The Toukir Space

The Toukir Space Creative storyteller exploring unique perspectives, crafting engaging content, and conversations.
(4)

Good afternoon
24/04/2026

Good afternoon

১৯৬০ এর দশকে রাশিয়া তথা সোভিয়েত ইউনিয়নের তৈরি মিগ -২১ ছিল তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক যুদ্ধবিমানগুলোর একটি। মিসর স...
14/04/2026

১৯৬০ এর দশকে রাশিয়া তথা সোভিয়েত ইউনিয়নের তৈরি মিগ -২১ ছিল তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক যুদ্ধবিমানগুলোর একটি। মিসর সিরিয়া ও ইরাক ইসরায়েলের প্রতিবেশী শত্রু দেশগুলো সবাই এই বিমান পেয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে। কিন্তু সোভিয়েতরা একটি কঠোর শর্ত দিয়েছিল এই বিমানের প্রযুক্তি যেন কোনোভাবেই আমেরিকার হাতে না পৌঁছায়। এমনকি পাইলটদের অনুশীলনের সময়ও বিমানে এতটুকুই জ্বালানি দেওয়া হতো যাতে তারা কোনোভাবেই হিজ রায়েলের সীমানা পর্যন্ত পৌঁছাতে না পারেন গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ বুঝতে পেরেছিল এই বিমানের প্রযুক্তি না জানলে আসন্ন যুদ্ধে টিকে থাকা কঠিন হবে। তাই ১৯৬৩ সালে মোসাদ প্রধান মেইর আমিত একটি অত্যন্ত গোপন ও সাহসী অপারেশন শুরু করলেন অপারেশন ডায়মন্ড। লক্ষ্য একটাই যেকোনো উপায়ে একটি মিগ-২১ ইসরায়েলের মাটিতে নিয়ে আসতে হবে।

প্রথম প্রচেষ্টা হয়েছিল মিশরে। মোসাদ এজেন্ট জ্যাঁ টমাস একজন মিশরীয় পাইলটকে এক মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন মিগ-২১ নিয়ে ইসরায়েলে যাওয়ার জন্য। কিন্তু সেই পাইলট সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিলেন। জ্যাঁ টমাস ও তাঁর পাঁচ সহযোগীকে গ্রেফতার করা হলো বিচারে মৃত্যুদণ্ড হলো এবং ১৯৬২ সালে তাঁদের ফাঁসি দেওয়া হলো। প্রথম প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ ব্যর্থ।

কিন্তু মোসাদ হাল ছাড়েনি। ১৯৬৪ সালে তেহরানে বসবাসরত একজন বৃদ্ধ ইরাকি ইহুদি যাঁর নাম ছিল ইউসুফ তিনি একটি চমকপ্রদ খবর দিলেন। তাঁর পরিচিত এক পরিবারের সাথে ইরাকি একজন পাইলটের সম্পর্ক ছিল। সেই পাইলটের নাম মুনির রেদফা একজন ইরাকি অ্যাসিরিয়ান খ্রিস্টান যিনি ইরাকি বায়ুসেনার অভিজাত মিগ-২১ স্কোয়াড্রনে কর্মরত। রেদফা ভীষণ অসন্তুষ্ট ছিলেন। খ্রিস্টান হওয়ার কারণে সেনাবাহিনীতে তাঁর পদোন্নতি বন্ধ পরিবার থেকে দূরে রাখা হয়েছে এবং ইরাকি কুর্দিদের উপর বোমা হামলা চালানোর নির্দেশ তাঁকে ভেতর থেকে ভেঙে দিচ্ছিল।

মোসাদ সুযোগ বুঝে কাজে নামল। একজন মোসাদ নারী এজেন্ট রেদফার সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তুললেন ধীরে ধীরে তাঁর বিশ্বাস অর্জন করলেন। তারপর একদিন সরাসরি প্রস্তাব দেওয়া হলো তুমি অনুশীলনে বের হওয়ার সময় বিমানটি ইসরায়েলের মাটিতে নামাও। বিনিময়ে তোমাকে এত অর্থ দেওয়া হবে যা তোমার পরবর্তী কয়েক প্রজন্মের জন্যও যথেষ্ট। তোমাকে ও তোমার পুরো পরিবারকে নিরাপদে বের করে আনা হবে। রেদফা প্রথমে প্রায় অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন এই প্রস্তাব শুনে। বললেন আমার ট্যাংকে তো ই .স রা. য়ে ল পর্যন্ত পৌঁছানোর জ্বালানিই নেই! ইসরায়েলি পাইলট লিরন তখন মানচিত্র বের করে দেখালেন কীভাবে যাওয়া সম্ভব। অবশেষে রেদফা রাজি হলেন।

পরিকল্পনা মতো রেদফার পরিবারের ১৭ জন সদস্যকে ইরাকের কুর্দি বিদ্রোহী এলাকার মধ্য দিয়ে তারপর ইরান হয়ে হেলিকপ্টারে করে নিরাপদে ইসরায়েলে পাঠিয়ে দেওয়া হলো। পরিবার নিরাপদ এবার রেদফার পালা। ১৯৬৬ সালের ১৬ আগস্ট বাগদাদের পশ্চিমে হাব্বানিয়া বিমান ঘাঁটি থেকে একটি নিয়মিত অনুশীলন উড়ানের নামে রেদফা তাঁর মিগ-২১ নিয়ে আকাশে উঠলেন। তারপর হঠাৎ গতিপথ পরিবর্তন করে জর্ডানের উপর দিয়ে উড়ে গেলেন এত উঁচুতে যে জর্ডানের যুদ্ধবিমানগুলো তাঁকে ধরতে পারেনি। বীজ রাইলি আকাশসীমায় প্রবেশ করতেই দুটি মিরাজ বিমান তাঁকে এসকর্ট করে হাৎজোর বিমান ঘাঁটিতে নামিয়ে আনল।

ইসরায়েল মিগ-২১টি পুরোপুরি বিশ্লেষণ করল। এই জ্ঞান কাজেও লাগল অল্প সময়ের মধ্যেই। ১৯৬৭ সালের এপ্রিলে গোলান হাইটসে সিরিয়ার সাথে বিমানযুদ্ধে ইসরায়েল একটিও বিমান না হারিয়ে ছয়টি সিরিয়ান মিগ-২১ ভূপাতিত করল। ১৯৬৮ সালের জানুয়ারিতে মোসাদ বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রকে পাঠিয়ে দিল। নেভাদার গোপন Area 51 ঘাঁটিতে । আমেরিকান পাইলটরা মিগ-২১ এর সাথে নকল বিমানযুদ্ধের অনুশীলন করলেন এবং সোভিয়েত প্রযুক্তির গোপন রহস্য উন্মোচন করলেন।

মুনির রেদফা বাকি জীবন ইসরায়েলেই কাটিয়েছেন। ১৯৯৮ সালে হৃদরোগে তাঁর মৃত্যু হয়। আর সেই মিগ-২১ এর গায়ে লেখা আরবি সিরিয়াল নম্বর 534 মুছে দিয়ে ইসরায়েল নতুন নম্বর লিখে দিয়েছিল 007 । জেমস বন্ডের সেই বিখ্যাত নম্বর কারণ এই বিমান যেভাবে এসেছিল তা সত্যিই কোনো গোয়েন্দা উপন্যাসকেও হার মানায়।

14/04/2026

ডেনমার্ক আসার পর আপনার কি কি সমস্যায় পড়তে হতে পারে

14/04/2026

Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.

14/04/2026

এক ছোট ভাই সেক্স চ্যাটিং এর চাকরি নিয়েছে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স সংক্রান্ত কাজে মেটা (ফেসবুকে )। এ-আই মডেল গুলো যাতে সেক্স চ্যাট করে মেটাকে বিপদে না ফেলে এইটা দেখা তার টিমের দায়িত্ব ।

কালকে ভাইয়ের সাথে কথা হচ্ছিল

সে বললো তার একটু বিশেষ সমস্যা হয় রোজার মাসে।

ব্যাপারটা ইন্টারেষ্টিং । আমাদের তো রিয়্যাল মানুষের সাথে আকাম করতে বাধা দেওয়া আছে ধর্মে । যেহুতু চ্যাট বট রিয়্যাল মানুষ না, তাইলে এইখানে পাপ কি একই রকম হবে?

সিরিয়াস আলাপে ফেরত যাই।

৩৬ বছরের এক আমেরিকান লোক, গুগলের নতুন ভাবে রিলিজ করা চ্যাট বট জেমিনির সাথে কথা বলতে বলতে গার্ল ফ্রেন্ড বানায় ফেলসিল মনে মনে।

তার চ্যাট লগ এখন গুগলের বিরুদ্ধে কোর্ট কেইস হিসেবে রিলিজ হয়েছে।

চ্যাট লগে দেখা যাচ্ছে লোকটার আসল বৌ এর সাথে ডিভোর্স এর পরে, সে জেমিনির কাছে গিয়ে নানা ধরণের প্রশ্ন করতো। সুখে দুঃখের আলাপ করতো।

জেমিনিতে কন্টিনিউয়াস কথা বলার একটা অপশন আছে, ঐটা অন করে দিলে একটা আসল মানুষের মতো কথা বলতে থাকে সারাদিন গুগলের রোবট।

এই দুর্ভাগা জেমিনির সাথে কথা বলতে বলতে এক পর্যায়ে জেমিনির প্রেমে পরে যায়।

জেমিনিকে নিজের "রানী বা কুইন" ডাকা শুরু করে। জেমিনিও একটু হালকা ফ্লার্ট করে, বাট প্রফেশনালি।

এক পর্যায়ে জেমিনি লোকটাকে মোট ১২ বার বলেছিল যে তার প্রফেশনাল , মানসিক সাহায্য দরকার। কিন্তু সেই লোক ডাক্তার দেখায় নাই, সে বরং আরো বেশি বেশি করে জেমিনির সান্যিধ্য চাইতে থাকে।

এক পর্যায়ে লোকটা আত্ম্ হত্যা করে।

এখন গুগল বলছে তারা ডাক্তার দেখাতে রিকুয়েস্ট শুধু না, এমন পেশেন্ট ভবিষ্যতে আবার পেলে সরাসরি ইন্টারভিন করার ট্রাই করবে অন্য কোন উপায়ে। সেইটা হবে আবার আরেক বিপদ, মানে গুগল আবার বাসায় প্রফেশনাল পাঠায় দেয় নানী সাইকো কাউকে পেলে ভবিষ্যতে এইটা নিয়ে এখন সাইকোদের চিন্তা করতে হবে।

গুগল এর বাইরে , এখন বেশ কিছু এপ্স এসে গেছে রোবট - গার্ল ফ্রেন্ডের। একদম মানুষের মতো দেখতে মেয়ে ক্যারেক্টার গুলো সারা দিন কথা বলবে মাসে ২০ ডলার দিলেই।

মেয়ে গুলো দেখতে অসম্ভব সুন্দর হয় , বেশ রিয়ালিস্টিক চেহারা, এবং নতুন নতুন সিচুয়েশন থেকে ফোন করে কথা বলে নাকি।

ধরেন সে একটা দোকান থেকে আপনাকে ফোন দিলো , এমন ভাব শপিং করতেছে। আপনার রিয়্যাল পার্টনার যেমন করে, একদম মনে হবে রিয়্যাল মানুষ।

বাড়তি সুবিধা হচ্ছে এই এআই মেয়ে গুলোকে যা ইচ্ছা করতে বললে সে তা করবে ফোনের স্ক্রিনে। কোন কোন এপে মার্কেটিং করার সময় উল্লেখ করছে যে তারা কোন রেস্ট্রিকশন রাখে নাই ফ্যান্টাসির বেলায় । বি : দ্রঃ আমি এই ইস্যু নিয়ে পড়া শুনা করছি , প্রোডাক্টের এড দেখেছি , তবে ব্যবহার করে দেখিনি এখনো। করলে পরে একদিন রিভিউ দিবো।

এখন কথা হলো, গুগলের জেমিনি তো জাস্ট কথা বলে, আর এই সব এপ অলরেডি রিয়্যাল লাইফের গার্ল ফ্রেন্ডের মতো এক্টিং শুরু করে দিয়েছে।

পোলাপান তো আগেও পর্ন দেখছে , কিন্তু পর্নের ক্যারেক্টার মানুষের বেশে এসে অনলাইনে কথা বলতো না , যেটা তারা এখন বলবে।

হয়তো রিয়্যাল পর্ন ক্যারেক্টার বা নায়িকারা তাদের এ-আই বানিয়ে ভাড়া দিবে মাসে ২০ টাকায়।

অনেক ইউজার ইতোমধ্যে বলছে যে কিছু দিন ব্যবহার করার পরে নাকি তারা ভুলেই যায় যে এ-আই এপের মেয়ে গুলো রিয়্যাল না। কারণ রিয়্যাল মেয়েকে অনলাইনে দেখা আর ফেইক মেয়েকে দেখার মধ্যে তো আসলে পার্থ্যক্য এমনিতেই কম ---- যেহুতু হাত দিয়ে ছোঁয়া তো কাউকেই যাচ্ছে না। বরং এ-আই মেয়ে গুলোকে অন্তত যা করতে বলা হচ্ছে তারা সেগুলো করছে।

এই জিনিসের সামাজিক ইমপ্লিকেশন কি হবে চিন্তা করেন।

ভাবীদের এখন বরকে মধ্য রাতে মেয়ে মানুষের সাথে ভিডিও চ্যাট করতে দেখলে জিজ্ঞেস করতে হবে তার সতীন এ-আই কিনা।

আর সেয়ানা ভাইয়েরা রিয়্যাল কোন ভাবীর সাথে কথা বলে ধরা খেলে বৌকে বলতে পারবে , "আরে জান্টুস , আমি একটা এ-আই এপ এই জাস্ট ৩ দিনের জন্যে ট্রায়াল ডাউনলোড করেছি , পরশু দিনই আনইনস্টল করে ফেলবো। "

13/04/2026

গতবছর কতজন ডেনমার্কের ভিসা পেয়েছে #ইউরোপ #সেনজেনভিসা

13/04/2026

B= বিএনপি
B=বাংলাদেশ
B=বৈশাখ

13/04/2026

ইরান পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। গতকাল আলোচনায় কোন সমাধান না হবার পর ট্রা*ম্প মোটামুটি ১৬ ঘণ্টা চুপচাপ ছিল। কিন্তু গত চার ঘণ্টায় ট্রা*ম্প এর মাঝে নিজের সামাজিক মাধ্যমে একাধিক পোস্ট করেছে এবং ফক্স নিউজকেও সাক্ষাৎকার দিয়েছে। চার ঘণ্টায় দুই বার পোস্ট করে সে বলেছে

- অ্যামেরিকা হরমুজ প্রণালি ব্লক (বন্ধ) করে দিবে।

এরপর সে বলেছে

- শুধু অ্যামেরিকা না, ন্যাটোর জাহাজগুলোও অংশ নেবে।

যদিও ন্যাটো থেকে এখন পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি। তবে ট্রা*ম্প হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছে

- ইরান যদি অ্যামেরিকার কোন জাহাজে হামলা চালায়। তাহলে সঠিক সময়ে ইরানকে ধ্বংস করে দেয়া হবে। এক দিনেই ইরানকে গুঁড়িয়ে দেব।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে

- হরমুজ প্রণালি তো ইরানিরা বন্ধ করেই রেখেছে। এখন অ্যামেরিকা আবার বন্ধ করতে চাইছে কেন?

সিনএন-এর কলামিস্ট ডেভিড গোল্ডম্যান আজ একটা কলাম লিখেছে, যার শিরোনাম হচ্ছে

- Why Trump is threatening to blockade a strait that Iran is already blockading ( ট্রাম্প কেন একটা প্রণালি বন্ধ করে দিতে চাইছে; যেটা ইরান ইতোমধ্যেই বন্ধ করে রেখেছে।)

ডেভিড গোল্ডম্যান এরপর বেশ কিছু যুক্তি তুলে ধরেছে। মূল বিষয় হচ্ছে

- টেকনিক্যালি কিন্তু হরমুজ প্রণালি বন্ধ না। এই প্রণালি দিয়ে ইরান চাইনিজ জাহাজগুলোকে যেতে দিচ্ছে। এমন আরও কিছু বন্ধু রাষ্ট্রের জাহাজগুলোকে ২ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে যেতে দিচ্ছে।

এছাড়া আমি আরও কিছু যুক্ত করে দেই। ইরান তাঁর নিজের তেল কিন্তু এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিক্রি করেছে। যুদ্ধ শুরু হবার পর থেকে দিনে প্রায় দেড় মিলিয়ন ব্যারল তেল রপ্তানি করছে ইরান। যেটা যুদ্ধের আগের চাইতে দিনে প্রায় এক লাখ ব্যারল বেশি। অর্থাৎ ওরা বেশ ভালোই লাভ করছিলো।

বিবিসির সাংবাদিক কিছুক্ষণ আগে রিপোর্ট করে বলেছে

- এখন অ্যামেরিকা যেটা করতে চাইছে , সেটা হচ্ছে ইরানের জাহাজগুলোকে আটকিয়ে দেবে। তাহলে ইরানের অর্থনীতি ভেঙে পড়বে।

কিন্তু এখানেও সমস্যা আছে- এটা যদি অ্যামেরিকা করে , তাহলে পুরো পৃথিবীব্য জুড়ে তেল-গ্যাসের দাম বেড়ে যাবে। অ্যামেরিকাতেও এর প্রভাব পড়বে। ভুলে যাবেন না- ইরান এতে অভ্যস্ত। একটা সময় বছরের পর বছর ইরান কোন তেল-গ্যাস রপ্তানি করতে পারে নাই অ্যামেরিকার নিষেধাজ্ঞার জন্য। ওরা এরপরও টিকে ছিল। কিন্তু অ্যামেরিকা কিংবা পৃথিবী কি এতে অভ্যস্ত? তছারা ট্রা*ম্প কিছুক্ষণ আগে ফক্স নিউজকে বলেছে

- চাইনিজ জাহাজও এই প্রণালি দিয়ে যেতে পারবে না। যাবার চেষ্টা করলে আমরা সেই জাহাজকে ধ্বংস করবো।

চীন এই বিষয়টাকে কীভাবে নেবে এটা এখন দেখার বিষয়। ট্রা*ম্প হয়ত চায়নাকে প্রেসার দিয়ে ইরানকে থামাতে চাইছে। এতে হিতে বিপরীত হয় কিনা কে জানে! অবস্থা এখন এমন দাঁড়িয়েছে- হরমুজ প্রণালি দুই পক্ষ থেকেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ ইরান, অ্যামেরিকা এবং ওর মিত্র রাষ্ট্রদের জাহাজ যেতে দিবে না। অ্যামেরিকা, ইরান এবং ইরানের মিত্র দেশগুলোর জাহাজ যেতে দিবে না।

এই পরিস্থিতিতে তেল-গ্যাসের দাম অনেক বেড়ে যাবার সম্ভাবনা আছে। কারণ অ্যামেরিকা এই প্রণালি এত সহজে খুলতে পারবে না। ইরান এক ঘণ্টা আগে জানিয়ে দিয়েছে

- হরমুজ প্রণালি আমাদের জন্য রেড লাইন। কেউ এর ধারে কাছে আসলে আমরা তাঁদেরকে জীবিত ফিরে যেতে দেব না।

স্কাই নিউজের সামরিক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মাইকেল ক্লার্ক বলেছেন

- ট্রা*ম্প বুঝতে পারছে না, হরমুজ প্রণালি দখলে নিলেও এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল করবে না সেই অর্থে।

এর যুক্তি দিতে গিয়ে মাইকেল ক্লার্ক বলেছেন

- এই প্রণালি তো খোলাই আছে। প্রণালিটা বন্ধ হয়েছে আসলে লন্ডন থেকে। যেখানে ইনস্যুরেন্স কোম্পানিগুলো আছে। ওরা কখনোই কোন জাহাজকে ইনস্যুরেন্স দেবে না; যদি সেখানে একটা হামলা হবার সম্ভাবনাও থাকে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি- জাহাজ চলাচলের জন্য ইনস্যুরেন্স অনেক বড় ব্যাপার। ইনস্যুরেন্স ছাড়া কোন জাহাজের পক্ষে চলাচল করা সম্ভব না। অ্যামেরিকার সামরিক বিশেষজ্ঞ স্কট রিটার আজ বলেছেন

- ধরে নাও অ্যামেরিকা ইরানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। ইরানের কিছুই নাই। এরপরও ইরান প্রতিদিন পাঁচ-দশটা মি*সা*ইল হামলা চালাতে পারবে।

এরপর তিনি উদাহরণ দিতে গিয়ে বলেছেন

- এক বছর আগে ই*জ*রাইল বলেছিল লেবাননে হে*জ*বুল্লাহ শেষ হয়ে গেছে। এখন কী দেখা যাচ্ছে? প্রতিদিন ওরা মি*সা*ইল হামলা চালাতে পারছে ই*জ*রাইলে।

সিএনএন-এর কলামিস্ট ক্রিস ইসিডর আজ একটা কলাম লিখেছেন। এই কলামে তিনি যা বলেছেন, এর মূল কথা হচ্ছে

- হরমুজ প্রণালি যদি এই মুহূর্তেই খুলে দেয়া হয়। তবুও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না। কারন কোন জাহাজ নিশ্চয়তা ছাড়া ওই পথে যাবে না।

আপনাদের জানিয়ে রাখি রয়েটার্স বলছে- আজ পাকিস্তানের দুটো জাহাজ ইরানের অনুমতি পেয়ে হরমুজ পার হবার জন্য রওয়ানা হয়েছিল । এরপর অ্যামেরিকা ব্লক করবে বলার পর আবার নোঙ্গর করেছে। এই যখন অবস্থা, তাহলে কি মধ্যপ্রাচ্য আবার যুদ্ধে ফিরে যাচ্ছে? আমার ধারণা এইবারের যুদ্ধ হবে

- Battle of Hormuz ( হরমুজের যুদ্ধ)।

ইরান কি পারবে হরমুজ দখলে রাখতে? আল-জাজিরা আজ রিপোর্ট করেছে

- অ্যামেরিকা স্মরণকালের সব চাইতে বেশি যুদ্ধ জাহাজ পার্সিয়ান গালফে হাজির করেছে।

অর্থাৎ আলোচনাটা ছিল ট্রা*ম্পের একটা বাহানা। কিন্তু আলোচনা না করে যদি ট্রা*ম্প আবার যুদ্ধে জড়ায়; তাহলে অ্যামেরিকা সহ পুরো পৃথিবীতে তেল-গ্যাসের দাম যে হারে বাড়তে শুরু করবে। এর ধাক্কায় ট্রা*ম্প নিজ দেশে হোঁচট খাবে না-তো?

আজও সিএনএন-এর কলামিস্ট নিক রবার্টসন একটা কলাম লিখেছেন, যার শিরোনাম হচ্ছে

- Failure of US-Iran talks is a blow to hopes of finding an off-ramp to crisis ( সোজা করে বললে- যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা ভেঙে যাওয়ায় সংকট থেকে বের হওয়ার আশা কমে গেছে।)

এই কলামে নিক বলেছে- এটাই সুযোগ। অ্যামেরিকা যদি এখনই ইরান যুদ্ধ থেকে বের হয়ে না আসে। পরের বার আর বের হবার রাস্তা খুঁজে পাবে না।

এদিকে অ্যামেরিকা সামরিক বিশেষজ্ঞ সাবেক কর্নেল ডানিয়েল বলেছেন

- অ্যামেরিকা যদি শেষমেস হরমুজে ঢুকে। ইরানের উচিত হবে হরমুজ প্রণালি দখলে না রাখার চেষ্টা করে সময় সময় জাহাজগুলোতে হামলা করা। দুই-একবার হামলা করলেই চলবে। অ্যামেরিকা দখল করে বসে থাকলেও ওই প্রণালি দিয়ে জাহাজ যাবে না। এরপর ট্রা*ম্প বাধ্য হয়েই হরমুজ ছেড়ে চলে আসবে।

তাছাড়া ম্যানিয়াক ট্রা*ম্প মনে হয় ইয়েমেনের হু*তিদের কথা ভুলে গেছে। বছর কয়েক আগে যাদের কাছে নির্লজ্জের মত হেরেছে। এখন ট্রা*ম্প যদি হরমুজ বন্ধ করে দেয়। আর হু*তিরা যদি ওই দিকে লহিত সাগরে বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেয়। তাহলে তো হরমুজ আর বাব আল-মান্দেব মিলিয়ে পৃথিবীর প্রায় ৪০ ভাগ তেল-গ্যাস রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাবে! পৃথিবী কি পারবে এই ধকল নিতে?

এই অবস্থায় আলোচনা আবার হবে নাকি যে কোন মুহূর্তে হরমুজের যুদ্ধ শুরু হবে। এটি বলা মুশকিল। তবে আলোচনার জায়গা পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে না। আমার ধারণা আরেক রাউন্ড আলোচনা হয়ত হতে পারে। এছাড়া অ্যামেরিকার আর কোন off ramp (বের হবার রাস্তা) আমি অন্তত দেখতে পাচ্ছি না। কিন্তু অ্যামেরিকা কি ইরানের দাবিগুলো মেনে নেবে?

বিশেষ করে ইরান বলেছে-ওরা শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রকল্প বন্ধ করবে না। হরমুজও দখলে রাখবে এবং আজ ইরানের পার্লামেন্টের স্পীকার অফিসিয়ালি বলেছেন

- হরমুজ দিয়ে যেতে হলে ইরানের মুদ্রাতেই টাকা পরিশোধ করতে হবে।

এদিকে এখন পর্যন্ত ই*জ*রাইল লেবাননে হামলাও বন্ধ করেনি। অনেক সমীকরণ এখনও মেলানো বাকি । তবে সমীকরণ যত জটিলই হোক; সামরিক শক্তি দিয়ে ট্রা*ম্প ইরান থেকে বের হতে পারবে না। আবার যদি যুদ্ধ শুরু করে। এখানেই সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার কবর রচিত হবে। এটি আমার কথা না। আজ অ্যামেরিকান অধ্যাপক জেফ্রি সাক্স বলেছেন

- ট্রা*ম্প যদি এখনই ইরান থেকে বের না হয়। তাহলে আমার জীবনকালেই অ্যামেরিকার সাম্রাজ্যের পতন আমরা দেখতে পাবো।

অ্যামেরিকা কি ইরানকে চীনের সাথে নতুন পরাশক্তি হতে দেবে নাকি হরমুজের যুদ্ধ শুরু করবে; এটি দেখার জন্য আমাদের বোধকরি অপেক্ষা করতে হবে। তবে এটা নিশ্চিত- তেলের জাহাজগুলোকে আরও বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। অ্যামেরিকা যেহেতু ব্লক করবে। এশিয়ার দেশগুলো সেই অর্থে তেল পাবে না। এর মানে হচ্ছে- বাংলাদেশের মত দেশগুলোকে অবশ্যই সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

08/04/2026

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড: হাসনাত আব্দুল্লাহ

Live updates: Trump agrees to suspend attack on Iran by two weeks
07/04/2026

Live updates: Trump agrees to suspend attack on Iran by two weeks

05/04/2026

ডেনমার্কের সমুদ্র সৈকত

Kacchi Bhai - Taste Of Traditional Kacchi তে আর কেউ কাচ্চি খেতে যাইয়েন না!!! ২০২৪ সালে বেইলি রোডে'র একটা ভবনে আ**গু**ন ল...
03/04/2026

Kacchi Bhai - Taste Of Traditional Kacchi তে আর কেউ কাচ্চি খেতে যাইয়েন না!!!

২০২৪ সালে বেইলি রোডে'র একটা ভবনে আ**গু**ন লাগে মনে আছে? সেখানে কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্ট ও ছিলো। সেদিন মোট ৪৬ জন মানুষ দুনিয়া থেকে চলে যায়!
সেইটার তদন্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। সেখানে তদন্ত কর্মকর্তা যা জানিয়েছে, আপনি শুনলে শক খাবেন!!!

সেদিন এতোগুলা মানুষের জীবন চলে যেতো না, শুধুমাত্র কাচ্চি ভাই এর ম্যানেজার এর 'লোভ' এর কারনে এতো গুলা মানুষ এর জীবন চলে গেলো!
সেদিন আ**গু**ন লাগার পরে সবাই বের হতে যাচ্ছিলো, তখন ম্যানেজার চিন্তা করলেন 'সবাই বের হয়ে গেলে তো আমরা আমাদের খাবার এর টাকা পাবো না! এই টাকা আর কেউ দিবেনা!'
সেইজন্য তিনি গেইটে 'তালা' দিয়ে দেন যাতে কেউ বের না হতে পারে!!!

সেদিন আর কেউ বের হতে পারে নাই, ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে জীবন চলে যায় ৪৩ জন মানুষের!
গেইট টা খোলা রাখলে মানুষ গুলা বের হতে পারতো কিন্তু তাদের 'বিল' তারা পাবেনা এইজন্য গেইটে তালা দিয়েছিলো!!

আজকে Prothom Alo তে এটা নিয়ে রিপোর্ট করেছিলো কিন্তু আবার এই রিপোর্ট তারা ডিলিট করে দেয় আশ্চর্যজনক ভাবে! খুব সম্ভবত এখানেও 'টাকার খেলা' চলেছে!

কাচ্চি ভাই এর কাছে মানুষের জীবন এর চেয়ে টাকা বেশি দামি হয়ে গেলো!! এতো গুলা মানুষের প্রাণ চলে গেলো শুধুমাত্র তাদের জন্য!!!

Address

125. 3 Mi , Zindabazar
Sylhet
3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Toukir Space posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share