17/03/2026
রামাদানের শুরু থেকেই মাথায় একটা জিনিস ঘুরছিলো। যদি সত্যি সত্যি আমি মানুষের কোন সমস্যার সমাধান নিয়ে সামনে আসতে পারতাম তাহলে কতই না ভালো হত।
টিক তখনই আমার গ্রামে থাকা অবস্থায় মরিচ-হলুদ-ধনিয়া ভাঙ্গানোর কথা মাথায় আসলো।
সপ্তাহে একবার-ই আমাদের এলাকায় এগুলো ভাঙ্গানো যেত। দেখা যেত অনেকেই লম্বা সময় ধরে অপেক্ষা করার পরে শুক্রবার বিকেল গিয়ে নিজেদের জিনিস নিজেরা কালেক্ট করছেন। তাও মিলের দায়িত্বশীলদের কাছে পৌছানোর আগে বাজার থেকে কিনে সেটাকে ভালো করে শুকাতে হত নাহলে মিল সেটা গ্রহন করত না। সাধারন এই মসলা গুলোর জন্য বাজারে যাওয়া, রুদে পুড়ে শুকানো পরে সেটা মিলের সময় অনুযায়ী মিলে নিয়ে যাওয়া এবং তাদের দেয়া সময় অনুযায়ী কালেক্ট করা। এত প্যারা লাগত আমার কাছে। প্লাস অতিরিক্ত পরিশ্রম ত আছেই।
এটার কথা মাথায় আসতেই ভাবলাম এমন যদি হত যে আমি-ই এগুলো সিলেটের কালিঘাট বাজার থেকে কিনে (যেহেতু লম্বা সময় নিজের বাড়ির জন্য এগুলো কিনার অভিজ্ঞতা আছে), মিলে ভাঙ্গিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে সবার হাতে হাতে পৌছেদেই কেমন হত?
যেই ভাবা সেই কাজ, আশ-পাশের দুই একজনের সাথে শেয়ার করলাম যাদের সাথে আমার ব্যবসায়ীক লেন-দেন আছে। অনেকেই উৎসাহ দিলেন, অনেকেই আবার নেগেটিভ দিক গুলো তুলে ধরলেন। সব ভেবে চিন্তে আল্লাহর নাম করে কয়েকদিনের পরিশ্রমে যাবতীয় সবকিছু কালেক্ট করলাম এবং ফাইনালি আলহামদুলিল্লাহ। প্রায় ১ মাসের দীর্ঘ পরিশ্রমের ফল এখন আপনাদের হাতে পৌছে দেয়ার জন্য তৈরি। ঈদের পর থেকে ডেলিভারি শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।