24/01/2026
সাল টা ২০০০ সদ্য মাধ্যমিক দিয়ে হাই স্কুলে সাইন্স নিয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছি | সুযোগ পেয়েছি বলার কারণ তখন বসিরহাট মহাকুমার বিভিন্ন শহর ও গ্রামের মাধ্যমিকের কৃতি ছাত্রদের স্বপ্নের গন্তব্য বসিরহাট হাই স্কুল | সত্যি সব ছাত্রের স্বপ্ন বসিরহাট হাই স্কুলে পড়াশোনা করবে | বসিরহাট হাই স্কুলে তখন প্রবাদপ্রতিম স্যারদের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ হয়েছিল |
একটা ছোট্ট ঘটনা বলি
সেই সময় আমরা হাই স্কুলের অনেক ছাত্ররা বাংলা বিষয়ের টিউশন পড়তে গিয়েছিলাম বসিরহাট টাউন হাই স্কুলের শ্রীনিবাস দাস স্যারের কাছে || প্রথম দিন্ শ্রীনিবাস দাস সবার নাম আর স্কুলের নাম জিজ্ঞাসা করছিলেন | সবাই একে একে নিজের নাম এবং স্কুলের নাম বলছিলো যখন আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন তখন আমি নাম বলে বললাম আমি হাই স্কুলের ছাত্র, শ্রীনিবাস স্যার বলেছিলেন ' সেরা স্কুল ' আমার বুকটা গর্বে ফুলে উঠেছিলো
ওখানে উপস্থিত সকল হাই স্কুলের ছেলেদের গর্বে বুক ফুলে উঠেছিল
আমাদের হাই স্কুল আমাদের গর্ব,
হাইস্কুল প্রতিটি ছাত্র ছাত্রীদের গর্ব
বসিরহাট হাই স্কুলের প্রতিটি শিক্ষক শিক্ষিকার গর্ব
বসিরহাট বাসির গর্ব
বসিরহাট মহাকুমার সেরার সেরা স্কুল, আমাদের গর্বের বসিরহাট হাই স্কুল |
পশ্চিমবঙ্গের এরকম খুব কম স্কুল আছে যে স্কুল ১৫০ বছর গর্বের সাথে অতিক্রান্ত করেছে |
লক্ষধিক ছাত্র ছাত্রী এই স্কুলের থেকে পড়াশোনা করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে | বসিরহাটের হাই স্কুলের কৃতি ছাত্র রা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে নিজেদেরকে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত করে চলেছে |
আজ ২৪শে জানুয়ারি বসিরহাটের ১৫০তম প্রতিষ্ঠা দিবস | হাই স্কুলের সেই বিরলতম গর্বের দিন আজ যেভাবে পালন করা হলো সেটা কি স্কুলের অমর্যাদা করা হলো না???
হাই স্কুলের প্রতিটি ছাত্র ছাত্রী ও শিক্ষকদের অপমান করা হলো না??
গর্বের দিনটিকে রাজনৈতিক রঙ লাগিয়ে কেন কালিমালিপ্ত করা হলো??
এই প্রশ্ন থাকলো বসিরহাট হাই স্কুলের প্রতিটি ছাত্র ছাত্রী ও প্রাক্তনীদের কাছে
ডাঃ শৌর্য্য ব্যানার্জী
বসিরহাট হাই স্কুলের প্রাক্তনী