Mr Psychologist

Mr Psychologist I am here to give awareness of mental health, educate about Mental Disorders, and support those struggling with mental health issues. You are not alone.

World Mental Health Day 2024!  Mental Health Foundation
10/10/2024

World Mental Health Day 2024!

Mental Health Foundation

বাইপোলার ডিসঅর্ডার কী?কখনো খুবই আনন্দিত, আবার কখনো খুবই বিষণ্ণ। সহজ ভাষায় বলতে, দীর্ঘসময় ধরে একজন ব্যক্তির মুডের, আবেগ...
30/06/2024

বাইপোলার ডিসঅর্ডার কী?
কখনো খুবই আনন্দিত, আবার কখনো খুবই বিষণ্ণ। সহজ ভাষায় বলতে, দীর্ঘসময় ধরে একজন ব্যক্তির মুডের, আবেগের বা মানসিক অবস্থার বিপরীতমুখী পরিবর্তন ঘটতে থাকলে তাকে বাইপোলার ডিসঅর্ডার বলে বর্ণনা করে থাকেন চিকিৎসকরা।
বাইপোলার মানে হচ্ছে দুই মেরু। অর্থাৎ একজন ব্যক্তির মানসিকতার এক প্রান্তে থাকে উৎফুল্লতা, অতিরিক্ত উচ্ছ্বাস প্রবণতা, যাকে চিকিৎসকরা বলেন ম্যানিয়া এপিসোড। রোগী অতিরিক্ত উৎফুল্ল থাকেন, কথা বেশি বলেন, অনেক সময় জিনিসপত্র বিলিয়ে দেন।
আরেকপ্রান্তে থাকে বিষণ্ণতা, যাকে চিকিৎসকরা বলেন ডিপ্রেশন এপিসোড। এই সময় তার কিছুই ভালো লাগে না, হতাশায় ভোগেন, দুঃখ বোধ প্রবল থাকে। অনেকের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতাও দেখা যায়।
এই দুইয়ের মাঝামাঝি সময়ে রোগী ভালো থাকেন। সেই সময় অন্য সব মানুষের মতোই স্বাভাবিক আচরণ করেন।

ডায়াবেটিসের মতো বাইপোলার ডিসঅর্ডার একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ। ওষুধ এবং চিকিৎসার মাধ্যমে রোগটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, তবে পুরোপুরি সুস্থ করে তোলা যায় না।

বোবায় ধরা কী?চিকিৎসাশাস্ত্রের ভাষায় এই সমস্যাকে বলা হয় স্লিপ প্যারালাইসিস, বা ঘুমের মধ্যে পক্ষাঘাত।স্লিপ প্যারালাইসিস...
29/06/2024

বোবায় ধরা কী?
চিকিৎসাশাস্ত্রের ভাষায় এই সমস্যাকে বলা হয় স্লিপ প্যারালাইসিস, বা ঘুমের মধ্যে পক্ষাঘাত।
স্লিপ প্যারালাইসিস হলে একজন ব্যক্তি কিছু সময়ের জন্য কথা বলা বা নাড়াচাড়া করার শক্তি হারিয়ে ফেলেন।
এটি সাধারণত কয়েক সেকেন্ড থেকে এক মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তবে ওই সময়টায় রোগী ভীষণ ঘাবড়ে যান, ভয় পেয়ে যান।

চিকিৎসা:
স্লিপ প্যারালাইসিস আসলে গুরুতর কোনও রোগ নয়। মাঝে মাঝে নিজে থেকেই ভাল হয়ে যায়।
এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের সাধারণ কিছু পরামর্শ হল:
১. রাতে অন্তত ৬ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করা। এবং সেই ঘুম যেন গভীর হয়।
২. প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে জেগে ওঠার অভ্যাস করা। এমনকি ছুটির দিনগুলোতেও।
৩. ঘুমাতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ভারী খাবার সেইসঙ্গে ধূমপান, মদ পান এবং ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় যেমন চা-কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
৪. ঘুমের সময় হাতের কাছে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ অর্থাৎ ঘুমের বাঁধা হতে পারে এমন কোন বস্তু রাখা যাবেনা।
৫. স্লিপ প্যারালাইসিস হলে নিজের মনকে প্রবোধ দিতে হবে যে ভয়ের কিছু নেই, এই পরিস্থিতি সাময়িক, কিছুক্ষণ পর এমনই সব ঠিক হয়ে যাবে। এই সময়ে শরীর নাড়াচাড়া করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকতে হবে।

কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে:
এসব নিয়ম মেনে চলার পরও যদি কারও বাড়াবাড়ি রকমের স্লিপ প্যারালাইসিস হয় অর্থাৎ আপনার ঘুমে নিয়মিতভাবে ব্যাঘাত ঘটে তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
কেননা স্লিপ প্যারালাইসিস ঘন ঘন হলে উদ্বিগ্নতার কারণে রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে বা কমে যায়, যা বড় ধরণের স্বাস্থ্য-ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে।

জাম খান মানসিক চাপ কমান!অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং ভিটামিন সি-তে ভরপুর জাম স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। উদ্বেগমুক্ত হয়ে দিন ...
22/06/2024

জাম খান মানসিক চাপ কমান!
অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং ভিটামিন সি-তে ভরপুর জাম স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। উদ্বেগমুক্ত হয়ে দিন শুরু করার জন্য সকালে জাম খাওয়া ভালো। যেহেতু জাম এখন খুবই সহজলভ্য তাই স্ট্রেস ফ্রি থাকতে খেতে পারেন জাম।

16/06/2024
চিন্তা আর দুশ্চিন্তা এক নয়, আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ চিন্তার নামে যেটা করে তা হলো আসলে দুশ্চিন্তা।👉যখন আপনি সামর্থ্য ও...
13/06/2024

চিন্তা আর দুশ্চিন্তা এক নয়, আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ চিন্তার নামে যেটা করে তা হলো আসলে দুশ্চিন্তা।
👉যখন আপনি সামর্থ্য ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে ভাবেন, সেটা দুশ্চিন্তা,
তবে যখন আপনি আপনার সম্ভাবনা নিয়ে ভাবেন, তখন সেটা হচ্ছে চিন্তা।
👉যখন আপনি মনে করেন, আমাকে দিয়ে আর হবে না, তখন সেটা দুশ্চিন্তা,
আর যদি আপনি ভাবেন কিভাবে আপনি নিজের অবস্থার পরিবর্তন করবেন সেটা হলো চিন্তা।
👉অতীত নিয়ে ভাবা দুশ্চিন্তা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা চিন্তা।
👉নেতিবাচকতা মানেই দুশ্চিন্তা, ইতিবাচকতা মানেই সেটা চিন্তা।
👉মানুষের কিসে খারাপ হবে, কিসে ক্ষতি হবে, ভাবাটা দুশ্চিন্তা,
কিসে মানুষের উপকার হবে, মানুষের ভালো হবে, এই নিয়ে ভাবাটা চিন্তা।
👉অসুস্থতা নিয়ে ভাবা দুশ্চিন্তা, সুস্থতা নিয়ে ভাবা হচ্ছে চিন্তা।

পরিশেষে দুশ্চিন্তা নয়, চিন্তা করুন, দুশ্চিন্তা গুলোকে চিন্তা দিয়ে পরিবর্তন করে নিন।

কখন হাঁটবেন?ভরা নাকি খালি পেটে?হাঁটা যে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো তা সবাই জানি। কিন্তু কখন ও কীভাবে হাঁটা উচিত, ভরা পেট বা খ...
10/06/2024

কখন হাঁটবেন?ভরা নাকি খালি পেটে?

হাঁটা যে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো তা সবাই জানি। কিন্তু কখন ও কীভাবে হাঁটা উচিত, ভরা পেট বা খালি পেটের সঙ্গে হাঁটার কোনো সম্পর্ক আছে কি না তা জানেন না অনেকেই।

👉কোন সময় ও কতক্ষণ হাঁটা উচিত
দিনের যেকোনো সময় হাঁটা যায়। তবে সকাল বেলা হাঁটার জন্য ভালো সময়। কর্মব্যস্ত জীবনে প্রত্যেকের যার যার সময় সুযোগ বের করে হাঁটার অভ্যাস করা উচিত। সাধারণত সুস্থ থাকার জন্য প্রতি দিন ২৫ থেকে ৩০ মিনিটে দ্রুতগতিতে হাঁটা উচিত।

👉হাঁটার সঙ্গে ভরা পেট ও খালি পেটের কোনো সম্পর্ক আছে কি
সাধারণত একদম ভরা পেটে না হাঁটাই ভালো। খাওয়ার কিছুক্ষণ পর হাঁটা যেতে পারে। কিন্তু শরীরের ওজন কমানোর জন্য হলে খালি পেটে হাঁটা উচিত। তবে কেউ যদি ইনসুলিন নেন তাহলে একদম খালি পেটে হাঁটা উচিত নয়। ডায়াবেটিস মেপে তারপর হাঁটবেন, যেন হাইপো-গ্লাইসমিয়া না হয়।

👉কাদের জন্য হাঁটাহাঁটি ঝুঁকিপূর্ণ
অনেক বেশি বয়সের মানুষ একা একা হাঁটা উচিত নয়। তাছাড়া যারা ইনসুলিন নেন তারা হাঁটার আগে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করে নিবেন। হার্টের রোগীরাও তাদের হাঁটার গতি ও সময় ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করবেন।

মনকে ভালো রাখতে যেসব খাবার খাবেন—➡️ওমেগা৩ সমৃদ্ধ খাবার যেমন—আখরোট, ফ্ল্যাক্স সিড, তৈলাক্ত মাছ যেমন সার্ডাইনস, সলমন, ক্যা...
08/06/2024

মনকে ভালো রাখতে যেসব খাবার খাবেন—

➡️ওমেগা৩ সমৃদ্ধ খাবার যেমন—আখরোট, ফ্ল্যাক্স সিড, তৈলাক্ত মাছ যেমন সার্ডাইনস, সলমন, ক্যানোলা তেল ইত্যাদি।
➡️প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার যেমন—দই, বাটার মিল্ক, ঘরে তৈরি আচার।
➡️দানাশস্য—বাদামি চাল, ওটমিল, বাজরা, গম।
➡️অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ খাবার যেমন—বেরি, সবুজ শাকসবজি, ডার্ক চকোলেট, আদা এবং হলুদ।
➡️ভিটামিন ডি—সূর্যের আলো ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস। আর ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবারগুলি হলো মাশরুম, ডিমের কুসুম, সলমন।
➡️ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার—ডার্ক চকোলেট, কলা, কাজু, বাদাম এবং মটরশুটি।
এছাড়াও প্রতি রাতে কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা ঘুমান, হাইড্রেড থাকুন।

স্বাস্থ্যকর খাদ্য মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখে।তাই সঠিক খাবার গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মানসিক স্বাস্থ্য শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে।

মানসিক রোগও কিন্তু ‘রোগ’‼️মনে রাখতে হবে, এটিও কিন্তু ‘রোগ’। অন্যান্য রোগের মতোই এ রোগে মানুষের দেহে আর মনে পরিবর্তন ঘটে।...
06/06/2024

মানসিক রোগও কিন্তু ‘রোগ’‼️

মনে রাখতে হবে, এটিও কিন্তু ‘রোগ’। অন্যান্য রোগের মতোই এ রোগে মানুষের দেহে আর মনে পরিবর্তন ঘটে। মনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে মানসিক প্রক্রিয়া বা মেন্টাল প্রসেস। চিন্তাশক্তি, অনুভব করা, স্মরণ রাখা, আবেগকে পরিচালিত করা—সবকিছুই কিন্তু মানসিক প্রক্রিয়া। আর এই মানসিক প্রক্রিয়াগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের কিছু রাসায়নিক পদার্থ—যাকে বলা হয় নিউরোট্রান্সমিটার।
কারও মানসিক রোগ হলে তাঁর নিউরোট্রান্সমিটারের ঘাটতি বা বাড়তিজনিত মানসিক প্রক্রিয়া, আবেগ আর আচরণের পরিবর্তন দেখা দেয়। এই জায়গাতেই ওষুধের কাজ। ওষুধ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নিউরোট্রান্সমিটারের ভারসাম্য রক্ষা করে মানসিক রোগকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। মানসিক রোগ হওয়ার সঙ্গে নিউরোট্রান্সমিটারের ঘাটতি কিংবা বাড়তির পাশাপাশি সামাজিক ও বিকাশজনিত উপাদানও গুরুত্বপূর্ণ। সে কারণে মানসিক রোগের চিকিৎসায় সাইকোথেরাপি বা কাউন্সেলিংয়ের গুরুত্বও কম নয়। ওষুধ যেমন একজন মানসিক রোগীর মস্তিষ্কের রাসায়নিক পদার্থের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে, তেমনি সাইকোথেরাপি বা কাউন্সেলিং তাঁর মনকে সুসংহত করার মাধ্যমে যৌক্তিক বিশ্বাস আর আচরণে উৎসাহিত করে।

শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে মানসিক চাপ:শিশুদের মধ্যে মানসিক চাপ দেখা দিতে পারে যখন তারা নতুন বা অপ্রত্যাশিত কিছুর সম্মু...
03/06/2024

শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে মানসিক চাপ:

শিশুদের মধ্যে মানসিক চাপ দেখা দিতে পারে যখন তারা নতুন বা অপ্রত্যাশিত কিছুর সম্মুখীন হয়। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে, ঘরে নির্যাতনের শিকার হওয়া, বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ বা প্রিয়জনের মৃত্যুর মতো বাড়িতে উদ্বেগজনক ঘটনা মানসিক চাপের সাধারণ কারণ।

শিশুরা যখন মানসিক চাপ অনুভব করে, তখন তা সামাল দেওয়ার উপায় খুঁজে বের করতে বাবা-মা তাদের সাহায্য করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।

কখন বিশেষজ্ঞের সাহায্য চাইতে হবে⤵️
যদি মানসিক চাপ আপনার সন্তানের জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব সাহায্য নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ, যাতে তারা ভালো অনুভব করতে শুরু করে। যেমন, একজন মনোবিজ্ঞানীর সাহায্য নিন, যিনি মানুষকে মানসিক চাপ সামাল দিতে এবং ইতিবাচক মানসিক স্বাস্থ্যের অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়তা করেন।

মানসিক চাপ কমায় কলা!উদ্বেগ বেড়ে গেলে তা হৃদ্‌স্পন্দনকেও প্রভাবিত করে। হৃদ্‌স্পন্দনকে স্বাভাবিক ছন্দে রাখতে সাহায্য করে ...
01/06/2024

মানসিক চাপ কমায় কলা!
উদ্বেগ বেড়ে গেলে তা হৃদ্‌স্পন্দনকেও প্রভাবিত করে। হৃদ্‌স্পন্দনকে স্বাভাবিক ছন্দে রাখতে সাহায্য করে ম্যাগনেশিয়াম। আর এই যৌগটির প্রাকৃতিক উৎস হল কলা। তবে শুধু উদ্বেগ নয়, হঠাৎ বিগড়ে যাওয়া মেজাজ ভাল করতেও কলার জুড়ি মেলা ভার।

তেলাপোকা দেখে কি আপনি ভয় পান?তেলাপোকা দেখে চিতকার করে না এমন মানুষ কিন্তু কম নয়। এ ভয়ের একটা খটোমটো নামও আছে। তেলাপোকা ভ...
28/05/2024

তেলাপোকা দেখে কি আপনি ভয় পান?

তেলাপোকা দেখে চিতকার করে না এমন মানুষ কিন্তু কম নয়। এ ভয়ের একটা খটোমটো নামও আছে। তেলাপোকা ভীতিকে বলে 'ক্যাটসারিডাফোবিয়া'।
একটি নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত ভয় পাওয়াটা স্বাভাবিক। এর বেশি হলেই সেটা হয়ে যায় রোগ। তখন সেটাকে বলে 'ফোবিয়া'। এমনকি ফোবিয়ার কারণে অতিরিক্ত ভয় পেয়ে অনেকে জ্ঞানও হারায়।
তেলাপোকার ভয় মানে ক্যাটসারিডাফোবিয়া কিন্তু আচমকা দেখা দেয় না। এটা হতে পারে ছোটবেলা থেকেই। বিজ্ঞানীদের মতে, একটি শিশু যখন জন্ম নেয় তার মধ্যে কোনো ভয় থাকে না। কিন্তু দেখা গেল শিশুটির মা বা বাবা হয়তো তেলাপোকায় ভয় পায়। যখনই মা বা বাবা তেলাপোকা দেখে ভয়ের প্রতিক্রিয়া দেয়, শিশুটির মনেও সেই ভয় তৈরি হয়। তার মানে আরেকজনের দেখাদেখিই তৈরি হয় এমন ভয়।
আবার অনেকে বলে, তেলাপোকার তেলতেলে শরীরটাই ভয়ের কারণ। কাঁটাযুক্ত পা ও এর বিদঘুটে গন্ধে অনেকের গা গোলায়। আর ওই রোমশ পাগুলো যদি কোনোমতে গায়ে উঠে পড়ে, তবে তো কথাই নেই। ওরা সব সময় চোখের সামনে থাকে না। হুট করে সামনে এসে হুটোপুটি শুরু করে দেয়। এ কারণেও অনেকে ভয় পায়।
মজার বিষয় হলো, 'ক্যাটসারিডাফোবিয়া' বা তেলাপোকা দেখে ভয়টা জন্মসূত্রেও তৈরি হতে পারে। তবে যেভাবেই তৈরি হোক, এ ভয় কিন্তু ফোবিয়া, মানে অস্বাভাবিক ভয়। চাইলে মনে সাহস সঞ্চয় করে এ ভয় আপনি কাটিয়েও ফেলতে পারেন।

Address

Llandudno
LL301EY

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mr Psychologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category