Dr Tasnim Jara

  • Home
  • Dr Tasnim Jara

Dr Tasnim Jara Dr Tasnim Jara
MBBS (DMC), MSc with Distinction (Oxford), MRCP (UK), DRCOG (UK), AFHEA (UK)

Co-Founder, Shohay Health

ডা. তাসনিম জারা যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজের একজন চিকিৎসক ও “সহায় হেলথ”-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা।

তিনি বাংলাদেশের শীর্ষ মেডিকেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে, উচ্চতর পড়াশোনা করতে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে যান এবং সেখান থেকে সর্বোচ্চ ফলাফল (ডিসটিঙ্কশন) অর্জন করে ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। এছাড়াও তিনি যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অফ অবস্টেট্রিশিয়ান এবং গাইনোকোলজিস্ট থে

কে ডিআরসিওজি ডিগ্রি অর্জন করেছেন, এটি নারীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে গভীর জ্ঞানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রদান করা হয়।

ভ্যাকসিন নিয়ে সচেতনতায় অসামান্য অবদান রাখায় যুক্তরাজ্য সরকার ডা. তাসনিম জারাকে ‘ভ্যাকসিন লুমিনারি’ নামক বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেন। তার কাজ নিয়ে বিবিসি, টাইমস, স্কাই নিউজ, ইয়াহু ও দ্যা ফিনান্সিয়াল টাইমসের মতো আন্তর্জাতিক মিডিয়া সংবাদ প্রচার করেন। তিনি ২০২৪ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফাইডি (Fide) হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

ডা. তাসনিম জারা বর্তমানে বিশ্বখ্যাত কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ইন্টারনাল মেডিসিনে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হিসেবে কাজ করছেন এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র ক্লিনিক্যাল সুপারভাইজার হিসেবে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের পড়ান। তিনি যুক্তরাজ্যের হায়ার এডুকেশন একাডেমির একজন সহযোগী ফেলো। তার গবেষণাপত্র বিশ্ববিখ্যাত জার্নালগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও তিনি সাজিদা ফাউন্ডেশনের ইনস্টিটিউশনাল রিভিউ বোর্ডের একজন সদস্য।

ডা. তাসনিম জারা সহজ বাংলায় ভিডিও তৈরির মাধ্যমে মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তুলতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন৷ বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষ নিয়মিত তার স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ভিডিওগুলো দেখেন। এ পর্যন্ত তার ভিডিওগুলি এক বিলিয়ন মিনিটেরও বেশি সময় ধরে দেখা হয়েছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে ১ কোটিরও বেশি মানুষ ফলো করেন।


Dr Tasnim Jara
MBBS (DMC), MSc (Oxford), MRCP (UK), DRCOG (UK), AFHEA (UK)

Co-Founder, Shohay Health
Fide, World Health Organization
Senior Clinical Supervisor (Undergraduate), University of Cambridge
Internal Medicine Resident, Cambridge University Hospitals

This page is for informational purposes only. It is not intended to be a substitute for professional medical advice, diagnosis, or treatment. Always seek the advice of your doctor with any questions you may have regarding medical conditions or health problems. Reliance on any information provided on this page is solely at your own risk.

22/04/2026

এক.
শিক্ষকরা দিনের পর দিন রাস্তায় বসে থাকেন তাঁদের ন্যায্য বেতনের দাবিতে। ডাক্তাররা কর্মবিরতিতে যান। নার্সরা আন্দোলন করেন। সরকারি কর্মচারীরা বছরের পর বছর পে-স্কেল সংশোধনের অপেক্ষায়। কৃষক ফসলের ন্যায্য দাম পান না। ছোট ব্যবসায়ীরা হিমশিম খাচ্ছেন। দেশ একসাথে কয়েকটা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

আর এই বাস্তবতায় এমপিরা সংসদে আলোচনায় বসছেন, নিজেদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে। দাবি উঠলে প্রধানমন্ত্রী তা বিবেচনা করবেন বলে সাথে সাথেই আশ্বাস আসছে। এই এক প্রসঙ্গে সরকার আর বিরোধী দল একমত, হাসিমুখে একই সুরে কথা বলছেন, দ্রুত সমাধানের কথা বলছেন। জনগণের সমস্যায় যে দ্রুততা আর ঐক্য দেখা যায় না, সেটা এখানে তৎক্ষণাৎ হাজির।

এমপিরা সংসদে গিয়েছেন জনগণের সমস্যার সমাধান করতে। নিজেদের প্রাপ্তির হিসাব কষতে না। একজন শিক্ষক যখন ছয় মাস আন্দোলন করেও কোনো সাড়া পান না, আর এমপিরা নিজেদের অফিস, গাড়ির ব্যাপারে কয়েক দিনেই সিদ্ধান্ত টেনে আনতে পারেন, তখন জনগণ বুঝে যায়, এই ব্যবস্থায় কার সুযোগ-সুবিধা আসলে গুরুত্বপূর্ণ।

দুই.
এমপিদের বেতন, ভাতা, সুযোগ-সুবিধা এমপিরা নিজেরা ঠিক করবেন, এটা নীতিগতভাবেই ভুল।

কেন ভুল? পৃথিবীর কোনো পেশায় মানুষ নিজের বেতন নিজে ঠিক করে না। কারণ এটা স্বার্থের সরাসরি সংঘাত। একজন ডাক্তারের বেতন ঠিক করে হাসপাতাল বা সরকার। একজন শিক্ষকের বেতন ঠিক করে শিক্ষা বোর্ড। একজন সরকারি কর্মকর্তার বেতন ঠিক করে পে কমিশন। এমনকি একটা কোম্পানির সিইও-র বেতনও ঠিক করে বোর্ড, তিনি নিজে না।

এমপিদের বেতন-ভাতা-সুবিধা আসছে জনগণের করের টাকা থেকে। সেই টাকার পরিমাণ তাঁরা নিজেরাই ঠিক করবেন, এটা নীতিগতভাবে অগ্রহণযোগ্য। এমপিরা জনগণের সেবক। সেবকের বেতন সেবক নিজে ঠিক করেন না, ঠিক করেন যাঁরা তাঁকে নিয়োগ দিয়েছেন, অথবা তাঁদের পক্ষে একটা নিরপেক্ষ কাঠামো।

তিন.
তাহলে সমাধান কী?

একটা স্বাধীন কমিটি গঠন করুন, যারা এমপিদের ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধার বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করবে।

এই কমিটি কী করবে? প্রথমত, অন্যান্য পেশার সাথে তুলনা করে দেখবে। একজন এমপির দায়িত্ব কী, সময় কতটুকু দিতে হয়, ঝুঁকি কেমন, যোগ্যতা কী লাগে। এগুলো বিবেচনা করে দেখবে তাঁর প্রাপ্য আসলে কতটুকু হওয়া উচিত। একজন জেলা জজ, একজন সচিব, একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, একজন হাসপাতালের কনসালট্যান্ট। এঁদের সাথে তুলনা করে একটা যৌক্তিক অবস্থান বের করা সম্ভব।

দ্বিতীয়ত, কমিটি দেখবে সুযোগ-সুবিধাগুলো আজকের বাস্তবতায় প্রাসঙ্গিক কিনা। অনেক ভাতা বা সুবিধা হয়তো কোনো এক সময়ে যুক্তিসঙ্গত ছিল, কিন্তু আজকের দিনে তার আর কোনো ভিত্তি নেই। আবার কিছু নতুন চাহিদা হয়তো তৈরি হয়েছে, যেগুলো এখনো স্বীকৃত হয়নি।

এই কমিটির কাজ শুধু সুধিবা বাড়ানো বা শুধু সুবিধা কাটছাঁট করা না। হতে পারে কিছু ক্ষেত্রে এমপিদের প্রাপ্যতা আসলেই অপ্রতুল। একজন প্রত্যন্ত এলাকার এমপিকে যে পরিমাণ যাতায়াত করতে হয়, যে পরিমাণ মানুষের সাথে দেখা করতে হয়, সেই হিসেবে তাঁর সহায়তা তহবিল বা অফিস সুবিধা হয়তো বাড়ানো দরকার। আবার কিছু সুবিধা, যেমন শুল্কমুক্ত বিলাসবহুল গাড়ি, হয়তো আজকের দিনে যৌক্তিকতা হারিয়েছে। সেগুলো ছাঁটাই হোক।

মোদ্দা কথা, কোনটা বাড়বে কোনটা কমবে, সেটা নিরপেক্ষ বিচারে ঠিক হোক। এমপিরা নিজেরা এই সিদ্ধান্ত নেবেন না। নেবে স্বাধীন কমিটি।

এই কমিটিতে কারা থাকবেন সেটা আলাদা আলোচনার বিষয়, এবং সেই আলোচনাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে মূল নীতি হচ্ছে বিচারক, অর্থনীতিবিদ, প্রশাসন বিশেষজ্ঞ, সুশাসন সংস্থার প্রতিনিধিদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও থাকতে হবে। একজন সরকারি স্কুলশিক্ষক, একজন নার্স, একজন ছোট ব্যবসায়ী থাকতে পারেন। কারণ এমপিদের সুযোগ-সুবিধা শেষ পর্যন্ত একটা অনুপাতের প্রশ্ন। সাধারণ বাংলাদেশির জীবনমানের সাথে তাঁদের প্রাপ্যতার অনুপাত। সেই অনুপাত বোঝার জন্য টেবিলে এমন মানুষ দরকার, যাঁরা সেই জীবনটা যাপন করেন।

এমপিরা নিজেরাই এই প্রস্তাব দিন। এটা আপনাদের মর্যাদার প্রশ্ন। জাতির সামনে দাঁড়িয়ে নিজের বেতন নিজে ঠিক করা একটা অস্বস্তিকর বিষয়। যেটা থেকে বের হয়ে আসা আপনাদের নিজেদের স্বার্থেই প্রয়োজন।

21/04/2026

আজ ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ঘোষণা হয়েছে। অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করে, সহানুভূতি জানিয়ে লিখেছেন যে আমি সংসদে থাকছি না।

আপনাদের ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞ।

সংরক্ষিত আসনে যাওয়ার জন্য আমাকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। আমি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তা ফিরিয়ে দিয়েছি।

সংসদে গিয়ে মানুষের স্বার্থের পক্ষে কথা বলার সুযোগ ফিরিয়ে দেয়া সহজ ছিল না। কিন্তু ঐকমত্য কমিশনে আমি বলেছিলাম যে সংরক্ষিত নারী আসন পূরণ হওয়া উচিত জনগণের সরাসরি ভোটে, দলীয় মনোনয়নে নয়। এর পক্ষে যুক্তি দিয়েছি, ক্যাম্পেইন করেছি, আপনাদের স্বাক্ষরও নিয়েছি। এমপি হওয়ার প্রস্তাব পাওয়ার পর ভিন্ন অবস্থান নেয়া আমার পক্ষে সম্ভব না।

আজ যাঁরা সংসদে যাচ্ছেন, তাঁদের নিয়ে আমার এই মন্তব্য নয়। তাঁদের অনেকেই অত্যন্ত যোগ্য মানুষ। নিজ নিজ দক্ষতায় তারা সংসদকে কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। আমি তাঁদের সফলতা কামনা করি।

আমার অবস্থানটি সিস্টেম নিয়ে।

যিনি জনগণের ভোটে সংসদে যান, তিনি তাঁর ভোটারদের কাছে জবাবদিহি করেন। প্রয়োজনে দলের বিরুদ্ধেও কথা বলতে পারেন।

যিনি দলীয় মনোনয়নে সংসদে যান, তাঁর কোনো নির্বাচনী এলাকা থাকে না, কোনো ভোটার থাকে না। এটি কোনো ব্যক্তির সততার প্রশ্ন নয়, বরং কাঠামোগত দুর্বলতার প্রশ্ন। মানুষ যাঁর কাছে জবাবদিহি করে, শেষ পর্যন্ত তাঁর স্বার্থই রক্ষা পায়।

বাংলাদেশে অর্ধেকের বেশী জনসংখ্যা নারী। তাঁদের প্রতিনিধিত্ব গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আসা উচিত। সংরক্ষিত আসন যদি থাকতেই হয়, সেগুলোও জনগণের ভোটে নির্ধারিত হোক।

আমি ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলাম। মাত্র ১৯ দিনের প্রচারে, পোস্টার ছাড়া, মিছিল ছাড়া, নির্বাচনী ব্যয়ের সীমা মেনে, ৪৪ হাজারের বেশি মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছিলেন। নির্বাচনের দিন যে অনিয়ম হয়েছিল, তার দলিল আমরা রেখেছি। ফলাফলও মেনে নিয়েছি। আমি যদি কখনো সংসদে যাই, আপনাদের ভোটেই যাব।

সংসদের বাইরে থেকেও সমাজের জন্য কাজ করা সম্ভব। আমি সেটাই চালিয়ে যাবো।

ব্রাজিলের ফুটবল জাদুঘরে ম্যারাডোনার জার্সি।
20/04/2026

ব্রাজিলের ফুটবল জাদুঘরে ম্যারাডোনার জার্সি।

19/04/2026

মানুষ আপনাকে ভোট দিয়েছে পার্লামেন্টে গিয়ে তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে কথা বলতে। দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে কথা বলতে। স্তুতিগাথা গেয়ে নিজের স্বার্থ রক্ষার জন্য মানুষ আপনাকে সংসদে পাঠায়নি।

হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সরকার কী করছে, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করুন। ১৫ মার্চ থেকে এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত ১৮,০০০-এর বেশি সন্দেহজনক হামের কেস, ১৬৪ জনের মৃত্যু, ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮টিতে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। কিন্তু কোন উপজেলায় কত কেস, রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং ড্যাশবোর্ড এখনো আমরা পাই নি। এটা ছাড়া কীভাবে কার্যকরভাবে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলা করবেন? আমরা শুনতে পাচ্ছি যে অন্তর্বর্তী সরকার সেক্টরাল প্রোগ্রামের ফান্ড হঠাৎ বন্ধ করে দিয়েছিল এবং সিরিঞ্জের অভাবে এমআর ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন আটকে গিয়েছিল - এই সিদ্ধান্তগুলোর দায় কার, সেটা সংসদীয় তদন্ত হওয়া উচিত। ২০২৬ সালেই হাম-রুবেলা নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা ছিল; সেই লক্ষ্য থেকে আমরা কত দূরে সরে গেছি, ফিরে আসার রোডম্যাপ কী, এসব প্রশ্ন সংসদ থেকেই আসতে হবে।

মার্চ-এপ্রিলে তেলের পাম্পে মানুষ কীভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েছে, কীভাবে মোটরবাইকে ৫০০ টাকার আর গাড়িতে ১,৫০০ টাকার বেশি তেল পাচ্ছে না, এসব সংসদীয় প্রশ্নের বিষয় হওয়া উচিত। মন্ত্রীর কাছে জিজ্ঞাসা করুন: বোরো মৌসুমে কৃষকদের জন্য আলাদা প্রায়োরিটি লেন কেন নেই? বোরো ধান দেশের মোট চাল উৎপাদনের ৫৫ শতাংশ।

এনার্জি সিকিউরিটি কীভাবে নিশ্চিত করব? সরকারের দীর্ঘমেয়াদী এনার্জি পলিসি জাতির সামনে উপস্থাপন করতে বলুন। স্পট মার্কেটে নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনতে সরকার কী ধরনের কৌশল গ্রহণ করছেন? পলিসি যখন আসবে, সেটার কাটাছেঁড়া বিশ্লেষণ করুন। কোথায় ভর্তুকি ঢালাও দেওয়া হচ্ছে আর কোথায় টার্গেটেড সাপোর্ট দরকার, সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলুন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করুন মব কালচারের সমাপ্তি ঘোষণা দেওয়ার পরও কেন নিয়মিত মব হামলা হচ্ছে? এটা কমাতে উনি কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন?

শুধু এই তিনটা বিষয় না, আরও অনেক ইস্যু আছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা সংক্রান্ত অর্ডিন্যান্স কেন আটকে আছে? ৯ শতাংশের ওপরে মুদ্রাস্ফীতি, ১০ শতাংশ পলিসি রেট। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষায় সরকারের কী পরিকল্পনা? এসব নিয়ে সকাল-বিকাল বিশেষজ্ঞদের সাথে বসুন, সেক্টর-স্পেসিফিক ব্রিফিং নিন, ডেটা পড়ুন। যাতে সংসদে প্রশ্ন তোলার সময় মন্ত্রী একটা সাজানো উত্তর দিয়ে পার পেয়ে না যান।

সংসদের কাজ হচ্ছে সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা। আমরা একবার ভোট দিয়েছি, আপনাকে পাঠিয়েছি, কারণ আমরা প্রতিদিন সরকারের কাজের তদারকি করতে পারব না। সেটা সংসদে আপনারা করবেন। সেটা বাদ দিয়ে স্তুতিগাথা দিয়ে আপনার এলাকার মানুষকে হতাশ করবেন না। দেশের মানুষকে হতাশ করবেন না। সাংসদ যদি প্রশ্ন না তোলেন, সংসদের কার্যকারিতা থাকে না।

শুভ নববর্ষ!
14/04/2026

শুভ নববর্ষ!

যাচ্ছি ব্রাজিল। সাও পাওলোতে একটা আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে যোগ দিতে। বিমানবন্দরের ছবি নিজেই পোস্ট করছি, কারণ এখন নিজের ছবি ...
12/04/2026

যাচ্ছি ব্রাজিল। সাও পাওলোতে একটা আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে যোগ দিতে।

বিমানবন্দরের ছবি নিজেই পোস্ট করছি, কারণ এখন নিজের ছবি নিজে না দিলে অন্যরা দিয়ে দেয় এবং ক্যাপশনটা একটু অন্যরকম হয়। 🙂

04/04/2026

ধরুন আপনি একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান। দলের নাম দিলাম 'ছাত্র-জনতা পার্টি (সিজেপি)'।

আজ সকালে দেশের অন্যতম প্রভাবশালী একটি পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে: "৯ মাসে ৪০০ কোটি টাকা দুর্নীতি করল সিজেপির নেতা"

কল্পনা করুন সেই সকালটা। আপনি চায়ের কাপ হাতে নিয়েছেন। ফোন বাজছে। একের পর এক নেতা-কর্মী মেসেজ পাঠাচ্ছেন। টিভি চ্যানেলগুলো ব্রেকিং নিউজ চালাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড করছে আপনার দলের নাম।

যে নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি আপনাকে ফোন করে বললেন: "এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি পত্রিকার বিরুদ্ধে মামলা করব।"

এরপর ঘটল আরেকটা ঘটনা। পত্রিকাটি চুপিসারে খবরটি নামিয়ে ফেলল! তারা স্বীকার করল, সংবাদটি মূলত একটি অসমর্থিত অভিযোগ ছিল।

কিন্তু ততক্ষণে ক্ষতি যা হওয়ার হয়ে গেছে। অন্য সব পত্রিকা, টিভি, ফেসবুক, সবাই খবরটি ছড়িয়ে দিয়েছে। পত্রিকা সরিয়ে নিলেই স্ক্রিনশট মুছে যায় না।

এখন আপনি কী করবেন?

এক.
একদল মানুষ এসে বলছেন, "এখনই বরখাস্ত করুন। দলকে বাঁচান।" কিন্তু আপনি কি সে পথে হাঁটবেন?

আপনি ভেবে দেখলেন যে অভিযোগটি প্রমাণিত হয়নি। পত্রিকাটি নিজেই সংবাদটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এই মুহূর্তে বরখাস্ত করার মানে হলো আপনি অভিযোগকেই রায় হিসেবে মেনে নিচ্ছেন। বরখাস্ত মানে শাস্তি। শাস্তি দিতে হলে আগে বিচার লাগে।

এই নেতা পনেরো বছর ধরে রাজনীতি করছেন। তাঁর গোটা জীবনটাই এই রাজনীতিতে। আপনি যদি আজ শুধু একটি প্রমাণহীন সংবাদের ভিত্তিতে তাঁকে ছুঁড়ে ফেলেন, তাহলে আপনি তাঁর সঙ্গে অবিচার করলেন। এবং একটি বার্তাও দিলেন যে আমাদের দলে শাস্তি দিতে প্রমাণ লাগে না, মিডিয়া ট্রায়ালই যথেষ্ট।

বিরোধী পক্ষ এটা বুঝে ফেলবে। এরপর যাকে সরাতে চাইবে, তার বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ ছুঁড়ে দিলেই কাজ হবে।

তাহলে কি বরখাস্ত করবেন না?

দুই.
আরেকদল বলছেন, "আপনারা নিজেরা একটা তদন্ত কমিটি করুন। সত্য বের করুন।"

শুনতে যুক্তিসংগত। কিন্তু বাস্তবে কীভাবে করবেন?

আপনার দলের কাছে কোনো তদন্তকারী সংস্থা নেই। ব্যাংক হিসাব দেখার ক্ষমতা নেই। সাক্ষী জিজ্ঞাসাবাদ করার আইনি এখতিয়ার নেই। আপনি দলের কিছু বিশ্বস্ত মানুষ দিয়ে কমিটি করতে পারেন, কিন্তু তারা নিরপেক্ষ হবে কীভাবে? অভিযুক্ত ব্যক্তি আপনারই দলের। কমিটির সদস্যরাও আপনারই দলের। মিডিয়া বলবে, "নিজের লোককে নিজেরা নির্দোষ বলল।" কেউ বিশ্বাস করবে না।

ধরুন আপনি বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা ভাড়া করলেন। তদন্ত করালেন। তারা বলল, নেতা নির্দোষ। এই রায়ের কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা থাকবে? যে অভিযোগ করেছে সে বলবে, আপনি টাকা দিয়ে নির্দোষের সার্টিফিকেট কিনেছেন।

আর খরচের কথা ভাবুন। একটা পূর্ণ তদন্ত করতে লক্ষ লক্ষ টাকা লাগে। দলের কোষাগার থেকে এই টাকা কোথায় পাবেন? এবং যদি প্রতিবার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই এভাবে তদন্ত করতে হয়, দলের কাজ বলে আর কিছু থাকবে না।

তাহলে উপায় কী?

তিন.
পত্রিকা একটি অভিযোগ ছাপাল কোনো তথ্য যাচাই না করে, কোনো জবাব না নিয়ে। এটা সম্ভব হলো কারণ পত্রিকার কোনো জবাবদিহিতা নেই। অন্য মিডিয়া সেই খবর ছড়ালো নিজেরা যাচাই না করেই। নেতার বিরুদ্ধে এখন প্রমাণ নেই, কিন্তু অভিযোগ মাথায় নিয়ে তাঁকে বাঁচতে হবে। আর দলকে বাঁচাতে হবে প্রমাণ ছাড়াই কাউকে দোষী বা নির্দোষ ঘোষণা করে।

সারা বিশ্বে কী এমনই চলে? অন্যান্য দেশ কীভাবে এটার সমাধান করে? উত্তর হচ্ছে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা ও স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন।

অভিযোগ উঠলে দলনেতা কেবল বলেন: "দুদক তদন্ত করবে। আমরা সম্পূর্ণ সহযোগিতা করব।"

এরপর দুদক স্বাধীনভাবে তদন্ত করে। ব্যাংক হিসাব দেখে। সাক্ষী জিজ্ঞাসাবাদ করে। নথি পরীক্ষা করে। দলের নেতার কথায় প্রভাবিত হয় না। সরকারের ইশারায় থামে না।

যদি নেতা নির্দোষ প্রমাণিত হন, দলের নেতাকে কিছু বলতে হয় না। দুদকের রায় নিজেই কথা বলে। মিডিয়া লিখবে "নির্দোষ প্রমাণিত।" কারো বলার সুযোগ থাকবে না যে "দল ধামাচাপা দিয়েছে।"

যদি নেতা দোষী প্রমাণিত হন, দলনেতা তখন বলতে পারেন: "আমরা কাউকে রক্ষা করিনি। আইন তার কাজ করেছে। এই দলে দুর্নীতির জায়গা নেই।" এতে দলের সুনাম বাড়ে, কমে না।

এই পুরো ব্যবস্থাটা কাজ করে কারণ তদন্তের দায়িত্ব দলের উপর থাকে না। সেটা থাকে একটি স্বাধীন, দক্ষ, আইনি ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের উপর। কিন্তু এই ব্যবস্থা তখনই কাজ করে যখন দুদক সত্যিকার অর্থে স্বাধীন।

চার.
বিএনপি এখন ক্ষমতায়। আজ না হলে কাল দলের নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠবেই। মিথ্যা হলেও সত্যি হলেও। সেই মুহূর্তে দলটির কাছে যদি একটি বিশ্বাসযোগ্য স্বাধীন দুদক থাকে, তাহলে তারা বুক ফুলিয়ে বলতে পারবে: "তদন্ত হোক।"

আর যদি না থাকে, তাহলে প্রতিটি অভিযোগ হবে একটি রাজনৈতিক সংকট, যার মোকাবিলা করতে গিয়ে দলের মনোযোগ, সময়, শক্তি ক্ষয় হবে।

প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতাকে ভয় পাওয়া কোনো আত্মবিশ্বাসী রাজনীতির লক্ষণ না। দেশ ও নিজেদের স্বার্থে অধ্যাদেশটির অনুমোদন দিন। দুদককে আরও শক্তিশালী করতে চাইলে পরবর্তীতে সংসদে সংশোধন আনুন, কিন্তু এই অজুহাতে পুরনো ব্যবস্থা বহাল করবেন না।

04/04/2026

সরকার দুর্নীতি দমন কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশটি বাতিল (Lapse) করতে চাইছে। সরকার মূলত দুটি কারণে এই অধ্যাদেশটি বাতিল করতে চাইছে।

প্রথমত, এই অধ্যাদেশে দুদককে প্রাথমিক অনুসন্ধান ছাড়াই অর্থ পাচার বা বড় দুর্নীতির ক্ষেত্রে সরাসরি মামলা বা এজাহার করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। সরকার এই ক্ষমতাকে সংবেদনশীল বা Sensitive বলছে।
দ্বিতীয়ত, দুদককে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার জন্য একটি বর্ধিত ও সম্পূর্ণ স্বাধীন বাছাই কমিটির প্রস্তাব করা হয়েছিল। সরকার বলছে, এটি নিয়ে তাদের আরও নীতিগত সিদ্ধান্ত বা কনসালটেশন প্রয়োজন।

এই দুটি বিষয় নিয়ে আমার মতামত সহজে তুলে ধরার চেষ্টা করি:

১। দেশের কোনো সাধারণ মানুষের একটি মোবাইল ফোন চুরি হলে, তিনি সোজা থানায় গিয়ে সরাসরি এজাহার দায়ের করতে পারেন। পুলিশ সাথে সাথে তদন্ত শুরু করে। সেখানে সরকারের কোনো সংবেদনশীলতা কাজ করে না। কিন্তু যখন দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যায়, ব্যাংক লুট হয়, তখন সরাসরি মামলা করাটি সরকারের কাছে সংবেদনশীল মনে হচ্ছে কেন?

দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর প্রাথমিক অনুসন্ধানের নামে বছরের পর বছর ফাইল আটকে রাখার যে পুরোনো আইনি মারপ্যাঁচ, তা মূলত অপরাধীকে প্রমাণ লোপাট করার এবং বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগই করে দেয়। সরাসরি মামলার ক্ষমতা বাতিল করার অর্থ হলো, রাষ্ট্র সাধারণ চোরের জন্য একরকম আইন রাখছে, আর রাঘববোয়ালদের জন্য রাখছে আরেক রকম!

২। অ্যান্টি-করাপশন বডিকে হতে হয় সরকারের প্রভাবমুক্ত, যাতে তারা সরকারি দলের দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর হতে পারে। অথচ সরকার সেই স্বাধীন বাছাই কমিটির গঠনকেই আটকে দিচ্ছে।

এর অর্থ হতে পারে, সরকার এমন একটি দুদক চায় যার কমিশনাররা সরকারের নেক নজরের ওপর নির্ভরশীল থাকবেন। আর যে প্রতিষ্ঠান সরকারের দয়ায় গঠিত হয়, সে প্রতিষ্ঠান কখনোই সরকারি দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারে না।

বিগত সরকারের আমলে বিএনপি বলেছে যে, "দুর্নীতি দমন কমিশন শুধু সরকারের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানই নয়, এটি বিরোধী দল দমন কমিশনে পরিণত হয়েছে।" দুদকের এই নেতিবাচক রেপুটেশন থেকে বের হয়ে আসার জন্য স্বাধীন বাছাই কমিটির কোনো বিকল্প নেই।

দুদককে নখদন্তহীন করে রাখার পুরোনো সংস্কৃতিতে ফিরে যাওয়া কোনোভাবেই রাষ্ট্রীয় শুভবুদ্ধির পরিচায়ক হতে পারে না। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করুন।

অধিকতর আলোচনার অজুহাতে আইনটি বাতিল করে পুরোনো ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনবেন না। আইনটিকে আরও শক্তিশালী করতে চাইলে পরবর্তীতে সংসদে সংশোধন আনুন, কিন্তু এই কথা বলে প্রতিষ্ঠানকে পঙ্গু করে রাখবেন না।

03/04/2026

সরকার জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশটি এখনই পাস না করে স্থগিত রাখতে চাইছে। সরকারের একটি অদ্ভুত যুক্তি হলো, কমিশন কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে না থাকলে এর তদারকি কীভাবে হবে! এছাড়া নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্ত বা গ্রেপ্তারেও সরকারের আগাম অনুমতি লাগবে।

মানবাধিকার কমিশনের মূল কাজই হলো রাষ্ট্রের বা সরকারের কোনো বাহিনী যদি নাগরিকের অধিকার হরণ করে, তার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা। সেই কমিশনকে যদি খোদ সরকারেরই কোনো মন্ত্রণালয়ের তদারকিতে থাকতে হয়, তবে কি তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে? দুদক, নির্বাচন কমিশন বা মহাহিসাব নিরীক্ষকের কার্যালয় তো কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা উচিত না।

মানবাধিকার কমিশন হলো রাষ্ট্রের আয়নার মতো, যা রাষ্ট্রকে তার নিজের ভুলগুলো দেখায়। সেই আয়নাকে নির্বাহী বিভাগের পকেটে পুরে রাখার মানে হলো, রাষ্ট্র তার নিজের কোনো ত্রুটি বা অপরাধ দেখতে রাজি নয়।

03/04/2026

সরকার গুম প্রতিরোধ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল করতে চাইছে। সরকারের যুক্তি হলো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে হলে বা কাউকে গ্রেপ্তার করতে হলে সরকারের পূর্বানুমতি লাগবে।

একটু ভেবে দেখুন: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে যদি গুমের অভিযোগ ওঠে, আর সেই তদন্তের জন্য যদি খোদ সরকারের কাছেই অনুমতি চাইতে হয়, তাহলে কি কখনো সুষ্ঠু বিচার পাওয়া সম্ভব? বিগত সরকারের আমলে গুমের শিকার পরিবারগুলো তো এই অনুমতি না পাওয়ার কারণেই ন্যায়বিচার পায়নি।

রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়া। কিন্তু যখন বলা হয় যে, নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে কিংবা কাউকে গ্রেপ্তার করতে সরকারের পূর্বানুমতি লাগবে, তখন রাষ্ট্র মূলত নিজেকেই জবাবদিহির ঊর্ধ্বে স্থাপন করে। আইনের চোখে সবাই সমান; এই সর্বজনীন সাংবিধানিক নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এটি।

আইনকে হতে হয় অন্ধ ও নিরপেক্ষ। আর তা না হলে, সেই আইন হয় ক্ষমতাধারীদের সুরক্ষা দেয়ার এবং সাধারণ জনগণকে নিষ্পেষণের হাতিয়ার।

Address

Estadio Do Pacaembu

01234-010

Website

https://tasnimjara.com/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Tasnim Jara posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Tasnim Jara:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share