্ন করতে ভালোবাসে।
যদি তাদের স্বাস্থ্যকর স্বাধীনতা না দেওয়া হয়,
👉 তারা নিজের মতো করে তা আদায় করার চেষ্টা করে।

4️⃣ আবেগ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা
“মেধাবী” মানেই আবেগে পরিপক্ক নয়।
👉 সঠিকভাবে গাইড না পেলে আবেগ প্রকাশ পায় রাগ, আচরণগত সমস্যা বা অবাধ্যতায়।

5️⃣ নিয়ন্ত্রণের আগে বোঝা যেতে চায়
যত বেশি নিয়ন্ত্রণ অনুভব করে, তত বেশি প্রতিরোধ করে।
👉 তারা আসলে আগে সংযোগ (connection), তারপর দিকনির্দেশনা চায়।

💡 প্রিয় অভিভাবক,
বিদ্রোহ অনেক সময় খারাপ আচরণের লক্ষণ নয়—
এটা বোঝা পাওয়ার একটি নীরব চিৎকার।

❤️ শক্ত মনের শিশুকে ভাঙার দরকার নেই…
তাদের বুঝে, ভালোবাসা দিয়ে সঠিক পথে গাইড করলেই তারা উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে পারে।

✍️ Zakariya Sarker - Child & Adolescent Psychologist

WhatsApp 01912-119015

Address

শিশু বিকাশ কেন্দ্র রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
Rajshahi
6000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zakariya Sarker - Child & Adolescent Psychologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category