Associate Professor Dr. Harash*t Chakrabarty, Dermatologist

Associate Professor Dr. Harash*t Chakrabarty, Dermatologist Associate Professor and Head Department of Dermatology, Satkhira Medical College

12/02/2026

ধূমপান ও ত্বকের রোগ ,কিছু কথা:

ধূমপান কেবল ফুসফুস বা হার্টের ক্ষতি করে না, এটি আপনার ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তামাকের নিকোটিন এবং অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান ত্বককে ভেতর থেকে বুড়িয়ে দেয়।
​ধূমপানের ফলে ত্বকের যেসব সমস্যা দেখা দেয়, তা নিচে আলোচনা করা হলো:
​১. অকাল বার্ধক্য ও বলিরেখা (Premature Aging)
​ধূমপান ত্বকের কোলাজেন এবং ইলাস্টিন ধ্বংস করে। এই দুটি প্রোটিন ত্বককে টানটান ও তরুণ রাখতে সাহায্য করে। এগুলো নষ্ট হয়ে গেলে:
​চোখের কোণ এবং ঠোঁটের চারপাশে গভীর বলিরেখা পড়ে।
​ত্বক ঝুলে যায় এবং চেহারায় অকাল বার্ধক্যের ছাপ পড়ে।
​২. ত্বকের বিবর্ণতা (Skin Discoloration)
​ধূমপায়ীদের ত্বকে রক্ত সঞ্চালন ও অক্সিজেনের সরবরাহ কমে যায়। এর ফলে:
​ত্বক ফ্যাকাশে বা ধূসর বর্ণের হয়ে যায়।
​ঠোঁট কালো বা কালচে বেগুনি হয়ে যেতে পারে।
​আঙুলে এবং নখে হলদেটে ছোপ পড়ে।
​৩. ক্ষত শুকাতে বিলম্ব (Delayed Wound Healing)
​নিকোটিন রক্তনালীকে সংকুচিত করে ফেলে, যার ফলে ক্ষতস্থানে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছাতে দেরি হয়। কোনো ছোট আঘাত বা অস্ত্রোপচারের ক্ষত শুকাতে সাধারণের তুলনায় অনেক বেশি সময় লাগে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
​৪. সোরিয়াসিস (Psoriasis)
​গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপায়ীদের সোরিয়াসিস হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ যা ত্বকে লালচে ছোপ, চুলকানি এবং আঁশযুক্ত ভাব তৈরি করে।
​৫. একজিমা
​ধূমপান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে, যা একজিমা বা ত্বকের প্রদাহ বাড়িয়ে দেয়।
​৬. স্কিন ক্যান্সার (Skin Cancer)
​ধূমপান 'স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা' (Squamous Cell Carcinoma) নামক এক ধরণের ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
​একটি জরুরি কথা: আপনি যদি ধূমপান ছেড়ে দেন, তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ত্বকে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হতে শুরু করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে আসে।

05/02/2026

শিশুদের এলার্জিজনিত সমস্যা নিয়ে কিছু কথা:

শিশুদের অ্যালার্জি একটি বেশ সাধারণ কিন্তু যন্ত্রণাদায়ক সমস্যা। বাবা-মা হিসেবে এটি নিয়ে দুশ্চিন্তা হওয়া খুব স্বাভাবিক। মূলত যখন শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immune System) ধুলোবালি, নির্দিষ্ট খাবার বা পরাগ রেণুর মতো ক্ষতিকর নয় এমন কোনো জিনিসের প্রতি অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখায়, তখনই অ্যালার্জি হয়।
​শিশুদের অ্যালার্জিজনিত সমস্যার প্রধান দিকগুলো নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:
​১. সাধারণ ধরণ ও উপসর্গ
​শিশুদের মধ্যে সাধারণত তিন ধরণের অ্যালার্জি বেশি দেখা যায়:
​ত্বকের অ্যালার্জি : ত্বকে লালচে ভাব, চুলকানি, চাকা চাকা হওয়া বা চামড়া খসখসে হয়ে যাওয়া।
​নাক ও চোখের অ্যালার্জি : ঘনঘন হাঁচি, নাক দিয়ে জল পড়া, নাক চুলকানো এবং চোখ লাল হয়ে জল পড়া।
​খাবারে অ্যালার্জি: নির্দিষ্ট কিছু খাওয়ার পর পেট ব্যথা, বমি, পাতলা পায়খানা বা শরীরে র‍্যাশ ওঠা।
​২. অ্যালার্জির সাধারণ কারণ
​সব শিশুর অ্যালার্জির কারণ এক হয় না, তবে এগুলো সচরাচর দেখা যায়:
​পরিবেশ: ঘরের ধুলোবালি , পোষা প্রাণীর লোম, এবং ফুলের রেণু।
​খাবার: গরুর দুধ, ডিম, চিনাবাদাম, সামুদ্রিক মাছ, চিংড়ি বা বেগুন।
​আবহাওয়া: হঠাৎ ঠান্ডা লাগা বা অতিরিক্ত গরমে ঘাম বসে যাওয়া।
​৩. প্রতিকার ও যত্ন
​অ্যালার্জি পুরোপুরি নির্মূল করা কঠিন হলেও সঠিক ব্যবস্থাপনায় এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব:
​ট্রিগার চেনা: খেয়াল করুন ঠিক কোন জিনিসটির সংস্পর্শে আসলে বা কী খেলে আপনার শিশুর সমস্যা বাড়ছে। সেটি ডায়েরিতে লিখে রাখতে পারেন।
​পরিচ্ছন্নতা: শিশুর ঘর, বিছানার চাদর ও বালিশের কভার নিয়মিত গরম পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার রাখুন। ঘরে কার্পেট না রাখাই ভালো।
​খাবারে সতর্কতা: নতুন কোনো খাবার দেওয়ার পর শিশুর শরীরে কোনো পরিবর্তন হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করুন।
​ময়েশ্চারাইজার: ত্বকের অ্যালার্জি থাকলে স্নানের পর ভালো মানের বেবি লোশন বা ভ্যাসলিন ব্যবহার করুন যাতে ত্বক শুষ্ক না হয়।
​সতর্কতা: যদি দেখেন শিশুর শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে, ঠোঁট বা মুখ ফুলে যাচ্ছে কিংবা শরীর নীল হয়ে যাচ্ছে, তবে দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান, এটি একটি জরুরি অবস্থা।

29/01/2026

অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়া নিয়ে কিছু কথা:

অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়া (যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় Premature Graying) বর্তমানে অনেকের জন্যই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০ বা ৩০ এর কোঠায় যাওয়ার আগেই আয়নার সামনে রুপালি চুলের ঝিলিক দেখলে মন খারাপ হওয়াটা স্বাভাবিক।
​তবে আতঙ্কিত হওয়ার আগে এর পেছনের কারণ এবং প্রতিকার সম্পর্কে জেনে নেওয়া ভালো।
​কেন অল্প বয়সে চুল পাকে?
​চুল পাকার মূল কারণ হলো মেলানিন (Melanin) নামক রঞ্জক পদার্থের অভাব। আমাদের চুলের গোড়ায় থাকা মেলানোসাইট কোষ যখন মেলানিন উৎপাদন কমিয়ে দেয়, তখনই চুল তার স্বাভাবিক রং হারায়। এর প্রধান কারণগুলো হলো:
​বংশগতি (Genetics): যদি আপনার বাবা বা মায়ের অল্প বয়সে চুল পাকার ইতিহাস থাকে, তবে আপনার ক্ষেত্রেও সেটি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
​অতিরিক্ত মানসিক চাপ (Stress): দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তা বা স্ট্রেস শরীরের 'স্টেম সেল' ক্ষতিগ্রস্ত করে, যা মেলানিন উৎপাদনে বাধা দেয়।
​ভিটামিনের অভাব: বিশেষ করে ভিটামিন B12, D, এবং E এর অভাবে চুল দ্রুত সাদা হতে পারে। এছাড়া আয়রন ও কপার এর অভাবও দায়ী।
​অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন: ধূমপান এবং অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড খাওয়ার ফলে শরীরে ফ্রি-র‍্যাডিক্যাল তৈরি হয়, যা চুলের অকাল পক্কতার বড় কারণ।
​রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার: কড়া হেয়ার ডাই, ব্লিচ বা নিম্নমানের শ্যাম্পু চুলের গোড়াকে দুর্বল ও কালারলেস করে ফেলে।
অনেক সময় অনেক সময় থাইরয়েড বা রক্তস্বল্পতার মত শারীরিক সমস্যার কারণেও চুল পাকতে পারে।
​কিছু প্রতিকার ও যত্ন

​একবার চুল পুরোপুরি পেকে গেলে তাকে প্রাকৃতিকভাবে কালো করা কঠিন, তবে শুরুতেই কিছু পদক্ষেপ নিলে এর বিস্তার রোধ করা সম্ভব:
​পুষ্টিকর খাবার: বেশি করে শাকসবজি, ডিম, দুধ, বাদাম এবং সামুদ্রিক মাছ খাওয়া।


​পর্যাপ্ত ঘুম ও ব্যায়াম: দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম এবং নিয়মিত ব্যায়াম শরীরকে স্ট্রেস-মুক্ত রাখে, যা পরোক্ষভাবে চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

26/01/2026

সোরিয়াসিস (Psoriasis) সম্পর্কে কিছু কথা:

সোরিয়াসিস কী?

সোরিয়াসিস হলো একটি দীর্ঘমেয়াদি (chronic) ত্বকের রোগ, যেখানে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ত্বকের কোষকে খুব দ্রুত তৈরি করতে বাধ্য করে। ফলে ত্বকে লালচে, শুষ্ক, খসখসে ও সাদা/রূপালি আঁশযুক্ত দাগ দেখা যায়।
সাধারণ লক্ষণগুলো;
ত্বকে লাল মোটা দাগ ও খোসা ওঠা
চুলকানি বা জ্বালা
ত্বক ফেটে রক্ত পড়া
মাথার ত্বক, কনুই, হাঁটু, পিঠে বেশি দেখা যায়
কখনো কখনো নখ মোটা বা ভেঙে যাওয়া
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে জয়েন্টে ব্যথা (Psoriatic arthritis)

কেন হয়?
এটি ছোঁয়াচে নয়
মূল কারণ হলো ইমিউন সিস্টেমের সমস্যা
বংশগত প্রভাব থাকতে পারে
স্ট্রেস, সংক্রমণ, ঠান্ডা আবহাওয়া, কিছু ওষুধ, ধূমপান—এসব ট্রিগার হিসেবে কাজ করতে পারে

পুরোপুরি ভালো হয় কি?
পুরোপুরি সেরে যায় না, তবে ঠিক চিকিৎসা ও যত্নে অনেকদিন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। অনেক সময় উপসর্গ কমে আবার বাড়ে—এটাই এই রোগের স্বভাব।

সাধারণ যত্ন ও পরামর্শ;
নিয়মিত ত্বক ময়েশ্চারাইজ করা
বেশি স্ট্রেস এড়ানো
ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়ানো।

22/01/2026

সানস্ক্রিন সম্পর্কে কিছু কথা :

সানস্ক্রিন বর্তমান সময়ে শুধু রূপচর্চা নয়, বরং ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য একটি প্রয়োজনীয় সুরক্ষা। সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV rays) থেকে ত্বককে রক্ষা করতে এর কোনো বিকল্প নেই।
​সানস্ক্রিন সম্পর্কে আপনার যা জানা জরুরি:
​১. SPF ও PA কী?
​সানস্ক্রিন কেনার সময় আমরা সাধারণত এই দুটি টার্ম দেখি:
​SPF (Sun Protection Factor): এটি প্রধানত UVB রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়, যা ত্বক পুড়িয়ে ফেলা বা সানবার্নের জন্য দায়ী। দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য SPF 30 বা তার বেশি ভালো।
​PA (+/++/+++): এটি UVA রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়। UVA রশ্মি ত্বকের অকাল বার্ধক্য (Wrinkles) এবং দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির কারণ। যত বেশি ‘+’ চিহ্ন থাকবে, সুরক্ষাও তত বেশি হবে।
​২. সানস্ক্রিনের ধরণ
​ফিজিক্যাল/মিনারেল সানস্ক্রিন: এতে জিঙ্ক অক্সাইড বা টাইটানিয়াম ডাই অক্সাইড থাকে। এটি ত্বকের ওপর একটি স্তর তৈরি করে আয়নার মতো সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে দেয়। সেনসিটিভ ত্বকের জন্য এটি সেরা।
​কেমিক্যাল সানস্ক্রিন: এটি সূর্যের রশ্মিকে ত্বকের ভেতর শুষে নিয়ে তা তাপে রূপান্তর করে শরীর থেকে বের করে দেয়। এটি ত্বকে খুব সহজে মিশে যায়।
​৩. ব্যবহারের সঠিক নিয়ম
​পরিমাণ: মুখ এবং ঘাড়ের জন্য অন্তত 'টু-ফিঙ্গার রুল' (তর্জনী এবং মধ্যমা আঙুল বরাবর দুই লাইন সানস্ক্রিন) মেনে চলুন।
​সময়: ঘর থেকে বের হওয়ার অন্তত ১৫-২০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লাগানো উচিত।
​রি-অ্যাপ্লাই: প্রতি ২-৩ ঘণ্টা পরপর পুনরায় সানস্ক্রিন লাগানো জরুরি, বিশেষ করে যদি আপনি রোদে থাকেন বা ঘেমে যান।
​কিছু প্রচলিত ভুল ধারণা
​"আকাশ মেঘলা থাকলে বা ঘরে থাকলে সানস্ক্রিন লাগে না" — এটি সম্পূর্ণ ভুল। মেঘ ভেদ করেও সূর্যের রশ্মি আসতে পারে এবং ঘরের জানালা দিয়েও UVA রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে।

20/01/2026

চোখ যেমন মনের আয়না , ত্বক তেমন দেহের আয়না।

19/01/2026

শীতে ত্বকের যত্ন:

শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় ত্বক দ্রুত রুক্ষ ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে। এই সময়ে ত্বকের কোমলতা ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। নিচে শীতে ত্বকের যত্নের জন্য কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো:
​১. নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার
​শীতে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে ময়েশ্চারাইজারের বিকল্প নেই।
​কখন ব্যবহার করবেন: স্নান বা মুখ ধোয়ার পর ত্বক হালকা ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজার বা লোশন লাগান। এতে আর্দ্রতা দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকে।
​উপাদান: সেরামাইড, হায়ালুরোনিক অ্যাসিড বা গ্লিসারিন সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করা ভালো। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য জেল-বেজড এবং শুষ্ক ত্বকের জন্য অয়েল-বেজড ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন।
​২. গরম জলের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
​শীতকালে আমরা গরম জল দিয়ে স্নান করতে পছন্দ করি, কিন্তু অতিরিক্ত গরম জল ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট করে দেয়।
​টিপস: ফুটন্ত গরম জলের পরিবর্তে কুসুম গরম জল ব্যবহার করুন। স্নানের সময় ১০-১৫ মিনিটের বেশি করবেন না।
​৩. কোমল ক্লিনজার বেছে নেওয়া
​শীতের দিনে সাবান বা কড়া ফেসওয়াশ ত্বকের পিএইচ (pH) ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।
​বিকল্প: হার্শ কেমিক্যালমুক্ত মাইল্ড বা লিকুইড ক্লিনজার ব্যবহার করুন যা ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক করবে না।
​৪. সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলবেন না
​অনেকেই ভাবেন শীতকালে সূর্যের তাপ কম, তাই সানস্ক্রিন দরকার নেই। এটি একটি ভুল ধারণা। শীতের মিষ্টি রোদেও ইউভি (UV) রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করে।
​পরামর্শ: বাইরে যাওয়ার অন্তত ২০-৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

​৫.ঠোঁট ও হাতের যত্ন
​শীতে সবচেয়ে আগে ঠোঁট ফাটে। সবসময় ভালো মানের লিপবাম বা পেট্রোলিয়াম জেলি সাথে রাখুন। বারবার জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানোর অভ্যাস ত্যাগ করুন, কারণ এতে ঠোঁট আরও বেশি শুকিয়ে যায়।
​খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইল
​শুধু বাইরে থেকে যত্ন নিলেই হবে না, ভেতর থেকেও ত্বককে হাইড্রেটেড রাখতে হবে:
​পর্যাপ্ত জল পান: শীতে তৃষ্ণা কম পেলেও দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস জল পান করুন।
​ফল ও সবজি: ভিটামিন সি এবং ই সমৃদ্ধ খাবার (যেমন- কমলা, আমলকী, পালং শাক) ত্বকের সতেজতা ধরে রাখে।
​হিউমিডিফায়ার: সম্ভব হলে ঘরে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন যা বাতাসের আর্দ্রতা বজায় রাখে।

18/01/2026

সুস্থ ,উজ্জ্বল ত্বকের জন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ জল পান করা প্রয়োজন।

17/01/2026

Healthy skin,healthy life.

Address

Satkhira
9400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Associate Professor Dr. Harash*t Chakrabarty, Dermatologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram