27/02/2026
আজ আমি অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছি। আজ আমি আমাদের এই ঐতিহ্যের প্রতীক, পরম শ্রদ্ধেয় হরিণমন্দিরে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানকার বর্তমান ভগ্ন দশা দেখে আমার মন ব্যথায় ভরে উঠেছে। যে মন্দির এক সময় আমাদের আধ্যাত্মিক চেতনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, আজ তার এই জীর্ণ অবস্থা আমাদের চরম উদাসীনতারই পরিচয় দিচ্ছে।
এই টিনের চালের মন্দিরটি আজ স্রেফ একটি কাঠামোয় পরিণত হয়েছে। বৃষ্টির জল ভেতরে ঢুকছে, দেওয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে। এই মন্দির শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় স্থান নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। একে এই অবস্থায় ফেলে রাখা মানে আমাদের শিকড়কে অবমাননা করা।
আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে জানি, শরীরের ক্ষত যেমন অবহেলা করলে পচন ধরে, তেমনি সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ক্ষত মেরামত না করলে আগামী প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না। এই মন্দিরের দ্রুত সংস্কার এবং একে একটি সুন্দর রূপ দেওয়া আজ সময়ের দাবি।