Dr Abdur Rahim

Dr Abdur Rahim সমাজ আর রাষ্ট্র পরিবর্তনের গল্পে
নিজের পরিবর্তনটা জরুরি।

দারুচিনি দ্বীপে আমাদের অবসর সময়ে সূর্যাস্ত মানে—লাল-কমলা আকাশে ঢেউয়ের নীরব গান,দিনের শেষ আলোয় দ্বীপটা স্বপ্ন হয়ে ধীর...
29/01/2026

দারুচিনি দ্বীপে আমাদের অবসর সময়ে
সূর্যাস্ত মানে—
লাল-কমলা আকাশে ঢেউয়ের নীরব গান,
দিনের শেষ আলোয় দ্বীপটা স্বপ্ন হয়ে ধীরে ধীরে জ্বলে ওঠে।

23/01/2026

🚨 সতর্কতা 🚨
অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের হাতে মোটরসাইকেল
মানেই জীবনের সঙ্গে জুয়া!

🛑 ১৮ বছরের আগে মোটরসাইকেল চালানো

আইনত অপরাধ
জীবনঘাতী ঝুঁকি
পরিবার ও অভিভাবকের দায়

🏍️ প্রতিদিন আমরা হারাচ্ছি আমাদের সন্তানদের
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছে
কিশোর ও তরুণরা — বিশেষ করে মোটরসাইকেলে

একটি ভুল সিদ্ধান্ত
➡️ একটি জীবন
➡️ একটি পরিবার
➡️ একটি ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিতে পারে

🧠 মনোবিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা
কিশোরদের মধ্যে থাকে—
▪️ জেদ
▪️ ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা
▪️ বন্ধুদের চাপ
▪️ বাস্তবতা বোঝার অপরিপক্বতা
👉 এই বয়সে মোটরসাইকেল মানে নিয়ন্ত্রণহীন বিপদ

👨‍👩‍👧‍👦 প্রিয় অভিভাবকবৃন্দ, মনে রাখুন—
❝ সন্তানের সব আবদার পূরণ করা ভালোবাসা নয়
বরং তাকে বিপদ থেকে রক্ষা করাই প্রকৃত দায়িত্ব ❞

✅ আমাদের করণীয়
✔️ ১৮ বছরের আগে মোটরসাইকেল নয়
✔️ লাইসেন্স ছাড়া চালানো বন্ধ করুন
✔️ ভয় নয়, সচেতনতা তৈরি করুন
✔️ বিকল্প দিন, সময় দিন
✔️ বাবা–মা দুজনের সিদ্ধান্ত এক রাখুন

🕌 ইসলাম ও মানবতা বলে—
নিজেকে ও পরিবারকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিও না।

🙏 আজ আপনি “না” বললে
হয়তো আগামীকাল আপনার সন্তান বেঁচে থাকবে।

📢
সচেতন হোন — সচেতন করুন
এই বার্তাটি অন্য অভিভাবকদের জানান।

সন্তানকে মোটরসাইকেল দেওয়ার আগে পঙ্গু হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ঘুরে দেখে আসুন মোটরসাইকেলের এক্সিডেন্ট এর ভয়াবহতা কতটুকু!!!

ডাক্তার আবদুর রহীম
এমবিবিএস
বিসিএস
এফ সি পি এস মেডিসিন
এম এ সি পি
কনসালটেন্ট মেডিসিন
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

16/01/2026

🚨 কেন ৩৫–৪০ বছর বয়সেই হঠাৎ Stroke বা Heart Attack?

সাম্প্রতিক সময়ে আমরা একটি ভয়ংকর বাস্তবতা দেখছি—
কম বয়সী মানুষ হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকে মারা যাচ্ছেন।
অথচ শুনি—
ডায়াবেটিস নেই
প্রেশার নেই
কোলেস্টেরল নরমাল

👉 তাহলে সমস্যা কোথায়?

🔴 সমস্যা লুকিয়ে আছে আমাদের জীবনযাপনে।
আজকের দিনে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের কারণ শুধু
ডায়াবেটিস–প্রেশার–কোলেস্টেরল নয়।

⚠️ আসল নীরব ঘাতকগুলো হলো—
▪️ অতিরিক্ত মানসিক চাপ (Stress)
▪️ ঘুমের অভাব
▪️ হঠাৎ BP বেড়ে যাওয়া
▪️ সিগারেট / ভেপ / জর্দা / গুটখা
▪️ হঠাৎ ভারী ব্যায়াম বা heavy lifting
▪️ অতিরিক্ত মদ্যপান
▪️ বংশগত ঝুঁকি
▪️ শরীরের ভেতরের নীরব inflammation ও clot tendency

❌ শুধু রিপোর্ট “Normal” মানেই নিরাপদ—এই ধারণা এখন ভুল।

একটা কথা পরিষ্কার—
👉 “আমার তো ডায়াবেটিস বা প্রেশার নেই”
এই কথায় আর কোনো সুরক্ষা নেই।

🟢 তাহলে করণীয় কী?

প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম

Stress control — এটা বিলাসিতা নয়, চিকিৎসা
হঠাৎ ভারী ব্যায়াম নয়

Smoking / V**e / Smokeless to***co — Zero tolerance

Family history থাকলে আগেই screening

“ভালো আছি” ভাবার আগে শরীরের কথা শোনা
নিয়মিত রুটিন চেকআপ

❤️ মুল কথা হলো—
হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক এখন আর শুধু বয়স্কদের রোগ নয়।
এগুলো হচ্ছে অযত্নে কাটানো জীবনের নীরব ফলাফল।
নিজের যত্ন নিন।
👉 আপনি না থাকলে, আপনার জায়গা কেউ পূরণ করতে পারবে না।
🩺 একটু সচেতনতা পারে একটি প্রাণ বাঁচাতে।

ডাক্তার আবদুর রহীম
এমবিবিএস
বিসিএস
এফ সি পি এস মেডিসিন
এম এ সি পি
কনসালটেন্ট মেডিসিন
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

01/01/2026
22/12/2025

ব্র্যান্ড স্কুল নয়, সন্তানের মেধাই আসল

ঢাকা শহরের কিছু নামডাকওয়ালা স্কুল–কলেজ...........—দীর্ঘদিন ধরে ‘সেরা’ তকমা পেয়ে এসেছে। ফলে প্রতি বছর অসংখ্য অভিভাবক সন্তানকে এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। কিন্তু একটি মৌলিক সত্য প্রায়ই আড়ালে পড়ে যায়—স্কুলের নাম নয়, ফলাফলই শিক্ষার আসল প্রমাণ।

মেডিকেল, বুয়েট বা শীর্ষ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল দেখলে দেখা যায়, অনেক সময় মফস্বল বা প্রায় অখ্যাত কলেজ থেকেও অসাধারণ সাফল্য আসে। যেমন—উত্তরবঙ্গের সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে এককভাবে ৪৫ জন শিক্ষার্থী মেডিকেলে চান্স পেয়েছে। এতে স্পষ্ট হয়, শিক্ষাগত উৎকর্ষ কোনো ব্র্যান্ডের দান নয়; এটি আসে নিয়মিত পড়াশোনা, শৃঙ্খলা ও সুস্থ একাডেমিক পরিবেশ থেকে।

ভারতের কোটা শহরেও কোনো নামী স্কুল নেই, তবু সেখান থেকেই সবচেয়ে বেশি IIT ও AIIMS শিক্ষার্থী বের হয়। কারণ সেখানে আছে লক্ষ্যভিত্তিক প্রস্তুতি ও পড়ালেখার সংস্কৃতি—হাইপ নয়।
এসএসসি পরীক্ষাতেও আমরা দেখি, বোর্ডে প্রথম বা দ্বিতীয় হওয়া শিক্ষার্থীরা অনেক সময় ঢাকার আলোচিত স্কুল থেকে আসে না। তবু সামাজিকভাবে এই স্কুলগুলোকেই ‘সেরা’ ধরে নেওয়া হয়—যা বাস্তবতার সঙ্গে সবসময় মেলে না।

শিক্ষার বড় সমস্যা হলো—অযৌক্তিক ভর্তি প্রতিযোগিতা, বড় ব্যাচ, স্কুলভিত্তিক কোচিং আর ক্লাস জাম্পের প্রবণতা। দ্বিতীয় শ্রেণি শেষ করে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি—শিশুর শেখার স্বাভাবিক স্তরকে ভেঙে দেয়। অথচ শেখা একটি ধাপে ধাপে এগোনো প্রক্রিয়া। ফিনল্যান্ডের মতো সফল শিক্ষা ব্যবস্থা তাই বলে—
“কোনো শিশুকে তার বোঝার চেয়ে দ্রুত এগোতে বাধ্য করা উচিত নয়।”
বাস্তবে দেখা যায়, যেসব সাধারণ স্কুলে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন, যেখানে শ্রেণিকক্ষই শেখার কেন্দ্র—সেখান থেকেই ধারাবাহিকভাবে ভালো ফল আসে। কারণ সেখানে ভিত্তি গড়া হয় শুরু থেকেই।
রবীন্দ্রনাথ বলেছেন,
“শিক্ষা সেই যা মানুষকে মুক্ত করে।”
ভয়, তুলনা আর অমানবিক প্রতিযোগিতার শিক্ষা কখনো শিশুকে মুক্ত করতে পারে না।

তাই শ্রেষ্ঠ স্কুল সেটি নয়, যার গেটে সবচেয়ে বড় ভিড়; শ্রেষ্ঠ স্কুল সেটিই, যেখানে শিশুর ভিত মজবুত হয়, শেখার আনন্দ তৈরি হয় এবং মানুষ হওয়ার প্রস্তুতি নেয়।
যারা নামী স্কুলে সুযোগ পাননি—তারা যেন হতাশ না হন। সন্তানের ভবিষ্যৎ কোনো একটি স্কুলের ভেতর আটকে থাকে না। এলাকার একটি ভালো স্কুলে ভর্তি করিয়ে, অভিভাবক হিসেবে আপনি যদি সন্তানের পাশে দাঁড়ান—তাহলেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হয়। কারণ কোনো স্কুলই আপনার মতো করে আপনার সন্তানকে বুঝবে না।

শিশু গড়ে ওঠে সম্পর্ক, ভালোবাসা ও সুস্থ পরিবেশে—শুধু সিলেবাসে নয়। ইতিহাস প্রমাণ করে, সাধারণ স্কুল থেকেও অসাধারণ মানুষ তৈরি হয়।
অতএব, হাইপের পেছনে না ছুটে, তুলনার ফাঁদে না পড়ে, সন্তানের শেখার গতি ও প্রকৃতিকে সম্মান করুন।
স্কুল হবে সহযাত্রী—আর অভিভাবক হবেন সন্তানের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নাবিক।

23/11/2025

🌿সুখে বার্ধক্য কাটানোর ৩০টি সহজ উপায়:

১. প্রতিদিন অন্তত কিছুক্ষণ হাঁটুন—হাঁটাই বার্ধক্যের সেরা ওষুধ।
২. রাগ এলে চুপ করে গভীর শ্বাস নিন—রাগ নিজে থেকেই কমে যায়।
৩. শরীরকে একটু ঘামাতে দিন—ব্যায়াম মনকেও চাঙা রাখে।
৪. গরমে বেশি জল পান করুন—শরীরকে শুকনো হতে দেবেন না।
৫. যা আছে তা নিয়েই সুখী থাকুন—অতিরিক্ত চাওয়া শুধু মনকে ক্লান্ত করে।
৬. মনকে ব্যস্ত রাখুন—ভুলে যাওয়া কমে ও মন তরতাজা থাকে।
৭. ওষুধ যত কম, তত ভালো—তাই সবসময় ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
৮. নিজেকে কষ্ট দিয়ে কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে যাবেন না—স্বচ্ছন্দ থাকুন।
৯. একা থাকলেও দুঃখ নয়—নিজের সঙ্গ উপভোগ করতে শিখুন।
১০. মাঝে মাঝে অলসতা উপভোগ করুন—বিশ্রামও দরকার।
১১. বয়স হলে গাড়ি চালানোর ঝুঁকি কম নিন—প্রয়োজনে সাহায্য নিন।
১২. যেটা ভালো লাগে সেটা করুন—জোর করে কিছু নয়।
১৩. বাড়িতে বন্দী না থেকে বাইরে একটু হেঁটে আসুন।
১৪. সামান্য বেশি খাওয়া বা সামান্য মোটা হওয়া মন্দ নয়—আনন্দটাই বড়।
১৫. কাজ ছোট-বড় যাই হোক—মনোযোগ দিয়ে করুন।
১৬. যাদের সঙ্গে মন মেলে না—তাদের থেকে দূরে থাকুন।
১৭. সারাক্ষণ টিভি না দেখে—নিজের সঙ্গে কিছু সময় কাটান।
১৮. অসুখকে শত্রু ভাববেন না—মেনে নিয়ে ভালোভাবে বাঁচুন।
19. ফল-সবজি প্রতিদিন খান—স্বাস্থ্য আপনাকে ধন্যবাদ দেবে।
20. ঘুম জোর করে আনতে যাবেন না—মন শান্ত হলে ঘুম নিজেই আসে।
21. যেসব কাজ আনন্দ দেয়—সেগুলোই বার্ধক্যের আসল টনিক।
22. একজন বিশ্বস্ত পারিবারিক ডাক্তার রাখুন—দুশ্চিন্তা কমবে।
23. মাঝে মাঝে সবকিছু ভুলে শিশুর মতো সরল হোন—মন হালকা থাকে।
24. নতুন কিছু শেখা বন্ধ করবেন না—এটাই জীবনের স্পন্দন।
25. প্রিয় মানুষদের সঙ্গে সময় কাটান—এটাই আসল সম্পদ।
26. রোদে একটু বসুন—এতে ভিটামিন D যেমন বাড়ে, মনও উষ্ণ হয়।
27. অন্যের ভালো করুন—সত্যিকারের আনন্দ এখানেই।
28. আজকের দিনটাই সুন্দর করে কাটান—আগামীকাল পরে আসবে।
29. খোলা মনে শ্বাস নিন—দম আটকে বাঁচা যায় না।
30. হাসি হলো জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ—যত হাসবেন, জীবন তত সহজ হবে।

শহর থেকে দূরে হলেঁ সভ্যতার —আর নেই কো .................বহুদূর।রইলো আমন্ত্রণ—বন্ধু,এসো  .....................দেওয়ানপুর।@@...
14/11/2025

শহর থেকে দূরে হলেঁ সভ্যতার —
আর নেই কো .................বহুদূর।
রইলো আমন্ত্রণ—বন্ধু,
এসো .....................দেওয়ানপুর।@@@

শিক্ষায় বিদ্যা বিক্রি হয়বিবেক  বিদ্যা কেনা বেচা হয় না আজকাল !!
28/10/2025

শিক্ষায় বিদ্যা বিক্রি হয়
বিবেক বিদ্যা কেনা বেচা হয় না আজকাল !!

05/10/2025

শিক্ষকতা পেশা: অতীত ও বর্তমান

শিক্ষকতা একসময় ছিল সমাজের সবচেয়ে গৌরবময় ও শ্রদ্ধার পেশা। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে শিক্ষক মানেই ছিলেন আলোর দিশারি, ন্যায় ও নৈতিকতার প্রতীক।তাঁর কথাই ছিল শেষ কথা—অভিভাবক ও ছাত্র সকলের কাছে তিনি ছিলেন পরম শ্রদ্ধার পাত্র।তখন শিক্ষকরা সামান্য বেতনে চলেও গর্ব করতেন, কারণ সমাজ তাঁদের হৃদয়ে জায়গা দিয়েছিল।

সত্তরের দশকে শিক্ষকরা রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার মধ্যেও ন্যায় ও জ্ঞানের মশাল জ্বালিয়ে রেখেছিলেন।

আশির দশকে বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা, শ্রদ্ধা ও মানবিক সম্পর্ক ছিল শিক্ষার মূলভিত্তি।

শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের চোখে ভয় নয়, বরং ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণা খুঁজে পেত।শিক্ষকতা তখন ছিল এক মহৎ সাধনা, যেখানে অর্থ নয়, নৈতিকতার জয় হতো।

কিন্তু সময়ের স্রোতে সমাজের মূল্যবোধ বদলেছে, অর্থই এখন সম্মানের মাপকাঠি।

আধুনিক যুগে শিক্ষক অনেক সময় পেশাদার কর্মচারীতে পরিণত হয়েছেন, সমাজের পথপ্রদর্শক নন।প্রযুক্তি, প্রতিযোগিতা ও ভোগবাদের প্রভাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্কেও দূরত্ব এসেছে। তবুও এখনো কিছু শিক্ষক আছেন, যাঁরা নীরবে সেই পুরনো আদর্শ বাঁচিয়ে রেখেছেন। তাঁদের চোখে এখনো শিক্ষা মানে মানুষ গড়া, নয় কেবল নম্বর তোলা।

আজকের সমাজে শিক্ষকের প্রকৃত মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে দরকার নৈতিকতার পুনর্জাগরণ। কারণ শিক্ষক কেবল জ্ঞান দেন না, তিনি দেন জীবনবোধ ও সঠিক পথের দিশা। এক শিক্ষকের আদর্শ হতে পারে এক প্রজন্মের বিবেক।তাই শিক্ষকতার মর্যাদা মজবুত করতে হলে সমাজকেও শ্রদ্ধা শেখাতে হবে নতুন করে।

যে জাতি তার শিক্ষকদের সম্মান করে, সেই জাতি কখনো পথ হারায় না।

আমাদের সবুজে তোমরা রঙ্গিন হও............
02/10/2025

আমাদের সবুজে
তোমরা রঙ্গিন হও............

Address

Kalmegha
Tangail
1950

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Abdur Rahim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Abdur Rahim:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram