Human Life

Human Life শির্ক মুক্ত ঈমান এবং বিদ'আত মুক্ত আমল সমাজে প্রতিষ্ঠা করার ক্ষুদ্র একটি প্রয়াস।

“অভিযোগ নয়,ইস্তেগফার বাড়াও; কারণ সমস্যা সৃষ্টি হয় পাপের কারণে,আর সমাধান আসে তাওবার মাধ্যমে☝️ইসলামী শিক্ষা অনুসারে পাপ...
27/01/2026

“অভিযোগ নয়,ইস্তেগফার বাড়াও; কারণ সমস্যা সৃষ্টি হয় পাপের কারণে,আর সমাধান আসে তাওবার মাধ্যমে☝️

ইসলামী শিক্ষা অনুসারে পাপ-গুনাহ মানুষের জীবনে বিপদ,সংকীর্ণতা,রিযিকের কমতি,মানসিক অস্থিরতা ইত্যাদি নিয়ে আসে। অন্যদিকে তাওবা (অনুতাপের সাথে ফিরে আসা) এবং ইস্তেগফার (বারবার ক্ষমা প্রার্থনা) এসব থেকে মুক্তি,বরকত ও সমাধানের দরজা খুলে দেয়। নিচে কুরআন ও হাদিসের আলোকে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. পাপ-গুনাহ সমস্যা ও বিপদের কারণ

কুরআন মাজীদে আল্লাহ তা‘আলা স্পষ্টভাবে বলেছেন যে,মানুষের কৃত অপরাধের কারণেই বিপদ আসে:

✅ সূরা আশ-শূরা (৪২:৩০)
وَمَا أَصَابَكُمْ مِنْ مُصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ وَيَعْفُو عَنْ كَثِيرٍ
অর্থ: “তোমাদের যেকোনো মুসীবত (বিপদ) আসে,তা তোমাদের হাতের কৃতকর্মের (পাপের) কারণে; আর আল্লাহ অনেক কিছু ক্ষমা করে দেন।”

✅ সূরা আর-রূম (৩০:৪১)
ظَهَرَ الْفَسَادُ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ بِمَا كَسَبَتْ أَيْدِي النَّاسِ
অর্থ: “স্থলে ও সমুদ্রে ফাসাদ (বিপর্যয়) প্রকাশ পেয়েছে মানুষের হাতের কৃতকর্মের (পাপের) কারণে।”

এ আয়াতগুলো থেকে বোঝা যায়—ব্যক্তিগত,সামাজিক বা পরিবেশগত সমস্যার মূলে প্রায়ই পাপ-অবাধ্যতা থাকে।

২. ইস্তেগফার ও তাওবাই সমাধানের পথ

আল্লাহ তা‘আলা বারবার ইস্তেগফারের মাধ্যমে সমস্যা থেকে মুক্তি,রিযিক বৃদ্ধি ও স্বস্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন:

✅ সূরা নূহ (৭১:১০-১২)
فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا
يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُمْ مِدْرَارًا
وَيُمْدِدْكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَلْ لَكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَلْ لَكُمْ أَنْهَارًا

অর্থ: “আমি বললাম, তোমরা তোমাদের রবের কাছে ইস্তেগফার করো, নিশ্চয় তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল।তিনি তোমাদের উপর আকাশ থেকে প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, তোমাদেরকে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দিয়ে সাহায্য করবেন,তোমাদের জন্য বাগান সৃষ্টি করবেন এবং তোমাদের জন্য নদী প্রবাহিত করবেন।”

✅ সূরা হূদ (১১:৩)
وَأَنِ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ ثُمَّ تُوبُوا إِلَيْهِ يُمَتِّعْكُمْ مَتَاعًا حَسَنًا إِلَىٰ أَجَلٍ مُسَمًّى وَيُؤْتِ كُلَّ ذِي فَضْلٍ فَضْلَهُ
অর্থ: “…এবং তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো,তারপর তাঁর দিকে ফিরে এসো (তাওবা করো)। তিনি তোমাদেরকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত উত্তম জীবনোপভোগ করতে দেবেন এবং প্রত্যেক ফযলপ্রাপ্তকে তার ফযল দান করবেন।”

৩. হাদিসে ইস্তেগফারের অলৌকিক ফযীলত

রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে প্রতিদিন ৭০-১০০ বারেরও বেশি ইস্তেগফার করতেন এবং উম্মতকে তা শেখাতেন।

✅ সহীহ হাদীস (আবু দাউদ,ইবনে মাজাহ,হাকিম)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি ইস্তেগফারকে নিয়মিত করে নেয় (অভ্যাস বানিয়ে নেয়), আল্লাহ তার জন্য *প্রত্যেক সংকীর্ণতা থেকে বের হওয়ার পথ করে দেন, প্রত্যেক দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেন এবং তাকে এমন জায়গা থেকে রিযিক দান করেন যা সে কল্পনাও করেনি* ।”

✅ আরেক হাদীসে এসেছে:

ইস্তেগফার বাড়ালে আল্লাহ → দুশ্চিন্তা দূর করেন, → বিপদ থেকে বের হওয়ার উপায় করে দেন, → রিযিক অপ্রত্যাশিত উৎস থেকে দান করেন।

৪. উপসংহার

সমস্যার মূল কারণ অনেক সময় আমাদের পাপ-ভুল। অভিযোগ,অন্যকে দোষারোপ বা হতাশার পরিবর্তে বেশি বেশি ইস্তেগফার ও খাঁটি তাওবা করি।
নিম্নোক্ত দো'আটি আমরা বেশি বেশি করার চেষ্টা করি-

رَبِّ إِنِّىْ ظَلَمْتُ نَفْسِىْ فَاغْفِرْ لِىْ

*'রাব্বি ইন্নি জলামতু নাফসি ফাগফিরলি'*

এর অর্থ হলো— *"হে আমার রব! নিশ্চয়ই আমি নিজের ওপর জুলুম (পাপ) করেছি, অতএব আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন"*

দিনে ১০০ বার বা তার বেশি বলার অভ্যাস করি। আল্লাহর রহমত অসীম—তিনি ক্ষমাশীল,দয়ালু। তাওবা করলে তিনি সমস্যাকে সহজ করে দেন, বরকত দেন এবং দুনিয়া-আখিরাতের শান্তি দান করেন।

আল্লাহ আমাদের সকলকে খাঁটি তাওবার তাওফিক দান করুন। আমীন।

©️সংগৃহীত #তাওবা

23/01/2026

আজানের জবাবে প্রচলিত ভুল☝️

১. "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ" এর জবাবে অনেকেই "সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম" বলে থাকেন। এটা সঠিক নয়।

উল্লখ্য যে, রাসূল সা, এর নাম শুনলে বা নিজে রাসূল সা, এর নাম উচ্চারণ করলে দূরূদ পড়া সুন্নাহ। তবে আজানের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। এখানে দূরুদ আজান শেষ হলে পড়া সুন্নাহ, আজানের মাঝখানে নয়।

২. আজানের শেষ অংশ "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" এর জবাব না দিয়ে, আল্লাহুম্মা রাব্বা হাজিহী--- বলে দুআ শুরু করে দেন। এটাও ঠিক নয়।

৩. আজান শেষে দুআর পূর্বে অনেকেই দূরুদ পড়েন না, তখন দুরুদ পড়া যে সুন্নাহ অনেকে এটাও জানেন না; বরং দূরুদ না পড়েই দুআ শুরু করেন। এটাও ঠিক নয়।

আজানের জবাব দেয়া প্রসঙ্গে রাসূল সা, বলেছেন- তোমরা আযান শুনলে তা- ই বল, মুয়াজ্জিন যা বলে, (বুখারী- ৬১১)।

মুয়াজ্জিন "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ" বললে, শ্রোতাও "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ" বলবে, (বুখারী- ৬১২)।

শুধু "হায়্যা আলাস সালাহ" এর জবাবে -"হাইয়্যা আলাস সালাহ" অথবা "লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ" বলা যাবে, (বুখারী- ৬১৩)।

" হায়্যা আলাল ফালাহ" শুনে শ্রোতাও জবাবে -"হায়্যা আলাল ফালাহ" অথবা "লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ " বলবে, (নাসাঈ- ৬৮৫)।

ফযরের আযানে আস-সালাতু খায়রুম-মিনান-নাওম ও জামাতের ইকামাতের সময় ক্বাদকা মাতিস সালাহ – এই দুইটি বাক্যের জবাবে এইগুলোই বলতে হবে।

অন্য কিছু বলতে এমন কোনো কিছু সহীহ হাদীসে নাই – তাই যা আছে তাই বলতে হবে।

“আস-সালাতু খায়রুম-মিনান-নাওম” এর জবাবে “সাদাক্বতা ওয়া বারারতা” বলার কোনো ভিত্তি নেই (জাল কথা)।
মিরআ’ত ২/৩৬৩, হা/৬৬২।

“ক্বাদকা মাতিস সালাহ” এর জবাবে “আক্বা-মাহাল্লা-হু ওয়া আদা-মাহা” বলা সম্পর্কে আবুদাউদে বর্ণিত হাদীছটি ‘যঈফ’।
আবু দাউদ হা/৫২৮, শায়খ আলবানী, ইরওয়াউল গালীল হা/২৪১।

আজানের শেষ হলে, শ্রোতাও আজানের শেষ অংশের জবাব দেবে। অতপর দূুরুদ পড়বে। দুরুদ পড়ে তারপর আল্লাহুম্মা রাব্বা হাজিহী----বলে দুআ করবে, (আবু দাউদ- ৫২৩)।

আমাদের দেশের অনেক বই পুস্তক ও রেডিও টিভিতে আযানের যে দুয়া দেওয়া হয় তার মধ্যে কিছু অতিরিক্ত কথা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে যা কোনো সহীহ হাদীসে আসে নাই। অতিরিক্ত কথার মাঝে আছে "ইন্নাকালা তুখলিফুল মিয়াদ",ওয়াদ-দারাজাতার রাফীয়াতা" এইরকম কিছু কথা অতিতিক্ত আছে বায়হাকী কিতাবে যার সনদ সহীহ নয়।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, *“যে ব্যক্তি খালেস অন্তরে আযানের জবাব দেয়,তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়* ”।
সহীহ মুসলিম, হাদীস ৩৮৫।

*****
আযানের জবাব দেওয়ার পরে যে একবার দুরুদে ইব্রাহিম (নামাযে যেই দুরুদ পড়া হয় সেটা) পড়ে ও এর পরে আযানের যেই দুয়া আছে সেটা পড়ে তার জন্য রাসুলুল্লাহ ﷺ এর শাফায়াত করা জরুরী হয়ে পড়ে।

اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ، وَالصَّلاَةِ الْقَائِمَةِ، آتِ مُحَمَّداً الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ، وَابْعَثْهُ مَقَامَاً مَحمُوداً الَّذِي وَعَدْتَهُ،

উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা রাব্বা হা-যিহিদ্ দা‘ওয়াতিত্ তা-ম্মাহ। ওয়াস সালা-তিল ক্বা-’ইমাহ। আ-তি মুহা’ম্মাদানিল ওয়াসীলাতা ওয়াল ফাদীলাহ। ওয়াব্‘আছহু মাক্বা-মাম মাহ’মূদানিল্লাযী ওয়া‘আদতাহ।

অর্থঃ “হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহ্বান এবং প্রতিষ্ঠিত নামাযের তুমিই প্রভু! মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে ওসীলা (জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তর) এবং ফযীলত (সকল সৃষ্টির উপর অতিরিক্ত মর্যাদা দান করুন), আর তাঁকে মাকামে মাহমূদে (প্রশংসিত স্থানে) পৌঁছিয়ে দিন,যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাঁকে দিয়েছেন।

-সংগৃহীত

https://www.facebook.com/share/p/1ExRVdZRLN/
19/01/2026

https://www.facebook.com/share/p/1ExRVdZRLN/

শীতকালে আমাদের মোজার উপর মাসাহ করার প্রয়োজন অন্য সময়ের চেয়ে বেশি হয়। সুতরাং এ সম্পর্কিত বিধি-বিধান জানা জরুরী।

১। মোজা পবিত্র হওয়া
রাসূল ﷺ একবার জুতা পরে সালাত আদায় করছিলেন। জিবরীল এসে তাকে জানালেন যে, তাঁর জুতায় ময়লা এবং নাজাসাত রয়েছে তখন তিনি সেগুলো খুলে ফেললেন। [দারেমী : ১৪১৮] সুতরাং জুতা এবং মোজা সালাতের জন্য পবিত্র হওয়া শর্ত।

২। পবিত্র অবস্থায় মোজা পরিধান করা
মুগীরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি নবী ﷺ -এর সঙ্গে কোন এক সফরে ছিলাম। উযূ করার সময় আমি তাঁর মোজা দু’টি খুলতে চাইলে তিনি বললেন : ও দু’টো থাক, আমি পবিত্র অবস্থায় ও দু’টি পরেছিলাম। তিনি তার উপর মাসাহ করলেন। [বুখারি : ২০৬]

৩। মোজাগুলো দ্বারা পায়ের টাখনু আবৃত থাকা এবং অধিক পাতলা বা ছেঁড়া-ফাটা না হওয়া
পায়ের ক্ষেত্রে ওজুর সীমা হল টাখনু পর্যন্ত। অতএব খেয়াল রাখতে হবে যাতে মোজাগুলো দ্বারা পায়ের টাখনু আবৃত থাকে এবং তা ছেঁড়া-ফাটা না হয়। যাতে সহজেই নাপাক বস্তু তাতে প্রবেশ করতে না পারে।

৪। মোজার উপর মাসাহ করার বিধান ছোট অপবিত্রতার ক্ষেত্রে বড় অপবিত্রতার ক্ষেত্রে নয়
ছোট অপবিত্রতা হল যেসব কারণে ওজু ছুটে যায়। বড় অপবিত্রতা হল যেসব কারণে ওজুর পাশাপাশি গোসল ফরজ হয়ে যায়।
সাফওয়ান ইবনু আসসাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাদেরকে আদেশ করতেন, আমরা যখন সফররত অবস্থায় থাকি তখন যেন মোজার উপর মসাহ করি এবং জানাবাতের অবস্থা ব্যাতীত, পায়খানা-পেশাব অথবা নিদ্রার কারণে তিনদিন তা না খুলি। [নাসাঈ : ১২৭]

৫। নির্ধারিত সময়সীমা অনুসরণ করা
আলি রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, মোজা উপর মাসাহ করা ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ ﷺ সফরকারীর জন্যে তিন দিন তিন রাত নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন এবং বাড়ীতে অবস্থানকারীদের জন্যে একদিন এক রাত। [মুসলিম : ৫২৬]

৬। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মোজা না খোলা
নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মোজা খুলে ফেললে এ বিধান বাতিল হয়ে যাবে। তখন মোজাবিহীন অবস্থায় ওজু করে পুণরায় মোজা পরতে হবে। [ফাতওয়া আরকানুল ইসলাম]

-সংগৃহীত

18/01/2026

ধৈর্য লাভ এবং মুসলিম হিসেবে মৃত্যু চাওয়ার দো'আ👉

*رَبَّنَآ اَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَّتَوَفَّنَا مُسْلِمِيْنَ*

হে আমাদের রব, আমাদেরকে পরিপূর্ণ ধৈর্য দান করুন এবং মুসলিম হিসাবে আমাদেরকে মৃত্যু দান করুন

রব্বানা আফ্রিগ্ ‘আলাইনা- ছবরাওঁ ওতাওয়াফ্ফানা-মুস্লিমীন্।

দোয়ার প্রেক্ষাপট: ফেরাউন কতৃক নিযুক্ত যাদুকরগণ হযরত মূসা (আ.)-এর রব ও বিশ্বজাহানের রব আল্লাহর উপর ঈমান আনলে এবং ফেরাউন সেসব যাদুকরকে হাত-পা বিপরীত দিক দিয়ে কেটে শূলে চড়ানোর রায় প্রদান করলে সদ্য ঈমান গ্রহনকারী যাদূকরগণ ঈমানের সাথে মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করতে আল্লাহর দরবারে এভাবে জীবনের চরম প্রার্থনা করেন।

সূরা আল আরাফ - ৭:১২৬
©️হিসনুল মুসলিম

✴️খাওয়া শেষে হাত ধোয়া ☝️আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন,রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ যে ব্যক্তি হাত পরিস্কার না করে...
05/01/2026

✴️খাওয়া শেষে হাত ধোয়া ☝️

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন,রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ যে ব্যক্তি হাত পরিস্কার না করেই হাতে গোশতের গন্ধ ও তৈলাক্ততা নিয়ে ঘুমালো, এতে তার কোনো ক্ষতি হলে এজন্য সে নিজেকেই যেন তিরস্কার করে।

📖সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ২২/ খাদ্যদ্রব্য (كتاب الأطعمة)
হাদিস নম্বরঃ ৩৮৫২(সহীহ)

31/12/2025
27/12/2025

বর্তমানে আমরা যারা ইসলামের হুকুমত কায়েমের কথা বলি,তার জন্য আমরা কতটা প্রস্তুত❓
আল্লাহ সুবাহানাহুতা'লা আমাদেরকে সে ভাবেই প্রস্তুত হওয়ার তাওফিক দান করুন।

🎤আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক (হাফিযাহুল্লাহ)

25/12/2025

"সৎ বন্ধু সেই-
যার সামনে পাপ করতে লজ্জা লাগে,আর অসৎ বন্ধু সেই যার সামনে ইবাদত করতে লজ্জা লাগে

এটাই একটি মাপকাঠি,যা দিয়ে তুমি মানুষকে যাচাই করতে পারবে৷

কিছু বন্ধু আছে - তুমি যদি বলতে চাও যে, "চলো নামাজ পড়ি",আর এটা বলতে গিয়ে তোমার মনে ভারী লাগে, তবে সে খারাপ বন্ধু।
আবার কিছু মানুষ আছে - তাকে যদি বলতে চাও যে " চলো গুনাহ করি "আর তুমি তার প্রতিক্রিয়ার ভয় পাও তবে সেই প্রকৃত সৎ বন্ধু।

মনে রেখো অনেক সময় একজন মানুষই তোমাকে সঠিক পথ থেকে সরিয়ে দিতে পারে এবং সর্বনিম্ন স্তরে নামিয়ে দিতে পারে।"

- প্রফেসর শায়খ ড. ইয়াসির বিন রশিদ আদ দোসারী (হাফিজাহুল্লাহ)

২৫ ডিসেম্বর খৃষ্টানরা তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করে। অনেক মুসলিমকে দেখা যায় এ দিনে তাদেরকে শুভেচ্ছা জানায় বা তাদের উৎসবে অং...
24/12/2025

২৫ ডিসেম্বর খৃষ্টানরা তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করে। অনেক মুসলিমকে দেখা যায় এ দিনে তাদেরকে শুভেচ্ছা জানায় বা তাদের উৎসবে অংশ নিয়ে আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠে।ক্রিসমাস ট্রি কিনে।খৃষ্টানদের মত করে এখন অনেকেই এই উৎসবে ঘর সাজায়।

খৃষ্টানরা হযরত ঈসা আ. - কে আল্লাহর পুত্র মনে করে (নাউজুবিল্লাহ)।এরকম বিশ্বাসের সাথে যেই উৎসব জড়িত সেই উৎসবে শুভেচ্ছা জানানো বা অংশ নেয়া একজন মুসলিমের জন্য কোনো ভাবেই বৈধ নয়। ব্যাপারটা অনেকটা এমন যে কেউ মদ খাচ্ছে,আরেকজন তার এই মদ খাওয়াকে অভিভাদন জানালো। *শিরকের গুনাহ তো সে তুলনায় আরো অনেক অনেক নিকৃষ্ট।*
আল্লাহ আমাদের ও আমাদের পরিবারকে সকল অহেতুক পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন।

©️মুসলিম ডে

ইসলামী জীবনব্যবস্থার রাজনৈতিক বিধান হলো খিলাফত বা ইমারতে ইসলামি,যা শূরা (পরামর্শ)-ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা।এ ব্যবস্থায় রাষ্ট...
20/12/2025

ইসলামী জীবনব্যবস্থার রাজনৈতিক বিধান হলো খিলাফত বা ইমারতে ইসলামি,যা শূরা (পরামর্শ)-ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা।এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্র পরিচালনা হয় পারস্পরিক পরামর্শ, ঐকমত্য,ইনসাফ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে। এখানে মতামত,পরামর্শ কিংবা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন তারা,যারা জ্ঞান,তাকওয়া ও যোগ্যতায় উত্তীর্ণ।

ইসলাম স্পষ্টভাবে ঘোষণা করে—
“যারা জানে এবং যারা জানে না,তারা কি সমান?”
অতএব ইসলামী জীবনব্যবস্থায় যোগ্যতা ও জ্ঞানকে বিশেষভাবে মূল্যায়ন করা হয়; অযোগ্যতা বা অজ্ঞতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ইসলাম সমর্থন করে না।

খিলাফত বা ইমারতে ইসলামি গঠনের দুটি সুস্পষ্ট ধারা

১. যেখানে খিলাফত প্রতিষ্ঠিত নয়:
সে ক্ষেত্রে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি ও কর্মনীতি হলো—
মানুষের চিন্তা-চেতনাকে পরিশুদ্ধ করা, সংঘবদ্ধভাবে দাওয়াত ও জিহাদ (সর্বাত্মক শান্তিপূর্ণ প্রচেষ্টা ও সংগ্রাম) পরিচালনা করা এবং নববী কর্মনীতির অনুসরণে ধাপে ধাপে ব্যক্তি,পরিবার,সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠার দিকে অগ্রসর হওয়া।এর উজ্জ্বল ও সুস্পষ্ট আদর্শ রয়েছে রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর জীবনীতে।

২. যেখানে খিলাফত বা ইমারাতে ইসলামী প্রতিষ্ঠিত:
সেখানে নেতৃত্ব নির্বাচন,রাষ্ট্র পরিচালনা ও ক্ষমতা হস্তান্তরের পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যায় খুলাফায়ে রাশেদিন—আবু বকর, উমর, উসমান ও আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)-এর জীবনীতে। তাঁদের শাসনামল ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার বাস্তব ও পূর্ণাঙ্গ নমুনা।

☝️গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা❗:

বিধর্মী বা স্বধর্মী দার্শনিক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের প্রণীত মতবাদ বা মতাদর্শের সঙ্গে ইসলামকে মিলিয়ে বা তার আলোকে ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ব্যাখ্যা করার প্রবণতা ইসলামের মৌলিক রাজনৈতিক দর্শনকে অবমূল্যায়ন ও বিকৃত করে।এর মাধ্যমে ইসলামের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে অপূর্ণ বা অকার্যকর প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়—যা কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।

ইসলাম কোনো খণ্ডিত মতবাদ নয়;
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ (Complete) জীবনব্যবস্থা—আকিদা,ইবাদত,আখলাক, সমাজ,শিক্ষা,অর্থনীতি ও রাষ্ট্র—সব ক্ষেত্রেই যার সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে।

অতএব,ইসলামকে ইসলামের মতো করেই জানুন,এবং ইসলামের মতো করেই মানুন।

🖋️মুহতারাম আব্দুস সবুর চৌধুরী (হাফিযাহুল্লাহ)

05/12/2025

প্রত্যেক মুসলিমের জানা জরুরী ☝️

02/12/2025

৩৬টি বালা-মুসীবত থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেনঃ
১- অপারগতা।
২- অলসতা।
৩- ভীরুতা। (কাপুরুষতা)
৪- কৃপণতা।
৫- অতিশয় বৃদ্ধাবস্থা।
৬- কঠোরতা।
৭- অমনোযোগিতা।
৮- সামর্থহীনতা।
৯- অপমান।
১০- দারিদ্রতা।
১১- কপর্দকহীনতা।
১২- কুফর।
১৩- শির্ক।
১৪- দীন বিরোধিতা।
১৫- দীনের অবাধ্যতা।
১৬- মুনাফেকী।
১৭- শোনানোর প্রবণতা।
১৮- প্রদর্শনেচ্ছা।
১৯- বধিরতা।
২০- মুক অবস্থা।
২১- অপ্রকৃতিস্থতা। (পাগলামী)
২২- কুষ্ঠ।
২৩- শ্বেত (ধবল)।
২৪- খারাপ রোগ।
২৫- ঋণের প্রাদুর্ভাব।
২৬- মানুষের নীপিড়ন।
২৭- নেয়ামত চলে যাওয়া।
২৮- নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া।
২৯- হঠাৎ বিপদ।
৩০- আল্লাহর সবধরণের অসন্তুষ্টি।
৩১- অধৈর্য করে দেয়া বিপদ।
৩২- দু্র্ভাগা হওয়া।
৩৩- ফয়সালার খারাপি।
৩৪- শত্রুদের দ্বারা জিঘাংসা চরিতার্থ করা।
৩৫- দুশ্চিন্তা।
৩৬- পেরেশানী।
সুতরাং প্রতিটি মুসলিমের উচিত এগুলো থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা।

- ড. আবু বকর যাকারিয়া

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Human Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram