24/12/2025
খিদে না রে… ভেতর থেকেই দিচ্ছে ডাক, তাই তো মিষ্টির টান!
রিমি আজকাল খুব চেষ্টা করছে, ওয়েট ।
ভাত কমিয়েছে, ভাজা বন্ধ করেছে,
চা-তেও চিনি কম।
ভাত কমিয়েছে, ভাজা বন্ধ করেছে,
চা-তেও চিনি কম।
সকালে উঠে তাড়াহুড়ো।
এক কাপ চা, ব্যস।
দুপুরে অফিসে কাজের চাপে ঠিক করে খাওয়া হয়নি।
কখনও একটু ভাত, কখনও শুধু সবজি।
জল খাওয়াও মনে থাকে না।
সব ঠিকঠাকই চলছিল…
যতক্ষণ না বিকেলটা এল।
তবু বিকেল হলেই মাথার ভেতর একটা কথা ঘোরে—
একটু মিষ্টি হলে মন্দ হয় না… ।
রিমি তো নিজেই অবাক।
তার তো খিদে পায় নি ,
তাহলে এই খিদের ইচ্ছেটা আসছে কোত্থেকে ?
চোখে চকলেটের ছবি ভাসে।
মিষ্টির দোকানের কথা মনে পড়ে।
ফ্রিজ খুলে বারবার দেখে— কিছু খাবার আছে নাকি!
শেষে আর পারল না।
একটু মিষ্টি খেয়েই ফেলল।
খাওয়ার পরেই মনটা খারাপ।
“ইস্… আমি আবার ডায়েট ভেঙে ফেললাম!”
আবার নিজেকে দোষ দেওয়া শুরু।
কিন্তু সত্যিটা কি জানো?
রিমি ডায়েট ভাঙেনি।
ভেঙেছে তার বডি ব্যালান্স।
সারাদিন ডায়াটের নামে ঠিকমতো না খেলে,
প্রোটিন কম হলে,
জল কম খেলে,
ঘুম ঠিক না হলে—
শরীর তখনই হয়তো স্পষ্টভাবে বলে না।
সে সহজ ভাষায় বলে—
আমাকে তাড়াতাড়ি এনার্জি দাও।
আর শরীর জানে,
সবচেয়ে সহজে এনার্জি আসে
একমাত্র চিনি থেকে।
তাই এটা কোনও লোভ নয়।
এটা হল দুর্বলতা ।
এটা ওর শরীরের ভিতরের চাহিদা ।
তাই , ডায়েট মানে খিদে চেপে রাখা না।
ডায়েট মানে নিজেকে কষ্ট দেওয়া না।
ডায়েট মানে শরীরকে না খাইয়ে রাখা না,
ডায়েট মানে ঠিক সময়ে, ঠিক জিনিসটা খাওয়ানো—
যাতে শরীর আর ‘এনার্জি চাই’ বলে চেঁচামেচি না করে।
তুমি যদি রিমির মতো
বারবার ডায়েট শুরু করে মাঝপথে ভেঙে পড়ো,
মিষ্টির টান সামলাতে না পারো,
নিজেকে দোষ দিতে দিতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ো—
তাহলে সমস্যাটা তোমার নয়।
সমস্যাটা হলো, তুমি একা ।
ডায়েট আন্দাজে করলে উলটো ফল হতে পারে ,
কিন্তু শরীর বুঝে প্ল্যান করলে
সে নিজেই সহযোগিতা করতে শুরু করে।
এই জায়গাটাতেই দরকার
একজন অভিজ্ঞ গাইড—
যিনি শুধু কী খেতে হবে তা না,
কেন, কখন আর কতটা—
সবটা বুঝিয়ে দেবেন ।
তাই আর দেরি না করে যোগাযোগ করুন আমার সাথে , আপনাদের প্রিয় ফিটনেস কোচ তনুশ্রী চক্রবর্তীর সাথে 9382733892 নাম্বারে , আমার ঠিকানা খানাকুল, আরামবাগ, হুগলী ।