Ruqyah & Hijama Healing Center,Rangpur

Ruqyah & Hijama Healing Center,Rangpur আপনার বিশ্বস্ত রুকইয়া ও হিজামা সেন্টার এখন রংপুরে!

14/04/2026

বিশ্বাস করেন, এটা জানার পর আপনার জীবন বদলে যাবে ইন শা আল্লাহ।

উবাই ইবন কা‘ব (রা.) বলেন—
আমি বললাম, ˹হে আল্লাহর রাসূল ﷺ, আমি আপনার ওপর অনেক দরূদ পড়ি। আমার দু'য়ার কতটুকু অংশ আপনার জন্য নির্ধারণ করব?˺
তিনি ﷺ বললেন, ˹তুমি যতটুকু চাও।˺

আমি বললাম, ˹চতুর্থাংশ?˺
তিনি ﷺ বললেন, ˹তুমি যত চাও; তবে যদি আরও বাড়াও, তা তোমার জন্য উত্তম।˺

আমি বললাম, ˹অর্ধেক?˺
তিনি ﷺ একই কথা আবার বললেন।

আমি বললাম, ˹দুই-তৃতীয়াংশ?˺
তিনি ﷺ একই কথা আবারও বললেন।

তখন আমি বললাম, ˹আমি কি আমার পুরো দু'য়ার সময়টাই আপনার ওপর দরূদের জন্য নির্ধারণ করব?˺

তিনি ﷺ বললেন:
˹তাহলে তোমার দুশ্চিন্তা দূর করে দেওয়া হবে এবং তোমার গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।˺

[সুনান ই তিরমিজি-২৪৫৭]

বিশ্বাস করেন আমার ভাই ও বোনেরা, আপনার জীবন বদলে যাবে ইন শা আল্লাহ, যদি পালন করেন।

14/04/2026

❝যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য (রীতিনীতি) গ্রহণ করবে,
সে তাদেরই অন্তরভুক্ত (হয়ে যাবে)। ❞

(আহমাদ ও আবূ দাঊদ)

সিহর বা যাদুর ভয়াবহ প্রভাবে মানুষ যা অপছন্দ করে, ঘৃণা করে তাতেও লিপ্ত হয়ে পড়তে পারে।তবে আল্লাহর ইচ্ছার বাইরে সিহর বা ...
12/04/2026

সিহর বা যাদুর ভয়াবহ প্রভাবে মানুষ যা অপছন্দ করে, ঘৃণা করে তাতেও লিপ্ত হয়ে পড়তে পারে।
তবে আল্লাহর ইচ্ছার বাইরে সিহর বা যাদু কোনো প্রভাব বিস্তার করতে পারে না।

11/04/2026

ত্রিশ বছরের জীবনে যে বিষয়গুলো নিয়ে সবচেয়ে বেশি দোয়া করেছি, তার একটিও নিজের ইচ্ছে মত হয় নি। যা চেয়েছি,তার ধারেকাছেও পায় নি। মাঝে মাঝে হীনমন্যতায় ভুগতাম। খারাপ লাগতো, যখন দেখতাম একই জিনিসগুলো অনেকে না চাইতেই পেয়ে গিয়েছে। বরং যোগ্যতার থেকেও যখন কাউকে বেশি পেতে দেখতাম, নিজের অজান্তেই মন খারাপ হয়ে যেত। না এটা হিংসা ছিল না, বিদ্বেষও ছিল না। শুধু একটা আফসোস ছিল, তাঁর মত আমিও কেন পেলাম না।

কিন্তু একটা দিন এলো। কেউ একজন সেদিন বললো, অনেক তো হল, না পাওয়ার হিসেব কষা। আজ চলো না! পাওয়া জিনিসগুলোর হিসেব করি। কী সেই বিষয়গুলো যা লাভ করার জন্য আমি একবারও হাত উঠায়নি, কিন্তু তিনি আমাকে না চাইতেই দিয়েছেন!

প্রথমেই মনে পড়লো একটি সুন্দর সুস্থ মনের কথা। যেই মন আজ মন খারাপের ভারে ন্যুজ, এই সুস্থ স্বাভাবিক মনটা কে দিলেন? কত বার চাওয়ার পর দিলেন? ঐ যে মানসিক রোগীটাকে দেখা যায়। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে। শরীরের সব কিছুই তো ঠিক আছে। মনটাই শুধু নেই। তার হাসিতে কোন আনন্দ নেই, কান্নাতে নেই কোন বেদনা। জীবন থাকা না থাকা কি তাঁর জন্য তাহলে সমান নয়? একটি স্বাভাবিক মনের জন্য একবারও তো চাই নি। আমিও কি তাহলে এরকম হতে পারতাম না?

ঐ যে মানুষটি ক্যান্সারে আক্রান্ত। বয়সটা আমারই মত। বাচার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ। প্রতিদিনই সে ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু আমি যে আজও দিব্যি সুস্থ প্রানবন্ত।

আরও মনে পড়লো, আমার বন্ধুটির কথা। আমার জন্মদিনেই যার জন্ম। হকার হয়ে যে বাস-স্ট্যান্ডে পেপার বেচে, সে তো আমার মতই একদিন মায়ের পেটেই ছিল। সেই নয় মাসের জীবনে আমরা দুজন সমান আরামেই ছিলাম। খেতাম, ঘুমাতাম, মাঝে মাঝে মায়ের পেটে গুঁতোও দিতাম। পৃথিবীতে নেমেই হয়ে গেল দুজনের জীবন পথ আলাদা। একবারও কি বলেছিলাম, আমি যেন মাথার উপর একটি ছাদ পাই, খাওয়ার মত দু বেলা খাবার পাই। আমার বন্ধুটির মত কষ্টের জীবন যেন আমার না হয়।

হা আমি পাই নি, যা চেয়েছিলাম। কিন্তু এরকম অজস্র নিয়ামতে আমি ধন্য, যা আমি কখনও চাই নি। এরকম অজস্র অনুগ্রহে আমি সিক্ত, যা পাওয়ার জন্য আজও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অনেকে হাত উঠিয়ে কেঁদে চলছেন।

বড় অবুঝ ছিলাম আমি। সমস্ত প্রশংসা তাঁর জন্য, হতাশার দীর্ঘশ্বাসগুলোকে যিনি পাল্টে দিলেন কৃতজ্ঞতার অশ্রু দিয়ে

✍️ রিজওয়ানুল কবির সানিন [হাফি.]

10/04/2026

❝ মানুষ যদি প্রতিটা বিপদের পেছনে আল্লাহর হিকমাহ দেখতে পেত তাহলে তার অন্তর আল্লাহর প্রতি ভালোবাসায় আপ্লুত হয়ে যেত।

সে বুঝতে পারতো প্রতিটা বিপদই বান্দার ভালোর জন্য, বান্দাকে নিছক বিপদে ফেলার জন্য নয়। ❞

✍️ ইমাম ইবনুল কায়্যিম [রাহিমাহুল্লাহ]

10/04/2026

❝জুমআর আমল❞

"সূরা কাহফ তিলাওয়াত"
"দরুদ পাঠ"
"তাওবা-ইস্তেগফার"

 #আল্লার_সিদ্ধান্তে_ধৈর্য_ধরা
09/04/2026

#আল্লার_সিদ্ধান্তে_ধৈর্য_ধরা

08/04/2026

নজর লাগা, কুদৃষ্টি বা বদনজর একদম সত্য।
সবাই যে আপনার ভালো দেখে খুশি হবে, এমনটা নয়।
এটার ভয়াবহতা এতটাই যে- আপনার শারীরিক, মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতি করে এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে।
তাই নিজের ব্যবসা, ভ্রমণ, বিয়ে এমনকি ব্যক্তিগত ভালো যা কিছু আছে তা গোপন রাখার চেষ্টা করুন।

​"আগে-ভাগেই সব প্রচার না করে, বরং আপনার কাজের সাফল্য দিয়েই নিজের পরিচয় দিন।"

সূরা সাবার ৩৪ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা সুলাইমান আলাইহিস সালামের জন্য কাজ করা জিনদের কাজের কথা বলতে গিয়ে ডেগচির কথা বলেছ...
07/04/2026

সূরা সাবার ৩৪ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা সুলাইমান আলাইহিস সালামের জন্য কাজ করা জিনদের কাজের কথা বলতে গিয়ে ডেগচির কথা বলেছেন।

يَعْمَلُونَ لَهُ مَا يَشَاءُ مِن مَّحَارِيبَ وَتَمَاثِيلَ وَجِفَانٍ كَالْجَوَابِ وَقُدُورٍ رَّاسِيَاتٍ ۚ اعْمَلُوا آلَ دَاوُودَ شُكْرًا ۚ وَقَلِيلٌ مِّنْ عِبَادِيَ الشَّكُورُ

তারা সুলায়মানের জন্য নির্মাণ করত যা সে চাইত — উঁচু প্রাসাদ, মূর্তি (শিল্পকর্ম), বড় পুকুরের মতো বিশাল পাত্র এবং স্থির বিশাল ডেগচি। (আমি বললাম) — হে দাউদ পরিবার! কৃতজ্ঞতার সাথে আমল করো। আর আমার বান্দাদের মধ্যে কৃতজ্ঞ অল্পই।

কুদুরে রাসিয়াত মানে এমন ভারী ডেগচি যা নড়ানোই যায় না। পাহাড়ের মত এই ডেগে সুলাইমান রান্না করাতেন ও সবাইকে খাওয়াতেন। কুরআন এই অংশটাও নিয়ামত হিসেবে তুলে ধরেছে।

কি সুক্ষ্ম ব্যাপার না!

✍️ ওস্তায Ammarul Hoque

আসহাবে সুফফার একজন খুবই গরীব সাহাবি রাবিআ বিন কাব আল আসলামি রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি আহলুস সুফফার সদস্য ছিলেন। মসজিদে নবব...
06/04/2026

আসহাবে সুফফার একজন খুবই গরীব সাহাবি রাবিআ বিন কাব আল আসলামি রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি আহলুস সুফফার সদস্য ছিলেন। মসজিদে নববির পেছন দিকে একটা অংশ ছিল, যেখানে বসবাসকারীদের আহলুস সুফফা বলা হতো। আহলুস সুফফার সাহাবাগণ ছিলেন আক্ষরিক অর্থেই কপর্দকশূন্য। আমরা প্রায়ই বলি না যে “হাতে টাকা-পয়সা নাই,” “অভাবে আছি” ইত্যাদি? আমাদের বলার অর্থ হলো, “আমার পকেটে বেশি টাকা নেই, কিন্তু বাপের টাকা দিয়ে আরামেই চলছি।” কিন্তু এই আহলুস সুফফার মানুষগুলোর কাছে সত্যি সত্যিই কোনোই টাকা-পয়সা ছিল না। মসজিদে থাকছেন, সতর ঢাকার মতো পোশাক কিনবেন, সেইটুকু আর্থিক সামর্থ্যও নেই। আপনি মসজিদে নববিতে সালাত আদায় করছেন, কিন্তু আপনার সতর ঢাকার মতো সামর্থ্য নেই! ভাবতে পারেন?
আল্লাহর রাসূল তাহাজ্জুদ পড়ার জন্য যখন ঘর থেকে বের হতেন, রাবিআ বিন কাব আল-আসলামি নবিজির জন্য ওযুর পানি নিয়ে আসতেন। এমনি একদিন রাবিআ ওযুর পানি নিয়ে এলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাবিআর দিকে তাকালেন। তাঁর গরিবি হালত দেখে নবিজির মন খারাপ হয়ে গেল। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন,

— “রাবিআ, কিছু একটা চাও।”

— “হে আল্লাহর নবি! আমি জান্নাতে আপনার সাথে থাকতে চাই।”

নবিজি যেন ইঙ্গিতে বোঝাতে চাচ্ছেন, আরে! আমি আখিরাতের কথা বলছি না। এখানে দুনিয়ায় কী চাও? স্ত্রী লাগবে না? অথবা একটা ঘর? বলো, কিছু একটা চাও। রাবিআ নবিজির দিকে তাকিয়ে বললেন,

— “ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি জান্নাতে আপনার সাথে থাকতে চাই। আর কিছু না।”

আচ্ছা ভাবুন তো আপনি বিল গেটসের সাথে একটা রুমে বসে কথাবার্তা বলছেন। সে আপনার অবস্থা দেখে দুঃখ পাচ্ছে। তারপর হঠাৎ বলল—“আপনি এই চেকটাতে যেকোনো একটা টাকার পরিমাণ লেখেন তো। আমি সাইন করে দিই।” সেখানে এই তরুণ সাহাবি প্রস্তাব পেলেন স্বয়ং আল্লাহর নবির কাছ থেকে। যে নবি কেবল দুআ করলে, আল্লাহ্ আসমান থেকে স্বর্ণের বৃষ্টি বর্ষণ করিয়ে ছাড়তেন, সেই নবি রাবিআকে বলছেন কিছু একটা চাইতে। কিন্তু গরীব এই সাহাবির জীবনে শুধু একটিই চাওয়া—জান্নাতে যেন নবিজির সাথে থাকতে পারেন।

যেখানে আমরা বলি জান্নাতে কোনোরকমে ঢুকতে পারলেই হলো! সেখানে এই মানুষগুলোর চিন্তাভাবনা কেমন ছিল দেখুন। দুনিয়ায় যার কিছুই নেই, একেবারে নিঃস্ব, অসহায়—সেই মানুষটি আপনার আমার মতো শুধু কোনোমতে জান্নাতে যেতে চান না। তিনি চান জান্নাতে যেন নবিজি তাঁর সঙ্গী হয়।

রাবিআর এই চাওয়া শুনে নবিজি (সা.) বললেন,

— “হে রাবিআ! তুমি বিরাট এক জিনিস চেয়েছ। বেশি বেশি সিজদার মাধ্যমে তোমার এই অনুরোধ পূরণে আমাকে সাহায্য করো।” অর্থাৎ বেশি বেশি সালাত পড়ো।

আরেকজন সাহাবি একবার নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে এসে বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি যতক্ষণ আপনার সাথে থাকি, ততক্ষণ আমার মন-মেজাজ খুব ভালো থাকে। আর যখনই ঘরে ফিরে যাই, তখনই আপনাকে মিস করতে শুরু করি। তারপর আমি পরিবারকে ছেড়ে আবার আপনার কাছে ফিরে আসি। আপনার উপর চোখ পড়তেই আমার অন্তরে প্রশান্তি ফিরে আসে। কিন্তু হঠাৎ আমার মাথায় চিন্তা ভর করল যে, একদিন তো আপনি মারা যাবেন, আর আমিও মারা যাব। আর তখন আপনি থাকবেন জান্নাতের উঁচু স্তরে নবিদের সাথে। আর আমি যদি কোনোমতে জান্নাতে যেতে পারিও, আমি তো আর আপনার সমকক্ষ হতে পারব না, জান্নাতে গেলেও হয়তো নিচু কোনো স্তরে থাকব। ইয়া রাসূলাল্লাহ! জান্নাত কী করে আমার কাছে জান্নাত হবে, যদি সেখানে আপনাকে না পাই?”

সাহাবির কথা শুনে কিছু সময়ের জন্য নবিজি নির্বাক হয়ে গেলেন। আসমান থেকে জিবরিল আলাইহিসসালাম নেমে এলেন। তিনি বললেন, “আপনার উম্মাতকে বলে দিন, তারা যাকে ভালোবাসে, জান্নাতে তাদের সাথেই থাকবে।” আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আল্লাহর কসম! এই হাদিসটি আমাদের সবথেকে প্রিয়। কারণ আল্লাহর কসম! আমরা রাসূল (সা.), আবু বকর (রা.) ও উমর (রা.) এর চেয়ে বেশি কাউকে ভালোবাসতাম না।”

আকাশের ওপারে, অনিন্দ্য সুন্দর জান্নাতে, আল্লাহ্ যেন আমাদেরকেও একটি করে ঘর বানিয়ে দেন। যে ঘরের পাশেই কোথাও প্রিয় নবিজিও থাকবেন। কোথাও থাকবেন আবু বকর (রা.), কোথাও উমর (রা.)। আমরা সেদিন বলব, দুনিয়াতে আপনাদেরকে আমরা ভালবাসতাম। জান্নাতে এসে একদিন আপনাদের সাথে মিলিত হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম।

আল্লাহ্ যেন আমাদেরকে কবুল করেন। আমীন।

© Bujhtesina Bishoyta

আলহামদুলিল্লাহ! আজকের রুকইয়াহ সফর...       পাঁচবিবি,জয়পুরহাট।
04/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ! আজকের রুকইয়াহ সফর...
পাঁচবিবি,জয়পুরহাট।

04/04/2026

"বলা হয় যে একজন বান্দা যখন একবার বা দুই বার অসুস্থ হয়, এরপরও তাওবাহ করেনা তখন তাকে উদ্দেশ্য করে মালাকুল মাউত বলেন, হে গাফেল, তোমার কাছে আমার পক্ষ থেকে বার্তাবাহকের পর বার্তাবাহক এল অথচ তুমি তার (তাওবার মাধ্যমে) জবাব দিলে না?!"
~ ইমাম আবু হামিদ আল গাযালী [রাহ.]
[ ইহইয়াউ ঊলূমিদ্দীন: ৪/২৮৯]

Address

Rangpur City
Rangpur

Telephone

+8801750435735

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah & Hijama Healing Center,Rangpur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ruqyah & Hijama Healing Center,Rangpur:

Share