Aahban Asokti Punorbason Kendro

Aahban Asokti Punorbason Kendro Aahban Drug Addiction Treatment & Rehabilitation Centre Has Been Working Since 2005 as an Institution

Considering the need for offering social support for the recovery and rehabilitation of the drug users in Bangladesh, Aahban established a comprehensive treatment and rehabilitation center in Sylhet. The center has been providing quality drug detoxification and rehabilitation since 2005. It has all necessary modern facilities for the care and treatment of the drug dependents. There are trained sta

ff who address the need of the clients, sufficient space for recreation, arrangement for various outdoor & indoor games, library, prayer room etc for the benefit of the clients. The Aahban Rehabilitation center was established on 21 February 2005.

"আমাদের সাথে পথ চলার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। পবিত্র এই ঈদের শুভক্ষণে আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও ঈদ ...
20/03/2026

"আমাদের সাথে পথ চলার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। পবিত্র এই ঈদের শুভক্ষণে আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও ঈদ মোবারক।"

18/03/2026

পবিত্র শবে কদর (২৭ রমজান ) উপলক্ষে আহবান পরিবার কতৃক আয়োজিত ইফতার পার্টি।

ABC- Avoid Bad Company             অসৎ সঙ্গ ত্যাগ কর।অসৎ সঙ্গ ত্যাগের মূল কথা:১. খারাপ সঙ্গ আপনার চরিত্র ও অভ্যাস নষ্ট ক...
04/03/2026

ABC- Avoid Bad Company
অসৎ সঙ্গ ত্যাগ কর।

অসৎ সঙ্গ ত্যাগের মূল কথা:

১. খারাপ সঙ্গ আপনার চরিত্র ও অভ্যাস নষ্ট করে।
২. এটি আপনার মানসিক শক্তি নিংড়ে নেয় এবং লক্ষ্য থেকে সরিয়ে রাখে।
৩. খারাপ কাজ ধীরে ধীরে আপনার কাছে স্বাভাবিক মনে হতে শুরু করে।
৪. অসৎ সঙ্গী আপনার উন্নতিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় এবং পিছনে টানে।
৫. নিজের শান্তি ও ভালো থাকার জন্যই এই সম্পর্ক থেকে দূরে সরে আসা জরুরি।

যেকোন ধরনের পরামর্শ ও সহোযোগিতার জন্য
☎️ ০১৭১৬-৫৫৭০১৪ , ০১৬১১-৫৫৭০১৪

22/02/2026

ঈদুল ফিতর ইসলাম ধর্মের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের একটি। এটি মুসলমানরা রমজান মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা (রোজা) শেষে পালন করে থাকে। 'ঈদুল ফিতর' একটি আরবি শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ হলো 'রোজা ভাঙার আনন্দ' বা 'পুণ্য লাভের দিন'।

এ উপলক্ষে মুসলমানরা নতুন জামা কাপড় পরে, আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীদের নিয়ে আনন্দ করে এবং বিশেষ প্রার্থনা করে।

ঈদুল ফিতরের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো:

১. শাওয়াল মাসের ১ তারিখ: ঈদুল ফিতর ইসলামি চান্দ্রবর্ষের ১০ম মাস শাওয়াল মাসের ১ম তারিখে পালিত হয়। রমজান মাস শেষে চাঁদ দেখার মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা হয়।

২. ঈদের নামাজ: ঈদের দিন সকালে মুসল্লিরা ঈদগাহে বা মসজিদে জড়ো হয়ে বিশেষ দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করেন। নামাজের পর খুতবা বা বক্তব্য প্রদান করা হয়।

৩. ফিতরা বা সদকাতুল ফিতর: ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের পক্ষ থেকে গরিব-দুঃখীদের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বা খাদ্যশস্য দান করা আবশ্যক (ওয়াজিব)। এর উদ্দেশ্য হলো রোজার কোনো ক্রটি-বিচ্যুতি পূরণ করা এবং গরিবরাও যাতে ঈদের আনন্দে শামিল হতে পারে তা নিশ্চিত করা।

৪. আনন্দ ও উদযাপন: এটি কঠোর সাধনার পর আল্লাহর পক্ষ থেকে পুরস্কার হিসেবে আনন্দ উদযাপনের দিন। দিনটি শুরু হয় সেমাই, পায়েসসহ বিভিন্ন সুস্বাদু খাবার দিয়ে। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে বেড়ানো, কুশল বিনিময় ও সালামি বিনিময়ের মাধ্যমে দিনটি কাটে।

৫. ক্ষমা ও সম্প্রীতি: ঈদুল ফিতর শুধু নিজের আনন্দের জন্য নয়, বরং অন্যের প্রতি খেয়াল রাখার, ভুলে যাওয়া মনোমালিন্য ভুলে গিয়ে সবাইকে জড়িয়ে ধরার দিন। ছোটরা বড়দের সালাম করে ও আশীর্বাদ নেয়, আর বড়রা ছোটদের উপহার (সালামি বা ঈদি) দিয়ে থাকেন।

সংক্ষেপে, ঈদুল ফিতর হলো আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ ও সংযমের মাস রমজানের পরিপূর্ণতার স্বীকৃতিস্বরূপ আল্লাহর দেওয়া এক অপার আনন্দের বার্তা।

পবিত্র রমজান মাস ইসলামের সবচেয়ে বরকতময় ও মর্যাদাপূর্ণ মাস। এই মাস মুসলিম উম্মাহর জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত ন...
19/02/2026

পবিত্র রমজান মাস ইসলামের সবচেয়ে বরকতময় ও মর্যাদাপূর্ণ মাস। এই মাস মুসলিম উম্মাহর জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে আসে।

এই মর্যাদাপূর্ণ মাস নিয়ে কিছু কথা নিচে উল্লেখ করা হলো:

আত্মশুদ্ধির প্রশিক্ষণ: রমজান মাস শুধু ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত থাকার নাম নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধির একটি কঠিন প্রশিক্ষণ। এই মাস আমাদের সৎকাজের আদেশ দেয় এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখে। পবিত্র কুরআন নাযিলের এই মাসে আমরা ধৈর্য ধারণ করা, সহানুভূতিশীল হওয়া এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের শিক্ষা পাই।

সহমর্মিতার শিক্ষা: সারাদিন রোজা রাখার মাধ্যমে আমরা ক্ষুধার্ত ও অভাবীদের কষ্ট অনুভব করতে শিখি। এটি আমাদের মধ্যে সহমর্মিতার বোধ জাগ্রত করে এবং সমাজের অসহায় ও গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রেরণা যোগায়।

ক্ষমা ও দয়া লাভের সুযোগ: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, রমজানের প্রথম অংশ রহমত, মধ্যভাগ মাগফিরাত এবং শেষভাগ জাহান্নাম থেকে মুক্তি। এই মাস আমাদের জন্য গুনাহ মাফ করানোর এবং আল্লাহর অশেষ রহমত লাভের এক বিরাট সুযোগ।

শুভেচ্ছা ও প্রত্যাশা: আমাদের সবার উচিত এই মাসের প্রতিটি মুহূর্ত ইবাদত-বন্দেগি, দান-সদকা এবং কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কাটানো। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এই মাহে রমজানের পূর্ণ বরকত ও ফজিলত লাভ করার তাওফিক দান করুন। সবাইকে পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা।

‘আমি মৃত্যুর মুখে, আমাকে বাঁচান’চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে মাদকাসক্ত মুরাদ হোসেন (৩৫) নিজেই গিয়েছেন থানায়। সেখানে গিয়ে তিনি আকু...
18/02/2026

‘আমি মৃত্যুর মুখে, আমাকে বাঁচান’

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে মাদকাসক্ত মুরাদ হোসেন (৩৫) নিজেই গিয়েছেন থানায়। সেখানে গিয়ে তিনি আকুতি জানিয়ে বলেন, ‘আমি মৃত্যুর মুখে, আমাকে বাঁচান। আমাকে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠান।’

মুরাদ জানান, তিনি উপজেলার আষ্টা গ্রামের মৃত আব্বাছ মোল্লার ছেলে। বেশিদূর লেখাপড়া করা হয়নি তার। এক ধরনের ভবঘুরে জীবন যাপন করছিলেন। পার্শ্ববর্তী উপজেলায় তাদের একটি ব্রিক ফিল্ড রয়েছে। সেখান থেকে তার হাতে প্রচুর টাকা আসতো। যখন যা মন চায়, সেভাবেই জীবন যাপন করতে থাকেন তিনি। এভাবেই এক সময় মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি মাদকাসক্ত। প্রথমে গাঁজা সেবন করতেন। পরে ধরেন ইয়াবা। এতে ধীরে ধীরে তার জীবনীশক্তি হ্রাস পেতে থাকে। পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন সময় অনেক বুঝিয়েছেন, কিন্তু তিনি মাদকের জগত থেকে ফিরে আসেননি।

মুরাদ হোসেন জানান, এক পর্যায়ে তিনি বিয়ে করার চেষ্টা করেন। একে একে ২০টি পরিবারে বিয়ের প্রস্তাব দেয়া হয়। কিন্তু তার মাদকাসক্তির কথা শুনে কেউই তার কাছে মেয়ে বিয়ে দিতে রাজি হননি। এমনকি মাদকাসক্তির কথা শুনে কোনো পাত্রীও তাকে বিয়ে করতে চাননি। এক পর্যায়ে তিনি একটি মেয়েকে বিয়ে করতে সক্ষম হন। দুই বছর আগে পারিবারিকভাবেই তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। তাদের সংসারে এক বছরের একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আমি এখনও মাদকাসক্ত। কোনো অবস্থায়ই সেখান থেকে ফিরতে পারছি না। দিনে দিনে আমার জীবনীশক্তি ফুরিয়ে আসছে। আমি আমার স্ত্রীকে সময় দিতে পারছি না। আমি কোনো প্রকার কাজ-কর্ম করতে পারি না। আমার জীবনের চাকা যেনো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে

তার কথা শুনে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রকিব কুমিল্লা পুনঃজীবন মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন। পরে বিকেল ৫টার দিকে সেখান থেকে প্রতিনিধি এসে যাবতীয় অফিসায়াল কাজ শেষে একটি প্রাইভেটকারযোগে মুরাদ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা দেন।

এসময় মুরাদ হোসেনের বড় ভাই আকবর হোসেন (৪০) এবং ছোট ভাই রুবেল হোসেন (২৮) ও শাকিল হোসেন (২২) থানায় উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে ওসি আব্দুর রকিব জানান, যিনি মাদকাসক্ত তিনি নিজেই এর দ্বারা মারাত্মক ক্ষতির শিকার। শুধু তাই নয়, তার জন্য পরিবারের সদস্য ও সমাজ সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। তাই মাদকের বিরুদ্ধে জনগণের সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় এর ভয়াবহ ছোবলে গোটা সমাজ ব্যবস্থা ধবংস হয়ে যেতে পারে।
আজ তিনি সুস্থ। মাদকের ভয়াবহ জগৎ থেকে বের হয়ে এসেছেন। পাশাপাশি তিনি তার পরিবার স্ত্রী ও ভাইদের নিয়ে খুব আনন্দে জীবন-যাপন করছেন। এছাড়াও তিনি সমাজের অনভিজ্ঞ ও মাদকাসক্তদের সাহায্য করছেন এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

একটি সত্যি গল্প.....'জানি দেখা হবে' থেকে 'চতুষ্কোণ'। সেলুলয়েডের পর্দায় ব্যাক টু ব্যাক কাজ করেছেন অভিনেতা অনিন্দ্য চট্ট...
08/02/2026

একটি সত্যি গল্প.....

'জানি দেখা হবে' থেকে 'চতুষ্কোণ'। সেলুলয়েডের পর্দায় ব্যাক টু ব্যাক কাজ করেছেন অভিনেতা অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়। পাশাপাশি, সিরিয়াল এবং সিরিজে কাজ চালিয়ে গিয়েছেন তিনি। 'গাঁটছড়া' ধারাবাহিকের হাত ধরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছেছেন। তবে অভিনেতার যাত্রাপথ মোটেও মসৃণ ছিল না। একসময় মাদকাসক্ত ছিলেন তিনি। নেশার সামগ্রীর জন্য এতটাই পাগল হয়ে উঠতেন যে অপরাধ করতেও দ্বিধা করতেন না। গাড়ি কিংবা মোবাইল চুরি করে টাকা জোগাড় করতেন। মায়ের গয়নাতেও হাত দিয়েছিলেন! একাধিকবার রিহ্যাবে থেকেছেন। কিন্তু, বেরনোর পর যেই কে সেই! আবারও ফিরে গিয়েছেন নেশার জগতে। একের পর এক বন্ধু মাদক সেবন করতে গিয়ে মারা গিয়েছে। ভয় লেগেছে। তবু নিজের প্যাটার্ন ভাঙতে পারছিলেন না। কিন্তু, অবশেষে নেশাকে জয় করতে পেরেছেন তিনি। ১৫ বছর আগে নতুন জীবন পেয়েছিলেন। আর সেই কারণেই এই দিনটি তাঁর কাছে বিশেষ।

অনিন্দ্যর কথায়, "আমার কাছে এখনও জলের মতো স্পষ্ট ২০০৮ সালে আজকের এই দিনটা। আর দেখতে পাই বলেই হয়তো আজ এই পোস্ট করতে পারছি। ব্যাঙ্কসাল কোর্টে হাজিরা দিয়ে আমাকে রিহ্যাবে ফিরতেই হতো। রাত ন'টার বনগাঁ লোকাল ধরে আমাকে যেতে হত হাবড়া।" তাঁর সংযোজন, "শেষবারের মতো নেশা করব বলে একটু ব্রাউন সুগার, পাতি বাংলায় কয়েকটা পাতা, একটা সিরিঞ্জ, একটু তুলো আর একটা চামচ সঙ্গে নিয়েছিলাম। হাবড়া স্টেশনে নেমে একটু এগলেই সেই রিহ্যাব যেখান থেকে আমার ভালো থাকার লড়াই শুরু হয়েছিল।"

তার সংযোজন, "তার আগে প্রায় ২৮-২৯বার ডিটক্স আর রিহ্যাব হয়ে গেছে। যেদিন ছাড়া পেতাম সেদিনকেই রিলাপস, এরম একটা প্যাটার্ন ছিল। আমাদের ভাষায়ে আমরা বলি ক্রনিক রিলাপসি। ছ' থেকে সাত বছর ধরে অনবরত ঘুরতে থাকা একটা বৃত্ত। নয় বাইরে নেশা করছি নয় তালা চাবির ভিতরে ভালো আছি। তালা চাবির বাইরে বেরোলেই আবার নেশা।"

তিনি জানান, তিনি যে কোনওদিন নেশামুক্ত হতে পারবেন, এই বিশ্বাস তাঁর ছিল না। আর অন্য কেউও তাঁর উপর বিশ্বাস করত না। রিহ্যাবের খরচ দিতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছিল পরিবার। অভিনেতার কথায়, "...লোহা, অ্যালুমিনিয়াম,কাঁসার জিনিস তখন আমার কাছে সোনার মতোই দামী। যে কোনও গাড়ির লক খুলতে লাগতো ঠিক তিন মিনিট। একটা নোকিয়ার মোবাইল মানে নগদ দু' থেকে তিন হাজার। সেটাই অনেক তখন আমার কাছে। এমন একটা সময় আমি আমি বুঝতে পারছিলাম এভাবে যদি চলতে থাকে আমি ২৮ বছর অবধিও টানতে পারব না।"

বন্ধুদের মারা যেতে দেখে ভয় পেয়েছিলেন অনিন্দ্য। আর সেই ভয় থেকেই নেশার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সাহস অর্জন করেছিলেন তিনি। অভিনেতা বলেন, "এভাবেই আমার ভালো থাকার শুরু । শুরুটা সত্যি কঠিন ছিল…।" তিনি আরও বলেন, "আজ যখন রাস্তায় লোকে সেলফি তুলতে চায়, অটোগ্রাফ চায়, ভালোবাসা দেয় তখন আমি নিজেকে দেখি আর পুরোটাই কেমন স্বপ্নের মতো লাগে। আদৌ এটা সত্যি হচ্ছে তো?"

আজও তাঁর ভিতরে থাকা নেশাতুর সত্ত্বার সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলেছেন অনিন্দ্য। একেবারে শেষে বললেন, " মা চলে যাওয়ার আগে আমাকে নেশামুক্ত অবস্থায় দেখে গিয়েছে। কিন্ত, বাবা চলে যাওয়ার আগে আমার ঘুরে দাড়ানো প্রত্যক্ষ করে গিয়েছে। গর্ব করে সবাইকে বলতো আমি অনিন্দ্যর বাবা। বোনের ও গর্ব আমি। আর কি চাই ?"

মাদকাসক্তির বিষয়ে পরামর্শ ও সহোযোগিতার জন্য যোগাযোগ করুন.
০১৭১৬৫৫৭০১৪, ০১৬১১৫৫৭০১৪

আহবান বিশ্বাস করে সুচিকিৎসায় সুস্থতা সম্ভব। আর তাই একজন মাদকনির্ভরশীল ব্যক্তির সুস্থতার জন্য যা যা করা প্রয়োজন আহবান তা ...
07/02/2026

আহবান বিশ্বাস করে সুচিকিৎসায় সুস্থতা সম্ভব। আর তাই একজন মাদকনির্ভরশীল ব্যক্তির সুস্থতার জন্য যা যা করা প্রয়োজন আহবান তা নিয়মিত করে থাকে। তার মধ্যে অন্যতম হলো মানসিকভাবে একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে সাপোর্ট দিয়ে যাওয়া।

আহবান এ রয়েছে নিজস্ব চিকিৎসক টিম। রয়েছে নিজস্ব ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট। যারা সব সময় ক্লায়েন্টের যেকোনো দরকারে তার পাশে এসে দাঁড়ায়। একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি যখন প্রথম সেন্টারে আসেন তখন তিনি কিভাবে এই পরিবেশে মানিয়ে নিবেন তা নিয়ে এক ধরনের ভীতি কাজ করে তার মধ্যে। নতুন পরিবেশ, নতুন জায়গা, নতুন মানুষ এই সব কিছু তার উপর নানান ভাবে প্রভাব বিস্তার করে। এই জায়গায় মানিয়ে নিতে তার কিছুটা সময় লাগে অবশ্যই।

আহবান তার ক্লায়েন্টদের শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে সর্বদা নজর রাখে। সেন্টারে থাকাকালীন সময়ে একজন ক্লায়েন্টের দৈনন্দিন রুটিনে অনেক পরিবর্তন আসে। যা তাঁর স্বাভাবিক জীবনযাপনের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। এই সব পরিবর্তন একজন মানুষের উপর নানান ভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। তার উপর মানসিক চাপ পড়তে পারে।

সকল মানুষ একরকম নয়। প্রত্যেক মানুষের রয়েছে আলাদা আলাদা জীবনদৃষ্টি, রয়েছে আলাদা রকমের স্বাদ। তাই সব মানুষ একই ঘটনায় একই ভাবে প্রতিক্রিয়া করে না। প্রত্যেকজন মানুষই আলাদা। আর তাই আহবান বজায় রাখে তার চিকিৎসা প্রদানের মতবাদে। তাই আমাদের সুদক্ষ মনোবিদ এবং চিকিৎসকগণ প্রত্যেক ক্লায়েন্টকে আলাদা আলাদা ভাবে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। প্রত্যেক ক্লায়েন্টের জন্য করা হয় আলাদা আলাদা ট্রিটমেন্ট প্ল্যান।

শারীরিক এবং মানসিক উভয় ক্ষেত্রে চিকিৎসার মাধ্যমেই সুস্থ করে তোলা সম্ভব একজন মাদকনির্ভরশীল ব্যক্তিকে। এদের একটাকে বাদ দিয়ে আরেকটা কখনোই পরিপূর্ণ রেজাল্ট বয়ে আনতে পারে না। সর্বদা সচেতন থাকার মধ্যে দিয়েই আহবান নিশ্চিত করে তার সকল ক্লায়েন্টের জন্য প্রয়োজনীয় সুচিকিৎসা।

আহবান মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পূর্নবাসন কেন্দ্র

বাসা - ১১, রোড - ৪, ব্লক - এ, শাহজালাল উপশহর, সিলেট
সহযোগীতা ও পরামর্শের জন্য
# 01716-557014
www.aahban.org

05/02/2026

“Anyone can give up; it is the easiest thing in the world to do. But to hold it together when everyone would expect you to fall apart, now that is true strength.”

~ Chris Bradford

শুভ শবে বরাত।ক্ষমার এই রাতে দোয়া করি, আল্লাহ আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে সব সময় সুস্থ ও হাসিখুশি রাখুন।
03/02/2026

শুভ শবে বরাত।
ক্ষমার এই রাতে দোয়া করি, আল্লাহ আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে সব সময় সুস্থ ও হাসিখুশি রাখুন।

মাদক সেবনের প্রভাব এবং পরিণতিখিঁচুনি, স্ট্রোক, মানসিক বিভ্রান্তি এবং মস্তিষ্কের ক্ষতি। ফুসফুসের রোগ। মাদকাসক্ত তরুণরা অ-...
02/02/2026

মাদক সেবনের প্রভাব এবং পরিণতি

খিঁচুনি, স্ট্রোক, মানসিক বিভ্রান্তি এবং মস্তিষ্কের ক্ষতি। ফুসফুসের রোগ। মাদকাসক্ত তরুণরা অ-ব্যবহারকারীদের তুলনায় মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকিতে বেশি, যার মধ্যে রয়েছে বিষণ্ণতা, আচরণগত সমস্যা, ব্যক্তিত্বের ব্যাধি, আত্মহত্যার চিন্তাভাবনা, আত্মহত্যার চেষ্টা এবং আত্মহত্যা।

পরামর্শ ও সহোযোগিতার জন্য ০১৭১৬৫৫৭০১৪০১৬১১৫৫৭০১৪
31/01/2026

পরামর্শ ও সহোযোগিতার জন্য
০১৭১৬৫৫৭০১৪
০১৬১১৫৫৭০১৪

Address

Block A, Road 4, House 11, Shajalal Uposhohor Sylhet. (ব্লক-A, রোড 4 বাসা 11 শাহজালাল উপশহর, সিলেট)
Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aahban Asokti Punorbason Kendro posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Aahban Asokti Punorbason Kendro:

Share

Category