আশরাফুল হক

আশরাফুল হক “যে দুনিয়াকে ছেড়ে দেয়, দুনিয়াই তার পিছু নেয়।”

আমার কখনোই কোনো জিনিসের উপর ফ্যাসিনেশন ছিলো না।ইভেন বুঝতাম ও না।একটা কিছু হলেই হলো টাইপ আরকি।এমন বয়সে আর এমন অবস্থায় এক ...
10/03/2026

আমার কখনোই কোনো জিনিসের উপর ফ্যাসিনেশন ছিলো না।ইভেন বুঝতাম ও না।একটা কিছু হলেই হলো টাইপ আরকি।
এমন বয়সে আর এমন অবস্থায় এক সময়ে এসে একটা জিনিসের উপর আবেগে আটকে গেছি যা পূরনের সাধ্য আমার নাই।শারীরিক অসুস্থতার কারনে😥😥।...
“Every dream doesn’t come true.”

07/03/2026

আমাদের একজন আব্রাহাম লিংকন নেই, যিনি আমেরিকার গৃহযুদ্ধের পর সাম্য ও স্বাধীনতার জন্য এক ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন। আমাদের একজন উইনস্টন চার্চিল নেই, যিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বক্তৃতার মাধ্যমে ব্রিটিশদের মনোবল চাঙ্গা রেখেছিলেন। কিন্তু আমাদের একজন শেখ মুজিব ছিলেন, যিনি একটি মাত্র বক্তৃতার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার জন্য আমাদেরকে প্রস্তুত করে দিয়েছিলেন।
৭ মার্চের শূন্য ঘণ্টায় তার প্রতি সীমাহীন কৃতজ্ঞতা।

***এটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসের অংশ।

জুম্মা মোবারক❤️❤️
06/03/2026

জুম্মা মোবারক❤️❤️

06/03/2026
06/03/2026
মোজাহের ভাইরের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করলেই  পেয়ে যাবেন যেকোনো এক জন subsciber  ফ্রি এই বাইকটি  https://youtube.com...
06/03/2026

মোজাহের ভাইরের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করলেই পেয়ে যাবেন যেকোনো এক জন subsciber ফ্রি এই বাইকটি
https://youtube.com/?si=YgJUKDhS2ngnObik
#মোজাহেরভাই
#মোজাহের

জমিতে আলুর কেজি এবার ৭/৮ টাকা। একজন ভিক্ষুকও খুশিমনে ৮টাকা ভিক্ষা নেবে না। গতবার ছিল ১০/১২ টাকা জমিতে। মরে ভূত হয়েছে গতব...
06/03/2026

জমিতে আলুর কেজি এবার ৭/৮ টাকা। একজন ভিক্ষুকও খুশিমনে ৮টাকা ভিক্ষা নেবে না। গতবার ছিল ১০/১২ টাকা জমিতে। মরে ভূত হয়েছে গতবার কৃষক। এবার বাকিটুকুও মরবে। গতবার অত্যাধিক কম দাম হওয়ায় সবাই মনে করেছে এবার দাম বাড়বে। আবার সবাই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল আলু চাষে।

যুদ্ধের দামামায় পানির দামে বাজারে আলু পাওয়া যাবে। ক্রেতা বাঁচবে। কিন্তু কৃষককে বাঁচাবে কে? এমন অভাগা দেশ, যেখানে কোনো প্ল্যান প্রোগ্রাম নেই। নেই কো-অর্ডিনেশন। নেই সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থা। সবাই সবার স্বার্থ দেখে। কিন্তু কৃষকের বেলায় কেউ নেই। গ্রামে দেখলাম মাতম চলছে আলু চাষিদের।

আপনিও পেতে পারেন
06/03/2026

আপনিও পেতে পারেন

01/03/2026

#সামনে_ইউপি_নির্বাচন,
সাবেক এবং অনেক পুরানো বা চলতি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের নারী প্রার্থী তো অবশ্যই আপনার দরজায় যাবে ভোট চাইতে, তখন জিজ্ঞেস করবেন,
১/এই এলাকার উন্নয়ন কাজে আপনার অবধান কি বলেন?
২/সরকারের দেওয়া অনুদান টাকার বিনিময়ে বিক্রি করছেন কিনা।
৩/ এলাকায় রাস্তাঘাট ও কালভার্ট শিক্ষা ব্যবস্থা ও চিকিৎসা সেবার জন্য আপনার ভূমিকা কি ছিলো এবং
সরকারী দপ্তরে জনগণের জন্য কোনো কিছু আবেদন করছেন কিনা -
৪/সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য সরকার থেকে আলাদা বাজেট আসে সেটা সংখ্যালঘুরা সঠিক ভাবে পেয়েছে কিনা -
৫/ #বিধবা_ভাতা ''ত্রিশ কেজি চাউলের "ভিজিডি কার্ড,রেশন কার্ড,বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা,প্রতিবন্ধী ভাতা দেওয়ার নামে যে পাঁচ দশ হাজার টাকা নিয়েছে কিনা। সেটা সরকারি ভাবে অনুমতি আছে কিনা-
৬/ বিচার বা শালিসি করার নামে টাকা পয়সা খেয়ে বিচার করছে কিনা-

দ্রষ্টব্য - যদি এই ধান্দাবাজী দুর্নীতি না করে থাকে তাহলে তাকে এলাকার উন্নয়নের সুযোগ করে দিবেন। -
আর-
#বাংলাদেশের তরুণ প্রবীণ মায়েরা বোনেরা এখনো সময় আছে প্রতিবাদ করতে শিখুন -
নয়তো এই সমাজ আরো খারাপ হতে পারে -
কারন দুর্নীতিবাজরা সব সময় খারাপ চিন্তা নিয়ে বসে আছে-

সব কিছুর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করুন -এবং সেবক তাকেই বানান যে আপনার আমার সুখে দুঃখে খোঁজ খবর নিবে -
সেবক তাকেই বানান যে গরুর ডাক্তারের মতো দৌড়ে ছুটে আসবে -
আর কোনো ডায়গোনিস্টিক ডাক্তার যদি সেবক বানান মনে রাখবেন ভিজিট দিয়ে মাঝে মাঝে পাইবেন না -
তাই সচেতনার পরিচয় দিয়ে সৎ আদর্শবান মানুষের জন্য দেশের জন্য কাজ করে এমন একটা জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচন করুন ।
আর যারা টাকা দিয়ে ভোট কিনে বা জাল ভোট দিয়ে নির্বাচিত হয় ওরা কখনো দেশের জন্য বা দেশের মানুষের জন্য কাজ করবে না ।
কারন তারা চিন্তা করবে খরচ করে নির্বাচিত হয়েছি এখন খরচ উঠানো দরকার -
আর এই খরচ উঠাতে গিয়ে আপনার আমার মাথা বিক্রি করে চুরি করে খায়।
তাই সবাই সতর্ক থাকুন। টাকা নিবেন না খরচ করাবেন না। বড় কথা বলতে পারবেন জবাবদিহিতা লইতে পারবেন । মিষ্টি কথা ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে এরা জনগণের সাথে সবসময় প্রতারণা করছে। যেই কাজ তার আওতায় নেই সেই কাজের আশা দিয়ে ভোট নেওয়ার কৌশল অবলম্বন করে থাকে। প্রার্থীদের বিবেকের কাছে ছেড়ে দিবেন। যে প্রাথীর বিবেক মনুষ্যত্ব নেই তাকে ভোট দিবেন না।
"""

খামেনিকে নিয়ে কিছু বিস্ময়কর তথ্য:২৭ জুন, ১৯৮১। তেহরানের 'আবুজার মসজিদ'-এ জোহরের নামাজ শেষ করলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এ...
01/03/2026

খামেনিকে নিয়ে কিছু বিস্ময়কর তথ্য:

২৭ জুন, ১৯৮১।

তেহরানের 'আবুজার মসজিদ'-এ জোহরের নামাজ শেষ করলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এরপর জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত বক্তব্য দিচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁর সামনে রাখা একটি টেপ রেকর্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়।

বিস্ফোরণের পর যখন রেকর্ডারটি চেক করা হয়, তখন তার ভেতরে একটি ছোট চিরকুট পাওয়া যায়। তাতে লেখা ছিল: "ফোরকান গ্রুপের পক্ষ থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে উপহার।" বোঝা গেল, টেপ রেকোর্ডারের ভেতরে ছিল শক্তিশালী বোমা।

​এই ​বিস্ফোরনে খামেনির বুক, ডান কাঁধ এবং ডান হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফুসফুস ছিদ্র হয়ে যায়, সাথে প্রচুর রক্তক্ষরণ।চিকিৎসকদের মতে, তিনি যে বেঁচে ফিরেছেন তা ছিল এক কথায় অলৌকিক।

​বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শক্তিতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ডান হাতের স্নায়ু বা নার্ভগুলো পুরোপুরি ছিঁড়ে যায়। ডাক্তাররা কয়েক ঘণ্টা অস্ত্রোপচার করেও হাতটি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে পারেননি। এর ফলে তাঁর ডান হাতটি চিরতরে অচল বা প্যারালাইজড হয়ে যায়।

তবুও এক হাত দিয়ে কাঁপিয়েছেন বিশ্ব।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির লেখা একটি বই ভীষণ জনপ্রিয়।বইটার নাম 'Palestine'। ৪১৬ পৃষ্ঠার এই বইটিতে তিনি ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে এমন সুনিপুণ ম্যাপ আর গাণিতিক বিশ্লেষণ দিয়েছেন যা অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষককে অবাক করেছে। বইটি পড়লে ধারণা পাওয়া যায়, কতটা রণকৌশলী মস্তিষ্ক ছিল খামেনির।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বিশ্বের একমাত্র ধর্মীয় নেতা যাকে 'টাইম' এবং 'ফোর্বস' ম্যাগাজিন বারবার বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। সেখানে তাঁকে এমন এক ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে, যার এক ইশারায় বিশ্ব তেলের বাজার ও ভূ-রাজনীতি তোলপাড় হতে পারে।

অনেকেই জানেন না যে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি একজন বড় মাপের আধ্যাত্মিক সাধক বা 'আরিফ'। তিনি ইসলামের গভীর আধ্যাত্মিক দর্শন বা 'ইরফান'-এ বিশ্বাসী। তিনি মনে করেন, স্রষ্টার সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য শুধু নামাজ-রোজার পাশাপাশি অন্তরের পবিত্রতা এবং দুনিয়াবি মোহ ত্যাগ করা জরুরি। তাঁর শান্ত ও ধীরস্থির আচরণের পেছনে এই আধ্যাত্মিক চর্চার বড় প্রভাব দেখেন বিশ্লেষকরা।

খামেনি 'বেলায়াত-এ-ফকিহ' দর্শনে বিশ্বাসী। এর সহজ মানে হলো—যতক্ষণ পর্যন্ত ইমাম মাহদী সশরীরে ফিরে না আসছেন, ততক্ষণ একজন যোগ্য এবং ন্যায়পরায়ণ ইসলামি আইনবিদ মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব দেবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর এই রাজনৈতিক ক্ষমতা আসলে একটি ধর্মীয় দায়িত্ব।

অনুসারী মনে করেন, খামেনি আসলে ইমাম মাহদীর আগমনের পথ প্রস্তুত করছেন।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রায়ই বলেন, বিজ্ঞান এবং ইসলাম একে অপরের পরিপূরক। একারণেই ইরানে তাঁর শাসনামলে স্টেম সেল রিসার্চ, ন্যানো টেকনোলজি এবং মহাকাশ গবেষণায় ব্যাপক বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা অনেক রক্ষণশীল মুসলিম দেশে নিষিদ্ধ বা নিরুৎসাহিত করা হয়।

খামেনির সবচেয়ে আলোচিত পদক্ষেপ হলো তাঁর দেওয়া একটি বিশেষ ফতোয়া। এর মাধ্যমে তিনি সুন্নিদের অপমান করা হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি মনে করেন, শিয়াদের মধ্যে যারা সুন্নিদের আবেগ নিয়ে কটূক্তি করে, তারা আসলে ইসলামের শত্রু এবং ব্রিটিশ বা পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার চর।

যেকারণে শিয়া নেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইসলামিক জিহাদ-এর মতো সুন্নি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বছরের পর বছর ধরে সামরিক ও আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। ভূ-রাজনীতিতে এটি একটি বিরল ঘটনা, যেখানে একজন শিয়া নেতা সুন্নিদের স্বার্থে এত বড় ঝুঁকি নেন।

প্রজ্ঞাবান বিশ্বনেতাদের চাইলেই শেষ করা যায় না। বিনম্র শ্রদ্ধা, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

- আশরাফ

বগুড়ার একজন পুরুষ  আব্দুস সামাদ থেকে স্বনামধন‌্য ড. হোসনে আরা হয়ে উঠার গল্প।হোসনে আরা বেগম (জন্মঃ ১৯৫৩) বাংলাদেশের একজন ...
28/02/2026

বগুড়ার একজন পুরুষ আব্দুস সামাদ থেকে স্বনামধন‌্য ড. হোসনে আরা হয়ে উঠার গল্প।

হোসনে আরা বেগম (জন্মঃ ১৯৫৩) বাংলাদেশের একজন সমাজকর্মী ও শিক্ষাবিদ যিনি ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সুপরিচিত। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে অশোকা ফেলোশিপ, বেগম রোকেয়া পদকসহ নানা স্বীকৃতি ও সম্মাননা পেয়েছেন।

ব্যক্তিগত জীবন
ড. হোসনে আরা বেগম এর বাবার বাড়ি বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ের পাশে ঠেঙ্গামারা গ্রামে। তিনি ১৯৫৩ সালের ডিসেম্বরে নানাবাড়ি বগুড়ার মহিষগোপাল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা সোলাইমান আলী পাইকার ও মাতা জোবাইদা বেগম। পিতা মাতা হোসনে আরা বেগম-এর জন্মের সময় তার নাম রেখেছিলেন আব্দুস সামাদ। তিনি পুত্র সন্তান হিসেবে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। পরবর্তীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ২৩ বছর বয়সে টিউমারের অপারেশন করার সময় ডাক্তাররা লক্ষ্য করেন, তিনি মূলত একজন আন্তঃলিঙ্গ যার বাহ্যিক যৌনাঙ্গ পুরুষ হলেও আভ্যন্তরীন প্রজননতন্ত্র নারী হিসেবে সুগঠিত তখন তিনি সংশোধনমূলক আন্তঃলিঙ্গ অস্ত্রপাচারের (ইন্টারসেক্স মেডিকেল ইন্টারভেনশনস বা আইএমআই) মাধ্যমে পুরুষ আব্দুস সামাদ পরিচয় থেকে নারী হোসনে-আরা বেগম হয়ে জীবন ধারণ শুরু করেন। পরবর্তীতে স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী বন্ধু অধ্যাপক আনসার আলীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হোন। এই দম্পতির এম আলী হায়দার নামে একটি পূত্র সন্তান রয়েছে।

শিক্ষা জীবন
হোসনে আরা ছোটবেলা থেকে লেখাপড়ায় ভালো ছিলেন। বাঘোপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত পড়েন। তারপর গোকুল তছলিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হন। সেখান থেকেই তিনি ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। পরে তৎকালিন সময়ের বেসরকারি বর্তমানে শাহ সুলতান কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন পুরুষ হিসেবে। তার অধ্যয়নের বিষয় ছিল উদ্ভিদবিদ্যা। ১৯৭৫ সালে মাস্টার্স শেষবর্ষে তার জীবনের এই রূপান্তর ঘটে। যেটা নিয়ে সিরিজ প্রতিবেদন করেছিল সেই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন বিচিত্রা। এত কিছুর মধ্যেও হোসনে আরা বেগম মাস্টার্সে ভালো ফলাফল করেন।

শিক্ষকতা
অধ্যাপক হোসনে আরা বেগম বগুড়া সরকারি কলেজ, মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজ, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ ও জয়পুরহাট সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যাপক ছিলেন।

অবদান
শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু হলেও সমাজকর্মী ড. হোসনে-আরা ১৯৮০ সালে নিজ শহর বগুড়াতে, ১২৬ জন ভিক্ষুকের মুষ্টি চালের মাধ্যমে সংগ্রহীত ২০৬ মন চাল নিয়ে দেশের বড় এনজিওগুলোর অন্যতম প্রতিষ্ঠান ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ (টিএমএসএস)। বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।

১৯৬৪ সালে ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ আত্মপ্রকাশ করলেও ১৯৮০ সালে হোসনে আরার নির্বাহী পরিচালনায় এটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর একাধিক কল্যাণের স্বার্থেই সংগঠনটির জন্ম। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ডিএফআইডি, নেদারল্যান্ডস গভর্নমেন্ট এবং আমেরিকাসহ আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলো এ সংগঠনটিকে অর্থায়ন করেন। এ সংগঠনটি টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ, রফাতুল্লাহ্ কমিউনিটি হসপিটাল, ফাইভ স্টার মম ইন হোটেল, দুটি সিএনজি স্টেশন, তিনটি পেট্রল পাম্প, বহুতল ভবন তৈরি করে ফ্ল্যাট বিক্রয়, রিয়েল এস্টেট ব্যবসা চালু করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, মাইক্রো ফাইন্যান্সের মাধ্যমে ৫৩ লাখ পরিবার উপকৃত হয়েছে। এ সংগঠন থেকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা ঋণ প্রদান করা হয়। বাংলাদেশের ৬৪টি জেলাতেই টিএমএসএস এর শাখা রয়েছে। প্রায় ৩২ হাজার অফিস কর্মচারী রয়েছেন। দেশের ছোট-বড় এক লাখ ১২ হাজার সমিতি টিএমএসএসের আওতাভুক্ত

কৃষি কাজ
হোসনে আরা বেগম স্কুলজীবনে ৮ম শ্রেণিতে থাকাবস্থায় বয়েজ ক্লাব নামে একটি ক্লাব করেছিলেন। সেই ক্লাবের সদস্যদের নিয়ে নিজেদের জমি চাষাবাদ করে ফসল ফলাতেন। ফসল বণ্টনের ক্ষেত্রে সবাই মিলেই ভাগ করে নিতেন। তবে জমির মালিক হিসেবে হোসনে আরা বেগম একভাগ বেশি পেতেন। ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার মানসিকতা তিনি এ ক্লাব থেকে পান। কোনো কোনো দিন হাল চাষ করার জন্য গরুর হাল না পেলে হোসনে আরা বেগমের নেতৃত্বে ক্লাব সদস্যরা সবার বাড়ি থেকে কোদাল মাঠে নেমে পড়তেন।

পুরস্কার ও সম্মাননা
সামাজিক কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ হোসনে আরা বেগম অশোকা ফেলোশিপ ও বেগম রোকেয়া পদক পেয়েছেন।

27/02/2026

Address

Kurigram/Bhurungamary Sarak
Rangpur
5600

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আশরাফুল হক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share