30/03/2026
লাশ গুলো আপনার বা আপনার পরিবারের সদস্যদের হতে পারে, তাদের পরিসঙ্খানে মৃত্যু ৩৯৪, আহত ১২৮৮ , আহতদের ৮০%ই বিনা চিকিৎসা ও চিকিৎসা অবহেলায় মারা যায় - সে হিসেব কেউ নেয় না - । স্বজনহারাদের আর্তনাদ আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। কিন্তু কেউ কোন সহানুভূতি ও দুঃখ প্রকাশ পর্যন্ত করলোনা। স্বজনহারাদের আর্তনাদ অভিশাপের বৃষ্টি হয়ে নামবেই, আজ হোক কাল।।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঈদ উপলক্ষে যাত্রা শুরুর দিন ১৪ মার্চ থেকে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরার দিন ২৮ মার্চ পর্যন্ত ১৫ দিনে ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত ও ১ হাজার ৪৬ জন আহত হয়েছেন। ২০২৫ সালের ঈদুল ফিতরে ৩১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত ও ৮২৬ জন আহত হন। বিগত বছরের সঙ্গে তুলনা করলে এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা ৮ দমশিক ৯৫ শতাংশ, প্রাণহানি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ ও আহত ২১ শতাংশ বেড়েছে।
বাসে মুখোমুখি সংঘর্ষ, বাস ট্রেনের সাথে সংঘর্ষ, বাস উল্টে পড়ে, বাস প্রাইভেট কারে চাপা, বাস মোটরসাইকেল চাপা, বাস নদীতে ফেলে, এখানে সচেতনতা দিয়ে কি হবে?? এবারের সড়ক দুর্ঘটনা নামের আড়ালে অবাধ সড়ক হত্যাকাণ্ড, দেশের নয় শুধু এটা বিশ্ব রেকর্ড। কিন্তু কোন মাদারবোর্ড সহানুভূতি বা দুঃখ প্রকাশ করেনি। ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের ২টি আন্দোলন হয় (১) কোটা আন্দোলন (২) নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন। কোটা আন্দোলন গুরুত্ব না দেওয়ায় শেষে পর্যন্ত রাষ্ট্র সমাজ পরিবর্তন হয়। কিন্তু সড়ক আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছে তাই পরিবহন ঘাতকরা বেপরোয়া দানবের ভূমিকায়। পাবলিক নিজের জীবন বাঁচাতে, একসময়ে ঘাতকদের ধরা শুরু করলে??
ঘাতকদের ধরা বা সাজার নজির নেই, বিচারহীনতা অপরাধ প্রবনতা উৎসাহিত করে।
বাসের ঘাতক চালক গাঁজা সেবন, মদ সেবন করে গাড়ি চালায়। বাসের মালিক কম টাকা দিয়ে চালকের বদলে হেলপার দিয়ে গাড়ি চালায়। বাস বেপরোয়া গতি। প্রতিযোগিতা, রেসারেসি। সড়কের মাঝে যাত্রী নামিয়ে দেওয়া, না নামলে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা। পরিবহন সেক্টর সর্বশক্তিমান, তাদের স্বার্থের আফিম সকলেই মাথা নত। #ঘাতক , মদ গাঁজা খেয়ে গাড়ি চালায়, ষ্টিয়ারিং হাতে সিগারেট খেতে খেতে বা মোবাইলে কথা বলতে বলতে গাড়ি চালায় , আর #মাদারবোর্ডরা বলে, মানুষ সচেতন হলে সড়কে হত্যাকাণ্ড কমবে, ঘাতক জামাইয়ের আদরে।
পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে ৩৭৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।