Nusrat Jahan - Registered Nutritionist UK and Clinical Dietitian BD

Nusrat Jahan - Registered Nutritionist UK and Clinical Dietitian BD Clinical Dietitian | Health & Nutrition Educator | Diabetes Care Expert - 11 Years of Experience in Nutrition & Wellness
(6)

I am an experienced Health and Nutrition Educator, Clinical Dietitian, and Diabetes Care Specialist with over 11 years of expertise in patient counseling, nutrition education, and promoting overall health and well-being. I hold an MSc in Diabetes Care from the University of Salford (UK) and an MSc in Food and Nutrition from the University of Dhaka (Bangladesh), providing a strong academic foundati

on for my professional work. Throughout my career, I have created more than 7,000 personalized dietary plans designed for a wide range of medical conditions. My work is rooted in evidence-based practices, and I specialize in developing structured education programs for disease management and prevention. As a dedicated educator, I have mentored and guided over 1,000 students in food and nutrition, using interactive teaching methods such as group discussions, role-playing, and real-life case studies. I am passionate about helping future healthcare professionals gain the knowledge and skills they need for meaningful careers. My goal is to continuously advance knowledge in nutrition and to inspire others through education, personalized care, and professional leadership in the field.

আমাদের দেশি ফল, পুষ্টির এক অনন্য ভাণ্ডার! 🌿🍎🍌​পেয়ারা, বরই, আমড়া কিংবা কলা - আমাদের হাতের নাগালে থাকা এই সাধারণ ফলগুলো ...
30/03/2026

আমাদের দেশি ফল, পুষ্টির এক অনন্য ভাণ্ডার! 🌿🍎🍌
​পেয়ারা, বরই, আমড়া কিংবা কলা - আমাদের হাতের নাগালে থাকা এই সাধারণ ফলগুলো আসলে অসাধারণ সব পুষ্টিগুণে ভরপুর। ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ফাইবার সহ নানা উপাদানে সমৃদ্ধ এই ফলগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, হজমশক্তি ভালো রাখতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং ত্বক ও হার্ট সুস্থ রাখতে দারুণ কার্যকরী।
​এগুলো শুধু সহজলভ্য আর সাশ্রয়ীই নয়, এগুলো আমাদের নিজস্ব সুপারফুড। তাই সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই দেশি ফলগুলো রাখতে ভুলবেন না!
​ #দেশিফল #সুপারফুড #স্বাস্থ্যকথা #পুষ্টি #বাংলাদেশ

28/03/2026

গর্ভাবস্থায় একজন মায়ের শরীরে যেমন নতুন প্রাণ বেড়ে ওঠে, তেমনি তার নিজেরও বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়। এই সময়ের খাবার শুধু মায়ের শক্তি জোগায় না, শিশুর সঠিক বৃদ্ধি ও বিকাশেও সরাসরি প্রভাব ফেলে। তাই প্রতিদিনের খাবার তালিকায় রঙিন শাকসবজি ও ফল রাখতে হবে। যেমন—পালং, লাল শাক, গাজর, কুমড়া, কমলা, পেয়ারা বা আপেল। এগুলো ভিটামিন ও ফলিক এসিডের দারুণ উৎস, যা শিশুর স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশে সাহায্য করে এবং মায়ের শরীরকে সতেজ রাখে।

শরীর গঠনের জন্য প্রোটিন খুবই জরুরি। তাই ডিম, মাছ, মুরগি, গরুর মাংস, ডাল ও ছোলা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকা উচিত। বিশেষ করে চর্বিযুক্ত মাছ যেমন ইলিশ, রুই বা সার্ডিন শিশুর মস্তিষ্ক ও চোখের বিকাশে প্রয়োজনীয় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সরবরাহ করে। তবে পারদ-সমৃদ্ধ মাছ যেমন সুরমাই বা বড় টুনা এড়িয়ে চলা ভালো।

আয়রন ও ফোলেট গর্ভবতী মায়ের জন্য অত্যন্ত জরুরি। গরুর কলিজা, পালং শাক, ডাল, ছোলা এসব খাবার রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে। আয়রনের শোষণ বাড়াতে সাথে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যেমন কমলা বা লেবু খেলে বেশি উপকার মেলে। এ সময় ক্যালসিয়ামেরও প্রয়োজন বেড়ে যায়, তাই প্রতিদিন অন্তত দুই থেকে তিন কাপ দুধ বা দই খাওয়া উচিত। এগুলো শিশুর হাড় ও দাঁত মজবুত করতে সহায়ক।

শরীরের শক্তি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য লাল চাল, গমের রুটি, ওটস বা ভুট্টার মতো আঁশযুক্ত শস্য খাবার খুবই কার্যকর। এছাড়া সরিষার তেল, নারকেল তেল বা বাদাম থেকে পাওয়া স্বাস্থ্যকর চর্বি শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রান্নায় অল্প করে হলুদ, আদা, দারুচিনি ব্যবহার করা যায়, তবে অতিরিক্ত ঝাল-মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা ভালো।

অন্যদিকে কিছু খাবার একেবারেই এড়ানো দরকার। যেমন—কাঁচা দুধ, কাঁচা ডিম, রাস্তার ফাস্টফুড, অতিরিক্ত চা-কফি বা বাসি খাবার। এগুলো মায়ের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় খাবারের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত পুষ্টিকর ও বৈচিত্র্যময় খাদ্য গ্রহণ। সুষম খাদ্যই মায়ের শরীরকে রাখবে সুস্থ, আর শিশুর জন্য তৈরি করবে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের ভিত্তি।

✍️নিলুফার ইয়াসমিন দিপা
ফুড এন্ড নিউট্রিশন

শিশুদের হাতে নাগালে বিষাক্ত খাবার‌: বাংলাদেশে হয়ে উঠছে অতি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাবারের ছড়াছড়ি, বেড়ে যাচ্ছে স্থুলতা ও ডা...
27/03/2026

শিশুদের হাতে নাগালে বিষাক্ত খাবার‌: বাংলাদেশে হয়ে উঠছে অতি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাবারের ছড়াছড়ি, বেড়ে যাচ্ছে স্থুলতা ও ডায়াবেটিস।

ঢাকার একটি স্কুলগেট। দুপুরের বিরতিতে সারি সারি শিশু ভিড় জমিয়েছে রাস্তার পাশের দোকানে। কেউ কিনছে চিপস, কেউ কোল্ড ড্রিংকস, আবার কেউ ইনস্ট্যান্ট নুডলস ভেজে বানানো ফাস্টফুড। হাতে হাতে রঙিন প্যাকেট, জিভে জমে থাকা কৃত্রিম স্বাদের আকর্ষণ। অথচ এই ছোট্ট আনন্দের আড়ালে লুকিয়ে আছে ভয়ংকর স্বাস্থ্যঝুঁকি।

🟣শিশুদের লক্ষ্য করেই বাজারজাত:

টেলিভিশন বা ইউটিউব খুললেই দেখা যায় কার্টুন চরিত্র দিয়ে সাজানো বিজ্ঞাপন। রঙিন প্যাকেটের ঝলকানি আর "স্বাদে ভরপুর" স্লোগান যেন শিশুদের মন কাড়ার ফাঁদ। পুষ্টিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশে প্রক্রিয়াজাত খাবার বাজারজাতকরণে শিশুদেরই মূল টার্গেট করা হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে।

🟣স্থূলতা ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি:

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, এসব খাবার আসলে “খালি ক্যালোরি”—যেখানে চিনি, লবণ ও অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট বেশি, কিন্তু প্রয়োজনীয় পুষ্টি নেই। শিশুদের মধ্যে স্থূলতার হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। গবেষণা বলছে, শহরের প্রায় ২০ শতাংশ শিশু এখন অতিরিক্ত ওজনের শিকার। ডাক্তাররা সতর্ক করে বলছেন, এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে আগামী প্রজন্মের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ অস্বাভাবিক হারে বাড়বে।

🟣অভ্যাসের পরিবর্তন:

আগে পরিবারের সকালের টেবিলে থাকত গরম ভাত, ডাল, সবজি কিংবা পান্তা। এখন তার জায়গা নিচ্ছে ফ্রোজেন পরোটা, নুডলস, সসেজ বা কেক। কাজের ব্যস্ততা, মায়েদের সময় সংকট, আর সহজলভ্যতার কারণে অনেকেই ঝুঁকছেন এই "দ্রুত খাবার" সংস্কৃতির দিকে। শিশুরাও এভাবেই আসক্ত হয়ে যাচ্ছে বাজারি খাবারের প্রতি।

🟣অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা:

অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণ লিভারের রোগ,হৃদ রোগ ও অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী শারিরীক সমস্যার কারণ হতে পারে।

পুষ্টিবিদদের মতে, শিশুদের জন্য স্থানীয় ও প্রাকৃতিক খাবার যেমন:ডিম, দুধ, ফল, ডাল, বাদাম ও শাকসবজি সহজলভ্য করে তুলতে হবে। একই সঙ্গে স্কুল ও গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানো এবং শিশুদের টার্গেট করে তৈরি ক্ষতিকর খাবারের বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণে কড়া নীতি প্রয়োজন।

অতি প্রক্রিয়াজাত খাবার আমাদের জীবনকে সাময়িকভাবে সহজ করলেও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এটি মারাত্মক বিপদ ডেকে আনছে। এখনই যদি পরিবার ও সমাজ সচেতন না হয়, তবে স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও অপুষ্টি মিলিয়ে বাংলাদেশের শিশুস্বাস্থ্য এক ভয়াবহ সঙ্কটের মুখে পড়বে।

✍️নাদিয়া বিনতে নাজমুল নদী
অনার্স ২য় বর্ষ
ফুড এন্ড নিউট্রিশন

এখন অনেকেই মিক্স বাদাম খাচ্ছে, কারণ সবাই জানে বাদাম শরীরের জন্য ভালো।কিন্তু সমস্যা হলো — কখন, কোনটা, কোন সমস্যার জন্য খা...
26/03/2026

এখন অনেকেই মিক্স বাদাম খাচ্ছে, কারণ সবাই জানে বাদাম শরীরের জন্য ভালো।
কিন্তু সমস্যা হলো — কখন, কোনটা, কোন সমস্যার জন্য খাওয়া উচিত তা অনেকেই পরিষ্কারভাবে জানে না।

যেমন - এখন অনেকেই acne (ব্রণ) সমস্যায় ভুগছে — এই ক্ষেত্রে পাম্পকিন সিডস হতে পারে দারুণ একটি সমাধান।
আবার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও এটি উপকারী, কারণ এটি রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

কেন খাবেন?
• Acne কমাতে সাহায্য করে – Zinc ত্বকের inflammation কমায়
•Magnesium সমৃদ্ধ – ভালো ঘুম, stress control ও muscle function এ সাহায্য করে
•Zinc rich মানে – immunity বাড়ায়, skin, hair healthy রাখে
• Bone health improve করে – Magnesium + phosphorus হাড় শক্ত রাখে
• Reproductive health support করে – hormone balance ও প্রজনন অঙ্গের জন্য উপকারী

একটা গুরুত্বপূর্ণ টিপস:
পাম্পকিন সিডস খাওয়ার আগে soak করুন :
➡️ এতে phytic acid কমে যায়
➡️ শরীর সহজে Zinc, Iron, Magnesium absorb করতে পারে

ডায়াবেটিসের জন্য:
Pumpkin seeds রক্তের সুগার হঠাৎ বাড়ায় না, বরং stable রাখতে সাহায্য করে —
তবে এটা কোনো cure না, balanced diet-এর অংশ হিসেবে খেতে হবে

✅ কীভাবে খাবেন?
• ৮–১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন।
• পানি ফেলে দিয়ে খেয়ে ফেলুন।
•প্রতিদিন ১ টেবিল চামচই যথেষ্ট।

শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে আমরা অনেকেই চিয়া সিড, বিটরুট পাউডার, অশ্বগন্ধা, মিক্স সিড, মধু বা কাঠবাদামের মতো পুষ্টিকর খা...
23/03/2026

শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে আমরা অনেকেই চিয়া সিড, বিটরুট পাউডার, অশ্বগন্ধা, মিক্স সিড, মধু বা কাঠবাদামের মতো পুষ্টিকর খাবার ও সাপ্লিমেন্ট খেতে চাই। এসব খাবার সত্যিই উপকারী, কারণ এগুলোতে ভিটামিন, মিনারেল, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং উদ্ভিজ্জ নানা উপাদান থাকে। তবে সবার পেট বা শরীর একইভাবে এসব খাবার গ্রহণ করতে পারে না। কারও হজম ক্ষমতা কম, কারও পুরনো রোগ আছে, কেউ আবার ওষুধ খাচ্ছেন—যা এসব খাবারের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করতে পারে। তাই কোন খাবার কোন ধরনের মানুষের জন্য উপযুক্ত নয়, সেটা জানা অত্যন্ত জরুরি।

চিয়া সিড উচ্চমাত্রার ফাইবার, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও পানি শোষণ ক্ষমতার জন্য জনপ্রিয়। কিন্তু চিয়া সিড পানি পেলে দ্রুত ফুলে যায় এবং জেলির মতো হয়ে যায়। যাদের গিলতে সমস্যা (dysphagia), গলার সংবেদনশীলতা বেশি বা যাদের আগে choking-এর সমস্যা হয়েছে—তাদের এটি শুকনা অবস্থায় খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। আবার অতিরিক্ত ফাইবার হজমের জন্য শরীরকে বাড়তি পরিশ্রম করায়, IBS, পেটফাঁপা বা গ্যাসের সমস্যা থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এটি পেটব্যথা ও অস্বস্তি বাড়াতে পারে। রক্ত পাতলা করার ওষুধে থাকা ব্যক্তিদেরও চিয়া সিড খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হয়, কারণ এতে থাকা ওমেগা-৩ রক্ত পাতলা করতে সহায়তা করে, ফলে bleeding tendency বাড়তে পারে।

বিটরুট পাউডার শরীরের রক্তপ্রবাহ উন্নত করে এবং রক্তচাপ কমাতে সহায়ক বলে পরিচিত। এর মধ্যে থাকা dietary nitrate শরীরে nitric oxide-এ রূপান্তরিত হয়ে রক্তনালী প্রসারিত করে। যাদের রক্তচাপ স্বাভাবিকের তুলনায় কম, বা যারা BP medicine খান—তাদের ক্ষেত্রে এটি BP অতিরিক্ত কমিয়ে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিটরুটে অক্সালেটের পরিমাণ বেশি, যা kidney stone, বিশেষ করে calcium oxalate stone-এর ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদেরও খেয়াল রাখতে হবে, কারণ বিটরুটে প্রাকৃতিক চিনি বেশি থাকে, যা গ্লুকোজ হঠাৎ বাড়িয়ে দিতে পারে।

অশ্বগন্ধা পাউডার আয়ুর্বেদিকভাবে শরীরের স্ট্রেস কমানো, ঘুম ভালো করা ও মানসিক শক্তি বাড়ানোর জন্য পরিচিত। তবে গর্ভবতী নারীর জন্য এটি নিরাপদ নয়, কারণ অশ্বগন্ধা জরায়ুকে উদ্দীপিত করে সংকোচন (uterine contraction) বাড়াতে পারে, যা গর্ভপাতের ঝুঁকি তৈরি করে। যাদের থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি (hyperthyroidism), তাদের থাইরয়েড অতিরিক্ত উত্তেজিত হয়ে সমস্যার অবনতি হতে পারে। অশ্বগন্ধা ইমিউন সিস্টেম সক্রিয় করে—কিন্তু এটি autoimmune রোগী (RA, SLE, Hashimoto’s) এর ক্ষেত্রে ক্ষতিকর হতে পারে। এছাড়াও লিভার ও কিডনির উপর কিছু ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব দেখা গেছে, তাই যাদের আগেই লিভার বা কিডনি সমস্যা আছে, তাদের ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এটি খাওয়া উচিত নয়।

মিক্স সিড যেমন flaxseed, pumpkin seed, sesame, sunflower seed—আমাদের শরীরকে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন ও ফাইবার সরবরাহ করে। কিন্তু যাদের বাদাম বা সিড অ্যালার্জি আছে, তাদের জন্য এগুলো বিপজ্জনক হতে পারে। সিড অ্যালার্জি শরীরে হঠাৎ ফুসকুড়ি, শ্বাসকষ্টের মতো গুরুতর প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে। এছাড়া এগুলোতে ফাইবার অনেক বেশি থাকায় পেটের সমস্যা বা IBS থাকলে পেটফাঁপা, গ্যাস বা ডায়রিয়া হতে পারে। যেহেতু সিড ছোট কিন্তু ক্যালোরি-ডেন্স, তাই যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে আছেন তাদের পরিমাণ বুঝে খাওয়া দরকার, নাহলে অজান্তেই ক্যালোরি বেশি খাওয়া হয়ে যায়।

কাঠবাদাম বা আমন্ড পুষ্টিকর ফ্যাট, ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস। তবে বাদামে অ্যালার্জি থাকা মানুষের জন্য সামান্য পরিমাণ কাঠবাদামও গুরুতর অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে। কাঠবাদামে অক্সালেট থাকে, তাই যাদের kidney stone বা urinary stone-এর ইতিহাস আছে, তাদের জন্য বাদাম অতিরিক্ত খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। যেহেতু কাঠবাদাম ক্যালোরি-সমৃদ্ধ, তাই যারা ওজন কমানোর ডায়েটে আছেন তাদের পরিমিতভাবে খেতে হবে। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রেও কাঠবাদাম চোকিং হ্যাজার্ড তৈরি করতে পারে, তাই গুঁড়ো করে বা ভিজিয়ে খুব নরম করে খাওয়ানো উচিত।

মধু আমাদের দেশে খুব জনপ্রিয় একটি প্রাকৃতিক খাবার, যার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও শক্তিবর্ধক গুণ রয়েছে। তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে মধু সাবধানতার সঙ্গে খাওয়া জরুরি। বিশেষ করে এক বছরের কম বয়সী শিশুকে কখনও মধু দেওয়া উচিত নয়, কারণ এতে Clostridium botulinum নামের ব্যাকটেরিয়ার স্পোর থাকতে পারে, যা শিশুর অন্ত্রে টক্সিন তৈরি করে Infant Botulism-এর মতো গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাদের মধু খুব পরিমিতভাবে খেতে হবে, কারণ মধু প্রাকৃতিক হলেও এতে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজের পরিমাণ বেশি—যা রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়াতে পারে। মধুতে পরাগ (pollen) থাকার কারণে যাদের পোলেন অ্যালার্জি আছে, তাদের ক্ষেত্রে মধু খেলে গলা চুলকানো, র‍্যাশ বা শ্বাসকষ্টের মতো অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এছাড়া যাদের অ্যাসিডিটি আছে, তাদের ক্ষেত্রে মধু কখনো কখনো বুকজ্বালা বাড়িয়ে দিতে পারে, বিশেষ করে খালি পেটে খেলে। অতিরিক্ত গরম পানিতে মধু দিলে এর কিছু পুষ্টি নষ্ট হতে পারে—তাই কুসুম গরম পানি বা সাধারণ তাপমাত্রার খাবারে মেশানোই উত্তম। সব মিলিয়ে মধু উপকারী হলেও সবার জন্য একই মাত্রায় উপযোগী নয়; ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও অবস্থার ভিত্তিতে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

সব মিলিয়ে, পুষ্টিকর খাবার মানেই সবার জন্য নিরাপদ—এ ধারণা ঠিক নয়। ‘স্বাস্থ্যকর খাবার’ তখনই স্বাস্থ্যকর, যখন তা ব্যক্তির শরীরের বর্তমান অবস্থার সঙ্গে মানিয়ে যায়। নিজের অসুস্থতা, ওষুধ, হজম ক্ষমতা এবং পূর্ব অভিজ্ঞতা বিবেচনা করে খাবার নির্বাচন করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

প্রয়োজন হলে ডাক্তারের বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া আরও ভালো।

✍️নিলুফার ইয়াসমিন দিপা
ফুড এন্ড নিউট্রিশন

ঈদ বা যেকোনো উৎসবে পোলাও, রোস্ট, রেজালা কিংবা কাবাবের মতো ভারী ও মসলাদার খাবার আমাদের সংস্কৃতিরই একটি আনন্দময় অংশ। তবে এ...
22/03/2026

ঈদ বা যেকোনো উৎসবে পোলাও, রোস্ট, রেজালা কিংবা কাবাবের মতো ভারী ও মসলাদার খাবার আমাদের সংস্কৃতিরই একটি আনন্দময় অংশ। তবে এসব মজাদার খাবার খাওয়ার পর পেট ফেঁপে যাওয়া বা বদহজমের মতো সমস্যা থেকে বাঁচতে কিছু দেশীয় ও সহজলভ্য খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

​ভারী খাবারের সাথে শসা, টমেটো, গাজর ও লেবু দিয়ে তৈরি তাজা সালাদ রাখা সবচেয়ে সাধারণ কিন্তু কার্যকর উপায়। সালাদে থাকা ফাইবার বা আঁশ খাবারকে দ্রুত হজম হতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। পাশাপাশি ভারী খাবার খাওয়ার আধা ঘণ্টা পর এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে পেটের অস্বস্তি অনেকটাই কমে যায়।

​পানীয় হিসেবে এই সময়ে দইয়ের তৈরি বোরহানি বা মাঠা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। দইয়ে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া (প্রোবায়োটিকস), পুদিনা পাতা, ধনেপাতা এবং বিট লবণ পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দ্রুত কমিয়ে আনে। এছাড়া জিরা বা জোয়ানের পানিও হজমের জন্য দারুণ উপকারী।

​মিষ্টিজাতীয় ভারী খাবারের বদলে পেঁপে, আনারস বা বেলের শরবতের মতো দেশীয় ফলমূল রাখা যেতে পারে। আনারস ও পেঁপেতে থাকা বিশেষ এনজাইম মাংস ও চর্বি হজমে সরাসরি সহায়তা করে।

আর ঐতিহ্যবাহী অভ্যাস হিসেবে ভারী খাবার শেষে এক টুকরো আদা বা সামান্য মৌরি চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাসটিও পাকস্থলীকে শান্ত রাখতে এবং হজমের রস নিঃসরণে খুব ভালো কাজ করে।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও সচেতনতায় আপনার উৎসব হয়ে উঠুক আরও আনন্দময় ও নিরাপদ। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন—সবাইকে ঈদ মোবারক ✨

✍️নিলুফার ইয়াসমিন দিপা
ফুড এন্ড নিউট্রিশন

প্রায় ০ ক্যালরী খাবারশরীরের ওজন, উচ্চতা এবং শারীরিক পরিশ্রমের হারের উপর নির্ভর করে ক্যালরি চাহিদা। ওজন কমাতে ক্যালরী ইনট...
22/03/2026

প্রায় ০ ক্যালরী খাবার
শরীরের ওজন, উচ্চতা এবং শারীরিক পরিশ্রমের হারের উপর নির্ভর করে ক্যালরি চাহিদা। ওজন কমাতে ক্যালরী ইনটেকের দিকে আপনি নজর দিতে গিয়ে কম ক্যালরী বা শূন্য ক্যালরীযুক্ত খাবার খুঁজছেন। দেখে নিন নিচের খাবারগুলো প্রায় শূন্য ক্যালরীযুক্ত খাবার।

20/03/2026

পবিত্র ঈদুল ফিতর বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ আর সুস্বাস্থ্য।
পরিবারের সবাইকে নিয়ে সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।
ঈদ মোবারক! ✨

সুন্দর ত্বক আমরা কে না চাই! নিজেদের ত্বককে সুন্দর রাখার জন্য কত-শতই না প্রচেষ্টা আমাদের, কত নামি-দামি ব্র্যান্ডেড প্রসাধ...
20/03/2026

সুন্দর ত্বক আমরা কে না চাই!

নিজেদের ত্বককে সুন্দর রাখার জন্য কত-শতই না প্রচেষ্টা আমাদের, কত নামি-দামি ব্র্যান্ডেড প্রসাধনী আর নানান ধরনের রূপচর্চা, কত রকমই না তার কৌশল। কিন্তু এসব প্রচেষ্টার পরও আমরা দিনশেষে কাঙ্খিত ফলাফল পাইনা।

ত্বকের উজ্জ্বলতা, সৌন্দর্য বজায় রাখার সাথে খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম আর স্বাস্থ্যের অবস্থা ভীষণভাবে জড়িত।
বিভিন্ন ধরনের খাবার আছে যা প্রাকৃতিকভাবে আমাদের ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।

✅ শসা - উজ্জ্বল ত্বকের অন্যতম রহস্য হল হাইড্রেশন বা সতেজতা । সতেজ ফল বা শাকসবজির মধ্যে উৎকৃষ্ট উদাহরণ হল শসা, এতে রয়েছে প্রায় ৯৫% পানি, যা ত্বকে হাইড্রেশনের মাত্রা যোগ করার একটি চমৎকার উপায়, এতে করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

✅ টমেটো - টমেটো হল ক্যারোটিনয়েড লাইকোপিনের অন্যতম উৎস । এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে ।

✅ বেরি - বেরি জাতীয় ফল যেমন ব্লুবেরি এবং স্ট্রবেরি এরা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ । প্রধানত ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি, এছাড়াও স্ট্রবেরিতে অ্যান্থোসায়ানিন, ফেনোলিক অ্যাসিড এবং ফ্ল্যাভোনয়েড রয়েছে । এরা ত্বককে মসৃণ রাখতে সাহায্য করে এবং প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বলতা প্রদান করে।

✅ আখরোট - আখরোটে রয়েছে গুড ফ্যাট, ভিটামিন-ই এবং ওমেগা-৩। আখরোটকে ত্বকের হেলথ প্রমোটিং পাওয়ার হাউসও বলা হয়। আখরোটে গামা-টোকোফেরল নামক ভিটামিন ই এর একটি নির্দিষ্ট রূপ রয়েছে, যা ত্বকের পুনর্জন্মে সাহায্য করে এবং ত্বকের ক্ষতি প্রতিরোধ করে।

✅ সূর্যমুখী বীজ - সূর্যমুখী বীজ প্রোটিন সমৃদ্ধ যার পুষ্টি ত্বকের ক্ষতি নিরাময় করে এবং নতুন ত্বকের কোষ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয়। সেই সাথে এটি ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ, যা শরীরের একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে।

✅ পানি - সুন্দর এবং উজ্জ্বল ত্বকের জন্য অন্যতম একটি শর্ত হলো ত্বকের সতেজতা রক্ষা, পানি ত্বকের সতেজতা বজায় রাখে। যা ত্বকের ইলাস্টিসিটি উন্নত করতে সাহায্য করে, কোমলতা বৃদ্ধি করে, বলিরেখা এবং সূক্ষ্ম রেখা কমাতে পারে।

এছাড়াও সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, ওমেগা-৩ ফ্যাট এবং ভিটামিন- এ, সি এবং ই, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে যা ত্বককে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর সমস্যা হতে রক্ষা করে এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।

কোনো ধরনের কসমেটিক্স ছাড়াই ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও প্রানবন্ত .... বর্তমান সময়ে সবাই সুন্দর থাকতে চায়, সবাই আকর্ষণীয় হতে...
19/03/2026

কোনো ধরনের কসমেটিক্স ছাড়াই ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও প্রানবন্ত ....

বর্তমান সময়ে সবাই সুন্দর থাকতে চায়, সবাই আকর্ষণীয় হতে চায় ! আর সুন্দর এবং আকর্ষণীয় যাওয়ার এই চাহিদায় তারা না বুঝে শুনে বিভিন্ন কসমেটিকস ব্যবহার করে,আর সেই প্রোডাক্টগুলোতে ভারী ধাতু ও কেমিক্যাল যেমন, সালফেট, লেড,হাইড্রো কুইনাইন, পেরাবেন্স, অ্যালকোহল, ফর্মালডিহাইড ইত্যাদি ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে, যা ত্বকের ক্ষতি করে স্কিন ক্যান্সার সৃষ্টি করে থাকে ....

তাই ঘরোয়া উপায়ে এবার হবে ত্বকের যত্ন ....

১. পরিমিত পরিমাণে পানি খাওয়া: শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান ঘামের মাধ্যমে বের করে দেয় পানি। পর্যাপ্ত পানি পেলে ত্বকের কোষে পানি পৌঁছায় এবং ত্বক সজীব দেখায়

২.স্বাস্থ্যকর খাদ্যভাস: পালং শাক, ব্রোকলি, পেঁয়াজ কলি, সেলারি এবং শসা ত্বকে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। এ ধরনের শাক-সবজি প্রতিদিন খাবারের তালিকায় রাখলে ত্বকের লাবণ্য বৃদ্ধি পাবে এছাড়াও ড্রাই ফ্রুটস যেমন বাদাম, কিশমিশ, খেজুর, আখরোট ও কাজুবাদাম স্বাস্থ্য এবং ত্বকের জন্য উপকারী । মিষ্টি আলুর অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ত্বক প্রাকৃতিকভাবেই উজ্জ্বল করে। এর অ্যান্থোসায়ানিন নামক উপাদান ত্বকের দাগছোপ কমায়। কলায় রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড, পটাশিয়াম ও প্রচুর পানি। এতে আপনার ত্বক আর্দ্র থাকে এবং ব্রণের সমস্যাও কমে। ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে নিয়মিত মাশরুম খাওয়া যেতে পারে। আখরোট, ওমেগা-থ্রি চর্বির ভালো উৎস, একে বলা হয় ‘মস্তিষ্কের খাবার’। খাবারে বাদাম যোগ করা হলে তা ত্বক সুন্দর এবং আর্দ্রতা ধরে রাখে। এতে বয়সের ছাপ দূর হয় এবং উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।

৩. ব্যায়াম করা : আমরা হয়তো ভেবে থাকি, শরীরের জন্যই ব্যায়াম রয়েছে,একদম তা নয়, ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে ব্যায়াম একান্ত অপরিহার্য ! ঘরে বসেই করে নিন ফেসিয়াল এক্সারসাইজ যেমন (দ্বিতীয় ছবিতে দেখুন) :

৪.আইস বাথ নেয়া: মাঝে মাঝে ত্বকে নিতে পারেন আইস বাথ। সহজে যাকে বলা হয় ঠাণ্ডা পানি বা ত্বকে বরফ ব্যাবহার । ত্বকে কোনও ব়্যাশ বেরোলে, তার উপর বরফ লাগাতে পারেন, তৈলাক্তভাব নিয়ন্ত্রণ করা এবং অ্যাকনের সমস্যা কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে বরফ ...

৫. এছড়াও ত্বকের যত্নে ব্যাবহার করতে পারেন ঘরে থাকা কিছু জিনিস যেমন :

‌হলুদ: রূপচর্চায় আদিযুগ থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে হলুদ।, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় ....
‌টমেটো: অনেক সময়ই স্যান টান নের জন্য ত্বক কালো হয়ে যায়। ...
‌বেসন: ত্বক পরিষ্কার করতে সাহায্য করে বেসনও। ...
‌টকদই: এছাড়া ত্বকে উজ্জ্বলতা বাড়াতে ব্যবহার করতে পারেন টকদইও
‌অ্যালোভেরা: ত্বকের ট্যান দূর করে উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা।

৬. বালিশের কভার: হ্যাঁ,ত্বকের যত্ন করলেই শুধু চলবে না ! আমরা লম্বা একটা সময় ঘুমিয়ে থাকি বালিশে, যার দীর্ঘ দিনের ব্যাবহারে কভার এর উপর জন্মাতে পারে বিভিন্ন ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়া, যা ত্বকে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করে ! তাই প্রতি সপ্তাহে বালিশের কভার ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে এবং রোদে শুকাতে হবে,সাথে বালিশকেও রোদে রাখতে হবে কিছু সময় ...

৭. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম : সুস্থ ও ত্বক ভালো রাখতে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যাওয়া, আট ঘন্টার ঘুম নিশ্চিত করা এবং সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন। যা মানসিক চাপ কমাতেও সাহায্য করবে।

এছাড়াও বাহিরের খাবার এড়িয়ে চলা,কম চিনি বা মিষ্টি যুক্ত খাবার খাওয়া,কম মসলা যুক্ত খাবার ও অ্যালকোহল বা ধূমপান এড়িয়ে চলার মাধ্যমে আমরা ত্বক ভালো রাখতে পারি .....

#ডায়েট #নিউট্রিশন #পুষ্টি #ওবেসিটি #ডায়টেশিয়ান #ফ্যাট #স্থূলতা #ওজন #কমাতে #চাই #গ্যাস্ট্রিক

শসা: শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকর। এতে রয়েছে flavonoids ও anti inflammatory উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমা...
18/03/2026

শসা:
শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকর। এতে রয়েছে flavonoids ও anti inflammatory উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।

দই:
দই আমাদের হজম শক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। দ্রুত খাবার হজম হবার ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার প্রবণতা কমে আসে।

পেঁপে:
পেঁপেতে রয়েছে Papain এনজাইম যা আমাদের হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।

কলা ও কমলা:
কলা ও কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত Sodium দূর করতে সহায়তা করে। ফলে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও কলায় থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। সারাদিনে অন্তত দুটি কলা খেলে পেট পরিষ্কার থাকে।

আদা:
আদা সব চাইতে কার্যকরী anti-inflammatory উপাদানসমৃদ্ধ খাবার। পেট ফাঁপা ও পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে খান, দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে।

পুদিনা পাতার পানি:
এক কাপ পানিতে ৫টি পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খান। পেট ফাঁপা, বমিভাব দূর হবে।

রসুন:
অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে যদি এক কোয়া রসুন খেয়ে ফেলা যায়, তা stomach অ্যাসিড ক্ষরণের মাত্রা স্বাভাবিক হতে শুরু করে। ফলে গ্যাস সংক্রান্ত বিভিন্ন উপসর্গ ধীরে ধীরে কমে যেতে শুরু করে।

ডাবের পানি:
ডাবের পানি খেলে হজম ক্ষমতা বাড়ে এবং সব খাবার সহজেই হজম হয়ে যায়। এছাড়া গ্যাসের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায় নিয়মিত ডাবের পানি খেলে। তাই সম্ভব হলে প্রতিদিন ডাবের পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। তাহলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

এছাড়া ওজন কমানো, খাবার গ্রহণের সময়ের সঠিক ব্যবধান রাখা, খালি পেটে চা না খাওয়া ইত্যাদি বিষয়গুলো নিজের আয়ত্বে রাখতে পারলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি পেতে পারেন।

গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া খুব বেশি কঠিন কিছু নয়। শুধু একটু নজর রাখতে হবে নিজের খাওয়া-দাওয়ার প্রতি। তাহলেই আর ছুটতে হবে না ঔষধ এর পিছু ☺️

আমলকি আমাদের অত্যন্ত পরিচিত একটি ফল হলেও, এর ভেতরে লুকিয়ে থাকা পুষ্টিগুণ আক্ষরিক অর্থেই অসাধারণ। সাধারণ মানুষের কাছে এটি...
17/03/2026

আমলকি আমাদের অত্যন্ত পরিচিত একটি ফল হলেও, এর ভেতরে লুকিয়ে থাকা পুষ্টিগুণ আক্ষরিক অর্থেই অসাধারণ। সাধারণ মানুষের কাছে এটি কেবল একটি টকজাতীয় ফল মনে হলেও, পুষ্টিবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে আমলকি হলো ভিটামিন সি এবং শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের এক বিশাল প্রাকৃতিক ভাণ্ডার। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বা রূপচর্চায় এই ছোট্ট ফলটি রাখলে তা আমাদের শরীর, ত্বক এবং চুলের জন্য জাদুর মতো কাজ করে।
​স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমলকির পুষ্টিগুণ
​আমলকিতে থাকা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ফাইবার আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বহুগুণ শক্তিশালী করে তোলে। এটি হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে দারুণ কার্যকর। পাশাপাশি, আমলকিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন একটি কাঁচা আমলকি খাওয়ার অভ্যাস শরীরকে ভেতর থেকে সতেজ, নিরোগ ও প্রাণবন্ত রাখে।
​ত্বকের যত্নে আমলকির জাদুকরী প্রভাব
​উজ্জ্বল, দাগহীন ও সতেজ ত্বক পেতে আমলকির পুষ্টিগুণের কোনো তুলনা হয় না। আমলকিতে থাকা উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি ত্বকের 'কোলাজেন' নামক প্রোটিন উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। এই কোলাজেন ত্বককে টানটান রাখে এবং সহজে বলিরেখা বা বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। এছাড়াও এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রোদে পোড়া কালচে ভাব, ব্রণের দাগ এবং মেছতা দূর করতে ভেতর থেকে কাজ করে। নিয়মিত আমলকি খেলে বা ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বক স্বাভাবিকভাবেই উজ্জ্বল ও লাবণ্যময় হয়ে ওঠে।
​চুলের যত্নে আমলকির পুষ্টির ভূমিকা
​চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় এবং সৌন্দর্য বাড়াতে আমলকি যুগ যুগ ধরে একটি বিশ্বস্ত উপাদান। আমলকিতে ভিটামিন সি-এর পাশাপাশি রয়েছে আয়রন, ক্যারোটিন এবং বিভিন্ন দরকারি অ্যামিনো এসিড, যা চুলের গোড়ায় সরাসরি পুষ্টি জোগায়। এই পুষ্টি উপাদানগুলো মাথার ত্বকে রক্ত চলাচল বাড়ায়, ফলে চুল পড়া উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়া রোধ করতে এবং খুশকি বা মাথার ত্বকের যেকোনো সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে আমলকি অত্যন্ত কার্যকরী।

✍️নিলুফার ইয়াসমিন দিপা
ফুড এন্ড নিউট্রিশন

Address

Manchester

Website

http://www.instagram.com/dietitian_nusrat.jahan, http://www.linkedin.com/in/nutrition

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nusrat Jahan - Registered Nutritionist UK and Clinical Dietitian BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nusrat Jahan - Registered Nutritionist UK and Clinical Dietitian BD:

Share