Autism Parenting

Autism Parenting Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Autism Parenting, Health & Wellness Website, London.

Parenting children with autism takes love, patience, understanding;finding professional resources and guidance can be challenging,as there is a lot of inconsistent information out there.we aim to provide the most current and experienced information here✅.

2025 সালে অটিজমের সর্বশেষ চিকিৎসা কি.?২০২৫ সালে অটিজমের চিকিৎসায় কোনো একক "নিরাময়" আবিষ্কৃত না হলেও, ওষুধ গবেষণায় বেশ...
28/02/2026

2025 সালে অটিজমের সর্বশেষ চিকিৎসা কি.?

২০২৫ সালে অটিজমের চিকিৎসায় কোনো একক "নিরাময়" আবিষ্কৃত না হলেও, ওষুধ গবেষণায় বেশ কিছু বৈপ্লবিক অগ্রগতি হয়েছে। বর্তমানের মূল চিকিৎসাগুলো এখন আর কেবল আচরণ পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং জেনেটিক এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির সমন্বয়ে আরও সুনির্দিষ্ট হচ্ছে।

২০২৫ সালের সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য চিকিৎসা ও গবেষণার দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো--

# নতুন ওষুধের অনুমোদন (Leucovorin/Folinic Acid)- ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে মার্কিন এফডিএ (FDA) Leucovorin নামক একটি জেনেরিক ওষুধের নতুন ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। এটি মূলত সেইসব অটিস্টিক শিশুদের জন্য যাদের 'সেরিব্রাল ফোলেট ডেফিসিয়েন্সি' (CFD) রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি তাদের মৌখিক যোগাযোগ (verbal communication) উন্নত করতে সাহায্য করে।

# Carcinocimum- হোমিওপ্যাথিতে এই ওষুধটি অটিজম চিকিৎসায় যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। ওষুধটি যদি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব হয় তাহলে বেশিরভাগ অটিজম বাচ্চারা স্বাভাবিকত্ব ফিরে পেতে পারে।

# জেনেটিক থেরাপি (JAG201)- নির্দিষ্ট কিছু জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের (যেমন SHANK3 জিনের মিউটেশন) কারণে হওয়া অটিজমের জন্য JAG201 নামক জিন থেরাপির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ২০২৫ সালে শুরু হয়েছে। এটি সরাসরি অটিজমের জৈবিক কারণ পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করছে।

28/02/2026

ভার্চুয়াল অটিজম: শিশুদের নতুন সমস্যা
বাদল সৈয়দ

একটি বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলাম—সেখানে তিন বছরের একটি শিশু আছে। সে ঠিকভাবে কথা বলতে পারে না, ডাকলে সাড়া দেয় না, সমবয়সীদের সাথেও মেশে না, খেলতেও চায় না। কেমন যেন ঘাড় গুঁজে নিজের মধ্যে ডুবে থাকে। এটা নিয়ে তার বাবা-মা খুব চিন্তিত। কথায় কথায় জানালেন, তাদের বাচ্চা অটিজমে আক্রান্ত কিনা, সেটা নিয়ে খুব চিন্তিত ছিলেন। তবে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ডাক্তাররা বলেছেন, সে অটিজমে আক্রান্ত নয়। তারপর তারা একজন সাইকিয়াট্রিস্টের সাথে আলাপ করলে তিনি জানান, শিশুটি সাধারণ অটিজমে আক্রান্ত নয়—তবে সে ‘ভার্চুয়াল অটিজম’ সমস্যায় ভুগছে।

ভার্চুয়াল অটিজম শব্দটির সাথে সেই আমার প্রথম পরিচয়।

তারপর আমি ব্যাপারটি নিয়ে কিছু পড়াশোনা করলাম এবং ভয়াবহ একটি ব্যাপার আবিষ্কার করলাম। তা হলো, এখন শিশুরা নতুন ধরনের একটি সমস্যায় পড়ছে—তা হলো ভার্চুয়াল অটিজম।

ক) ভার্চুয়াল অটিজম কী?

এটি প্রচলিত অটিজম (Autism Spectrum Disorder) নয়—
এমনকি আনুষ্ঠানিকভাবে এটি চিকিৎসাবিজ্ঞান স্বীকৃত রোগও নয়। এটি এমন একটি অবস্থা, যখন শিশু মোবাইল, ট্যাব, টিভি বা ইউটিউবনির্ভর হয়ে পড়ে এবং তার ফলে অটিজমের মতো কিছু লক্ষণ দেখা দেয়।
যেমন—

১) কথা বলা দেরিতে শুরু করা।
২) কারো সাথে মিশতে না চাওয়া।
৩) খেলাধুলায় অনাগ্রহ।
৪) ডাকলে সাড়া না দেওয়া।
৫) শিশুদের স্বাভাবিক প্রাণচাঞ্চল্য না থাকা।

খ) কী কারণে এটা হয়?

১) অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম—

স্ক্রিনে অতিরিক্ত সময় কাটালে শিশুরা তাতে আসক্ত হয়ে যায়। ফলে ভার্চুয়াল অটিজম সমস্যা সৃষ্টি হয়।

২) ডুয়েল রিয়েলিটি—

শিশু বেশি স্ক্রিনে সময় কাটালে তার জন্য দুইটি জগত তৈরি হয়।
স্ক্রিনের জগত রঙিন, কিন্তু বাস্তব জগত সাদাকালো। এই পার্থক্য তার মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে। অনেক সময় সে এমনকি কোন ভাষায় কথা বলবে, তাও বুঝতে পারে না। কারণ সে বাসায় শুনছে বাংলা, স্ক্রিনে শুনছে ইংরেজি। এ কারণে তার কথা বলতে দেরি হয়।

৩) ডোপামিনের এফেক্ট—

যে কাজে মন খুশি হয়, সেখানে সাধারণত ডোপামিনসহ মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড সিস্টেম সক্রিয় হয় এবং তা কাজটি বারবার করতে তাড়না তৈরি করে।
স্ক্রিনের রঙিন জীবনও শিশুর মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসৃত করে। কিন্তু বাস্তব জীবন রঙিন নয়, তাই সবসময় তা ডোপামিন সৃষ্টি করে না। ফলে সে স্ক্রিনে আসক্ত হয়ে যায়। অসামাজিক হয়ে ওঠে। অমনোযোগী হয়ে ওঠে। খিটখিটে হয়ে ওঠে। এমনকি অনেক সময় চোখে চোখ রেখে কমিউনিকেট পর্যন্ত করে না।

এভাবেইএকটি নিরোগ শিশু ভার্চুয়াল অটিজম নামের কৃত্রিম অটিজমের সমস্যায় পড়ে।

গ) অভিভাবকের দায়িত্ব—

ভয়াবহ হলো, অভিভাবকরাই সচেতনতার অভাবে বাচ্চাকে অসময়ে স্ক্রিন ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে ভার্চুয়াল অটিজমে আক্রান্ত করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখছেন। সেই সাথে যুক্ত হন পরিবারের অন্য সদস্যরা। আবার তাঁরাই এটার সবচেয়ে ভালো সমাধান করতে পারেন।

আশা কথা হলো, ভার্চুয়াল অটিজম প্রতিকার এবং নিরাময়যোগ্য। শুধু সহজ কিছু নিয়ম মানতে হবে। যেমন-

১) জন্মের পর প্রথম অন্তত দুবছর তাকে মোবাইল/টেলিভিশন/ইউটিউব থেকে দূরে রাখুন। কথাটা আমার না—American Academy of Pediatrics শিশুদের দুই বছর পর্যন্ত স্ক্রিন এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়।

২) মোবাইল/টিভি যদি দেখতে দিয়েই ফেলেন—তাহলে স্ক্রিন টাইম আস্তে আস্তে কমিয়ে দিন। World Health Organization ৫ বছরের কম শিশুদের স্ক্রিন টাইম সীমিত রাখার সুপারিশ করে।

প্রথম প্রথম বাচ্চা অনেক কান্নাকাটি করবে। কিন্তু মনে রাখবেন, দুনিয়ায় কান্না করার কারণে কোনো বাচ্চার বড় ক্ষতি হয়নি—আপনার বাচ্চারও হবে না।

৩) তবে হঠাৎ করে একদম বন্ধ করে দেবেন না। ধীরে ধীরে বন্ধ করুন। কারণ মোবাইল আসক্তিও অন্যান্য আসক্তির মতো। একসাথে বন্ধ করলে অনেক সমস্যা হয়। যেমন—
তীব্র রাগ
অস্থিরতা
ঘুমের সমস্যা
খেতে না চাওয়া

এগুলো সাধারণত এক মাসের মধ্যে কেটে যায়। এই এক মাস কষ্ট করে সহ্য করুন।

৪) শিশুকে অন্য কাজে উৎসাহিত করুন—যেগুলোতে সে খুশি হয়। এক্ষেত্রেও ডোপামিন তৈরি হবে। যেমন, তাকে খেলতে দিন। দুষ্টামি করতে দিন। ঘরে বল ছুঁড়ে ও বাসন-কোসন ভাঙুক—ডেকোরেশন পিস ভাঙুক। এ ভাঙচুর স্ক্রিন আসক্তি থেকে অনেক ভালো।

৫) ছবি আঁকা, ছড়া শোনা, পাজল মেলানো—এগুলোর মুগ্ধতায় তাকে ঢেকে রাখার চেষ্টা করুন।

৬) কোলে নিন—গান শোনান। এরচেয়ে মধুর স্মৃতি শিশুদের আর নেই।

৭) পরিবারের অন্য সদস্যদের কেন ওর স্ক্রিন টাইম বাদ দিতে চাইছেন, তা বুঝিয়ে বলুন। নয়ত আপনি বন্ধ করলেও তারা আদর করে শিশুর হাতে মোবাইল দিতে পারেন—সেক্ষেত্রে আপনার চেষ্টা মাঠে মারা যাবে।

ঘ) কখন শিশুদের স্ক্রিন টাইম অ্যালাউ করবেন—

American Academy of Pediatrics (AAP)-এর অভিমত অনুযায়ী ৬ বছরের পর শিশুকে নির্দিষ্ট সময় ও নিয়ম মেনে স্ক্রিন টাইম অ্যালাউ করা যেতে পারে। কিন্তু কোনোভাবেই তা আসক্তিতে পরিণত করা যাবে না।

একটি সুস্থ বাচ্চা অনেক বড় নেয়ামত। আপনি কেন ছয় বছরের আগে মোবাইল বা অন্য কোনো স্ক্রিন অ্যালাউ করে সুস্থ বাচ্চাকে অসুস্থ করে তুলবেন?

প্রশ্নটি খুব গুরুত্বপূর্ণ, তাই না?

পাদটীকা:
১) আবার বলছি, ভার্চুয়াল অটিজম মানে কিন্তু প্রকৃত অটিজম (Autism Spectrum Disorder) নয়। স্ক্রিন-নির্ভর আচরণগত সমস্যা মাত্র—যা সমাধান করা যায়।
২) ভুল হলে শুধরে দেবেন।

চেম্বার এর গল্প ☘️আজ আমার আঠারো বছরের এক কিশোর রোগী, যার Autism আছে, গেয়ে শোনাচ্ছিলো, “সব ভালো তুই একা বাসিশ নে, একটু ভা...
25/02/2026

চেম্বার এর গল্প ☘️

আজ আমার আঠারো বছরের এক কিশোর রোগী, যার Autism আছে, গেয়ে শোনাচ্ছিলো,
“সব ভালো তুই একা বাসিশ নে, একটু ভালোবাসতে দিস মোরে…” এত সুন্দর সুর, মাশাআল্লাহ!

শুনতে শুনতে আমিও একটু ইমোশনাল হয়ে গেলাম, এত বাস্তব শোনাচ্ছিলো গানের কথাগুলো ওর মুখে!

বললাম, কেমন আছো?
বলল, খুব খারাপ মনটা ডাক্তার মিস। খুব একা লাগে। তাই মা কে অনেক মারি। আর গান গেলে ভালো লাগে।

বয়ঃসন্ধিকালে Autism থাকলে আচরণজনিত সমস্যা অনেক সময় বেশি প্রকট হয়ে যায়। আমরা যাকে বলি “challenging behavior”।
কিন্তু মনে রাখতে হবে—
Challenging behavior বেশিরভাগ সময়ই কোনো না কোনো অন্তর্নিহিত কষ্টের বহিঃপ্রকাশ।
তার মধ্যে অন্যতম হলো frustration আর loneliness।

আমরা অনেক সময় ভাবি—
“Autistic তো! ও আবার একাকীত্ব কী বুঝবে? ও তো নিজেই communicate করতে চায় না!”

কিন্তু সত্যি হলো—
Autism থাকলেও গভীর নিঃসঙ্গতা ওরা অনুভব করে। বন্ধুত্বের জন্য craving তৈরি হয়।
মনোযোগ পাওয়ার চেষ্টায় attention-seeking behavior, হঠাৎ রাগ, চ্যালেঞ্জিং আচরণ, এমনকি excessive mobile use—এসবই কখনও কখনও সেই না-বলা কষ্টের ভাষা।

তাই—
মনোযোগ দিয়ে শুনুন।
কান পেতে শুনুন—ওর মনের ভেতরের কথা।
ওর strength গুলো খুঁজে বের করুন।

যদি আঁকতে ভালোবাসে—তাকে আঁকতে শেখান।
যদি গান ভালোবাসে—তাকে গান শেখান। যদি আর্থিক সমস্যা থাকে, তাহলে অন্তত ওকে নিজে নিজে করতে দিন, গাইতে দিন।
হয়তো একদিন মন খারাপ হলে সে নিজেই গুনগুন করে গান গেয়ে নিজের মন ভালো করতে পারবে।

Self-efficacy, আত্মনির্ভরশীলতা—শুধু পড়াশোনার মাধ্যমে নয়,
শখ, দক্ষতা, সৃজনশীলতার মাধ্যমেও গড়ে তোলা যায়।
এই দক্ষতাগুলো সবচেয়ে ভালো চিনবেন কারা?
আপনারাই—বাবা-মায়েরা।

আর আপনি ওর কষ্ট না বুঝতে পারলেও সঠিক assessment এ বের করে নিয়ে আসা সম্ভব challenging behavior এর কারণ। প্রয়োজনে শিশু কিশোর মনোরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হন।

শুনুন। বুঝুন। ভালোবাসুন। ভালবাসতে দিন।
কারণ—
Every Young Mind Matters!!

A viral story about a 26-year-old mother allegedly dying from extreme exhaustion while caring alone for her autistic son...
24/02/2026

A viral story about a 26-year-old mother allegedly dying from extreme exhaustion while caring alone for her autistic son is sparking urgent conversations about caregiver burnout and the need for stronger support systems.

Read more: https://theplatformnews.com/health/mental-health/mom-26-allegedly-dies-caring-for-autistic-son/

A viral story claims a 26-year-old mother died from extreme exhaustion while caring alone for her autistic son, sparking debate about caregiver burnout.

স্পিচ ডিলে নাকি অটিজম (Autism)? আপনার সন্তানের কথা বলতে দেরি হওয়ার আসল কারণ বুঝবেন কীভাবে?.....আপনার সন্তানের বয়স ২ বছর ...
22/02/2026

স্পিচ ডিলে নাকি অটিজম (Autism)? আপনার সন্তানের কথা বলতে দেরি হওয়ার আসল কারণ বুঝবেন কীভাবে?.....

আপনার সন্তানের বয়স ২ বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু এখনো সে পরিষ্কার করে কিছু বলছে না। হয়তো শুধু "মা", "বাবা" ছাড়া আর কোনো শব্দ তার মুখে নেই, অথবা ইশারা করে সব বুঝিয়ে দিচ্ছে। আশেপাশে আত্মীয়-স্বজন হয়তো সান্ত্বনা দিয়ে বলছেন, "ওর বাবারও কথা বলতে দেরি হয়েছিল, ঠিক হয়ে যাবে।" কিন্তু আপনি যখন ইন্টারনেটে বাচ্চার এই লক্ষণগুলো নিয়ে খুঁজছেন, তখন বারবার একটি শব্দ আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠছে—'অটিজম' (Autism)। আর এই একটি শব্দেই আপনার রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাচ্ছে।

আজকের দিনে প্রতিটি বাবা-মায়ের সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম এটি। কিন্তু কথা বলতে দেরি হওয়া মানেই কি অটিজম? বিজ্ঞান কী বলে?

কিডোরার আজকের এই বিশেষ ব্লগে আমরা জানবো, সাধারণ স্পিচ ডিলে (Speech Delay) এবং অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (ASD)-এর মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক ও আচরণগত পার্থক্যগুলো কী কী।

১. স্পিচ ডিলে (Speech Delay) বা কথা বলতে দেরি হওয়া কী?
স্পিচ ডিলে হলো শিশুর শুধুমাত্র 'ভাষা' বা 'কথা বলার' দক্ষতার বিকাশ ধীর হওয়া। একটি বাচ্চার মোটর স্কিল (হাঁটা, বসা), বুদ্ধি এবং সামাজিক মেলামেশা একদম স্বাভাবিক, কিন্তু সে মনের ভাব প্রকাশ করার মতো পর্যাপ্ত শব্দ জানে না।

বর্তমান সময়ে এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো 'ভার্চুয়াল অটিজম' বা স্ক্রিন টাইম। অতিরিক্ত মোবাইল বা কার্টুন দেখার কারণে শিশু একতরফা যোগাযোগে অভ্যস্ত হয়ে যায়। এছাড়া কানে কম শোনা বা পরিবারে কম কথা বলার পরিবেশ থাকলেও স্পিচ ডিলে হতে পারে।

২. অটিজম (Autism) কী?
অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (ASD) হলো মস্তিষ্কের একটি নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল কন্ডিশন। অটিজমের ক্ষেত্রে শিশুর শুধু কথা বলতেই দেরি হয় না, বরং তার সামাজিক যোগাযোগ (Social Interaction), আচরণ এবং পরিবেশের প্রতি প্রতিক্রিয়া অন্যদের চেয়ে আলাদা হয়। কথা বলতে দেরি হওয়া অটিজমের একটি লক্ষণ মাত্র, এটিই একমাত্র লক্ষণ নয়।

৩. মূল পার্থক্যগুলো কোথায়? (কীভাবে বুঝবেন?)
আপনার বাচ্চার শুধু স্পিচ ডিলে আছে নাকি অটিজমের লক্ষণ রয়েছে, তা বুঝতে নিচের ৪টি বিষয় গভীরভাবে লক্ষ্য করুন:

পার্থক্য ১: চোখের দিকে তাকানো এবং নাম ধরে ডাকলে সাড়া দেওয়া

স্পিচ ডিলে: বাচ্চা হয়তো কথা বলছে না, কিন্তু আপনি দূর থেকে তার নাম ধরে ডাকলে সে ঘুরে তাকাবে। আপনি হাসলে সেও হাসবে এবং চোখের দিকে তাকিয়ে (Eye Contact) যোগাযোগ করবে।

অটিজম: অটিস্টিক শিশুরা সাধারণত নাম ধরে ডাকলে রেসপন্স করে না (মনে হতে পারে সে কানে শুনছে না)। তারা মানুষের চোখের দিকে তাকানোর চেয়ে কোনো বস্তুর দিকে তাকিয়ে থাকতে বেশি পছন্দ করে।

পার্থক্য ২: ইশারা বা নন-ভার্বাল কমিউনিকেশন

স্পিচ ডিলে: বাচ্চা কথা বলতে না পারলেও ইশারা দিয়ে সব বুঝিয়ে দেবে। যেমন—উপরে ফ্যানের দিকে আঙুল দিয়ে নির্দেশ করা (Pointing), যাওয়ার সময় 'টা-টা' দেওয়া, বা মাথা নেড়ে 'হ্যাঁ' বা 'না' বোঝানো।

অটিজম: তারা সাধারণত আঙুল দিয়ে ইশারা করে কিছু দেখায় না। তারা কোনো কিছু চাইলে নিজের আঙুল ব্যবহার করার বদলে, মায়ের হাত টেনে ধরে সেই জিনিসের কাছে নিয়ে যায় (Hand as a tool)। তারা আনন্দ ভাগাভাগি (Joint Attention) করতে চায় না।

পার্থক্য ৩: খেলার ধরন (Play Style)

স্পিচ ডিলে: বাচ্চা স্বাভাবিক নিয়মেই খেলবে। সে পুতুলকে ঘুম পাড়াবে, খেলনা হাড়ি-পাতিল দিয়ে রান্না করার ভান করবে (Pretend Play) বা গাড়ির আওয়াজ করে গাড়ি চালাবে।

অটিজম: তাদের খেলার ধরন একটু যান্ত্রিক। তারা হয়তো খেলনা গাড়ি চালানোর বদলে গাড়ি উল্টে শুধু এর চাকা ঘোরাবে। ব্লক বা খেলনাগুলো দিয়ে না খেলে, সেগুলোকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক লাইনে সারিবদ্ধ করে সাজিয়ে রাখবে।

পার্থক্য ৪: পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণ ও সেন্সরি ইস্যু (Repetitive Behaviors)

স্পিচ ডিলে: এদের মধ্যে সাধারণত কোনো অস্বাভাবিক বা পুনরাবৃত্তিমূলক শারীরিক নড়াচড়া দেখা যায় না।

অটিজম: এরা যখন খুব খুশি হয় বা উত্তেজিত হয়, তখন হাত নাড়াতে পারে (Hand-flapping), পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে হাঁটতে পারে (Toe-walking) বা একই জায়গায় গোল গোল ঘুরতে পারে। এছাড়া নির্দিষ্ট কোনো শব্দ (যেমন- ব্লেন্ডার বা ভ্যাকুয়ামের শব্দ) শুনলে তারা কানে হাত চাপা দেয়।

৪. কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন? (Red Flags)
আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) অনুযায়ী, নিচের লক্ষণগুলো দেখলে "অপেক্ষা করি, ঠিক হয়ে যাবে" নীতি বাদ দিয়ে দ্রুত প্রফেশনাল হেল্প নিতে হবে:

* ১২ মাস বয়সেও: বাচ্চা যদি কোনো শব্দ করে 'বাবলিং' (Babbling বা আ-বা-দা) না করে এবং ইশারা না করে।

* ১৮ মাস বয়সেও: যদি কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ (যেমন- মা, বাবা, পানি) না বলতে পারে।

সবচেয়ে বড় রেড ফ্ল্যাগ (Regression): বাচ্চা আগে কিছু শব্দ বলতো বা টা-টা দিত, কিন্তু হঠাৎ করেই সেই শেখা জিনিসগুলো ভুলে গেছে এবং চুপচাপ হয়ে গেছে।

৫. বাবা-মায়ের করণীয় কী?
প্রথমেই প্যানিক বা আতঙ্কিত হবেন না। আপনার বাচ্চার যদি স্পিচ ডিলে থাকে, তবে আজ থেকেই তার স্ক্রিন টাইম (মোবাইল/টিভি) সম্পূর্ণ জিরো (০) করে দিন। তার সাথে প্রচুর কথা বলুন এবং তাকে সমবয়সী বাচ্চাদের সাথে মিশতে দিন।

আর যদি আপনার মনে হয় বাচ্চার মধ্যে অটিজমের লক্ষণ আছে, তবে দেরি না করে একজন চাইল্ড নিউরোলজিস্ট বা শিশু বিকাশ কেন্দ্রে (Child Development Center) যোগাযোগ করুন। মনে রাখবেন, অটিজম কোনো রোগ বা অভিশাপ নয়, এটি পৃথিবীর ভিন্ন একটি দৃষ্টিভঙ্গি। আর্লি ইন্টারভেনশন (Early Intervention) বা সঠিক সময়ে থেরাপি শুরু করলে এই শিশুরা চমৎকার ও স্বাধীন জীবনযাপন করতে পারে।

আপনার সচেতনতাই পারে আপনার সন্তানের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে।

Can autism lead to normal life?Overall, whether someone with autism is able to live independently depends on their indiv...
08/09/2024

Can autism lead to normal life?

Overall, whether someone with autism is able to live independently depends on their individual strengths and challenges as well as the resources available to them. With the right support and opportunities, however, many individuals with autism are able to lead fulfilling lives on their own terms.

Address

London

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Autism Parenting posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Autism Parenting:

Featured

Share