Dr Masum Parvag PT

Dr Masum Parvag PT Personalized care for a healthier, more active life.

Dr. Masum Parvag (PT)
Physiotherapist | BPT (India)
Specialist in Musculoskeletal Disorders
Helping you relieve pain, restore mobility, and regain functional strength.

“একটা ভুল সিদ্ধান্ত… আর একটা শিশুর নীরব কান্না”ফার্মেসি থেকে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ কিনে খাওয়ানো হয়েছিল। আজ সেই শি...
25/01/2026

“একটা ভুল সিদ্ধান্ত… আর একটা শিশুর নীরব কান্না”
ফার্মেসি থেকে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ কিনে খাওয়ানো হয়েছিল। আজ সেই শিশুটি হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে। মুখে ক্ষত, শরীরে র‍্যাশ, ব্যথায় ছটফট করছে। খেতে পারছে না। কথা বলতেও কষ্ট হচ্ছে। 👉 এই ছবিটা শুধু একটা শিশুর না। এটা আমাদের সমাজের ভয়ংকর অবহেলার ছবি।

⚠️ ওষুধ খেলেই ভালো হয় না, কখনো কখনো জীবন ঝুঁকিতে পড়ে অনেকেই ভাবে: “এই ওষুধ আগেও খেয়েছে” “ফার্মেসি থেকে নিলেই তো ঠিক” “ডাক্তারের কাছে যাওয়ার দরকার কী?” কিন্তু বাস্তবতা হলো: 👉 ভুল ওষুধ, ভুল ডোজ, ভুল বয়সে দেওয়া ওষুধ মারণ প্রতিক্রিয়া (Drug Reaction) তৈরি করতে পারে। এই শিশুটার শরীরেও হয়েছে ভয়ংকর Drug Allergy / Adverse Drug Reaction

ড্রাগ রিএকশন কী করে? ড্রাগ রিএকশন হলে হতে পারে:
🔹 মুখ ও শরীর ফুলে যাওয়া
🔹 ত্বক উঠে যাওয়া
🔹 জ্বালা, জ্বালাপোড়া
🔹 জ্বর
🔹 শ্বাসকষ্ট
🔹 খেতে না পারা
🔹 এমনকি অঙ্গ বিকল হওয়া পর্যন্ত

সবচেয়ে কষ্টের বিষয়: 👉 এই সবই এড়ানো যেত।

বাবা-মায়ের কান্না, আমাদের বিবেকের প্রশ্ন আজ শিশুটার বাবা-মা বলেছে: “আর কখনো ডাক্তার না দেখিয়ে ওষুধ খাবো না।”কিন্তু প্রশ্ন হলো: এই সিদ্ধান্তটা যদি আগেই নেওয়া হতো? তাহলে কি আজ এই শিশুকে এত কষ্ট পেতে হতো?

ফার্মেসি থেকে ওষুধ মানেই নিরাপদ নয়। সব ওষুধ সবার জন্য এক না।

একই ওষুধ:
✔ একজনের জন্য জীবন বাঁচায় ।
❌ আরেকজনের জন্য জীবন ঝুঁকিতে ফেলে।

কারণ:
🔹বয়স
🔹ওজন
🔹শরীরের অ্যালার্জি
🔹অন্য রোগ
🔹আগের ওষুধের ইতিহাস সবকিছু না জেনে ওষুধ দেওয়া মানে অন্ধভাবে আগুনে হাত দেওয়া।

সচেতন হোন, জীবন বাঁচান আপনার একটা সিদ্ধান্ত:
✔ আপনার শিশুর ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে পারে ।
✔ হাসপাতালের বেড থেকে বাঁচাতে পারে ।
✔ অকাল কষ্ট ঠেকাতে পারে।

আজ থেকেই এই ৫টা নিয়ম মানুন:
1️⃣ ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ খাবেন না
2️⃣ শিশুকে কখনো আন্দাজে ওষুধ দেবেন না
3️⃣ আগের প্রেসক্রিপশন বারবার ব্যবহার করবেন না
4️⃣ অ্যালার্জির ইতিহাস ডাক্তারকে জানাবেন
5️⃣ অস্বাভাবিক কিছু হলে দ্রুত হাসপাতালে যান

❤️ শেষ কথা
এই শিশুটার কষ্ট যেন বৃথা না যায়। এই ছবিটা যেন আর কোনো ঘরে না আসে। আজ আপনি সচেতন হলে কাল আর কোনো মা-বাবাকে এমন কান্না করতে হবে না।

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ নয়। অবহেলা নয়, সচেতনতা চাই। একটা সঠিক সিদ্ধান্ত, একটা শিশুর জীবন বাঁচাতে পারে।

জনসচেতনতায়-
ডা. মাসুম পারভেজ (পিটি)
বিপিটি (ইন্ডিয়া)
ক্লিনিক্যাল ফিজিওথেরাপিস্ট

পা বাঁকা হওয়া (Bow Leg) অবহেলা নয়, ভবিষ্যতের বিপদ!আজ যে শিশুটার পা একটু বাঁকা…আজ যে বাবাটা হাঁটুর ব্যথায় ধীরে হাঁটে…আজ য...
25/01/2026

পা বাঁকা হওয়া (Bow Leg) অবহেলা নয়, ভবিষ্যতের বিপদ!

আজ যে শিশুটার পা একটু বাঁকা…
আজ যে বাবাটা হাঁটুর ব্যথায় ধীরে হাঁটে…
আজ যে মা দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে না বেশি সময়…
এগুলো কি শুধু বয়সের দোষ?

না। বেশিরভাগ সময় এটা চিকিৎসা না নেওয়ার ফল।

👉 Bow Leg শুধু দেখতে খারাপ লাগার বিষয় নয়।
এটা ধীরে ধীরে হাঁটু নষ্ট করে দেয়, চলাফেরা কেড়ে নেয়, মানুষকে অন্যের উপর নির্ভরশীল করে তোলে।

Bow Leg কী?
Bow Leg বা Genu Varum হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে দাঁড়ালে দুই হাঁটুর মাঝখানে ফাঁকা থাকে, পা দুটো বাইরের দিকে বেঁকে ধনুকের মতো আকার নেয়।

এই অবস্থায় শরীরের ওজন সঠিকভাবে ভাগ হয় না।
ফলে হাঁটুর একপাশে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং ধীরে ধীরে জয়েন্ট ক্ষয় হতে থাকে।
কেন হয় পা বাঁকা?

সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলো হলো:
✔ ছোটবেলায় ভিটামিন D ও ক্যালসিয়ামের অভাব
✔ রিকেটস রোগ
✔ অপুষ্টি
✔ অতিরিক্ত ওজন
✔ হাঁটুর জয়েন্ট ক্ষয় (Osteoarthritis)
✔ পুরনো আঘাত বা ইনফেকশন
✔ সময়মতো চিকিৎসা না নেওয়া

একটু সচেতন হলে অনেক ক্ষেত্রেই এই সমস্যা শুরুতেই থামানো সম্ভব।

লক্ষণগুলো চিনে নিন এখনই
যদি দেখেন:
✅ দাঁড়ালে হাঁটুর মাঝে ফাঁকা
✅ হাঁটলে ব্যথা হয়
✅ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়েন
✅ হাঁটুর ভেতরে বা বাইরে চাপ লাগে
✅ ভারসাম্য রাখতে কষ্ট হয়
✅ পায়ের গঠন বদলে যাচ্ছে

👉 তাহলে দেরি না করে ব্যবস্থা নিন।
অবহেলা করলে কী হয়?

এটাই সবচেয়ে ভয়ংকর অংশ।
অবহেলা করলে:
⚠ হাঁটু দ্রুত ক্ষয় হয়
⚠ প্রতিদিনের হাঁটা কষ্টকর হয়ে যায়
⚠ ব্যথা স্থায়ী হয়
⚠ বসা-দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে
⚠ একসময় লাঠি বা ওয়াকারের উপর নির্ভর করতে হয়
⚠ অনেক ক্ষেত্রে সার্জারি ছাড়া উপায় থাকে না

একটু সচেতন হলে এই কষ্ট অনেকাংশে এড়ানো যেত।
এখানেই ফিজিওথেরাপি জীবন বদলে দেয়, ফিজিওথেরাপি মানে শুধু ব্যায়াম না। ফিজিওথেরাপি মানে চলাফেরার স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা।

সঠিক ফিজিওথেরাপি করলে:
✔ দুর্বল পেশি শক্ত হয়
✔ হাঁটুর উপর চাপ কমে
✔ শরীরের ভারসাম্য ঠিক হয়
✔ হাঁটার ধরন (Gait) ঠিক হয়
✔ ব্যথা কমে
✔ জয়েন্ট ক্ষয় ধীর হয়
✔ সার্জারির প্রয়োজন দেরিতে আসে বা এড়ানো যায়

অনেক রোগী আজ স্বাভাবিক হাঁটাচলায় ফিরেছে শুধু নিয়মিত থেরাপির কারণে।

Bow Leg এ ফিজিওথেরাপির প্রধান কাজগুলো;
🔹 ১. পেশি শক্ত করা (Strength Training) হাঁটু সাপোর্ট করার জন্য:
✅ উরুর পেশি
✅ হিপ মাসল
✅ কাফ মাসল
✅ শক্ত করা হয়।

🔹 ২. স্ট্রেচিং থেরাপি টাইট পেশি ঢিলা করে:
✅ জয়েন্টে চাপ কমায়
✅ চলাচল সহজ করে
✅ বাঁকা হওয়ার চাপ কমায়

🔹 ৩. পোস্টার ও হাঁটার ট্রেনিং
ভুল হাঁটার কারণে সমস্যা বাড়ে।
ফিজিওথেরাপি:
✅ সঠিক হাঁটা শেখায়
✅ ভারসাম্য বাড়ায়
✅ পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমায়

🔹 ৪. ব্রেস ও ইনসোল সাপোর্ট
অনেক ক্ষেত্রে:
✅ Knee brace
✅ Shoe insole

ব্যবহার করে হাঁটুর চাপ সমানভাবে ভাগ করা হয়।
শুধু থেরাপি নয়, জীবনযাপনও বদলাতে হবে
✔ ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন
✔ নিয়মিত হাঁটুন
✔ সূর্যের আলো নিন
✔ পুষ্টিকর খাবার খান
✔ দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে থাকা এড়িয়ে চলুন
✔ মাটিতে বসা ও স্কোয়াট কমান

শিশুদের জন্য বিশেষ সতর্কতা- শিশুর পা বাঁকা দেখলে:
❌ অবহেলা করবেন না
❌ বড় হলে ঠিক হবে ভেবে বসে থাকবেন না
👉 এখনই ডাক্তার ও ফিজিওথেরাপিস্ট দেখান।

কারণ শিশুকালে চিকিৎসা করলে অনেক সময় পুরোপুরি ঠিক করা সম্ভব।

শেষ কথা-
আজ আপনি যদি সচেতন হন,
কাল আপনার সন্তান দৌড়াতে পারবে।
আজ আপনি যদি থেরাপি শুরু করেন,
কাল আপনিও নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারবেন।

👉 পা বাঁকা হওয়া লুকানোর বিষয় নয়।
এটা ঠিক করার বিষয়।

আজ ফিজিওথেরাপি, কাল স্বাধীন হাঁটা।
আজ সচেতনতা, কাল সুস্থ ভবিষ্যৎ।
পা বাঁচান, হাঁটু বাঁচান, জীবন বাঁচান।

জনসচেতনতায়-
ডা: মাসুম পারভেজ (পিটি)
বিপিটি ( ইন্ডিয়া)
ক্লিনিক্যাল ফিজিওথেরাপিস্ট।

19/01/2026

🩸 ডায়াবেটিসের প্রথম লক্ষণগুলো জানেন?

✅ বারবার প্রস্রাব হওয়া
✅বেশি পিপাসা লাগা
✅হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া
✅চোখ ঝাপসা দেখা

👉 এগুলো থাকলে দ্রুত সুগার টেস্ট করুন।

Calf muscle pain বা পায়ের পেছনের পেশির ব্যথা বর্তমান সময়ে খুবই পরিচিত একটি সমস্যা। এই ব্যথা যেকোনো বয়সের মানুষের হতে পার...
10/01/2026

Calf muscle pain বা পায়ের পেছনের পেশির ব্যথা বর্তমান সময়ে খুবই পরিচিত একটি সমস্যা। এই ব্যথা যেকোনো বয়সের মানুষের হতে পারে এবং অনেক সময় হঠাৎ করেই শুরু হয়। সাধারণত বেশি হাঁটা, দৌড়ানো, সিঁড়ি ভাঙা, ভারী কাজ করা, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা কিংবা হঠাৎ ব্যায়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দিলে calf muscle-এর উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এছাড়া ব্যায়ামের আগে ঠিকভাবে ওয়ার্ম-আপ না করা, ভুল ভঙ্গিতে এক্সারসাইজ করা, শরীরে পানির ঘাটতি থাকা বা প্রয়োজনীয় মিনারেল কম থাকলেও এই ব্যথা দেখা দিতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে muscle strain, muscle cramp বা overuse injury থেকেই calf muscle pain শুরু হয়।

এই সমস্যায় আক্রান্ত হলে পায়ের পেছনের অংশে টান অনুভূত হয়, শক্ত ভাব আসে এবং হাঁটার সময় ব্যথা বাড়তে পারে। কখনও কখনও ব্যথার জায়গায় হালকা ফোলা বা স্পর্শে ব্যথা লাগতে পারে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বা দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার পর হাঁটা শুরু করলে ব্যথা বেশি অনুভূত হওয়া একটি সাধারণ লক্ষণ। এই ব্যথা দৈনন্দিন কাজ, অফিসের দায়িত্ব, নামাজ, হাঁটাচলা কিংবা খেলাধুলার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

Calf muscle pain কমাতে এবং সম্পূর্ণ সুস্থ হতে Exercise Physiotherapy অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একজন প্রশিক্ষিত physiotherapist প্রথমে রোগীর সমস্যার কারণ, ব্যথার মাত্রা, পেশির শক্তি ও নড়াচড়ার সীমাবদ্ধতা মূল্যায়ন করেন। এরপর সেই অনুযায়ী চিকিৎসা ও ব্যায়ামের পরিকল্পনা তৈরি করা হয়।

১. Stretching exercise calf muscle-এর টান কমাতে সাহায্য করে এবং পেশিকে ধীরে ধীরে নমনীয় করে তোলে। নিয়মিত stretching করলে muscle tightness কমে যায় এবং হাঁটাচলা সহজ হয়।

২. Strengthening exercise calf muscle-এর শক্তি বাড়ায়, যার ফলে পেশি স্বাভাবিক চাপ সহ্য করতে পারে। এতে ভবিষ্যতে বারবার ব্যথা হওয়া বা চোট লাগার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

৩. Manual therapy-এর মাধ্যমে physiotherapist হাতের সাহায্যে পেশির শক্ত হয়ে থাকা অংশগুলো ঢিলা করেন। এতে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং ব্যথা দ্রুত কমতে শুরু করে।

৪. Heat therapy পেশির stiffness ও ব্যথা কমাতে সহায়তা করে, আর ice therapy ব্যথা ও ফোলা কমাতে ব্যবহৃত হয়। রোগীর অবস্থা অনুযায়ী কোনটি প্রয়োজন তা physiotherapist নির্ধারণ করেন।

নিয়মিত এবং সঠিকভাবে physiotherapy exercise করলে ব্যথা ধীরে ধীরে কমে আসে, পেশির কার্যক্ষমতা বাড়ে এবং রোগী দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারে। শুধু ব্যথা কমানোই নয়, physiotherapy ভবিষ্যতে calf muscle pain পুনরায় হওয়ার সম্ভাবনাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।

তবে যদি ব্যথা খুব তীব্র হয়, হঠাৎ করে শুরু হয়ে দ্রুত বাড়তে থাকে, পা ফুলে যায়, লালচে বা গরম অনুভূত হয়, হাঁটাচলা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে বা দীর্ঘদিন ধরে ব্যথা না কমে, তাহলে নিজে নিজে ব্যায়াম করা থেকে বিরত থাকা উচিত। এসব ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ physiotherapist অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়ানো যায় এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা সম্ভব হয়।

সচেতনতায়-
মো: মাসুম পারভেজ
ক্লিনিক্যাল ফিজিওথেরাপিস্ট
বিপিটি (ইন্ডিয়া)

Style expresses personality.
05/01/2026

Style expresses personality.

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশনের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর আনুমানিক ৩,৭৭,২০০ মানুষ হৃদ্...
18/09/2025

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশনের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর আনুমানিক ৩,৭৭,২০০ মানুষ হৃদ্‌রোগজনিত রোগে (CVD) মারা যান। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশের মৃত্যু ঘটে স্ট্রোক এবং ইসকেমিক হার্ট ডিজিজে (IHD)। ২০১৯ সালে স্ট্রোকে প্রায় ১,৩৪,১৬৬ জন এবং IHD-তে প্রায় ১,০৮,৫২৮ জন মারা যান।

বাংলাদেশে CVD হলো প্রধান মৃত্যুর কারণ, যা দেশের মোট মৃত্যুর প্রায় ২১% এর জন্য দায়ী (শুধুমাত্র ২০২০ সালে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মৃত্যু প্রায় ১,৮০,০০০ জন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুসারে)। প্রতি ১ লক্ষ জনসংখ্যায় মৃত্যুহার প্রায় ২২৯ জন, বয়স-মানানসই হার ৩১৩ জন।

২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর ১৭.৪৫% হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে ঘটে। IHD-তে প্রায় সব মৃত্যুই ঘটে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (হার্ট অ্যাটাক) এর কারণে।

প্রতি বছর বাংলাদেশে নতুনভাবে হাজার হাজার মানুষ স্ট্রোক, এনজাইনা ও হার্ট ফেলিউরে আক্রান্ত হচ্ছেন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, ধূমপান ও স্থবির জীবনযাত্রা এ রোগগুলোর ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে।

গত দুই দশকে, উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশে হৃদ্‌রোগজনিত মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্য হারে কমেনি, বরং এটি রয়ে গেছে অকালমৃত্যুর প্রধান কারণ।

------

According to the World Health Organization (WHO) and the World Heart Federation, an estimated 377,200 people die of cardiovascular disease (CVD) every year in Bangladesh, of whom a large proportion die of stroke and ischaemic heart disease (IHD). In 2019, stroke caused around 134,166 deaths and IHD caused about 108,528 deaths in Bangladesh.

CVD is the number one cause of death in the country, responsible for nearly 21% of all deaths (about 180,000 deaths in 2020 from cardiac arrest alone, according to BBS). The crude CVD mortality rate is 229 per 100,000 population, while the age-standardized rate is 313 per 100,000 population.

According to 2022 data, heart attacks account for 17.45% of all deaths in Bangladesh. Nearly all deaths from IHD are a result of myocardial infarction (MI, heart attack).

Every year in Bangladesh, thousands of new cases of stroke, angina, and heart failure are reported, and the burden of CVD continues to rise due to risk factors such as hypertension, diabetes, obesity, to***co use, and sedentary lifestyle.

Over the last two decades, unlike some high-income countries, Bangladesh has not seen a significant decline in CVD mortality, and the disease remains the leading cause of premature death.

____________
Collected by
Md Masum Parvag
Clinical Physiotherapist
BPT (India)

“ধূমপানের ভয়াল ফল, নিঃশ্বাসই যখন হয়ে ওঠে মৃত্যুবার্তা ”🤔ভাবুন......আপনি আর আপনার সন্তান সকালে হাঁটতে বের হচ্ছেন। শীতের হ...
02/06/2025

“ধূমপানের ভয়াল ফল, নিঃশ্বাসই যখন হয়ে ওঠে মৃত্যুবার্তা ”

🤔ভাবুন......
আপনি আর আপনার সন্তান সকালে হাঁটতে বের হচ্ছেন। শীতের হালকা কুয়াশা, পাখির ডাক—সবই চমৎকার। কিন্তু আপনি হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ থেমে যান। শ্বাস নিতে পারছেন না... বুক চেপে আসে... মাথা ঘুরছে...

আপনার সন্তান চিন্তিত হয়ে বলে, “আব্বু, আপনি ঠিক আছেন তো?” আপনি মাথা নাড়েন, কিন্তু কণ্ঠে কোনো শব্দ নেই। এমন একটি ক্ষণেই আপনার দীর্ঘ দিনের ধূমপানের হিসেব চুকিয়ে দেয় ফুসফুস নামের নিষ্ঠাবান অঙ্গটি।

সিওপিডি (COPD) কী?
সিওপিডি (COPD) হলো এমন এক প্রাণঘাতী রোগ যা ধীরে ধীরে ফুসফুসকে নষ্ট করে ফেলে।
এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত শ্বাসকষ্টে ভোগে, এবং শেষমেশ নরমাল জীবনযাপনও অসম্ভব হয়ে ওঠে।

👉 এটি আসলে দুই ধরনের প্রধান রোগের সমন্বয়:
1. ক্রনিক ব্রংকাইটিস (Chronic Bronchitis) – যেখানে শ্বাসনালীতে অতিরিক্ত কফ জমে এবং কাশি লেগেই থাকে।
2. এমফিসেমা (Emphysema) – যেখানে ফুসফুসের অভ্যন্তরীণ এয়ারস্যাকস (বায়ুথলি) ধ্বংস হয়ে যায়।

🚬 প্রধান কারণ ধূমপান – নিঃশ্বাস কেড়ে নেওয়া যার অভ্যাস ☹️

>>>> “একটা বিড়ি মাত্র ৩ টাকা…..
কিন্তু এই ৩ টাকায় আপনি ধীরে ধীরে গিলে ফেলছেন নিজের ফুসফুস।”

📌 কিছু ভয়ঙ্কর তথ্য-
>> ধূমপান করা ব্যক্তিদের মধ্যে ৮০%-এর বেশি মানুষ এক পর্যায়ে সিওপিডিতে আক্রান্ত হন।
>> নিয়মিত ধোঁয়ায় বসবাসকারী মানুষ (যেমন রান্নার ধোঁয়া, ফ্যাক্টরির গ্যাস) অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ।
>> যারা ধূমপান না করেও "প্যাসিভ স্মোকার" হিসেবে অন্যের ধোঁয়া গ্রহণ করেন, তারাও এই রোগে আক্রান্ত হন।

❗ আর কী কী কারণে সিওপিডি হতে পারে?
🔹 রান্নার সময় পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা না থাকলে।
🔹 ধুলাবালি, কেমিকেল বা গ্যাসযুক্ত পরিবেশে নিয়মিত থাকা।
🔹 শিশু বয়সে নিয়মিত শ্বাসকষ্ট বা নিউমোনিয়া হওয়া।
🔹 বংশগত কারণে (বিশেষ ধরনের প্রোটিনের অভাব)।
🔹 কোনো কারণে ফুসফুসে সংক্রমণ হলে এবং সময়মত চিকিৎসা না হলে।

😰 সিওপিডি আক্রান্ত মানুষ কেমন জীবনযাপন করেন?
শ্বাস নিতেই যেন লড়াই করতে হয় প্রতিটি মুহূর্তে, দিনে ১০ বার ইনহেলার ব্যবহার করতে হয়। সিঁড়ি উঠা দূরের কথা, বিছানা থেকে উঠতেই ক্লান্ত হয়ে যায়। বারবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়, রাতে ঘুম ভেঙে যায় – কারণ শ্বাস আটকে আসে, পায়ে পানি জমে যায়, মুখ ফুলে যায়, কথা বলার মাঝেও কাশি ও হাঁপানি লেগে থাকে, একসময় অক্সিজেন সিলিন্ডার হয় জীবনের একমাত্র ভরসা

এই মানুষগুলোর হৃদয় চায় একটু মুক্ত বাতাস। কিন্তু ফুসফুস আর সেটা দিতে পারে না...🥺🥹

🔍 লক্ষণগুলো কী কী?
✔️ প্রতিদিন কাশি এবং কফ জমে থাকা।
✔️ সামান্য হাঁটাহাঁটিতেই শ্বাসকষ্ট।
✔️ বুকে চাপ লাগা ও শ্বাসের সময় হাঁপ ধরার অনুভব।
✔️ নাক-কান-গলা বারবার বন্ধ থাকা।
✔️ ঠান্ডা লাগলে দীর্ঘদিন সেরে না উঠা।
✔️ নি:শ্বাসে সাঁই সাঁই শব্দ।
✔️ ক্লান্তি ও ঘন ঘন ঘুম।
✔️ একসময় ওজন কমে যাওয়া, পেট ফোলা অনুভব হওয়া।

🚨 সতর্কতা ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ:
> ধূমপান সম্পূর্ণরূপে ত্যাগ করুন এখনই।
> রান্নার চুলা যেন ভেন্টিলেটেড থাকে এটি গ্রামের মায়েদের জন্য বড় পরামর্শ।
> কাজের সময় ধুলো, গ্যাস থেকে নিজেকে বাঁচাতে মাস্ক পরুন।
> ফুসফুসের সমস্যা থাকলে নিয়মিত ডাক্তার দেখান।
> ঠান্ডা, কাশি, কফ ইত্যাদি অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসা নিন।
> ইনহেলার বা ওষুধ ব্যবহারে নিয়ম মেনে চলুন।
> ব্যায়াম, হাঁটাচলা ও শ্বাস প্রশ্বাস ব্যায়াম (ব্রিদিং এক্সারসাইজ) করুন।
> ফুসফুসের কার্যক্ষমতা জানতে নিয়মিত স্পিরোমেট্রি পরীক্ষা করুন।

"সিওপিডি প্রতিরোধ করা যায়, কিন্তু একবার হলে আর পুরোপুরি সারানো যায় না। তাই আজই সচেতন হোন, পরিবারকে নিরাপদ রাখুন।"

সচেতনতায়-
ডা: মাসুম পারভেজ
ক্লিনিক্যাল ফিজিওথেরাপিস্ট
বি.পি.টি. ( ইন্ডিয়া)

“শরীর জুড়ে টিউমার, ত্বকে ফুঁসকুড়ি, চোখে মুখে দাগ, আর মস্তিষ্কে দৌড়ায় আতঙ্ক…”এই সবকিছু একত্রে ঘটে একটি বিরল ও জটিল রোগে —...
01/06/2025

“শরীর জুড়ে টিউমার, ত্বকে ফুঁসকুড়ি, চোখে মুখে দাগ, আর মস্তিষ্কে দৌড়ায় আতঙ্ক…”

এই সবকিছু একত্রে ঘটে একটি বিরল ও জটিল রোগে — যার নাম Tuberous Sclerosis Complex (TSC)।

📌 রোগটির পরিচয়
টিউবারস্ক্লেরোসিস স্ক্লেরোসিস হলো একটি বংশগত (জেনেটিক) রোগ, যেখানে দেহে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে (বিশেষ করে মস্তিষ্ক, ত্বক, কিডনি, চোখ, হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসে) বিনাইন (অঘাতক হলেও বিপজ্জনক) টিউমার তৈরি হয়।

এই রোগটি শরীরের TSC1 বা TSC2 জিনে পরিবর্তনের ফলে ঘটে। এই জিনদ্বয় স্বাভাবিকভাবে কোষের বৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু পরিবর্তিত হলে অতিরিক্ত কোষ জন্মায়, ফলে গঠিত হয় টিউমার।

⚠️ লক্ষণ ও চিহ্ন
TSC রোগীর উপসর্গ ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে। নিচে কিছু সাধারণ লক্ষণ তুলে ধরা হলো:

🧠 স্নায়বিক (Neurological):
মৃগী বা খিঁচুনি (Seizures) – ছোট শিশুদের মধ্যেই প্রথম প্রকাশ পায়, মানসিক বিকাশে বিলম্ব – শেখার সমস্যা, কথাবার্তায় সমস্যা অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (ASD) – আচরণগত সমস্যা।

🧴 ত্বকে:
মুখে অ্যাংজিওফাইব্রোমা – গালের দুপাশে ছোট লালচে গুটির মত কোমরে বা পিঠে “শাগ্রিন প্যাচ” নামক রুক্ষ দাগ, “অ্যাশ লিফ স্পট” – পাতার মত সাদা দাগ।

💓 অন্যান্য অঙ্গ:
> কিডনিতে টিউমার – রক্তপাত বা কিডনি অকেজো হতে পারে
> হৃদপিণ্ডে টিউমার – শিশু বয়সে সমস্যা দেখা দেয়
> ফুসফুসে সমস্যা – মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

🧬 এই রোগের কারণ কী?
TSC হয় মূলত জিনগত পরিবর্তনের কারণে। দুইটি প্রধান জিন জড়িত:
১. TSC1 (hamartin তৈরি করে)
২. TSC2 (tuberin তৈরি করে)

এই জিনগুলো কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিভাজনকে নিয়ন্ত্রণ করে। যদি এগুলোতে মিউটেশন হয়, তখন কোষ অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়ে এবং টিউমার সৃষ্টি করে।

👉 অনেক ক্ষেত্রেই এটি পরিবার থেকে আসে, তবে ৬০-৭০% ক্ষেত্রে এটি নতুন মিউটেশন হিসেবেও হতে পারে।

🏥 চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা
TSC-এর কোনো স্থায়ী চিকিৎসা নেই, তবে লক্ষণ নিয়ন্ত্রণে রেখে রোগীকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা যায়।

🧠 স্নায়বিক ব্যবস্থাপনা:
> খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণের ওষুধ
> Brain surgery (যেসব ক্ষেত্রে খিঁচুনি রোধ করা সম্ভব না)

👩‍⚕️ নিয়মিত পরীক্ষা:
MRI/CT scan – মস্তিষ্ক, কিডনি ও ফুসফুসে টিউমার পর্যবেক্ষণ স্কিন বায়োপসি – ত্বকের পরিবর্তন বিশ্লেষণ।

💊 ওষুধ:
mTOR inhibitors (যেমন Sirolimus, Everolimus) – কোষের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণে আনে।

👩‍⚕️ থেরাপি:
স্পিচ থেরাপি, আচরণগত থেরাপি, বিশেষ শিক্ষা — অটিজম বা বিকাশজনিত বিলম্বে।

❗ মানুষ কীভাবে সচেতন হবে?
🔹 ছোট শিশুদের যদি বারবার খিঁচুনি হয় — ডাক্তার দেখান
🔹 শিশুর মুখে বা শরীরে অস্বাভাবিক ফুঁসকুড়ি, দাগ থাকলে — চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন
🔹 পারিবারিক ইতিহাস থাকলে, সন্তান জন্মের পরই জেনেটিক কাউন্সেলিং করান
🔹 শিশুর মানসিক বিকাশে বিলম্ব দেখলে বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্ট এর সহায়তা নিন।

💬 ভাবুন একবার…
একটি শিশু মুখে শত শত ফোঁড়ার মতো গুটি নিয়ে বড় হচ্ছে। তার স্বপ্নগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, কারণ সমাজ তার চেহারা দেখে ভ্রু কুঁচকে তাকায়।

👉 রোগ তার চেহারা দিয়েছে, কিন্তু অবহেলা, বঞ্চনা, বিদ্রুপ দিয়েছে সমাজ।

📢 আমাদের দায়িত্ব কী?
✅ সচেতনতা ছড়ান — এই রোগ ছোঁয়াচে নয়, এটি জেনেটিক
✅ রোগীকে ভালোবাসুন, অবহেলা নয়
✅ পরিবার ও সমাজে রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হোন
✅ সরকারের উচিত — এই দুর্লভ রোগে আক্রান্তদের জন্য বিশেষ সহায়তা, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা তৈরি করা

📚 শেষ কথা
টিউবারস্ক্লেরোসিস স্ক্লেরোসিস হয়তো দুর্লভ, কিন্তু রোগীরা দুর্বল নয়। যদি সময়মতো সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তবে তারাও আমাদের মতো স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে। তাদের পাশে দাঁড়ান, তাদের স্বপ্নগুলো ভেঙে পড়তে দেবেন না।

সচেতনতায়-
ডা: মাসুম পারভেজ
ক্লিনিক্যাল ফিজিওথেরাপিস্ট
বি.পি.টি. ( ইন্ডিয়া)

"ট্রি সিনড্রোম~ এক ভয়ংকর চর্মরোগ, যার শরীর হয়ে ওঠে গাছের মতো"ভাবুন, আপনার হাত বা পায়ে গাছের ডালপালার মতো শক্ত কিছু জন্ম ...
30/05/2025

"ট্রি সিনড্রোম~ এক ভয়ংকর চর্মরোগ, যার শরীর হয়ে ওঠে গাছের মতো"

ভাবুন, আপনার হাত বা পায়ে গাছের ডালপালার মতো শক্ত কিছু জন্ম নিচ্ছে। আপনি আর ঠিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন না, খেতে পারছেন না, নিজেকে স্পর্শ করতে পারছেন না।
এই রোগের নামই হলো — "ট্রি সিনড্রোম"।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় এপিডারমোডিসপ্লাসিয়া ভেরুসিফর্মিস (Epidermodysplasia Verruciformis)। এটি একটি অত্যন্ত বিরল ও বংশগত চর্মরোগ, যেখানে রোগীর শরীর ধীরে ধীরে গাছের বাকলের মতো দেখতে এক ধরনের কঠিন বৃদ্ধিতে ঢেকে যায়।

⚠️ ট্রি সিনড্রোমের কারণ
ট্রি সিনড্রোম হয় যখন মানবদেহে HPV (হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস) সংক্রমণ ঘটে, এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল থাকায় তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। বিশেষ করে যাদের জিনগত ত্রুটি রয়েছে (EVER1 বা EVER2 জিনের সমস্যা), তাদের মধ্যে এই রোগটি বেশি দেখা যায়।

🩺 লক্ষণসমূহ
- হাত, পা বা শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গাছের বাকলের মতো বৃদ্ধি
- খসখসে, মোটা, শক্ত ও বেদনাদায়ক বৃদ্ধি
- দৈনন্দিন কাজ করতে অক্ষমতা
- চলাফেরা বা হাত দিয়ে কিছু ধরা প্রায় অসম্ভব
- ত্বকের ব্যথা ও কখনো রক্তপাত

😔 মানসিক ও সামাজিক প্রভাব
এই রোগ শুধুমাত্র শরীরকেই কাবু করে না, একজন মানুষকে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন, অবহেলিত ও হতাশ করে তোলে। অনেক রোগী সমাজের চোখ রাঙানি ও বিদ্রুপের ভয়ে ঘরবন্দি হয়ে পড়েন।

⚕️ চিকিৎসা
বর্তমানে ট্রি সিনড্রোমের কোনো স্থায়ী চিকিৎসা নেই, তবে কিছু চিকিৎসা পদ্ধতিতে উপশম সম্ভব:
1. সার্জারি- বারবার এই বৃদ্ধিগুলো অপসারণ করতে হয়
2. রেটিনয়েডস ও অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ- কোষ নিয়ন্ত্রণে ও ভাইরাস ঠেকাতে সাহায্য করে
3. ইমিউন থেরাপি- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে
4. সাইকোলোজিকাল থেরাপি- রোগীর মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা

✅ কীভাবে সচেতন হবো?
🔹 ত্বকে অস্বাভাবিক কিছু দেখলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
🔹 HPV ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন থাকুন
🔹 পারিবারিক ইতিহাস থাকলে শিশুদের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করুন
🔹 Tree Syndrome রোগীদের সামাজিকভাবে সমর্থন দিন
🔹 রোগীদের নিয়ে হাসি-ঠাট্টা না করে সহানুভূতিশীল হোন

🧠 ভাবুন একবার…
একজন মানুষ তার নিজের চুল আঁচড়াতে পারে না, কারণ তার হাত গাছের শিকড়ের মতো শক্ত হয়ে গেছে।
তার মুখে খাবার তোলার শক্তি নেই, কারণ আঙুলগুলো আর বাঁকাতে পারে না।

👉 এই অসুস্থতা তার পছন্দ নয়, এটি তার দুর্ভাগ্য।
আপনি কী তাকে আরো কষ্ট দেবেন? না, পাশে দাঁড়াবেন?

📢 আপনার দায়িত্ব কী?
> এই বার্তাটি ছড়িয়ে দিন
> যারা আক্রান্ত, তাদের উৎসাহ দিন
> সচেতন হোন, সচেতন করুন
> Tree Syndrome নিয়ে ভয়ের নয়, সহানুভূতির প্রয়োজন

সচেতনতায়-
ডা: মাসুম পারভেজ
ক্লিনিক্যাল ফিজিওথেরাপিস্ট
বি.পি.টি. ( ইন্ডিয়া)

Address

Rājshāhi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Masum Parvag PT posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Masum Parvag PT:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram