13/03/2026
আমরা যারা জিন-যাদু, বদনজর-হিংসা আর ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত তারা বেশী বেশী দুআ করবো ইনশাআল্লাহ। শুধু নিজের সুস্থতার জন্যও নয়, পাশাপাশি পুরো বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ জন্য দুআ করবো।
মহান আল্লাহ তায়ালা যেন আর কারো ভাগ্যে এসব পরীক্ষায় না ফেলেন। আপনি যখন রোজাবস্থায় ও ইফাতারের আগ মুহুর্তে অন্যের জন্য দুআ করবেন, এটা খুব তাড়াতাড়ি কবুল হওয়ার সম্ভাবনা রাখে ইনশাআল্লাহ।
কারণ আপনি একাধারে মাজলুম, রোজাদার আর সময়টাও দুআ কবুলের জন্য সুবর্ণ সুযোগ।
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তিন ব্যক্তির দুআ ফিরিয়ে দেওয়া হয় না—ন্যায়পরায়ণ শাসকের দুআ, রোজাদারের ইফতারের সময়কালীন দুআ এবং মজলুমের দুআ। আল্লাহ তাআলা এটি (দু‘আ) মেঘমালার উপর তুলে নেন, তার জন্য আকাশের দরজাগুলো খুলে যায় এবং মহান রব বলেন—
وَعِزَّتِي لَأَنْصُرَنَّكِ وَلَوْ بَعْدَ حِينٍ
আমার সম্মানের শপথ! কিছু দেরিতে হলেও আমি তোমাকে সাহায্য করবো।’’
[ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ২৫২৬; হাদিসটি সহিহ]
শুধু ইফতারের সময়েই নয়, রোজা থাকা অবস্থায় যেকোনো সময়ে দুআ করলেও কবুল করা হয়।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন—
ثلاثةٌ لا تُردُّ دعوتُهم الصَّائمُ حتَّى يُفطرَ
‘‘তিন ব্যক্তির দুআ ফিরিয়ে দেওয়া হয় না—রোজাদারের দুআ, যতক্ষণ না সে ইফতার করে।’’
[ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ৮০৩০; হাদিসটি সহিহ]
_মহান আল্লাহ পুরো বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে জিন, যাদু, বদনজর, হিংসা ও ওয়াসওয়াসা থেকে হিফাজত করুন।
প্রতিটি মুমিনের জন্য সুরক্ষা দান করুন।