Dr.Saiful Islam Bhuiyan

Dr.Saiful Islam Bhuiyan health services

15/02/2023
অশ্বগন্ধা হচ্ছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আয়ুর্বেদী ভেষজ। হাজার হাজর বছর ধরে অশ্বগন্ধার উপস্থিতি এবং ব্যবহার লক্ষ করা যায়। ভার...
11/10/2021

অশ্বগন্ধা হচ্ছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আয়ুর্বেদী ভেষজ। হাজার হাজর বছর ধরে অশ্বগন্ধার উপস্থিতি এবং ব্যবহার লক্ষ করা যায়। ভারতীয় চিকিৎসা শাস্ত্রের ইতিহাসে এটিকে ‘‘অত্যাশ্চর্য ভেষজ’’ বা অ্যাডাপ্টোজেন (মানসিক চাপ মুক্তির এজেন্ট) বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে কারণ মানসিক চাপের উপসর্গ বা দুশ্চিন্তার উপসর্গ কমাতে সাধারণ ভেষজের মধ্যে এটি সর্বাপেক্ষা বেশি ব্যবহৃত হয়।

১. মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়
২. ডায়বিটিস নিয়ন্ত্রণ করে
৩. আর্থারাইটিসের উপসর্গ কম করে
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
৫. ক্ষত নিরাময়ে অনুঘটক
৬. নিদ্রা গাঢ় করে
৭. যৌনক্ষমতা বাড়ায়
৮. থাইরয়েড প্রক্রিয়া বৃদ্ধি করে
৯. হৃদযন্ত্রের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
১০. মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য বৃদ্ধি করে
১১. অ্যাড্রিনাল ফেটিগ প্রতিরোধ করে
১২. ত্বকের জন্য উপকারী
১৩. চুলের জন্য উপকারী
১৪. রজঃস্রাবের উপসর্গ হ্রাস করে
১৫. পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

১৬. পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে: সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, অশ্বগন্ধা পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি শুধুমাত্র শুক্রাণু সংখ্যা এবং টেস্টোস্টেরোন বৃদ্ধি করে না, এটি যৌনক্ষমতা এবং ক্রিয়ার উন্নতি ঘটায়।
প্রতি কোর্স মাএ ৩০০০/ টাকা
সরাসরি যোগাযোগ ঃ 01771 89 10 30

09/10/2021

নারী ও পুরুষের যাবতীয় জটিল ও কঠিন গোপনীয় রোগের সু- চিকিৎসা করা হয়
সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ ঃ 01771 89 10 30

07/10/2021

নারী ও পুরুষের যাবতীয় জটিল ও কঠিন গোপনীয় রোগের সু- চিকিৎসা করা হয়।
যোগাযোগ ঃ 01771 89 10 30

উপকারী পোস্ট ঃআজ ১টি জঙ্গলি লতার ঔষধি গুনের আলোচনা  করবোঃসুবিধা জানা থাকলে অনেক সময়ই ডাক্তারের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে ন...
09/09/2021

উপকারী পোস্ট ঃ

আজ ১টি জঙ্গলি লতার ঔষধি গুনের আলোচনা করবোঃসুবিধা জানা থাকলে অনেক সময়ই ডাক্তারের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।
এই জঙ্গলি লতার অনেকেই দেখেছেন বাংলাদেশের এমন কোন ঝোপঝাড় নাই, যে সেখানে পাওয়া যায় না।এই লতা নাম জার্মানি লতা/জাপানি লতা/বিকাশ লতা/আসামি লতা/রিফুজিলতা।বৈঞ্জানিক নাম_ Mikania micantha.
ঔষধি গুনঃ
১) এখন কেটেছে এ লতার পাতা পিষে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে ৪/৫ঘন্টা বেধে রেখে পরে খুলে ফেলেন দেখবেন জোড়া লেগে গেছে ।
২)বসন্ত বা হাম হয়েছে এর পাতা পিষে রস পানির সাথে মিশিয়ে শরীর ধুয়ে দিন উপকার পাবেন ১০০%।
৩)রক্ত দূষন হয়েছে ৭দিন সকালে খালিপেটে আধাকাপ পাতার রষ ১চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে খেয়ে যান রক্ত দূষন মূক্ত হয়ে যাবে।
৪)আপনার পেটে গ্যাস বা এসিডিটি হয়েছে আধাকাপ পাতার রস খেয়েনিন দেখবেন গ্যাসের ঔষধ লাগবেনা।
৫)প্রসাবে জ্বলাপোড়া নিয়মিত পাতার রস খান সমস্যা কেটে যাবে।
৬)যে কোন লিভারে সমস্যায় এই পাতার রস উপকার করে।
৭)বিষাক্ত পোকামাকর কামড় দিয়েছে এই পাতার রস দিয়ে ধৌত করেন এবং পাতা ছেচে লাগিয়ে রাখেন বিষক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাবে।
৮)সাপে কামড় দিয়েছে তথক্ষনাত এই পাতার রস দিয়ে ধৌত করে লাগি রেখে পরে ডাক্তারের স্বরনাপন্ন হোন।এই পাতার রস সাপের বিষকেও হার মানায়।
৯)পাকস্থলীর প্রদাহ হচ্ছে আদার সাথে ৩টি পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন উপকার পাবেন।
১০)কিডনিতে পাথর হলে প্রতিদিন এই পাতার রস খান ঔষধের থেকে কম উপকার পাবেন না।
১১)চুলকানী খোষপাচড়া,এক্সজিমা সিফলিস,ঘা,দাদ হলে এই পাতার রস দিয়ে ধুয়ে রস লাগাতে থাকেন দেখবেন সেরে যাবে।
১২)চোখ লাল হয়েগেছে এই পাতার রস দিন দেখবেন লাল কেটেগেছে।
১৩)নিয়োমিত এই পাতার রস খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
১৪)ম্যালেরিয়া জ্বর,ঠান্ডা নিরাময় করে।
১৫)এই পাতার রস কাচা হলুদের সাথে মিশিয়ে শরীরে মাখলে শরীর ঠান্ডা থাকে এবং শরীরে দাগ নিরাময় হয়।
১৬)মূখে মেসতা হলে হলুদের সাথে লেবুর রস ও এই পাতার রস মিশিয়ে লাগান সেরে যাবে।
১৭)অনেক দেশে স্যুপের সাথে স্যুপের সব্জি হিসাবে ব্যবহার করে।বিষেশ করে জাপানিরা।

পেটে সহজেই চর্বি জমতে শুরু করে। পেটের চর্বি স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এর ফলে ফ্যাটি লিভারের সমস্যার পাশাপাশি...
03/09/2021

পেটে সহজেই চর্বি জমতে শুরু করে। পেটের চর্বি স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এর ফলে ফ্যাটি লিভারের সমস্যার পাশাপাশি অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও বাড়তে পারে।

শরীরের অন্যান্য স্থানের চর্বি কমানো গেলেও পেটের মেদ সহজে কমানো যায় না। যদিও সঠিক ডায়েট ও নিয়মিত শরীরচর্চা করলে ভুঁড়ি কমতে শুরু করে। তবে অনেকেরই সময় হয়ে ওঠে না শরীরচর্চা করার।

জানলে অবাক হবেন, ডায়েট ও ব্যায়াম ছাড়াও কিন্তু আপনি ভুঁড়ি কমাতে পারবেন। এজন্য মানতে হবে বেশ কয়েকটি বিষয়। নিয়মিত এ কয়েকটি বিষয় অনুসরণ করলে পেটের মেদ দ্রুত কমানো সম্ভব। জেনে নিন করণীয়-

>> সবসময় চেষ্টা করুন ছোট প্লেটে খাবার খেতে। কারণ যত বড় প্লেট; তত বেশি খাবার। তাই ছোট প্লেটে খেলে কম খাবার ও ক্যালোরি খাওয়া হবে। এই অভ্যাসটি আয়ত্ত করলে খাওয়ার পরিমাণও কমবে। ফলে ভুঁড়ি কমতে শুরু করবে।

>> ধীরে ধীরে এবং অনেকবার চিবিয়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। ভুঁড়ি কমানোর ক্ষেত্রে এই অভ্যাসটি বেশ কার্যকরী। যখন আপনি মনোযোগ সহকারে এবং অনেকবার চিবিয়ে খাবার খাবেন তখন তা দ্রুত হজম হবে। অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতাও কমবে। যা ভুঁড়ি কমাতে সাহায্য করবে।

>> মানসিক চাপমুক্ত থাকা ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ হতাশায় ভোগা মানুষেরা অতিরিক্ত খাওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন। এজন্য পর্যাপ্ত ঘুম ও মেডিটেশন জরুরি। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কম ঘুমান তাদের ওজন ও ভুঁড়ি বাড়তে পারে।

কারণ কম ঘুমের কারণে মানসিক চাপ বেড়ে যায়। ফলে কর্টিসল হরমোন নিঃসরণের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং উচ্চ ক্যালোরি গ্রহণের প্রবণতা বাড়ে। এজন্য দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম জরুরি।

>> শরীরের ভঙ্গি নিয়ন্ত্রণ করুন। বর্তমানে সবাই কমবেশি অফিসের ডেস্কে বসে কাজ করেন। সারাদিন বসে কাজ করার কারণেও পেটের ভুঁড়ি বাড়তে পারে। এ কারণে বসার ভঙ্গি বদলান এবং দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ না করে বরং মাঝে মাঝে বিরতি নিন এবং হাঁটুন। এতে ভুঁড়ি কমতে শুরু করবে।

>> প্রচুর পানি পান করুন। শরীর আর্দ্র রাখতে দৈনিক ২-৩ লিটার পানি অবশ্যই পান করুন। বিশেষ করে ঘুম থেকে উঠে দিনের শুরুতে এক গ্লাস পানি পান করুন।

সেইসঙ্গে প্রতিবার খাওয়ার আগে এক গ্লাস করে পানি পান করুন। পর্যাপ্ত পানি খেলে শরীরের বিপাকক্রিয়া বাড়ে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতাও কমে। এটি ক্ষুধা মেটায় এবং পেট দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখে।

>> শরীরচর্চা না করলেও নিয়মিত হাঁটাহাঁটির অভ্যাস গড়ুন। যানবাহন কম ব্যবহার করে গন্তব্যে হেঁটে আসা-যাওয়া করুন। এতে দ্রুত শরীরের অতিরিক্ত মেদ

27/08/2021

ভালোবাসার প্রয়োজন রয়েছে সব বয়সে।
তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে পুরুষদের বিভিন্ন গোপন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়.......

কিন্তু এটা সত্যি যে, আপনি যে কোনও বয়সেই সুস্থ ও সন্তুষ্টি জনক দাম্পত্য জীবনের আনন্দ পেতে পারেন।

আপনার গোপন সমস্যার সমাধান করুন.........
আর হয়ে উঠুন সেই পুরুষ, ঠিক যেমন আপনি আগে ছিলেন।

এর জন্য প্রাথমিক ভাবে যে চিকিৎসা আপনি নিতে পারেন
১। আলকুছি পাডার
২। অর্গানিক- মধু
৩।অর্গানিক -ঘি
সেবন বিধি ঃ সকালে এবং রাতে ২ চা চামুচ

আরও যানতে কল করুন ০১৭৭১৮৯১০৩০

07/08/2021

আস’সালামু আলাইকুম আমি হাকীম সাইফুল ইসলাম
আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই।
আপনারা সকলে জানেন ইবাদাতের জন্য শরীর সুস্থ থাকটা অত্যন্ত জরুরী।
সুস্থ শরীর আল্লাহর দেয়া নেয়ামত। এই নেয়ামতের খেয়ানত করা আসলে নিজের নফসের প্রতি জুলুম করা।
অথচ আমরা যদি ইসলামের কিছু নিয়ম মেনে চলি তবে কিন্তু সুস্থ থাকতে পারি।
আমি চাই আগামী শুক্রবার পবিত্র জুমার দিনে আমাদের সম্মানিত ইমাম সাহেবগন যদি পবিত্র কুর’আন হাদিসের দলিল দিয়ে নিচের কথাগুলো সকল মুসল্লিদের বুঝিয়ে দেন তাহলে এটা আমাদের সকলের জন্য উপকারী হবে ; নিজের শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে সাহায্য করবে। এটা সদকায়ে জারিয়া হিসেবে গণ্য হবে।

আপনারা সকলে এই পোস্ট সরাসরি শেয়ার দিতে পারেন তাহলে সবাই অনেক বেশি উপকৃত হবে।

১. আমাদের সবার আগে যেটা করতে হবে নিজের জন্য ক্ষতিকর খাবারগুলো বর্জন করতে হবে যেমন সকল প্রকার ভেজিটেবল তেল যেমন সয়াবিন ( মুলত ভেজিটেবল থেকে কোন তেল হয় না এই নাম একটি প্রতারনা), সকল প্রকার প্রসেসড ফুড, সাদা চিনি ইত্যাদি। এখানে আল্লাহ বলেছেন whole food খেতে যেটা আমাদের রোগ মুক্তি করবে এক্ষেত্রে খাবারই হল ঔষুধ এটা রেফারেন্স দিয়ে বললে আরো গ্রহনযোগ্য হবে।

২. আমাদের পরিমিত খাওয়ার সুন্নতের আমল করা হাদিসে যেভাবে খেতে বলা হয়েছে ; এক ভাগ খাবার, এক ভাগ পানি, এক ভাগ খালি এবং স্বল্প আহার অর্থাৎ ক্ষুদা লাগলে খেতে হবে লোভে পড়ে খাওয়া যাবে না। লোভে পাপ পাপে রোগ ব্যাধি।

৩. মাগরিবের পর পরই রাতের খাবার শেষ করা; ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত তিন/চার ঘন্টা পূর্বে রাতের খাবার শেষ করা যেন খাবারের হজম প্রক্রিয়া ঘুমাতে যাবার আগেই শেষ হয় ; তাহলেই শরীর ঘুমের ভেতর তার নিজস্ব গঠন, কোষ পরিস্কার এবং আরোগ্যের কাজ করতে পারে ।

৪. সময় নিয়ে ধীরে সুস্হে চিবিয়ে চিবিয়ে ভালো করে খাওয়া তাড়াহুড়া না করা, খাবার খাওয়াকে ইবাদাত মনে করা পূর্ন মনযোগের সাথে খাওয়া।

৫. সপ্তাহে দুইটি রোজা মাসের মাঝখানে তিনটি রোজা অন্যান্য নফল রোজা এবং ফরজ রোজা রাখার ব্যাপারে জোর দেয়া।রোজার মাধ্যমে দেহ এবং আত্নার পরিশুদ্ধি ঘটে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে অটোফেজি যার আবিস্কারের মাধ্যমে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন জাপানী বিজ্ঞানী অসুমী মনে রাখবেন বেশী খেলে আত্না অসুস্হ হয়ে রোজা আত্নাকে শান্ত রাখতে পবিত্র রাখতে সহায়তা করে।

৬. বেশি বেশি নফল নামাজ এটা শরীর ভালো রাখতে এবং মনকে শান্ত রাখতে সহায়তা করে মনে প্রশান্তি না থাকলে শরীরে stress হরমন নিঃসরণ হয় যেটা কিনা শরীরে অনেক ধরনের রোগ তৈরীতে সাহায্য করে যেমন উচ্চ রক্তচাপ ডায়াবেটিস সহ আরো প্রায় একশ রকমের রোগ।

৭. সুস্হ থাকতে হলে Early অর্থাৎ এশার নামাজের পর ঘুমাতে যাওয়া এবং ভোরে উঠে তাহাজ্জুত এবং ফজরের নামাজ পড়া জরুরী । আল্লাহ রাতকে দিয়েছেন বিশ্রামের জন্য আর দিনকে কাজের জন্য। রাত ১০টা থেকে দুইটা এই সময়ে শরীরে মেলাটোনিন বেশি থাকে তাই স্বপ্নবিহীন গভীর ঘুমের জন্য রাত ১০টার পূর্বে ঘুমাতে যাওয়া জরুরী। এক দিনের মোট তিন ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ দিন রাত মিলিয়ে আট ঘন্টা ঘুমানো জরুরী। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখার জন্য।

৮. আল্লাহ শরীরকে তৈরী করেছেন কাজ করার জন্য আমরা যদি কায়িক শ্রম না করি তাহলে শরীর সুস্থ থাকার কোন কারণ নেই তাই আমাদের ব্যায়াম করা, হাটা, দৌড়ানো, সাঁতার কাটা জীমে যাওয়া যাদের সুযোগ আছে কায়িক শ্রম করা খুবই জরুরী। আমাদের নবী সাঃ পরিশ্রমী ছিলেন, সমর নায়ক ছিলেন, নিয়মিত ঘোড় দৌড় তীরন্দাজি প্রতিযোগিতা অনুশীলন করাতেন ।

৯. আমরা জানি সূর্যের আলোতে ভিটামিন ডি তৈরী হয় তাই নিয়মিত রোদে যাওয়া খুবই জরুরী এবং প্রকৃতির কাছে যাওয়া গাছের কাছে সবুজের কাছে যাওয়া pure অক্সিজেন পাওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত জরুরী।

১০. মানসিক প্রশান্তি ছাড়া সুস্থতা অসম্ভব। তাই আল্লাহর উপর পূর্ন আস্হা রাখা, আখেরাতমুখী চিন্তা করা। বিপদ আপদকে গজব না মনে করে আল্লাহর দেয়া পরীক্ষা হিসাবে দেখা এখানে সুরা বাকারার আয়াতগুলো থেকে রেফারেন্স দেয়া যেতে পারে।আর পজেটিভ চিন্তা করা। প্রশান্ত আত্নার জন্য আল্লাহর সাহায্য চাওয়া।

১১. ক্লান্ত শরীর এবং প্রশান্ত মন ভালো ঘুমের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন এবং ভালো ঘুম ছাড়া সুস্থ থাকাটা প্রায় অসম্ভব।

প্রতিটি ইবাদত আল্লাহর জন্য, নিয়তগুনে বরকত নিয়ত হবে আল্লাহর সন্তুস্টি এবং উনি খুশী হয়ে রোগ থেকে মুক্ত করবেন

Address

2nd Floor, Ali Tower, Noakhali
Sonaimuri
3827

Telephone

+8801771891030

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Saiful Islam Bhuiyan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram