Nusrat Jahan - Registered Nutritionist UK and Clinical Dietitian BD

Nusrat Jahan - Registered Nutritionist UK and Clinical Dietitian BD Clinical Dietitian | Health & Nutrition Educator | Diabetes Care Expert
✨ 11 Years of Experience in Nutrition & Wellness
(5)

I am an experienced Health and Nutrition Educator, Clinical Dietitian, and Diabetes Care Specialist with over 11 years of expertise in patient counseling, nutrition education, and promoting overall health and well-being. I hold an MSc in Diabetes Care from the University of Salford (UK) and an MSc in Food and Nutrition from the University of Dhaka (Bangladesh), providing a strong academic foundation for my professional work. Throughout my career, I have created more than 7,000 personalized dietary plans designed for a wide range of medical conditions. My work is rooted in evidence-based practices, and I specialize in developing structured education programs for disease management and prevention. As a dedicated educator, I have mentored and guided over 1,000 students in food and nutrition, using interactive teaching methods such as group discussions, role-playing, and real-life case studies. I am passionate about helping future healthcare professionals gain the knowledge and skills they need for meaningful careers. My goal is to continuously advance knowledge in nutrition and to inspire others through education, personalized care, and professional leadership in the field.

আমাদের রান্নাঘরের খুব পরিচিত একটি উপাদান হলো হলুদ। তবে মসলা হিসেবে গুঁড়ো হলুদের চেয়ে কাঁচা হলুদের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা অ...
01/03/2026

আমাদের রান্নাঘরের খুব পরিচিত একটি উপাদান হলো হলুদ। তবে মসলা হিসেবে গুঁড়ো হলুদের চেয়ে কাঁচা হলুদের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা অনেক বেশি। কাঁচা হলুদে রয়েছে 'কারকিউমিন' (Curcumin) নামক একটি বিশেষ ও জাদুকরী উপাদান, যা আমাদের শরীর, ত্বক ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অসাধারণ কাজ করে।
📌স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় কাঁচা হলুদ
​কাঁচা হলুদ আমাদের পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে দারুণ কাজ করে। এটি হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং গ্যাস্ট্রিক বা বদহজমের সমস্যা অনেকটাই কমিয়ে দেয়। প্রতিদিন সকালে এক টুকরো কাঁচা হলুদ চিবিয়ে খেলে বা রস করে খেলে আমাদের লিভার বা যকৃৎ পরিষ্কার থাকে এবং শরীরের ক্ষতিকর দূষিত পদার্থ (টক্সিন) বের হয়ে যায়। এছাড়া, শরীরের যেকোনো ধরনের ব্যথা বা ফোলার ক্ষেত্রে (যেমন- বাতের ব্যথা) কাঁচা হলুদ প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে।
📌​রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে
​আমাদের চারপাশের নানা রকম জীবাণু ও ভাইরাসের সাথে লড়াই করতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হওয়া খুব জরুরি। কাঁচা হলুদে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ। অর্থাৎ, এটি জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। হঠাৎ সর্দি, কাশি বা জ্বর জ্বর ভাব হলে হালকা গরম দুধের সাথে কাঁচা হলুদের রস মিশিয়ে খেলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়। এটি শরীরের ভেতরের সুরক্ষাব্যবস্থাকে এতটাই মজবুত করে যে, সহজে কোনো রোগ-জীবাণু আমাদের কাবু করতে পারে না।
📌​ত্বকের সৌন্দর্য ও উজ্জ্বলতা বাড়াতে
​রূপচর্চায় কাঁচা হলুদের ব্যবহার আমাদের দাদি-নানিদের আমল থেকেই চলে আসছে। এটি ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বা গ্লো ফিরিয়ে আনতে জাদুর মতো কাজ করে। মুখে ব্রণের সমস্যা, রোদে পোড়া দাগ বা চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে কাঁচা হলুদ বাটা বা এর রস ব্যবহার করলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে সহজে বয়সের ছাপ বা বলিরেখা পড়তে দেয় না, ফলে ত্বক থাকে সতেজ, টানটান ও প্রাণবন্ত।
​সুস্থ শরীর এবং সুন্দর ত্বকের জন্য বাজারের অনেক দামি ওষুধ বা প্রসাধনীর চেয়ে প্রকৃতির এই সহজলভ্য উপাদানটি অনেক বেশি কার্যকরী ও নিরাপদ। নিয়মিত কাঁচা হলুদ খাওয়া ও ব্যবহারের অভ্যাস আপনার জীবনকে আরও স্বাস্থ্যকর করে তুলতে পারে।

✍️নিলুফার ইয়াসমিন দিপা
ফুড এন্ড নিউট্রিশন

গ্যাস্ট্রিক শব্দটি পরিচিত হলেও এর সঠিক নাম হচ্ছে Gastritis। আপনি কি জানেন? আমাদের দেশে বেশি বিক্রিত ঔষধ হচ্ছে গ্যাস্ট্রি...
28/02/2026

গ্যাস্ট্রিক শব্দটি পরিচিত হলেও এর সঠিক নাম হচ্ছে Gastritis। আপনি কি জানেন? আমাদের দেশে বেশি বিক্রিত ঔষধ হচ্ছে গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ। আর এ গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ ঘরে ঘরে মুড়ি মুড়কির মতো খাচ্ছেন। কিন্তু আপনি জানেন না দীর্ঘদিন গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ খেলে ভবিষ্যতে আপনার আয়রন, ভিটামিন, ও ম্যাগনেসিয়ামের অভাব দেখা দেবে। এমনকি হাড়ক্ষয়, অল্প আঘাতেই হাড় ভেঙে যাওয়াসহ শরীরে কিছু রোগ-জীবাণু প্রবেশের সক্ষমতা বেড়ে যাবে। এমনকি এর ঔষধ কিডনিতেও মারাত্মক প্রভাব ফেলে।

তাই সঠিক খাদ্যাভাস ও সাথে শরীরচর্চা আপনাকে
Gastritis থেকে দিবে স্বস্তি।

#ডায়েট #নিউট্রিশন #পুষ্টি #ওবেসিটি #ঘুম #শারীরিক #ওজন #রমজান #সেহেরী #রামাদান #ইফতার #পেটে #গ্যাস #গ্যাস্ট্রিক

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে শরীরকে চাঙ্গা ও সুস্থ রাখতে সঠিক পুষ্টিকর খাবার নির্বাচন করা খুব জরুরি!​ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত...
27/02/2026

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে শরীরকে চাঙ্গা ও সুস্থ রাখতে সঠিক পুষ্টিকর খাবার নির্বাচন করা খুব জরুরি!
​ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবারের বদলে ইফতারের প্লেটে স্বাস্থ্যকর ফলমূল ও সবজি রাখলে তা আমাদের শরীরকে দ্রুত এনার্জি দেয় এবং হজমপ্রক্রিয়াও ভালো রাখে।
​আজকের পোস্টে থাকছে ইফতারের দারুণ ৪টি সুপারফুড— খেজুর, শসা, পেয়ারা এবং কলা গ্রহণের চমৎকার সব স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং এগুলো কীভাবে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন তার বিস্তারিত গাইডলাইন।

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের টেবিলে মুচমুচে পিয়াজু, বেগুনি, চপ বা জিলাপি না থাকলে আমাদের যেন তৃপ্তিই মেটে না। কিন্তু মু...
25/02/2026

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের টেবিলে মুচমুচে পিয়াজু, বেগুনি, চপ বা জিলাপি না থাকলে আমাদের যেন তৃপ্তিই মেটে না। কিন্তু মুখরোচক এই ভাজাপোড়া খাবারগুলো, বিশেষ করে যে তেলে এগুলো ভাজা হয়, তা আমাদের শরীরের জন্য নীরবে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

​ইফতারির খাবার তৈরি করার সময় দোকান বা বাড়িতে সাধারণত একই তেল বারবার উচ্চতাপে গরম করা হয়। অতিরিক্ত তাপ এবং বারবার ব্যবহারের ফলে তেলের স্বাভাবিক রাসায়নিক গঠনে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে অক্সিডেশন এবং পলিমারাইজেশন বলে। সহজ কথায়, বারবার গরম করার ফলে তেল ভেঙে গিয়ে ক্ষতিকর 'ফ্রি র‍্যাডিকেলস' (Free Radicals) এবং বিষাক্ত 'অ্যালডিহাইড' (Aldehyde) তৈরি করে। পাশাপাশি তৈরি হয় 'ট্রান্স ফ্যাট' (Trans Fat)। ফলে সাধারণ ভোজ্যতেল কার্যত এক ধরনের ধীরগতির বিষে পরিণত হয়।
​এই পোড়া বা রাসায়নিকভাবে পরিবর্তিত তেল খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়:
📌​হজমের গোলমাল: সারাদিন রোজা রাখার পর খালি পেটে এই তেলযুক্ত খাবার পড়লে গ্যাস্ট্রিক, বুক জ্বালাপোড়া এবং মারাত্মক বদহজম দেখা দেয়।
📌​হৃদরোগের ঝুঁকি: ট্রান্স ফ্যাট রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং ভালো কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়, যা রক্তনালীতে ব্লক তৈরি করে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
📌​ক্যান্সারের শঙ্কা: বারবার গরম করা তেলে তৈরি হওয়া বিষাক্ত উপাদানগুলো দীর্ঘমেয়াদে শরীরে প্রদাহ (Inflammation) সৃষ্টি করে এবং ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
​ইফতারের স্বাস্থ্যকর বিকল্প যা হতেপারে👇
​সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকার পর পাকস্থলী অনেক স্পর্শকাতর থাকে। তাই এ সময় এমন খাবার প্রয়োজন যা সহজে হজম হয়, শরীরকে দ্রুত শক্তি দেয় এবং পুষ্টির চাহিদা মেটায়। ভাজাপোড়ার বদলে ইফতারের আয়োজনে আমরা নিচের খাবারগুলো রাখতে পারি:
📌​খেজুর ও তরল পানীয়: ইফতারের শুরুতেই কয়েক টুকরো খেজুর এবং পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি, ডাবের পানি বা লেবুর শরবত শরীরকে সতেজ করে তুলবে। কৃত্রিম রং ও চিনিযুক্ত শরবতের বদলে ফলের নিজস্ব মিষ্টি স্বাদ উপভোগ করা সবচেয়ে ভালো।
📌​তাজা ফলমূল: তরমুজ, বাঙ্গি, পেঁপে, কলা, মালটা বা আপেলের মতো তাজা ফল ইফতারে দারুণ উপকারী। এগুলো শরীরে সারাদিনের পানির ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল জোগায়।
📌​চিঁড়া, ওটস ও দই: তেলের খাবারের অন্যতম সেরা বিকল্প হতে পারে দই-চিঁড়া বা ওটস। এর সাথে কলা বা মিষ্টি ফল যোগ করলে এটি পেট ঠান্ডা রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হজমে সাহায্য করে।
📌​সিদ্ধ বা বেক করা খাবার: ছোলার সাথে অতিরিক্ত তেল-মশলা না দিয়ে, আদা-লেবু দিয়ে কাঁচা ছোলা বা হালকা সেদ্ধ ছোলা খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া তেলে ডুবিয়ে না ভেজে এখন এয়ার ফ্রায়ার বা ওভেনে বেক করে খুব সহজেই স্বাস্থ্যকর কাবাব বা কাটলেট তৈরি করা যায়।
📌​প্রোটিন হিসেবে ডিম বা মুরগি: ছোলা-বুট ছাড়াও প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে সিদ্ধ ডিম অথবা সামান্য তেলে গ্রিল করা এক টুকরো মুরগির মাংস রাখা যেতে পারে।
​প্রতিদিনের অভ্যাসে ছোট ছোট এই পরিবর্তনগুলো পুরো রমজান মাসজুড়ে আমাদের সুস্থ ও প্রাণবন্ত রাখতে সাহায্য করবে।

✍️নিলুফার ইয়াসমিন দিপা
ফুড এন্ড নিউট্রিশন

বর্তমানে ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগের চিকিৎসায় বাজারে নানা ধরনের খাদ্য পরিপূরক (Dietary Supplements) সহজেই পাওয়া যায়।...
24/02/2026

বর্তমানে ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগের চিকিৎসায় বাজারে নানা ধরনের খাদ্য পরিপূরক (Dietary Supplements) সহজেই পাওয়া যায়। এগুলোর গায়ে লেখা থাকে-রক্তে শর্করা কমায়, ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায়, এমনকি ডায়াবেটিসের জটিলতা প্রতিরোধ করে। এইসব দাবি শুনে অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই এসব পণ্য ব্যবহার করছেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো—এই পরিপূরকগুলোর অধিকাংশেরই নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

অনেক ডায়াবেটিস রোগী বিভিন্ন কারণে প্রচলিত চিকিৎসার পাশাপাশি বা কখনো কখনো তার বিকল্প হিসেবে এই পরিপূরকগুলো ব্যবহার করেন। কেউ করেন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে, কেউ নিজের চিকিৎসার নিয়ন্ত্রণ নিজেই রাখতে চান বলে, আবার অনেকেই প্রাকৃতিক বা বিকল্প চিকিৎসার প্রতি আস্থা রাখেন। এছাড়া উচ্চমূল্যের ওষুধ কিনতে না পারা কিংবা স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে অসন্তোষও এ সিদ্ধান্তের পেছনে বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

কিন্তু একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ কথা মনে রাখা দরকার—এই খাদ্য পরিপূরকগুলো মোটেও হালকা কোনো বস্তু নয়। এগুলো শরীরের ভেতরে ওষুধের মতোই কাজ করে এবং রক্তে শর্করা কমানোর পাশাপাশি অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। ফলে ঠিকমতো জানা না থাকলে এর ভুল ব্যবহার শরীরের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এ কারণেই ডায়াবেটিস রোগী হোক বা সাধারণ মানুষ সবারই এই খাদ্য পরিপূরকগুলোর উপকারিতা, সীমাবদ্ধতা ও ঝুঁকি সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি।

✍️নিলুফার ইয়াসমিন দিপা
ফুড এন্ড নিউট্রিশন

23/02/2026

কনজিউমারিজমে আপনাকে সস্তায় সয়াবিন তেল, রিফাইন্ড চিনি, প্রসেসড চাল, রিফাইন্ড আটা, জিএমও ফুড ইত্যাদি খাওয়ানো হয়। আর হেলথকেয়ার ইন্ডাস্ট্রি থেকে সুদেআসলে লাভ তুলে নেয়া হয়!

সয়াবিন তেল, চিনি, পলিশড চাল, ময়দা—এইসব খাবার উচ্চমাত্রায় প্রক্রিয়াজাত এবং পুষ্টিহীন। আর এগুলোই বাজারে সবচেয়ে সস্তা ও সহজলভ্য। কারণ, এগুলো মাস প্রোডাকশন হয় এবং ট্রান্সপোর্টেশন ও স্টোরেজ সহজ। অনেক সময় সরকারি ভর্তুকি থাকে। আবার কর্পোরেট লবিং সরকারের খাদ্য নীতি প্রভাবিত করে (যেমন রিফাইন্ড ভোজ্য তেলের আমদানি বাধ্যতামূলক করা।)

ফলে মানুষ এগুলো বেশি খায়। দীর্ঘমেয়াদে এগুলো ডায়াবেটিস, হাই প্রেশার, স্থূলতা, হরমোনাল সমস্যা, ক্যান্সার ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। আর এখানেই হেলথকেয়ার ইন্ডাস্ট্রির লাভের খেলা!

যখন আপনি ওইসব সস্তা খাবারের কারণে অসুস্থ হন, তখন আপনাকে যেতে হয় হেলথকেয়ার সিস্টেমে। সেখান থেকে চিকিৎসা, ওষুধ, ল্যাব টেস্ট, সার্জারি ইত্যাদির মাধ্যমে ওদের দীর্ঘমেয়াদি লাভ জেনারেট হয়। কারণ সেখানে রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় না করে ম্যানেজ করার চিকিৎসা দেওয়া হয়, যেন রোগী আজীবন ধরে অসুস্থ থাকে। ইনসুলিন, ব্লাড প্রেসার বা কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ এগুলোর বেশিরভাগই আজীবন খাওয়ার জন্য ডিজাইন করা!

Consumer Capitalism মানুষকে প্রথমে সস্তা খাবারে অসুস্থ করে, তারপর তাদের অসুস্থতা থেকে মূল লাভটা উসুল করে নেয়।
এজন্যই আপনি বাজারে সয়াবিন তেল, চিনি, পলিশড চাল, ময়দা, জিএমও ফুড এসব সস্তায় পান।
আর, এজন্যই Whole food বা অপ্রক্রিয়াজাত প্রাকৃতিক খাবার, যেমন লাল চাল, ঘানির তেল, দেশি ফলমূল, শাকসবজি, লাল আটা, গুড় ইত্যাদির দাম তুলনামূলক বেশি হয়, (কারণ এখানে Profit Cycle নেই!)

সস্তা, অস্বাস্থ্যকর, উচ্চ প্রক্রিয়াজাত খাদ্য দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্থূলতা, গ্যাস্ট্রিকের কারণ হয়ে জনস্বাস্থ্যের অবনতি হয়। এরা অসুস্থ হলে ফার্মা কোম্পানিগুলো ওষুধ/চিকিৎসা সরবরাহ করে। ক্রনিক রোগের আজীবন চিকিৎসা চলে।

এদেশে শুধু গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের বাজারই বছরে ২০,০০০ কোটি টাকার!

লোকাল জায়ান্ট প্রাণ, স্কয়ার, আকিজ গ্রুপগুলো ফুড, ফার্মা ও হাসপাতালে সমান্তরালভাবে বিনিয়োগ করে। একই কর্পোরেট গ্রুপ একইসাথে ফুড, ফার্মা, হাসপাতালে বিনিয়োগ করছে!
গ্লোবাল ফুড জায়ান্ট কেলগস এবং ফার্মা কোম্পানি আব্বভ এর শীর্ষ শেয়ারহোল্ডার একই ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড যার নাম 'Vanguard'!

ফুড ডিভিশন অস্বাস্থ্যকর পণ্য বিক্রি করে রোগ সৃষ্টি করে, ফার্মা ডিভিশন তা ম্যানেজ করে লাভ কামায়।
যারা প্রসেসড খাদ্যপণ্য কনজিউম করছে এরাই কিছুদিন পর কর্পোরেশনগুলোর রোগীর জোগান দিবে।

মানুষ ত আর ফুড-ফার্মা কমপ্লেক্স এর ইনভেস্টমেন্ট সাইকেল বুঝে না। সস্তার খাদ্যপণ্য গরিব, মধ্যবিত্ত, অসচেতন মানুষদেরকে আকৃষ্ট করে। একটু খরচ বাঁচাতে গিয়ে কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে তাদের চিকিৎসা ব্যয় বাড়ে! এভাবেই এই মানুষগুলো গরিব, অসুস্থ হয়েই আজীবন কাটায়!

এই দুষ্টচক্র ভাঙতে ভোক্তা সচেতনতা + নীতিগত হস্তক্ষেপ একসাথে প্রয়োজন।
সস্তা খাবারের প্রলোভন এড়িয়ে আপনার ও পরিবারের জন্য স্থানীয়, ঐতিহ্যবাহী, অপ্রক্রিয়াজাত, প্রাকৃতিক খাদ্য বাছাই করুন। এইটাই হলো কর্পোরেট প্রফিট সাইকেলের ফাঁদ থেকে আপনার বাঁচার উপায়!

Muhammad Rahat Khan

রমজান মাসে মুসলমানদের জন্য রোজা রাখা ফরয। এ সময় রোজা রাখা নিয়ে গর্ভবতী মা অনেক চিন্তিত হয়ে পড়েন। অনেক গর্ভবতী মা রোজা রা...
22/02/2026

রমজান মাসে মুসলমানদের জন্য রোজা রাখা ফরয। এ সময় রোজা রাখা নিয়ে গর্ভবতী মা অনেক চিন্তিত হয়ে পড়েন। অনেক গর্ভবতী মা রোজা রাখতে চান, আবার অনেকে গর্ভের সন্তানের ক্ষতি হবে ভেবে রোজা রাখা নিয়ে দ্বিধায় থাকেন। তবে প্রকৃতপক্ষে রোজা রাখা যাবে কি যাবে না তা নির্ভর করে গর্ভধারণকারী মায়ের শারীরিক অবস্থার উপর। গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য ও গর্ভের সন্তানের স্বাস্থ্যে উপর ভিত্তি করেই একজন গর্ভবতী নারী চাইলে রোজা রাখতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে গর্ভবতী মায়ের খাদ্যাভ্যাস কেমন হবে তা দেখে নিই :

#ডায়েট #নিউট্রিশন #পুষ্টি #ওবেসিটি #ঘুম #শারীরিক #ওজন #রমজান #সেহেরী #রামাদান #ইফতার #পেটে #গ্যাস #গ্যাস্ট্রিক #গর্ভবতী

21/02/2026

ক্যান্সার হঠাৎ একদিনে আসে না।
নীরবে শুরু হয়… ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে…
আর যখন বুঝি, তখন অনেক সময় দেরি হয়ে যায়।

সচেতনতা মানেই শক্তি।
সময়মতো পরীক্ষা মানেই সুরক্ষা।

াংলা
ীবনবাঁচায়
্কতা
ুনআজই
েতনতা

আপনার প্রজনন স্বাস্থ্য এবং সামগ্রিক সুস্থতা ভালো রাখতে কিছু সহজ কিন্তু কার্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হরমোনে...
20/02/2026

আপনার প্রজনন স্বাস্থ্য এবং সামগ্রিক সুস্থতা ভালো রাখতে কিছু সহজ কিন্তু কার্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হরমোনের ভারসাম্য, শক্তি, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং মানসিক সুস্থতা—সবকিছুই আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। l

দিনের শুরুটা হওয়া উচিত স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর চর্বি (healthy fat) দিয়ে দিন শুরু করলে শরীরের হরমোন সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। যেমন—ব্রাজিল নাট, কাঠবাদাম, আখরোট বা বীজজাতীয় খাবার। এগুলো শরীরকে দীর্ঘসময় শক্তি দেয় এবং হঠাৎ ক্ষুধা লাগা কমায়।

হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে হলে প্রথমেই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আর এটি সম্ভব সঠিক সকালের নাস্তার মাধ্যমে। সকালের নাস্তায় শুধু রুটি বা বিস্কুট না খেয়ে তার সঙ্গে অবশ্যই প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি যোগ করা উচিত। আমিষভোজীরা ডিম খেতে পারেন, আর নিরামিষভোজীরা ডাল, ছোলা, পনির বা প্রোটিন শেক নিতে পারেন। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় অন্তত ২০–৩০ গ্রাম প্রোটিন থাকার চেষ্টা করা উচিত।

প্রোটিন আমাদের শরীরের কোষ গঠন, হরমোন তৈরি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৮০ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন হতে পারে (ওজন ও শারীরিক পরিশ্রম অনুযায়ী কমবেশি হতে পারে)। তাই প্রতিটি মিলেই কিছু না কিছু প্রোটিন রাখার চেষ্টা করা উচিত।

কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার যেমন ভাত, রুটি বা আলু খাওয়ার সময় তার সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণ সবজি রাখা খুব জরুরি। চেষ্টা করুন কার্বোহাইড্রেট ও সবজির অনুপাত অন্তত ১:১ রাখতে। যারা ওজন কমাতে চান, তারা ১:২ বা ১:৩ অনুপাতে (এক ভাগ ভাত/রুটি, দুই বা তিন ভাগ সবজি) খেতে পারেন। এতে পেট ভরা অনুভূতি থাকবে, কিন্তু অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ হবে না।

রাতের খাবার যত দ্রুত সম্ভব শেষ করা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এতে হজম ভালো হয়, ঘুমের মান উন্নত হয় এবং হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় থাকে।

শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। অনেক সময় আমরা আমাদের আবেগ বা মানসিক চাপ চেপে রাখি। কিন্তু দীর্ঘদিন তা জমে থাকলে তা শারীরিক সমস্যায় রূপ নিতে পারে। তাই নিজের অনুভূতিগুলো বোঝা, প্রয়োজন হলে কারও সঙ্গে কথা বলা এবং মানসিক চাপ কমানোর উপায় খোঁজা জরুরি।

এই সহজ নিয়মগুলো নিয়মিত অনুসরণ করলে শরীরের অনেক সাধারণ সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব। ছোট ছোট পরিবর্তনই দীর্ঘমেয়াদে বড় সুফল এনে দিতে পারে। নিয়মিত, সচেতন ও সুষম জীবনযাপনই সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি।

✍️নিলুফার ইয়াসমিন দিপা
ফুড এন্ড নিউট্রিশন

রমজান মাসে হাঁটাহাঁটি ও ব্যায়াম: কখন, কীভাবে এবং কেন?রমজান মাস হলো ধর্মীয় অনুশীলন, আধ্যাত্মিকতা ও সংযম প্রকাশের মাস। এ...
19/02/2026

রমজান মাসে হাঁটাহাঁটি ও ব্যায়াম: কখন, কীভাবে এবং কেন?

রমজান মাস হলো ধর্মীয় অনুশীলন, আধ্যাত্মিকতা ও সংযম প্রকাশের মাস। এই মাসে আমাদের জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আসে। আমরা দীর্ঘ সময় রোজা রাখি, নামাজ পড়ি এবং রাত জেগে ইবাদত করি। ইবাদতের মাসটিতে শারীরিকভাবে ফিট থাকার চিন্তাও করতে হয়। কারন এ সময়টাতে বিভিন্ন ধরণের খাবার খাওয়া হয় বেশি। তাই অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে, রমজানে শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়ামের কি করবো?

তারাবিহর নামাজ কি ব্যায়াম বা শারীরিক পরিমশ্রমের বিকল্প হতে পারে?

হাঁ পারে। প্রতিরাতে এশার নামাজের সাথে 20 রাকাত তারাবিহর নামাজ পড়লে যে পরিমাণ শারীরিক পরিশ্রম হয় তাতে আলাদা করে ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই।

তবে যারা আলাদা করে ব্যায়াম করতে চান তারা ইফতার ও রাতের খাবারের মধ্যবর্তী সময়টাতে এ কাজটি সেরে নিতে পারেন। কারন তখন ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটির আগে ও পরে কিছু খেয়ে নেয়া যেতে পারে। ইফতারের পর এটা করা হয় বলে শরীরও অতটা ক্লান্ত থাকে না। তাছাড়া এ সময়টায় পরিশ্রম করার পর রাতের ঘুমটা ভালো হবে। আবার যারা সেহেরির সময় ঘুম থেকে উঠেন, তারা সেহেরীতে একটু আগে উঠে ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটির কাজটি সেরে সেহেরী খেতে পারেন।

কোন ধরণের ব্যায়াম করবেন?

✅ হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করবেন।
✅ হাঁটাহাঁটি যতটা সম্ভব হালকা করুন।
✅ ট্রেডমিলে হাঁটা, সাইকেল চালানো, কিছু ফ্রি-হ্যান্ড এবং ইয়োগা করা যেতে পারে।
✅ যেসব ব্যায়ামে খুব বেশি ঘাম হয়, সেগুলো এড়িয়ে চলুন।

কিছু সতর্কতা:

✅ বেশি তেল বা ঘিয়ে ভাজা খাবার না খেয়ে ব্যায়াম করা।
✅ ব্যায়ামের জন্য উপযুক্ত কাপড় পরা।
✅ হৃদরোগী, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ব্যায়াম করা।

পরিশেষে, রমজান মাসে নিয়মকানুন মেনে সঠিকভাবে ব্যায়াম করলে শরীর ও মন সুস্থ থাকবে এবং রোজা রাখাও সহজ হবে।

19/02/2026

ইফতার শুরু করেছেন? দেখুন আপনি সঠিক খাবার খাচ্ছেন কি না!

পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা।💫সবার রোজা হোক সুস্থ, শান্তিময় ও বরকতময়। রমজান শুধু আত্মশুদ্ধির মাস নয়, এটি আমাদের খাদ্যাভ্যা...
18/02/2026

পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা।💫
সবার রোজা হোক সুস্থ, শান্তিময় ও বরকতময়। রমজান শুধু আত্মশুদ্ধির মাস নয়, এটি আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রা ঠিক করারও একটি সুন্দর সুযোগ। তাই এই মাসে সচেতন খাদ্যাভ্যাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
রমজানে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে শরীরের শক্তি ও পানির চাহিদা সঠিকভাবে পূরণ করা দরকার। ইফতার ও সেহরিতে সুষম খাবার খাওয়া উচিত—যাতে শর্করা, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ সবই থাকে। ভাত, রুটি বা ওটসের মতো জটিল শর্করা, ডাল, ডিম, মাছ বা মুরগি এবং শাকসবজি ও ফল রাখলে খাবার হবে পরিপূর্ণ ও পুষ্টিকর।
পানির পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করা খুব জরুরি। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত ধীরে ধীরে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। একসাথে অনেক পানি না খেয়ে সময় ভাগ করে ৮–১০ গ্লাস পানি পান করা ভালো। ডাবের পানি, লেবুর শরবত (কম চিনি দিয়ে) বা ফলের প্রাকৃতিক রসও উপকারী হতে পারে। অতিরিক্ত কফি ও কোমল পানীয় এড়িয়ে চলা ভালো, কারণ এগুলো শরীরকে ডিহাইড্রেট করতে পারে।
ইফতার শুরু করতে পারেন ১–২টি খেজুর ও এক গ্লাস পানি দিয়ে। খেজুরে প্রাকৃতিক চিনি, ফাইবার ও খনিজ রয়েছে, যা দ্রুত শক্তি জোগায়। তবে খেয়াল রাখতে হবে, বেশি খেজুর খাওয়া ঠিক নয়—পরিমিত পরিমাণই যথেষ্ট।
রমজানে ভাজাপোড়া খাবারের প্রতি আমাদের ঝোঁক বেশি থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত বেগুনি, পিয়াজু, সমুচা বা অন্যান্য তেলেভাজা খাবার হজমের সমস্যা, অম্বল ও ওজন বৃদ্ধি করতে পারে। তাই ভাজাপোড়া কম খেয়ে, বিকল্প হিসেবে বেকড বা সেদ্ধ খাবার বেছে নেওয়া ভালো। ফল, ছোলা, দই, সালাদ ইত্যাদি স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে।
সবশেষে, রমজানে নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত বিশ্রামও জরুরি। সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও সচেতনতা আমাদের রোজাকে করবে আরও সুস্থ ও উপভোগ্য।

আল্লাহ আমাদের সকলকে সুস্থতা ও তাকওয়া দান করুন। সবাইকে রমজানের আন্তরিক শুভেচ্ছা।

Address

Manchester

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nusrat Jahan - Registered Nutritionist UK and Clinical Dietitian BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nusrat Jahan - Registered Nutritionist UK and Clinical Dietitian BD:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category